Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶

    ৮৮. লেখকের কথা

    আঠারোশো বিরাশি সালে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির অতি তরুণ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ভগ্নহৃদয়’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তখন এই কবি খুবই স্বল্প পরিচিত। জ্যেষ্ঠভ্রাতারা স্নেহভরে তাঁর কবিতার বই ছাপিয়ে দিতেন। তবু ওই কাব্যগ্রন্থ সুদূর ত্রিপুরা রাজ্যে (বাংলার প্রতিবেশী হলেও তখন সুদুরই ছিল) পৌঁছে গিয়েছিল এবং সেখানকার রাজা বীরচন্দ্র মাণিক্য সেটি পাঠ করেছিলেন। রাজার পাটরানি তখন সদ্য-মৃত, তিনি ওই কবিতাগুলি পাঠ করে সান্ত্বনা পেয়েছিলেন এবং দূত মারফত শিরোপা পাঠিয়েছিলেন কবিকে। একজন নবীন কবির পক্ষে এই রাজস্বীকৃতি খুবই বিরল ঘটনা এবং এই ঘটনাটি ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। আমার উপন্যাস এখান থেকেই শুরু।

    ত্রিপুরার এই রাজ পরিবারটি সম্পর্কে আমার কৌতূহল ও আগ্রহ অনেক দিনের। ইংরেজ অধিকৃত ভারতবর্ষে অন্যান্য দেশীয় রাজ্যগুলির তুলনায় ত্রিপুরার তফাত ছিল। ত্রিপুরা একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে গণ্য হত। রাজা বীরচন্দ্র মাণিক্য ও তার উত্তরাধিকারী রাধাকিশোর মাণিক্য বাংলা সাহিত্য, সঙ্গীত ও সংস্কৃতির বিশেষ অনুরাগী ছিলেন। বীরচন্দ্র মাণিক্য স্বয়ং বাংলা কবিতা ও সঙ্গীত রচনা করতেন, তিনি ও তার পুত্র দুজনেই বাংলা সংস্কৃতির প্রসারে বহু রকম পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, তাদের রাজকোষ তেমন স্বাস্থ্যবান না হলেও এই ব্যাপারে বহুবার দান করেছেন উদার হস্তে। বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু ত্রিপুরার রাজার কাছ থেকে সময়মত আর্থিক সাহায্য না পেলে বিদেশে আত্মসম্মান রক্ষা করে নিজের কৃতিত্ব প্রমাণ করতে পারতেন কি না বলা যায় না। এই সব কাহিনী এখন তেমন সুপরিচিত নয়। এই রাজপরিবার নিয়ে একটি উপন্যাস রচনার চিন্তা আমার মনের মধ্যে আস্তে আস্তে দানা বেঁধেছিল। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভের জন্য কয়েকবার ত্রিপুরাতে ঘুরেও এসেছি। ‘প্রথম আলো’ লেখা আরম্ভ করার কিছু দিন পর আমি বুঝতে পারলাম, শুধুই একটি রাজকাহিনী গড়ে তোলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। উপাদানের বড় অভাব, তা ছাড়া রাজা হোক বা প্রজা হোক, চরিত্রগুলির ব্যক্তিজীবনের ঘটনাবলি এবং জীবন সম্পর্কে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি ফোঁটাতে না পারলে তা নিছক ইতিহাস হতে পারে, উপন্যাস হয় না। আবার উপন্যাসে ইতিহাসের পটভূমি রক্ষা করতে গেলে কল্পনার মিশ্রণ, আগেকার দিনের গোয়ালাদের দুধে জল মেশানোর মতন, মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে চলে না।

    এই জাতীয় উপন্যাস রচনার সময় আমার কোনও পূর্বকল্পিত ছক থাকে না। মূল একটি বিষয় মনের মধ্যে স্থির থাকে, তা ঘিরে গড়ে ওঠে কাহিনী। পরিণতি সম্পর্কেও আমার কোনও ধারণা থাকে না। কাহিনীর যেন নিজস্ব একটি গতি আছে, চরিত্রগুলিও যেন নিজেরাই পথ বেছে নেয়, সেই ভাবে কাহিনী এগিয়ে যায়। যেমন, ভরত নামে একটি কিশোরের চরিত্র যখন আমি প্রথম সন্নিবেশিত করি, সে যে পরে সমগ্র কাহিনীতে একটি অন্যতম প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করবে, তখন তা আমি স্বপ্নেও ভাবিনি বলতে গেলে। ত্রিপুরার রাজার সূত্রে যখন রবীন্দ্রনাথের কথা এসে পড়ে, তখন মনে হয়েছিল যে তিনিই হবেন এ-উপন্যাসের নায়ক, তাও সর্বাংশে হয়নি অবশ্য। আমার মূল বিষয় আমাদের ইতিহাসের বিশেষ একটি সময় এবং সেই বিষয়ের টানেই আরও অন্যান্য বহু চরিত্র ও ঘটনাবলি এসেছে। সেই সময়’ উপন্যাসে আমি ১৮৪০ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সময়কে বিস্তৃত করেছি। প্রথম আলো’ উপন্যাসের ব্যাপ্তিকাল দুই দশকের কিছু বেশি, এক শতাব্দীর শেষ ও অন্য শতাব্দীর শুরু। সেই সময় উপন্যাসের মূল উপজীব্য ছিল সমাজ সংস্কার, তাকে কেন্দ্র করে নানাবিধ দ্বন্দ্ব, বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদিকাল, শিক্ষা বিস্তার ও একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উদ্ভব, যে মধ্যবিত্ত শ্রেণী ইংরেজের অধীনতা থেকে মুক্ত হবার কথা ঘুণাক্ষরেও মনে স্থান দেয়নি। বরং সিপাহি বিদ্রোহের সময় ভয় পেয়েছে, তা যে এক ধরনের বিপ্লব তা বোঝেওনি, সমর্থনও করেনি। পূর্ববর্তী দীর্ঘকালের অরাজকতার বদলে ইংরেজরা যে শক্তিশালী স্থায়ী সরকার গড়েছিল, বরং তাতেই স্বস্তি পেয়েছে। কিছুটা মুক্ত চিন্তার অধিকারী সেই মধ্যবিত্ত শ্রেণী মন দিয়েছে সংস্কৃতিচর্চায়। পরবর্তী কয়েক দশকের মধ্যেই সেই মানসিকতার দ্রুত পরিবর্তন ঘটে। পাশ্চাত্য শিক্ষার সুত্রে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের বিপ্লব ও স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস এ দেশের অনেকের কাছে পৌঁছে যায়। আফ্রিকায় বুয়র যুদ্ধে ইংরেজদের মার খাওয়া, এবং জাপানের কাছে রাশিয়ার পরাজয়ের সংবাদে এদেশেও কিছু কিছু মানুষের মনে এই চেতনা জাগে যে, ইওরোপীয় শক্তিগুলি অপরাজেয় সর্বশক্তিমান নয়। ‘প্রথম আলো’ উপন্যাসের সময়সীমায় জাতীয়তাবোধ ও রাজনৈতিক চেতনার উন্মেষই প্রধান ঘটনা। তৎকালীন দেশের অবস্থা বোঝাবার জন্যই শ্রীরামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের ধর্ম আন্দোলন, অন্যদিকে বিজ্ঞানচর্চা, থিয়েটারের ভূমিকা, কবি রবীন্দ্রনাথের রূপান্তর, জাতীয় কংগ্রেসের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে তরুণদের মতবিভেদ, দুর্ভিক্ষ ও প্লেগ রোগ, হিন্দু-মুসলমানের সাম্প্রদায়িক ভেদ-রেখা সৃষ্টি ইত্যাদি প্রসঙ্গ বিস্তৃত ভাবে আনতে হয়েছে। প্রথমে ভাবিনি, এই রচনাটি এত বৃহদায়তন হবে, কিন্তু এক প্রসঙ্গের টানে অন্য প্রসঙ্গ অবধারিত ভাবে এসে গেছে, যেমন পেশাদারি থিয়েটার মঞ্চে গিরিশ ঘোষ-বিনোদিনী-অর্ধেন্দুশেখরের অবদানের কথা লিখতে গেলে অমরেন্দ্রনাথ দত্তের মতন এক বর্ণময় উল্কা-প্রতিম চরিত্রের কথা বাদ দেওয়া যায় না।

    ‘প্রথম আলো’ আমার পূর্ববর্তী উপন্যাস ‘সেই সময়’-এর পরবর্তী খণ্ড নয়, কিন্তু সময়ের ধারাবাহিকতার মিল আছে।

    তথ্য সংগ্রহ করতে করতে নেশা লেগে যায়, আবার অনেক তথ্য সংগৃহীত হয়ে গেলে উপন্যাসটি তথ্য-ভারাক্রান্ত হবার ভয়ও জাগে। তথ্যের সন্ধানে আমি লন্ডনের ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরিতে পর্যন্ত হানা দিয়েছি কার্জন পেপারস দেখার জন্য। শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনে গিয়ে ইন্দিরা দেবীর নিজের হাতে লেখা খাতাটি দেখতে গেছি। রবীন্দ্রনাথের লেখা মূল চিঠিগুলি গোপন করে যে-খাতায় তিনি চিঠিগুলির অংশ বিশেষ লিখে রেখেছিলেন, সে-খাতাতেও বহু লাইন বারংবার ঘষে ঘষে কাটা, যাতে কিছুতেই পাঠোদ্ধার করা না যায়, এমনকী কোনও কোনও পৃষ্ঠার কিছু অংশ কাঁচি দিয়ে কাটা। কেন এত গোপনীয়তা? সেই খাতার ভিত্তিতেই পরবর্তী কালে প্রকাশিত ‘ছিন্ন পত্রাবলী’। সত্যিই ‘যার সর্বাঙ্গ দিয়া রক্ত ঝরিতেছে’। যাই হোক, সংগৃহীত অনেক তথ্য আমাকে বাদ দিতেও হয়েছে অন্য কারণে। এক সময় আমি ভেবেছিলাম, ভারতীয়দের পাশাপাশি সেই সময়কার ইংরেজ শাসক সম্প্রদায়েরও ঘরোয়া ছবি দেখিয়ে দেব, পরে মনে হল তাতে উপন্যাসটি লক্ষ্যচ্যুত হয়ে যাবে। সেই জন্যই শুধু লর্ড কার্জনের প্রসঙ্গই এনেছি। সব সময় মনে রাখতে হয়েছে, বিশুদ্ধ ইতিহাস রচনা আমার কাজ নয়, সে দায়িত্ব আমি নিইনি, সে যোগ্যতাও আমার নেই, আমি উপন্যাস রচয়িতা মাত্র।

    তথ্য সংগ্রহের জন্য নানান গ্রন্থ পাঠের একটা আলাদা সুখও আছে। শ্রীরামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখের ব্যক্তিজীবনের খুঁটিনাটির সন্ধান করতে করতে মনে হয়েছে, ওঁরা আমার খুব কাছের মানুষ। রবীন্দ্রনাথের অনেক রচনার অন্তরালের উপলক্ষ্য জানতে পারলে রোমাঞ্চ হয়। সত্যি কথা বলতে কী, রবীন্দ্রনাথের প্রথম জীবনের কবিতা ও গদ্য সব এমন তন্ন তন্ন করে আমি আগে পড়িনি, এই পাঠে যেমন আমি রবীন্দ্র সান্নিধ্যে ধন্য হয়েছি, তেমনই এই সব রচনার মধ্য থেকে যে বহুমুখী প্রতিভাবান কবি এবং প্রেমিক, কর্মদ্যোগী এবং অ-সাংসারিক মানুষটি প্রকাশিত হয়েছে, এ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান পুরুষ হিসেবে তাকেই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি যথাসাধ্য।

    উপন্যাসে কতখানি ইতিহাস আর কতখানি কল্পনা, তা নিয়ে পাঠকদের মনে ধন্দ থাকে। যাঁরা ইতিহাসবিদ, তাদের এ-সমস্যা নেই। কিন্তু পাঠক-পাঠিকাঁদের অনেকেই এ রকম প্রশ্ন করেন। ঐতিহাসিক চরিত্রদের পাশাপাশি কিছু কিছু কাল্পনিক চরিত্র মিশিয়ে না দিলে কাহিনী নির্মাণ করা যায় না, কাহিনীর অগ্রগতিও হয় না। কিন্তু ঐতিহাসিক চরিত্রগুলি চিহ্নিত করার পর বাকি কোন কোনটি। কাল্পনিক চরিত্র, তার একটি তালিকা দেওয়াও অসঙ্গত, অবান্তর। শুধু এইটুকু বলা যায়, ভরত ও ভূমিসূতা সম্পূর্ণই লেখকের কল্পনাপ্রসূত। সেই সময়কার একটি পত্রিকায় ওড়িশার একটি কিশোরীকে ক্রীতদাসী হিসেবে বিক্রি করার সংবাদ পাঠ করে আমি ভূমিসূতা চরিত্রটি গ্রহণ করি। সেই অনাথিনী কিশোরীকে দেবদাসী হিসেবে নিয়োগ করার উদ্যোগ দেখেই মনে হয়েছিল, সে সম্ভবত নাচ-গান জানে। কিছু কিছু ঐতিহাসিক চরিত্রকেও আমি বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত করিয়েছি, তাদের মুখে সংলাপ বসিয়েছি, তাতে কিছুটা স্বাধীনতা নেওয়া হলেও তা একেবারে তথ্য বহির্ভূত নয়। তাঁদের রচনা, চিঠিপত্র, অন্যদের স্মৃতিকথা থেকে সেইসব পরিবেশ নির্মাণ করা হয়েছে এবং সংলাপ ব্যবহারের স্বাধীনতা তো ঔপন্যাসিককে দিতেই হবে। রবীন্দ্রনাথের কবিতায় যেকথা আছে, চিঠিতে অন্যদের যা লিখেছেন, কিংবা প্রবন্ধে, তারও কিছু কিছু আমি ব্যবহার করেছি সংলাপ হিসেবে।

    ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে লিখতে গেলে লেখকের নিজস্ব একটা দৃষ্টিভঙ্গি থাকবেই। তা নিয়ে অন্যদের সঙ্গে মতভেদও ঘটতেই পারে। পুরো উপন্যাসটিতে আমি যা লিখেছি, তার বাইরে আমি আত্মপক্ষের সমর্থনে আর কিছু জানাতে আগ্রহী নই। তবে প্রাসঙ্গিক ভাবে দু’একটি বিষয়ে কিছু বলা যেতে পারে। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের সময়ই হিন্দু দেবী কালী সম্পর্কে ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের একটি মন্তব্যের জন্য প্রবল আপত্তি ওঠে। ডাক্তার সরকার কালীকে বলেছিলেন ‘সাঁওতালি মাগি’, তাতে হিন্দুদের ধর্মবোধে আঘাত লেগেছে এই অভিযোগ নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হন; কলকাতার ময়দানে সাঁওতালরা সভা ডেকে আমাকে তীরবিদ্ধ করে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। হিন্দু ধার্মিকরা খেয়ালই করেননি যে এটা ঔপন্যাসিকের নিজস্ব বক্তব্য নয়, বাস্তব চরিত্র ডাক্তার সরকারের উক্তি, তিনি একাধিকবার এই উক্তি করেছিলেন, একবার শ্রীরামকৃষ্ণের সামনে। শ্রীরামকৃষ্ণ অবশ্য তাতে আহত বা ক্রুদ্ধ হননি, বরং হাস্য করেছিলেন। এই উক্তি আক্ষরিকভাবে লিপিবদ্ধ আছে শ্ৰীম রচিত “শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত” গ্রন্থে এবং বিবেকানন্দের অনুজ মহেন্দ্রনাথ দত্তের স্মৃতিকথায়। সাঁওতালদের আপত্তি অন্য কারণে, আমি সাঁওতালবন্ধুদের বোঝাতে চাই যে ‘মাগি’ শব্দটি তৎকালে কোনও হীন অর্থে ব্যবহৃত হত না, এমনকী অনেক মহিলাও নিজেদের সম্পর্কেও এই কথাটি বলতেন (যেমন, ‘আমি বুড়ি মাগি’, ‘আমি বিধবা মাগি’)। কোনও এক স্বাস্থ্যবতী সাঁওতাল রমণীর সাদৃশ্যে এক হিন্দু তান্ত্রিক দেবী কালীর মূর্তি গড়েছিলেন মাত্র কয়েকশো বছর আগে, এমন তথ্যও আছে। হিন্দুদের মূর্তিপূজা মোটেই বেশি দিনের ব্যাপার নয়, রামায়ণ-মহাভারতে দেব-দেবীর কোনও মূর্তির উল্লেখ নেই।

    ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের প্রসঙ্গে আরও একটি কথা আছে। প্রবহমান ঘটনাবলি থেকে কিছু কিছু যে বেছে নিয়ে উপন্যাসে ব্যবহার করা হয়, তাতে লেখকের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটে। তেমনই একটি উদাহরণ, অ্যালবার্ট হলে সিস্টার নিবেদিতার কালী বিষয়ক বক্তৃতা। এই বক্তৃতার সঙ্গে নিবেদিতার কর্মজীবনের কোনও মিলই নেই। শ্রীরামকৃষ্ণের ‘যত মত তত পথ’-এর মতন এক বিস্ময়কর উদার ধর্মনীতি স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগোর বিরাট ধর্ম সম্মেলনে তেজের সঙ্গে প্রকাশ করেছিলেন, সেই স্বামী বিবেকানন্দই কেন কলকাতার প্রকাশ্য সভায় তার বিদেশিনী শিষ্যাকে দিয়ে কালীপূজার মাহাত্ম্য ও পশুবলির সমর্থনের বক্তৃতা দেওয়ালেন, তার মর্ম বোঝা যায় না। এটা স্বামীজির চরিত্রের নানা বৈপরীত্যের একটি দৃষ্টান্ত বলেই মনে হয়। সিস্টার নিবেদিতাকে তিনি আনিয়েছিলেন স্ত্রীশিক্ষা বিস্তার ও মানবসেবার জন্য, তার সঙ্গে কালীপূজা ও পশুবলির সম্পর্ক কী? বিবেকানন্দর জনপ্রিয়তা ও নিবেদিতা সম্পর্কে মুগ্ধতা সত্ত্বেও যে ওই রকম ঘটনার প্রতিবাদ জানাবার মতন মানুষ সেকালে ছিল, সেটা দেখাবার জন্যই আমি ওই জনসভার বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছি। ধর্মীয় উন্মাদনার বিপরীতে ছিল বিজ্ঞানচেতনা ও যুক্তিবাদ। এ দেশে বিজ্ঞানচর্চার প্রবর্তক ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার তার প্রতিনিধি।

    ভক্তিবাদ আমার বিষয় নয়। যারা আমাদের দেশে মহাপুরুষ হিসেবে গণ্য, তাদের রক্তমাংসের মানুষ হিসেবেই আমি দেখাতে চেয়েছি। জন্ম থেকেই কেউ মহাপুরুষ হয় না। সাধারণ মানুষের মতনই তাদের কিছু কিছু ভুল-ভ্রান্তি হতে পারে, কখনও দু-একটি দুর্বলতা প্রকাশ পায়। স্বামী বিবেকানন্দের তামাক ও ইলিশ মাছের প্রতি আসক্তি, কৌতুক প্রবণতা, কৌতুকের ঝোঁকে প্রাকৃতজনের মতন ভাষা ব্যবহার, তাকে আমাদের অনেক কাছের মানুষ করে তোলে। রবীন্দ্রনাথও কখনও কখনও দুর্বল হয়ে পড়েছেন, মাঝে মাঝে অবিবেচকের মতন এমন ভুল করেছেন (যেমন, একগাদা পণের টাকা কবুল করে নিজের মেয়ের বিয়ে দেবার জন্য ব্যস্ততা), যে জন্য নিজেকে গর্দভ পর্যন্ত বলেছেন। কিন্তু এতে সেই মহান কবি ও মহান মানুষটির অসাধারণত্ব কিছুমাত্র ক্ষুণ্ণ হয়নি। সাধারণ অবস্থা থেকে, ভুল-ভ্রান্তির পথ ভেঙে ভেঙে অসাধারণতে উন্নীত হওয়ার কাহিনীই অন্যদের প্রেরণা দিতে পারে।

    আমার কৈশোরে স্বাধীনতা অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে দেশভাগের মতন চরম বেদনাদায়ক ঘটনাও ঘটে গেছে। বাংলা ও বাঙালি জাতি হয়েছে দ্বিখণ্ড। আমি সেই ট্র্যাজেডি প্রত্যক্ষ করেছি এবং পারিবারিক ভাবে দেশবিভাগজনিত অনেক বিপদ, অসহায়তা ও কষ্টও সহ্য করতে হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে দুই বাংলা আবার যুক্ত হবার সম্ভাবনা নেই, হয়তো যৌক্তিকতাও নেই। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় ইংরেজ সরকার জোর করে বঙ্গ ব্যবচ্ছেদ করেছিল, সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি দিয়ে সৃষ্টি করেছিল কৃত্রিম দুই বাংলা, তখন জনগণের প্রবল প্রতিবাদে ইংরেজ সরকার সে-সিদ্ধান্ত বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল, আবার মিলিত হয়েছিল দুই বাংলা, বাংলাভাষী হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালিরা পুনর্গঠিত হয়েছিল এক জাতি হিসেবে। সেই বঙ্গভঙ্গ ও বাঙালি জাতির পুনর্মিলনের অধ্যায়টি বিস্তৃত ভাবে রচনা করে আমি ব্যক্তিগত সুখ অনুভব করেছি। এটাকে ‘ভাইকেরিয়াস প্লেজার’ও বলা যেতে পারে।

    সেই বঙ্গভঙ্গ উপলক্ষে আমাদের রাজনৈতিক চেতনা একটা পরিণতির দিকে অগ্রসর হয়। সেই প্রথম বিদেশি শাসকদের কোনও নীতির প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ পথে নেমে আসে। ছাত্র সমাজ উদ্বুদ্ধ হয়। সারা ভারতেই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। সাধারণ মানুষ আর শাসকশ্রেণীকে ভয় পায়নি। জনসাধারণের সেই ভয়-ভাঙাই স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে প্রথম ও বিশেষ অর্জন। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন সারা ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।

    দুই বাংলা আবার জোড়া লাগে ১৯১১ সালে। আমার কাহিনী থেমে গেছে তার কিছুটা আগে। পরবর্তী ঘটনার বর্ণনায় ইতিহাসের কচকচি বেশি এসে যেত। আগেই বলেছি, আমি ইতিহাস রচনার দায়িত্ব গ্রহণ করিনি। তবে পাঠকদের অবগতির জন্য কিছু কিছু ছিন্নসূত্রের পরবর্তী তথ্য এখানে জানানো যেতে পারে। হেমচন্দ্র দাস কানুনগো নিজের বাড়ি ঘর বিক্রি করে বিদেশে চলে গিয়েছিলেন, ফ্রান্সে ছিলেন বেশ কিছুদিন, সেখানে বিপ্লবী গুপ্তসমিতির কার্যকলাপ প্রত্যক্ষ করেন এবং অস্ত্র ব্যবহার বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে ফিরে আসেন দেশে। মজফফরপুরে ক্ষুদিরাম-প্রফুল্ল চাকীর বোমা আক্রমণের পর শ্রীঅরবিন্দ, বারীন, উল্লাসকর, উপেন্দ্রনাথ, সত্যেন, কানাই, নরেন প্রমুখ বিপ্লবীরা যখন ধরা পড়েন, তাদের মধ্যে হেমচন্দ্র ছিলেন অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। ত্রিপুরার মহারাজ রাধাকিশোর মাণিক্য মোটর গাড়ির দুর্ঘটনায় কাশীতেই দেহরক্ষা করেন। নিবেদিতা বেঁচেছিলেন ১৯১১ সাল পর্যন্ত, বঙ্গভঙ্গ উপলক্ষে ইংরেজদের পিছুহটা এবং ভারতে সশস্ত্র বিপ্লবের সূত্রপাত দেখে গেছেন।

    ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের সময় বিভিন্ন ব্যক্তি আমাকে উপদেশ ও পরামর্শ দিয়ে, ভুল ধরিয়ে, বই পত্র-পত্রিকা দিয়ে সাহায্য করেছেন। এঁদের মধ্যে আছেন শঙ্করীপ্রসাদ বসু, চিত্রা দেব, মুনতাসীর মামুন, ঝরা বসু, এষা দে, কানাইলাল চট্টোপাধ্যায়, পূর্ণেন্দু পত্রী, ব্রতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, রঞ্জনা মুখোপাধ্যায়, ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিতাভ চৌধুরী, পার্থ বসু, পার্থসারথি চৌধুরী, ইন্দ্রনাথ মজুমদার, বাদল বসু, সুনীলকুমার মণ্ডল, হর্ষ দত্ত, সুব্রত রুদ্র, ইমদাদুল হক মিলন, অশোক মুখোপাধ্যায়, বীরেন্দ্র কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। এঁদের কাছে আমি সবিশেষ কৃতজ্ঞ।

    ভারত প্রশান্তকুমার পাল রবীন্দ্রজীবনের বহু অজ্ঞাত তথ্য উদঘাটন করেছেন, তার গ্রন্থ থেকে আমি প্রভূত সাহায্য পেয়েছি, তা আলাদা ভাবে উল্লেখ করতে চাই।

    অনেক পাঠক পাঠিকার অনুরোধে আমি এখানে একটি নির্বাচিত গ্রন্থপঞ্জী দিয়ে দিলাম।

    রবিজীবনী (প্রথম থেকে পঞ্চম খণ্ড–প্রশান্তকুমার পাল

    বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ (৭ খণ্ড) — শঙ্করীপ্রসাদ বসু

    নিবেদিতা লোকমাতা (চার খণ্ড) — শঙ্করীপ্রসাদ বসু

    বিবেকানন্দ স্মরণে বিদেশিনী–শঙ্করীপ্রসাদ বসু

    যুগনায়ক বিবেকানন্দ (তিন খণ্ড)–স্বামী গম্ভীরানন্দ

    ত ভগিনী নিবেদিতা–প্ৰব্ৰাজিকা মুক্তিপ্রাণা

    ভগিনী নিবেদিতা ও বাংলায় বিপ্লববাদ — গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী

    ইওরোপে বিবেকানন্দ–স্বামী বিদ্যাত্মানন্দ

    সহাস্য বিবেকানন্দ–শঙ্করীপ্রসাদ বসু

    শ্রীমৎ বিবেকানন্দ স্বামীজীর জীবনের ঘটনাবলী — মহেন্দ্রনাথ দত্ত

    লন্ডনে স্বামী বিবেকানন্দ–মহেন্দ্রনাথ দত্ত

    পত্রাবলী–স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামীজীকে যে রূপ দেখিয়াছি — নিবেদিতা

    স্বামীজী ও তার বাণী—নিবেদিতা

    স্বামীজীর সহিত হিমালয়ে–নিবেদিতা

    স্বামী বিবেকানন্দ–ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত

    স্বামী বিবেকানন্দের জীবনের এক বিস্মৃত অধ্যায়–ডঃ বেণীশঙ্কর শর্মা

    শাশ্বত বিবেকানন্দ–নিমাইসাধন বসু (সম্পাদনা)

    স্বামী বিবেকানন্দর বাণী ও রচনা (নয় খণ্ড)

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দ–গিরিশচন্দ্র ঘোষ

    বিবেকানন্দ চরিত–সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার

    বিবেকানন্দ অন্য চোখে–উৎস মানুষ সংকলন

    চিন্তানায়ক বিবেকানন্দ–স্বামী লোকেশ্বরানন্দ, নচিকেতা ভরদ্বাজ, স্বামী সোমেশ্বরানন্দ (সম্পাদনা)

    বিবেকানন্দ ও বাংলা সাহিত্য–প্রবরঞ্জন ঘোষ

    বিবেকানন্দের জীবন–রোমাঁ রোলাঁ

    আমার জীবন কথা–স্বামী অভেদানন্দ

    ধর্মপ্রসঙ্গে–স্বামী ব্রহ্মানন্দ

    শ্ৰীশ্ৰীলাটু মহারাজের জীবনকথা–চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়

    স্মৃতির আলোয় স্বামীজী–স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ (সম্পাদনা)

    স্বামী বিবেকানন্দ ও বাংলায় ঊনবিংশ শতাব্দী–গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী

    স্বামী-শিষ্য-সংবাদ–শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী

    শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত—(পাঁচ খণ্ড) শ্রীম

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও তার কথামৃত–মৃগেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (সম্পাদনা)

    শ্রীশ্রীমায়ের কথা–উদ্বোধন কার্যালয়

    শ্রীমার জীবন দর্শন–অভয়চরণ ভট্টাচার্য

    শ্রীরামকৃষ্ণের জীবন ও বাণী–রোঁমা রোঁলা

    শ্রীরামকৃষ্ণ লীলাপ্রসঙ্গ (দুই খণ্ড)–স্বামী সারদানন্দ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও তাঁর শিষ্যগণ–ক্রিস্টোফার ইশারউড

    শ্রীরামকৃষ্ণ চরিত–ক্ষিতীশচন্দ্র চৌধুরী

    শ্রীরামকৃষ্ণের অন্ত্যলীলা (দুই খণ্ড)–স্বামী প্রভানন্দ

    অলৌকিক রহস্যে শ্রীরামকৃষ্ণ–দিলীপকুমার মুখোপাধ্যায়

    পুলিশ রিপোর্টে রামকৃষ্ণ মিশন–লাডলীমোহন রায়চৌধুরী

    সমসাময়িক দৃষ্টিতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস–ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সজনীকান্ত দাস (সম্পাদনা)

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও বঙ্গ রঙ্গমঞ্চ–নলিনীরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়

    সঙ্গীতে রামকৃষ্ণ–দিলীপকুমার মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বরকোটির রঙ্গকৌতুক–কমলকুমার মজুমদার

    মহিমা তব উদ্ভাসিত (ধর্ম মহাসভা : শতবর্ষ স্মারক গ্রন্থ)–প্রব্রাজিকা মুক্তিপ্রাণা (সম্পাদনা)

    রবীন্দ্র রচনাবলী (পশ্চিমবঙ্গ সরকার সংকলন)

    অনন্য রবীন্দ্রনাথ–নিতাই বসু

    রবীন্দ্রজীবনী–প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়

    জ্যোতিরিন্দ্রনাথ–মম্মথনাথ ঘোষ

    জ্যোতিরিন্দ্রনাথ–-সুশীল রায়

    জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতি–বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়

    রবীন্দ্রনাথের ছিন্নপত্রাবলী–গোপালচন্দ্র রায়

    জ্যোতির্ময় রবি ও কালো মেঘের দল–সুজিতকুমার সেনগুপ্ত

    খ্যাতি-অখ্যাতির নেপথ্যে–সৌরীন্দ্র মিত্র

    কাদম্বরী দেবী–সুব্রত রুদ্র।

    কারাগার কণ্ঠরোধে রবীন্দ্রনাথ–ডঃ দিলীপ মজুমদার

    অন্য চোখে রবীন্দ্রনাথ ও বিবিধ প্রসঙ্গ–পীযুষ দাশগুপ্ত

    রবীন্দ্রনাথ ও বিপ্লবী সমাজ–চিন্মোহন সেহানবীশ

    রবীন্দ্রনাথকে কৌতুক–সুব্রত রুদ্র

    রবি সনাথ–অমিয়কুমার সেন

    নায়কের সন্ধানে রবীন্দ্রনাথ–জ্যোতির্ময় ঘোষ

    মৃণালিনী দেবী, রবীন্দ্রকাব্য ও জীবনে–প্রজ্ঞা পারমিতা বড়ুয়া

    মাধুরীলতার গল্প–পূণানন্দ চট্টোপাধ্যায় (সংকলক)

    মাধুরীলতার চিঠি–পূৰ্ণানন্দ চট্টোপাধ্যায়

    ইন্দিরা দেবী–প্রমথ চৌধুরী

    পত্রাবলী-সুভাষ চৌধুরী (সংকলক)

    অবনীন্দ্র রচনাবলী

    রঙ্গপ্রিয় রবীন্দ্রনাথ–নিতাই বসু

    আত্মচরিত–রাজনারায়ণ বসু

    শিলাইদহ ও রবীন্দ্রনাথ–শচীন্দ্রনাথ অধিকারী

    রবীন্দ্ৰমানসের উৎস সন্ধানে–শচীন্দ্রনাথ অধিকারী

    জমিদার রবীন্দ্রনাথ–অমিতাভ চৌধুরী

    আমার জীবনস্মৃতি–লক্ষ্মীনাথ বেজবরুয়া

    জীবনের ঝরাপাতা–সরলা দেবী চৌধুরানী

    স্মৃতিকথা–সোমেন্দ্রনাথ বসু (সম্পাদনা)

    আত্মচরিত–ফকিরমোহন সেনাপতি

    কলিকাতার পুরাতন কাহিনী ও প্রথা–মহেন্দ্রনাথ দত্ত

    করুণাসাগর বিদ্যাসাগর–ইন্দ্রমিত্রা

    বঙ্কিমচন্দ্র জীবনী–অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

    বঙ্কিমচন্দ্র–সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত

    বঙ্কিমচন্দ্র–গোপালচন্দ্র রায়

    রঙ্গমঞ্চে বঙ্কিম–অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য

    রবীন্দ্রনাথ ও ত্রিপুরা–গোবিন্দনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও হিমাংশুনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (সম্পাদনা)

    ব্রাহ্মসমাজে চল্লিশ বৎসর–শ্রীনাথ চন্দ্র

    আত্মচরিত–কৃষ্ণকুমার মিত্র

    ব্রহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র সেন–ঝরা বসু

    রাজমালা ও আধুনিক ত্রিপুরা–পুরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী

    ত্রিপুরা দর্শন–সমীরণ রায় (সম্পাদনা)

    জয়নাথ মুন্সীর রাজোপাখ্যান–বিশ্বনাথ দাস (সম্পাদনা)

    ত্রিপুরেশ্বরী ও ধন্যমাণিক্য–প্রদীপ আচার্য

    ছবি ভোলা, বাঙালির ফটোগ্রাফি চর্চা–সিদ্ধার্থ ঘোষ

    দেশীয় রাজ্য–মহিম ঠাকুর

    ত্রিপুরার স্মৃতি—কুমার সমরেন্দ্রনাথ

    ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল–চিত্রা দেব

    মহিলা ডাক্তার : ভিন গ্রহের বাসিন্দা–চিত্রা দেব

    অন্তঃপুরের আত্মকথা–চিত্রা দেব

    বিজ্ঞান পথিকৃৎ জগদীশচন্দ্র-ডঃ বিমলেন্দু মিত্র

    জগদীশচন্দ্র–সালাম আজাদ

    নানা চোখে ঋষি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র দেবব্রত ভট্টাচার্য ও অজয় চক্রবর্তী (সম্পাদনা)

    বিজ্ঞান ভাবনায় কলকাতা–অরূপরতন ভট্টাচার্য (সম্পাদনা)

    ভারতীয় বিজ্ঞান চর্চার জনক জগদীশচন্দ্র–দিবাকর সেন

    স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস–অমলেশ ত্রিপাঠী

    ভারতের মুক্তিসংগ্রামে চরমপন্থী পর্ব–অমলেশ ত্রিপাঠী

    বঙ্গীয় নব জাগরণের অগ্রপথিক পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক শিল্পী সঙ্ঘ

    সত্তর বৎসর (আত্মজীবনী)–বিপিনচন্দ্র পাল

    কলকাতার গুপ্ত সমিতি : উনিশ শতক–প্রতাপ মুখোপাধ্যায়

    জাতি যেদিন গঠন পথে-সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়

    পিতৃস্মৃতি–রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    শ্রীঅরবিন্দ ও বাংলার স্বদেশী যুগ–গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী

    আমার আত্মকথা–বারীন্দ্রকুমার ঘোষ

    সঞ্জীবনী (সাময়িক পত্রে সমাজচিত্র) –কানাইলাল চট্টোপাধ্যায় (সম্পাদনা)

    কীতির্যস্য–ভবতোষ দত্ত

    বছরের বাংলা থিয়েটার–শিশির বসু

    গিরিশচন্দ্র–অবিনাশচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়

    অমৃতলাল বসুর জীবন ও সাহিত্য–ডঃ অরুণকুমার মিত্র

    গিরিশ প্রতিভা–হেমেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত

    স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলা নাটক ও নাট্যশালা–মন্মথ রায়

    আমার কথা ও অন্যান্য রচনা–বিনোদিনী দাসী

    অমৃত মদিরা–অমৃতলাল বসু

    তিনকড়ি, বিনোদিনী ও তারাসুন্দরী–উপেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ

    অর্ধেন্দুশেখর ও বাংলা থিয়েটার–শঙ্কর ভট্টাচার্য

    থিয়েটারের গালগল্প–বিষ্ণু বসু

    সাজঘর–ইন্দ্ৰমিত্র

    রঙ্গালয়ে অমরেন্দ্রনাথ–রমাপতি দত্ত

    বাংলাদেশের ইতিহাস (১৭০৪-১৯৭১, তিন খণ্ড) সিরাজুল ইসলাম (সম্পাদনা)

    শোকগাথা–অনঙ্গমোহিনী দেবী

    কলকাতা কলহ কথা–সুভাষ সমাজদার

    তৃতীয় মীর–শান্তনু কায়সার

    ইমান ও নিশান–গৌতম ভদ্র

    হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক : নতুন ভাবনা–ডঃ পঞ্চানন সাহা

    ইতিহাস ও সাম্প্রদায়িকতা–গৌতম নিয়োগী

    দাঙ্গার ইতিহাস–শৈলেশকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধর্মের উৎস সন্ধানে-ভবানীপ্রসাদ সাহু

    বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক–নজরুল ইসলাম

    বাঙলার কীর্তন ও লোকসঙ্গীত–ডঃ রীনা দত্ত

    বাংলা দেহতত্ত্বের গান–সুধীর চক্রবর্তী

    সঙ্গীত চয়ন–চারণ কবি মুকুন্দদাস

    ছড়ায় মোড়া কলকাতা–পূর্ণেন্দু পত্রী

    বঙ্গভঙ্গ–সমুদ্র গুপ্ত

    বঙ্গভঙ্গ–মুনতাসীর মামুন (সম্পাদনা)

    বাংলার বিপ্লব প্রচেষ্টা–হেমচন্দ্র কাননুগো

    উনিশ শতকের বাংলাদেশের সংবাদ সাময়িক পত্র-–মুনতাসীর মামুন

    উনিশ শতকে ঢাকার সাহিত্য ও সংস্কৃতি–মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম

    তিতাস পুরনো ঢাকা : উৎসব ও ঘরবাড়ি-মুনতাসীর মামুন

    প্রভাতকুমার : জীবন ও সাহিত্য–ডঃ শিবেশকুমার চট্টোপাধ্যায়

    The Swadeshi Movement in Bengal (1903-1908)–Sumit Sarkar

    Modern India 1885-1947–-Sumit Sarkar

    Tripura District Gazetteers–K.D. Menon (Editor)

    History and Culture of Bengal–A.K. Sur

    Bengal Under the Lieutanant Governors–C.F. Buckland

    History of the British Empire in India–E. Th

    Terrorism in India–C. Tegart

    Urban Roots of Indian Nationalism–Rajat Ray

    British Statesmen in India–V. B. Kulkarni

    The Life of Lord Curzon–Earl of Ronaldshay

    India Under Curzon and After-Lovat Frazer

    Lord Curzon the last of the British Moghuls–Nayana Goradias

    Viceroys of India-M. Bence-Jones

    Political Protest in Bengal–Boycott and Terrorisme

    Curzon in India–David Dicks

    British Policy in India–S. Gopal

    Muslims in British India–Peter Hardy

    Kitchener, Portrait of an Imperialist–Sir Philip Magnus

    History of the Freedom Movement in India–R.C. Mazumder

    India’s Fight for Freedom–Haridas & Uma Mukherji

    The Emergence of Indian Nationalism-Anil Seal

    The Life and Philosophy of Lokmanya Tilak–Dr. V.P. Varma

    Tilak and Gokhale–Stanley Wolpart

    Annie Besant–Anne Taylor

    Modern Religious Movements in India–J. Farquhar

    The Life of Josephine Macleod–Prowrajika Prabudhaprana

    An Autobiography–M.K. Gandhi

    The Illegitimacy of Nationalism–Ashis Nandy

    (ইংরেজি বইয়ের দীর্ঘ তালিকা দেওয়া অপ্রয়োজনীয়)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }