Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৬১. শরৎ নামে একজন শিষ্য

    শরৎ নামে একজন শিষ্য একটি প্রকাণ্ড রুইমাছ নিয়ে এসেছেন কলকাতা থেকে। বেলুড় মঠের ঘাটে এসে ভিড়েছে নৌকো, শরতের ভূত্য ঝুড়িতে করে সেই মাছ মাথায় নিয়ে নামছে। ঘাটের কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বামী প্রেমানন্দ, তিনি সেই মাছ দেখে আঁতকে উঠলেন। এ-দিক ও-দিক তাকিয়ে তিনি ফিসফিস করে শরৎকে বললেন, মশাই করেছেন কী? এত বড় মাছ এনেছেন, আপনার গুরুর শরীর কী রকম খারাপ জানেন না? মাছ খাওয়া একেবারে নিষেধ! কেউ যেন দেখতে না পায়, ফিরিয়ে নিয়ে যান, ফিরিয়ে নিয়ে যান!

    শরৎ অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, ভোগের নাম করে এনেছি, ফেরত নিয়ে যাব?

    প্রেমানন্দ বললেন, আজ রবিবার, আজ মাছ-ভোগ দেওয়া হয় না, ও মাছ লাগবে না।

    শরৎ তাঁর ভৃত্যকে ফিরে যাবার নির্দেশ দেবার জন্য উদ্যত হলেন, কিন্তু এর মধ্যে যাঁর দেখার তিনি দেখে ফেলেছেন।

    অদূরে একটা গাছতলায় বই হাতে নিয়ে বসে আছেন স্বামী বিবেকানন্দ, তিনি চোখ তুলে বললেন, ওটা কী রে, শরৎ কী এনেছে?

    কাছে এসে উৎফুল্ল বিস্ময়ে বললেন, এত বড় রুই, কী টাটকা, গা একেবারে চেকনাই দিচ্ছে, মুখের কাছটা লালমতন, এমন খাসা জাতের রুই অনেক দিন দেখিনি! রাখ রাখ, এমন মাছ ফেরত দিতে আছে!

    প্রেমানন্দ সভয়ে বললেন, তুমি এই মাছ খাবে নাকি?

    প্রেমানন্দের ভয় পাবার কারণ আছে। স্বামীজির শরীর মাঝে মাঝে খুব খারাপ হয়ে পড়ে বলে এখন এক বিচিত্র কবিরাজি চিকিৎসা চলছে। একুশ দিন ধরে স্বামীজিকে শুধু দুধ খেয়ে থাকতে হবে, অন্য সব কিছু খাওয়া নিষেধ, এমনকী এক ফোঁটা জল কিংবা এক বিন্দু নুনও খাওয়া চলবে না। জুন মাসের প্রচণ্ড গরম, এমনিতেই স্বামীজি ঘণ্টায় চার-পাঁচ গেলাস জল পান করেন, টানা একুশ দিন নির্জলা কাটাতে হবে! স্বামীজি রাজি হয়ে গেছেন, এখন ভুল করে জলের গেলাস তুললেও জল মুখের মধ্যে যায় না। কষের পাশ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে, এমনই তাঁর মনের জোর।

    কিন্তু এমন মাছ দেখলে কি চোখ ফেরানো যায়?

    স্বামীজি বললেন, আমি খাব কেন! কোনও ভক্ত যদি ভোগ দেবার সঙ্কল্প করে কিছু আনে, তা দেওয়াই উচিত।

    প্রেমানন্দ বললেন, কিন্তু আজ যে রবিবার!

    স্বামীজি বললেন, অত দিন মানামানির কী আছে! ভক্তিটাই আসল কথা।

    মাছবাহকের সঙ্গে সঙ্গে স্বামীজিও চললেন রান্নাঘরের দিকে।

    প্রতিদিন শ্রীরামকৃষ্ণের নামে আলাদা ভোগ রান্না হয়। সেই ভোগের জন্য কয়েক টুকরো মাছ সরিয়ে রাখা হল, বাকি মাছ দিয়ে মঠবাসীদের মহাভোজ হবে।

    স্বামীজি প্রেমানন্দকে বললেন, অনেক দিন আমি রাঁধিনি, আজ তোদের বেঁধে খাওয়াতে ইচ্ছে করছে। মশলাপাতির জোগাড় কর তো!

    প্রেমানন্দ আবার ভয় পেয়ে গেলেন। মস্ত বড় উনুন, এত জনের জন্য রান্না কি সোজা কথা? অসুস্থ শরীর নিয়ে গনগনে আঁচের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

    স্বামীজি সে আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বললেন, আরে এককালে আমার রান্নার কত শখ ছিল, তোরা জানিস না। দ্যাখ না, আজ তোদের নতুন রকম মাছের ঝোল খাওয়াব। দুধ চাই, দই চাই। ভার্মিসেলি আছে না?

    নবীন সন্ন্যাসীরা ভিড় করে এল স্বামীজির রন্ধনপ্রণালী দেখার জন্য। আজ তাদের কত সৌভাগ্য!

    যথাসময়ে মধ্যাহ্নভোজের ঘণ্টা বাজল। ব্রহ্মানন্দ এসে বললেন, হ্যাঁ রে নরেন, তুই এত করে রাঁধলি, তুই নিজে খাবি না, এটা কেমন কথা? আমরা খাই কী করে?

    চামচ দিয়ে যৎসামান্য মাছের ঝোল তুলতে তুলতে স্বামীজি বললেন, রাঁধুনিকে একটু চেখে দেখতে হয়, নুন-টুন ঠিক হল কি না। বাঃ, সব ঠিক আছে, আমার এই যথেষ্ট।

    খাওয়ার ব্যাপারে সব রকম বিধিনিষেধ এখন মেনে চলছেন স্বামীজি, কিন্তু অন্যদের তৃপ্তির সঙ্গে ভোজন দৃশ্য দেখতে তাঁর ভাল লাগে। নিজে না খেয়েও রান্না করে তিনি আনন্দ পান!

    স্বাস্থ্যের কারণে এখন তাঁর বাইরে যাওয়া-আসা বন্ধ। বেলুড় মঠেই কাটাচ্ছেন দিনের পর দিন। কোথাও বক্তৃতার আমন্ত্রণ গ্রহণ করছেন না। সারাদিন পঠন-পাঠনেই কেটে যায়। হয় নিজে পড়ছেন কিংবা মঠের ব্রহ্মচারীদের বেদ ও গীতাভাষ্য পড়াচ্ছেন। সংস্কৃত ব্যাকরণ সম্পর্কেও তাঁর আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন।

    জাপানে যাওয়া হল না। শিকাগোর মতন টোকিও শহরেও একটি বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনের আয়োজন চলছে, সেখান থেকে স্বামীজির আমন্ত্রণ এসেছে বারবার। জো ম্যাকলাউডেরও খুব ইচ্ছে, তিনি জাপানে কাটিয়েছেন অনেক দিন। ওকাকুরা নামে জাপানের এক বিশিষ্ট ব্যক্তি চিঠি লিখলেন, এমনকী জাহাজ ভাড়া পর্যন্ত পাঠিয়ে দিলেন। কলকাতায় জাপানের রাজপ্রতিনিধিও একদিন ওই অনুরোধ জানাতে এলেন মঠে।

    স্বামীজি প্রথমে রাজি হয়েছিলেন। জাপান ভারী সুন্দর দেশ, ফুলের দেশ, ছবির দেশ। জাপান স্বাধীন দেশ, শক্তিশালী দেশ, শিল্পোন্নত দেশ, এশিয়ার গর্ব। জাপানের সঙ্গে ভারতের আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন বিশেষ জরুরি। কিন্তু মাঝে মাঝে শরীর আর বইতে চায় না বলে স্বামীজি আবার দমে যান। মৃত্যুচিন্তা মাঝে মাঝেই মনোলোকে কালো ছায়া ফেলে। যদি মরতেই হয়, তা হলে বিদেশ-বিভুইতে তিনি মরতে চান না। কেমন যেন ধারণা হয়ে গেছে, তাঁর আয়ু চল্লিশ পেরুবে না।

    আবার মাঝে মাঝে শরীরটা চাঙ্গা বোধ করলেই তাঁর ভেতরের পরিব্রাজক সত্তাটি জেগে ওঠে। তখন মনে হয়, জাপানে যাওয়াটা যেন তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

    এর মধ্যে জো ম্যাকলাউড সেই ওকাকুরা নামে ভদ্রলোকটিকে নিয়ে চলে এলেন কলকাতায়। বেলুড় মঠে দেখা করতে এলেন ওকাকুরা, তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বলে স্বামীজির বেশ ভাল লাগল। ওকাকুরা জাপানের সামুরাই বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট এক ব্যক্তি, সজ্জন, সৌজন্যমণ্ডিত, স্বল্পবাক। তিনি একজন শিল্প-পণ্ডিত, চিন্তাবিদ ও কবি। ওকাকুরার সঙ্গে এসেছে হোরি নামে আর একটি তরুণ, সে অল্প বয়েসেই ব্রহ্মচর্য ব্রত অবলম্বন করেছে, ভারতে সে বেশ কিছু দিন থেকে সংস্কৃত শিক্ষা করতে চায়। আর ওকাকুরা চান বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান, জাপানের শিল্প-সংস্কৃতির প্রেরণা এসেছে যে ভারত থেকে, সেই দেশটিকে ভাল রকমভাবে দেখতে ও জানতে।

    জো ম্যাকলাউড এই ওকাকুরা সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত। প্রাচ্য প্রীতির টানে তিনি ভারত পরিক্রমা নে করছেনই, তারপর জাপানে গিয়ে ওকাকুরার সংস্পর্শে আসেন। এবং এঁর প্রতি মুগ্ধ হন। জোর ধারণা, ওকাকুরার সঙ্গে স্বামী বিবেকানন্দর যোগাযোগ ঘটলে একটা দারুণ সমন্বয় হবে।

    ওঁদের দেখে স্বামীজির আবার জাপানে যাওয়ার ইচ্ছে জেগেছিল। ওকাকুরা বোধগয়া ও বারাণসী দেখতে চান, স্বামীজি সদলবলে তাঁর সঙ্গী হলেন। বোধগয়ায় রাজকুমার সিদ্ধার্থ বোধি লাভ করে গৌতম বুদ্ধ হন, আর বারাণসীর সন্নিকটে এক স্থানে তিনি প্রথম তাঁর বাণী প্রচার করেন, এই দুটি স্থান বৌদ্ধদের অবশ্য দ্রষ্টব্য। বোধগয়ায় কাটানো হল সাত দিন। তারপর সেখান থেকে কাশী।

    বোধগয়ার মন্দির নিয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধদের বিবাদ আছে। বোধগয়ার মোহান্ত স্বামীজিকে সসম্মানে অভ্যর্থনা করলেন, ওকাকুরার সঙ্গে লর্ড কার্জনের একটা চিঠি ছিল বলে সরারি কর্মচারীরা তৎপর, সেখানে কোনও অসুবিধে হয়নি। কিন্তু বারাণসীতে এসে সারনাথ স্থূপ দর্শনে কোনও বাধা না থাকলেও কাশীর প্রধান আকর্ষণ যে বিশ্বনাথ মন্দির, সেখানে তো ওকাকুরা যেতে পারবেন না। স্বয়ং লর্ড কার্জনকেও পুরীর মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

    স্বামীজির কৌতুকপ্রবণ মনটি নেচে উঠল। ওকাকুরার তিনি আড়ালে নাম দিয়েছেন অর খুড়ো। অক্রুর যেমন মথুরা থেকে কৃষ্ণকে নিয়ে যেতে এসেছিলেন, সেই রকম ওকাকুরাও স্বামীজিকে জাপানে নিয়ে যেতে এসেছেন, সুতরাং নামের মিল ছাড়া এই মিলটাও আছে। এখন এই অর খুড়োকে হিন্দু সাজালেই হয়। স্বামীজি কালাপেড়ে কোঁচানো ধুতি পরিয়ে দিলেন ওকাকুরাকে, গায়ে মেরজাই, মাথায় সিল্কের পাগড়ি, আর পায়ে ঊড় তোলা নাগরা। সবাই তা দেখে হেসে বাঁচে না। হাসতে হাসতেও সবাই স্বীকার করল, মানিয়েছে ভারী সুন্দর। মনে হয় যেন নেপালের রাজবংশের কোনও প্রতিনিধি।

    স্বামীজি বললেন, দেখো খুড়ো, ওখানে গিয়ে যেন আবার মুখ খুলল না!

    বিশ্বনাথের গলি দিয়ে হেঁটে গিয়ে ওকাকুরা দিব্যি মন্দির দর্শন করে এলেন।

    কাশীর পর ওকাকুরা ভারতের আরও মন্দির, স্থাপত্য, শিল্পকীর্তি, অজন্তার গুহাচিত্র এই সব দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। কিন্তু বারাণসীতেই স্বামীজির স্বাস্থ্য টিকল না, শরীর আবার দুর্বল, তিনি ওই দলটি ছেড়ে ফিরে এলেন কলকাতায়।

    মঠের প্রাঙ্গণে বড় আমগাছটির তলায় একটি ক্যাম্প খাট পাতা থাকে। স্বামীজি বিকেলবেলা সেখানে এসে বসেন, গল্প করেন শিষ্যদের সঙ্গে। কখনও গভীর ভাবের কথা, কখনও হাস্য পরিহাস। কবিরাজি ওষুধে তাঁর খানিকটা উপকার হয়েছে, মুখের পাণ্ডুর ভাব কেটে গেছে। অনেকখানি।

    কাল খুব একচোট বৃষ্টি হয়েছিল, আজ আকাশ গুমোট, সকলের গায়েই দরদর ঘাম। স্বামীজি বসে আছেন কৌপীন পরে, খালি গায়ে, হাতে হুঁকো। শিষ্যদের তিনি গ্রিক ভাস্কর্যের সঙ্গে ভারতীয় ভাস্কর্যের তুলনা করে বোঝাচ্ছেন, এমন সময় একজন এসে বলল, ও স্বামীজি, আপনার বড় হাঁসটি যেন কেমন করছে। মনে হচ্ছে আর বাঁচবে না।

    স্বামীজি তৎক্ষণাৎ কথা থামিয়ে চঞ্চল হয়ে নেমে পড়ে বললেন, সে কী রে, চল তো দেখে আসি!

    এর মধ্যে মঠে স্বামীজির অনেক পোয্য জন্তু-জানোয়ার জুটেছে। গরু তো আছেই, তা ছাড়া অনেকগুলি হাঁস, কুকুর, ছাগল, হরিণ, সারস। একটা মাদি ছাগলের নাম ‘হংসী’, তার দুধে সকালবেলা স্বামীজির চা হয়। এক-একদিন তিনি সেই মাদি ছাগলটিকে মিনতি করে বলেন, হংসী। মা, আমাকে একটু দুধ দিবি! আর একটি ছোট্ট ছাগলছানার নাম মটর, তার পায়ে ঘুঙুর পরানো, সে সব সময় স্বামীজির পায়ে পায়ে ঘোরে। স্বামীজি কথা বললে সে যেন ঠিক বোঝে। স্বামীজি অনেককে বলেন, এই মটরুটা আগের জন্মে নিশ্চয়ই আমার কেউ হত! হরিণটাকে নিয়েও প্রায়ই দুভোগ হয়, মাঝে মাঝেই সে মঠের সীমানা ছাড়িয়ে চলে যায়। একবার তো দিন তিনেক তাকে পাওয়া গেল না, স্বামীজির দুশ্চিন্তার অন্ত নেই, অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে ধরে আনা হল।

    স্বামীজি গিয়ে দেখলেন, রাজহংসটি কেমন যেন নেতিয়ে পড়েছে, মাঝে মাঝে মাথা ঝাঁকিয়ে ঠিক সর্দি ঝাড়ার মতন শব্দ করছে।

    স্বামীজি হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে বললেন, ইস, কাল সারাদিন বৃষ্টির মধ্যে বাইরে ছিল, তাই ঠাণ্ডা লেগে গেছে বোধ হয়!

    একজন বৃদ্ধ সাধু তা শুনে বললেন, হায় রে, কী দিনকালই পড়েছে। ঘোর কলি! বৃষ্টি ভিজলে যদি হাঁসেরও সর্দি লাগে, ব্যাঙও হাঁচতে শুরু করে, তখন আর বেঁচে থেকে লাভ কী!

    স্বামীজি হেসে উঠলেন।

    কিন্তু অনেক সেবা-যত্নেও রাজহংসটিকে বাঁচানো গেল না। তার শেষ মুহূর্ত আসার পর স্বামীজি চুপ করে ঠায় বসে রইলেন। এই মৃত্যুদৃশ্য তাঁকে উদাস করে রাখল অনেকক্ষণ।

    স্বামী অদ্বৈতানন্দ মঠের ব্যবহারের জন্য একটি তরিতরকারির খেত করেছেন, স্বামীজির ছাগল-হাঁস-হরিণেরা তা নষ্ট করে দেয়, সে জন্য সেখানে একটা বেড়া বাঁধতে হবে। মঠের জমি সাফ করা ও মাটি কাটার কাজ করে একদল সাঁওতাল নারী-পুরুষ। তাদের কয়েকজনকে বেড়া বাঁধার কাজ দেওয়া হল, স্বামীজি নিজে তদারকি করতে লাগলেন। পোয্য প্রাণীগুলির ওপর কেউ রাগারাগি করলে তাঁর সহ্য হয় না।

    সাঁওতালরা কাজে ফাঁকি দিতে জানে না। সকাল থেকে একটানা কাজ শুরু করে, দুপুরে একটুক্ষণের বিরতিতে কিছু খাবার খেয়ে নেয়, আবার কাজ। ওরা নিজেদের খাবার সঙ্গে নিয়ে আসে। পুটুলিতে বাধা শুধু চিড়ে আর খানকয়েক বাতাসা। স্বামীজি ওদের খাওয়া দেখতে দেখতে ভাবেন, পোলাও-মাংস, লুচি-পরোটা, সন্দেশ-রসগোল্লা, আর কত রন্ধন শিল্পের উৎকৃষ্ট সব নমুনা আছে এ দেশে, এই মানুষগুলো কোনও দিন তার স্বাদও পেল না। অথচ এরাই প্রকৃতপক্ষে দেশটা চালায়। এরা চাষ করে, কল-কারখানায় খাটে, পথ তৈরি করে, সেতু বানায়। প্রতিদিন এরাই ঘাম ছড়াচ্ছে ভূমিতে। এমনকী মেথর-মুফরাসরাও দু-এক দিন কাজ বন্ধ করলে শহরগুলিতে হাহাকার পড়ে যাবে। অথচ এরা চিরকালের গরিব। যারা জাতির মেরুদণ্ড, তারাই কিনা নিচু জাত, পতিত, অচ্ছুৎ! অদ্ভুত এই দেশ। এদের উন্নতি ঘটাতে না পারলে গীতা, বেদ, বেদান্ত-ফেদান্ত সব মিথ্যে

    স্বামীজি ভাবলেন, একদিন এদের উত্তম সব সুখাদ্য বেঁধে খাওয়ালে কেমন হয়?

    ওদের সদারের নাম কেষ্টা, তার সঙ্গে স্বামীজির বেশ ভাব হয়ে গেছে ক’দিনে। তিনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ওদের ঘর-সংসার ও সমাজের কথা জিজ্ঞেস করেন। কাজের সময় গল্প করা অবশ্য কেষ্টার পছন্দ নয়, সে কখনও আপত্তি করে বলে, ওরে স্বামীবাপ, তুই আমাদের কামের সময় এখানকে আসিস না। তোর সঙ্গে কথা বললে কাজ বন্ধ হয়ে যায়, পরে বুড়ো বাবা আমাদের বকবে।

    স্বামীজি হাসতে হাসতে বলেন, না রে, আমি থাকলে বুড়ো বাবা বকবে না!

    একদিন ওরা যখন চিড়ে বাতাসা ভোগ দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারছে, তখন স্বামীজি জিজ্ঞেস করলেন, কেষ্টা, আমি একদিন রান্না করব, তোরা খাবি!

    কেষ্টা একটুক্ষণ চিন্তা করে মাথা নেড়ে বলল, না, তা তো পারব না। আমরা তোদের মতন সাধুদের ছোঁওয়া খাই না। এখন বিয়ে হয়ে গেছে, তোদের ছোঁওয়া নুন খেলে আমাদের জাত যায় রে বাপ!

    এ কথা শুনে স্বামীজি যেমন চমকে উঠলেন, তেমন মজাও পেলেন। দুর্গের তা হলে একটা অন্য দিকও আছে! জাত্যভিমানী বামুনকায়েতরা এদের নিচুবর্ণ মনে করে, এদের হাতের ছোঁওয়া খায় না। এরাও আবার তথাকথিত সেইসব উঁচু জাতের হাতের ছোঁওয়াকে অপবিত্র বোধ করে! বেশ হয়েছে! এদেরও আত্মসম্মান বোধ প্রবল।

    তিনি হাসতে হাসতে বললেন, তাই তো, নুন খেলে তোদর জাত যায়! নুন ছাড়া কোনও খাবার খেতে পারিস!

    কেষ্টা তাতে সম্মতি জানাল। কিন্তু বিনা নুনে কিছু রান্না করা কী করে সম্ভব? তাই স্বামীজি আর সে দিকে গেলেন না, তিনি ওদের জন্য লুচি, মিহিদানা, রাজভোগ, সন্দেশ, দই আনালেন প্রচর সবাইকে পাত পেতে বসিয়ে বললেন, একেবারে পেট ভরে খেতে হবে, যে-যত পারবি।

    স্বামীজির এই নতুন খেয়াল দেখার জন্য অনেকে ভিড় করে এল। সেই সাঁওতাল শ্রমজীবীরা অবাক হয়ে পরস্পরের দিকে তাকাচ্ছে, আর একটা একটা খাবার মুখে তুলছে। বেশির ভাগগুলিরই তারা নাম জানে না, কখনও চোখেও দেখেনি। কিন্তু তারা লোভী, বুভুক্ষুর মতন হাপুস-হুঁপুস করে। খাচ্ছে না, এক-একটা বস্তু মুখে তুলে আগে স্বাদ নিচ্ছে, তারপর মাথা নাড়ছে।

    স্বামীজি জিজ্ঞেস করলেন, কী রে, ভাল লাগছে? কোনওটাতেই নুন নেই।

    কেষ্টা বলল, হাঁ রে বাপ, নুন ছাড়াও ভাল জিনিস হয় বটে!

    স্বামীজি আপনমনে বললেন, নারায়ণ, নারায়ণ! আমার জীবন্ত নারায়ণের ভোগ হল আজ!

    সাঁওতালরা চলে যাবার পর একজন শিষ্য বলল, লোকগুলি কেমন আনন্দ করে খেল। দেখে বড় ভাল লাগল।

    স্বামীজি বললেন, এক-এক সময় ইচ্ছে করে মঠ-ফঠ সব বিক্রি করে দিই, এই সব গরিব-দুঃখী-দরিদ্র নারায়ণদের সব বিলিয়ে দিই। আমরা সন্ন্যাসী, আমাদের তো গাছতলাই ভাল, দেশের লোক খেতে পরতে পাচ্ছে না, আমরা কোন প্রাণে মুখে অন্ন তুলছি? দেখ, এরা কেমন সরল, এদের কিছু দুঃখ দূর করতে পারবি? নতুবা গেরুয়া পরে আর কী হল?

    দু-চারটে দিন শরীর ভাল থাকার পরেই আবার হঠাৎ হাঁপানির টান ওঠে। একটু হাঁটতেও কষ্ট হয়। বহুমূত্রের প্রকোপে একটা চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় গেছে। এই সময় চক্ষুকে বিশ্রাম দেওয়া উচিত, কিন্তু স্বামীজির পাঠের নেশা দিন দিন বাড়ছে। মঠের গ্রন্থাগারের জন্য এক সেট এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা কেনা হয়েছে, তাই তিনি পড়ে যাচ্ছেন খণ্ডের পর খণ্ড। শিষ্যদের নিয়ে যখন শাস্ত্র পড়াতে বসেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায়। ছাত্ররা অস্থির হয়ে উসখুস করে, শিক্ষকের হুঁশ নেই।

    উত্তর ও পশ্চিম ভারতের অনেকগুলি স্থান সফর করে জো ম্যাকলাউড ও ওকাকুরা ফিরে এসেছেন কলকাতায়। প্রায়ই মঠে আসেন দুজনে, ইংরিজি জ্ঞানের স্বল্পতার জন্য ওকাকুরা বিশেষ কথা বলেন না, জো ম্যাকলাউডই বাক্যালাপ চালান, এই জাপানি বন্ধুটি সম্পর্কে জো উচ্ছ্বসিত। প্রায় সমবয়েসী এই মানুষটিকে স্বামীজিরও ভাল লাগে, মঠে সকলের সঙ্গে সাধারণ আহার তিনি তৃপ্তি করে খান, কাছাকাছি জায়গাগুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন। একদিন তো এক কাণ্ডই হল। গঙ্গাবক্ষ দিয়ে সদলবলে বেলুড় মঠে আসছিলেন ওকাকুরা। হঠাৎ সেই নৌকো উল্টে গেল। খবর পেয়ে স্বামীজি হন্তদন্ত হয়ে ঘাটের দিকে দৌড়ে যেতে যেতে সবাইকে বললেন, ‘ওরে শিগগির দ্যাখ দ্যাখ ওকুরখুড়ো ডুবে গেল কি না, সাঁতার জানে কি না তাই বা কে জানে!’

    কিঞ্চিৎ হাবুডুবু খেয়ে ওকাকুরা বেঁচে গেলেন সে যাত্রা। তাঁর মুখমণ্ডলে অবশ্য আতঙ্কের লেশমাত্র নেই। আগের মতনই গম্ভীর, যেন কিছুই ঘটেনি। স্বামীজি তাঁর ভিজে পোশাক ছাড়িয়ে, নিজের একপ্রস্থ পোশাক পরিয়ে দিলেন।

    জাপানে আর যাওয়া হবে না, এ বিষয়ে স্বামীজি এখন মনস্থির করে ফেলেছেন। ওকাকুরা তবুও অনির্দিষ্টকাল ভারতে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। মাঝে মাঝে স্বামীজির খটকা লাগে, শুধু তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো কিংবা ভারতের শিল্প পুরাকীর্তিগুলি দর্শনই নয়, ওকাকুরার আরও যেন কিছু একটা উদ্দেশ্য আছে। সেটা তিনি খুলে বলেন না। ওকাকুরার জীবনযাত্রা ভোগী পুরুষদের মতন, দামি ইজিপশিয়ান সিগারেট খান অনবরত, স্বামীজিকেও খাওয়ান, স্বামীজির অনুরোধে একদিন হুঁকো টেনে দেখতে গিয়ে কাশতে কাশতে দম আটকে যাবার উপক্রম, সেটা তাঁর সহ্য হয়নি। স্বামীজি শুনেছেন, ওকাকুরার মদ্যপানের অভ্যেস আছে। জাপানে অবশ্য বৌদ্ধ মঠের সন্ন্যাসীরাও মদ্যপান করেন, সেখানে এটা কিছু দোষের মনে করা হয় না। ওকাকুরার সাজপোশাকও খুব দামি, সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে প্রিন্স ওকাকুরা, কিংবা কাউন্ট বা ব্যারনও বলে। এমন মানুষ বেলুড় মঠে এসে কী পাবেন, এখানে তো শুধু ত্যাগ। জো ম্যাকলাউডের উৎসাহের আতিশয্যই কি এখানে ঘন ঘন আসার কারণ?

    প্রায় পৌনে দু বছর বাদে দেশে ফিরে এলেন নিবেদিতা। ব্রিটানিতে স্বামীজির সঙ্গে তাঁর শেষ দেখা হয়েছে, তারপর নিবেদিতা ফিরে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে, স্বামীজি বেরিয়ে পড়েছিলেন ইউরোপ পরিভ্রমণে। এর মধ্যে নিবেদিতার মনজগতে যে বিপুল পরিবর্তন ঘটে গেছে, তার অল্পই আভাস পেয়েছেন স্বামীজি। এ নিবেদিতা আর স্বামী বিবেকানন্দর সেই ছায়া-অনুগামিনী নন। এখনও এই নিবেদিতা অবশ্যই স্বামীজির ভক্ত এবং শিষ্যা, কিন্তু আগে যিনি ছিলেন নিবেদিতার রাজা, যিনি ছিলেন প্রভু, এখন তিনি গুরু, এখন তিনি পিতার মতন।

    স্বামীজিকে এতদিন পর দেখে নিবেদিতার চক্ষে জল এসে গেল। যাঁর ছিল দেবদূর্লভ রূপ, তাঁর এ কী চেহারা! এক চক্ষু প্রায় কানা, পা দুটো ফোলা ফোলা, গায়ের চামড়া খসখসে হয়ে গেছে, শরীরের আকৃতি কেমন যেন বেটপ।

    স্বামীজি শিষ্যার অবস্থা দেখে কৌতুক করে বললেন, কী, আমাকে দৈত্যগুরু শুক্রাচার্যের মতন দেখাচ্ছে না?

    নিবেদিতা কিছু বলতে পারলেন না।

    স্বামীজি প্রসঙ্গ পাল্টাবার জন্য বললেন, আবার স্কুলটা চালু করো, কবে থেকে পড়াতে শুরু করবে?

    নিবেদিতা মৃদুস্বরে বললেন, সামনেই সরস্বতী পুজো। ভাবছি, স্কুলে সরস্বতী পুজো করে সবাইকে ডাকব।

    স্বামীজি বললেন, খুব ভাল, খুব ভাল, ধুমধাম করে পুজো লাগিয়ে দাও! জানো তো, আমরা গত বছর বেলুড় মঠে দুর্গাপূজা করেছি ঢাক ঢোল পিটিয়ে। এখন আর কেউ সহজে আমাদের ম্লেচ্ছ-ঘেঁষা বলতে পারবে না।

    কথা বলতে বলতে ওকাকুরা ও জো ম্যাকলাইভ এসে গেলেন। স্বামীজি ওকাকুরার সঙ্গে পরিচয় করে দিলেন নিবেদিতার। ওকাকুরা বিশেষ শিষ্টতার সঙ্গে মাথা ঝুঁকিয়ে নিবেদিতার একটি হাত গ্রহণ করে অভিবাদন জানালেন।

    নিবেদিতা মন্ত্রমুগ্ধের মতন তাকিয়ে রইলেন ওকাকুরার দিকে। যেন তিনি তাঁর স্বপ্নের পুরুষকে দেখছেন।

    নিবেদিতার সঙ্গে ওকাকুরার এই প্রথম সাক্ষাৎকার। তবু নিবেদিতার এমন ভাবাবিষ্ট অবস্থা দেখে কৌতূহলী হয়ে স্বামীজি জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার, তোমাদের আগে দেখা হয়েছে নাকি?

    নিবেদিতা বললেন, না। আগে দেখিনি, তবে ওঁর বিষয়ে আমি অনেক কিছু পড়েছি। জো আমাকে জাপান থেকে অনেক কাগজপত্র পাঠিয়েছে বিলেতে। ওঁর কর্ম পরিকল্পনা বিষয়ে আমি জানি।

    স্বামীজি অনুভব করলেন, তাঁর জানা ও নিবেদিতার জানার মধ্যে যেন অনেক তফাত।

    জো বলল, স্বামীজি, আমাদের ধীরামাতা, শ্রীমতী ওলি বুলও ফিরে এসেছেন, তিনি পরে আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসবেন। তিনি উঠেছেন আমেরিকান কনসুলেটে। সেখানে এই সপ্তাহের শেষে তিনি একটা পার্টিতে মাননীয় ওকাকুরার সঙ্গে কলকাতার বিশিষ্ট মানুষদের পরিচয় করিয়ে দিতে চান। অনেককে ডাকবেন। আপনাকে তিনি বিশেষ করে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

    স্বামীজি ধীরে ধীরে মাথা নেড়ে শুষ্ক কণ্ঠে বললেন, না, আমি আর কোথাও যাই না। যদি বা কখনও গঙ্গা পেরোই, তা হলে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাই। কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে আর আমার যেতে ইচ্ছে করে না।

    জো বলল, এটা তো ঠিক সামাজিক অনুষ্ঠান নয়। ভারত ও জাপানের মৈত্রী বন্ধনের জন্য, আপনি মধ্যমণি হয়ে থাকবেন।

    স্বামীজি বললেন, এ দেশে অনেক বড় বড় মানুষ আছেন, তাঁদের ডাকো। আমাকে বাদ দিলেও চলবে। আমি তো আর বেশিদিন নেই!

    জো বলল, আপনার মুখে এই কথা শুনতে চাই না।

    নিবেদিতা জো’র দিকে তাকালেন। স্বামীজি একবার না বললে তাঁকে আর রাজি করানো প্রায় অসম্ভব, তা তিনি জানেন। ওকাকুরা গঙ্গার দিকে চেয়ে সিগারেট টেনে যাচ্ছেন আপনমনে, যেন এ আলোচনায় তাঁর কোনও অংশ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }