Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. ভাল খেলিয়াও পরাজিত

    খেলার জগতে যেমন ‘ভাল খেলিয়াও পরাজিত’ বলে একটি কথার প্রচলন আছে, গিরিশচন্দ্রের ম্যাকবেথের ভাগ্যেও ঘটল তাই। বিদ্বজ্জন ও সমালোচকরা ভুয়সী প্রশংসা করলেন এই নাটকের অনুবাদ ও অভিনয়েব, এমনকী ইংরেজরাও তুলনা করল বিলেতি প্রযোজনার সঙ্গে, কিন্তু দর্শকদের আসনগুলিতে দিনদিনই বাড়তে লাগল শুন্যতা। টিকিটঘরে মাছি ওড়ে। ঢাকা, পাটনা, এলাহাবাদ, লখনউ, লাহোর থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা গিরিশচন্দ্রকে চিঠি লেখেন, তাঁরা ম্যাকবেথ-এর সুখ্যাতি শুনে শীঘ্রই কলকাতায় এসে অভিনয় দেখতে চান। কিন্তু গুটিকতক বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্য তো আর রাতের পর রাত মঞ্চের বাতি জ্বালিয়ে রাখা যায় না! থিয়েটার চালাতে গেলে লাভ-লোকসানের প্রশ্ন আছে। মিনাভ অবিলম্বে লোকসানের দশায় পড়ল।

    খুবই নিরাশ হয়ে গেলেন গিরিশচন্দ্র। এমনই মন ভেঙে গেল যে এক একবার সংকল্প নিতে গেলেন, আবার থিয়েটারের সঙ্গে সব সংশ্রব ত্যাগ করবেন। বড় মুখ করে অনেককে বলেছিলেন, এরপর একটার পর একটা শেকসপীয়ারের রচনা অনুবাদ করে বাংলা মঞ্চে উত্তম নাটক পরিবেশন করবেন। ঘুচে গেল সে সাধ! ছ্যা ছা ছ্যা, কাদের জন্য করবেন ভাল নাটক, সে রকম দর্শকই তৈরি হয়নি। ভাল থিয়েটার দেখতে গেলে দর্শকদেরও যোগ্য হয়ে উঠতে হয়, সে জন্য আরও কতদিন অপেক্ষা করতে হবে কে জানে।

    মিনার্ভার সঙ্গে গিবিশচন্দ্র চুক্তিবদ্ধ, হুট কবে ছেড়ে দেওয়া যায় না। নগেন্দ্রভূষণ সজ্জন ব্যক্তি, তাঁব স্বার্থও দেখতে হয়, তিনি কত দিন লোকসানের খাতে টাকা ঢালবেন? এতগুলি অভিনেতা-অভিনেত্রী জীবিকার প্রশ্নও জড়িত।

    গিবিশচন্দ্র হালকা, চুটকি নাটক রচনা শুরু করলেন। তাতে রসের চেয়ে গ্যাঁজলা বেশি। হাস্যরসের বদলে ভাঁড়ামি। টিকিট-কাটা দর্শকরা যে এই সবই চায়। মঞ্চস্থ হতে লাগল ‘মুকুল-মুঞ্জরা’, ‘আবু হোসেন’, ‘বড়দিনের বখশিস’, ‘সপ্তমীতে বিসর্জন’ ইত্যাদি। কোনওটাই একটানা নয়, দু’চারদিন অন্তর বদল করে করে। গানে মিশিয়ে দেওয়া হতে লাগল আদিরস। ‘আবু হোসেন’-এর এই একখানা গান খুব জনপ্রিয় হল।

    একে লো তোর ভরা যৌবন
    বসে করেছে অবশ, আবেশে ঢলে নয়ন
    ঘোর বিরহ-বিকার তাতে
    জোর করেছে নাড়ির ধাতে
    বাই কুপিতে সরল মন মাতে–
    ভরা হৃদি, গুরু ঊরু–বিষম কুলক্ষণ…

    টিকিটঘর কিছুটা চাঙ্গা হবার পর গিরিশচন্দ্র মন দিয়ে আর একটি নাটক লিখলেন। পাকেচক্রে পেশাদার থিয়েটারে তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তাঁর তো মূল সাধ ছিল বাংলার নাট্যশিল্পের উন্নতি। দর্শক মজালেও নিছক লঘু নাটকে তাঁর মন ভরে না।

    তা ছাড়া সমালোচনা এখন উল্টো সুর গাইতে শুরু করেছেন। আবু হোসেন নাটক সম্পর্কে ‘অনুসন্ধান’ পত্রিকা লিখল, ‘জহুরী গিরিশবাবু, ঠিক জহরই সম্মুখে ধরিয়াছেন। যেমন দেশ, যেমন রুচি, যেমন দর্শক, তেমনই তো তার আয়োজন চাই? তা ভাল। বুঝিলাম, দেশকাল-পাত্র বুঝিয়া, সও নাচ দিয়া কাজ হাসিল হইল। লোকেও হাসিল-মজিল-আনন্দ পাইল। কিন্তু প্রবীণ গিরিশবাবুর কাছ হইতে আমরা তো এরূপ সঙ নাচ দেখিবার আশা করি না!’

    অনেক ভেবেচিন্তে এবার গিরিশচন্দ্র বিষয়বস্তু নির্বাচন করলেন মহাভারত থেকে।

    দর্শকদের রুচি ঘন ঘন বদলায়। কখনও ঐতিহাসিক নাটকে তারা মেতে ওঠে, কখনও সামাজিক বিষয়ে। কখনও ভক্তিরস তাদের পছন্দ, কখনও বীররস। মহাভারত সব রসেরই খনি। গিরিশ বেছে নিলেন জনার কাহিনী, এতে অনেকগুলি রসের সংমিশ্রণ করা যায়, পৌরাণিক নাটকও অনেকদিন হয়নি, পৌরাণিক নাটকে ভাবগম্ভীর সংলাপ আসে স্বাভাবিকভাবে, পোশাক-পরিচ্ছদও ঐতিহাসিক নাটকের মতন।

    দর্শক-মনোরঞ্জনের সব রকম উপাদান থাকলেও গিরিশচন্দ্র-এর মধ্যে নিজস্ব জীবন-দর্শনের কথাও ঢুকিয়ে দিলেন কিছু কিছু। বিদূষক চরিত্র গিরিশের খুব প্রিয়, তার হাতে খেলেও ভাল। ‘জনা নাটকেও বিদূষকই যেন প্রধান, তার মুখে শ্লেষ-বিদ্রুপের আড়ালে জীবনের সব সার কথা উচ্চারিত।

    বিদূষকের ভূমিকায় অর্ধেন্দুশেখর একেবারে অতুলনীয়। কৌতুক যেন তাঁর শরীরের প্রতিটি ভঙ্গিতে সহজাত। অর্ধেন্দুশেখরের চলনে, বলনে, পোশাকে এমনকী নীরবতাতেও লোকে হাসে। এমন নিরভিমান মানুষও দেখা যায় না। নাটকে যে-কোনও ভূমিকা দেওয়া হোক, তার আপত্তি নেই। একটি মাত্র দৃশ্যের ভূতের ভূমিকাতেও তিনি অদ্বিতীয়। কোনও কোনও নাটকে অর্ধেন্দুশেখরের নাম বিজ্ঞাপিত থাকে, কিন্তু দর্শকরা প্রথম প্রথম অর্ধেন্দুশেখরকে চিনতেই পারে না। তিনি নায়ক নন, প্রধানও নন, চার পাঁচটি ছোটখাটো চরিত্রে বিভিন্ন সাজে তিনি অবতীর্ণ হন এবং মাতিয়ে দেন।

    ‘জনা’ নাটকে বিদৃষকই অবশ্য মুখ্য আকর্ষণ। নায়ক প্রবীরের ভূমিকায় নেমেছে সুবেন্দ্র, যদিও তার এই নামটি অনেকেই জানে না, গিরিশচন্দ্রের ছেলেকে গিরিশচন্দ্রের অনুকরণে সবাই দানী বলেই ডাকে। দর্শকদের কাছেও সে দানীবাবু। দানীর কণ্ঠস্বর অপূর্ব, এর মধ্যেই লোকে বলাবলি করতে শুরু করেছে যে কালে কালে দানী তার বাবাকেও ছাড়িয়ে যাবে অভিনয়প্রতিভায়। জনার ভূমিকায় তিনকড়ি দাসী যেন লেডি ম্যাকবেথেরই আরেক রূপ। নয়নমণি একটি ছোট ভুমিকা পেয়েছে, তাতেই সে সন্তুষ্ট।

    জনার জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে, তখনই হঠাৎ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত হল।

    একদিন সকালে গিরিশচন্দ্রের বাড়িতে এলেন অর্ধেন্দুশেখর। কচুরি-রসগোল্লা ও চা পানের সঙ্গে সঙ্গে রসালাপ চলল কিছুক্ষণ। তারপর আচম্বিতে অর্ধেন্দুশেখর বললেন, জি সি, এবার আমায় ছুটি দিতে হবে। পাখি আবার উড়ে যাবে।

    গিরিশচন্দ্ৰ আঁতকে উঠলেন।

    অর্ধেন্দুশেখর অতিশয় খেয়ালি, তার রক্তের মধ্যে যেন রয়েছে এক যাযাবর। অর্থ কিংবা যশ, কোনও কিছুরই লালসা নেই। নাট্যজগতে তার এত খ্যাতি, তবু মাঝে মাঝেই থিয়েটার ছেড়ে কোথায় যেন উধাও হয়ে যান। বেশ কিছুদিন পাহাড়ে পড়েহিসেন এক সন্ন্যাসীর কাছে হঠযোেগ শেখার জন্য। কর্নেল আলকটের কাছে শিখেছেন হিপনোটিজম।

    গিরিশচন্দ্র বলেন, আবার কোথায় পালাবার কথা ভাবছ? না, না, ওসব চলবে না। পাগলামি ছড়ো। মিনার্ভা এখন সবে মাত্র জমে উঠেছে, এখন তুমি চলে যাবে বললেই হল আর কি।

    অর্ধেন্দুশেখর মুচকি হেসে বললেন, পালাব না, কলকাতাতেই থাকব। কিন্তু মিনার্ভায় থাকব না। গিরিশচন্দ্র বলেন, কেন? তোমায় কেউ কিছু বলেছে? কার এমন সাহস হবে? তোমাকে সকলেই খুব প্রীতি করে–

    অর্ধেন্দুশেখর মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে বললেন, কেউ কিছু বলেনি। বগলেও কি আমি গায়ে মাখি? কিন্তু তুমি আমায় ছেড়ে দাও!

    গিরিশচন্দ্র এক মুহূর্ত চিন্তা করে বললেন, তা হলে স্টার থেকে তোমাকে ডেকেছে?

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, উহুঃ! কেউ ডাকেনি। স্টারে কে যাবে, ধুৎ!

    গিরিশচন্দ্র ধমক দিয়ে বললেন, বাড়ি যাও তো, আমাকে বিরক্ত কোনো না। যতসব উটে কথা! কেউ খারাপ কথা বলেনি, অন্য থিয়েটার থেকে ডাকেনি, বিদূষকের রোলে তোমার নামডাক কত বেড়েছে, তবু তুমি মিনার্ভা ছাড়তে চাও! এর মাথা-মু কিছু বোঝা যায়?

    গিরিশের কাছ থেকে গড়গড়ার নলটা নিয়ে না মুছেই ভুড়ক ভুড়ক করে টানলেন কয়েকবার। তারপর একগাল হেসে ‘অর্ধেন্দুশেখর বললেন, আসল কথাটা বলি? তুমি যেন আবার রেগে গিয়ে আমায় মারতে এসো না। আমার মাথায় একটা শখের ভূত চেপেছে। আমার ইচ্ছে হয়েছে, আমি এক নম্বর হব।

    –তার মানে?

    —সব সময় তুমিই এক নম্বর। তুমি নাট্যকার, তুমি পরিচালক, তুমি গান বাঁধো। আমরা শুধু স্টেজে নাচি কুঁদি। বড়জোর দু নম্বর হতে পারি। তা দু নম্বরের কি কখনও সখনও এক নম্বর হওয়ার সাধ জাগে না?

    –ও, এই কথা? ঠিক আছে, পরের পালায় তুমিই এক নম্বর হও। তুমি নাট্যশিক্ষা দেবে, তুমিই সব কিছু হবে। আমি আড়ালে থাকব।

    —পর্বতকে কি আড়াল করা যায়? তুমি পেছনে থাকলেই লোকে বলবে, তোমার ঠেকনোতে আমি লম্ফ ঝম্প কবছি। তা হয় না, জি সি! এক অরণ্যে ব্যার্থ আর সিংহ দুজনে থাকতে পারে না। কাল স্বপ্ন দেখেছি, আমি এক বনে বাঘ সেজে হালুম হালুম করছি। তখনই বুঝলুম, তুমি সিংহ, আর তো তোমার পাশে আমার থাকা চলবে না। ভোরের স্বপ্ন মিথ্যে হয় না কখনও।

    –কাল বুঝি খুব পোলাও কালিয়া সাঁটিয়েছ? বদহজমের স্বপ্ন। আমিও সিংহ নই, তুমিও বাঘ নও। আমরা দুজনেই রং মাখা সঙ। সুতোয় বাঁধা পুতুল। যাও, বাড়ি গিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমোও গে ভাল করে।

    –মা গো, আমার মাথায় পোকা নড়েছে। জান তো, একবার গো ধরলে আমি সহজে ছাড়ি না। এমারেল্ড থিযেটাবটা খালি পড়ে আছে। ওটা ভাড়া নিয়ে আমি নিজে একটা দল চালাব। কালই কথাবার্তা বলেছি।

    –টাকা কে দেবে?

    —আমার নিজের টাকা। যেখানে যা আছে কুড়িয়ে বাড়িয়ে প্রথমটা চলে যাবে। এক নম্বর যখন হব ঠিক করেছি, তখন মাথার ওপর আর কেউ থাকবে না। মালিক ফালিক কেউ না।

    গিরিশচন্দ্র স্তম্ভিত হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। অর্ধেন্দুশেখর যে মস্করা করছেন না, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। অর্ধেন্দুশেখরের কাছ থেকে এরকম ব্যবহার সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। তারা দুজনে। বহুদিনের বন্ধু। কখনও মনোমালিন্য ঘটেনি। অর্ধেন্দুশেখরের মনে ঈর্ষা নামে কোনও কি অস্তিত্বই নেই। তঁাব মুখে আজ এমন কথা!

    গিরিশচন্দ্র অর্ধেন্দুশেখরের হাত জড়িয়ে ধরে ব্যাকুলভাবে বললেন, সাহেব, এমন কম্মাে কিছুতেই করতে যেয়ো না! থিয়েটারের মালিক হতে যেয়ো না কক্ষনও। হিসেব রাখা, সকলের পাওনা-গণ্ডা মেটানো, এর অনেক হ্যাপা। আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়। দ্যাখো না, আমি কি কখনও থিয়েটারের মালিক হয়েছি? ইচ্ছে করলে কি প্রথম আমলে স্টারের হর্তাকর্তা আমি হতে পারতুম না? ওসব ঝামেলায় নিজেকে জড়াইনি কখনও। তোমাকে ভাল মতন চিনি, তুমি আপনভোলা মানুষ, তুমিও পারবে না। এই চিন্তা ছাড়ো!

    অর্ধেন্দুশেখর নিজের মাথায় টোকা দিয়ে বললেন, ওই যে বললুম পোকা নড়েছে। এখন আর অন্য কোনও চিন্তা ঢুকবে না মাথায়। একবার দেখিই না চেষ্টা করে। |||

    ||||||| গিরিশচন্দ্র অস্ফুট স্বরে বললেন, তুমি চলে গেলে জনা নাটক কানা হয়ে যাবে। ওই বিদূষকের পার্ট আর তো কেউ পারবে না।

    —কেন, তুমি নামবে?

    –আমি! এই বুড়ো বয়েসে আর মুখে রং মেখে আমার মঞ্চে দাঁড়াতে ইচ্ছে করে না।

    —আহা, তুমি বুড়ো হলে আমিই বা কি কচি? এই সেদিনও তো ম্যাকবেথে ফাটালে।

    –তোমার কথা ভেবেই বিদূষক চরিত্রটির সৃষ্টি। ওই ভূমিকায় তোমার যে সুখ্যাতি হয়েছে, তাতে দর্শক আর এখন আমাকে নেবে না।

    –বড়বাবু, তুমি সব পারো। যে ডায়ালগে আমি মানুষকে হাসাই, সেই ডায়ালগেই তুমি মানুষকে কাদাবে!

    –মিনার্ভায় জনা চলুক বা বন্ধ হয়ে যাক, সে সব ভেবে বলছি না। সাহেব, তোমার সুহৃদ হিসেবে বলছি, তুমি নিজে মালিক হয়ে থিয়েটার চালাতে যেয়ো না। অন্য যা হয় ইচ্ছে করো।

    অনেক যুক্তি-তর্কেও আর্ধেন্দুশেখরকে আর বোঝানো গেল না। গিরিশচন্দ্রকে বিদৃষকের ভূমিকায় তৈরি হবার সময় দেবার জন্য তিনি আর মাত্র দুটি রজনীর অভিনয়ে রাজি হলেন, তারপর থেকে তিনি এমারাল্ডে এক নম্বর।

    কিছু কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রীও অর্ধেন্দুশেখরের সঙ্গে চলে যাবে মিনার্ভা ছেড়ে। থিয়েটারের জগতে এরকম দল ভাঙাভাঙি অবিরাম চলে। এরই মধ্যে একদিন নয়নমণিকে নিজের ঘরে ডেকে আনলেন অর্ধেন্দুশেখর।

    নতমুখী সেই তরুণীকে তিনি বললেন, নয়ন, আমি এমারেন্দ্রে গিয়ে নতুন দল খুলছি। তুই আমার সঙ্গে যাবি? মিনার্ভায় তোর ভাগ্য চাপা পড়ে থাকবে। তিনকড়ি যতদিন আছে, তুই বড় পার্ট পাবি না। তিনকড়ি গিরিশবাবুর খুব পেয়ারের। তোর দিকে তাঁর চোখ নেই। আমি বুঝেছি, তোর ভেতরে অনেক শক্তি আছে। একটু মাজা ঘষা করলে তুই হিরোইন হাতে পারবি। পয়সাও বেশি। পাবি। আজই উত্তর দিতে হবে না, কী করবি ভেবে দ্যাখ। আমি তোকে চাই!

    নয়নমণি দারুণ দোলাচলের মধ্যে পড়ে গেল। এর মধ্যে দু তিন জায়গা থেকে তার কাছে প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু সে মিনার্ভা ছাড়তে রাজি হয়নি। সে গিরিশচন্দ্রের পায়ের কাছে পড়ে থেকে অভিনয় কলা শিখতে চায়। কিন্তু ইনি যে অর্ধেন্দুশেখর, এর ডাক সে ফেরাবে কী কবে? অর্ধেন্দুশেখরই বলতে গেলে নয়নমণিকে রাস্তা থেকে তুলে এনে থিয়েটারে সুযোগ করে দিয়েছেন। ইনি নয়নমণির পিতৃতুল্য।

    বাড়িতে এসে গঙ্গামণিকে কথাটা জানাতেই সে বলল, নিয়ে নে, নিয়ে নে। হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলিসনি! এক থিয়েটারে বেশিদিন পড়ে থাকলে নট-নটীদের কদর হয় না। লোকে ভাবে, তাকে বুঝি অন্য কেউ চায় না। যত বদল করবি, তত তোর দাম বাড়বে! মুখপুড়ি, তুই এবার আপত্তি করলে তোর মুখে আমি ঝাটা মারব!

    তারপর গলা নামিয়ে সে আবার বলল, তুই অ্যাকটিং শিখতে চাস তো? তোকে আমি সত্যি কথাটা বলি। গিরিশবাবুর চেয়ে আমাদের এই অর্ধেন্দুসাহেব অনেক ভাল পার্ট শেখায়। আমি থিয়েটারের ঘাগি, আমি সব জানি।

    নয়নমণি মিনার্ভা ছেড়ে যোগ দিল এমারাল্ড থিয়েটারে।

    নাটক বাছা হল অতুলকৃষ্ণ মিত্তিরের ‘মা’। কবিকঙ্কণ মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গলের কাহিনী অবলম্বনে লেখা। নয়নমণিই প্রধানা নায়িকা। সঙ্গে সঙ্গে নয়নমণির মান-মর্যাদা অনেক বেড়ে গেল। এখন তাকে রিহার্সালে নিয়ে যাবার জন্য গাড়ি আসে, বাড়িতেও পৌঁছে দিয়ে যায়। রিহার্সালের সময় বিনা পয়সায় খাওয়া, মাস মাইনে দেড় শশা টাকা। খরচের ব্যাপারে অর্ধেন্দুশেখর দিলদরিয়া।

    অর্ধেন্দুশেখর তার দলে অধিকাংশই অখ্যাত নট-নটীদের নিয়েছেন। তার ইচ্ছে, নামের জোর দিয়ে দর্শক টানরেন না, দর্শক আসবে অভিনয়ের গুণে। তিনি সকলকে এমন ভাবে তৈরি করবেন, যেমনটি আগে কেউ কখনও দেখেনি।

    এমনিতে এমন সময় ভালমানুষ, কিন্তু রিহার্সান্সের সময় অর্ধেন্দুশেখর যেন সত্যিই বাঘ। কারুর টু শব্দটি করার উপায় নেই।

    রিহার্সাল চলছে সামনে দু’জনকে নিয়ে, পেছনে কেউ একজন অন্যকে ফিসফিস করে বলল, এই এক খিলি পান দিবি।

    অমনি অর্ধেন্দুশেখর হাত তুলে মহড়া বন্ধ করে দিয়ে বললেন, থামো গো, ওদিকে বাবুদের কী সব কথাবার্তা হচ্ছে, আগে শেষ হোক, তারপর আবার শুরু করা যাবে।

    কেউ একজন উঠে গেল, সামান্য পায়ের শব্দ হয়েছে, অমনি অর্ধেন্দুশেখর গর্জন করে উঠলেন, আর কে কে উঠে যাবেন, যান, যান, ইচ্ছে না হলে বসে থাকার দরকার নেই!

    নয়নমণিও বকুনি খেয়েছে, তবে একবার মাত্র। ব্যোমকেশ নামে একটি ছোকরা মেয়েদের সঙ্গে বড় দুষ্টামি করে। রিহার্সালের সময় সকলের একাগ্রতার সুযোগ নিয়ে সে মেয়েদের অচল ধরে টানে। একদিন সে নয়নমণির ঠিক পিছনে বসেছে, মেঝেতে ছড়ানো তার আচল ধরে গোপনে একটু একটু করে টানছে ব্যোমকেশ।

    পার্ট বলতে বলতে হঠাৎ একসময় মুখ ফিরিয়ে নয়নমণি বিরক্ত স্বরে বলল, এই কী হচ্ছে? ছাড়ো!

    অর্ধেন্দুশেখর তৎক্ষণাৎ হাত তুলে বললেন, এটা কী হল? এটা কী হল? এই কী হচ্ছে, ছাড়ো, এ কী সংলাপের মধ্যে আছে?

    নয়নমণি চুপ করে গেল।

    অন্যের নামে নালিশ করা তার স্বভাব নয়। উত্তাক্ত হয়ে সে এই কথা বলে ফেলেছে, তা বলে ব্যোমকেশকে সে শাস্তি দেওয়াতে চায় না।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, ব্যোমকেশ কী করেছে আমি জানি, দেখেছি। কিন্তু নয়ন, স্টেজেও যদি ব্যোমকেশের মতন কেউ পেছন থেকে তোর সঙ্গে ফচকেমি কবে, তখনও কি তুই পার্ট ভুলে ওই কথা বলবি? জানিস, বিনোদিনীর শাড়িতে একবাব আগুন ধরে গিয়েছিল, তাও সে কারুকে বুঝতে দেয়নি। অভিনয় হচ্ছে ধ্যানের মতন, এরকম সামান্য ব্যাঘাতে ধ্যান ভেঙে গেলে চলবে কী করে?

    তারপর তিনি ব্যোমকেশকে বললেন, বাপধন, তোমাকে তো আমি দুঃশাসনের পার্ট দিইনি, তা হলে আঁচল ধরে টানাটানি কেন? যখন মহাভারতের পালা নামাব, তখন তোমায় ডাকব, এখন তুমি এসস।

    শুধু অভিনয় শেখানোই নয়, প্রত্যেকটি নট-নটার প্রতিদিনের জীবনযাপনের প্রতিও অর্ধেন্দুশেখরের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি।

    একদিন তিনি নয়নমণিকে নিভতে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুই সারাদিন কী কী খাস, আমাকে বল তো! একেবারে সকাল থেকে শুরু কর।

    সব শুনে তিনি বললেন, তুই মাছ-মাংস খাস না। এ তো বড় সাতিক কথা। শরীরে তাগদ না থাকলে টানা তিনঘণ্টা স্টেজে লাফালাফি করবি কী করে? মাংস বা মাছ কিছু একটা খাবি রোজ। তুই কি বিধবা নাকি? নটীরা কেউ বিধবা-সধবা কুমারী থাকে না, তারা শুধু নটী। সকালে উঠে চিরতার জল খাবি কিংবা চুনের জল। পেট পরিষ্কার রাখা দরকার, সবসময় মনে রাখবি, পেট পরিষ্কার না থাকলে গলা ভাল খোলে না। শাক খাস না কেন? সপ্তাহে তিনদিন পুঁই শাক, কুমড়ো শাক, কলমি শাক কিছু একটা খেতে হয়। শাক রাঁধতে জানিস তো? না হলে আমি শিখিয়ে দেব। জানিস, আমি কোর্মা-কালিয়া থেকে শাক-চচ্চড়ি সব রাঁধতে পারি, একদিন খাওয়াব তোদের। তুই মদ খাম?

    নয়নমণি দু’দিকে মাথা নেড়ে জোরে জোরে বলল, না।

    –তোর কোনও বাধা বাবু আছে? কেউ তোকে রেখেছে?

    –না।

    -–তোর কোনও পেয়ারের লোক আছে?

    –না।–তবে কি তোর বিয়ে হয়েছিল নাকি রে? স্বামী আছে?

    না।

    অর্ধেন্দুশেখর এবার ধমক দিয়ে বললেন, খালি না না বঙ্গে। একটা কিছু যা বলতে পারিস না? তোর কোনও পুরুষমানুষ যদি না থাকে, সেটা তো ভাল কথা নয়। মাঝে মাঝে কোনও পুরুষের আলিঙ্গন না পেলে মেয়েদের শরীরের রস শুকিয়ে যায়। মুখখানা প্যান্তাখাঁচা হয়ে যায়, তা নিয়ে বেশি দিন পার্ট করা যায় না। থিয়েটারের জগতে সাত্ত্বিক হলে চলে না রে! তোর পুরুষমানুষ নেই, এ তো মহা চিন্তার কথা। এই বুড়ো বয়সে আমি তো তোর নাগর হতে পারি না। তা হলে কি এই ব্যোমকেশটার ওপর তোর মন মজেছিল? বল, তবে তাকে ফিরিয়ে আনি।

    নয়নমণি এবার হেসে ফেলে বলল, আপনি তাকে ফিরিয়ে আনন। সে নাকি ব্রেজ গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে কাঁদে। তবে আমার জন্য নয়, আমার একঞ্জন আছে।

    সাধারণত দশ বারোদিন রিহার্সাল দিয়েই একটা নাটক শুরু হয়ে যায়। কিন্তু অর্ধেন্দুশেখর মাসের পর মাস রিহার্সাল চালিয়ে গেলেন, তবু নাটক মঞ্চস্থ হবার নাম নেই। সব কিছু একেবারে নিখুঁত না ইলে অর্ধেন্দুশেখরের মনে ধরে না। এদিকে টাকা পয়সা খরচ হয়ে যাচ্ছে জলের মতন।

    ব্যোমকেশ ফিরে এসে একটা ছোট ভূমিকা পেল বটে, কিন্তু সে নয়নমণির পেছনে লেগে রইল। এখন আর সে অন্য মেয়েদের আঁচল ধরে টানে না। নয়নমণির জন্যই যে সে অর্ধেন্দুশেখরের দয়া পেয়েছে সেটা সে জেনে গেছে, সুতরাং সে ধরেই নিয়েছে নয়নমণির কাছ থেকে সে আরও অনেক কিছু পাবে।

    নয়নমণি তাকে দূরে দূরে সরিয়ে রাখে। কিন্তু একদিনও কোনও শৌখিন বাবু নয়নমণিকে নিতে আসে না, সে রোজ মহড়ার পর বাড়ি ফিরে যায়, এতে সকলেরই খটকা লাগে। থিয়েটারের মানুষদের রাতটাই দিন, দিনটাই রাত। তারা দিনে ঘুমোয়, রাত জেগে আমোদ করে। নয়নমণির মতন কোনও সোমশ্ব যুবতী একলা একলা থাকবে, এটা কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    ব্যোমকেশ নয়নমণির বাড়িতে পর্যন্ত ধাওয়া করে। বাধ্য হয়ে নয়নমণিকে গঙ্গামণির শরণ নিতে হল। গঙ্গামণি অতিশয় দজ্জাল, জীবনে সে অনেক পুরুষ চরিয়েছে, পুরুষ মানুষদের কী করে আটকাতে হয়, তাও সে জানে। ব্যোমকেশকে সে দোতলায় ধরে রাখে, তিনতলায় উঠতে দেয় না। একদিন সে ব্যোমকেশকে আদর করে বড় এক গেলাস শরবত খেতে দিল। আসলে তা ক্যাস্টর অয়েল, তাতে একটু চিনি মেশাননা। সেটা খাবার পর তিনদিন আর ব্যোমকেশ বাথরুম থেকে দূরে থাকতে পারেনি।

    অবশেষে এমারাল্ড থিয়েটার অধিগ্রহণ করার সাড়ে ছ’মাস পরে মা’ নাটকটি পাদপ্রদীপের সামনে এল।

    সমালোচকরা ধন্য ধন্য করল, দর্শকও মন্দ হল না। অর্ধেন্দুশেখর সম্পর্কে অনেকেই খুব উৎসাহ, শুধু তাঁর অভিনয় দেখার জন্যই লোকে আসে, আর এ নাটক তো তাঁর সৃষ্টি। গিরিশচন্দ্র শ্রদ্ধেয় আর অর্ধেন্দুশেখর সকলের প্রিয়। তিনি যা-ই করুন, তাতেই তার সমর্থকের অভাব নেই। এ নাটকে নতুন নট-নটীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পেল নয়নমণি। বেশ কয়েকটি পত্রিকায় লিখল, বাংলার নাট্যজগতে আর এক প্রতিভাময়ী অভিনেত্রীর আবির্ভাব।

    কিন্তু আয়ের চেয়ে যে ব্যয় বেশি হয়ে যাচ্ছে, অর্ধেন্দুশেখর সে হিসেব রাখছেন না। বহু ঘুরতে-ঘুরতেই দেখা গেল তার অনেক দেনা হয়ে গেছে। গিরিশবাবু যা বলেছিলেন, তা যেন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে।

    তবু হাল ছাড়লেন না অর্ধেন্দুশেখর। নিজের সর্ব গেছে এরপরেও থিয়েটার চালিয়ে যাবার সঙ্কল্প নিয়ে তিনি একজন অংশীদার ঠিক করলেন। হরিশ্চন্দ্র মালাকার নামে এক ব্যক্তি অর্থ নিয়োগ করবেন, আয়-ব্যয়ের হিসেব রাখার ভার তার ওপর। তবে নাটক নির্বাচন বা প্রযোজনায় ব্যাপারে তিনি মাথা গলাতে পারবেন না।

    হরিশ্চন্দ্ৰবাবু পাকা লোক। মখের কথায় তিনি বিশ্বাসী নন, সব কিছু লেখাপড়ায় থাকা চাই। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গেও তিনি নতুন ভাবে চুক্তি করিয়ে নিচ্ছেন। তিনি সঙ্গে এনেছেন একজন তরুণ ব্যারিস্টার।

    এই ব্যারিস্টারের নাম যাদুগোপাল রায়। থিয়েটারের সব লোকজন অফিস ঘরে এসে চুক্তিপত্র সই করে যাচ্ছে, যাদুগোপাল বসে আছে একপাশে। নয়নমণির দিকে সে তাকিয়ে আছে অনেকক্ষণ। তার মক্কেলের অনুরোধে যাদুগোপাল এর মধ্যে ‘মা’ নাটক দেখে গেছে একবার। পৌরাণিক নাটকে সাজগোজ করা নয়নমণির সঙ্গে আজকের আটপৌরে শাড়ি পরা নয়নমণির অনেক তফাত।

    নয়নমণির সই হয়ে যাবার পর সেই কাগজটি হাতে তুলে নিয়ে যাদুগোপাল বলল, নয়নমণি দাসী? থিয়েটারের জন্য অনেকে নতুন নাম নেয়, আপনার আসল নাম কী?

    নয়নমণি বলল, ওই একই নাম।

    ভুরু কুঞ্চিত করে আবার নয়নমণির মুখের দিকে তাকাল যাদুগোপাল। তারপর আস্তে আস্তে বলল, আমার স্মৃতিশক্তি খুব ভাল। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলাম। আমি কিছুই ভুলি না। কলেজ জীবনে আমার এক বন্ধু ছিল ভরত সিংহ, বেশ কয়েক বছর আগে তার ভবানীপুরের বাড়ির কাছাকাছি একটি বাগানে আমরা একদিন বনভোজন করেছিলাম। সেখানে আমাদের উনুন ধরিয়ে দিয়েছিল একটি কিশোরী। সে লেখাপড়া জানত, গান জানত। যতদূর মনে পড়ে, তার নাম ছিল ভূমিসূতা। তাই না?

    নয়নমণির শরীরটা যেন অনড় পাথর হয়ে গেছে। সে এক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল যাদুগোপালের দিকে।

    যাদুগোপাল বলল, ভরত আমার খুব ভাল বন্ধু ছিল। শুনেছি, আপনার জন্য সে বিবাগী হয়ে গেছে। সে এখন কোথায় আছে, আপনি জানেন?

    এবারে নয়নমণির শরীরে স্পন্দন এল, থরথর করে কাঁপছে তার ঠোঁট। সে বলল, না, জানি না, জানি না। আমি কিছুই জানি না।

    আর দাঁড়াল না নয়নমণি, ছুটে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে।

    ফেরার পথে ঘোড়ার গাড়িতে বসে সে একা একা কাদতে লাগল অঝোরে। বাড়ি ফিরেও তার কান্না থামে না। গঙ্গামণি উদ্বিগ্ন হয়ে বারবার জিজ্ঞেস করতে লাগল, কী হয়েছে, হ্যাঁ লা, কী হল তোর, কোন অগীর ব্যাটা তাকে কী বলেছে?

    নয়নমণি একটা কথাও বলতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }