Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২০

    কুড়ি

    “পুরাকালে শত শত যোজনব্যাপী এক সমৃদ্ধিশালী রাজ্য ছিল। এই রাজ্যের রাজার নাম ছিল পদ্ম। তাহার এক অত্যন্ত সুন্দরী ও বহু সদগুণে বিভূষিতা রানি ছিলেন। রানির নাম ছিল লীলা।

    পদ্ম ও লীলা পরস্পর পরস্পরের প্রতি গভীর প্রণয়পাশে আবদ্ধ ছিলেন। একজন আর-একজনকে এক মুহূর্তও ছাড়িয়া থাকিতে পারিতেন না। একদিন লীলার মনে হইল, এ জগতে সকলই নশ্বর; সকলই মরণশীল। তাহা হইলে রাজা পদ্ম—তিনিও তো একদিন-না-একদিন মৃত্যুমুখে পতিত হইবেন। ইহার তো ব্যতিক্রম নাই। তখন প্রাণপ্রিয় স্বামীর মৃত্যু হইলে, স্বামীবিহনে তিনি কীরূপে প্রাণ ধারণ করিয়া থাকিবেন, এই চিন্তায় লীলা আকুল হইয়া উঠিলেন।

    এই মানসিক সমস্যার কথা রাজ্ঞী লীলা রাজসভার সভাসদ ও পুরোহিতবর্গের নিকট নিবেদন করিলেন। সকলেই বলিলেন, মৃত্যু অবধারিত। মরণের হাত হইতে কাহারও নিস্তার নাই। রাজাও মরিবে, ভিক্ষুকও মরিবে। সাধুও মরিবে, তস্করও মরিবে। জগতের ইহাই অমোঘ নিয়ম। অতএব, ইহা লইয়া আক্ষেপ করা বৃথা।

    সভাসদদিগের এবংবিধ বচনে রাজমহিষী কোনো সান্ত্বনা পাইলেন না। তিনি দীর্ঘকাল ধরিয়া কাঁদিয়া কাটিয়া, বহু তপশ্চর্যা করিয়া দেবী সরস্বতীর আরাধনা করিতে লাগিলেন। সরস্বতী জ্ঞানের দেবী। মৃত্যু-অতিক্রমী জ্ঞান তাঁহার নিকটেই পাওয়া সম্ভব। অবশেষে দেবী একদিন প্রসন্না হইলেন। লীলার সম্মুখে আবির্ভূত হইয়া সরস্বতী জিজ্ঞাসা করিলেন, পুত্রী! কাঁদিতেছ কেন?

    লীলা কাঁদিতে কাঁদিতে তাঁহার মনোবেদনা নিবেদন করিলেন। উত্তরে সরস্বতী বলিলেন, পদ্মর মৃত্যু হইলে ফুল-মালা-চন্দন-বস্ত্রে পদ্মর মৃতদেহ এই কক্ষে ঢাকিয়া রাখিবে। তাহা হইলে পদ্মর জীবাত্মা এ গৃহের আকাশ হইতে বাহিরে যাইতে পারিবে না।

    যথাকালে পদ্মর মৃত্যু হইল। দেবীর নির্দেশ অনুসারে লীলা পদ্মর মরদেহ পুষ্প- চন্দন-মাল্য-বস্ত্রে বিভূষিত করিয়া রাখিয়া দিল। কিন্তু তাহার পর লীলার মনে অন্যপ্রকার চিন্তা উঠিতে লাগিল। দেবী সরস্বতীর প্রতিশ্রুতিমতো স্বামীর জীবাত্মা এ গৃহাকাশ ছাড়িয়া যায় নাই—না হয় বুঝিলাম, কিন্তু স্বামীকে তো এখন আর দেখা যাইতেছে না। জীবাত্মা তো নিরবয়ব। তাহাকে চর্মচক্ষে দেখা যায় না!

    স্বামীর অদর্শনে তাপিতা লীলা পুনরায় শোকোচ্ছ্বাস প্রকাশ করিতে লাগিলেন। তাঁহার ক্রন্দনে বিচলিতা হইয়া দেবী সরস্বতী পুনরায় লীলার সম্মুখে আবির্ভূত হইলেন। কহিলেন, বৎসে, পুনর্বার কাঁদিতেছে কেন?

    লীলা কহিলেন, আমি আমার স্বামীর নিকটে যাইব। তাঁহাকে দর্শন করিব।

    দেবী বলিলেন, আইস। এই বলিয়া তিনি লীলার শিরোদেশে করস্পর্শ করিয়া তাঁহাকে এক অন্য ভুবনে লইয়া গেলেন। লীলা দেখিলেন, দেবী সরস্বতীর সহিত তিনি এক অন্য রাজ্যে প্রবেশ করিয়াছেন। সে-রাজ্যে এক রাজসভামধ্যে সভাসদ পরিবৃত হইয়া তাঁহার স্বামীরই ন্যায় অবিকল আকৃতিযুক্ত এক বৃদ্ধ রাজা রাজত্ব করিতেছেন।

    লীলা কহিলেন, এ কোথায় আসিয়া পড়িয়াছি?

    দেবী বলিলেন, এও তোমার স্বামীরই রাজ্য। তোমার স্বামী পদ্ম মৃত্যুর পর এই রাজা হইয়া জন্মিয়াছেন। এখন তাহার নাম রাজা বিদুরথ।

    লীলা বলিলেন, সে কী! ইহা কীরূপে হইতে পারে? আমার স্বামী তো গতকাল মাত্র মৃত্যুমুখে পতিত হইয়াছেন। আর এই রাজার বয়স তো প্রায় বাহাত্তর হইবে। তাহা হইলে কী করিয়া গতকাল মাত্র আমার স্বামীর মৃত্যু হইল, আর তাহার পর তিনি পুনর্জাত হইয়া আবার বাহাত্তর বৎসর অতিবাহিত করিয়া বৃদ্ধ হইয়া রাজত্ব করিতেছেন? তাঁহার যে গতকাল মাত্র মৃত্যু হইয়াছে! ইহা কীরূপে হইতে পারে?

    দেবী সরস্বতী বলিলেন, পুত্রী! তোমাদের লোকে যাহা এক দিন, এই ভুবনে তাহাই বাহাত্তর বৎসর। সময় একটি আপেক্ষিক ধারণা মাত্র। উহার কোনো স্থির পরিমাপ নাই। চলো, তোমাকে আর-এক স্থানে লইয়া যাইব।

    সরস্বতী লীলার হাত ধরিলেন। শূন্যপথে পায়ের নীচে কত বিচিত্র ব্রহ্মাণ্ড সরিয়া যাইতে লাগিল। তাহার পর বিচিত্র বিশ্বরাজি পরিভ্রমণ করিয়া তাঁহারা এক গ্রামদেশে এক দরিদ্রের কুটিরে প্রবেশ করিলেন। সেখানে দেখিলেন, কাহারা যেন মৃত এক ব্রাহ্মণদম্পতির নিমিত্ত ক্রন্দন করিতেছে।

    লীলা প্রশ্ন করিলেন, ইহারা কারা?

    সরস্বতী বলিলেন, এখানে এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণদম্পতি বাস করিতেন। ক্রন্দনকারী ব্যক্তিবর্গ তাঁহাদেরই পুত্রকন্যা। ব্রাহ্মণের নাম ছিল বশিষ্ঠ। আট দিন হইল, তাহাদের মৃত্যু হইয়াছে। তপোনিষ্ঠ এই দরিদ্র ব্রাহ্মণদম্পতি বৃদ্ধ বয়সে এক সমারোহের ভিতর এক রাজা ও রানিকে দর্শন করিয়াছিলেন। ইহাতে তাঁহাদের মনে হয়, আহা! আমরাও যদি রাজা-রানি হইতাম, তবে এইরূপ সমৃদ্ধি উপভোগ করিতে পারিতাম। মৃত্যুকালে এই বাসনা থাকায় আট দিন পূর্বে তাঁহাদের প্রাণবিয়োগ হইলে তাঁহারা রাজা ও রানিরূপে অন্য লোকে জন্ম লইয়াছেন। সেই রাজাই তোমার স্বামী পদ্ম এবং রানি তুমি—লীলা। অর্থাৎ রাজা পদ্ম পূর্বজন্মে এই ব্রাহ্মণ বশিষ্ঠ এবং তুমি পূর্বজন্মে তদীয়া ব্রাহ্মণী ছিলে।

    লীলা উত্তেজিত হইয়া বলিলেন, ইহা তো আরও অসম্ভব! আট দিন পূর্বে আমরা বৃদ্ধ ব্রাহ্মণদম্পতি ছিলাম। আট দিন পূর্বে মরিয়া যাই। তাহার পর আট দিনের মধ্যে জন্মিয়া রাজারানি হইয়া এত দীর্ঘকাল, তা প্রায় পঞ্চাশ বৎসর হইবে, রাজ্যভোগ করিতেছি?

    সরস্বতী বলিলেন, মায়ার রাজত্বে অসম্ভব বলিয়া বড়ো একটা কিছু নাই। ইহাই ঘটিয়াছে। আট দিন পূর্বে ব্রাহ্মণদম্পতি ছিলে। আট দিন পূর্বে মরিয়া পঞ্চাশ বৎসর রাজারানি হইয়া রাজ্যোপভোগ করিয়াছ এবং গতকাল রাজা পদ্ম মৃত্যুবরণ করিয়াছে। আবার গতকালই তাহার পুনর্জন্ম হইয়া রাজা বিদুরথরূপে বাহাত্তর বৎসর বাঁচিয়া থাকিয়া আজকেই সে রাজ্যশাসন করিতেছে। সমান্তরাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এইরূপেই সময়ের ব্যভিচার ঘটিয়া থাকে। শুধু কি তাহাই? তোমার স্বামী পদ্মর সমগ্র রাজ্য এই ব্রাহ্মণের গৃহাকাশের ভিতর নিহিত আছে। আবার রাজা পদ্মর মৃতদেহ যে-গৃহে পড়িয়া আছে, তাহারই গৃহাকাশের ভিতর রাজা বিদুরথের সমগ্র সাম্রাজ্য নিহিত হইয়া আছে।

    লীলা বিস্মিত হইয়া বলিল, ওহ্, কী আশ্চর্য! এই সংকীর্ণ গৃহাকাশ অতি ক্ষুদ্র, আর সেই সাম্রাজ্য কত বৃহৎ! এত ক্ষুদ্র পরিসরের ভিতর অত বিশাল সাম্রাজ্য কেমন করিয়া ঢুকিয়া থাকিবে? সরস্বতী বলিলেন, ‘কেমন করিয়া বলিয়া কোনো কথা নাই। কালের যেমন ব্যভিচার হয়, স্থানেরও সেইরূপ ব্যভিচার ঘটিয়া থাকে। মায়ায় সকলই সম্ভব।

    লীলা বিহ্বল হইয়া বলিলেন, তাহা হইলে আমার স্বামী এখন কোথায়?

    সরস্বতী লীলাকে পুনরায় বিদুরথ রাজার রাজত্বে লইয়া আসিলেন। তাঁহারা দেখিলেন, ইতোমধ্যে সেই রাজ্য এক প্রতিবেশী রাজার দ্বারা আক্রান্ত হইয়াছে। ভয়ানক যুদ্ধ চলিতেছে। এ অবস্থায় দেবী সরস্বতী বিদূরথ রাজার সম্মুখে আবির্ভূত হইয়া তাঁহার বিগত দুই জন্মের পূর্বস্মৃতি জাগরিত করিলেন এবং বলিলেন, রাজা বিদুরথ! এই যুদ্ধে তোমার মৃত্যু হইবে এবং মৃত্যুর পর তুমি অন্য লোকে রাজা পদ্মর মৃতদেহের ভিতর প্রবেশ করিয়া জাগিয়া উঠিবে। এ লোকে তোমার মৃত্যু না হইলে সেই অন্য লোকে তুমি রাজা হইতে পারিবে না।

    সত্যই যুদ্ধে রাজা বিদূরথ নিহত হইলেন। তখন বিদূরথ রাজার মৃতদেহের উপর লুটাইয়া পড়িয়া বিদূরথের রানি শোক করিতেছিলেন।

    লীলা সেই বিদুরথ রাজার শোকাবিষ্টা রানিকে জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কে? কাঁদিতেছ কেন?

    শোকার্তা রানি বলিল, আমার নাম লীলা! আমি বিদুরথ রাজার স্ত্রী।

    লীলা অবাক হইয়া বলিলেন, তোমার নামও লীলা? কী আশ্চর্য! তোমার আকৃতি যে সর্বাংশে আমার অনুরূপ!!

    সরস্বতী এই দ্বিতীয় লীলাকে প্রবোধ দিয়া বলিলেন, পুত্রী! শোক করিও না। তোমার স্বামী বিদূরথ মৃত্যুর পর যে-লোকে যাইবে, আমি তোমাকে সেই লোকেই লইয়া যাইতেছি।

    তখন দেবী সরস্বতী দুই লীলাকে লইয়া সেইখানে প্রবেশ করিলেন, যেখানে এক গৃহমধ্যে রাজা পদ্মর মৃতদেহ রাখা ছিল।

    সরস্বতীর কৃপায় বিদুরথের জীবাত্মা পদ্মর মৃতদেহে প্রবেশ করিল এবং রাজা পদ্ম চোখ রগড়াইয়া শয্যার উপর উঠিয়া বসিলেন। তিনি তো অবাক! সম্মুখে দুই একান্ত সদৃশ লীলা এবং এক দেবী বিরাজমানা!

    সরস্বতী রাজাকে সকল কথা পূর্বে জ্ঞাপন করিয়া পরিশেষে বলিলেন, পদ্ম। এক্ষণে দুই স্ত্রী লইয়া সুখে রাজ্যোপভোগ করো। কিন্তু যাহা বলিলাম, তাহা কখনও ভুলিও না। মায়ারচিত এ বিশ্বের নানা ভুবনে স্থান-কাল-পাত্রের কোনো সুস্থির হিসাব নাই। জন্ম, মৃত্যু, জীবনেরও কোনো স্থিরতা নাই। এ মরিতেছে, তো সে বাঁচিতেছে। এখানে মরিয়া পড়িয়া রহিল, তো অন্যত্র বহু যুগ ধরিয়া রাজ্যভোগ করিতেছে।

    পদ্ম জোড়হাতে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিন্তু এই অস্থির প্রপঞ্চের অতীত কোনো সত্য কি নাই?

    সরস্বতী সানন্দে হাসিয়া বলিলেন, আছে। এই এলোমেলো বহুবিচিত্র অস্থিরতার পশ্চাতে এক স্থির পটভূমিকা আছে। উহাই পরম সম্বিৎ। এই সম্বিতই হইল আত্মা বা ব্রহ্ম। চিত্রকর যেমন স্থির একখানি শুভ্র বস্ত্রের উপর বহুবর্ণরঞ্জিত চিত্র আঁকিয়া থাকে, মায়াও তেমনই সেই এক শুদ্ধ সম্বিতের উপর এই সব স্থান-কাল-পাত্রের প্রহেলিকা আঁকিয়া চলিতেছে।

    এই বলিয়া দেবী সরস্বতী অন্তর্হিতা হইলেন।

    বহু বৎসর দুই স্ত্রী লইয়া রাজা পদ্ম সুখে রাজ্যভোগ করিলেন এবং অন্তিমে পদ্ম ও প্রথম লীলা জ্ঞানসহায়ে নির্বাণ লাভ করিলেন। তাঁহাদের আর জন্ম-মৃত্যু হইল না। গৃহাকাশ মহাকাশে মিলাইয়া গেল।”

    .

    এই বলিয়া যোগিনী হিরণ্যবর্ণা তাঁহার কাহিনি সমাপ্ত করিলেন। পদ্মাক্ষ, হৈমবতী মুগ্ধ হইয়া শুনিতেছিল। বাহিরে এখনও বৃষ্টি পড়িতেছে। আর গুহার ভিতরে স্তিমিতপ্রায় প্রদীপটি তাহার অনতিস্পষ্ট আলোকে অন্ধকারকে যেন আরও ঘনীভূত করিয়া তুলিয়াছে। পদ্মাক্ষ ভাবিতেছিল, এ কেমন স্থান-কাল-পাত্রের হিসাব ওলটপালট করিয়া দেওয়া কাহিনি!

    পুরোবর্তী ঘটটি দুই হাতে ধরিয়া যোগিনী কী যেন পান করিলেন। তাহার পর বস্তুপ্রান্তে মুখ মুছিয়া বলিলেন, “শুনিলি তো? এখন-তখন, আগে-পরে, অত্র-অন্যত্র ইত্যাকার বিবেচনা মনের একটা রোগ। মন দ্রুতগামী ও নিরাসক্ত হইলে এই সব স্থানকালের হিসাব খসিয়া পড়ে। তখন এক স্থান হইতে অন্য স্থানে, এক লোক হইতে অন্য লোকে, এক সময় হইতে অন্য সময়ে চলিয়া যাওয়া সম্ভব হয়। পাত্রও পালটাইয়া যায়। এই দেখিতেছিস একজন, পরমুহূর্তে দেখিবি অন্য কেহ।”

    হৈমবতী যোগিনীকে সাষ্টাঙ্গ প্রমাণ করিয়া কহিল, “মা! অনেক রাত্রি হইয়াছে। এখন বিদায় লইব। আপনি আমার স্বামীকে প্রাণ ভরিয়া আশীর্বাদ করুন, ইনি যেন কবিত্বশক্তিতে অতুলনীয় হইয়া উঠেন। আমাদের প্রেম যেন অবিচল হইয়া থাকে, আর আমাদের পুত্র যেন মানুষের মতো মানুষ হইতে পারে।”

    পদ্মাক্ষও সাষ্টাঙ্গে যোগিনীকে প্রণাম করিল। যোগিনী দক্ষিণ কর উত্তোলন করিয়া সস্মিত বয়ানে পদ্মাক্ষ-হৈমবতীকে আশীর্বাদ করিলেন।

    হৈমর হাত ধরিয়া পদ্মাক্ষ গুহা হইতে বাহির হইয়া আসিতে লাগিল। সহসা কী মনে হইল, একবার শেষবারের মতো যোগিনীকে দেখিবার আগ্রহে গ্রীবা ফিরাইল। অবাক হইয়া দেখিল, সেই দেবীমূর্তি, সেই যোগিনী সকলই ভোজবাজির মতো অন্তর্হিত হইয়া গিয়াছে। পদ্মাক্ষ সবিস্ময়ে কহিল, “হৈম, দেখ, দেখ!”

    হৈমবতীও ফিরিয়া দেখিল… সেই দেবী নাই, যোগিনীও নাই, তৎস্থলে গুহার ভিতর স্বচ্ছ নীরে পরিপূর্ণ একটি হ্রদ। জলের উপর নীল কুমুদ ফুটিয়া আছে, আর তাহারই পাশে পাশে ধীরচ্ছন্দে সম্ভরণ করিতেছে এক শুভ্র রাজহংস!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }