Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. অর্ধেন্দুশেখর এখন কর্মহীন

    অর্ধেন্দুশেখর এখন কর্মহীন। বাংলা রঙ্গমঞ্চের এই বহুরূপী নট নিজে থিয়েটার চালাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। তিনি জাত শিল্পী, কিন্তু থিয়েটার চালানো তো একটা ব্যবসারই মতন, সেই ব্যবসাদারি তাঁর ধাতে নেই। থিয়েটার ছেড়ে দিলেও পাওনাদাররা তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল, একদিন তিনি নিজের সব সোনা রূপোর মেডেল ও স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে সব দেনা মিটিয়ে দিলেন। সংসাব চালাবার দায় অবশ্য তাঁর নেই, ছেলে বড় হয়েছে, সে বাবাকে এই দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিয়েছে।

    বাড়িতে বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারেন না অর্ধেন্দুশেখর, পথে পথে ঘুরে বেড়ান। সাতচল্লিশ বছর বয়েস, শরীর এখনও বেশ মজবুত আছে, হাঁটতে তাঁর ভাল লাগে। মঞ্চে অভিনয়ের সময় অর্ধেন্দুশেখর এতরকম ভূমিকায় এত বিভিন্ন ধরনের মেকআপ নিয়েছেন যে তাঁর আসল চেহারা বহু মানুষই চেনে না। রাস্তায় কোথাও জটলা দেখলে তিনি উঁকি মারেন, কোথাও দাঁতের মাজনের ফেরিওয়ালা ম্যাজিক দেখাচ্ছে, কোথাও সাপুড়ে দেখাচ্ছে সাপ-খেলা। অর্ধেন্দুশেখর জানেন না এমন বিষয় যেন নেই, ম্যাজিকওয়ালাকে হতচকিত করে তিনি নিজেই একটা ম্যাজিক দেখিয়ে ফেলেন, সাপুড়ের পাশে বসে পড়ে তার হাত থেকে পেট-ফুলো বাঁশিটি নিয়ে এমন চমৎকার ভাবে বাজাতে থাকেন যে পথচারীরা তাজ্জব বনে যায়।

    সবাই জানে, অর্ধেন্দুশেখর নিরহঙ্কার, দিলখোলা, কৌতুকপ্রবণ মানুষ। কিন্তু তাঁর আত্মমর্যাদা জ্ঞান যে কত সুক্ষ্ম, সে খবর অনেকেই রাখে না। থিয়েটার-অন্তপ্রাণ এই মানুষটি এখন কোনও থিয়েটারে ধারে কাছেও যান না একেবারেই। থিয়েটারের কোনও পরিচিত ব্যক্তিকে রাস্তায় দূর থেকে দেখতে পেলেই তিনি ফুটপাথ বদল করেন। নট-নটীরা এক থিয়েটার বন্ধ হয়ে গেলে অন্য থিয়েটারে যায় কাজের সন্ধানে, অর্ধেন্দুশেখর নিজে থেকে কোথাও যাবেন না, এ তো জানা কথাই। পাছে অন্য কোনও দল থেকে কোনও অসঙ্গত প্রস্তাব আসে, সেই জন্যই তিনি মঞ্চ-সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের এড়িয়ে যান। যে-কোনও নাটকে যে-কোনও ছোটখাটো ভূমিকায় নামতে তিনি কখনও আপত্তি করেননি, অনেক ক্ষুদ্র ভূমিকায় তিনি অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু কিছুদিন আগে তিনি ছিলেন এক মঞ্চের মালিক, তারপর নাট্য-পরিচালক, এখন শুধুমাত্র অভিনেতা হিসেবে কোনও দল তাঁকে আহ্বান জানালেও তিনি যাবেন কেন? তিনি এক নম্বর হয়েছিলেন, সেখান থেকে আবার তিন-চার নম্বরে নেমে যাওয়া যায় না। ফেল করা নাট্য পরিচালককে আবার কেইবা ওই পদ দিতে চাইবে?

    অর্ধেন্দুশেখক বেকার হয়ে রইলেন তো বটেই, বাংলার রঙ্গমঞ্চও তাঁর প্রতিভার স্ফুরণ থেকে বঞ্চিত্ হয়ে রইল।

    সারাদিনে বোতল তিনেক দেশি মদ লাগে, সেই খরচটা তিনি ছেলের কাছ থেকে চাইতে পাবেন না। ঘড়ি-আংটি বিক্রি করে এখনও কোনওক্রমে চলে যায়। দিশি ছাড়া বিলিতি পানীয় কেউ সেধে দিলেও তিনি খান না। পরিচিত সবাইকে বলে রেখেছেন, তাঁর মৃত্যুর পর শবের ওপর কয়েক বোতল দিশি মদ ঢেলে দিয়ে যেন দেশলাই জ্বেলে দেওয়া হয়, চন্দন কাঠ-ফাটের দরকার নেই।

    একদিন অর্ধেন্দুশেখর পীরুর হোটেলে ঢুকে একজোড়া হাফ বয়েলড হাঁসের ডিমের অর্ডার দিয়ে একটা চুক টানছেন, দু’জন লোক তাঁকে দেখে এগিয়ে এল টেবিলের দিকে।

    অর্ধেন্দুশেখর মুখটা ব্যাজার করলেন। আবার থিয়েটারের লোক। এদের বলা যায় স্রোতের শ্যাওলা, ছোটখাটো ভূমিকায় অভিনয় করে, জীবনে কোনওদিনই বড় পার্ট পাবে না, এক থিয়েটার থেকে অন্য থিয়েটারে যায়, মাঝে মাঝে কোনও কাজই জোটে না। অর্ধেন্দুশেখর প্রায় সবকটা রঙ্গমঞ্চে কখনও না কখনও ছিলেন, ছোট বড় সবাইকেই চেনেন। এদের দুজনের নাম ব্যোমকেশ আর নীলধ্বজ, ব্যোমকেশকে তিনি একবার এক অভিনেত্রীর সঙ্গে রিহাসলের সময় খুনসুটি করার অপরাধে বরখাস্ত করেছিলেন।

    অর্ধেন্দুশেখর মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে রেখে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ওদের সঙ্গে কথা বলতে চান না। ওরা তা মানবে কেন? কাছে এসে হেসে বিগলিত ভাবে বলল, নমস্কার, নমস্কার, গুরু, বড় ভাগ্যে আপনার দর্শন পেলুম!

    অর্ধেন্দুশেখর শুকনো গলায় বললেন, আমি এখন আর কারুর গুরু-ফুরু নই!

    ব্যোমকেশ আর নীলধ্বজ ধপ ধপ করে বসে পড়ল দুটি চেয়ারে। অর্ধেন্দুশেখর আঙুল দিয়ে ছবি আঁকতে লাগলেন টেবিলে। একটুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর ব্যোমকেশ বলল, গুরু, কী ভাবছেন?

    অর্ধেন্দুশেখর বলল, এমন কিছু না। কী ভাবব, তাই-ই ভাবছি।

    নীলধ্বজ বলল, ক্লাসিক থিয়েটারে কী কাণ্ড হচ্ছে শুনেছেন?

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, না শুনিনি, শুনতেও চাই না।

    হোটেলের এক ছোকরা প্লেটে দুটি অর্ধসিদ্ধ ডিম এনে রাখল টেবিলে। অর্ধেন্দুশেখর তাড়াতাড়ি উঠে পড়ার উপক্রম করে বললেন, ওরে, পয়সা নিয়ে যা। কত দিতে হবে?

    ছোকরাটি বলল, আজ্ঞে দু’আনা।

    অর্ধেন্দুশেখর আঁতকে উঠে বললেন, দু’আনা? বলিস কী? এত দাম কেন, ডিমের জোড়া তো চার পয়সা।

    ছোকরাটি বলল, আজ্ঞে, কী করব বলুন, অজিকাল ডিম বড় মাগগি হয়েছে।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, কেন, হাঁসেরা আজকাল সব পরমহংস হয়ে উঠেছে নাকি?

    ব্যোমকেশ ও নীলধ্বজ অট্টহাসি করে উঠল। ওদের একজন টেবিল চাপড়ে বলল, যা বলেছেন, আজকাল পরমহংসদের বড় রবরবা। দক্ষিণেশ্বরের সেই পাগলাটার কথা তো লোকে ভুলোই গেলো, এখন তাঁর কোন এক শিষ্য নাকি বিলেত আমেরিকায় তার খুব নাম রটাচ্ছে। এদিকে গিরিশবাবুর কাণ্ডটা দেখুন, বাইরে এমন ভাব দেখান যেন পরমহংসের ভক্ত হয়ে একেবারে গদ্গদ, মুখ দিয়ে নাল গড়ায়। অথচ আগে যা যা চালাচ্ছিলেন, সবই তো চলছে। মদ-মাগি কিছুই বাকি নেই, টাকা পয়সার ব্যাপারেও সেয়ানা! এ যে বড় সুবিধাবাদের ভক্তি, কেমন কিনা!

    নীলধ্বজ বলল, পরশু গিরিশবাবুর কাছে গেলুম, বুঝলেন? বললুম যে, ক্লাসিকে ওই যে এক ছোকরা যা খুশি তাই করছে, আপনারা এর যযাগ্য উত্তর দিন। আপনি আর অর্ধেন্দুবাবু এক জোট হয়ে কোনও স্টেজে দাঁড়ালে ও ছোকরা এক ফুয়ে উড়ে যাবে! তা গিরিশবাবু কী বললেন জানেন? মাছি তাড়াবার মতন বাঁ হাত নেড়ে বললেন, যা যা, আমার সামনে অর্ধেন্দুর কথা উচ্চারণ করবিনি! সে একেবারে গোল্লায় গেছে।

    ব্যোমকেশ বলল, গিরিশবাবু আপনাকে বেদম হিংসে করেন। গিরিশবাবু তো বুড়ো ঘোড়া। পাবলিক এখনও আপনাকে চায়। উনি সেটাই সহা করতে পারেন না।

    অর্ধেন্দুশেখর নিঃশব্দে ডিম দুটি শেষ করে বললেন, কেউ একলা খেতে বসলে যে তার মুখের সামনে হাঁ করে বসে থাকতে নেই, সে ভদ্রতা-সভ্যতাটুকুও তোরা জানিস না! তোদের আমার চিনতে বাকি নেই। ভাবছিস, আমার সামনে গিরিশের নিন্দে করলে আমি খুশি হব। আবার গিরিশের কাছে গিয়ে আমার নামে কান ভাঙাবি! ওরে হারামজাদা, গিরিশ যদি আমাকে হিংসে করে থাকে, তা হলে সে তো যোগ্য লোককেই করে। তোদের মতন হেঁজিপেঁজি চুনোপুঁটিদের কি সে। হিংসে করতে যাবে? আমি মরলে ওই গিরিশই সবচেয়ে বেশি কাঁদবে। আর গিরিশ যদি আগে যায়, আমিই সত্যিকারের কাঁদব তার জন্য।

    অর্ধেন্দুশেখর উঠে দাঁড়াতেই ব্যোমকেশ ঝপাস করে তার পায়ে পড়ে বলল, ‘স্যার, আমাদের দু’জনকে উদ্ধার করুন। দুমাস কোনও কাজ নেই। আপনি গিরিশবাবুর সঙ্গে জয়েন করছেন না। জানি, আপনি কি তবে ক্লাসিকে যাচ্ছেন? আমরা আপনার পায়ের ধুলো, আমাদেরও সঙ্গে নিয়ে চলুন!

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, কী আপদ। ওঠ ওঠ। হোটেলের মধ্যে আর নাটক করতে হবে না। তোদের কে বলল, আমি ক্লাসিকে জয়েন করছি?

    ব্যোমকেশ বলল, লাইনের সবাই বলাবলি করছে, অর্ধেন্দু মুস্তৃফি কি চুপচাপ বসে থাকবে? ক্লাসিক তাকে লুফে নেবে!

    অর্ধেন্দুশেখর এবার ফিকে ধরনের হাসালেন। ক্লাসিক থিয়েটার থেকে তাঁকে লুফে নেওয়া দূরের কথা, কোনও প্রস্তাবই আসেনি। ক্লাসিকের নবীন পরিচালক পুরনো বয়স্ক অভিনেতা-অভিনেত্রী সবাইকে বাদ দিয়ে চলতে চায়।

    তিনি বললেন, যদি কোনও থিয়েটারে যোগ দিই, তা হলে কি আর ধুলো পায়ে যাব সেখানে? কেউ এসে পায়ে জল ঢেলে ধুইয়ে বরণ করে নেবে, তবে না! যা যা, ভাগ!

    অর্ধেন্দুশেখর ওদের এড়িয়ে পথে নেমে পড়লেন, কিন্তু ওদের কথায় তাঁর মনের মধ্যে একটু একটু জ্বালা করতে লাগল। ক্লাসিক থেকে তাঁকে ডাকেনি, মিনার্ভাও ডাকেনি। আর কেউ সাধাসাধি করবে না? নিজে থিয়েটার খোলার সাধ্য আর নেই, এখন থেকে তিনি বাতিলের দলে।

    রক্তে যাঁর থিয়েটারের নেশা ঢুকেছে, সে আর কিছুতেই ছাড়তে পারে না। অর্ধেন্দুশেখর একা একা পথ চলতে চলতে বিড়বিড় করে কোনও একটা পার্ট বলে যান। মানুষের সঙ্গ সহ্য হয় না বলে সন্ধের পর একা এসে বসে থাকেন গঙ্গার ধারে। সঙ্গে একটি বোতল। মাঝে মাঝে একটা করে চুমুক দেন আর একটা গোটা নাটকের সবকটা ভূমিকা গলার স্বর বদলে আবৃত্তি করে যান। অন্ধকার নদী আর এলমেলো বাতাস তাঁর শ্রোতা। এক সময় সেখানেই শুয়ে পড়েন তিনি। কলের জাহাজের ভোঁতে ঘুম ভেঙে ধড়মড় করে উঠে পড়ে দেখেন ভোর হয়ে গেছে। অর্ধেন্দুশেখর দু’হাত ছড়িয়ে অ্যাঁ শব্দ করে আড়মোড়া ভাঙেন।

    একটু দূরে একটা পাগল শুয়ে আছে, সেও বলে উঠল, অ্যাঃ।

    অর্ধেন্দুশেখর তার দিকে একবার তাকিয়ে একটা গান ধরলেন, ‘পতিতোদ্ধারিণী গঙ্গে মা—

    গো পাগলটি ভেঙচে উঠে গেয়ে উঠল, মা গো, মাগো!

    সেই উন্মাদের গলাটি বেশ গম্ভীর, সুরেলা। গান থামিয়ে অর্ধেন্দুশেখর বলেন, কে হে তুমি বাপধন, তুমিও থিয়েটার থেকে ছাঁটাই নাকি?

    পাগল বলল, বোম কালী কলকাত্তাওয়ালী!

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, ও তো সবাই পারে! আমি এইটে ধরছি, আমার সঙ্গে গলা মেলা দেখি।

    হাম বড়া সাব হয় ডুনিয়ামে
    None can be compared হামারা সাট
    Mr Mustafee name হামারা
    চাটগাঁও মেরা আছে বিলাট
    Rom-ti-tom-ti-tom…

    পাগল হাঁ করে চেয়ে রইল। অর্ধেন্দুশেখর গান শেষ করে বললেন, বুঝলি কিছু? বেশ তাগড়া চেহারা করেছিস তো। ওই দুনিয়া সত্যি বিচিত্র স্থান। তোরও নিশ্চয়ই দু’বেলা আহার্য জুটে যায়। আয় তো কাছে আয়, তোর জীবন কথা শুনি!

    তাঁর ডাকে সাড়া না দিয়ে সেই উন্মাদ তরতর করে নেমে গিয়ে জলে ঝাঁপ দিল। অর্ধেন্দুশেখর পকেট থেকে একটা আধ পোড়া চুরুট বার করে ধরালেন। এত সকালেই বেশ কিছু মানুষ গঙ্গায় স্নান করতে এসেছে। ভরা বর্ষার নদীকে মনে হয় যেন এক যৌবন-মদ-মত্তা রমণীর মতন। ছলাৎ ছলাৎ করে ঢেউ এসে ভাঙছে পাড়ে। অনেকগুলি ইলিশ মাছ ধরা নৌকো ছড়িয়ে আছে এধারে ওধারে।

    অর্ধেন্দুশেখরের শরীরে এখনও নেশার আলসা রয়ে গেছে, এমন সকাল সকাল তাঁর স্নান করার অভ্যেস নেই, গঙ্গা স্নানে পুণ্য অর্জন করারও প্রবৃত্তি নেই। তিনি কিছুটা বিস্মিত ভাবে পাগলটির ডুব দেওয়া দেখতে লাগলেন। তাঁর ধারণা ছিল, পাগলরা সহজে জল ছুঁতে চায় না।

    কয়েকবার ডুব দিয়ে পাগলটি দ্রুত গতিতে উঠে এসে অর্ধেন্দুশেখরের সামনে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বলল, দে। কিছু দে।

    পাগলটির পরনে একটি ছেঁড়া ধুতি, খালি গা, মুখভর্তি দাড়ি। চোখের দৃষ্টিতেই বোঝা যায়, তার মস্তিষ্কের স্থিরতা নেই।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, কী দেব?

    পাগলটি আবার বলল, দে, কিছু দে!

    অর্ধেন্দুশেখর রুক্ষ স্বরে বললেন, আমি ভিক্ষে দিই না, যা ভাগ হিঁয়াসে।

    আপন মনে বললেন, আমি নিজেই এখন ভিখিরি, অন্যকে দেব কী?

    পাগলটি তবু গেল না। অর্ধেন্দুশেখর এক দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে রইলেন। এ লোকটা ভিক্ষে চাইবার আগে গঙ্গায় ডুব দিয়ে শুদ্ধ হয়ে এল কেন? ঘাড়টা একটু বেঁকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, চোখের মণিদুটো যেন ঘুরছে, ঠোঁটে বিদ্রুপের হাসি। এ কী কোনও পাগল, না ছদ্মবেশী মহাপুরুষ!

    হঠাৎ অর্ধেন্দুশেখরের মনে হল, তিনি বেশ কয়েকবার মঞ্চে পাগল সেজেছেন, দর্শকদের হাততালিও পেয়েছেন, কিন্তু এমন ঘাড় বেঁকিয়ে তো দাঁড়াননি। ঠোঁটের হাসিটায় ওর পাগলামি যেন অন্য একটা মাত্রা পেয়েছে। এই লোকটাকে স্টাডি করলে ভবিষ্যতে তিনি পাগলের ভূমিকা অনেক নিখুঁত করতে পারবেন। তিনি যেন অভিনয় কলার একজন ছাত্র, এই হিসেবে পাগলটিকে নতুন আগ্রহ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলেন।

    এক সময় উঠে এসে ওর কাঁধে হাত দিয়ে বললেন, চলো দোন্ত, গরম গরম জিলিপি খাবে নাকি? আমার কাছে এখনও দু’আনা পয়সা আছে।

    পরদিনও অর্ধেন্দুশেখর ওই জায়গাটিতে এসে পাগলটির পাশে বসে তাকে দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করতে লাগলেন অনেকক্ষণ ধরে। পাগলটি মাঝে মাঝে দচারটি বাকা বলে, হাসে, হঠাৎ হঠাৎ মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে কাঁদে। অর্ধেন্দুশেখর তার জন্য খাবার কিনে আনেন, গরম রাধাবল্লভী হাতে নিয়ে সে মাঝখানে একটা ফুটো করে ফু দেয়, তারপর যেন প্রেমিকাকে অনুনয় করছে এই ভঙ্গিতে বলে, তোমাকে একটু খাই?

    অর্ধেন্দুশেখর তার প্রতিটি কথা, প্রতিটি ভঙ্গি মনে একে রাখেন। মঞ্চের সঙ্গে সম্পর্ক না থাক, তবু তিনি অভিনয় শিখে চলেছেন। মঞ্চের বাইরেই তো প্রকৃত অভিনয় শিক্ষা করা যায়।

    দিন চারেক তিনি পাগলটির সঙ্গে অনেক সময় কাটালেন। তারপর পাগলটি কোথায় উধাও হয়ে গেল। তারপর তিনি ভিড়ে গেলেন শশ্মশানের পাশে এক সাধুর আখড়ায়। এখানে মদ-গাঁজা সবই চলে, সাধুটি যে এক নম্বরের ভণ্ড তা বুঝে যেতে অর্ধেন্দুশেখরের একটুও বিলম্ব হল না, সম্ভবত কোনও ফেবার ডাকাত বা খুনি আসামি সাধু সেজে আছে। তা হোক না, এরকমও তো কোনও নাটকের চরিত্র হতে পারে। সব ধরনের চরিত্রই নাটকের কাজে লেগে যায়।

    প্রতি সন্ধেবেলা কলকাতা শহরের বিভিন্ন মঞ্চে যখন জ্বলে ওঠে পাদপ্রদীপের আলো, মুখে রং মেখে নট-নটীবা যখন হাসি-কান্নার অভিনয় করে যায়, অর্ধেন্দুশেখর বসে থাকেন অন্ধকার গঙ্গার ধারে। বেশির ভাগ দিনই একা, নিঃসঙ্গ। তাঁর অভিমানের দীর্ঘশ্বাস আর কেউ টের পায় না।

    গঙ্গার ধারে যাবার জন্য তাঁকে রামবাগানের মধ্য দিয়ে আসতে হয়। সন্ধের সময় এই অঞ্চলটাতে বেশ ভিড় থাকে। একটু অন্ধকার হবার পরই যেন এখানে অনেক ফুল ফোটে, সেই সব ফুলের টানে ছুট আসে অনেক বসের নাগব। একদিন একটা বাড়ির মধ্যে খুব চ্যাঁচামেচি শোনা গেল, একটি স্ত্রীলোক ডুকরে কাঁদছে, আর গর্জন করছে দু’তিনটি পুরুষ, মনে হয় যেন একটা খুনোখুনি কাণ্ড ঘটতে চলেছে। সে বাড়িটার দরজার সামনে জড়ো হয়েছে অনেক মানুষ। যেন এক্ষুনি কোনও সাংঘাতিক নাটকীয় কাণ্ড ঘটে যাবে।

    কৌতূহলী হয়ে অর্ধেন্দুশেখর জনতার পেছনে দাঁড়িয়ে গোড়ালি উঁচু করে উঁকি দিলেন। ও হরি, নাটকীর কাণ্ড কিছু নয়, সত্যি সত্যি নাটক। একটি শখের নাট্যদল ‘নীলদর্পণ’ নাটকের মহড়া দিচ্ছে।

    অর্ধেন্দুশেখর সেখান থেকে আর নড়তে পারলেন না। এই নীলদর্পণে তিনি কতবার কত চরিত্রে অভিনয় করেছেন। শেষবাব নীলদর্পণ মঞ্চস্থ হবার পরই তাঁর এমারাল্ড থিয়েটার উঠে যায়। তারপর থেকেই তো তাঁব কপাল পুড়েছে।

    লম্বা একটি হলঘরের মেঝেতে সতরঞ্চি পাতা, দুচারটে চেয়ার ছড়ানো, দশ-বারোজন লোক বিভিন্ন পার্ট মুখস্থ বলে যাচ্ছে, মাঝখানে পবিচালকের হাতে খাতা। দরজা বন্ধ রেখেও বাইরের লোকদের আটকানো যায় না, তারা জানলা দিয়ে উঁকিঝুঁকি মারে, বাইরে গোলমাল করে, তাই দ্বার উন্মুক্ত করে পাবলিককে রিহার্সাল দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তারা চুপ করে দাঁড়িয়ে দেখবে এই শর্তে। “ঝে মাঝে তাদের মধ্যে ফিসফিসানি শুরু হলে পরিচালক চেঁচিয়ে ওঠে, সাইলেন্স! সাইলেন্স!

    গঙ্গার ধারে আর যাওয়া হল না অর্ধেন্দুশেখরের। সেখানে জনতার মধ্যে সেঁটে রইলেন। একটু একটু করে এগোচ্ছেন সামনের দিকে। পাড়ার ক্লাবের শখের অভিনয়, কেউ-ই তেমন তৈরি নয়, এক একজন তোতলাচ্ছে, এক একজন পার্ট ভুলে যাচ্ছে, তবু তাই-ই দেখে যাচ্ছেন নটচুড়ামণি অর্ধেন্দুশেখর। হঠাৎ এক সময় তিনি চেঁচিয়ে উঠলেন, চোপ! তুম শালা নালায়েক আছে।

    সবাই চমকে ফিরে দাঁড়াল। পরিচালক ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, কে? কে বললে?

    দর্শকরা এ ওর মুখের দিকে তাকাতে লাগল। ঠিক কে যে বলেছে, তা বোঝা যায়নি। অর্ধেন্দুশেখর লজ্জা পেয়ে মুখটা নিচু করে ফেলেছেন। এ ভাবে মহড়ায় বিঘ্ন ঘটানো তাঁর উচিত হয়নি।

    পরিচালক আবার ধমকে উঠে বলল, এমন ভাবে ডিসটার্ব করলে কিন্তু আমি কারুকে অ্যালাউ করব না। একদম স্পিকটি নট হয়ে থাকতে হবে।

    আবার শুরু হল। অর্ধেন্দুশেখর ঠেলে ঠুলে একেবারে সামনে এসে পড়লেন একসময়। হলঘরের অভিনেতারা পার্ট বলে যাচ্ছে, তিনিও ঠোঁট নেড়ে চলেছেন। প্রত্যেকটি ভূমিকাই তার মুখস্থ, কতবার কতজনকে তিনি এইসব অভিনয় শিখিয়েছেন। শুনতে শুনতে তন্ময় হয়ে গেলেন তিনি, কাণ্ডাকাণ্ড জ্ঞান রইল না, মনে মনে পার্ট বলে যাচ্ছিলেন, আবার এক সময় গর্জন করে উঠলেন, আমি তুমার বাপ কেন হব, হামি তুমার ছেলিয়ার বাপ হইটে চাই।

    সাহেবের ভূমিকায় যে ব্যক্তিটি অভিনয় করছে তার বাচনভঙ্গি একেবারে ভেতো বাঙালির মতন। না আছে তেজ, না আছে দার্ট। যে-কোনও সাহেবের ভূমিকায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা অর্ধেন্দুশেখরের তা সহ্য হবে কেন?

    এবারে গণ্ডগোল সৃষ্টিকারীকে শনাক্ত করতে দেরি হল না। তোরাপের ভূমিকাভিনেতাটি ছুটে এসে অর্ধেন্দুশেখরের টুটি চেপে ধরে বলল, শালা, তুই আমাদের ভাঙচাচ্ছিস? মারব এক রদ্দা–

    অর্ধেন্দুশেখর আত্মস্থ হয়ে বললেন, না, না, ভ্যাওচাইনি, ভুল হয়ে গেছে, মাপ করে দিন। ঘণ্ডামাকা সেই লোকটি অর্ধেন্দুশেখরকে এক ঝাঁকুনি দিয়ে বলল, ভুল হয়ে গেছে? তুই কোন ক্লাবের? আমাদের থিয়েটার ভণ্ডুল করতে এসেছিস!

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, আজ্ঞে না, আমি কোনও ক্লাব থেকে আসিনি। সত্যি ভুল হয়ে গেছে, ক্ষমা চাইছি, ক্ষমা চাইছি…

    লোকটি তবু অর্ধেন্দুশেখরকে চপেটাঘাত করতে উদ্যত হল। অন্য দর্শকরাও বলতে লাগল, এ লোকটাকে দুর করে দাও! ভাগাও।

    পরিচালকটি শুধু একদৃষ্টিতে চেয়ে ছিল অর্ধেন্দুশেখরের দিকে, সে এবার বলল, আই, মারিস না। ওকে আমার সামনে নিয়ে আয়।

    অর্ধেন্দুশেখরকে হিড় হিড় করে টেনে আনা হল মাঝখানে। পরিচালক ভালভাবে নিরীক্ষণ করে জিজ্ঞেস করল, আপনি কে?

    দীর্ঘকায়, গৌরবর্ণ অর্ধেন্দুশেখরের মুখে খোঁচাখোঁচা পাঁচ দিনের দাড়ি। ধুতির ওপর উড়ুনিটা বেশ মলিন, মাথার চুল অবিন্যস্ত। তিনি নিরীহ গলায় বললেন, আজ্ঞে আমি কেউ না, এমনিই রাস্তার লোক, নীলদর্পণ দু’তিনবার দেখেছি কি না, তাই মুখ ফস্কে বেরিয়ে এসেছে।

    পরিচালকটি বলল, আমার নাম ছোনে মিত্তির। ছোটবেলা থেকেই আমি থিয়েটারের নামে পাগল। আপনার গলা শুনে যদি চিনতে না পেরে থাকি, তা হলে আমি থিয়েটারের কিছুই বুঝি না! আপনি যে সে লোক নন, আপনি মুস্তৃফিসাহেব!

    তখন এক সঙ্গে আরও চার পাঁচজন লোক বলে উঠল, হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক ঠিক। ইনিই তো মুস্তুফি সাহেব বটে!

    অগত্যা অর্ধেন্দুশেখর অধোবদনে দাঁড়িয়ে রইলেন।

    ছোনে মিত্তির হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে হাত জোড় করে বলল, গুরু, আমি দূর থেকে আজীবন আপনার শিষ্য। আপনি দ্রোণাচার্য, আমি একলব্য। আজ এত সামনাসামনি আপনাকে দেখলাম, আমার জীবন ধন্য হল।

    বস্ত্রহরণের পর শ্রীকৃষ্ণের সামনে গোপিনীরা যেমন ভাবে স্তব করেছিল, সেই ভাবে অন্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা হাঁটু গেড়ে বসে বলতে লাগল, আপনাকে চিনতে পারিনি। ক্ষমা করুন, গুরুদেব। আমাদিগে আপনি আশীবাদ করুন।

    অর্ধেন্দুশেখরের বুকটা ভরে গেল। অনেকদিন তিনি এমন চাটুকারিতা শোনেননি। টানা বেশ কিছুদিন হাততালি বা প্রশংসা না পেলে শিল্পীর মন স্তিমিত হয়ে যায়। অর্ধেন্দুশেখর আবার চাঙ্গা বোধ করলেন।

    ছোনে মিত্তির উঠে দাঁড়িয়ে নাটকের খাতাটা অর্ধেন্দুশেখরের হাতে ধরিয়ে দিয়ে গল্প কণ্ঠে বলল, একবার আপনাকে পেয়েছি যখন, আর ছাড়ছি না। আপনি আমাদের একটু শিখিয়ে পড়িয়ে দিন। আপনি স্বয়ং নাট্যাচার্য, আর নীলদর্পণ তো আপনার কাছে জলভাত।

    তোরাপবেশী লোকটি দুকানে হাত দিয়ে বলল, আপনার ‘মুকুল মঞ্জুরা’, ‘আবু হোসেন’, ‘প্রতাপাদিত্য’, ‘পাগুব নিবার্সন’ এরকম কত প্লে দেখেছি, তবু আপনাকে চিনতে পারিনি। এমন গুখুরির কাজ কোনও মানুষে করে! আমি হেন নরাধম আপনার গায়ে হাত তুলেছি, আমার নরকেও স্থান হবে না। আমি এক মাইল রাস্তা নাকে খত দিয়ে যাব, সাতদিন জল স্পর্শ করব না, তারপরেও আমাকে যা শাস্তি দেবার দিন।

    অর্ধেন্দুশেখর তার কাঁধে হাত রেখে বললেন, মনের অগোচরে দোষ নেই। ওসব কিছু করতে হবে না। তুমি যে তখন পার্ট বললে, “শালার কান আমি কামড়ে কেটে দিয়েছিলাম গো’, ও জায়গাটা অন্য ভাবে বললে দর্শকেব ক্ল্যাপ পাবে। ট্যাঁক থেকে একটা ছোট কোনও জিনিস বার করে দর্শকদের দিকে দেখিয়ে চোখে আগুন ঢেলে এইভাবে বলবে, ‘হালার কানের খানিকড়া কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছি…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }