Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭০. থিয়েটার দেখতে এসেছেন মহেন্দ্রলাল সরকার

    অসুস্থ শরীরে থিয়েটার দেখতে এসেছেন মহেন্দ্রলাল সরকার। থিয়েটার তাঁর নেশা। যখন নানারকম ব্যস্ততায় তাঁর নিশ্বাস ফেলারও সময় থাকত না, তখনও কোনও নতুন নাটক শুরু হলেই তিনি অন্য কাজ ফেলে রঙ্গালয়ে এক সন্ধ্যা ব্যয় করতেন। শুধু কাজ আর কাজ নিয়ে থাকলে কর্মক্ষমতাই ধীরে ধীরে কমে যায়। মাঝে মাঝে মন অন্য দিকে ফেরাতে হয়। উত্তম নাট্য-অভিনয় দর্শনে মহেন্দ্রলালের মনে স্ফুর্তি আসে, কর্মের উদ্যম বাড়ে।

    এখন অবশ্য মহেন্দ্রলাল এক এক করে বিভিন্ন দায়িত্ব থেকে মুক্তি নিচ্ছেন। রোগীদের চিকিৎসা বন্ধ, তাঁর অতি প্রিয় বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানেও আর নিয়মিত যেতে পারেন না। শরীর অশক্ত, হাঁটু দুটি দুর্বল হয়ে গেছে, তবু নাটক দেখতে আসা বন্ধ হয়নি।

    এক হাতে ছড়ি, অন্য হাতে দীনেন্দ্রকুমার রায়ের কাঁধে ভর দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগলেন মহেন্দ্রলাল। দীনেন্দ্র এখন বসুমতী নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করে, সেও নাটক-পাগল। মহেন্দ্রলালকে কলকাতার সব কটি রঙ্গমঞ্চের মালিক, ম্যানেজাররা বিশেষ ভক্তিশ্রদ্ধা করে, তিনি আসবেন এই খবর পেলেই তাঁর জন্য দোতলার একটি বক্স রিজার্ভ করা থাকে।

    ক্লাসিক থিয়েটার সম্প্রতি আবার নতুন করে সজ্জিত হয়েছে। পুরনো আসনের বদলে গদি মোড়া নতুন আসন, দেওয়ালে নতুন রং এবং একটি চমকপ্রদ অভিনব সংযোজন–বৈদ্যুতিক পাখা! বৈদ্যুতিক আলো আগেই এসে গিয়েছিল, প্রেক্ষাগৃহ এখন আলোয় ঝলমল করে, এই স্বয়ংক্রিয় পাখা এসে একেবারে দর্শকদের শরীর জুড়িয়ে দিয়েছে। বিদ্যুতের নব নব ব্যবহার দেখে বিস্ময়ের আর অবধি নেই। এ যেন আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের সেই দৈত্য, মানুষের হুকুমে বড় বড় কলকারখানার বিশাল বিশাল যন্ত্রগুলি পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেয়। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, বড়লাটভবনে লর্ড কার্জন নাকি একটি যন্ত্র বসিয়েছেন, তার নাম লিফট। সেই যন্ত্রটির মধ্যে একটি খোপ আছে, সেখানে মানুষজন ঢুকে দাঁড়ায়, আর যন্ত্রটি ওপরে উঠে যায়। সিঁড়ি না ভেঙেও দোতলায়, তিনতলায় ওঠা! এর পর কোনও যন্ত্র বুঝি মানুষকে আকাশে ওড়াবে! ইতিমধ্যে নড়া চড়া ছবি নিয়েও এক অদ্ভুত কীর্তি শুরু হয়েছে। মানুষ হাঁটছে, দৌড়চ্ছে, ঘোড়া ছুটছে, ঝরনা থেকে জল পড়ছে, সবই চলন্ত ছবিতে দেখা যায়। এমনকী যে মানুষটা মরে গেছে, তাকেও জীবন্ত দেখা যেতে পারে, সে হাসছে, কাঁদছে। থিয়েটারওয়ালারা অতিরিক্ত আকর্ষণ হিসেবে পাঁচ-দশ মিনিট সেই চলন্ত ছবি দেখায়।

    আসন গ্রহণ করার পর কোটের বোতাম খুলে হাওয়া খেতে খেতে মহেন্দ্রলাল ওপরে ঘূর্ণ্যমান বৈদ্যুতিক পাখার দিকে তাকালেন। মুগ্ধভাবে বললেন, হ্যাঁ হে দীনেন্দ্র, আগে আমরা থিয়েটার দেখতুম কী করে? গরমে গতর সেদ্ধ হয়ে যেত!

    দীনেন্দ্র বললেন, আগে যখন এ জিনিস ছিল না, এর অভাববোধও ছিল না। গরম লাগত ঠিকই। কত রাজা-মহারাজা, যাঁদের বাড়িতে টানা পাখার তলায় থাকা অভ্যাস, তাঁরাও তো গরম সহ্য করে থিয়েটার দেখতে আসতেন।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, রামকৃষ্ণ ঠাকুর মাঝে মাঝে থিয়েটার দেখতে আসতেন, আহা দদর করে ঘেমে নেয়ে একসা হতেন।

    তারপর আপনমনে হেসে উঠে বললেন, তখন গরমের কষ্ট ভোলবার জন্য নাটকের মাঝে মাঝেই ধেই ধেই করে সখীদের নাচ জুড়ে দিত। সব নাটকেই ছ’ সাতখানা মাগি নাচবেই। এখন লক্ষ করেছ, নাচ কত কমে গেছে। অকারণে আর নাচ থাকে না। নাটকগুলো বেশি সিরিয়াস হচ্ছে। তা হলে, তোমাদের এই সব নাটক যদি আর্ট হয়, তাকে প্রভাবিত করছে বিজ্ঞান।

    দীনেন্দ্র বলল, আপনার এই থিয়োরিটা আগে ভেবে দেখা হয়নি।

    বাজনা বেজে উঠল, মঞ্চের সামনের ভারী পদাটা একটু একটু করে গোটাতে শুরু করল। অপূর্ব দৃশ্যপট, যেন সত্যিকারের এক নিবিড় অরণ্য, তার মধ্যে এক ভগ্ন মন্দির। মঞ্চসজ্জা দেখেই দর্শকরা চটাপট হাততালি দিয়ে উঠল।

    ক্লাসিক থিয়েটার এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। উচ্চাভিলাষী অমরেন্দ্রনাথ মিনার্ভা থিয়েটারও দখল নিয়ে এক সঙ্গে দুটি রঙ্গমঞ্চ চালাচ্ছে। নাট্যজগতে সে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। গিরিশচন্দ্রকে সে ফিরিয়ে এনেছে, ফিরে এসেছে দানি। শুধু নাট্যকার ও নাট্যশিক্ষক নন, গিরিশচন্দ্র আবার অমরেন্দ্রনাথের অনুরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয়ও করছেন।

    নাটকের নাম ‘ভ্রান্তি’। কাহিনীর পটভূমিকা ঐতিহাসিক, রাজশাহির জমিদার উদয়নারায়ণ বাংলার নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন, কিন্তু সেই ইতিহাস এখানে প্রাধান্য পায়নি। মানব চরিত্রের জটিলতাই এর মূল উপজীব্য। মানুষের জীবনের কত অশান্তি, কত দ্বন্দ্ব, কত অবিশ্বাস, কত আত্মযাতনা তৈরি হয় নিছক ভুল বোঝাবুঝির জন্য, সেটাই ঘটনা পরম্পরায় প্রতিফলিত হয়েছে।

    নিরঞ্জন আর পুরঞ্জন নামে দুটি যুবকের চরিত্রে নেমেছে অমরেন্দ্রনাথ আর দানিবাবু, গিরিশচন্দ্র সেজেছেন রঙ্গলাল। সেই নায়ক দু’জনের সঙ্গে যেন সমানে পাল্লা দিয়ে চলেছেন বৃদ্ধ গিরিশচন্দ্র। নাটক দেখতে দেখতে শুধু মুগ্ধ নন, খানিকটা অবিশ্বাস মিশ্রিত বিস্ময়ও বোধ করলেন মহেন্দ্রলাল, এ কী চরিত্র রচেছেন গিরিশ! সাধারণত করুণরস, ভক্তিরস কিংবা রুদ্ররসেই তাঁর হাত খোলে। পরপর দু তিনটি নাটকে টিকিট বিক্রি আশানুরূপ না হলে তিনি একটি ভাঁড়ামির পঞ্চরংও নামিয়ে দেন। কিন্তু এই রঙ্গলাল যে সম্পূর্ণ অন্যরকম, যেন এক উদাসীন, আত্মসুখবিমুখ মানুষ, এ চরিত্রে জনপ্রিয় হবার মতন কোনও গাঢ় রং নেই।

    এক দৃশ্যে গঙ্গা নাম্নী এক বারবনিতাকে নিয়ে রঙ্গলাল এসেছে মন্দিরে। দেবীমূর্তির সামনে বসেছে দু’জনে। এই বারবনিতাকে প্রকৃত মানবীর সম্মান দিয়েছে রঙ্গলাল। দেবীমূর্তির সামনে বলছে, অমন পাথুরে মাকে মানি না মানি, তাতে বড় এসে যায় না। …আমার দেবতা প্রত্যক্ষ। আমার দেবতা কথা কয়; আমার দেবতার প্রাণ আছে; আমার দেবতা অমন দৃষ্টিভোগ খায় না। সত্যি ভোগ খায়, আমার তো পরম সুন্দর!

    গঙ্গা প্রশ্ন করল, কে তোমার দেবতা শুনি!

    রঙ্গলাল বলল, মানুষ আমার দেবতা!… আমার দেবতা প্রাণময় মানুষ–যার সেবা করলে প্রাণ ঠাণ্ডা হয়। যার সেবা করে মনকে জিজ্ঞেস করতে হয় না, ভাল করেছি না মন্দ করেছি। যে দেবতার পূজায় কোনও শাস্ত্রে নিন্দা নাই, তর্ক-বিতর্ক নাই।

    মহেন্দ্রলালের দু চক্ষু দিয়ে অশ্রু গড়াচ্ছে।

    তিনি ধরা গলায় বললেন, ওহে, গিরিশের হল কী! সে কট্টর কালীসাধক, এখন মূর্তিপূজার বদলে মানবসেবার কথা বলছে! তার এ কী পরিবর্তন?

    দীনেন্দ্র বললেন, আজ্ঞে, এ তো নাটকের সংলাপ! নাট্যকারকে কত রকম চরিত্র তৈরি করতে হয়। তাদের মুখে মানানসই কথা বসিয়ে দেয়, তা বলে কি নাট্যকার নিজের জীবনে সব মানে?

    মহেন্দ্রলাল বললেন, না, না, এ যেন গিরিশেরই মনের কথা। অভিনয় করছে মনে হয়? গড়গড়িয়ে বলে যাচ্ছে।

    দীনেন্দ্র বললেন, দেখুন গে, এখনও হয়তো উনি বোজ পুজো আচ্চা করেন!

    এর পরেও, রঙ্গলাল যখন অন্যের জন্য প্রাণ দিতে যাচ্ছে, তখন বিস্মিত মুর্শিদকুলি খাঁ জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার ধর্মের জন্য এরকম প্রাণ দিচ্ছ? তার উত্তরে রঙ্গলাল বলল, নবাব সাহেব, যে ধর্মের জন্য পরের কাজ করে, সে নিজেকে ঠিক মতন বিলিয়ে দিতে পারে না।

    নাটক শেষ হতেই মহেন্দ্রলাল বললেন, দীনু, চলো চলল, গিরিশের সঙ্গে একবার দেখা করে

    গিরিশ ইদানীং আর সকলের সঙ্গে দেখা করেন না। প্রত্যেকদিন অভিনয়ের শেষে কিছু দর্শক ভিড় করে আসে, ওদের চাটুকারিতা শোনার ধৈর্য বা লোভ গিরিশের নেই। মঞ্চে দাপাদাপি করার পর তিনি ক্লান্ত বোধ করেন। কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন নিজস্ব একটি ছোট কক্ষে। বিশিষ্ট লোকদেরও সেখানে প্রবেশাধিকার নেই।

    কিন্তু মহেন্দ্রলালকে আটকাবে কে? বৃদ্ধ হলেও তো সিংহের জাত তিনি। ওহে গিরিশ, গিরিশ কোথা গেলে। এই হুংকার শুনে গিরিশচন্দ্র নিজেই দরজা খুলে দিলেন।

    ঘরের মধ্যে এসে মহেন্দ্রলাল বললেন, সুরার পাত্র কোথায়? শুধু তামাক টান দেখছি?

    গিরিশ বললেন, কেন, তোমার পান করবার ইচ্ছে হয়েছে নাকি? তা হলে আনাই।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, হুঃ, এতকাল ধরাতে পারেনি, এখন মরার কালে এসে মাতাল হব?

    গিরিশ বললেন, আমিও আজকাল আর প্রত্যহ খাই না। আমারও তো বয়েস কম হল না।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, বাঃ, বেশ কথা। তোমার সত্যি সত্যি পরিবর্তন হয়েছে দেখছি। নাটকখানিতেও নতুন কথা বলেছ!

    গিরিশ বললেন, বসো, বসো! নাটক কেমন দেখলে বলো!

    তাতে মহেন্দ্রলাল বললেন, অতি সরেস। প্রাণ জুড়িয়েছ। এখনও তোমার লেখার বেশ জোর আছে। এখনও তুমি টায়ার্ড হওনি। রঙ্গলাল আর গঙ্গাবাঈ-এর চরিত্রজুটি একেবারে অরিজিনাল। রঙ্গলালের মুখ দিয়ে তুমি কী কথা শোনালে! চোখে জল এসে গিয়েছিল গোনর

    গিরিশ হেসে বললেন, ডাক্তার, তোমাকে খুশি করা অতি সহজ। তোমার মতামতের কোনও দাম নেই। তুমি তো নাটক দেখতে বসলেই হাপুস নয়নে কাঁদো। আজও দেখছি তোমার কোটের আস্তিন ভিজে গেছে।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, নাটক দেখে মোটেই কাঁদি না। কাঁদি আমি গান শুনে। অভিনয়ের উৎকর্ষ দেখে কাঁদি। অভিনয় যখন সত্যিকারের আর্ট হয়ে ওঠে, তখন তা আমাকে কাঁদায়। তোমাদের নাটকগুলি অধিকাংশই রাবিশ! ভেতরে ভূষিমাল। হয় হেঁদো প্রণয়, নয় ভক্তিরসের বাড়াবাড়ি। তবে এ নাটকখানির বাঁধুনি ভাল। মন দিয়ে লিখেছ, তাই না? আমার কথায় যদি বিশ্বাস না করো, সঙ্গে দীনু এসেছে, যে সে লোক নয়, সুসাহিত্যিক, একখানা ম্যাগাজিনের এডিটর। তার কেমন লেগেছে শোনো?

    দীনেন্দ্রকুমার বললেন, সত্যি অপূর্ব হয়েছে। রঙ্গলাল চরিত্রটি আপনার অত্যাশ্চর্য সৃষ্টি। এমন স্বার্থত্যাগ, বাঙালি একবার চোখ খুলে দেখবে কি! একদিকে স্বার্থ-হিংসা দ্বেষ, আর একদিকে স্বর্গের পবিত্রতা। এই রঙ্গলালের চরিত্রের কাছে অধঃপতিত বাঙালির শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। রঙ্গলালের একটা সংলাপ আমার একবার শুনেই মুখস্থ হয়ে গেল, শুনবেন? ‘সংসার যে সাগর বলে, একথা ঠিক। কুলকিনারা নাই। তাতে একটি ধ্রুবতারা আছে, দয়া। দয়া যে পথ দেখায়, সে পথে গেলে কেউ নবাবও হয় না, বাদশাও হয় না, তবে মনটা কিছু ঠাণ্ডা থাকে। এটি প্রত্যক্ষ, তর্ক-যুক্তির দরকার নাই!’

    গিরিশ বললেন, সত্যি মুখস্থ করেছেন দেখছি।

    মহেন্দ্রলাল ঝুঁকে গিরিশের কাঁধে চাপড় মেরে বললেন, তোমার কী হল হে? মাঝখানে ধর্ম নিয়ে খুব পাগলামি করেছিলে, পুজো-আচ্চা, অবতারবাদ এই সব নিয়ে কত মূখামিই না করেছ। কতবার বলেছি, কালী নামে ওই ন্যাংটা মাগিটার পুজো বন্ধ করো। লেখাপড়া শিখেও বর্বরের মতন একখানা ওই বীভৎস মূর্তির সামনে নাচানাচি করতে তোমাদের লজ্জা ছিল না। হঠাৎ কী করে তোমার এমন সুমতি হল! মূর্তিপূজার বদলে মানবধর্ম। মানবসেবা!

    গিরিশ বললেন, ডাক্তার, তোমার এই এক দোষ। তোমার মুখের লাগাম নেই। অসংখ্য লোক যে মূর্তিকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করে, তা নিয়ে অত খারাপ কথা বলতে যাও কেন? তুমি মানো না, ঠিক আছে। সেটা তোমার মনের মধ্যে রাখো!

    মহেন্দ্রলাল হুংকার দিয়ে বললেন, না, আমি বলবই! আমার যা বিশ্বাস, তা আমি বলতে ছাড় কেন? এত ঠাকুর-দেবতায় ভক্তিই তো দেশটার সর্বনাশ করছে! তুমি আর একটা কথাও বড় খাসা লিখেছ। ধর্মের নামে যারা সেবা করে তারা নিঃস্বার্থ নয়। অনেকে মনে করে, কিছু দান-ধ্যান, মানবসেবা করলে ধর্মকর্ম হবে। পুণ্য হবে। সেই পুণ্যের জোরে স্বর্গে যাবে। স্বর্গে গিয়ে দেবীদের পাশে বসতে পাবে, ঊর্বশী-মেনকা-রম্ভার মতন স্বর্গের বেশ্যারা এসে কোলে শোবে! যত্ত সব ধ্যাস্টামো!

    গিরিশ বললেন, আমার নাটক দেখে কি আর মানুষ শোধরাবে? আমার মনে এসেছে, তাই লিখে গেছি!

    মহেন্দ্রলাল বললেন, সেইজন্যই তো বলছি, তোমার মনের একটা পরিবর্তন এসেছে।

    দীনেন্দ্র বললেন, গানগুলিও অনবদ্য হয়েছে। ‘নেই তো তেমন বনে কুসুম, মনে যেমন ফোটে ফুল’, আহা!

    মহেন্দ্রলাল বললেন, হ্যাঁ হে গিরিশ, তোমাকে আর একটা কথা জিজ্ঞেস করব, অনেকদিন ধরে ভাবছি। তুমি আবার ক্লাসিকে ফিরে এলে কোন মুখে? থিয়েটারের নট-নটীদের কি মানসম্মান থাকতে নেই! ক্লাসিকের মালিক এই অমর ছোঁড়াটার সঙ্গে তোমার মামলা মোকদ্দমা হল, সে তোমায় কত গালমন্দ করল, কত কুচ্ছিত কটুকাটব্য, কাদা ছোঁড়াছুড়ি, এখন দেখছি দুজনে আবার বেশ গলাগলি!

    গিরিশ বললেন, কী করব, অমর নিজেই মামলা তুলে নিল, আমার বাড়িতে গিয়ে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইল।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, তার এত দেমাক, তবু সে ক্ষমা চাইতে গেল কেন হঠাৎ!

    গিরিশ বললেন, আমার কাছে তার সব দেমাক চূর্ণ হয়ে গেছে। আমার বাড়িতে গিয়ে যখন কান্নাকাটি করতে লাগল, তখন আমি বললুম, শুধু চুপিচুপি আমার বাড়িতে এসে ক্ষমা চাইলে তো হবে না, পাঁচজনকে জানাতে হবে। সর্বসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। তখন সে হ্যাঁন্ডবিল ছাপিয়ে বিলি করলে। পাছে সে আবার ভুলে যায়, সেইজন্য ওই দ্যাখো দেওয়ালে সেই একখানা হ্যাঁন্ডবিল সেঁটে রেখেছি।

    বড় বড় অক্ষরে মুদ্রিত হ্যাঁন্ডবিলটিতে লেখা রয়েছে : নাট্যামোদী সুধীবৃন্দকে আনন্দের সঙ্গে জানাইতেছি যে, নটকুলচূড়ামণি পূজ্যপাদ শ্রীযুক্ত গিরিশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়ের সহিত আমাদের সকল বিবাদ-বিসংবাদ মিটিয়া গিয়াছে। বাংলায় যে কয়েকটি স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ স্থাপিত হইয়াছে, সকলগুলিরই সৃষ্টিকর্তা শ্রীযুক্ত গিরিশ্চন্দ্র! প্রায় সকল অভিনেতা ও অভিনেত্রীই গিরিশচন্দ্রের শিক্ষায় গৌরবান্বিত! তাহার মধ্যে আমি একজন। গিরিশবাবুর সহিত বিবাদ করিয়া, নিতান্তই ধৃষ্টতার পরিচয় দিয়াছিলাম–বড়ই সুখের বিষয়, সমস্ত মনোমালিন্য অন্তর হইতে মুছিয়া ফেলিয়া, তাঁহার স্নেহময় কোলে আমাকে আবার টানিয়া লইয়াছেন।…

    গিরিশচন্দ্র বললেন, কেন অমর আমার কাছে ক্ষমা চাইতে গেল, তা নিয়ে আমার মনেও খটকা ছিল। আসল কারণটি পরে জেনেছি। একটি মেয়ে তাকে জোর করে পাঠিয়েছিল।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, মেয়েমানুষের কথা পুরুষে শোনে? এ তো বড় তাজ্জব ব্যাপার। বউ নয় নিশ্চয়, বাঙালি ব্যাটাছেলেরা তো বউদের গ্রাহ্যই করে না। বউদের লাথি-ঝাটা মেরে বীরত্ব ফলায়। কোনও পেয়ারের মাগি বুঝি?

    গিরিশচন্দ্র বললেন, না, তাও নয়। সে বেটি এই থিয়েটারেরই একজন অ্যাকট্রেস। তুমি নাম শুনলেই চিনবে। সে বড় আজব চিড়িয়া। আমি এত বছর ধরে থিয়েটারের কত মেয়েমদ্দকে চরিয়েছি, এমনটি কখনও দেখিনি। তার রূপ-যৌবন আছে, তবু সে কারুর রক্ষিতা হয় না। কোনও পুরুষের সঙ্গে ঢলানি করে না। অথচ তার কী তেজ! সে অমরকে বলেছিল, গিরিশবাবুকে অপমান করার ফলে ক্লাসিকের স্টেজ অপবিত্র হয়ে গেছে, সে নিজেও এখানে আর পা দেবে না। যতদিন আমি বাইরে ছিলাম, সেও অ্যাক্টিং করেনি, বাড়িতে বসে ছিল। তাতেই অমরের টনক নড়ল, টিকিট বিক্রি কমে আসছিল। সেই মেয়েটার জেদের জন্যই অমর ছুটে গেল আমার কাছে।

    দীনেন্দ্র বলল, ওদিকে মিনার্ভার মালিকের সঙ্গেও তো আপনার আর বনছিল না। মিনার্ভার তখন পড়তি অবস্থা।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, সে মেয়েটি কে? শুনি, শুনি।

    গিরিশ বললেন, তাকে ডাকব? দেখি ইতিমধ্যে সে বাড়ি চলে গেছে কি না। ওরে কে আছিস, একবার নয়নমণিকে এখানে আসতে বল তো!

    নয়নমণি ততক্ষণে মেক আপ ধুয়ে, বসন বদল করে বাড়ি যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছিল, লোকজনদের হাঁকডাকে তাকে ফিরতে হল। গিরিশচন্দ্রের ঘরের দরজার কাছে দাঁড়াল, শরীরে একটিও অলঙ্কার নেই, সাধারণ শাড়ি পরা। এখন তাকে মঞ্চনটী বলে মনে করার কোনও উপায় নেই।

    দীনেন্দ্র বলল, এ তো দুর্দান্ত অভিনয় করে, আজকের নাটকেও ফাটিয়েছে!

    মহেন্দ্রলাল চশমা খুলে নয়নমণির সর্বাঙ্গ ভাল করে দেখলেন। তারপর কপট বিষাদের সঙ্গে বললেন, আমার তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে। তবু এমন রমণীরত্ন দেখলে আবার বিয়ে করতে ইচ্ছে করে। সে কী আর আমার অদৃষ্টে আছে! কী গো, এই বুড়োকে বিয়ে করবে?

    নয়নমণি ফিক করে হেসে বলল, হ্যাঁ। রাজি আছি।

    মহেন্দ্রলাল ভুরু তুলে বললেন, অ্যাঁ রাজি? মন্তর পড়ে তো আর বিয়ে করতে পারব না। বাড়িতে একখানা জাঁহাবাজ গিন্নি আছে, সে ঝাটাপেটা করবে। তাহলে বলো, দমদমের দিকে একটা বাগানবাড়ি কিনি, সেখানে গান্ধবর্মতে মালাবদল হোক! কী?

    নয়নমণি বলল, তাতেও রাজি!

    মহেন্দ্রলাল সগর্বে গিরিশের দিকে তাকিয়ে বললেন, তবে? তবে? তুমি যে বললে, ও কারুর সঙ্গে থাকতে রাজি হয় না!

    গিরিশ বললেন, তুই যে আমাকে ডোবালি নয়ন! শুনেছি এতকাল ধরে কোনও পুরুষকেই তোর পছন্দ হয়নি। আর আজ এই বুড়োকে দেখে তোর মন মজে গেল? তুই ওঁকে চিনিস? টান মার

    নয়নমণি বলল, ওঁকে কে না চেনে? উনি যেনি থিয়েটার দেখতে আসেন, সবাই তটস্থ হয়ে থাকে, কারুর অ্যাক্টিং-এ সেদিন খুঁত থাকে না। ওঁর মতন এমন বিরাট মানুষ তো আর কেউ আমার মতন সামান্য মেয়েকে আগে চাননি!

    মহেন্দ্রলাল ডান বাহু ভাঁজ করে মাল টিপে বললেন, এখনও তাগদ আছে। ইচ্ছে করলে এই বুড়ো হাড়েই ভেলকি দেখাতে পারি, বুঝলে গিরিশ! তা হলে ওইটাই ঠিক থাকল তো?

    নয়নমণি মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল।

    দীনেন্দ্রকুমার প্রাণ খুলে হাসছেন।

    মহেন্দ্রলালও এবার হাসতে হাসতে বললেন, এ বেটির রসবোধ আছে। আমার কথা শুনে প্রথমেই চক্ষু ছানাবড়া করেনি! হাঁ গা, গিরিশবাবুর হয়ে তুমি নাকি অমরবাবুর সঙ্গে ঝগড়া করেছিলে? থিয়েটারের নট-নটীদের মধ্যে এমন গুরুভক্তির কথা তো আগে কক্ষনও শুনিনি!

    গিরিশ বললেন, আমি ওর তেমন গুরুও নই। ও অর্ধেন্দুর হাতে গড়া।

    নয়নমণি বলল, আপনি সকলের গুরু।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, থিয়েটারের মেয়েদের নিয়ে কত লোকে এখনও কত কুকথা বলে। অথচ এমন মেয়েও তো আছে! অভিনেত্রী হলেই কদর্য জীবন যাপন করতে হবে কেন? বিদ্যেসাগরমশাই বেঁচে থাকলে এই নয়নমণিকে একবার তাঁর সামনে নিয়ে গিয়ে দেখাতুম!

    গিরিশ বললেন, এ মেয়েটাকে এত প্রশংসা করবেন না। ওর দোষও আছে। ওর সামনে একটু মুখ আলগা করার উপায় নেই। আমাদের শকার বকার করা বরাবরের অভ্যেস, যখন তখন মুখ ফসকে বেরিয়ে যায়। ভাল করে ধাতানি না দিলে এখানে অনেকে বোঝেও না। নয়নমণির সামনে একটু মুখ খিস্তি করলেই ও মুখ ভার করে উঠে যায়। রিহার্সালও দিতে চায় না। ওকে বুঝিয়ে দাও যে থিয়েটারের অন্দরমহলটা বেহ্মদের আখড়া নয়!

    মহেন্দ্রলাল বললেন, এটা ওর দোষ হল!

    গিরিশ বললেন, ওর আর একটা দোষ, ও পুরুষদের সঙ্গে মেশে না, মেয়েদের নিয়ে ঘোঁট পাকায়। অন্য কোনও মেয়েকে বকাবকি করলেও নয়নমণি আগ বাড়িয়ে এসে বলে, কেন, কেন, ও কী অন্যায় করেছে? একদিন অমর গুলফম হরিকে একটা থাবড়া মেরেছিল। মাঝে মাঝে এক কথা সাতবার বললেও না বুঝলে মেজাজ ঠিক রাখা যায় না। আমিও দু-একটা চড় থাপ্পড় মারি। নয়নমণি তাতেই গোঁসা করে বসল। মেয়েছেলের গায়ে কেন হাত তোলা হয়েছে? বোঝে মজা, থাবড়া খেল গুলফম হরি, সে রাগ করল না, কিন্তু এই নয়ন বেঁকে বসে থাকল, সেদিন সে স্টেজে নামবে না।

    লি মহেন্দ্রলাল মাথা নেড়ে বললেন, হুঁ, এটাও একটা দোষের কথা বটে!

    গিরিশচন্দ্র বললেন, সেদিনের শো বন্ধ হওয়ার উপক্রম। নয়নমণি না থাকলে দর্শক খেপে যাবে। আমি যত বোঝাই কিছুতে শোনে না। শেষ পর্যন্ত অমরকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইতে

    দীনেন্দ্রকুমার বললেন, শুনে ভারী আশ্চর্য লাগছে। অমরেন্দ্রনাথকে দর্পী মানুষ বলেই সবাই জানে। কথায় কথায় কতজনকে তাড়িয়ে দেয়। অনেক সামান্য কারণে নাম করা নট-নটীদের দূর করে দিয়েছে। তবু সে নয়নমণির কথা বারবার শোনে কেন!

    গিরিশ বললেন, এ মেয়েকে যে তাড়িয়ে দেওয়ার কথা উচ্চারণও করা যায় না। নিজে থেকেই বার বার বলে, চলে যাব, চলে যাব! যে শাস্তির ভয় পায় না, তাকে শাস্তি দেওয়া বড় শক্ত!

    মহেন্দ্রলাল উঠে এসে নয়নমণির থুতনি ধরে উঁচু করে বললেন, তোর তো দেখছি অনেক দোষ। তুই থিয়েটারে কেন যোগ দিতে এলি পাগলি? তোর তো যোগিনী সন্ন্যাসিনী হওয়ার কথা ছিল!

    নয়নমণি কপালে একটা আঙুল ছুঁয়ে নম্র কণ্ঠে বলল, নিয়তি আমাকে এখানে টেনে এনেছে।

    মহেন্দ্রলাল বললেন, হয় তোর জেদের জন্য এই থিয়েটারের ভেতরকার পরিবেশ পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে, নয়তো তুই আর বেশিদিন এখানে টিকতে পারবি না। আর একদিন এসে তোর নিয়তির গপ্পো শুনব। এখন আর দেরি করতে পারছি না, বাড়িতে গিয়ে গাদাগুচ্ছের ওষুধ খেতে হবে। কই হে দীনু, চলো এবার।

    গিরিশও উঠে এলেন মহেন্দ্রলালকে খানিকটা এগিয়ে দেওয়ার জন্য।

    ফাঁকা মঞ্চটা পার হয়ে সামনের সিঁড়ি দিয়ে নামতে গেলেন মহেন্দ্রলাল। তাঁর হাতের ছড়িটা খসে পড়ল, ধপ করে বসে পড়ে তিনি জোরে শ্বাস নিতে লাগলেন।

    কী হল, কী হল, বলে সবাই ব্যস্ত হয়ে গেল। ছুটে এল আরও অনেকে। কেউ বলল, শুয়ে পড়ন! কেউ বলল, ডাক্তার ডাক। কেউ বলল, অমরবাবুকে খবর দে।

    চক্ষু মুদে রয়েছেন মহেন্দ্রলাল। নিজের বুকে হাত বুলোচ্ছেন। নিশ্বাস পড়ছে হাপরের মতন। একটু পরে চক্ষু খুলে দম নিতে নিতে বললেন, ডাক এসে গেছে বুঝতে পারছি। শরীর আর বইছে না।

    গিরিশ বললেন, সারাটা জীবন অন্য মানুষদের জন্য হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে গেলে, নিজের শরীরটার দিকে নজর দাওনি। এত রাত্তিরে তো ডাক্তার পাওয়া যাবে না, তুমিই বলে দাও, এখন কী করা উচিত। এই অবস্থায় কি বাড়ি ফেরা ঠিক হবে?

    নয়নমণি মহেন্দ্রলালের পায়ের কাছে বসে পড়েছে।

    তার দিকে চেয়ে, এই অবস্থাতেও হাসার চেষ্টা করে মহেন্দ্রলাল বললেন, ব্যথা হচ্ছে আমার বুকে, তুই আমার পা টিপে কী করবি? তাতে কিছু সুরাহা হবে?

    নয়নমণি বলল, আপনি কত মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। আমরা আপনার একটু সেবা করতে পারি না?

    মহেন্দ্রলাল বললেন, আমি কারুর সেবা চাই না। আমি যখন মরব, তখন কোনও নিরালা নির্জন স্থানে একা গিয়ে শুয়ে থাকব। কেউ জানবে না। মানুষের কান্নাকাটি, আহা-উঁহু, ফোঁসফোঁসানি আমি সহ্য করতে পারি না একেবারে!

    কোনওক্রমে তিনি আবার উঠে দাঁড়ালেন। ছড়িতে ভর দিয়ে খানিকটা টলমলভাবে এগিয়ে গেলেন বাইরের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }