Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ৬

    ছয়

    এইরূপে আরও দিন দুই-চার কাটিয়া গেল। নগরের একপ্রান্তে অতিথিশালা, সেযুগে বিত্তবান গৃহস্থদিগের অনুদানে এইসব অতিথিশালা চলিত, সেইরকমই এক অতিথিশালায় কমলনয়নের আশ্রয় মিলিয়াছে। মন নিতান্তই বিষণ্ণ, নগর ঘুরিয়া দেখিবার ইচ্ছাও আর নাই। প্রভাতবেলায় ইতস্ততঃ লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরিতে ঘুরিতে কমলনয়ন গঙ্গার এক ঘাটে আসিয়া উদাস মনে ঘাটপার্শ্বস্থ গোলাকার এক বুরুজের উপর বসিয়া পড়িল। প্রাতঃকাল। স্নিগ্ধ সমীরণ গঙ্গা হইতে উঠিয়া আসিয়া ঘাটের উপর দিয়া বহিয়া যাইতেছে। কতিপয় স্নানার্থী, স্নানার্থিনী গঙ্গাজলে অর্ধনিমজ্জিত হইয়া জপার্চনা, সূর্যবন্দনাদি করিতেছে। মৎস্যজীবীদের নাওগুলি অনুকূল পবন পাইয়া সুদূরে ভাসিয়া যাইতেছে। স্রোতের উপর সূর্যের দীপ্তি পড়িয়া উজ্জ্বল রজতচূর্ণের ন্যায় প্রতিভাত হইতেছে।

    কমলনয়নের দৃষ্টি এসব কিছুই গ্রহণ করিতেছিল না। তাহার মন শান্ত, উদাস হইয়া আছে। সে ভাবিতেছিল, অতঃপর কী করিবে। কী করা কর্তব্য। চন্দ্রদ্বীপে রাজদরবারে কবিযশোপ্রার্থী হইয়া গিয়াছিল, রাজা তাহার কাব্যপ্রতিভার সমাদর করিলেন না। তখন সে স্থির করিয়াছিল, গৃহত্যাগ করিয়া শ্রীগৌরাঙ্গের চরণাশ্রয়ী হইয়া ভক্তের জীবন কাটাইবে। কিন্তু হায়, বিধি বাম! মহাপ্রভুর সহিত তাহার দেখা হইল না। কতদূর হইতে হাঁটিয়া আসিল, সকল পথশ্রম বিফল হইল। এখন কি সে গৃহে ফিরিয়া যাইবে? পিতা বলিয়াছিলেন, ভালো না লাগিলে গৃহে ফিরিয়া যাইতে। তাহার মনে পড়িল, পিতা আরও বলিয়াছিলেন, কোনো মত অনুসরণ করিবার পূর্বে উহা ভালোমতো পরীক্ষা করিয়া লইতে; প্রথমে শিক্ষালাভ করিয়া কৃতবিদ্য হইয়া তৎপশ্চাৎ পরীক্ষাপূর্বক কোনো মত বা পথের শরণ লইতে। কিন্তু যাঁহাকে আশ্রয় করিয়া, যাঁহাকে জীবনের ধ্রুবলক্ষ্য স্থির করিয়া এইসব করিবে ভাবিয়াছিল, তিনিই যে অন্তর্হিত হইয়া গেলেন। এখন উপায়? গঙ্গার দিগন্তরেখার নিকট উড্ডীন একটি বিহঙ্গমের আলস্যমন্থর গতির দিকে শূন্যচোখে তাকাইয়া কমলনয়ন তাহার মনের এইসব চিন্তা ও উদ্‌বেগ লইয়া তোলাপাড়া করিতেছিল।

    সহসা মনুষ্যশব্দে কমলনয়ন ইত্যাকার চিন্তা হইতে ক্ষণতরে স্খলিত হইয়া পড়িল। একজন শীর্ণকায় দীর্ঘদেহী বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ স্নানান্তে ঘাটের সোপান বাহিয়া উঠিয়া আসিতেছেন। পরনে শান্তিপুরী ধুতি, নগ্ন বক্ষের উপর উপবীত সূত্র বিলম্বিত আছে, হস্তে ঘট ও গামছা। শিরোদেশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কেশগুচ্ছ, নাতিবৃহৎ শিখা, মস্তকের সম্মুখভাগ সামান্য কামানো। আর-এক স্থূলোদর গৌরবর্ণ ব্যক্তি বিপরীত দিক হইতে ঘাটে নামিতে নামিতে সামান্য পরিহাস করিয়া বলিতেছে, “ও কী, তর্কবাগীশ মহাশয়, আপনার ঘটটি শূন্য কেন? গঙ্গা হইতে জল সংগ্রহ করেন নাই? এই জোয়ারের সময়ে ভরা গঙ্গায় কি জলের অভাব হইল?”

    ব্রাহ্মণ উচ্চহাস্য করিয়া বলিলেন, “অরে মূর্খ! গঙ্গায় জলের অভাব হইয়াছে কি না তাহা বুঝিবার পূর্বে ‘অভাব’ বস্তুত কী পদার্থ, তাহাই তো বুঝিতে হইবে!”

    স্থূলোদর ব্যক্তি সম্ভবত ব্রাহ্মণের পূর্বপরিচিত, বয়স্যস্থানীয়। সে এই প্রকার গালি, ‘মূর্খ’ সম্বোধন গায়ে মাখিল না। হাসিয়া বলিল, “তা আপনাদিগের ‘ন্যায়শাস্ত্র’ আমিও কিঞ্চিৎ পড়িয়াছি। ‘অভাব’-কে যে আপনারা একটি স্বতন্ত্র পদার্থ বলিয়া স্বীকার করেন, তাহা আমি জানি…”

    ব্রাহ্মণ বলিলেন, “জানো? তবে কী জানো, তাহার পরীক্ষা দাও!”

    স্থূলোদর বলিল, “এই পথিমধ্যে ন্যায়শাস্ত্রের কী পরীক্ষা দিতে হইবে, বলুন।”

    ব্রাহ্মণ ঘাটের রানার উপর মাটির ঘটটি নামাইয়া রাখিলেন। ঠক্ করিয়া শব্দ হইল। জিজ্ঞাসা করিলেন, “এক্ষণে কী দেখিতেছ, বলো।”

    স্থূলোদর ব্যক্তিটি উত্তর দিল, “কী আবার? একটি ঘট!” ব্রাহ্মণ বলিলেন, “উত্তম। এই ঘটের আশ্রয় কী?”

    স্থূলোদর বলিল, “ঘটের আশ্রয় ভূতল! ভূতলে ঘট আছে।”

    “চমৎকার!” এই বলিয়া ব্রাহ্মণ মাটি হইতে ঘট তুলিয়া লইলেন। প্রশ্ন করিলেন, “এইবার কী দেখিতেছ?”

    “ভূতলে এখন আর ঘট নাই।”

    “ঘট নাই। বেশ। তবে ভূতলে এক্ষণে কী আছে?”

    স্থূলোদর ব্যক্তি বলিল, “ঘট নাই। কিন্তু ভূতলে ঘটের অভাব আছে। ঘটাভাব আছে।”

    ব্রাহ্মণ পণ্ডিত এইবার চক্ষু ঈষৎ কুঞ্চিত করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “তুমি অভাবের ‘অনুযোগী’, ‘প্রতিযোগী’ কাহাকে বলে জানো?”

    স্থূল ব্যক্তি সহাস্যে বলিল, “তর্কবাগীশ মহাশয়! নবদ্বীপ এখন নব্য ন্যায়শাস্ত্রের তীর্থ। আপনাদিগের ন্যায়ের পরিভাষা আমরা সাধারণ নাগরিকগণও শুনিয়া শুনিয়া অভ্যস্ত হইয়া গিয়াছি। ইহা কি আর একটা নূতন কথা? অভাব যে-আধারে থাকে, সেই আধারকে ওই অভাবের ‘অনুযোগী’ বলা হয়। এক্ষণে ভূতলে ঘটের অভাব আছে। অতএব, ভূতল হইল ঘটাভাবের আধার বা ‘অনুযোগী’। আর যে-বস্তুটির অভাব, সেই বস্তুটিকে অভাবের ‘প্রতিযোগী’ বলা হয়। ভূতলে ঘটের অভাব। সুতরাং, ঘট হইল ঘটাভাবের ‘প্রতিযোগী’। কেমন কি না?”

    ব্রাহ্মণ চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া বলিলেন, “বাহ। তবে তোমাকে যত মূৰ্খ ভাবিয়াছিলাম, তত মূর্খ তুমি নও! ন্যায়শাস্ত্রের পরিভাষা তুমি জানো।”

    স্থূলোদর বলিল, “এসকল তো প্রাথমিক কথা। কিন্তু গতকাল এই ঘাটে দুইজন পণ্ডিত এক বিষয় লইয়া তর্ক করিতেছিলেন। তাহা শুনিতেছিলাম, কিন্তু ভালো বুঝিতে পারি নাই।”

    ব্রাহ্মণ পণ্ডিত সাগ্রহে বলিলেন, “কী লইয়া তর্ক হইতেছিল?”

    স্থূল ব্যক্তি বলিল, “শুনিয়া যাহা বুঝিলাম, আপনাদিগের ন্যায়শাস্ত্রের একটি প্রাচীন মত ও আর-একটি নব্য মত আছে। নানা বিষয়ে উভয় মতে ভিন্নতা আছে। তাহারই ভিতর ‘অন্যোন্যাভাব’ না কী একটি বিষয় লইয়া উভয় পণ্ডিতের ভিতর প্রচুর তর্ক হইতেছিল। অন্যোন্যাভাবের প্রতিযোগী কোনটি এই লইয়া সে কী বিতর্ক!”

    কিশোর কমলনয়ন উৎকর্ণ হইয়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিত ও স্থূলোদর ব্যক্তির কথোপকথন শুনিতেছিল। সে পিতার নিকট ন্যায়শাস্ত্র কিছু কিছু পড়িয়াছে। এক্ষণে স্থূল ব্যক্তির কথার উত্তরে ব্রাহ্মণ কী বলেন, শুনিবার জন্য ব্যগ্র হইয়া উঠিল।

    ব্রাহ্মণ চক্ষু মুদিয়া কম্পিত কণ্ঠে সুর করিয়া গাহিয়া উঠিলেন, “রাই ধৈরজং, রহু ধৈরজং…” তাহার পর শান্ত স্বাভাবিক স্বরে কহিলেন, “অত দ্রুত অগ্রসর হইলে কি কোনো বিষয় উত্তমরূপে অনুধাবন করা যায়? প্রথমে জানিতে হইবে, অভাব— দুই প্রকার। এক, সংসর্গাভাব। দুই, অন্যোন্যাভাব। প্রথমটি অর্থাৎ সংসর্গাভাব আবার তিন প্রকার। প্রাগভাব, ধ্বংসাভাব ও অত্যন্তাভাব।”

    স্থূল ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল, “সে কীরূপ?”

    ব্রাহ্মণ মাটির ঘটটিকে ঊর্ধ্বে তুলিয়া ধরিয়া বলিলেন, “এই ঘটটি সৃষ্টি হইবার পূর্বে কী ছিল?”

    “মাটির খাপরা বা কপাল!”

    “ঠিক। কিন্তু ঘট নির্মিত হইবার পূর্বে তো আর ওই মাটির খাপরায় ঘটের অস্তিত্ব ছিল না। ঘট নির্মাণের পূর্বে মাটির খাপরায় যে-ঘটাভাব ছিল, তাহাকে ঘটের প্রাগভাব কহে। আর ঘট ভাঙিয়া গেলে সেই মাটির খাপরাই তো পড়িয়া থাকিবে। ঘট ধ্বংস হইলে মাটির খাপরায় আর ঘটের অস্তিত্ব থাকিবে না। তখন, অর্থাৎ ঘট ভাঙিবার পর মাটির খাপরায় ঘটের যে-অভাব হইবে, তাহাকে ঘটের ধ্বংসাভাব বলে।”

    “বুঝিলাম। আর অত্যন্তাভাব?”

    “কোনো একটি বস্তুতে অন্য একটি বস্তুর যদি চিরকালীন অভাব দেখা যায়,

    তবে ওই প্রকারের অভাবকে অত্যন্তাভাব বলে। যেমন বায়ুতে কোনো রূপ বা আকার নাই। কোনোকালেও ছিল না। কোনোদিনও থাকিবে না। অতএব, বায়ুতে রূপের অত্যন্তাভাব আছে।”

    স্থূল ব্যক্তি বলিল, “এই তো গেল সংসর্গাভাবের তিনটি বিভাগ। এখন অন্যোন্যাভাব কী বস্তু?”

    ব্রাহ্মণ বলিলেন, “বলিতেছি। মন দিয়া শুন। ‘অন্যোন্য’ শব্দের অর্থ হইল পরস্পর। দুটি বস্তুর পারস্পরিক ভেদকে ‘অন্যোন্যাভাব’ বলে। একটি অন্যটি হইতে ভিন্ন। যেমন গোরু অশ্ব নহে; অশ্বও গোরু নহে। এস্থলে গোরুতে অশ্ব নিষেধ করা হইতেছে। পুনরায় অশ্বেও গোরু নিষেধ করা হইতেছে। গোরু এবং অশ্ব–পরস্পর পরস্পরকে নিষেধ করিতেছে। ‘গোরু অশ্ব নহে’– এই বাক্যে অনুযোগী হইল গোরু, আর প্রতিযোগী হইল অশ্ব। কারণ, গোরুর সহিত অশ্বের ভেদ বলা হইতেছে। আবার অশ্ব গোরু নহে’—এই বাক্যে অনুযোগী হইল অশ্ব, আর প্রতিযোগী হইল গোরু। কারণ, পরের বাক্যটির দ্বারা অশ্বের সহিত গোরুর ভেদ বলা হইতেছে। ইহাই নব্য ন্যায় মত। এই মত অনুসারে, যে-বস্তুর নিষেধ করা হইতেছে, সেই বস্তুই হইল অন্যোন্যাভাবের প্রতিযোগী।”

    “আর প্রাচীন মত?”

    স্থূলোদর ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে ব্রাহ্মণ চলিতে চলিতে বলিলেন, “প্রাচীন মত অনুযায়ী, ‘গোরু অশ্ব নহে’- এই বাক্যের দ্বারা যাহা নিষেধ করা হইতেছে, তাহা হইল গোরুর সহিত অশ্বের তাদাত্ম্য বা অভেদ কিংবা একাত্মতা। গোরুর সহিত অশ্ব অভিন্ন— এইরূপ চিন্তাকেই নিষেধ করা হইতেছে। অতএব, প্রাচীন মতে অন্যোন্যাভাবের প্রতিযোগী হইল অশ্ব-তাদাত্ম্য বা গোরুর সহিত অশ্বের একাত্মতা। বুঝিলে, বাপু?”

    স্থূল ব্যক্তি বলিল, “বুঝিলাম। আপনি আমার নমস্কার গ্রহণ করুন,” এই বলিয়া সে-ব্যক্তি দ্রুতপদে স্নানার্থে অগ্রসর হইল। ব্রাহ্মণ আপন মনে ঈষৎ হাসিয়া পথ চলিতে লাগিলেন।

    এত কঠিন বিষয়ের এমন সরল ব্যাখ্যা শুনিয়া কমলনয়ন মুগ্ধ হইয়া গেল। শীর্ণকায় ব্রাহ্মণ পণ্ডিতের এইরূপ শাস্ত্রমগ্নতা, দৃষ্টান্ত সহকারে তাঁহার এইরূপ বুঝাইবার প্রণালী কমলনয়নের চিত্তকে প্রবলভাবে আকর্ষণ করিতে লাগিল। স্থূলোদর ব্যক্তি কখন স্নান সারিয়া উঠিয়া আসে, তাহারই জন্য সে অপেক্ষা করিতেছিল। স্নানান্তে স্থূলোদর ব্যক্তি গৃহগমনে উদ্যত হইলে কমলনয়ন তাহার নিকটে সরিয়া আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “মহাশয়। সামান্যক্ষণ পূর্বে যে-ব্রাহ্মণের সহিত আপনার কথা হইতেছিল, উহার পরিচয় কী?”

    স্থূল ব্যক্তি অবাক হইয়া বলিল, “তুমি কি নবদ্বীপে নবাগত? উহাকে চিনে না,

    এরূপ ব্যক্তি অত্রদেশে বিরল। উনি মথুরানাথ তর্কবাগীশ। নব্যন্যায়শাস্ত্রে ইঁহার দক্ষতা প্রবাদপ্রতিম। অবশ্য কৃষ্ণদাস সার্বভৌম, ভবানন্দ সিদ্ধান্তবাগীশ, জগদীশ তর্কালংকার ও গদাধর ভট্টাচার্যও প্রসিদ্ধ নৈয়ায়িক। কিন্তু মথুরানাথ তাঁহাদিগের মধ্যে অগ্রগণ্য। তুমি এখানে কী উদ্দেশে আসিয়াছ?”

    কমলনয়ন নিঃশ্বাস ফেলিয়া কহিল, “আমি—আমি একজন বিদ্যার্থী। ন্যায়শাস্ত্র শিক্ষা করিতে চাই। আচ্ছা, ইনি কি আমাকে অন্ত্যেবাসীরূপে গ্রহণ করিবেন?”

    ব্যক্তি কহিল, “চেষ্টা করিয়া দেখিতে পারো। এই পথ ধরিয়া উত্তরাভিমুখে গমন করিলে এক বৃহৎ অশ্বত্থ বৃক্ষের নিম্নে মথুরানাথ তর্কবাগীশের বিদ্যাশ্রম পাইবে। বহু দেশ হইতে নানা বয়সের বিদ্যার্থিবৃন্দ মথুরানাথের চতুষ্পাঠী বা টোলে অধ্যয়ন করিতে আসে। সেস্থলে গমন করিয়া তুমিও তোমার পরিচয় দিতে পারো। তর্কবাগীশ মহাশয় প্রীত হইলে তাঁহার টোলে তুমিও স্থান পাইবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Next Article মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }