Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ১২

    বারো

    পুনর্বার যাত্রা আরম্ভ হইল। একদিন এক কিশোর বিক্রমণিপুরের উনসিয়া হইতে নবদ্বীপের পথে যাত্রা করিয়াছিল। আর আজ সেই কিশোর যৌবনে পদার্পণ করিয়া নবদ্বীপ হইতে কাশী যাত্রা করিতেছে। তবে এখন আর তাহার পথ অজ্ঞাত নহে, এ পথে যাহারা অভিজ্ঞ তাহাদের নিকট হইতে কমলনয়ন কাশীর পথের বিবরণ সমস্ত জানিয়া লইয়াছে। দিল্লীর পাঠানরাজ শেরশাহ নির্মিত শাহি সড়ক ধরিয়া যাইতে হইবে। সাম্প্রতিক কালে এই পথকেই আমরা গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড নামে চিহ্নিত করিয়া থাকি।

    পথ দীর্ঘ, বেশ কয়েক মাস ধরিয়া এই পথ অতিক্রম করিলে তবে কাশীতে উপনীত হওয়া যাইবে। পথিমধ্যে পথিকাশ্রয় অতিথিশালা সমূহ আছে। সমস্ত দিন চলিয়া ওইসকল অতিথিশালায় রাত্রিযাপন করিতে হইবে। কমলনয়ন এই সুদীর্ঘ পন্থায় অক্লান্ত চরণে চলিতে লাগিল। পথে কত শূন্য মাঠ, কত নদী, কত কান্তার পড়িল। কত অতীত যুগের রাষ্ট্রবিপ্লবের চিহ্ন দেখা গেল। কত মানুষের সঙ্গে পরিচয় হইল। বাধা-বিপত্তি আসিল। সেসকল তুচ্ছ করিয়া কমলনয়ন নির্ভয়ে চলিয়াছে। তাহার একমাত্র লক্ষ্য কাশী বারাণসী। সেই পুণ্যভূমিতে উপনীত হইতে হইবে। সেখানে রামতীর্থের নিকট হইতে অদ্বৈত বেদান্তের রহস্য অধিগত করিতে হইবে। ওই মতের ভ্রান্তি আবিষ্কার করিয়া তীক্ষ্ণ যুক্তির ধারে অদ্বৈতমত কাটিয়া ফেলিতে হইবে। যে-মত ভক্তি-উপাসনার বিরোধিতা করিয়াছে বলিয়া শুনা যায়, যাহা শ্রীমন্মহাপ্রভুর ভক্তদিগের দ্বারা প্রচারিত ভক্তিবাদেরও বিপক্ষতা করিয়াছে, তাহা শতভাবে খণ্ডনীয়। কিন্তু খণ্ডন করিবার পূর্বে সেই মত সম্যকরূপে জানা প্রয়োজন। ভাবিতে ভাবিতে কমলনয়নের দৃঢ় অধরোষ্ঠ কঠোর প্রতিজ্ঞায় দৃঢ়তর হইয়া উঠিতেছিল। চলিতে চলিতে যখন পথশ্রমে মুখমণ্ডল ঘর্মাক্ত হইয়া উঠিত, উড়ানির প্রান্ত দিয়া শ্রান্ত সেই মুখ মুছিয়া লইয়া কঠোরতর সংকল্পে বুক বাঁধিয়া কমলনয়ন পথ চলিতে লাগিল। নিতান্ত ক্লান্ত হইলে কোনো বৃক্ষতলে বসিয়া সে হয়তো ক্লান্তি জুড়াইত, তাহার পর পুনর্বার নবোদ্যমে উঠিয়া দাঁড়াইয়া যাত্রা আরম্ভ করিত।

    এই যে সে যখন কাশীর পথে যাইতেছে, তখনই কোনো এক দিন হয়তো নবদ্বীপের গঙ্গার ঘাটে একটি নৌকা আসিয়া লাগিবে। নাও হইতে নামিয়া আসিবে রাজীবলোচন, যে আসলে কমলনয়নের ফেলিয়া-আসা জীবনের আরও একটি বিকল্প সম্ভাবনা। যদি কমলনয়ন মহাপ্রভুর দেখা পাইত, যদি তিনি তাহাকে চরণাশ্রয় দিতেন, তাহা হইলে কমলনয়নের জীবন যে-খাতে বহিত, রাজীবলোচন তাহাই। সে হয়তো পুরী হইতে নবদ্বীপে আসিবে। ঘাটে নামিয়া নবদ্বীপের পণ্যবীথিকার ভিতর দিয়া যাইতে যাইতে হয়তো রাজীবলোচনের সহিত পদ্মাক্ষর দেখা হইবে। পদ্মাক্ষ রাজীবলোচনকে কমলনয়ন বলিয়া ভুল করিবে। পদ্মাক্ষ বলিবে, “কী আশ্চর্য! মস্তক মুণ্ডন করিলে কেন? গলায় তুলসীকাষ্ঠের মালা পরিয়াছ, বেশ মানাইয়াছে কিন্তু!… সেই যে বিষ্ণু দামোদরের মন্দিরে দেখা হইল, তাহার পর আর দেখা হইল না। তুমি কি নগরের দিকে আস না?”

    রাজীবলোচন বিস্ময়াহত হইয়া কহিবে, “আপনার কোথাও ভুল হইতেছে, মহাশয়! আপনার সহিত আমার কুত্রাপি দেখা হয় নাই। আমার নাম রাজীবলোচন। সম্প্রতি শ্রীক্ষেত্র পুরী হইতে আসিতেছি।” তাহার পর পদ্মাক্ষর সহিত তাহার নিজের অবিকল সৌসাদৃশ্য আবিষ্কার করিয়া রাজীবলোচনও বিস্ময়ে অভিভূত হইয়া যাইবে।

    পদ্মাক্ষর ভুল ভাঙিবে, সে বুঝিয়া লইবে, রাজীবলোচন এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি। পদ্মাক্ষ ইতোমধ্যে মহাপ্রভুর লীলাকথা শ্রবণ করিয়াছে। সে সাগ্রহে জিজ্ঞাসা করিবে, “শ্রীমন্মহাপ্রভু সুস্থ দেহে আছেন তো? আপনি এক্ষণে নবদ্বীপ আসিলেন কেন?” রাজীবলোচন কহিবে, “প্রভুর সকলই কুশল। তিনিই আমাকে নবদ্বীপে অদ্বৈত আচার্যের নিকটে এক পত্রসহ প্রেরণ করিয়াছেন। আমি অদ্বৈত আচার্যের সকাশে উপনীত হইয়া মহাপ্রভুর পত্রটি নিবেদন করিব। তাই এই পথ ধরিয়া যাইতেছি।”

    পদ্মাক্ষ বলিবে, “আমি আপনার সহিত যাইলে কোনো আপত্তি আছে কি?” রাজীবলোচন বলিবে, “না, না আপত্তি কীসের? আমিও তো সঙ্গী খুঁজিতেছিলাম। এখান হইতে দক্ষিণে চলিয়া আমাদের মিঞাপুরে যাইতে হইবে। ভাবিতেছি, একবার মহাপ্রভুর পূর্বাশ্রমে যাইব। শচীমাতা ও শ্রীমতী বিষ্ণুপ্রিয়াদেবীর চরণ বন্দনা করিয়া আসিব। মহাপ্রভুর কুশল সংবাদ দিয়া তাঁহাদের আশ্বস্ত করিব।”

    পদ্মাক্ষ বলিবে, “আর শ্রীবাস? তাঁহার অঙ্গনে আমরা যাইব না?”

    রাজীবলোচন উত্তর দিবে, “যাইব বইকি! শ্রীবাস যে মহাপ্রভুর বিরহতাপে তাপিত হইয়াও তাঁহার কুশল সংবাদ জানিবার জন্যই প্রাণ ধারণ করিয়া আছেন!”

    এইরূপ অন্তরঙ্গ আলাপ করিতে করিতে পরস্পর সদৃশ যমজ ভ্রাতার ন্যায় পদ্মাক্ষ ও রাজীবলোচন— এ ছায়াচরাচরের দুটি বিচিত্র সম্ভাবনা মিঞাপুরের দিকে যাত্রা করিবে….

    আর ঠিক সেই একই সময়ে কমলনয়ন তাহার সুকঠোর পন্থা অতিবাহন করিয়া চলিয়াছে। রৌদ্র প্রখর হইতে প্রখরতর হইতেছে। কোথাও ছায়া নাই যে, একটু বসিবে। সম্মুখে নদী নাই যে, জলপান করিবে। তাহাকে এই পথেই হাঁটিতে হইবে। সে কিছুই হইতে পারে নাই। কবি নয়, ভক্ত নহে, প্রকৃতার্থে পণ্ডিতও না। সে এক একাকী অভিযাত্রী। তাহার কোনো সহায়সম্বল নাই। আছে একমাত্র মেধা ও কঠোর প্রতিজ্ঞা। আর যদি কিছু থাকে, তবে তাহা এই মনুষ্যজীবন লইয়া পরীক্ষা করিবার অন্তহীন আগ্রহ। এক প্রহর ধরিয়া হাঁটিতে হাঁটিতে কমলনয়ন দেখিল, বেলা পড়িয়া আসিতেছে। সূর্য অস্তাচলে যাইতেছে। তাহাকে সন্ধ্যার পূর্বেই নির্দিষ্ট গন্তব্যে পহুঁছিতে হইবে। সেখানে রাত্রিবাসের উপযুক্ত অতিথিশালা আছে। কমলনয়ন আরও দ্রুত হাঁটিতে লাগিল। তাহার মস্তকের উপর আকাশটা যেন দিনান্তের রৌদ্র মাখিয়া উদাস হইয়া শুইয়া আছে।

    কিন্তু এই যে বহিরাবলম্বী আকাশ, ইহা যতই বিশাল, যতই ব্যাপক হউক না কেন; ইহা তো স্থূল ইন্দ্রিয়গোচর। ইহার পশ্চাতে সূক্ষ্ম ‘আকাশ’ রহিয়াছে, যাহা সমস্ত জড়জগতের আদি উৎস ও অন্তিম পরিণাম। আর বিশ্বজগতের যাবতীয় শক্তি; কেবল উত্তাপ, বিকিরণ, তেজস্ক্রিয়তা, অভিকর্ষের ন্যায় বহির্জাগতিক শক্তিই নহে, অন্তরের চিন্তা বা মনন করিবার অন্তর্জাগতিক শক্তি—সকলই এক আদি ‘প্রাণ’ হইতে উৎসারিত হইয়াছে। সেই অতীন্দ্রিয় সূক্ষ্ম আকাশের বুকে এই অতীন্দ্ৰিয় প্রাণশক্তির লীলা চলিতেছে। আকাশের বুকে লীলাচঞ্চলা প্রাণ কম্পিত হইতেছে আর সেই কম্পনের ফলে সমস্ত সম্ভাবনা ও সম্ভাবিত বিশ্ব উঠিতেছে, পড়িতেছে। এই ছায়াচরাচর আকাশ ও প্রাণের অন্তবিহীন লীলানাট্যমাত্র। যৎ কিঞ্চিৎ জগৎ সর্বং প্রাণ এজতি নিঃসৃতম্’–এই জগতে যাহা কিছু আছে, যাহা কিছু হইতেছে, সকলই আকাশের বক্ষে প্রাণের স্পন্দনের প্রকাশ।

    আকাশ নির্বিকার হইয়া শায়িত আর তাহার সুস্থির বক্ষের উপর চিরচঞ্চলা প্রাণ নৃত্য করিতেছে; সেই নৃত্যের ছন্দে ছন্দে সূর্য, নক্ষত্র, চলগ্রহতারা সকলই বাহির হইয়া আসিতেছে। মহাজাগতিক বৃহৎ ঘটনাগুলির পার্শ্বে এ চরাচরের জীবনের তুচ্ছাতিতুচ্ছ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ঘটনাগুলিও বাহির হইয়া আসিতেছে— জন্ম-মৃত্যু-প্রেম-বিষাদ-বিরহ বাহির হইয়া আসিতেছে, ওই যে কোনো সদ্যোবিবাহিত বধূ নদীর ঘাটে নৌকা করিয়া স্বামীর ঘর করিতে চলিল… কোনো কৃষক খেতে কাজ করিতে যাইবার আগে মাটির দাওয়ায় বসিয়া মাড়ভাত খাইতেছে… কোনো রাখাল গুলঞ্চঝোপের নীচে বসিয়া বাঁশি বাজাইতেছে… কোনো যুবতী তাহার প্রথম প্রণয়ের ব্যাকুলতায় একা একা সঙ্গোপনে বৃষ্টি ভিজিয়া পুলকশরের রোমাঞ্চে রোমাঞ্চিত হইয়া উঠিতেছে… দিনান্তে কোনো মৎস্যজীবী শ্রমসাধ্য কর্মের পর নাও বাহিয়া গৃহে ফিরিতেছে… আপণের ঝাঁপ বন্ধ করিয়া বটতলার ছায়ার ভিতর দিয়া কোনো গ্রাম্য আপণিক ফিরিয়া আসিতেছে… অপরাহু পড়িয়া আসিলে কোনো দরিদ্র মুসলমান নদীতীরে জায়নামাজের আসন পাতিয়া সান্ধ্য নামাজ আদায় করিয়া লইতেছে… চারিজন বাহক হরিধ্বনি করিয়া শবদেহ গ্রামের উপাত্তে দাহ করিবার জন্য লইয়া যাইতেছে… প্রভাতবেলায় কাহার আলয়ে শঙ্খ বাজিয়া উঠিয়া নবজাতকের আবির্ভাব ঘোষণা করিতেছে… কাহার যেন মাটির কবরের উপর সন্ধ্যামালতীর ফুল ঝরিয়া পড়িল… এ সকলই প্রাণের ক্রিয়ায় আকাশের অভিব্যক্তি। যখন খেলা ফুরাইবে, এক মুহূর্তের জন্য প্রাণ আকাশের বুকে বিশ্রাম লভিবে, তখন এ চরাচর ও তার যাবতীয় সম্ভাবনা নিশীথের অসার স্বপ্নের ন্যায় মিলাইয়া যাইবে…

    ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়গুলি রেখামাত্র চিহ্ন না-রাখিয়া মুছিয়া যাইবে… সকলই মুছিয়া যায়। সুদুর অতীতে আর্যরা সরস্বতী দৃষদ্বতী তীরে সেই যে যেদিন সন্ধ্যায় সবেমাত্র পদার্পণ করিলেন, সেই দিনটি মুছিয়া গিয়াছে… যেদিন কুরুক্ষেত্রের রণোন্মত্ততার পর অস্তরাগমাখা বিপুল বৈরাগ্যের ঔদাস্য নামিল, সে-অপরাহ্ণ বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে… যে-রাত্রিতে মহাবীর আলেকজান্ডার সিন্ধুতীরে আসিয়া উপস্থিত হইলেন, তাহা হারাইয়া গিয়াছে… নগরের অভিজাত ব্যক্তিবর্গের আমন্ত্রণ উপেক্ষা করিয়া বুদ্ধ যে-মধ্যাহ্নে নটী আম্রপালির আমন্ত্রণ রক্ষা করিতে গিয়াছিলেন, সে- মধ্যাহ্ন বিলীন হইয়া গিয়াছে… পুনরায় সেই দিন, যেদিন অসঙ্গ ও বসুবন্ধু দুই ভ্রাতা প্রজ্ঞাপারমিতার টীকা রচনা করিতে বসিলেন কিংবা রেবা নদীর তীরে যে-সন্ধ্যায় কালিদাসের হৃদয়ে প্রথম মেঘদূত রচনার প্রেরণা নামিয়া আসিল অথবা যে- প্রভাতবেলায় অতীশ দীপংকর বিক্রমশীল হইতে তিব্বতের পথে বাহির হইলেন, মহম্মদ ঘোরীর হস্তে যে সায়ংকালে যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের সাম্রাজ্যসূর্য ডুবিয়া গেল, যে- রাত্রিতে আলাউদ্দিন খিলজির লোলুপ আগ্রাসন হইতে নিজ সম্মান বাঁচাইবার জন্য রানি পদ্মিনী তাঁহার দ্বাদশ সহস্র রাজপুতানী সহচরী লইয়া অগ্নিকুণ্ডে আত্মবিসর্জন করিলেন—সেই দিন, সেই সন্ধ্যা, সেই প্রভাত, সেই সায়ম্, সেই রাত্রি সকলই স্থূল হইতে সূক্ষ্মে, সূক্ষ্ম হইতে আরও সূক্ষ্মতর আকাশের বুকে মিলাইয়া গিয়াছে… আকাশের শূন্য চিত্রপটের উপর চিরন্তনী প্রাণশক্তি পুনর্বার নূতন সম্ভাবনার চিত্র আঁকিবার নিমিত্ত উন্মুখ হইয়া উঠিয়াছে…

    তবু আকাশকে ধরিয়া রাখিবার উপায় নাই। ঘটের ভিতর আবদ্ধ করিবার কল্পনা করো, ‘ঘটাকাশ’ বলিয়া ডাকো। মঠের ভিতর অবরুদ্ধ করো, ‘মঠাকাশ’ অভিধায় চিহ্নিত করো। কিন্তু এসকল প্রয়াস বৃথা। মঠ-ঘট-পট সকলই বিনশ্বর। আকাশ কোথাও আবদ্ধ হয় না। সকলকে জড়াইয়া আছে, অথচ কাহাকেও ধরা দেয় নাই। দূর হইতে তাকাইয়া দেখ, নীল দেখাইবে। কাছে যাও, কোনো রং নাই। পৃথিবীর উপর দাঁড়াইয়া ঊর্ধ্বে চাহিয়া দেখ, যেন একখানা নীল আবরণ অপরাজিতার পাপড়ির ন্যায় ধরিত্রীর উপর ছড়াইয়া আছে, তাহাতে যেন কত মেঘমলিনতা লাগিয়া আছে। ভালো করিয়া বিচার করিয়া দেখ, ধরিতে পারিবে না। তাহার কোনো আকার নাই, বর্ণ নাই। জগতের সকল বস্তু, সমস্ত ব্যক্তিবর্গকে লইয়া এই আকাশের বুকে প্রাণ অনুপম কাহিনি রচিতেছে, কিন্তু সে নিজে কোনো কাহিনির ছকে বাঁধা পড়ে নাই। তাহাকে ছাড়া কোনো চরিত্র সৃজিত হইতে পারে না, অথচ তাহাকে সুসংজ্ঞায়িত করিবারও উপায় নাই।

    কমলনয়ন রহস্যময় ভবিষ্যতের দিকে হাঁটিয়া চলিয়াছে, আর তাহার মাথার উপর এই সকল কিছুর ভিতর পরিব্যাপ্ত অথচ কোথাও ধরা না পড়া আকাশ পলকহীন দৃষ্টি মেলিয়া চাহিয়া আছে। নিম্নে এই অধরা আকাশকে ধরিবার, অনায়াত্ত শূন্যকে একটিবারের জন্য স্পর্শ করিবার আকাঙ্ক্ষায় এই ছায়াচরাচর ঋতম্ভরা হইয়াও নিতান্ত অসহায়ার ন্যায় অধীর হইয়া পড়িয়া আছে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }