Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৩. মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের মৃত্যুর পর

    মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের মৃত্যুর পর ত্রিপন্যায় শুরু হয়ে গেল রাজনীতির খেলা। কুচক্রী ও সুযোগসন্ধানীরা ঘোঁট পাকাতে লাগল সিংহাসনের অধিকার নিয়ে। অশান্তির আগুন জ্বললে সেই আগুনে অনেকে নিজেদের মাংস-রুটি বানায়।

    যুবরাজ হিসেবে রাধাকিশোরেরই সিংহাসন প্রাপ্য। কিন্তু কুমার সমরেন্দ্রনাথ তাঁর দাবি আবার তুললেন, তাঁর পক্ষেও অনুচরশলাকার কম নেই। বহুদিন পর আবার মহারানি ভানুমতীর নামে জয়ধ্বনি দেওয়া হতে লাগল, স্বর্গীয় মহারাজের পাটরানির সন্তানই সিংহাসনের ন্যায্য অধিকারী, এই নিয়ে শোরগোল তোলা হল। মহারাজ বীরচন্দ্রও মৃত্যুর আগে উত্তরাধিকারী নির্বাচনের ব্যাপারে স্পষ্ট ব্যবস্থা করে যাননি, হঠাৎ এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, সে চিন্তাও তিনি করেননি। রাধাকিশোর নামে যুবরাজ ছিলেন বটে, কিন্তু সমরেন্দ্রনাথের প্রতি মহারাজ যথেষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখাতেন, পাত্রমিত্রদের বুঝিয়ে দিতেন যে ভানুমতীর গর্ভের সন্তানই তাঁর প্রিয় সন্তান। কলকাতার সফরে অধিকাংশ সময় তিনি সমরেন্দ্রনাথকেই সঙ্গে আনতেন। এখন সমরেন্দ্রনাথের সমর্থকরা বলতে লাগল, রাধাকিশোরকে এক সময় যুবরাজ করা হয়েছিল, তাতে কী হয়েছে? তা কি বদলানো যায় না? পরলোকগত মহারাজ সমরেন্দ্রনাথকেই বেশি পছন্দ করতেন, তিনি ওঁকেই সিংহাসনে বসাতেন।

    একালের রাজকুমাররা তলোয়ার হাতে নিয়ে দ্বন্দ্বযুদ্ধে নিজেদের ক্ষমতার প্রশ্ন মিটিয়ে ফেলে না। তারা মামলা-মোকদ্দমায় যায়, দল ভাঙাভাঙির খেলায় মেতে থাকে, অর্থ ব্যয় হয় জলের মতন, রাজ্যে চলতে থাকে অরাজকতা, ভারতের এই সব দেশীয় রাজ্যরূপী মেষশাবকগুলিকে গ্রাস করার জন্য উদ্যত হয়ে আছে ব্রিটিশ সিংহ।

    যুবরাজ রাধাকিশোর তাঁর পিতার মতন জবরদস্ত পুরুষ নন। তাঁর পিতার চরিত্রে ছিল অনেক বৈপরীত্য, তিনি ছিলেন এক দিকে কবি ও শিল্পী, অন্য দিকে চতুর রাজনীতিবিদ, ভোগী কিন্তু অসংযমী নন, সাধারণ মানুষের প্রতি উদার, আবার নিজের অধিকার রক্ষার জন্য নিঠুর স্বার্থপর। সেই তুলনায় রাধাকিশোর সরল ও একরঙা মানুষ। তিনি বুদ্ধিমান কিন্তু তাঁর জাগতিক জ্ঞান কম।

    বীরচন্দ্র মাণিক্যের মৃত্যু হয়েছে কলকাতায়, সেই খবর পেয়েই রাধাকিশোর ত্রিপুরার সিংহাসনের দখল নিয়েছেন। এদিকে সমরেন্দ্রনাথও পিতার শেষকৃত্যের পর সদলবলে ধেয়ে এসেছেন, তাঁদের ধাক্কায় সিংহাসন টলটলায়মান।

    রাধাকিশোরের কোনও বন্ধু নেই। তাঁর বাবা কলকাতার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় করাননি, ত্রিপুরাতেই কিছু কিছু রাজকার্য নিয়ে তাঁকে ব্যস্ত থাকতে হত। এই সংকটের সময় তিনি বুঝলেন যে কলকাতার সাহায্য ছাড়া ত্রিপুরায় টেকা যাবে না। হাই কোর্ট কলকাতায়, ইংরেজ রাজত্বের রাজধানী কলকাতায় সব রকম ক্ষমতার কলকাঠি নড়ে। কলকাতায়, ত্রিপুরার পক্ষে জনমত সৃষ্টি করার জন্য ইংরিজি জানা ভাল লোক দরকার। রাধাকিশোর এই সময় শশিভূষণ মাস্টারের অভাব অনুভব করলেন, তাঁকে পেলে অনেক সুবিধে হত, কিন্তু তিনি কোথায় কে জানে! রাধারমণ ঘোষকে তিনি ঠিক বিশ্বাস করতে পারেন না, তিনি পরম বৈষ্ণব অথচ দারুণ ধূর্ত, এই ধরনের লোকদের বোঝা শক্ত। রাধারমণ দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কুমারের মধ্যে যে ঠিক কার পক্ষে, তা প্রকাশ করছেন না, ওঁকে বিদায় করে দেওয়াই ভাল।

    কলকাতার গণ্যমান্য লোকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা চিন্তা করে রাধাকিশোরের প্রথমেই মনে পড়ল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে এক কবির কথা। এই কবি প্রায় তাঁরই সমবয়েসী, চল্লিশ হতে এখনও তিন চার বছর বাকি আছে। রাধাকিশোর রবীন্দ্রবাবুর কাছে দূত হিসেবে পাঠালেন মহিমকে।

    মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের মৃত্যতে রবি প্রায় আত্মীয়বিয়োগের মতনই আঘাত পেয়েছিলেন। মহারাজ কত পরিকল্পনা করেছিলেন, একটি সমগ্র বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন, বাংলা বই ছাপার উত্তম প্রেস স্থাপন, সব বন্ধ হয়ে গেল, এ রকম সাহিত্য অনুরাগী রাজা আর ক’জন হয়। মহারাজের পুত্রদের তিনি চেনেন না, ত্রিপুরার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে গেল। ওখানে সিংহাসনের দাবিদাররা গণ্ডগোল পাকাচ্ছে, এ সংবাদ একটু একটু তাঁর কানে আসে, সংবাদপত্রেও দেখতে পান, কিন্তু এ ব্যাপারে রবি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।

    হঠাৎ একদিন রাধারমণ ঘোষ জোড়াসাঁকোর বাড়িতে উপস্থিত হলেন সকালবেলা। রবি লেখাপড়ার টেবিলে বসেছিলেন, খবর পেয়ে বৈঠকখানা ঘরে নেমে এলেন। বীরচন্দ্র মাণিকোর এই সচিবটির বৈষ্ণব সাহিত্যে অগাধ জ্ঞান, এর সঙ্গে কথা কয়ে আনন্দ পাওয়া যায়। গত বছর কার্শিয়াঙে ইনি খুব খাতিরযত্ন করেছেন। ইনি কোনও প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন নিশ্চয়ই, রবি সাদব-সম্ভাষণের পূব কৌতূহলী হয়ে তাকিয়ে রইলেন।

    রাধারমণ শীর্ণকায় মানুষ, ধুতির ওপর শুধু একটি উত্তরীয় গায়ে জড়ানো। হাত জোড় করে নমস্কারের পর বলে উঠলেন :

    কলি ঘোর তিমিরে         গরাসন জগজন
    ধরম করম বহু দূর
    অসাধানে চিন্তামণি       বিহি মিলাওল আনি
    গোরা বড় দয়ার ঠাকুর…

    রবিবাবু, দেশে চলে যাচ্ছি, কাল সন্ধেবেলা আপনার কথা বারবার মনে পড়ল। তাই একবার সাক্ষাৎ করতে এলাম, হয়তো আর দেখা হবে না।

    রবি বললেন, বসুন, বসুন, ঘোষমশাই। ত্রিপুরা থেকে কবে এলেন, কবে ফিরছেন সেখানে?

    রাধারমণ বললেন, এসেছি পক্ষকাল আগে। আর ফিরছি না সেখানে। ত্রিপুরার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ঘুচে গেছে।

    রবি অবাক হয়ে বললেন, সে কী? আপনাকে ছাড়া ওখানকার কাজকর্ম চলবে কী করে?

    রাধারমণ বললেন, চলবে না কেন, কোনও একজন মানুষের জন্য কোনও কাজই থেমে থাকে। আপাতত অবশ্য সেখানে অরাজকতা ছাড়া আর কিছুই চলছে না। সিংহাসন সর্বক্ষণ টলমল করছে।

    –আপনি কি কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে এলেন?

    –আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করিনি, আবার ছাড়িয়েও দেয়নি, এমনিই চলে এলাম বলতে পারেন।

    –কিন্তু ত্রিপুরার এই দুঃসময়ে আপনার চলে আসা কি উচিত হল? আপনি অনেক কিছু সামলাতে পারেন।

    –রবিবাবু, আমার কতটা ক্ষমতা? আমি ত্রিপুবার মানুষ নই, বহিরাগত, তা নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। মহারাজ বীরচন্দ্র ওই সব ছিদ্রান্বেষীদের আমল দিতেন না। এখন তিনি নেই, তারা আবার মাথাচাড়া দিয়েছে। আমাকে বখাস্তু করার আগেই মান-সম্মান নিয়ে চলে আসিটাই ঠিক নয়?

    –শেষ পর্যন্ত কে বাক্তা হচ্ছে?

    – আপাতত রাধাকিশোর বয়েছে, কতদিন থাকে তার ঠিক নেই। কথায় আছে না, বনগাঁয়ে শিয়াল রাজা বীরচন্দ্র মাণিক্য ছিলেন বাঘ, আপনি তো ভাল করেই জানেন। এখন শিয়ালদের রাজত্ব চলাবে। শিয়াল যদি রাজা হয়, তবে তার মন্ত্রী হবার মতন যোগ্যতা আমার নেই। মহারাজ ছিলেন স্বশিক্ষিত, কুমাররা শিক্ষার ধার ধারে না। কুমার সমরেন্দ্রনাথ তবু বাইরের লোকজনের সঙ্গে কিছু কিছু মেলামেশা কবেছে, দৃষ্টি কিছুটা প্রসার হয়েছে, রাধাকিশোর তো যাকে বলে কূপমণ্ডুক। পড়াশুনোয় ক-অক্ষর গোমাংস। ইংরিজি কিছুই বোঝে না। বর্তমান কালে এই লোক রাজ্য চালাবে? সামান্য ছুতোয় ইংরেজ সবকার মুকুট ছিনিয়ে নেবে।

    -সেটা হবে খুবই দুঃখের কথা। স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পরিবর্ধন হচ্ছিল। এখানকার শিক্ষিত সমাজ হ্যাট-কোট পারে নকল সাহেব সাজতে ব্যস্ত, মুখে ইংরিজি বুলি, বাংলা ভাষায় কথা বলতেও তারা ঘৃণা বোধ করে। বাংলা ভাষার পৃষ্ঠপোষক আর কে আছে? মাতৃভাষার প্রতি সম্মানবোধ না থাকলে জাতীয়তাবোধ কখনও দৃঢ় হতে পারে? কংগ্রেসের নেতারা ইংরিজি ভাষণে তুফান ছোটান, জনসাধারণের ক’জন তা বোঝে! মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের বাংলা ভাষা-প্রীতি দেখে আমি অভিভূত হয়েছিলাম।

    রাধারমণ একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, আর সে সব আশা করবেন না। কুমারদের সংস্কৃতি বোধ নেই। ইতিমধ্যেই রাজকোষ শুন্য। সিংহাসনের দাবিদারদের আঁচড়-আচড়ি, কামড়া-কামড়ি দেখে তিতিবিরক্ত হয়ে প্রজারাই ইংরেজ শাসন চাইবে। যাক, আপনার আর সময় ব্যয় করতে চাই না। আপনার কথা খুব মনে পড়ছিল, ভেবেছিলাম রসশাস্ত্র বিষয়ে কিছুক্ষণ আলাপচারিতা হবে, তা নয়, যত সব স্থূল বিষয় এসে গেল। এবার আমি বিদায় হই। আর বোধ করি দেখা হবে না।

    রবি জিজ্ঞেস করলেন, কেন দেখা হবে না। আপনি কোথায় চলে যাচ্ছেন?

    রাধারমণ বললেন, বাল্মীকির ভাষায় অভিশাপগ্রস্ত ব্যাধের মতন আমি এখন প্রতিষ্ঠাবিহীন। এখনকার বাজারের ভাষায় কর্মহীন। ত্রিপুরায় ফেরার আর প্রশ্ন নেই, কলকাতাতে থেকেই বা কী করব, আমার দেশের বাড়িতে গিয়ে চুপচাপ বাকি দিনগুলি কাটিয়ে দেব।

    রবি বললেন, সে কী! আপনার মতন মানুষ কর্মহীন থাকবেন কেন? রাজস্ব বিষয়ে আপনার অগাধ জ্ঞান, যে-কোনও দেশীয় রাজ্য আপনাকে সাগ্রহে ডেকে নেবে। আপনার বয়েস এমন কিছু বেশি নয়, আপনার অভিজ্ঞতা, আপনার অর্থনীতি অবশ্যই কাজে লাগানো উচিত। মহীশূরের রাজা এরকমই একজন লোক খুঁজছেন শুনেছি।

    রাধারমণ বললেন, অত দূরে, অন্য ভাষাভাষী রাজ্যে যাবার বাসনা আমার নেই।

    রবি বললেন, বাংলাতেও অনেক বড় বড় জমিদার আছেন, কুচবিহারের রাজপরিবারের সঙ্গে আমাদের কুটুম্বিতা হযেছে, আমি চেষ্টা করে দেখতে পারি–

    বলতে বলতে রবি থেমে গেলেন। রাধারমণের দিকে অপলকভাবে তাকিয়ে থেকে বললেন, আমি কী নিবোধ, এমন বতু কেউ হাতছাড়া করে। আমাদেরই নিজস্ব জমিদারি তদারক করার জন্য একজন বিশেষ অভিজ্ঞ মানুষের প্রয়োজন। ঘোমশাই, আপনি যদি আমাদের সঙ্গে যোগদান করতে রাজি হন, আমরা কৃতার্থ হব। আমি তা হলে আজই বাবামশাইয়ের সঙ্গে দেখা করে বলতে পারি।

    রাধারমণ বললেন, আপনাদের মতন সুবিখ্যাত পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হওয়া তো আমার পক্ষে ভাগের কথা। আমাকে যদি আপনারা যোগ্য মনে করেন—

    সেইদিনই কথাবার্তা পাকা হয়ে গেল। দেবেন্দ্রনাথের অমত নেই। রবি অনেকখানি ভারমুক্ত হয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন। জমিদারির কাজে তাঁকে এত জড়িয়ে পড়তে হয়েছে যে নিজস্ব লেখাপড়ার সময় যাচ্ছে কমে। মাঝে মাঝে জমিদারি পরিদর্শনে যেতে তাঁর ভাল লাগে, কিন্তু কলকাতাতেও প্রতিদিন সেরেস্তা হিসেব-নিকেশ বুঝে নিতে মেজাজ নষ্ট হয়। রাধারমণের ওপর ভার দিয়ে নিশ্চিন্ত হওয়া যাবে।

    দিন তিনেক বাদেই রাধারমণ আবার রবির দর্শনপ্রার্থী হলেন। মুখখানি পাণ্ডুর, চিন্তাক্লিষ্ট।

    রবি লঘু কণ্ঠে বললেন, ঘোমশাই, আগের দিন আপনি এসেই প্রথমে একটি পদ বলেছিলেন। আজ আপনাকে দেখে আমারও জ্ঞানদাসের একটি পদ মনে পড়ছে :

    আজি কেনে তোমা এমন দেখি
    সঘনে ঢুলিছে অরুণ আঁখি।
    অঙ্গ মোড়া দিয়া কহিছ কথা
    না জানি অন্তরে কী ভেল বেথা?

    রাধারমণ এ রসিকতায় সাড়া দিলেন না। শুষ্ক কণ্ঠে বললেন, রবিবার, আমার ভুল হয়েছে। আমাকে ক্ষমা করুন।

    রবি সচকিত হয়ে বললেন, কী ব্যাপার? কোনও গণ্ডগোল হয়েছে?

    সবেগে মস্তিষ্ক চালনা করে রাধারমণ বললেন, না, না, কিছু হয়নি, সেদিন ভাল করে চিন্তা না করেই সম্মত হয়েছিলাম। সেটাই আমার ভুল। আপনাদের এখানে কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

    রবি বললেন, আপনার সঙ্গে কেউ অসদাচরণ করেছে? কর্মচারীরা মাথার ওপর নতুন কারুকে দেখলে প্রথম প্রথম সহযোগিতা করতে চায় না, সে রকম কিছু হলে আমি অবশ্যই তার বিহিত করব।

    রাধারমণ বললেন, সে সবই আমার জানা। তেমন কিছুই ঘটেনি। আমারই সিদ্ধান্তের ভুল। আমি এতকাল মহারাজ বীরচন্দ্র মাণিক্যের অধীনে কাজ করেছি, রাজার মুখ্যসচিব ছিলাম আমি, এখন আমার পক্ষে আর অন্য কারুর অধীনে কাজ করা সম্ভব নয়।

    রবি বললেন, আপনাকে আমরা ঠিক কর্মচারী হিসেবে দেখতে চাইনি তো। আপনি স্বাধীনভাবে—

    রাধারমণ বলেন, আপনি আমার সঙ্গে যতই সদয় ব্যবহার করুন, তবু আপনাকে আমার মনিব হিসেবেই গণ্য করতে হবে। আপনি আমার প্রিয় কবি, আপনাকে আমার বন্ধু হিসেবেই পেতে চাই। মনিব কখনও বন্ধু হতে পারে না।

    রবি চুপ করে গেলেন।

    রাধারমণ বলেন, রবিবাবু, আমার অর্থের প্রয়োজন নেই। একা মানুষ, ঈশ্বরের ইচ্ছায় বাকি জীবনটা ভিক্ষা কিংবা দাসত্ব না করেও চলে যাবে। ভাবছি একবার মথুরা বৃন্দাবন দর্শন করে আসব। বিষয়চিন্তা মন থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলে যদি পরমার্থের চিন্তা করা যায়, তার চেয়ে আনন্দের আর কী আছে। আপনি প্রসন্ন মনে আমাকে বিদায় দিন।

    রাধারমণকে পেয়ে অনেকখানি দায়িত্বমুক্ত হওয়া গেল ভেবে রবি কয়েক দিন বেশ উৎফুল্ল হয়ে ছিলেন। তা আর হল না। তবে রাধারমণ স্বেচ্ছায় বিদায় নিয়ে যাওয়ায় যে আর এক দিকে সুদূরপ্রসারী লাভের সম্ভাবনা দেখা দেবে, তা রবি টের পেলেন কয়েক দিন পরে।

    সেদিন মহিমচন্দ্র এল ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের দুত হয়ে। বলেন্দ্রর সহপাঠী হিসেবে এ বাড়িতে তার অবাধ আনাগোনা। সে বলল, ত্রিপুরার নতুন রাজা কলকাতায় এসেছেন, তিনি রবীন্দ্রবাবুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। রবি অনুমতি দিলে তিনি নিজেই এখানে দর্শনপ্রার্থী হয়ে আসবেন।

    রবি জিজ্ঞেস করলেন, নতুন রাজা, মানে কোন জন?

    মহিমের আনুগত্য প্রথম থেকেই প্রথাগত দিকে। সে স্পষ্ট স্বরে বলল, যিনি ন্যায্য উত্তরাধিকারী, যিনি যুবরাজ ছিলেন, সেই মহারাজ রাধাকিশোর মাণিক্য বাহাদুর।

    রবি কিছুক্ষণ চিন্তা করলেন। সিংহাসনে যিনি উপবিষ্ট, তিনিই রাজা। ভ্রাতৃ-বিরোধের পরিণতি যাই-ই হোক না কেন, এখন এঁকেই রাজা বলে গণ্য করতে হবে। স্বাধীন দেশের রাজা হিসেবে তিনি বিশেষ সম্মানের অধিকারী, তার সংবর্ধনাব উপযুক্ত ব্যবস্থা না করে হুট করে তাঁকে বাড়িতে আসতে বলা যায় না। ‘রাজর্ষি’ উপন্যাসে রবি যে গোবিন্দ মাণিক্যের কথা লিখেছিলেন, এই রাধাকিশোর তো তাঁরই বংশধর। নিজস্ব যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, বংশ-মর্যাদার জন্যই তিনি শ্রদ্ধেয়। রাজ-সন্দর্শনে একজন কবি যাবেন, এতে অসম্মানের কিছু নেই।

    রবি বললেন, আমিই আজ সন্ধ্যাকালে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাব।

    দেশীয় রাজাদের কুকীর্তি ও মুখামির বহু কাহিনী জনসাধারণের মধ্যে প্রচারিত। ইংরেজ শাসকদের দববাবে এই সব দেশীয় রাজারা উকট পোশাক পরে ভুত্যসুলভ আচরণ করে। বীরচন্দ্র মাণিক্য ছিলেন অনেকটাই বাতিক্রম, তাঁর ঢাল-তলোয়ারের জোর না থাকলেও নিজস্ব ব্যক্তিত্বের প্রভা ছিল। রাধাবমণের বিবরণ শুনে রবি ধরে নিয়েছেন যে ত্রিপুরার এই নবীন রাজাটি অশিক্ষিত এবং ব্যক্তিত্বহীন। তাই রবি ঠিক করেছিলেন, অল্প সময়ের জন্য শিষ্টাচার বিনিময় করেই ফিরে আসবেন।

    সার্কুলার রোডের বাড়িতে মহারাজ রাধাকিশোর দোতলার দরবারকক্ষে কয়েকজন কর্মচারীর সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন, রবিকে দেখেই নিজের আসন ছেড়ে এগিয়ে এলেন। একটি রেশমি উত্তরীয় রবির গলায় পরিয়ে দিয়ে নমস্কার জানিয়ে বললেন, কবিবর, আপনার দর্শন পেয়ে ধন্য হলাম, আপনি কষ্ট করে নিজে এসেছেন, এ জন্য আমি কৃতার্থ।

    অন্য সকলে ঘর থেকে সরে গেল, মুখোমুখি দুটি চেয়ারে বসার পর কয়েক মিনিট দুজনেই নীরব।

    রবি দেখলেন, বীরচন্দ্র মাণিক্যের দশাসই শরীরের তুলনায় তাঁর এই পুত্রটি বেশ কৃশ, মুণ্ডিত মুখ, গোঁফ আছে বটে কিন্তু তা বনবিড়ালের লেজের মতন পক্ষই নয়, ধুতির ওপর গলাবন্ধ জামা পরা, অলঙ্কারের বাহুল্য নেই, ডান হাতের আঙুলে একটি অঙ্গুরীয়। চক্ষু দুটি স্নিগ্ধ, ওষ্ঠের ভঙ্গি দেখমেই মনে হয়, মানুষটি লাজুক প্রকৃতির।

    একটু পরে ধীর স্বরে রাধাকিশোর বললেন, রবীন্দ্রবাবু, আপনার সঙ্গে আমার আগে পরিচয়ের সৌভাগ্য হয়নি। আমার পিতার সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতা ছিল আমি জানি। পিতা আমার সঙ্গে আপনার পরিচয় কবিয়ে দেননি। একবারই আমি কলকাতায় এসেছিলাম কয়েক বছর আগে, আপনি পিতার সঙ্গে এই ঘরে বসেই কথা বলছিলেন, আমি প্রায় জোর করেই প্রবেশ করেছিলাম, আপনার সঙ্গে কথা বলতে উদ্যত হয়েছি, তখনই একজন ইংরেজ রাজপুরুষ এসে গেল, আমার আলাপ করা হল না। সে ঘটনা বোধ করি আপনার মনে নেই?

    সত্যিই রবি মনে করতে পারলেন না। স্মিত হাস্য করলেন শুধু।

    রাধাকিশোর বললেন, আমার পিতা আপনার ভগ্নহৃদয় কাব্যগ্রন্থটি পড়ে আপনার জন্য শিরোপা পাঠিয়েছিলেন। সেদিনের তুলনায় আজ আপনি বঙ্গের অগ্রগণ্য কবি। আপনাকে কী দিয়ে সংবর্ধনা জানা জানি না। শুধু এটুকুই জানাতে চাই, আমি আপনার রচনার বিশেষ অনুরক্ত। আপনার প্রতিটি রচনা সাগ্রহে পাঠ করি।

    সাধারণত উচ্চ বংশের অশিক্ষিত সন্তানরা উদ্ধত, অহংকারী ও দুর্বিনীত হয়। কিন্তু এই যুবকটি অতিশয় নম্র ও ভদ্র। রবি ক্রমশ একে পছন্দ করতে লাগলেন। বীরচন্দ্র মাণিক্যের সামনে রবি কখনও সহজ হতে পারতেন না, বয়েসের ব্যবধান তো ছিলই, তা ছাড়া তাঁর ব্যক্তিত্ব অন্যদের কাছ থেকে খানিকটা ভয় ও সশ্রম আদায় করে নিত। কিন্তু সিংহাসনের অধিকারী হলেও এই যুবকটির সামনে রবি বেশ স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন।

    রাধাকিশোর আবার বললেন, কলকাতার সমাজ আমার কাছে অপরিচিত। আমি এতকাল আড়ালেই থেকেছি। ভাগ্যদোষে আমি লেখাপড়া তেমন কিছু শিখিনি। আমার পিতার মতন আমি গান ওনি না, ছবি আঁকতে পারি না, কাব্য রচনা করার শক্তিও নেই। কোনও যোগ্যতাই আমার নেই। আপনাকে শুধু এটুকুই জানাতে চাই, আমি সাহিত্য ভালবাসি। বাংলা ভাষার বই, বিশেষত আপনার ব৮ি৩ গ্রন্থগুলি পাঠ করে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আপনার কাছে আমি ঋণী।

    রবি এবার উৎসাহিত হয়ে বললেন, শুধু বাংলার মাধ্যমেই কি শিক্ষিত হওয়া যায় না। পৃথিবীর সব জাতিই মাতৃভাষার মাধ্যমে বিদ্যাচচাঁ করে।

    রাধাকিশোর মুখ নিচু করে বললেন, বড় আশা নিয়ে এসেছিলাম, আপনার বন্ধুত্ব কামনা করব। আমার দুর্ভাগ্য। মহিমের মুখে শুনলাম, আমার পিতার সচিব রাধারমণ ঘোষমশাই আগেই আপনার আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আপনাদের জমিদারি পরিচালনার ভার পেয়েছেন, আপনার দক্ষিণ হস্ত হবেন। ঘোষমশাই আমাকে পছন্দ করেন না। সিংহাসনে আমার অধিকার নিয়েও তিনি সন্দেহ পোষণ করেন। অথচ, আমি যৌবরাজ্য পদে অভিষিক্ত হয়েছি অনেক আগে।

    রবি বললেন, কুমারদের মধ্যে আপনি বয়োজ্যেষ্ঠ, সিংহাসন তো আপনারই প্রাপ্য।

    রাধাকিশোর এবার আবেগমথিত স্বরে বললেন, আপনি, আপনি তা স্বীকার করেন?

    রবির মনে হল, বর্তমান ত্রিপুরা ও কি রঘুপতির মতন কেউ আছে? যে কুটকুশলী নক্ষত্র রায়ের মতন অনুজ কোনও কুমারের মন বিষিয়ে দিয়ে গোবিন্দমাণিক্যের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছে।

    তিনি বললেন, আপনাদের ভ্রাতৃ-বিরোধের বৃত্তান্ত আমি জানি না। তবে এটা বলতে পারি, সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজার প্রতি অবজ্ঞা দেখানো একটা পাপ। সে পাপের প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। পৃথিবীতে জন্মে সকলেই রাজা হয় না, কিন্তু রাজভক্ত হবার অধিকার সকলেরই আছে।

    রাধাকিশোর উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, রবিবাবু, রবিবাবু, আপনি আমাকে বন্ধু বলে মানবেন?

    রবিও উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, বন্ধু।

    তারপর পবর আলিঙ্গনাবদ্ধ হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }