Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. ত্রিপুরা সরকারের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন শশিভূষণ

    ত্রিপুরা সরকারের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন শশিভূষণ, কিন্তু তাঁর যে সঙ্কল্প ছিল ইংরেজের রাজত্বে বসবাস করবেন না তাও বজায় রেখেছেন, তিনি থাকেন চন্দননগরে। ফরাসিরা ইংরেজদের চেয়ে উন্নততর শাসক নয়, কিন্তু ইংরেজদের সম্পর্কে শশিভূষণের জাতক্রোধ জমে আছে। ফরাসিরা স্থানীয় মানুষজনদের সঙ্গে প্রায় মেশেই না, ভারত সম্পর্কে তাদের আগ্রহ চলে যাচ্ছে, এখন তারা আফ্রিকায় উপনিবেশ স্থাপনে বেশি মন দিয়েছে। কঙ্গোতে তারা সম্প্রতি এত বড় একটা ফললানি পেয়ে গেছে, যার আয়তন ফ্রান্সের চেয়েও বড়।

    বাড়িটি দোতলা, ঠিক নদীর ধারে না হলেও ওপরের বারান্দা থেকে নদী দেখা যায়। গঙ্গা আর বাড়ির মাঝখানে রয়েছে এক প্রাচীন দুর্গের ভগ্নপ। শাসকদের ঔদাসীন্যে এ রকম ভন্ন প্রাসাদ আরও দেখা যায়। মোরান সাহেবের বিখ্যাত বাগানবাড়িটিতে অনেকদিন ভাড়াটে জোটেনি, এখন পরিত্যক্ত, তাতে আগাছা গজিয়ে গেছে। সুন্দর বাগানটির অস্তিত্বই আর নেই, তবে কিছু কিছু গাছপালার আড়ালে দেখা যায় একটি দোলনা, সেটি রয়ে গেছে কোনওক্রমে, কেউ সেটা ব্যবহার করে না। মাঝে মাঝে হাওয়ায় আপনা আপনি একটু একটু দোলে।

    প্রতিদিন সকালে শশিভূষণ নিজেই একটি নৌকা চালিয়ে চলে যান ওপারে। নৈটিতে তাঁর উদ্যোগেই একটি মুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে তিনি পড়াতে যান। শিক্ষকতার নেশা তাঁর যায়নি। যদিও এই শিক্ষকতা তাঁর জীবিকা নয়। তিনি বেতন নেন মাত্র এক টাকা। কলকাতায় পারিবারিক সম্পত্তির নিজস্ব অংশ বিক্রি করে ভাইদের কাছ থেকে দূরে সরে এসেছেন শশিভূষণ। লক্ষাধিক টাকায় এক পাট কোম্পানির অংশীদার হয়েছেন, সেখান থেকে মাসে মাসে যে টাকা পান, তাতে তাঁর স্বচ্ছন্দে চলে যায়।’

    পূর্বে কখনও জলের ধারে বাস করেননি বলে শশিভূষণ নৌকো চালাতে জানতেন না। এমনকী সাঁতারেও পারদর্শী ছিলেন না। প্রথম প্রথম এখানে এসে নদী পারাপার করতেন ফেরি নৌকোয়। তখন বিকেলে ফেরার সময় দেখতেন, ওপারের ঘাটে একটি নৌকায় বসে থাকত একা একটি তরুণী, তার হাতে বৈঠা। বহু লোকে কৌতূহলী দৃষ্টি নিয়ে তাকাত তরুণীটির দিকে, কিন্তু সে নির্বিকার। এক সময় হাতে একটি গ্যাডস্টোন ব্যাগ নিয়ে উপস্থিত হত একটি যুবক। নৌকোয় চেপে সে দাঁড়ে বসত। তারপর দুজনে জল ছপছপিয়ে চলে যেত চন্দননগরে।

    মাঝিদের সাহায্য না নিয়ে ভদ্ৰশ্রেণীর এক নারী-পুরুষ যুগলকে প্রতিদিন নৌকো বাইতে দেখলে তো কৌতূহল হবেই। শশিভূষণ নিজে থেকেই যুবকটির সঙ্গে আলাপ করেছিলেন। তার নাম জগদীশচন্দ্র বসু, প্রেসিডেন্সি কলেজে ফিজিক্স পড়ায়, নৈহাটি দিয়ে ট্রেনে কলকাতায় যাতায়াত করতে তার সুবিধে হয়। তার স্ত্রীর নাম অবলা হলেও সে অতি সপ্রতিভ মহিলা এবং বেশ সরলা, তরণী-চালনায় সেই বেশি পারদর্শিনী, চন্দননগর থেকে সে একা আসে। জগদীশের অনুরোধে শশিভূষণ মাঝে মাঝে ওদের নৌকোতেই ফিরতেন। জগদীশের সঙ্গে থাকত একটি বক্স ক্যামেরা, ফটোগ্রাফি বিষয়ে দুজনের আলোচনা জমে উঠত।

    অবলাই একদিন জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি রোয়িং করতে জানেন না?

    শশিভূষণ লজ্জা পেয়েছিলেন। রোয়িং একটা সাহেবি ক্রীড়া, লর্ড পরিবারের ছেলেরাও অংশগ্রহণ করে, শশিভূষণ অনেক ছবি দেখেছেন, কিন্তু দিশি নৌকো বাওয়া যেন পেশাদার মাঝিদেরই কাজ। আসলে তো ব্যাপারটা একই। শশিভূষণের হাতে অবলা একটা বৈঠা দিয়ে বলেছিলেন, চেষ্টা করুন না। কয়েকদিনের মধ্যেই সড়গড় হয়ে যাবে।

    কোনও নারীর কাছ থেকে পুরুষ একটা কিছু শিখছে, তাও নৌকা চালাবার মতন অত কাজ, কিছুদিন আগেও এ একেবারে অকল্পনীয়, অভূতপূর্ব ব্যাপার ছিল। এটাও একটা প্রমাণ যে যুগ বদলাচ্ছে।

    সেই বসু-দম্পতির সঙ্গে শশিভূষণের বন্ধুত্ব হয়েছিল, কারণ তাদের তাঁর সঙ্গে চিন্তার সাযুজ্য ছিল। এখন তারা চন্দননগর ছেড়ে চলে গেছে, শশিভূষণের আর বিশেষ বন্ধু নেই এখানে। বেশি লোকের সঙ্গে তিনি মন খুলে মিশতে পারেন না। পরিচিতের সংখ্যা বেশি হলে পড়াশুনোর ক্ষতি হয়। বই নিয়ে সময় কাটাতেই শশিভূষণ বেশি আনন্দ পান। প্রতিদিন কয়েকঘণ্টা স্কুলে পড়িয়ে আসেন, বাকি সময় থাকেন বাড়িতেই, কলকাতার সঙ্গে তাঁর প্রায় যোগাযোগ নেই ই বলতে গেলে। মাসে একবার শুধু তাঁর কোম্পানির বোর্ড মিটিং-এ যোগ দিতে কলকাতায় যেতে হয়। তাঁর স্ত্রী মাঝে মাঝে পিত্রালয়ে যান, সেখানকার লোকই নিয়ে যায়, পৌঁছে দেয়।

    সেইজন্যই এক ছুটির দিনের অপরাহ্বে ভৃত্যের মুখে যখন শুনলেন যে বেশ বড় জুড়িগাড়ি করে একজন দর্শনার্থী এসেছে তাঁর কাছে, তিনি বেশ অবাক হলেন। এখানে কে আসবে তাঁর কাছে। শশিভূষণ সদ্য দিবানিদ্রা দিয়ে উঠেছেন, এ রকম তার স্বভাব নয়, কিন্তু আজ দুপুরে বেশ গুরুভোজন হয়ে গেছে। একটি জেলে বঙ-একটি ইলিশ মাছ গছিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। মাঝে মাঝে গঙ্গায় এত ইলিশ ওঠে যে ক্রেতা পাওয়া যায় না। আগে শশিভূষণের ইলিশ মাছে বিশেষ রুচি ছিল না। এত তৈলাক্ত মাছ তাঁর পছন্দ নয়। কিন্তু গঙ্গার ধারে বাস করে ইলিশ মাছ না খেলে কি চলে?

    গায়ে বেনিয়ান চাপিয়ে, চটি ফটফটিয়ে দোতলা থেকে নেমে এসে বসবার ঘরে আগন্তুককে দেখে শশিভূষণ আরও অবাক হলেন। ফিনফিনে কাঁচি ধুতি পরা, গায়ে মুগার চাদর জড়ানো, পায়ের ওপর পা তুলে একটা সোফায় বসে আছেন ত্রিপুরার মহারাজার সচিব রাধারমণ ঘোষ। মাথার চুলে পাউডারের ছোপ লেগেছে, চোখে এখন সোনালি ফ্রেমের চশমা, এ ছাড়া তাঁর আর কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    শশিভূষণকে দেখে দু হাত জোড় করে কপালে ঠেকিয়ে বললেন, নমস্কার, নমস্কার, ৩ অপরাহ্ন, সিংহমশাই। আমার এ রকম বিনা নোটিসে আগমনে দোষ নেবেন না। বৌদ্ধ শাস্ত্রমতে বিদ্বান, জনসাধারণের মঙ্গলের জন্য যারা হিতোপদেশ দেয় আর যারা ভ্রামমাণ পথিক, এই তিনজনকে অতিথি বলে। বিদ্বান আমি মোটেই নই, তেমন কিছু ভ্রমণও করি না, তবে হিতোপদেশ দিতে আমার কার্পণ্য নেই, সেই হিসাবে আমাকে অতিথি বলা যায় নিশ্চয়ই? তোমার শাস্তির ব্যাঘাত ঘটালাম নাকি?

    শশিভূষণ ঈষৎ আড়ষ্ট গলায় বললেন, না, আপনি দয়া করে আমাকে স্মরণ করেছেন, এতেই আমি ধন্য হয়েছি। কিন্তু আপনি কি আমাকে হিতোপদেশ দিতে এসেছেন নাকি?

    রাধারমণ বললেন, দিলেই যে তুমি শুনবে, তার কি কোনও নিশ্চয়তা আছে? ভান্স ভাল উপদেশের এই এক সুবিধে, কেউ গ্রহণ করুক বা না করুক, যত্রতত্র বিলিয়ে দেওয়া যায়, পয়সা তো খরচ হয় না! তা তোমার কী সংবাদ বলো। শুনলাম, কলকাতা ছেড়ে তুমি এই ফরাসডাঙায় নির্বাসনে আছ?

    শশিভূষণ বললেন, চন্দননগর একটি জনবহুল শহর, এখানে কি কেউ নির্বাসনে থাকতে পারে?

    রাধারমণ বললেন, নির্বাসন কাকে বলে? নির পূর্বক বস প্লাস ণিচ্ প্লাস অনট ভাব। অর্থাৎ কোনও অপরাধের জন্য কারুকে দেশান্তরিত করা হয়েছে, তারপর সে কোনও নগরেও থাকতে পারে, জঙ্গলেও থাকতে পারে।

    শশিভূষণ শ্লেষের সঙ্গে বললেন, ঘোষমশাই, আপনি দেখছি এক চলন্ত অভিধান! কোনও অপরাধের জন্যই আমাকে কেউ বহিষ্কার করেনি। আমি স্বেচ্ছায় এসেছি!

    রাধারমণ এ বার সজোরে হেসে উঠে বললেন, আরে চটছ কেন, চটছ কেন? তুমি বলেছিলে তুমি ইংরেজ রাজত্বে থাকে না, তাই ত্রিপুরা গিয়েছিলে, তা কি আমার মনে নেই? তবে নির্বাসন অনেক সময় স্বেচ্ছা নির্বাসন হতে পারে। কেউ অভিযুক্ত করেনি, নিজের মনে একটা অপরাধ বোধ থেকেও কেউ দেশ ছেড়ে চলে যায়।

    শশিভূষণ বললেন, আমার মনে কোনও অপরাধবোধও নেই। কী অপরাধ করেছি আমি?

    রাধারমণ বললেন, তুমি দুম করে মহারাজের চাকরি ছেড়ে দিলে, মহারাজকে একবার মুখের কথাটাও জানালে না, সার্কুলার রোডের বাড়ি ছেড়ে উধাও হয়ে গেলে, এটাকে কি ছোটখাটো অপরাধ বলা যায় না?

    শশিভূষণ বললেন, কীসের অপরাধ? আমার চাকরির কোনও শর্ত ছিল না। মহারাজ ইচ্ছে করলে, তাঁর মেজাজ খারাপ হলে যে কোনও মুহূর্তে যে কোনও কর্মচারীকে তাড়িয়ে দিতে পারেন। সেইরকম আমরাও যে কোনও মুহূর্তে ছেড়ে চলে আসতে পারি। তাঁর সঙ্গে দেখা করিনি বটে, চিঠি লিখে জানিয়ে এসেছি। রাজবাড়ির কোনও জিনিস আমি সঙ্গে আনিনি, বরং উল্টে বলা যায়, আমি এক মাসের বেতনও নিইনি।

    রাধারমণ বললেন, সেটাও একটা অপরাধ। কেন মাইনেটা নাওনি? মহারাজকে তুমি ঋণী রাখতে চাও? তোমার টাকাটা কোথায় পাঠানো হবে, তাও আমরা বুঝতে পারিনি। যাক গে, যাক সে কথা! মহারাজ এখনও তোমার কথা মনে রেখেছেন। প্রায়ই তোমার কথা বলেন। তিনি তোমাকে প্রকৃতই স্নেহ করতেন। আচ্ছা শশী, তুমি হঠাৎ অমন ভাবে চাকরি ছেড়ে পালালে কেন বলো তো।

    শশিভূষণ বললেন, আপনি জানেন না? এক সময় মহারাজের সঙ্গে কোনও ব্যাপারে আমার মনে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভাব এসেছিল। তিনি ছিলেন আমার প্রতিপক্ষ। এই রকম অবস্থায় আনুগত্য থাকে না। তখন চাকরি করে যাওয়াটাই অন্যায়। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, অর্থের প্রয়োজনে আমি চাকরি করতে যাইনি।

    রাধারমণ বললেন, তুমি অতি আহাম্মক। ব্রিপুরায় অতদিন ছিলে। রাজা-রাজড়াদের স্বভাব বোঝনি? সেই চুড়িটাকে তুমি সার্কুলার রোডের বাড়িতে এনে রেখেছিলে কোন বুদ্ধিতে? যদি রূপের একটু চমক থাকে, তার ওপর যদি গান গাইতে পারে, মহারাজের নজরে সে পড়লে তাকে মহারাজ ছাড়বেন কেন? তোমার যদি মেয়েটার ওপর আসক্তি জন্মে থাকত, তাকে অন্য কোথাও রাখতে পারতে না? তা হলেই ল্যাঠা চুকে যেত।

    শশিভূষণ একটা প্রগাঢ় নিশ্বাস ফেলে বললেন, সে অনেক জটিল ব্যাপার। প্রথমে কিছু বোঝা যায়নি।

    রাধারমণ বললেন, মহারাজ কিন্তু আজও তাকে ভুলতে পারেননি! এখনও হঠাৎ হঠাৎ সেই গান জানা মেয়েটির প্রসঙ্গ ওঠে, আর তখন মহারাজের চোখে ক্রোধের বিদ্যুৎ খেলে যায়।

    শশিভূষণ বললেন, এতদিন পরেও? মহারাজের জীবনে কি নারীর অভাব আছে?

    রাধারমণ বললেন, বাঘ যখন কোনও শিকার ধরে, তাকে তো হজম করে ফেলে, তারপর আর তার কথা মনে রাখে না। কিন্তু যে শিকার হাতছাড়া হয়ে যায়, থাবা উদ্যত করলেও সরে পড়ে, সে বাঘের অহমিকায় দারুণ আঘাত দিয়ে যায়। বাঘ তাকে ভুলতে পারে না। মনে মনে হলেও তাকে সারাজীবন তাড়া করে ফেরে। সে মেয়েটা এখন কোথায়?

    শশিভূষণ হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠে বললেন, কেন? আপনি দেখতে এসেছেন তাকে আমার এখানে লুকিয়ে রেখেছি কি না? সেই মতলবেই আপনার আগমন?

    রাধারমণ হাত তুলে বললেন, আহা-হা-হা, তা নয়, তা নয়। তুমি এখনও ওই ব্যাপারে খুব সেনসিটিভ হয়ে আছ দেখছি! সে মেয়েটা যে তোমার বাড়িতে নেই, তা আমি ভাল করেই জানি! এমনিই অলস কৌতূহলে জিজ্ঞেস করলাম, সে কোথায়!

    শশিভূষণ বললেন, আমি জানি না। আর জানতেও চাই না! হয় সে কোনও ক্লেদাক্ত মরকে তলিয়ে গেছে, অথবা অপঘাতে মরেছে।

    বাধাবমণ বললেন, হবিণে নিজের গায়ের মাংস আর মেয়েদের রূপ-গুণ, এই-ই তাদের শত্রু! একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন দু’জনে।

    পাশের বাবান্দা দিয়ে একজন দাসী একটি ফুটফুটে শিশুর হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে। বাইরের উদ্যানে খেলা করার জন্য অধীরতায় লাফাচ্ছে শিশুটি।

    সেদিকে চেয়ে বাধারমণ জিজ্ঞেস করলেন, এই বুঝি তোমার বড় ছেলে?

    শশিভূষণের আবার ভুরু উঁচুতে উঠে গেল। সবিস্ময়ে বললেন, আপনি জানলেন কী করে যে আমার একাধিক সন্তান? ঘোষমশাই, আপনি কি দৈবজ্ঞ?

    রাধারমণ গোঁফের ফাঁকে হেসে বললেন, জানি, জানি, সব জানি। দৈবজ্ঞ বৈ কিছু না। ভোমার পেছনে আগাগোড়া চর লাগানো ছিল, তুমি জানতে না? তোমার বিবাহ হয় ইংরাজি সাতাশি সালে, ছাতুবাবুদের বাড়ির এক কনার সঙ্গে। বিবাহ বাসর বসেছিল শোভাবাজারে। সেখানে নিমন্ত্রিতদের ভিড়ের মধ্যে মিশেছিল আমাদের দুটি চর। তুমি সেই ভূমিতা নামের ঘুড়িটাকেই বিয়ে করছ কিনা, মহারাজ তা জানতে চেয়েছিলেন। তোমরা বনেদি কায়েত, বিয়ের পরেও একটি রক্ষিতা পোষণ কবা তোমাদের প্রথার মধ্যেই পড়ে বলতে গেলে। সেইজন্য পরেও কিছুদিন নজর রাখা হয়েছিল তোমাদের গতিবিিধর ওপর। বিবাহের পরের বছরই তোমার একটি পুত্র সন্তান জন্মায়, আর একটি মেয়ে হয়েছে বছর দেড়েক আগে, ঠিক কিনা?

    শশিভূষণ উত্তেজিতভাবে বললেন, তার মানে কি এখনও আমি নজরবন্দি? এ অন্যায়, ঘোর অন্যায়! আমি পুলিশে খবর দেব!

    রাধারমণ বললেন, নাঃ এখন আর কেউ নেই। গতবছর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। শশী, এত বছর তো মহারাজের সঙ্গে রইলাম, মানুষটা কিন্তু অন্যরকম। বাঘের সঙ্গে ওঁর তুলনা দিয়েছি বটে, কিন্তু ওঁর মধ্যে দয়া-মায়া-করুণাও যথেষ্টই আছে। ওই মেয়েটি মহারাজের অঙ্কশায়িনী হতে চায়নি, ভয় পেয়েছিল, তো ঠিক আছে, সে যদি মহারাজের সামনে দাঁড়িয়ে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইত, মহারাজ নিশ্চয়ই তাকে নিষ্কৃতি দিতেন। এ আমি জোর দিয়ে বলতে পারি। তা হলে আর কোনও ঝামেলাই হত না, মেয়েটাও বেঁচে যেত।

    শশিভুষণ বললেন, ওসব কথা আর এখন বলে কী হবে? আমি আর ওসব এখানে ভাবতে চাই না।

    রাধারমণ বললেন, তবে এবার উঠি। তোমার বাড়িতে বুঝি চায়ের পাট নেই? অতিথি সৎকারের কোনও ব্যবস্থাও রাখনি বোঝা যাচ্ছে।

    শশিভূষণ লজ্জা পেয়ে জিভ কেটে বললেন, আরে ছি ছি ছি ছি। আপনাকে দেখে আমি এমন অবাক হয়েছিলাম যে চা-জলখাবারের কথা মনেই পড়েনি। আরে বসুন, বসুন। চা-তো খাবেনই, আমিও বিকেলের চা খাইনি। আর আপনার যদি ফেরার তাড়া না-থাকে, তা হলে রাতটা অনুগ্রহ করে এই গরিবের বাড়িতে থেকেও যেতে পারেন।

    উঠোনে গিয়ে চায়ের কথা হাঁক দিয়ে জানিয়ে এসে আবার ফিরে এসে বললেন, ঘোষ মশাই, একটা প্রশ্ন মনের মধ্যে খচখচ করছে। বলি? আপনার মতন মানী লোক এতদূর উজিয়ে এসে আমার বাড়িতে পায়ের ধুলো দিলেন, ঠিক কী জন্য, তা এখনও বুঝলাম না!

    রাধারমণ বললেন, উদ্দেশ্য তো কিছু নেই। তোমার সঙ্গে অনেকদিনের পরিচয়, একসময় অনেক সুখ-দুঃখের কথা হত, তাই ভাবলাম, একবার খোঁজ নিয়ে আসি।

    শশিভূষণ বললেন, আপনি ব্যস্ত মানুষ, রাজকার্যের কত রকম ভার আপনার মাথার ওপ, শুধু এই জনই এসেছেন, তা ঠিক বিশ্বাস হয় না। সাত বছরের মধ্যে আর কখনও মনে পড়েনি, হঠাৎ এবারেই মনে পড়ল?

    রাধারমণ নিজের থুতনিতে হাত বুলোত বুলাতে কয়েক মুহূর্ত স্থির চক্ষে চেয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, শশী, ঈশ্বরের কৃপায় তুমি রক্ষা পেয়েছ। ওই অলক্ষ্মী মেয়েটাকে বিয়ে করলে তুমি হয়তো কোনও সময় খুন হয়ে যেতে! বা সে রকম কিছু না ঘটলেও সারাজীবন তোমার অশান্তি লেগে থাকতই। নৃত্য-গীত পটীয়সী মেয়েরা অন্তঃপুরে মানায় না, সেইজন্যই পুরাকালে তাদের বারবনিতা বানিয়ে দেওয়া হত। সে গেছে, আপদ গেছে। এখন তুমি পাল্টি ঘরে বিয়ে করেছ, দুটি ফুটফুটে সন্তান হয়েছে, এই তো বেশ ভাল। সংসারে মন বসেছে। আমি কলকাতায় এসেছি, কিছু কাজ নিয়ে তো বটেই, তা ছাড়া মহারাষ্ট্র শীঘ্রই কলকাতায় আসবেন, তার একটা প্রস্তুতি দরকার। মহারাজের শরীর ভাল নয়, জানো। প্রায়ই রোণে ভুগছেন। এদিকে রাধাকিশোর আর সমরেন্দ্র এই দুই কুমারের মধ্যে আকছু-আকছি লেগে গেছে, কুমার সমরেন্দ্র সিংহাসনের ওপর তার পুরনো দাবি এখনও ছাড়েনি। মহারাজ কী করে দুদিক সামাল দেবেন জানি না।

    শশিভূষণ বললেন, আমি যতটা দেখেছি, ওখানে প্রাসা-যড়যন্ত্র চলতেই থাকবে।

    রাধারমণ বললেন, হুঁ। এদিকে তো ইংরেজরা থাবা বাড়িয়ে আছেই। মহারাজ যদি হঠাৎ চোখ বোজেন, সিংহাসন নিয়ে কুমারদের মধ্যে লড়াই লেগে যায়, তা হলে ইংরেজ সেই ছুতোয় ঠিক ত্রিপুরা রাজ্য গ্রাস করে নেবে। মহারাজের রাজকার্যে বিশেষ মন নেই, ফোটোগ্রাফি আর কবিতা লেখা নিয়ে মেতে আছো, এ সময় উপযুক্ত বিশ্বাসী লোকদের বিভিন্ন দিকে হাল ধরা দরকার। সে রকম লোক পাওয়া যায় কোথায়? তাই বলছিলাম কী শশী, তুমি আবার ফিরে এস না কেন। মহারাজের তোমার ওপর কোনও রাগ নেই, ফোটোগ্রাফির প্রসঙ্গ উঠলেই বলেন, ছবি তোলা ভাল বুঝত বটে সেই একটি লোক, শশী মাস্টার। তুমি আসবে।

    শশিভূষণ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললেন, এই কথা? নাঃ ঘোষ মশাই, কোনও চাকরিতেই আমি আর ফিরে যাব না!

    রাধারমণ বললেন, তুমি সচিবের পদ পাবে। তুমি ইচ্ছে করলে ত্রিপুরা বা কলকাতায় যেখানে ইচ্ছে থাকতে পারো…

    শশিভূষণ বললেন, প্রশ্নই ওঠে না। যাক ওসব কথা। আমি বেশ আছি। এই নিরিবিলিতেই আমি থাকতে চাই।

    রাধারমণ বলেন, বেশ! তুমি ত্রিপুরা রাজ্যের পক্ষে কোনও কাজ করতে চাও না, ত্রিপুরার বিপক্ষেও কিছু করবে না আশা করি?

    শশিভূষণ বলেন, সে প্রশ্ন উঠছে কী করে? রাধারমণ বললেন, কৈলাস সিংহের সঙ্গে তোমার দেখা হয়। সে এ বাড়িতেও এসেছে দুবার। কৈলাস আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করে।

    শশিভূষণ বললেন, তবে যে বললেন, আমার পেছনে এখন আর চর নেই? আমার বাড়িতে কে আসে না-আসে, তা নিয়ে আপনাকে কৈফিয়ত দিতে হবে? এখানকার ব্রাহ্মদের সভায় কৈলাসবাবু এসেছিলেন, আমার সঙ্গে দেখা হলে তাঁকে বাড়িতে ডাকব না? এটা তো সামাজিক ভদ্রতা! এ কথা জেনে রাখুন, কৈলাসচন্দ্র মোটেই ত্রিপুরার শত্রু নন। তিনি বর্তমান মহারাজকে পছন্দ করেন না। কিন্তু তাঁর মন-প্রাণ পড়ে আছে ত্রিপুরায়।

    রাধারমণ এবার কঠিন গলায় বললেন, শশী, তোমার হিতের জন্যই বলছি, কৈলাসের সঙ্গে সংব রেখো না! সে রাজকুমারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধাবার তালে আছে। তা আমরা সহা করব না।

    শশিভূষণও তীব্র কণ্ঠে বললেন, এটাই বুঝি আপনার হিতোপদেশ?

    রাধারমণ চলে যাবার পর শশিভূষণ কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে রইলেন। কৈলাসচন্দ্র সিংহকে নিয়ে তাঁর মাথাব্যথা নেই। রাজকুমারদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগুক বা না লাগুক তাতে শশিভূষণের কী আসে। যায়? কিন্তু রাধারমণ ভূমিসূতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে গেলেন!

    শশিভূষণ তো তাকে ভুলেই গিয়েছিলেন। সে হারামজাদি এক বিষকনা, শশিভূষণের জীবনটা বিষিয়ে দিয়েছিল প্রায়। তাকে তিনি মন থেকে মুছে ফেলেছিলেন। কিন্তু মনের দর্পণের ছায়া কি ইচ্ছে করলেই মোছা যায়? কোন অতল ভীরে রয়ে যায়। না হলে বুকটা এত তোলপাড় কছে কেন?

    ভূমিসূতার অন্তর্ধানের পর শশিভূষণের মাথায় প্রবল যন্ত্রণা হতে শুরু করেছিল। তার সেই পুবনো রাগ। ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকার পর্যন্ত ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সমস্ত কাহিনী জেনে তিনি বলেছিলেন, শুধু ওষুধে কোনও কাজ হবে না, তুমি অবিলম্বে বিয়ে করো। তোমার এখন শবীর ভবা খিদে, সে খিদে না-মেটালে এ লোগ সারবে না। হাতের কাছে তোমার লোভের জিনিস সন্দেশ যদি না পাও, যদি আম থাকে তা হলে আমই খাও! কিছু একটা ধাও!

    ডাক্তার সবাই যোগাযোগ করিয়ে দিলেন, এক মাসের মধ্যে শশিভূষণের বিবাহ হয়ে গেল। মনোরমা ছিলেন বালবিধবা! মহেন্দ্রলাল ও আরও অনেকের মত এই যে কোনও বিপত্নীক দ্বিতীশবার পর পবিগ্রহ করলে কোনও বিধবাকেই গ্রহণ করা উচিত। শশিভূষণের তাতে কোনও আপত্তি ছিল না, কিন্তু বিধবা-বিবাহকে কোনও বীরত্বের ব্যাপার মনে করা কিংবা তাই নিয়ে ঢাক-ঢোল পেটানো তাঁর পছন্দ নয়, বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে বিনা আড়ম্বরে।

    দশ বছর বয়েসে বিধবা হয়েছিল মনোরমা, পুনর্বিবাহ হল একুশ বছর বয়েসে। এতদিন সে বাপের বাড়িতে থেকে সব রকম নিয়ম-নিষ্ঠা পালন করে এসেছে ‘ আবার তার বিয়ে হল বটে, কিন্তু। বৈধব্যে খালাস ছেড়ে সে যেন আর বেরিয়ে আসতে পারে না। সে অন্তঃপুরে সুগৃহিণী, স্বামীর নাম সঙ্গিনী সে হতে পাবে না। কাব্যপ্রিয়, রোমান্টিক শশিভূষণ পূর্ণিমা রাতে স্ত্রীকে নিয়ে গঙ্গায় নৌকা-বিহার করতে চান, মনোরমা তাতে রাজি নয়। গান জানে তবু উচ্চকণ্ঠে গান করে না মনোরমা। পড়তে জা, বই পড়ায় উৎসাহ নেই।

    ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে শশিভূষণ পরিতৃপ্ত। মেয়েটি খুবই ছোট, এনও কথা বলতে শেখেনি। ছেলের নাম অভিমন্যু, সে এখন সাড়ে পাঁচ বছরের ছটফটে বালক। শশিভূষণ তার এই আজকে মনের মতন করে গড়তে চান। শুধু লেখাপড়া শেখা নয়, তাকে পরিপূর্ণ মানুষ হতে হবে।

    কোনও কোনও দিন খুব ভোরে কিংবা বিকালের দিকে শশিভূষণ ছোলর হাত ধরে বেড়াতে বেরোন। নদী, আকাশ, গাছপালা, পশু-পাখি, মানুষ চিনতে শেখান শকে। নিজে খুব যে উপদেশ বা শশ্ন দেন তা নয়, অভিমন্যর কৌতূহল জাগ্রত করে তোলেন, সে নানা রকম প্রশ্ন করে, তিনি উত্তর দেন। মায়ের চেয়ে বাবার সঙ্গেই বেশি ভাব অভিমন্যুর, বেড়াতে বেরুলে সে আর বাড়ি ফিরতে চায় না সহজে।

    একদিন অভিমনুকে নিয়ে শশিভূষণ বেড়াতে বেড়াতে হলে এলোরান সাহেবের বাগানবাড়ির দিকে। এই অঞ্চলটি বেশ নির্জন, অনেক পাখি দেখা যায়। শশিভূষণ নিজেও সব পাখি চেনেন না। ছেলের কাছে তা অকপটে স্বীকার করতে লজ্জা নেই। একটা ইষ্টিকুটুম পাখি দেখে অভিমন্য জিজ্ঞেস করল, বাবা ওটা কী পাখি? শশিভূষণ বললেন, নামটা তো জানি না। দু’একবার আগে দেখেছি বটে, দ্যাখ কী সুন্দর পালকের রং, কতখানি লাজ, অবাক-অবাক চোখ, অন্য পাখিরাও বোধহয় এই পাখিটাকে চেনে না—

    ঘাটের সিঁড়িগুলো ভাঙা, সেখানে একটা নৌকা বাঁধা। শশিভূষণ ভুরু কুঞ্চিত করে তাকালেন। এক অতি রূপবান যুবা-পুরুষ আগাছা ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে বাগানের দিকে। সাপ-খোপর ভয়ে এখানে সহসা কেউ আসে না। শশিভূষণের অবশ্য সে ভয় নেই, কিন্তু এই অচেনা আগন্তুক কে? সুদীর্ঘ, সুগঠিত শরীর, পায়ে মোজা ও বুট জুতো, প্যান্টান, ওয়েস্ট কোট ও জ্যাকেট পরা, গ্রিক ভাস্কর্যের মতন কাটা কাটা নাক-চোখ-ওষ্ঠাধর, গৌরবর্ণ উজ্জ্বল ললাট, সারা মুখে ভ্রমরকৃষ্ণ সরু দাড়ি, মাথার চুল লুটিয়ে পড়েছে ঘাড় পর্যন্ত। আর একটু কাছে গিয়ে শশিভূষণ চিনতে পারলেন। এ তো কবীন্দ্র রবীন্দ্রবাবু। উঁচড়োর কাছে গঙ্গাবক্ষে এক বজরায় থাকেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, তাঁর পুত্ৰ-জামাতাগণ প্রায়ই দেখা করতে আসে। শশিভুষণের মনে পড়ল অনেক বছর আগে কবিবর রবীন্দ্রবাবুকে এ বাড়িতেই তিনি প্রথম দেখেছিলেন। সে দিন আর আজ কত তফাৎ!

    রবীন্দ্র শশিভুষণের উপস্থিতি টের পায়নি। সে উদাসীনভাবে ঘুরে বেড়াতে লাগল এদিক-ওদিক। এক-একটা গাছ স্পর্শ করে। একটু থমকে দাঁড়ায়। একটা কদমগাছের তলায় গিয়ে ঊর্ধ্বমুখে চেয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর দোলনাটার কাছে গিয়ে দড়ি ধরে দাঁড়িয়ে রইল নিস্পন্দের মতন। তার চক্ষু দিয়ে জল গড়াচ্ছে।

    শশিভূষণ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। রবীন্দ্রবাবু কোন স্মৃতিভারে আপ্লুত তা তিনি জানেন না। কিন্তু তাঁর নিজেরই যেন এক পলকের জন্য মনে হল, এমনকী দেখতে পেলেন, ওই দোলনায় বসে আছে এক নারী। অবিকল ভূমিসূতার মতন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }