Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩০. থিয়েটারের জগতে অমরেন্দ্রনাথ

    নিছক খামখেয়ালে থিয়েটারের জগতে আসেনি অমরেন্দ্রনাথ, নিজেকে রীতিমতন প্রস্তুত করে নিয়েছে। বাল্যকাল থেকেই তার অভিনয়ের দিকে ঝোঁক, বাড়ির বৈঠকখানায় চৌকির ওপর মঞ্চ সাজিয়ে ভাই-বোনদের নিয়ে অনেক দুপুরে সে নাটক-নাটক খেলা খেলেছে। কৈশোরে উত্তীর্ণ হয়েই সে স্টার, এমারাল্ড, মিনার্ভায় প্রত্যেকটি নাটক দেখতে গেছে বারবার। বিলেত থেকে মাঝে মাঝে থিয়েটারের দল আসে, তাদের কোনও প্রযোজনাই সে বাদ দেয়নি। সাহেব পাড়ায় ঘুরে ঘুরে সে থিয়েটার বিষয়ে বহু বইপত্র সংগ্রহ করেছে, খুটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েছে নট-নটীদের জীবনী।

    ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা চাকরি-বাকরির কথা সে কখনও চিন্তাও করেনি, সতেরো বছর বয়েসেই সে ঠিক করেছিল, তার প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র হবে রঙ্গমঞ্চ। শুধু অভিনয় নয়, পরিচালনা ও সম্পূর্ণ উপস্থাপনারও ভার নেবে সে। বিখ্যাত বংশের সন্তান হয়ে কারুর অধীনে থাকাও তার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই থিয়েটারেব মালিকও হতে হবে। এ রকম বাসনা সামান্য প্রকাশ করাতেই অমরেন্দ্রনাথ বড় দাদার কাছে ধমক খেয়েছিল। কত বিলাসী ধনী এর আগে থিয়েটার চালাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে, কোনও ভদ্র, বুদ্ধিমান ব্যক্তি কখনও ও পথে যায়?

    তারপর থেকে অমরেন্দ্রনাথ ও বিষয়ে আর মুখ খোলেনি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ইচ্ছেটি বদ্ধমূল হযেছে। নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে সে বহু রাত্রি জেগে থিয়েটার চালাবার হিসেব কষেছে। যেদিন সে একুশ বছরে পা দিল, সেদিনই সে স্বমূর্তি ধরল।

    এখন সে সাবালক, পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ হয়ে গেছে, নিজের অংশের টাকায় সে যা খুশি করতে পাবে। কোনও উপদেশ বা ভর্ৎসনা বা অনুরোধ সে গ্রাহ্য করল না। অর্ধেন্দুশেখর বিদায় নেবার পর আরও দু-একজন এমাবা থিযেটার চালাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, রঙ্গমঞ্চটি খালি পড়েছিল, অমরেন্দ্রনাথ সেটা লিজ নিয়ে নিল।

    মাত্র একুশ বছর বয়েসের এক সদ্য যুবা, সবেমাত্র নাকের তলায় নবীন রোম গজিয়েছে, সে একা একটি থিয়েটার চালাবে যাবাই নাম-ডাক শুনে অমরেন্দ্রনাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসে, তার ওই অল্পবয়েসী ছোকবাটিকে দেখে প্রথমে থমকে যায়। অমরেন্দ্রনাথ তাদের মনোভাব বুঝতে পেরে মস্কবা করে বলে, জানেন তো, আমার জন্ম হয়েছে পয়লা এপ্রিল, আমি সবাইকে এপ্রিল ফুল বানাব!

    প্রত্যেকটি থিয়েটাবের নাড়ি-নক্ষত্রের সন্ধান রাখে অমরেন্দ্রনাথ, সে বেছে বেছে লোক ভাঙিয়ে আনতে লাগল। নৃতা-শিক্ষক, সঙ্গীত-শিক্ষক, রঙ্গভূমি-সজ্জাকর, রূপসজ্জাকর, কর্মসচিব। যথাসম্ভব প্রবীণদের এড়িয়ে অল্পবয়েসী অথচ যোগ্যতাসম্পন্নদের প্রতিই তার ঝোঁক। নট-নটী প্রায় সব নতুন। পুবনোদের মধ্যে কয়েকজনকে নিতেই হল, বড় বড় ভূমিকাগুলি চট করে নতুনদের শেখানো যাবে না। রিহার্সালের খুঁতখুঁতুনির জন্য অর্ধেন্দুশেখর মাসের পর মাস সময় নষ্ট করেছেন, নতুন নাটক নামাতে দেরি হয়েছে, খরচ বেড়ে গেছে অনেক, সেই জন্যই তিনি শেষ রক্ষা করতে পারলেন না। অমরেন্দ্রনাথ সে ভুল করবে না, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে অভিনয় শুরু করে দিতে। চায়! একসঙ্গে চার-পাঁচখানা নাটকের মহড়া সে শুরু করে দিয়েছে।

    খ্যাতিমান অভিনেতাদের মধ্যে একমাত্র মহেন্দ্র বসুকে নিতে হয়েছে, অধিকাংশ নাটকে দুটি প্রধান পুরুষ চরিত্র থাকে, অমরেন্দ্রনাথ নিজে অবশ্যই নায়ক সাজবে, দ্বিতীয় চরিত্রটির জন্য একটি পাকা অভিনেতার দরকার। অমরেন্দ্রনাথের পাশাপাশি মহেন্দ্র বসুকে দেখে দর্শকরাও বুঝৰে, সেকেলে অভিনয়রীতির সঙ্গে অমরেন্দ্রনাথ প্রবর্তিত নতুন ধারার কত তফাত।

    প্রথম প্রথম থিয়েটারের ঝানু লোকেরা ভেবেছিল, আর একটি বড়মানুষের ছেলে মঞ্চে নায়ক সাজার লোভে আর অভিনেত্রীদের সঙ্গে ঢলাঢলি করার বাসনায় টাকা ওড়াতে এসেছে। সুতরাং এর মাথায় হাত বুলিয়ে যতটা পারা যায় আদায় করে নেওয়া যাক। কিন্তু কাছাকাছি আসার পর সবাই বুঝল, যতই কম বয়েস হোক, এ ছোকরার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ। কেউ কোনও অসমীচীন কথা বললে অমরেন্দ্রনাথ বেশ কয়েক মুহূর্ত তার দিকে চুপ করে নিষ্পলকভাবে তাকিয়ে থাকে। দীর্ঘকায় রূপবান যুবা, পটল-চেরা চক্ষুর মণি দুটি যেন হীরকখণ্ড, মনে হয় যেন এক্ষুনি তার হাতে ঝলসে উঠবে তলোয়ার।

    থিয়েটারের সব বিভাগের কাজ সে জানে ও বোঝে, সুতরাং তাকে ধাপ্পা দেওয়া সহজ নয়। যে-কোনও বিষয়ে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, তবু বড় বড় ব্যাপারগুলি ঠিক করার আগে সে সমস্ত কলাকুশলী ও নট-নটীদের এক জায়গায় ডাকে, সব বুঝিয়ে বলে। তারপর যোগ করে, আমি ঠিক যেমনটি চাই, তেমনটিই হওয়া চাই। যদি সার্থকতায় ভাসি, সেটা আমায় বুদ্ধিতেই হবে, আর যদি ব্যর্থতায় ডুবি তো নিজের বুদ্ধিতেই ডুবব। মনে রাখবেন, অন্য কারুর বুদ্ধিতে চলার পাত্র আমি নই।

    রাত্রে বাড়ি ফেরারও সময় নেই, গ্রিনরুমে অমরেন্দ্রনাথের জন একটি খাট পাতা হয়েছে। সকাল থেকে মাঝ রাত্রি পর্যন্ত সে খুঁটিনাটি সব কিছুর তদারকি করে। রঙ্গমঞ্চটির খোল-নলচে পাল্টে যাচ্ছে একেবারে নতুন করে তৈরি হচ্ছে দর্শকদের আসন। ছারপোকার কামড় খেতে খেতে নাটক উপভোগ করা যায় না। আলোগুলি সব নতুন, সাজসজ্জা নতুন, পশ্চাৎপট নতুন। এতদিন পেছন দিকে একটা করে হাতে আঁকা দৃশ্য ঝোলানো থাকত, অমরেন্দ্রনাথ বিলিতি পত্রপত্রিকার ছবি দেখে দেখে ঠ্যালা সিন, কাটা সিন, বক্স সিন বানিয়েছে, এমনকী উইংস পর্যন্ত ঠেলে সরানো যায়। এক একটি অঙ্কের পর নেমে আসে কার্টেন যবনিকা। নাচের দৃশ্যে আলোগুলোকে নানা রঙের কাগজে মুড়ে তৈরি হয় স্বপ্নের পরিবেশ।

    এতকাল মঞ্চের ওপর আসবাবপত্র দেখলেই বোঝা যেত যে সেগুলো নকল। প্যাকিং বঙ্গের ওপর কাপড় মুড়ে তৈরি হত খাট, আলমারি। অমরেন্দ্রনাথ সেই প্যাকিং বক্সগুলো লাথি মেরে মেরে বাইরে ফেলে দিল। চাঁদনিচক থেকে ভাড়া করে আনল আসল সোফা সেট, খাট, টেবিল-চেয়ার, নিজের বাড়ি থেকে ছবি আর আয়না এনে ঝুলিয়ে দিল দেয়ালে। একটা জ্যান্ত টিয়া পাখি সমেত খাঁচা দুলতে লাগল। একটি সত্যিকারের ঘোড়াও আনা হল। সেই ঘোড়ায় চেপে একটি দৃশ্যে অমরেন্দ্রনাথ মঞ্চে প্রবেশ করবে।

    ক্লাসিক থিয়েটারে নাটক দেখতে এসে দর্শকরা প্রথম থেকেই চমকৃত হয়ে গেল। বাংলা রঙ্গমঞ্চে যে একঘেয়েমির ভাব এসে গিয়েছিল, একটি নবীন যুবক এসে যেন এক ফুয়ে তা উড়িয়ে দিয়েছে। সব কিছুই প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। এখানকার নাটক বারবার দেখা যায়।

    ‘নল দময়ন্তী’ ও ‘বেল্লিক বাজার’ দিয়ে উদ্বোধন হল, একই সঙ্গে অমরেন্দ্রনাথ ‘হামলেট’, ‘রাজা-রানী’ ও ‘আলিবাবা’-র রিহার্সাল চালিয়ে যেতে লাগল। এক একটি নাটকের এক এক রকম স্বাদ। দর্শকরা ক্লাসিকে আসতে বাধ্য হবে, ক্লাসিকে আসা অভ্যেস হয়ে যাবে।

    গিরিশবাবু যখন ‘ম্যাকবেথ’ নামিয়েছিলেন তখন চরিত্রগুলির মূল নামই রেখেছিলেন। সাজ-পোশাকও ছিল বিলিতি ধাঁচের, অর্থাৎ বাঙালি নট-নটীরা সাহে-মেম সেজেছিল। দর্শকরা সেই নাটক নেয়নি, অনেক দিন পর গিরিশবাবু স্বয়ং অভিনয় করতে নেমেছিলেন, সু তাঁর আকর্ষণেও টিকিট বিক্রি হত না। বালক বয়সে অমরেন্দ্রনাথ সেই নাটক দেখতে গিয়ে থলথলে চেহারার গিরিশবাবুকে সাহেবসাজা অবস্থায় দেখে হেসে ফেলেলি। নিজে সে সেই ভুল করবে না। ‘হ্যামলেট’ নাটকটি রূপান্তরিত করা হয়েছে ভারতেরই কোনও অঙ্গ রাজ্যের পটভূমিকায়, পাত্র-পাত্রীরাও দিশি, নাটকের নাম ‘হরিয়াজ’। মূল নাটকটি অবিকৃতই আছে, শুধু একটি পকি, টু বী অর নট টু বী, দ্যাট ইজ দা কোয়েশ্চেন এর সঠিক বাংলা হয় না, এর অনুবাদ করাও হয়নি। ওই পক্তিটি অমরেন্দ্রনাথ নিজেই মনে মনে বলে, মুখের অভিব্যক্তিতে ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে চায়।

    ‘হরিরাজ’-এর রিহার্সাল চলছে টানা, সন্ধে থেকে মাঝরাত পর্যন্ত, নারী চরিত্রগুলির অভিনয় অমরেন্দ্রনাথের পছন্দ হচ্ছে না। ধনী কন্যাদের মুখে একটা সারল্যের ভাব থাকে, তারা টাকা-পয়সার হিসেব বোঝে না, বাস্তবরুক্ষতার সঙ্গে পরিচয় না থাকার ফলে তাদের দৃষ্টি থাকে বিস্ময় ভরা, থিয়েটারের গরিব ঘরের মেয়েদের সেই ভাবটি বোঝাই সম্ভব নয়, খুব বড় অভিনেত্রী ছাড়া মুখে সেই ভাবটি অন্য কেউ আনতে পারে না।

    এমারাল্ডে একটি অভিনেত্রীর মুখে একই সঙ্গে সারল্য ও তেজের ভাব দেখেছিল অমরেন্দ্রনাথ। নয়নমণি নামে সেই মেয়েটিকে পেলে কত ভাল হত। এমারাল্ড উঠে গেছে, তাকে পাওয়া স্বাভাবিক ছিল, এমারাল্ড সে মাইনে পেত একশো কুড়ি টাকা। অমরেন্দ্রনাথ তাকে দেড়শো টাকা বেতনের প্রস্তাব দিয়েছিল, তবু সে এল না। অর্ধেন্দুশেখর পেছন থেকে কী সব যেন কলকাঠি নেড়ে তাকে আটকাচ্ছে। কী চুক্তি আছে অর্ধেন্দুশেখবের সঙ্গে, তাও জানা যাচ্ছে না। যদি কিছু টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়, তাতেও অমরেন্দ্রনাথ রাজি।

    ক্লাসিকে যোগ দেওয়ার জন্য কত অভিনেতা-অভিনেত্রী লালায়িত, সকাল থেকে উমেদারদের ভিড় লেগে থাকে। এখন দ্বারবান দিয়ে তাদের আটকাতে হচ্ছে। আর অমরেন্দ্রনাথ নিজে থেকে যাকে চায়, সে-ই এল না!

    দুদিন বাদে একজন লোক খবর নিয়ে এল, অর্ধেন্দুশেখরের পাত্তা পাওয়া গেছে, রামবাগানের এক শখের থিয়েটার দলে তিনি অবৈতনিক পরিচালক হয়েছেন, তাঁর এখন এমনই দুর্দশা। তিনি ওই নয়নমণির সঙ্গেও দেখা করেছিলেন, কিছু টাকা-পয়সা নিয়েছেন বোধ হয়, মেয়েটিকে চুক্তি থেকে মুক্তি দিয়ে গেছেন। গঙ্গামণির কাছ থেকে এ খবর জানা গেছে।

    অমরেন্দ্রনাথ বলল, তা হলে সে এখন আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে না কেন?

    আশুতোষ বড়াল নামে লোকটি বলল, সেইটাই তো কথা, কারণটি শুনলে আপনি বাবু রাগ করবেন!

    অমরেন্দ্রনাথ ভুরু কুঞ্চিত করে জিজ্ঞেস করল, টাকা বেশি চায়?

    আশুতোষ বলল, না, ও মেয়ের টাকার আহিংকে নেই। কিন্তু নিজে থেকে সে আসবে না। আপনাকে আবার গিয়ে বলতে হবে।

    তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়িয়ে অমরেন্দ্রনাথ বলল, ঠিক আছে, যাব। থিয়েটার চালাতে এসেছি, ছেঁদো মান-সম্মানের কথা ভাবলে চলে? মনে করো, আর্ভিং যাচ্ছে এলেন টেরির কাছে। এক্ষুনি চলো।

    অমরেন্দ্রনাথের নিজস্ব ভূত বৃন্দাবনকে ডাকা হল। সে বাবুর ধুতি বদল করে দেবে। অমরেন্দ্রনাথ নিজে ধুতি পরতে পারে না। তাদের পারিবারিক কেতা অনুযায়ী পায়ের জুতো জোড়া পর্যন্ত ভৃত্যরা পরিয়ে দেয়। এই সেদিনও অমরেন্দ্রনাথের চুল আঁচড়ে দিতেন তার বউঠান।

    গঙ্গামণির বাড়ির সামনে জুড়িগাড়ি থেকে অমরেন্দ্রনাথ নামতেই অমর দত্ত এসেছে, অমর দত্ত এসেছে, বলে একটা শোরগোল পড়ে গেল সেই পল্লীতে। অনেক লোক তাকে দেখার জন্য ছুটে এল। এত অল্প সময়ের মধ্যেই যে এমন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, তা অমরেন্দ্রনাথ নিজেও জানে। ভিড়ের মধ্যে কেউ কে বলতে লাগল, আহা গো, কী রূপ, রাজপুর, রাষ্ট্রপুর।

    গঙ্গামণি একেবারে বিগলিত হয়ে গিয়ে অমরেন্দ্রনাথকে বসাল একটি আরামকেদারায়। আজ সকালেই নয়নমণির সঙ্গে তার একচোট ঝগড়া হয়ে গেছে। গঙ্গামণির দৃঢ় ধারণা ছিল যে অমরবাবুর মতন অত মানী একজন মানুষ একবার ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে, সে আর দ্বিতীয়বার আসবে না। সত্যিই সে এসেছে? নয়নমণির এত দেমাক কেন, তার নিজেরই এবার যাওয়া উচিত ছিল না? থিয়েটারের ম্যানেজার বা অ্যাক্টর বা রাইটার তো শুধু নয়, মালিক বলে কথা! মালিককে ভয়-ভক্তি-শ্রদ্ধা দেখাতেই হয়।

    দোতলায় নেমে এসে নয়নমণি দু হাত জোড় করে অমরেন্দ্রনাথকে নমস্কার জানাল। গঙ্গামণি চোখের ইশারায় বোঝাবারও চেষ্টা করল, প্রণাম কর, প্রণাম কর, তবু নয়নমণি তার থেকে বয়েসে ছোট এই যুবকটির পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল না।

    একটা কমলা রঙের শাড়ি পরে আছে নয়নমণি, মাথার চুল সব খোলা, শরীরে কোনও অলঙ্কার নেই। সোনার গয়না সে একেবারেই পরে না। অভিনয়ের সময় ছাড়া সে রুজ-পমেটম মাখে না মুখে। তবু তার শরীরের গড়ন ঝরে পড়ে লাবণ্য।

    অমরেন্দ্রনাথ মুগ্ধভাবে কয়েক পলক চেয়ে দেখল নয়নমণির রূপ ও ব্যক্তিত্বের বিভা। তারপর পাশে কর্মসচিবকে বলল, আপনি সব জিজ্ঞেস করুন।

    আশুতোষ বলল, হা গা বাছা, মুস্তাফি সাহেবের সঙ্গে তোমার কী সব চুক্তি ছিল, তা খারিজ হয়ে গেছে বলে আমবা শুনেছি। আমরা কি ভুল শুনেছি?

    নয়নমণি বলল, না, আপনারা ঠিকই শুনেছেন।

    —তা হলে তুমি ফ্রি? ক্লাসিকে যোগ দিতে কোনও বাধা নেই?

    –আপনারা যদি চান, যোগ দিতে পারি।

    —আমরা তোমার সঙ্গে লিখিত-পড়িত চুক্তি করব, তা নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার হুজ্জোত হবে না তত? মুস্তাফি সাহেব আবার ব্যাগড়া দেবেন না? ওনার সঙ্গে যে চুক্তিখানা ছিল, সেটা ছেঁড়া হয়ে গেছে?

    –লিখিত কোনও চুক্তি ছিল না।

    —বেশ বেশ। বেতনের কথাটা তো আগেই জানানো হয়েছে। মাস মাস দেড়শো টাকা পাবে। গাড়ি এসে তোমায় নিয়ে যাবে, পৌঁছে দেবে তো বটেই। মাঝে মাঝে হোল নাইট রিহার্সাল চলবে, অমরবাবুর প্রত্যেকটি কথা মানতে হবে।

    এই সব কথা চলার সময় নিঃশব্দে বসে পা দোলাতে লাগল অমরেন্দ্রনাথ। ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছে গঙ্গামণির ঘবখানি। গঙ্গামণির বিভিন্ন বয়েসের বাঁধানো ফটোগ্রাফ ঝুলছে দেওয়ালে। অমরেন্দ্রনাথ গঙ্গামণিকে মঞ্চে কখনও দেখেনি।

    চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর হবার পর আশুতোষ বড়াল দু হাত ঘষে পরিতৃপ্তির সঙ্গে বলল, যাক, সব পাকাপাকি হয়ে গেল, এখন আর কেউ তেণ্ডাই-ম্যাণ্ডাই করতে পারবে না। কাল থেকেই কাজ শুরু।

    এবারে অমরেন্দ্রনাথ নয়নমণির চোখে চোখ রেখে হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, নয়নমণি, তুমি আমাকে এখানে দু’বার আসতে বাধ্য করালে, নিজে যাওনি কেন আমার কাছে? তোমার চেয়ে আমার সময়ের দাম বেশি নয়?

    নয়নমণি বলল, আপনার কাছে আমি যাইনি … লজ্জা করছিল!

    অমরেন্দ্রনাথ বলল, লজ্জা? তুমি থিয়েটার করতে এসেছ, এর মধ্যে লজ্জার আবার স্থান কোথায়?

    নয়নমণি বলল, প্রথমবারে আপনাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। পরে ভেবেছি, নিশ্চয়ই আপনি রেগে আছেন। তাই ঠিক করেছিলাম, থিয়েটার না হয় আর না-ই হবে, তবু নিজে থেকে অমর দর সামনে গিয়ে আমি আর দাঁড়াতে পারব না।

    অমরেন্দ্রনাথ বলল, হুঁ, বুঝলুম। এর মধ্যে তুমি অন্য কোনও থিয়েটারে যোগ দেবার চেষ্টাও করোনি?

    —না।

    —কেন?

    –কেন? ঠিক জানি না, এমনিই, ইচ্ছে হয়নি!

    –তোমার বয়স কত?

    —সাতাশে পা দিয়েছি।

    গঙ্গামণি সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, না, না, ওর বয়েস তেইশ … ও কিছু জানে না।

    নয়নমণি ঠোঁট টিপে হেসে বলল, সে কী গো দিদি, আমি নিজের বয়েস জানব না? এই বৈশাখে আমার ছাব্বিশ পূর্ণ হয়ে গেছে।

    অমরেন্দ্রনাথ উত্তেজিতভাবে বলল, না, না, তোমার সাতাশ হলে তো চলবে না। তোমার বয়েস একুশ। আমি বিজ্ঞাপনের হ্যান্ডবিলে লিখব ‘ষোড়শী রূপসী নায়িকা’।

    নয়নমণির হাসি এবার সারা মুখে ছড়িয়ে গেল। সে আস্তে আস্তে মাথা নেড়ে বলল, তবে তো আমায় দিয়ে চলবে না। এত কমবয়েসী মেয়ের রোলে আমাকে মানাবে কেন!

    গঙ্গামণি বলে উঠল, হ্যাঁ, হ্যাঁ, মানাবে, মানাবে। ভাল করে রূপটান দিলে কে বুঝবে যে ওর বয়েস বেড়েছে?

    অমলেন্দ্রনাথ তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, সে আমরা বুঝব। শোনো নয়নমণি, কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, তুমি বলবে তোমার বয়স একুশ।

    নয়নমণি বলল, ওনা, তা কি হয়। সাতাশ বছরের মেয়েব বয়েস একুশ বললে লোকে বিশ্বাস কলবে কেন? আমি মিথ্যে কথাই বা বলব কী করে?

    অমলেন্দ্রনাথ ধমকের সুরে বলল, আমার যে হিরোইন হবে, তার বয়স কি আমার চেয়ে বেশি হতে পারে? দশকলা মানবে কেন? আমার বয়েস আমি বাড়িয়ে বলব চব্বিশ, তোমাকে একুশ থাকতেই হবে।

    আশুতোয় বলল, আ হা হা, অত কথা দরকার কী? উর্বশী, মেনকা, রম্ভাদের কি বয়েস বাড়ে? থিয়েটারে মেয়েদের ওই একই ব্যাপার। এমন মেক-আপ দেবে, ছাব্বিশকে ষোলো করা কিছুই না। বয়সের কথা আদৌ তোলার কোনও প্রয়োজন নেই। তা হলে এই ঠিক রইল। কাল বেলা এগারোটা গাড়ি আসবে, সারা দিন রিহাসৃলি।

    নয়নমণি তবু লল, ভাল করে ভেবে দেখুন, আমাকে দিয়ে চলবে কি না। আরও তো কত মেয়ে আছে। আমার বয়েস কিন্তু সতি। সাতাশ। এখনও যদি চুক্তি ক্যানসেল করতে চান, আমি রাজি আছি।

    অমরেন্দ্রনাথ উঠে দাঁড়িয়ে বলল, কী বললে, ক্যানসেল? মানাবে কি মানাবে না সেটা আমি বুঝব। ক্লাসিকের সঙ্গে কাৰুব চুক্তিব খেলাপ হতে পাবে না। মাসের পর মাস ঠিক মাইনে পেয়ে যাবে। কাল ঠিক বেলা এগারোটা।

    তারপর গমণির দিকে ফিরে বলল, তোমার বাড়িতে এই নিয়ে দু’বার এলুম, তুমি একবারও কিছু যেতে দিলে–তো। হিব বাড়িতে অতিথি অভ্যর্থনার রীতি নেই?

    গঙ্গামণি দারুণ লজ্জা পেয়ে, জিভ কেটে বলল, ও মা, সে কী কথা! আমি কোথা যাব গো! আপনি কত মানা বংশের লোক, বড় মানুষের ব্যাটা, আমাদের মতন হতভাগির বাড়িতে পায়ের ধুলো দিয়েছেন, এই কত ভাগ্যি। আমাদের হাতে ছোঁয়া খাবেন কি না।

    অমরেন্দ্রনাথ খপ করে গঙ্গামণির একখানা হাত ধরে বলল, হাতের ছোঁয়ায় কি সন্দেশ রসগোল্লার স্বাদ পাল্টে যায় নাকি? আমরা থিয়েটারের লোক, আমাদের আবার জাত-পাত কী? থিয়েটারের লোক সবাই এক জাত। তা বলে এখন বাজারের খাবার আনতে পাঠিয়ো না। একদিন নিজের হাতে কিছু বানিয়ে খাওয়াবে।

    গঙ্গামণি বলল, আমাদের নয়ন খুব ভাল রান্না করে। কই মাছ রাঁধে, দু’পিঠ দুরকম।

    সে কথা না শুনে অমরেন্দ্রনাথ এগিয়ে গেল দেওয়ালের দিকে। কোনও এক নাটকের দৃশ্যের ফটোগ্রাফের সামনে দাঁড়াল। দুটি তরুণী হাত ধরাধরি করে নাচছে।

    গঙ্গামণি ডান দিকের তরুণীটির দিকে আঙুল তুলে বলল, এইটে আমি। এখন কেউ চিনতেই পারবে না। আমিও যে এককালে ফিনফিনে রোগা ছিলুম, তা কেউ বিশ্বাসই করে না। আর এ পাশের জন বিনোদিনী। বিল্বমঙ্গল পালা—

    অমরেন্দ্রনাথ বলল, ও, এই-ই বিনোদিনী! নামই শুনেছি, কখনও অ্যাকটিং দেখিনি। সে স্টেজ ছেড়ে দিল কেন?

    গঙ্গামণি বলল, কী জানি, শ্বেতি না কুষ্ঠ কী যেন হয়েছে শুনেছি। বাড়ি থেকেই আর বেরুতে চায় না।

    অমরেন্দ্রনাথ বলল, না, না, সে রকম কিছু নয়। গিরিশবাবুর সঙ্গে কী সব মান-অভিমান হয়েছিল … কেমন অভিনয় করত সে?

    গঙ্গামণি বলল, তা বাবু মানতেই হবে, অ্যাকটিং-এ তার দাপট ছিল। নাচে-গানে সমতুল, ইচ্ছে করলেই ঝরঝর করে চক্ষু দিয়ে জল গড়াত।

    অমরেন্দ্রনাথ ঘুরে দাঁড়িয়ে নয়নমণির দিকে চেয়ে বলল, ওকে তো আমি এমারান্ডে নাচতে-গাইতে দেখেছি। কী গো, তুমি বিনোদিনীকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে না?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }