Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৯. বিশাল পদ্মানদীর এপার ওপার

    বিশাল পদ্মানদীর এপার ওপার দেখা যায় না। চৈত্র মাসের আকাশে কোথাও কোথাও গুচ্ছ গুচ্ছ। মেঘ জমেছে, যে-কোনও সময় ঝড়ের সম্ভাবনা। ছলাৎ ছলাৎ শব্দে ঢেউ ভাঙছে স্টিমারের গায়ে। স্টিমারের ডেকে দাঁড়িয়ে আছেন স্বামী বিবেকানন্দ। নদীর এমন রূপ আর কোন দেশে দেখা যায়? স্বামীজিও এর আগে পূর্ববঙ্গে আসেননি।

    নদীতে মোচার খোলার মতন দুলছে প্রচুর জেলে ডিঙি, মাছ ধরা চলছে। এখন ইলিশের সময়, সরস্বতী পুজো পার হয়ে গেলে ইলিশ ভোলা শুরু হয়। স্টিমারের প্রায় লাগোয়া কয়েকটি নৌকোয় উঠছে ইলিশ মাছ, জাল টেনে তোলার পর ইলিশ একবার দুবার লাফিয়েই নিস্পন্দ হয়ে যায়। এ মাছ বড় স্পর্শকাতর, জল থেকে তোলার পর ওপরের বাতাসে কয়েক মুহূর্তের বেশি বাঁচে না। স্বামী বিবেকানন্দ এরকমভাবে, এত কাছ থেকে মাছ ধরা কখনও দেখেননি, জীবন্ত ইলিশ দর্শন করা তো দুর্লভ সৌভাগ্যের ব্যাপার। মাছের কী রূপ, যেন ঝকঝকে একটা রূপোর পাত। যেন নদীর অলঙ্কার।

    অনেক মাছই স্বামীজির প্রিয়, বিশেষত ইলিশ। শরীর ভাল নেই, চিকিৎসকরা খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে অনেক বিধিনিষেধ জারি করেছেন। শরীরটা কিছুতেই সারছে না, মাঝে মাঝেই শ্বাসকষ্ট হয়, হাঁপানির টান ওঠে। তা বলে কি এমন টাটকা ও নিখুঁত গড়নের ইলিশ দেখে লোভ সংবরণ করা। যায়!

    পাশের এক শিষ্যকে বললেন, ওরে কানাই, গোটাকতক ইলিশ কেন না! বেশ পাতলা ঝোল হবে। দু-একখানা পেটির মাছ ভাজা!

    শিষ্য কুণ্ঠিতভাবে বলল, আপনার কি ইলিশ সহ্য হবে?

    স্বামীজি বললেন, সহ্য হবে কি না আমি বুঝব। চোখের সামনে এমন ইলিশ দেখেও কেউ চলে যেতে পারে? তোরা দর করতে গেলে দাম বেশি চাইবে, ভাববে বিদেশি লোক, সারেঙসাহেবকে বল, তিনি ঠিক দর জানবেন।

    এই ইলিশের স্বাদ গ্রহণের ইচ্ছে আরও অনেকের ছিল, স্বামীজির স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে কেউ মুখ খোলেনি। এবার কয়েকজন মহা উৎসাহে গিয়ে সারেঙকে ধরল। সারেঙসাহেব ভোঁপ ভোঁপ শব্দে কয়েকবার সিটি বাজিয়ে জেলে ডিঙিগুলোকে সচকিত করলেন, তারপর হাতছানি দিয়ে দু-তিনজনকে কাছে ডাকলেন।

    অনেক দর কষাকষির পর ঠিক হল, চার পয়সায় এক একটি ইলিশ পাওয়া যেতে পারে। বেশ বড় বড় মাছ, কোনওটারই ওজন দেড় সের, পৌনে দু সেরের কম নয়। স্বামীজির সঙ্গী দলটিতে রয়েছে সাত আটজন, কানাই তাই বলল, তিনটি কিংবা চারটি কিনি, তাতেই কুলিয়ে যাবে।

    স্বামীজি ধমক দিয়ে বললেন, দূর বোকা, আমরা কজনে মিলে খাব, আর এই স্টিমারের খালাসি-মাল্লারা চেয়ে চেয়ে দেখবে? কিপটেমি করিসনি, পুরো এক টাকা দিয়ে গোটা ষোলো মাছ কিনে ফেল, আজ সকলে মিলে ভোজ হবে।

    নৌকো থেকে বেছে বেছে মাছ ভোলা হচ্ছে, স্বামীজি মুগ্ধভাবে দেখছেন। একসময় অন্যমনস্কভাবে হাত বাড়িয়ে বললেন, ওরে কানাই, তামাক দে।

    কানাই দৌড়ে গিয়ে হুঁকো-কন্ধে সেজে নিয়ে এল।

    দ্বিতীয়বার স্বামীজি আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানত মিশনের কাজের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও নিজের চিকিৎসা করাবার জন্য। কোনওটাতেই বিশেষ সফল হননি। জোসেফিন কত যত্ন করেছে, ডাক্তার হেলমার নামে একজন বড় চিকিৎসককে ডেকে এনে দেখিয়েছে। ডাক্তার হেলমারের মতে, বহুমূত্র ও হাঁপানি ছাড়াও স্বামীজির হৃৎপিণ্ড ও মূত্রাশয়ও কিছুটা জখম হয়েছে, তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন এখনও নিরাময়ের অতীত নয়, তিনি স্বামীজিকে আগেকার মতন সুস্থ করে তুলতে পারবেন। কই পারলেন না তো! অবশ্য সেরকম বিশ্রামও নেওয়া হল না। ডাক্তার বলেছিলেন, ধুমপান আস্তে আস্তে কমিয়ে একেবারে ছেড়ে দিতে হবে। স্বামীজি ছাড়তে পারেননি। কখনও উত্তেজিত বা প্রফুল্ল বোধ করলে, কিংবা গভীর চিন্তার সময় ধূমপানের জন্য অন্তরাত্মা ছটফট করে।

    তামাক টানতে টানতে স্বামীজির আর একটি সাধ জাগল। ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাক বড় তোফা হয়। অনেকদিন খাওয়া হয়নি। পুঁইশাক পাওয়া যাবে কোথায়? স্টিমার ভেড়ানো হল এক গ্রামের ঘাটে, সেখান থেকে শুধু পুঁইশাক নয়, খুব ভাল জাতের চাল সংগ্রহ করা হল। ভূরিভোজের সময় স্বামীজি স্বয়ং সারেঙ ও মাল্লাদের আপ্যায়ন করে খাওয়াতে লাগলেন।

    এই সব সময়ে শরীর খারাপের কথা একেবারেই মনে থাকে না। অনেকেই এই দেখে বিস্মিত হয়, আজ যে মানুষটি রোগে কাতর, পরদিন তিনিই কী করে সাগ্রহে চলে যান হিমালয়ে, কিংবা কোন শক্তিতে বক্তৃতা করেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা, মঠের খুঁটিনাটি ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন, পোষা পশুপাখিদের পরিচর্যা করেন নিজের হাতে!

    খানিক বাদে বিশ্রম্ভালাপের সময় একজন কৌতুক করে বলল, স্বামীজি, আপনি খিচুড়ির গন্ধ পেয়ে বেলুড় মঠের গেট ডিঙিয়েছিলেন মনে আছে?

    স্বামীজি হা-হা করে হেসে উঠে বললেন, খিচুড়ির গন্ধ পেয়ে, ঠিক বলেছিস! শুধু গেট ডিঙোনো নয়, আমেরিকা থেকেই লাফিয়ে চলে এসেছি।

    বেশিদিন আগের কথা নয়, এবারে আমেরিকায় গিয়ে এক এক সময় এমন মনে হত যে বুঝি হঠাৎ মরেই যাবেন। তখন ব্যস্ত হয়ে ভাবতেন, যদি সেরকমই হয়, তা হলে স্বদেশে গিয়ে দেহরক্ষা করাই ভাল। আবার দু-একদিনের মধ্যে চাঙ্গা হয়ে উঠলে সে কথা মনে থাকত না। আমেরিকায় তাঁর সঙ্গিনী ধনী মহিলাদের ভ্রমণের নেশা, এ ছাড়া তাঁদের অন্য কাজও তেমন কিছু নেই। স্বামীজিও ভ্রমণে খুব উৎসাহী। আমেরিকা ছেড়ে তিনি প্যারিসে এলেন, সেখানে ধর্মমহাসভায় যোগ দেওয়ার ব্যাপার ছিল। শিকাগোর ধর্ম মহাসভার সঙ্গে অবশ্য এই মহাসভার কোনও তুলনাই চলে না। প্যারিসে বিখ্যাত গায়িকা শ্রীমতী কালভে মিশরে বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছা করে স্বামীজিকে আমন্ত্রণ জানালেন, স্বামীজিও সঙ্গে সঙ্গে রাজি।

    ভ্রমণসূচি হল এইরকম : বিখ্যাত ওরিয়েন্টাল এক্সপ্রেস ট্রেনযোগে ভিয়েনা হয়ে কনস্টান্টিনোপল। তারপর জাহাজে গ্রিস, ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইজিপ্ট, সেখান থেকে এশিয়া মাইনর হয়ে জেরুজালেম। কিন্তু ইজিপ্ট ঘুরে দেখার সময় মন আবার উতলা হয়ে উঠল, শরীরও যেন। বইছে না। পথসঙ্গীরা যখন ইজিপ্ট ছেড়ে আবার অন্যত্র পাড়ি দেওয়ার কথা চিন্তা করছে, তখন স্বামীজি বললেন, তোমরা যদি কিছু না মনে করো, আমি এখান থেকেই দেশে ফিরে যেতে চাই। স্বামীজির ইচ্ছেতে কেউ বাধা দিতে চান না। কয়েকবার থেকে যাওয়ার অনুরোধ করে শ্রীমতী কালভে স্বামীজির জন্য ভারতমুখী জাহাজের প্রথম শ্রেণীর টিকিট কেটে দিলেন। স্বামীজির আর জেরুজালেম দেখা হল না।

    প্রথমবার আমেরিকা থেকে ফেরার সময় অভ্যর্থনা জানাবার জন্য কী বিপুল জনসমাগম হয়েছিল, পথের বিভিন্ন নগরে কত সংবর্ধনার আয়োজন হয়েছিল। দ্বিতীয়বার এলেন নিঃশব্দে। বম্বের জাহাজঘাটায় যখন নামলেন, কেউ তাঁর জন্য দাঁড়িয়ে নেই, কেউ তাঁকে চেনে না। সাধারণ যাত্রীর মতন নিজের মালপত্র বয়ে নিয়ে রেল স্টেশনে গিয়ে কলকাতার ট্রেন ধরলেন। ট্রেনের কামরাতেও সাহেবি পোশাক পরা এই মানুষটির প্রকৃত পরিচয় কেউ জানতে পারল না, তিনি এক কোণে বসে আপনমনে চুরুট টানছিলেন। অনেকক্ষণ পর একজন বাঙালি ভদ্রলোক উঠে এসে জিজ্ঞেস করলেন, মাপ করবেন, আপনাকে চেনা চেনা লাগছে, আপনি কি মিস্টার নরেন দত্ত?

    হাওড়া স্টেশনে পৌঁছবার পর অন্য কোথাও যাওয়ার চিন্তা না করে স্বামীজি একটা গাড়ি ডেকে সোজা চলে এলেন বেলুড় মঠে। তখন সন্ধে হয়ে এসেছে। দিনাবসানে মঠের বাগানের গেটে তালা পড়ে যায়। বাগানের মালি দূর থেকে দেখে ভাবল, সত্যি বুঝি এক সাহেব এসেছে, সে ভয় পেয়ে ছুটে গেল ভেতরে খবর দিতে। স্বামীজি শুনতে পেলেন, ভেতরে ঘণ্টা বাজছে। তিনি বুঝতে পারলেন, মঠবাসীরা এখন সবাই মিলে খেতে বসবে। তাঁর আর তালা খোলবার সবুর সইল না। গেট বেয়ে উঠে লাফিয়ে পার হয়ে দ্রুত পদে তিনি চলে এলেন খাওয়ার ঘরে।

    মঠবাসীরা হতভম্ব। প্রথমে অনেকে চিনতেই পারল না, গুরুভাইরা চিনতে পেরেও যেন নিজেদের চক্ষুকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। সবাই জানে, স্বামী বিবেকানন্দ এখন বিদেশে রয়েছেন, বিনা আড়ম্বরে, বিনা অভ্যর্থনায় তিনি সশরীরে এখানে উপস্থিত, এও কী হতে পারে। সঙ্গীসাথী কেউ নেই, জয়ধ্বনি নেই!

    স্বামীজি হাতে হাত ঘষে বললেন, আঃ চমৎকার খিচুড়ির গন্ধ বেরিয়েছে। শেষ হয়ে গেল নাকি? ওরে দে দে, আমার জন্য একটা পাত পেড়ে দে! কাঁচালঙ্কা আছে তো? কতদিন খিচুড়ি খাইনি!

    দ্বিতীয়বারের ফেরাটা যে একেবারে অন্যরকম হয়েছে, শুধু তাই নয়, দ্বিতীয়বার আমেরিকায় গিয়ে তাঁর কিছু কিছু মোহভঙ্গও হয়েছে। প্রথমবার সে দেশের সমৃদ্ধির ভাল দিকগুলিই চোখে পড়েছিল। অনেক কিছু দেখেই চমক লাগত। এবারে সেই বিস্ময়বোধ ছিল না, তিনি দেখতে পেয়েছিলেন ওই সমৃদ্ধির মূলে আছে শোষণ। আমেরিকানরা পরিশ্রমী ও উদ্যমী জাত, উদ্ভাবনী শক্তিও আছে, সেই সঙ্গে আছে লোভ ও স্বার্থপরতা। মানবিক সম্পর্কের চেয়েও বেশি প্রকট ব্যবসাদারি মনোভাব। ছোট ছোট কারবারিদের গিলে খায় বড় বড় কারবারিরা।

    সতীর্থ ও শিষ্যদের কাছে এবারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে করতে স্বামীজি এক এবার বিরক্তিতে। বলে ওঠেন, নরক, নরক!

    অবশ্য স্বামীজি ওদেশে অনেক উন্নতমনা, সদাশয় বন্ধুও পেয়েছেন। সেরকম বন্ধু অতি দুর্লভ।

    স্টিমার একসময় পৌঁছে গেল নারায়ণগঞ্জ। আগে থেকেই খবর জানা ছিল বলে এখানে বেশ কিছ নোক স্বাগত জানাবার জন্য উপস্থিত। নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রেনে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকা আসা যায়, সেখানে এক জমিদারের বাড়িতে সদলবলে স্বামীজির আতিথ্যের ব্যবস্থা হয়েছে।

    ঢাকায় পৌঁছেই স্বামীজি কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, আমার মা এসেছেন?

    খোঁজখবর নিয়ে জানা গেল, স্বামীজির মা এসে পৌঁছবেন আরও দু দিন পরে। স্বামী ব্রহ্মানন্দ সব ব্যবস্থা করেছেন।

    পূর্ববঙ্গে স্বামীজি বিশেষ কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে আসেননি। খানিকটা ভ্রমণ, খানিকটা মায়ের সাধপূরণ। সন্ন্যাসী হয়েও নরেন্দ্রনাথ পূর্বাশ্রমের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ত্যাগ করেননি। মায়ের প্রতি তাঁর বরাবর দুর্বলতা। যে মানুষ নিজের মাকে ভালবাসে না, মাতৃস্নেহ উপেক্ষা করে, তার পক্ষে কি মানুষের সেবা করা সম্ভব! মায়ের অনেক বয়েস হয়েছে, তিনি যাতে কষ্ট না পান সেদিকে স্বামীজি সবসময় লক্ষ রাখেন। শ্রীমতী ম্যাকলাউড স্বামীজির হাতখরচের জন্য প্রতি মাসে পঞ্চাশ ডলার দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, তিনি মাঝে মাঝে আরও টাকা দিয়ে সাহায্য করেন, স্বামীজি তার থেকে মায়ের জন্য একশো টাকা ও এক বোনের জন্য পঞ্চাশ টাকা মাসোহারা পাঠান।

    দেশে ফিরে পরপর অতি প্রিয় দুজনের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে স্বামীজি খুব আঘাত পেয়েছেন। সস্ত্রীক শ্রীযুক্ত সেভিয়ার হিমালয়ের মায়াবতীতে আশ্রম স্থাপন করেছিলেন, তিনি হিন্দুত্ব বরণ করে বেদান্ত প্রচারের বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। সেভিয়ারের অসুস্থতার সংবাদ স্বামীজি বিদেশে থাকতেই পেয়েছিলেন, কিন্তু প্রত্যাবর্তনের আগেই সেভিয়ার শেষনিশ্বাস ফেলেছেন। শ্রীমতী সেভিয়ারকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও স্বামীজি চলে গেলেন হিমালয়ে।

    খেতরির রাজা অজিত সিং নরেন্দ্রনাথ থেকে স্বামী বিবেকানন্দের উত্তরণে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। স্বামীজির অকৃত্রিম ভক্ত হিসেবে তিনি কতভাবে যে সাহায্য করেছেন তার ইয়ত্তা নেই। সেই খেতরির রাজার কী মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু ঘটে গেল! সেকেন্দ্রায় সম্রাট আকবরের সমাধিভবনটি একটি শিল্পমণ্ডিত স্থাপত্য, রক্ষণাবেক্ষণের অমনোযোগে সেটি জরাজীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। অজিত সিং নিজ ব্যয়ে সেটি সংস্কারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, শুধু তাই নয়, অত্যুৎসাহী হয়ে তিনি মেরামতির কাজ নিজে দেখতে যেতেন। একদিন তিনি একটা সুউচ্চ গম্বুজের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন, এমন সময় দমকা বাতাস উঠল, সেই বাতাসের ধাক্কায় রাজা পড়ে গেলেন কয়েকশো ফুট নীচে।

    এই দুজনের মৃত্যুশোক স্বামীজির বুকে খুব জোর ধাক্কা দিয়েছিল। শরীর দুর্বল থাকলে মনও দুর্বল হয়ে যায়। বাইরে ঘোরাঘুরি করলে তবু কিছুটা ভাল থাকেন, বেলুড় মঠে থাকতে শুরু করলেই স্বাস্থ্য ভাঙে। মঠের পরিচালন ব্যবস্থা থেকে নিজেকে বিযুক্ত করে নিয়েছেন। কার্যত তাঁর কথাতেই সব চলে বটে, কিন্তু আইনত তাঁর নাম আর কোথাও নেই। কিছুদিন আগে পর্যন্ত স্থানীয় মিউনিসিপ্যালিটি বেলুড় মঠ ও সংলগ্ন জমিকে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সম্পত্তি বলে গণ্য করেনি, খাতায়পত্রে এসব ছিল নরেন দত্তর বাগানবাড়ি। সম্প্রতি স্বামীজি কয়েকজনের নামে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে তাদের নামে সব সম্পত্তি তুলে দিয়েছেন, ব্রহ্মানন্দ সেই ট্রাস্টের সভাপতি।

    শরীর ভাল থাকে না বলেই মাঝে মাঝে মঠ ছেড়ে কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে হয়। পূর্ববঙ্গ আসাম কখনও দেখা হয়নি, এর মধ্যে মা একবার তীর্থদর্শনের ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। মায়ের এই শেষ বয়েসের সাধ আর অপূর্ণ থাকে কেন!

    ব্রহ্মপুত্রের তীরে লাঙ্গলবন্ধ একটি বিখ্যাত তীর্থ। বুধাষ্টমীর সময় এখানে পুণ্যস্নানে বহু দূর দূর থেকে মানুষ আসে। কথিত আছে যে পরশুরাম এখানে স্নান করে মাতৃবধের পাপ থেকে উদ্ধার পেয়েছিলেন। এই লাঙ্গলবন্ধে এবার এক গৃহী মাতা ও তাঁর সন্ন্যাসী পুত্র একসঙ্গে স্নান করবেন।

    ঢেঁকি-পাড়ানিকে যেমন স্বর্গে গিয়েও ধান ভানতে হয়, তেমনই স্বামী বিবেকানন্দ যেখানেই যাবেন, বক্তৃতা না দিলে ছাড়াছুড়িন নেই। ঢাকাতেও অনেকে তাঁকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য চেপে ধরল, শারীরিক অসুস্থতার কথা কেউ গ্রাহ্যই করে না। স্বামীজি বললেন, দাঁড়া বাবা দাঁড়া, একটু জিরিয়ে নিই, মাকে নিয়ে তীর্থস্থানটা ঘুরে আসি, তারপর ঢাকায় থাকব দু-চারদিন।

    মা একা এলেন না, সঙ্গে তাঁর মেয়ে, এক বোন ও আর কয়েকজন মহিলা। একটা বড় নৌকো ভাড়া করে স্বামীজি সকলকে নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন। বুড়িগঙ্গা নদী ধরে কিছুটা গেলে নারায়ণগঞ্জের কাছে শীতলক্ষা নদীতে পড়া গেল। সেই নদী থেকে ধলেশ্বরী, তারপর ব্রহ্মপুত্র। নদীমাতৃক দেশ, চতুর্দিকেই জল, মাঝে মাঝে দ্বীপের মতন এক একটি গ্রাম। জলের এই রূপ দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। এ দলের অধিকাংশই কলকাতার মানুষ, কখনও নৌকায় বেশি দূরের পথ পাড়ি দেয়নি, তাদের কাছে এ এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।

    লাঙ্গলবন্ধে পৌঁছে কিন্তু আবার অন্যরকম হয়ে গেল। তীর্থস্থানগুলিতে সৌন্দর্যের বদলে কুশ্রীতাই প্রকট। লক্ষ মানুষের ভিড় এখানে, চতুর্দিকে কোলাহল এবং আবর্জনা। এটা ব্রহ্মপুত্রের মূল ধারা নয়, পুরনো খাত, জল খুবই অগভীর, পারে থিকথিক করছে কাদা। তীর্থযাত্রীরা অস্থায়ী উনুনে রান্না করে খাচ্ছে, ধোঁয়া ও এঁটোকাঁটা ছড়ানো। এরকম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যখন তখন কলেরা শুরু হয়ে যেতে পারে। জল এত ময়লা যে তাতে স্নান করতেই ভক্তি হয় না, এখানে স্নান করলে পুণ্য অর্জন হবে, এরকম বিশ্বাস করাই শক্ত, তবু অনেকে বিশ্বাস করে। জানার

    স্বামীজি পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে খুব পিটপিটে। ঘাটের অবস্থা দেখে তিনি সবাইকেই সাবধান করে দিলেন। এখানকার জল কারুর খাওয়া চলবে না। অনেকে পুণ্য সলিল মনে করে ঘটিবাটিতে তুলে তুলে জল খাচ্ছে, কেউ কেউ বোতলে ভরে নিয়ে যাচ্ছে। সরকার থেকে কাছেই একটা টিউবওয়েল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, সেদিকে কারুর ভুক্ষেপ নেই। স্বামীজি নির্দেশ দিলেন, ওই টিউবওয়েলের জল সকলকে পান করতে হবে, মানান্তে ওই জলেই ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে হাত-পা।

    পুজো সেরে নিয়ে স্বামীজি সবাইকে নিয়ে নদীতে নামলেন। সযত্নে জননীর হাত ধরে বললেন, আমার সঙ্গে এসো মা, পারের কাছটা বড় নোংরা, মাঝনদীতে তোমাকে ডুব দেওয়াব।

    মা বললেন, ওরে বিলে, আমি তো সাঁতার জানি না, ডুবে যাব না তো রে!

    স্বামীজি বললেন, মা, আমি খুব ভাল সাঁতার জানি। হেদোতে কত সাঁতার কাটতুম তোমার মনে নেই?

    মা হঠাৎ ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।

    কত স্বামীজি ব্যস্ত হয়ে বললেন, কী হল, কী হল, পায়ে তোমার কিছু ফুটেছে?

    মা বললেন, তা নয় রে। আজ আমার বড় সুখ। তুই আমার হাত ধরেছিস। ভেবেছিলাম আমার এই ছেলেটা জন্মের মতো হারিয়ে গেল–

    স্বামীজি বললেন, হারাব কেন মা! আমি তো মনে মনে একদণ্ডও তোমাকে ছাড়িনি। আমি তোমার কাছেই আছি।

    মা বললেন, দূর বিদেশে গিয়ে বছরের পর বছর থাকিস, কোনও খবর পাই না। আবার কোথাও চলে যাবি না তো?

    স্বামীজি বললেন, নাঃ, আর কোথাও যাব না!

    লোকজনের ভিড় থেকে সরে এসে মধ্যনদীতে মাকে কয়েকটি ডুব দেওয়ালেন স্বামীজি। তারপর সাবধানে তাঁকে তীরে পৌঁছে দিয়ে নিজে কিছুক্ষণ সাঁতার কাটলেন। এখানেও তাঁকে কেউ চেনে না, মনে করেছে আরও অনেকের মতন একজন গেরুয়াধারী সন্ন্যাসী। আগেকার মতন সাঁতার কাটার আর দম নেই। পা ভারী হয়ে গেল, একটুক্ষণের মধ্যেই তিনি হাঁপিয়ে গেলেন।

    তীর্থস্থানে বেশিক্ষণ না থেকে শুরু হল ফেরার পথে যাত্রা। নৌকো চলতে শুরু করার পর স্বামীজি জনে জনে জিজ্ঞেস করলেন, কেউ নদীর জল একফোঁটাও খাওনি তো? সত্যি করে বললো!

    সবাই দৃঢ়বাক্যে স্বীকার করল, তারা অক্ষরে অক্ষরে স্বামীজির নির্দেশ পালন করেছে।

    স্বামীজি মুচকি হেসে বললেন, আমি কিন্তু ডুব দিয়ে এক ঢোঁক জল খেয়ে নিয়েছি। কী জানি বাবা, কোথা দিয়ে পুণ্য ঢুকে পড়ে কে জানে! যদি এই জলে আমার হাঁপানিটা সেরে যায়।

    তাঁর বলার ভঙ্গি দেখে সবাই হেসে গড়াগড়ি যেতে লাগল।

    ঢাকায় ফিরে আবার চট্টগ্রামের চন্দ্রনাথ তীর্থে যাওয়ার কথা। সেখান থেকে আসামের কামাখ্যা। কিন্তু এর মধ্যেই ঢাকার ভক্তরা কয়েকটি বক্তৃতার আয়োজন করে ফেলেছে। সুতরাং কয়েকদিন থেকে যেতেই হবে। একদিন জগন্নাথ কলেজে আর একদিন পাগোজ স্কুলের প্রাঙ্গণে দীর্ঘ বক্তৃতা দিতে হল। তাও ইংরেজিতে। সাধারণ লোক সব বুঝুক না বুঝুক, তারা ইংরেজিতেই শুনতে চায়, ইংরেজি না হলে উচ্চাঙ্গের কিছু বলে মনে হয় না।

    ইংরেজি বলা সাধুর নামও ছড়ায় তাড়াতাড়ি। স্বামীজির ঢাকায় আগমনের খবর খুব বেশি লোক জানত না, এই বক্তৃতার ফলে বহু লোক জানল, তারা দলে দলে ছুটে এল তাঁর বাসভবনে। বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম প্রশ্ন, কেউ উপদেশ চায়, কেউ চায় সান্ত্বনা। সারাদিন জনসমাগম লেগেই আছে, কথা বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে যান স্বামীজি, তবু নিস্তার নেই।

    একদিন অনেক লোকের সঙ্গে কথা সেরে দুপুরবেলা স্নানাহারের জন্য যাওয়ার আগে দোতলার বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন স্বামীজি। নীচে একটি ফিটন গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে, তার সামনে কয়েকজন লোক উত্তেজিতভাবে কী যেন বলছে। এ গৃহের একজন কতা একটি লাঠি তুলে ভয় দেখাচ্ছেন যেন কাকে। স্বামীজি কৌতূহলভরে ওপর থেকে জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে রে কানাই?

    কানাই বলল, ও কিছু নয়। আপনি ভেতরে যান। ফিটন গাড়ি থেকে এক রমণী মুখ বার করে ওপরের দিকে তাকাল। সেই মুখোনি দেখেই স্বামীজি ব্যাপারটি বুঝতে পারলেন। সে মুখ কোনও সাধারণ গৃহস্থ রমণীর নয়। গাল গোলাপি বর্ণে রঞ্জিত, ভুরুতে কাজল, চোখ দুটিতে সুর্মা টানা, দৃষ্টিও কেমন ভাসা ভাসা। এ রমণী নিশ্চিত কোনও বাঈজি বা বারবনিতা।

    এই কয়েক দিনে ঢাকা শহর সম্পর্কে পরিচিত হয়েছেন স্বামীজি। কলকাতার চেয়েও অনেক পুরনো শহর এই ঢাকা, তবু এখানে গ্রামীণ ও নাগরিক সভ্যতা এখনও সহাবস্থান করে আছে। কিছু কিছু পাকা বাড়ির পাশাপাশি প্রচুর খোলার ঘর ও বস্তি। বুড়িগঙ্গার ধারে অনেকগুলি সুদৃশ্য অট্টালিকা আছে জমিদার, অভিজাত ও ব্যবসায়ীদের, নদীবক্ষ থেকে ওই সব প্রাসাদমালা দেখে মুগ্ধবোধ হলেও ভেতরে ভেতরে রয়ে গেছে অনেক নোংরা ও কদর্য স্থান। রমনা নামে স্থানে ঢাকেশ্বরীর একটি অতি প্রাচীন মন্দির আছে, কিন্তু সে স্থানে এমনই গভীর জঙ্গল যে বন্য জীবজন্তুর ডাক শোনা যায় দিনেদুপুরে।

    এ শহরে হিন্দুর চেয়ে মুসলমানের সংখ্যা কিছু বেশি। মুসলমানদের মধ্যে কিছু অতিশয় ধনী ও অভিজাত থাকলেও অধিকসংখ্যকই অতি দরিদ্র ও শ্রমজীবী। সে তুলনায় হিন্দুদের মধ্যে একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে উঠেছে। তবে মহররম, ইদ, জন্মাষ্টমী ও দুর্গোৎসবে হিন্দু মুসলমান মিলেমিশে যোগদান করে।

    শহরতলীর দিকে ওয়ারি নামে এক অঞ্চলের জঙ্গল সাফ করে নতুন নতুন ঘরবাড়ি নির্মিত হচ্ছে প্রধানত সরকারি কর্মচারীদের জন্য। সরকার নগরায়ণে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ঋণও দিচ্ছে। সেই নতুন ঢাকায় এক বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছিলেন স্বামীজির দুই সঙ্গী। ফেরার সময় রাত্রি হয়ে যায়, পথ হারিয়ে তাঁরা কোনদিকে গিয়ে পড়েছিলেন ঠিক নেই, হঠাৎ যেন দেখতে পেলেন আলো ঝলমল এক মায়াপুরী, ঘরে ঘরে শোনা যাচ্ছে নূপুরের নিক্কণ, হাসির হররা, উন্মত্ত হুল্লোড়, আলুথালু বেশে এক বাড়ি থেকে ছুটে বেরিয়ে এল এক যুবতী, তাকে তাড়া করে এল দুজন পুরুষ। সেই দৃশ্য দেখে সন্ন্যাসীদ্বয় চোঁ-চা দৌড় লাগিয়েছিলেন।

    পরে তাঁদের মুখে সেই ভয়কাহিনী শুনে হেসেছিলেন স্বামীজি। সব শহরেই কিছু অতিরিক্ত অর্থবান ও বাবু শ্রেণীর লোক থাকে, প্রমোদ বিলাসিতা ছাড়া যারা অন্য কিছু জানে না। জমিদাররা প্রজার অর্থ শোষণ করে নিজেদের ভোগবাসনার জন্য অজস্র ব্যয় করে। তাদের লালসা মেটাবার জন্যই অজস্র সাধারণ ঘরের মেয়েদের বারবনিতায় পরিণত করা হয়। স্বামীজি নিজেও কায়রো শহরে ভুল করে এরকম এক পতিতাপল্লীতে গিয়ে পড়েছিলেন। ভয় পাওয়ার কী আছে? নিজেদের দোষে তো নয়, সমাজের দোষেই এরা পতিতা। অদ্ভুত এই পুরুষদের সমাজ। রাতেরবেলা যেসব রমণীদের কাছে পুরুষরা ছুটে যায়, দিনেরবেলা সেই রমণীদের দেখলেই দুর দুর ছাই ছাই করে। যেন তারা অস্পৃশ্য।

    স্বামীজি বললেন, কানাই, যদি আমার সঙ্গে দেখা করতে চায়, ওপরে পাঠিয়ে দে।

    স্ত্রীলোক একজন নয়, দুজন। একজন বেশ বয়স্কা, অন্যজন পরিপূর্ণ যুবতী এবং অতীব। রূপসী। এই দিনের বেলাতেও তার সাজগোজের কিছুমাত্র ঘাটতি নেই। রূপোর চুমকি বসানো নীল রেশমের শাড়ি পরা, সবাঙ্গে হীরে-মুক্তোর গহনা। সে অবশ্য মুখোনি নত করে আছে। বোঝাই যায়, এরা মা ও মেয়ে।

    মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম জানিয়ে বয়স্কা মহিলাটি বললেন, সাধু মহারাজ, বড় আশা করে আপনার কাছে এসেছি। আমরা অভাগিনি, আমাদের এরা ঢুকতে দিতে চাইছিল না, কিন্তু ভগবান কী অভাগিনিদের দয়া করেন না?

    স্বামীজি স্মিতহাস্যেই চেয়ে রইলেন।

    স্ত্রীলোকটি আবার বলল, এই আমার মেয়ে। বাইরে থেকে বোঝা যায় না, কিন্তু মেয়ে আমার খুবই অসুস্থ। হাঁপানির টান এক-এক সময় এত অসহ্য হয় যে যন্ত্রণায় মাটিতে গড়াগড়ি করে। মা মা বলে কাঁদে। মহারাজ, আপনি একে উদ্ধার করুন।

    স্বামীজি এবার একটু চওড়া করে হাসলেন। বাইরে থেকে বোঝা যায় না। তাঁকেও তো দেখে অনেকেই বোঝে না যে তিনি কত অসুস্থ। অনেকেই এখনও মনে করে, তাঁর শরীরে সিংহের বিক্রম!

    তিনি মৃদু স্বরে বললেন, মা, আমি আপনার মেয়েকে কী করে উদ্ধার করব বলুন তো! আমি মানুষের মনের শুশ্রূষা করতে তবু কিছুটা পারি, মানুষের শরীরের রোগ সারাবার কোনও ক্ষমতা তো

    আমার নেই। আমার গুরুরও ছিল না। আপনি ভুল সাধুর কাছে এসেছেন। [ স্ত্রীলোকটি বলল, না, না কী হয়! কত লোক বলাবলি করছে যে ঢাকায় মস্ত বড় এক সাধু এসেছেন। আমি ভিক্ষা চাইছি মহারাজ, এ মেয়ের কষ্ট চোখে দেখা যায় না। আপনি মন্ত্র পড়ে একটা ওষুধ দিন।

    স্বামীজি বললেন, আমি কী ওষুধ দেব? সেরকম মন্ত্রও আমি জানি না। আমার নিজেরই হাঁপানির অসুখ আছে। সেটাই তো সারাবার হদিশ পেলাম না আজ পর্যন্ত!

    স্ত্রীলোকটি অবিশ্বাসের সঙ্গে কান্না মেশানো দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন একটুক্ষণ। তারপর ধরা গলায় বললেন, প্রভু, আমাদের সঙ্গে ছলনা করছেন! সাধু-সন্ন্যাসীদের কখনও রোগভোগ হয় না।

    স্বামীজি বললেন, মা, তা ঠিক নয়। সাধুরাও মানুষ। তাঁরাও রোগ-ভোগ, জরা-মৃত্যুর অধীন। তাঁদেরও সময় ফুরোলে দেহরক্ষা করতে হয়। নইলে তো অমর সাধুতে দেশটা ভরে যেত।

    তবু মানতে চান সে রমণী, বারবার একই অনুরোধ করে যেতে লাগলেন। হাপুস নয়নে কেঁদে লুটোলেন মাটিতে। শেষ পর্যন্ত বললেন, মহারাজ, ওষুধ না দিন, আপনি আমার মেয়েকে ছুঁয়ে একবার আশীর্বাদ করে দিন, তাতেই কাজ হবে।

    এতক্ষণ পর মেয়েটি বলল, মা, চলো, এখানে বসে থেকে ওঁকে বিরক্ত করে আর লাভ নেই। আমরা পাপী, উনি আমাদের স্পর্শ করবেন না।

    স্বামীজি এবার ডান হাত তুলে মেয়েটির মাথায় রেখে বললেন, আমি আশীবাদ করলে যদি তোমার রোগ নিরাময় হয়, তা হলে সর্বান্তঃকরণে আশীবাদ করছি। সেই সঙ্গে আমার একটা অনুরোধ আছে। যদি অন্য কোনও সাধু কিংবা ডাক্তারবদ্যির কাছ থেকে সত্যিই হাঁপানির কোনও ওষুধ পাও, তা হলে আমাকেও একটু দিয়ে যেয়ো। আমিও ওই রোগে বড় কষ্ট পাই।

    মা-মেয়ে প্রস্থান করার পর স্বামীজি বড় একটা নিশ্বাস ফেললেন। অনেকক্ষণ ধরে নম্র, ভদ্র ব্যবহার করারও একটা ক্লান্তি আছে। অবুঝদের কী করে বোঝানো যায়! সম্প্রতি এই এক উৎপাত শুরু হয়েছে। অনেকেই এসে কোনও না কোনও রোগের ওষুধ চায়। এদেশের মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক তৃষ্ণা আর কতজনের, অধিকাংশই অলৌকিকত্বে বিশ্বাসী। তারা মনে করে, সাধু হলেই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হবে। যার অলৌকিক ক্ষমতা নেই, সে আবার সাধু কীসের?

    কিছু কিছু সাধুর নামে নানান আষাঢ়ে গাল-গল্প ছড়ায় বলেই এই বিপত্তি।

    স্বামীজি উঠতে যাচ্ছেন, দেখতে পেলেন দরজার কাছে দেওয়াল ঘেঁষে একটি যুবক দাঁড়িয়ে আছে। কখন সে ঢুকেছে তিনি খেয়াল করেননি। বেশ ছিপছিপে, ফর্সা, সুদর্শন ছোঁকরাটি, স্বামীজির সঙ্গে চোখাচোখি হতেই হাত কপালে চুঁইয়ে বলল, আসোলামু আলাইকুম।

    স্বামীজি বললেন, তোমার আবার কী চাই?

    ছেলেটি লাজুক লাজুক ভাব করে বলল, তেমন কিছু না। আপনাকে একটু দেখতে এসেছি।

    স্বামীজি এবার খানিকটা রুক্ষ স্বরে বললেন, এখন তো দেখার সময় নয়। তোমরা কি আমাকে খাওয়া-দাওয়া করতেও দেবে না। অনেক বেলা হয়ে গেছে।

    যুবকটি বলল, আপনি খেয়েদেয়ে আসুন, আমি অপেক্ষা করব।

    স্বামীজি বললেন, খাওয়ার পরেও আমি কিছুক্ষণ বিশ্রাম করব।

    যুবকটি বলল, তা হলে বিকালবেলা… আমি থাকব ধারেকাছেই।

    স্বামীজি আর ভুক্ষেপ না করে চলে গেলেন অন্দরমহলে। সারাদিন ধরে অনর্গল বকবক করতে হয়। মানুষকে ফেরাতেও ইচ্ছে করে না। গুরুর একটা কথা মনে পড়ে, একটাই তো ঢাক, তার আর কত বাজাবে! হঠাৎ ফেঁসে যাবে না!

    স্বামীজি খেতে না বসলে মাও খাবেন না। বহুঁকাল বাদে মা আর ছেলে একসঙ্গে বসবেন খেতে, মা মাঝে মাঝে এক একটা গেরাস তুলে দেন ছেলের মুখে। শিশুর মতন আহ্লাদ হয় স্বামীজির। মায়ের সুখ দেখেই তাঁর সুখ।

    খাওয়ার পর মাকে আগে ঘুম পাড়িয়ে দিলেন, তারপর নিজে বিছানায় শুয়ে তামাক টানলেন কিছুক্ষণ। একসময় ঘুমে চোখ জড়িয়ে এল। কোনওদিন তাঁর দিবানিদ্রার অভ্যেস ছিল না। এখন শরীর বিশ্রাম চায়।

    বেশিক্ষণ ঘুমোলেন না। কীসের যেন একটা অস্বস্তি, হঠাৎ মনে পড়ল মুসলমান ছেলেটির কথা। সে কি এখনও বসে আছে?

    তিনি উঠে চলে এলেন দোতলার বৈঠকখানায়। সে ঘরে আর কেউ নেই, ঠিক একই জায়গায় দেওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যুবকটি।

    স্বামীজি কৌতূহলী হয়ে বললেন, কী ব্যাপার তোমার বলো তোকী চাও আমার কাছে?

    যুবকটি আমতা আমতা করে বলল, কী চাই, মানে, কিছুই চাই না। হুজুর, আমার নাম আবদুল সাত্তার। পাগোজ স্কুলের ময়দানে আপনার বক্তৃতা শুনতে গিয়েছিলাম, আপনার সব কথা বুঝিনি, কিন্তু তারপর কী যে হল, খালি মনে হয়, আপনাকে আবার দেখি, আপনার কাছে বসে থাকি। আমি মুসলমান, আপনি হিন্দু সন্ন্যাসী, আপনার কাছে আমি কী কথাই বা বলতে পারি! অথচ মনে আমার অনেক প্রশ্ন।

    স্বামীজি ফরাসের ওপর চাপড় মেরে বললেন, দাঁড়িয়ে আছ কেন? এখানে কাছে এসে বসো আবদুল। আমি শুধু হিন্দু সন্ন্যাসী তো নই, আমি ভারতীয় সন্ন্যাসী। বিদেশে যখন যাই, তখন ভারতীয় হিসেবে যাই। মুসলমানদের বাদ দিয়ে কী ভারত হতে পারে? তোমরা জানো না, এবারেই তো আমেরিকার এক জায়গায় আমার বক্তৃতায় বিষয় ছিল শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর বাণী’। কাগজে সেরকম বিজ্ঞাপনও বেরিয়েছিল। মঞ্চে উঠে শেষ মুহূর্তে আমি বিষয়টা বদলে দিলাম, মহম্মদ ও তার বাণী।

    আবদুল বিস্মিতভাবে জিজ্ঞেস করল, কেন, বদলালেন কেন?

    স্বামীজি বললেন, বদলালাম, তার কারণ, একটু আগে ওখানে একজন ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে একটা বিশ্রী মন্তব্য করেছিল। ওরা তো অনেক বিষয়েই অজ্ঞ। কিছুই জানে না। খ্রিস্টানরা সেই যে মুসলমানদের সঙ্গে ক্রুসেড লড়েছিল, তারপর থেকে এখনও অনেক ভুল ধারণা নিয়ে বসে আছে। তাই মনে হল, শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে তো অনেক বলেছি, এবারে ইসলামের সমভ্রাতৃত্ব, উচ্চ আদর্শের কথা এদের বুঝিয়ে বলি।

    আবদুল বলল, কোনও মৌলবি তো হিন্দু ধর্মের প্রশংসা করবে না, আপনি কেন করলেন?

    স্বামীজি বললেন, সকলে করে না বটে, তবে এরকম দু একজন শিক্ষিত মৌলবিও আমি দেখেছি, যাঁরা অন্য ধর্মের মহত্ত্বের কথাও স্বীকার করেন।

    আবদুল জিজ্ঞেস করল, আপনার ওই বক্তৃতা খ্রিস্টান সাহেবরা শুনল? মানল?

    স্বামীজি বললেন, শুনেছে, মেনেছে কি না জানি না। দু-চারজন অবশ্য গর্দভের মতন প্রশ্ন করছিল। বহুবিবাহে ওদের ঘোর আপত্তি। মহম্মদ কেন অতগুলি বিয়ে করেছিলেন, সেটা ওরা কিছুতে মানতে পারে না।

    আবদুল সভয়ে এদিক ওদিক তাকাল। তারপর বলল, এটা তো আমারও প্রশ্ন। আমাদের পয়গম্বর এতগুলি বিবাহ করে আমাদের সামনে কী দৃষ্টান্ত রাখলেন? নিজের ভাই-বেরাদারদের কাছে এ প্রশ্ন তোলাই যায় না, তা হলে খুন করে ফেলবে। আপনি আমাকে একটু বুঝিয়ে দেবেন?

    স্বামীজি গম্ভীরভাবে বললেন, মহাপুরুষদের জীবন ওভাবে বিচার করতে নেই। মহাপুরুষদের চরিত্র রহস্যাবৃত, তাঁদের কার্যধারা দুর্ভেয়। তাঁদের বিচার করতে যাওয়া আমাদের পক্ষে অনুচিত। ওদেশের খ্রিস্টানদের আমি বুঝিয়েছি, দুর্জনরা সদাই দোষত্রুটি খোঁজে। মাছি হোয়ো না, মৌমাছি হও। মহাপুরুষ দুশো পত্নী গ্রহণ করতে পারেন, উল্টোদিকে তোমাদের মতন ভূতকে একটি পত্নীও গ্রহণের অনুমতি দেওয়া যায় না। খ্রিস্টই মহম্মদের বিচার করতে সমর্থ, তুমি আমি কে? শিশুমাত্র! এই সকল মহাপুরুষকে কী করে বুঝব!

    কথায় কথায় ইসলামের গৌরব কাহিনী, ভারতের বিজয়ী শাসক মুসলমান ও সাধারণ ধর্মান্তরিত মুসলমানের তফাত ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে বোঝাতে লাগলেন স্বামীজি। তারপর একসময় বললেন, শেষ পর্যন্ত আমরা মানবজাতিকে সেই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যেখানে বেদও নেই, বাইবেলও নেই, কোরানও নেই।

    আবদুল মুগ্ধ হয়ে শুনছিল, এইখানে আবার ভয় পেয়ে বলল, সর্বনাশ, এ কথাটা বলবেন না, কোরান নেই, এমন অবস্থাটা মুসলমানরা সহ্য করবে না।

    স্বামীজি বললেন, আহা, কোরান নেই মানে কী, কোরান মুছে ফেলা নয়। বেদবাইবেল-কোরানের সমন্বয়েই হবে মানব ধর্ম।

    আবদুল দু দিকে সজোরে মাথা নেড়ে বলল, উহুঃ, এটাও বিপজ্জনক কথা। অন্য ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে কোরানকে মিশিয়ে ফেলার কথাও না-পাক।

    স্বামীজি বললেন, আমি যা বলতে চাই, তা তুমি বুঝতে পারছ না বোধ হয়। সমগ্র মানবজাতির কথা ছেড়ে দাও, আমাদের এই দেশের পক্ষে, এ দেশের উন্নতি ঘটাতে হিন্দু ধর্ম ও ইসলাম ধর্ম, এই দুই মহান মতের সমন্বয়, বৈদান্তিক মস্তিষ্ক ও ইসলামীয় দেহ, একমাত্র আশা!

    আবদুল বলল, হিন্দুদের মাথা বললেন আর মুসলমানের দেহ! তার মানে মুসলমানদের বুদ্ধি নেই, শুধু শক্তি, এ আপনি কী বলছেন স্বামীজি!

    স্বামীজি বললেন, আরে দুর, এইভাবে অর্থ হয় নাকি! এ দুটোই হল প্রতীক।

    আবদুল বলল, প্রতীক কজন বুঝবে?

    স্বামীজি তাঁকে প্রতীক বোঝাতে লাগলেন। বলতে বলতে হঠাৎ থেমে গেলেন এক জায়গায়। উৎকর্ণ হয়ে বললেন, রাস্তায় একটা ফেরিওয়ালা হাঁকছে। কী বিক্রি করছে দেখো তো!

    জানলা দিয়ে উঁকি মেরে আবদুল বলল, চানা ভোলা।

    স্বামীজি বলল, যাও, খানিকটা কিনে আনো তো? অনেক জ্ঞানের কথা হয়েছে। এখন একটু ছোলাভাজা খাওয়া দরকার। বেশ করে ঝাল দিয়ে নিয়ে এসো—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }