Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. ভিকটোরিয়া ড্রামাটিক ক্লাব

    শখের এই দলটির নাম বেশ জমকালো, ‘ভিকটোরিয়া ড্রামাটিক ক্লাব’। বছরে চার পাঁচটি নাটক এরা নামায়। শহরে বিশেষ পাত্তা পায় না, মফস্বলের গ্রামে গঞ্জে এদের ডাক পড়ে। দুটি-তিনটি ভাড়া করা অভিনেত্রীকে কিছু পয়সা দিতে হয়, এ ছাড়া বাকি সকলের ভালবাসার পরিশ্রম।

    অর্ধেন্দুশেখর এদের নাট্য পরিচালক হয়ে বসলেন। তাঁর নিজের মঞ্চ ভাড়া করার কিংবা নতুন করে দল গড়ার মতন আর রেস্তর জোর নেই। কোনও প্রতিষ্ঠিত মঞ্চ থেকেও তাঁর কাছে ডাক আসেনি। হোক না এটা একটা নিতান্ত পাড়ার ক্লাব, তবু তো এখানে তিনি এক নম্বর। সবাই তাঁর কথা মানে।

    এখানে তিনি নাট্য পরিচালক হতে রাজি হয়েছেন দুটি শর্তে। কোথাও তাঁর নাম থাকবে না, হান্ডবিল-পোস্টারে তো নয়ই, মুখে মুখেও জানানো চলবে না। কাগজে কলমে ছোনে মিত্তিরই পরিচালক। দ্বিতীয় শর্ত হল, তিনি এদের কাছ থেকে এক পয়সাও নেবেন না। শুধু গোটা দুৰ্ত্তিন বাংলা মদের বোতল জো নি দিলেই চলবে।

    রিহাসলের স্থান পরিবর্তন হয়েছে, এখন আর সেখানে পাবলিক উঁকি ঝুকি মারতে পারে না। প্রতিদিন হল ঘরের মাঝখানে একটা বড় চেয়ারে তিনি বসেন, সঙ্গে সঙ্গে একজন তাঁর হাতে একটি গড়গড়ার নল তুলে দেয়। আর একজন একটি গেলাসে মদ সেজে এনে সামনে রাখে। অর্ধেন্দুশেখর সারাদিনই একটু একটু করে মদ্যপান করেন বলে কোনও সময়েই খুব বেশি নেশাগ্রস্ত হন না, তাঁর কথা জড়িয়ে যায় না।

    গেলাসে একবার করে চুমুক দেন, গড়গড়ার নলে টান মারেন, আর অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কণ্ঠস্বরের খেলা দেখিয়ে দেন। এক এক সময় চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়ে কখনও বীরদর্পে, কখনও কৌতুকের ভঙ্গিতে হাঁটা চলা করেন, গান গেয়ে ওঠেন কারুর সঙ্গে গলা মিলিয়ে। এই আনা লোকগুলোকেই দারুণ ভাবে গড়ে পিটে নিতে তিনি বদ্ধপরিকর।

    ‘নীলদর্পণ’ প্রায় তৈরি হয়ে এসেছে, আর দশ দিন পরেই চন্দননগরের ফরাসডাঙায় প্রথম মঞ্চস্থ হবে। তারপর শ্রীরামপুরেও আমন্ত্রণ আছে। মহলা শেষ হয়ে যাবার পরও কয়েকজন থেকে যায়, গল্প গুজব হয়। অর্ধেন্দুশেখরের বাড়ি ফেরার কোনও তাড়া নেই। ছোনে মিত্তির অর্ধেন্দুশেখরের কাছ থেকে রঙ্গমঞ্চের নানান কাহিনী যেন দুচোখ দিয়ে গিলে নেয়। অর্ধেন্দুশেখরের জনা সে গেলাসে মদ ঢেলে দেয়, তামাক সেজে দেয়, কিন্তু নিজে গুরুর কাছে ওসব কিছু ছোঁয় না।

    একদিন ছোনে মিত্তির বলল, গুরুদেব, একটা কথা বলব, অপরাধ নেবেন না?

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, সে আবার কী? যা ইচ্ছে হয় খোলসা করে বলো। মনের কথা কখনও চেপে রাখতে নেই, তাতে অসুখ করে। বলে ফ্যালো!

    ছোনে মিত্তির মাথা চুলকে বলল, আজ্ঞে, আমি মাঝে মাঝে হরিদাসীর কাছে যাই। রাত্তিরে ওর ওখানেই থাকি।

    হরিদাসী এই ক্লাবেরই একজন ভাড়া করা অভিনেত্রী। এই ধরনের অভিনেত্রীদের সঙ্গে নাট্য পরিচালকদের একটা অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে উঠবে, এরকম যেন একটা অলিখিত নিয়ম আছে।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, তা বেশ তো, যাও না। তুমি বিয়ে-থা করেছ তা জানি। মাঝে মাঝে পরনারীর কাছে গেলে রক্ত চলাচলের গতি বৃদ্ধি পায়, তাতে শরীর মেজাজ ভাল থাকে, এমনই তো অনেকে বলে। তুমি হরিদাসীর ঘরে যাবে, তার জন্য আমার অনুমতি নেবার প্রয়োজন আছে নাকি?

    ছোনে মিত্তির বলল, আজ্ঞে তা নয়। হরিদাসী ভয়ে বা সঙ্কোচে একটা কথা আপনাকে জানাতে পারে না। তাই আমাকে বলেছে। শুনে আমিও দুদিন ধরে বড় উতলা হয়ে আছি। চেপে রাখতে পারছি না। গুরুদেব, আপনার জন্য একটি মেয়ের সর্বনাশ হতে যাচ্ছে।

    অর্ধেন্দুশেখর চমকে উঠে বললেন, সে কী! এমন অপবাদ তো আমার নামে কেউ কখনও দেয়নি! আমি মদ-গাঁজা খাই সবাই জানে। শ্মশানে-মশানে পড়ে থাকি। কিন্তু কারুর ক্ষতি তো করি না বাবা। থিয়েটারের মাগিদের নিয়ে বেলেল্লা করা আমার ধাতে নেই। ভদ্রঘরের কোনও মেয়েকেও নষ্ট করিনি। তুমি এত বড় একটা কথা বললে?

    —মিথ্যে বলিনি, আগে সবটা শুনুন। হরিদাসী যেখানে থাকে, তার কাছেই গঙ্গামণির বাড়ি। এককালে নাম করা অ্যাকট্রেস ছিল গঙ্গামণি…

    –অত ব্যাখ্যান করে বলতে হবে না। গঙ্গামণিকে আমি চিনি না? ওর ডাক নাম হাঁদু। ওর বাড়িতে আমি কতবার গেছি।

    —সেই বাড়িতেই থাকে নয়নমণি।

    —হ্যাঁ হাঁ জানি। ওর আগে নাম ছিল ভূমিসুতো না মাটির দড়ি কী যেন। থিয়েটারে ওই নাম চলবে না বলে আমিই ওর নাম রেখেছিলাম নয়নমণি। তারপর বলো—

    —লোকে বলে ওই নয়নমণি আপনার মানসকন্যা।

    —আরে দূর, মানসকন্যা ফন্যা কিছু না। ওসব গালভরা কথা আমি বিশ্বাস করি না। ওকে আমি রাস্তা থেকে তুলে এনে গড়ে পিটে নিয়েছি। শেষের দিকে বেশ ভাল পার্ট করত, ও মেয়ের গুণ আছে। তা এমন তো আরও কতজনকে আমি শিখিয়েছি-পড়িয়েছি। বিমোদিনী আমার কাছে শেখেনি? কুসুমকুমারী, ক্ষেত্রমণি, বনবিহারিণী কে শেখেনি আমার কাছে? এত মানস পুত্রকন্যা হলে যে বিরাট সংসার হয়ে যায় হে আমার।

    –নয়নমণি আপনাকে পিতার মতন জ্ঞান করে।

    —তা করে তো করুক। নয়নমণির নাগর আমি যখন ছিলুম না, তখন তার মানসবাপ হতে দোষ কী? তা বাপের মতন যদি হয়ে থাকি, তা হলে আমি আবার তাকে নষ্ট কলম কী করে?

    —আজ্ঞে নষ্ট করার কথা তো বলিনি। ছি ছি ছি ছি, এমন কথা আমার মুখেও আসবে না। বলছিলাম যে, আপনার জন্য, হয়তো আপনার অজ্ঞাতসারেই নয়নমণির সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে।

    –কী রকম? কী রকম? আমার কৌতূহল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    –আপনি এমারাল্ড তুলে দিলেন, আপনার দলের সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, চারজন ছাড়া অন্যরা সবাই কোনও না কোনও স্টেজে এখন ঢুকে পড়েছে। আর নয়নমণি, যে ছিল আপনার  হিরোইন, পাবলিকের কাছে যার দারুণ ডিমান্ড, সে চুপচাপ বসে আছে বাড়িতে।

    —আমি তার কী করব? দল ভেঙে গেছে, এখন যে যেখানে পারবে যাবে। সবার কাজ খুঁজে দেবার জন্য আমি দাসখ লিখে দিয়েছিলাম নাকি? এমন কথা বলা তোমাদের ভারী অন্যায়।

    —আজ্ঞে, নয়নমণির বেলায় কাজ খুঁজে দেবার প্রশ্নই ওঠে না। মিনার্ভা তাকে ডেকেছে, স্টার ডেকেছে। ক্লাসিক থেকে সাধাসাধি করছে, তবু সে যায় না।

    —সে কোথায় যাবে না যাবে, তার আমি কী জানি! ও ছেমড়িটার বরাবরই গুমোর বেশি।

    –অমর দত্ত নিজে গিয়েছিলেন তার কাছে, তবু নয়নমণি দেখা করেনি। আপনি তাকে শপথে বেঁধে রেখেছেন। আপনি একদিন তাকে পা ছুঁইয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিলেন যে আপনাকে ছেড়ে সে যেন কোথাও না যায়। তাই এখনও সে আপনার অনুমতি ছাড়া কোনও বোর্ডে যোগ দেবে না। শপথ সে ভাঙবে না! আপনার সন্ধানও কেউ জানে না।

    অর্ধেন্দুশেখর হা-হা করে অট্টহাস করে উঠলেন। মদের গেলাসে আবার একটা চুমুক দিয়ে বললেন, শপথ না ঘোড়ার ডিম! ওহে থিয়েটারে আমরা নকল কথা বলি, নকল ভাবে হাসি, নকল ভাবে কাঁদি। আমাদের জীবনে আসল কিছু আছে নাকি? ওসব শপথ টপথের কোনও দাম নেই। থিযেটারের ভেতরের খবব তুমি কী জানো? আজ যে দু’জনের গলাগলি ভাব, কালকেই দেখবে দু’পাঁচটাকা বেশি রোজগারের লোভে একজন অন্য স্টেজে চলে গেল, শক্রতা শুরু করে দিল। গিরিশবাবুর হাতে গড়া শিষ্য অমৃতলাল, সেই দুজনের মধ্যে আকছা-আকছি হয়নি? ‘অসার এ সংসার, তুমি কার কে তোমাব।’ লোকে বাপ-মাকে পর্যন্ত ভুলে যায়। ওই নয়নমণি যদি থিয়েটার আর না করতে চায়, তা হলে শাঁসাল দেখে কোনও বাবু ধরুক! যেখানে খুশি যাক!

    ছোনে মিত্তির বলল, হরিদাসী তো বলে মেয়েটা একেবারে অন্য ধাতুতে গড়া। অমন রূপ-যৌবন, অমন নাম ডাক, তবু নাকি কোনও পুরুষের সঙ্গে মেশে না। রাত্তিরে কেউ ওর ঘরে যেতে পাবে না। ময়েবাও ওর গুণের প্রশংসা করে, এমনটি আগে কখনও শুনিনি। অমর দত্তকে ফিরিয়ে দেবার মতন হিম্মত কটা মেয়ের থাকতে পারে বলুন।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, ও মেয়েটা যেমন ঠেটি, তেমনি দেমাকি। একবার এক মস্তবড় মহারাজা ওর গান শোনার জন্য কত পেড়াপিড়ি করলেন, ও ঘুড়ি কিছুতেই গেল না। ও যদি নিজের পায়ে কুড়ল মারতে চায়, তবে আমি কী করব!

    -ও কিন্তু থিযেটার ভালবাসে। থিয়েটাবে আবার যোগ দেবার ইচ্ছে আছে, শুধু আপনার জন্য পারছে না। হবিদাসী বলে, আর কিছুদিনের মধ্যে আপনার সন্ধান না পেলে ও কাশীতে চলে যাবে। তাতে থিয়েটারের কত ক্ষতি হবে বলুন! অমন প্রতিভাময়ী একজন অ্যাকট্রেস? আমি হরিদাসীকে বলে দিলুম একদিন তাকে এখানে নিয়ে আসতে। এসে আপনার পায়ে পড়ক। কিন্তু তা বোধহয় সে আসবে না। তাই বলছিলুম কী, আপনি যদি একদিন গিয়ে তাকে অভয় দেন! নয়নমণি ক্লাসিক থিয়েটারে যোগ দিলে যোলো কলা পূর্ণ হবে।

    অর্ধেন্দুশেখর এবার ‘প করে জ্বলে উঠে বললেন, কী, আমি যাব তার বাড়ি? তোদের মুখের কোনও আড় নেই? আমার এমারাল্ড ঋণের দায়ে উঠে গেল, সেখানে দত্ত বাড়ির এক উটকো ছোকরা ক্লাসিক থিয়েটার খুলেছে, সেই ক্লাসিককে আমি সাহায্য করব? খবরদার এমন কথা আর আমার সামনে উচ্চারণ করবে না। নয়নমণি কাশী যাক বা উচ্ছ্বন্নে যাক, তাতে আমার কী?

    মাথায় রাগ চড়ে গেলে রাত্তিরে ভাল করে ঘুম আসতে চায় না। অর্ধেন্দুশেখর বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে লাগলেন। বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠতে লাগল নয়নমণির মুখ। কুমোরটুলির কুমোররা একতাল মাটি নিয়ে যেমন আস্তে আস্তে একটা মানুষের মুখ ফুটিয়ে তোলে, সেই ভাবে তিনি নয়নমণিকে গড়েছেন। প্রথম যখন মেয়েটিকে দেখেন, তখন শুধু তার গানের গলাটা ভাল ছিল। কিন্তু শুধু তা দিয়ে কি বড় অভিনেত্রী হওয়া যায়? মঞ্চের ওপর হাঁটা চলা, হঠাৎ মুখ ঘুরিয়ে তাকানো, প্রস্থানোদ্যত হয়ে উইংসের কাছে গিয়ে আবার ফিরে দাঁড়ানো, এই গুলোও তো আসল। কণ্ঠস্বরের ওঠা-নামা শেখানোর জন্য কি কম খাটতে হয়েছে? হ্যাঁ, একথা ঠিক, মেয়েটার শেখার আগ্রহ ছিল। দু’লাইন পার্ট দশবার ধরে বলালেও কখনও ক্লান্তির চিহ্ন দেখায়নি। ওর প্রধান সম্পদ ওর চক্ষুদুটি। শুধু নীরবে চেয়ে থাকার মধ্যেও অনেক রকম ভাষা ফোটে। থিয়েটারের অধিকাংশ মেয়েই তো গরুর মতন ভাবডোবে চোখে তাকিয়ে থাকে। ও মেয়ের চোখে কখনও নদীর চাঞ্চল্য কখনও আগ্নেয়গিরির ধারা। তাই তো ওর নাম রেখেছিলেন নয়নমণি।

    নয়নমণি কবে তাঁর কাছে শপথ করল? মনে পড়ছে না তো! শপথ টপথের কোনও মূল্য আছে নাকি! তোমার জন্য প্রাণ দিয়ে দিতে পারি, তোমাকে ছেড়ে কখনও যাব না, এরকম কথা তো থিয়েটারের লোকেরা যখন তখন বলে, মুখস্থ করা সংলাপের মতন, কেউ কি তার গুরুত্ব দেয়? কবে সেরকম কী কথা হয়েছিল, ও মেয়েটা তাই আঁকড়ে ধরে বসে আছে? ক্লাসিক থেকে ডাকাডাকি করছে, তাও যোগ দিতে যাচ্ছে না, এই পাপে ভরা পৃথিবীতে এমন মেয়ে জন্মায়! মেয়েটা পাগল নাকি?

    ক্লাসিক, ক্লাসিক। অর্ধেন্দুশেখরের এমারাল্ড থিয়েটার উঠে গেল, এখন ক্লাসিকেরই জয়-জয়কার। সবাই বলাবলি করছে, বাংলা রঙ্গমঞ্চে নতুন যুগের শুরু হয়েছে,—সেই যুগের প্রবর্তন করেছে এক দেবদূত, তার নাম অমর দত্ত। রেলি ব্রাদার্সের মুৎসুদ্দি দ্বারকানাথ দত্ত বিরাট ধনী, তার এক ছেলে হীরেন্দ্র কায়স্থ হয়েও সংস্কৃতে বড় পণ্ডিত আর পার্শনিক হিসেবেও নাম হয়েছে কিছুটা। আর এক ছেলে এই অমর, বাপের টাকা তো অনেক আছে বটেই, বাড়িতে লেখাপড়ারও চচা আছে।

    ধনী পরিবারের সন্তান শখ করে থিয়েটার খুলে টাকা ওড়াচ্ছে, এমনটি যে আগে আর ঘটেনি তা তো নয়। কিন্তু এই অমর দত্তর ধরন-ধারণ সবই অন্য রকম। ছেলেটি যে অতিশয় সুপুরুষ তা স্বীকার করতেই হবে। কাশ্মীরিদের মতন গৌরবর্ণ, সুগঠিত শরীর, কপাট বক্ষ, ভরাট কণ্ঠস্বর। বাংলার রঙ্গমঞ্চে এরকম সত্যিকারের নায়কোচিত চেহারার অভিনেতা আগে আসেনি। শুধু অভিনেতা নয়, অমর দত্ত নিজেই নির্দেশক। ক্লাসিক থিয়েটার প্রবর্তনের পরই অনেক রকম পরিবর্তন ঘটাচ্ছে সে। স্টেজ থেকে শুরু করে হলের চেয়ার পর্যন্ত সব ঢেলে সাজাচ্ছে, সব কিছু ঝকঝকে তকতকে, কোথাও একবিন্দু ময়লা থাকবে না, নতুন করে আলো বসানো হয়েছে, পুরনো ব্যাক ড্রপ বাতিল। শুধু থিয়েটার বিষয়ে সে পত্রিকা বার করছে। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মাইনে বাড়িয়ে দিয়েছে, কাজে নিয়ম-শৃঙ্খলা এনেছে, তাই যে-কেউ এখন ক্লাসিকে যোগ দেবার সুযোগ পেলে ধন্য হয়ে যায়।

    তা এসব হোক না, ভাল কথা। কেউ যদি থিয়েটারের উন্নতি ঘটায়, আরও বেশি সংখ্যক দর্শক টানতে পারে, তা হলে তো অর্ধেন্দুশেখরের মতন যাঁরা পাবলিক থিয়েটারের সঙ্গে প্রথম থেকে জড়িত তাঁদের তো খুশি হবারই কথা। কিন্তু অমর দত্ত যে চ্যাটাং চ্যাটাং বাকি শুরু করেছে। সে নাকি বলে, বুড়ো-ধুড়োদের দিয়ে আর চলবে না, ঘোষ-মুস্তাফিদের মতন টেনে টেনে আবৃত্তির ঢঙে অভিনয় আর চলে না! আবৃত্তির ঢঙে অভিনয়? অর্ধেন্দুশেখরের মতন একই নাটকে পাঁচটি ভূমিকায় পাঁচ রকম কণ্ঠস্বরের খেলা দেখাবার ক্ষমতা আছে ওই ছোকরার? হিস্টোরিকালে হিরো সাজছে চাষাভুষোর অভিনয় করে দেখাক তো।

    নিদ্রাহীনতার জড়তা কাটাবার জন্য সকালবেলা ভাল করে তেল মেখে স্নান করলেন অর্ধেন্দুশেখর। তারপর চুপ করে বারান্দায় বসে তামাক টানতে লাগলেন। সংসারের কোনও ব্যাপারে তিনি মাথা ঘামান না। এই জন্মে আর সংসারী হওয়া হল না। কুল রাখি না মান রাখি, সেই অবস্থা। একবার থিয়েটারের নেশা রক্তে ঢুকে গেলে আর সংসারে মন বসে না।

    বেলা দশটা আন্দাজ বেরিয়ে পড়ার মন করে পোশাক বদলালেন। আজ তিনি দাড়ি কামিয়েছেন, একটা কোঁচানো ধুতি ও সিল্কের বেনিয়ান গায়ে দিয়ে, একটা হড়ি হাতে নিয়ে বেরুলেন বাড়ি থেকে। হাঁটতে হাঁটতেই এক সময় তিনি উপস্থিত হলেন গঙ্গামণির বাড়িতে। সোজা উঠে এলেন দোতলায়।

    গঙ্গামণি তখন পাড়ার চারটি অনাথ ছেলেমেয়েকে আবৃত্তি শেখাচ্ছিল, অর্ধেন্দুশেখরকে দেখেই তাদের ছুটি দিয়ে দিল সঙ্গে সঙ্গে। অর্ধেন্দুশেখরের পায়ের কাছে গড় হয়ে সে প্রণাম করল বটে, কিন্তু রাগ রাগ গলায় জিজ্ঞেস করল, কী গো, সাহেব-দেবতা, হঠাৎ এদিকে এলে কী মনে করে?

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, অনেকদিন তোকে দেখিনি হাঁ, তাই ভাবলুম এই চাঁদ বদনটি দেখে আসি।

    গঙ্গামণি থুতনিতে আঙুল দিয়ে বলল, আহা, মরে যাই, মরে যাই! শুনে একেবারে প্রাণ জুড়িয়ে গেল। এই জলহস্তীকে তো আজকাল কেউ দেখতে আসে না! তোমার বাড়িতে চার-পাঁচবার লোক পাঠিয়েছি, বাবুর পাত্তাই নেই। কক্ষনও বাড়িতে পাওয়া যায় না। তা থাকো কোথায় সারাদিন?

    অর্ধেন্দুশেখর মুচকি হেসে বললেন, শ্মশানে। এগিয়ে থাকচি, বুঝলি। একদিন তো যেতেই হবে!

    গঙ্গামণি বলল, যেতে সকলকেই হবে, তা বলে আগে থেকেই এক পা বাড়িয়ে থাকতে হবে কেন গা?

    —হাঁদু, অনেকদিন পর এলুম, দুটো মিষ্টি কথা বল। আগে তোর মুখ দিয়ে মধু ঝরত।

    –তখন তোমার চেহারাটাও নব কান্তিকের মতন ছিল, এমন সিঁড়িতে পানা হয়নি।

    —আমার বাড়িতে লোক পাঠিয়েছিলি কেন? প্রেম উথলে উঠেছিল বুঝি?

    —হ্যাঁ গো, দুধের ফেনার মতন উথলে উঠেছিল। অনেককাল তোমায় না দেখে প্রাণটা আনচান করছিল। তুমি কেমন ধারা মানুষ, আমাদের নয়ন বলে মেয়েটাকে কী সব চুক্তি দিয়ে বেঁধে রেখেছ?

    -চুক্তি, কীসের চুক্তি? আমার এমারাল্ড থিয়েটারে তো কোনও লেখাপড়ার কারবার ছিল না!

    —তুমি নাকি তাকে কোন বাঁধনে বেঁধে রেখেছ, তোমার অনুমতি ছাড়া সে আর কোনও বোর্ডে নামতে পারবে না। কেলাসিকের অমর দত্ত নিজে তাকে সাধতে এসেছিলেন, মেয়েটা তার সঙ্গে দেখাই করল না।

    —অমর দত্ত তোর এখানে এসেছিল? কেমন দেখলি রে?

    —আহা, ঠিক যেন রাজপুত্তর। এমনটি আর দেখিনি। যেমন গায়ের রং, তেমনি মাথায় চুলের কী বাহার! কথাবার্তা শুনলেই বোঝা যায়, বড় বংশের ছেলে। একটুও ছাবলামি নেই। ছুঁড়িটাকে কত করে বললুম, একবার নীচে নাম, দুটো কথা অন্তত বলে যা, তা এলই না।

    –মেয়েটা কোনও থিয়েটারে যায়নি, বাবু ধরেছে?

    –অমন কথাটি মুখে এনো না। কত কত বড় মানুষের ছেলে ওকে চেয়েছে, ও কারুর পানে ফিরেও তাকায় না। এ মেয়ে অন্য ধাতুতে গড়া। তুমি আমি যে লাইনে আছি, সে লাইনে এমন মেয়ে কেউ কখনও দেখেনি।

    —মেয়েটাকে একবার ডাক, তার সঙ্গে কথা বলি।

    —দ্যাখো বাপু, কত টাকা পেলে তোমার ওই চুক্তির কাটাকুটিন হবে, বলে দাও তো। যেমন করে পারি, আমরা তা দিয়ে দেব। অমন একটা মেয়ে এস্টেজে নামবে না, এতে যে আমারই বদনাম।

    —আরে মাগি, ছুঁড়িটাকে ডাক না। তোর চোপা একটু বন্ধ কর, আমি ওর সঙ্গে সরাসরি কথা কই।

    নয়নমণি পুজোয় বসেছে। তার পুজোয় কোনও মন্ত্র নেই, ঠাকুরের কোনও ভোগও নেই। কৃষ্ণের মূর্তির সামনে সে অনেকক্ষণ চোখ বুজে নিঃশব্দে বসে থাকে।

    গঙ্গামণি নিক্সে তাকে ডাকতে এল। অর্ধেন্দুশেখরের নাম শুনে নয়নমণি উৎফুল্ল হয়ে একটা টিনের তোরঙ্গ খুলে একটা পটুলি সঙ্গে নিয়ে দ্রুত নেমে এল নীচে।

    চওড়া লাল পাড় সাদা শাড়ি পরা, মাথার চুল খোলা, আর কোনও প্রসাধন নেই। মাটিতে বসে পড়ে অর্ধেন্দুশেখরের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে যখন সে উঠে দাঁড়াল, অর্ধেন্দুশেখর কয়েক মিনিট মুগ্ধ হয়ে তার দিকে চেয়ে রইলেন। নয়নমণি সাতাশ বহু বয়েসে এখন পর্ণ যুবতী, শরীরে একটুও মেদ জমেনি, সিংহিনীর মতন কোমরের গড়ন।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, কেমন আছিস, নয়ন?

    নয়নমণি বলল, আপনার আশীর্বাদে ভাল আছি।

    অর্ধেন্দুশেখর জিজ্ঞেস করলেন, হ্যাঁরে, তোর সঙ্গে নাকি আমার কী শপথের বন্ধন আছে? সবাই বলাবলি করছে, অথচ আমারই কিছু মনে নেই।

    নয়নমণি মৃদু স্বরে বলল, একদিন আপনি আমাকে একটা নাচ শেখাচ্ছিলেন। সেদিন আপনার শরীর ভাল ছিল না, পরিশ্রমও হচ্ছিল যথেষ্ট। আপনি একসময় বললেন, এত কষ্ট করে তালিম দিয়ে কী আমার লাভ! একদিন ফুরুৎ করে পাখি উড়ে যাবে। অন্য থিয়েটার থেকে বেশি টাকার অফার দিলেই তুই পালাবি। আমি তখন আপনার পা ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, আপনার অনুমতি ছাড়া আমি কোনওদিনই অন্য থিয়েটারে যাব না।

    অর্ধেন্দুশেখর হা-হা করে হেসে উঠে বললেন, ও, এই কথা! নেশার ঝোঁকে কবে কী বলেছি মনেই নেই। এমন কথা তো অনেককেই বলি, তারা তো মানেই না, আমি নিজেও মনে রাখি না।

    নয়নমণি বলল, সেদিনের কথার প্রতিটি অক্ষর আমার মনে আছে। সারাজীবন তা আমি অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব।

    অর্ধেন্দুশেখর এগিয়ে এসে নয়নমণির থুতনি ছুঁয়ে বললেন, তোর বুঝি থিয়েটার খুব ভাল লাগে? তুই কারুর সঙ্গে সোহাগ-পীরিত করিস না শুনেছি।

    নয়নমণি বলল, আপনি কত কষ্ট করে শিখিয়েছেন, তা নষ্ট হতে দিতে চাই না। তাই থিযেটাব ভাল লাগে।

    অর্ধেন্দুশেখর এবার নয়নমণির মাথায় একটা হাত রেখে বললেন, যা নয়ন, তোকে আমি মুক্তি দিলাম। কথার কথাই হোক বা পবিত্র শপথ হোক, সব এখন থেকে চুকে গেল। এখন থেকে তুই স্বাধীন, তুই যে-কোনও থিয়েটারে যোগ দিতে পারিস। যদি আমার নিজের দল গড়ার সামর্থ্য হয় কখনও, তখন তাকে আবার ডাকব। তখন তুই আসিস!

    নয়নমণি আবার অর্ধেন্দুশেখরকে প্রণাম করে তাঁর পায়ের কাছে টাকা তোড়াটি বাখল। অনেকটা পিছিয়ে গিয়ে অর্ধেন্দুশেখর বললেন, এটা কী?

    নয়নমণি বলল, এটা আমার প্রণামী। আপনি আমাকে কত টাকা দিয়েছেন, তার বেশির ভাগই খরচ হয়নি।

    অর্ধেন্দুশেখর বললেন, তুলে নে, তুলে নে। অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি যতই নীচে নামুক, কোনওদিন ভিখিরি হবে না। যাকে যে টাকা দিয়েছি, তা ফেরত নেবাব বদলে আমার মৃত্যুও ভাল। তবে এখনই মরছি না আমি। সবাই বুড়ো বুড়ো বলে, এই বুড়ো হাড়েই আবার ভেলকি দেখাব!

    হঠাৎ তার চোখে জল এসে গেল। লজ্জা পেয়ে মুখটা ফিরিয়ে নিয়ে ধরা গলায় বললেন, নয়ন, আমি আশীর্বাদ করছি, তুই খুব বড় অভিনেত্রী হবি। নিজের মান থেকে কখনও বিচ্যুত হবি না। এই বুড়োকে মনে রাখিস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }