Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২৭

    সাতাশ

    চেতনার নদী বহু অকিঞ্চিৎকর ঘটনাস্রোতের ভিতর দিয়া আরও ছয় মাস বহিয়া গেল।

    আশ্বিন মাসের শুক্লা দশমী তিথিতে দশহরার দিন মঠে সাধু-ভাণ্ডারার আয়োজন করা হইল। ভাণ্ডারা হইতেছে সাধুদিগের নিমন্ত্রণ করিয়া আনিয়া ভোজ দেওয়া। কাশীস্থ বিভিন্ন মঠের সন্ন্যাসিগণ এই ভাণ্ডারা উপলক্ষে মঠে সমবেত হইলেন। মঠটিও এতদুপলক্ষে পুষ্প, মাল্যে সুশোভিত হইয়া উঠিল।

    শিবমন্দিরের চাতালে চন্দ্রাতপের নিম্নে সন্ন্যাসীরা আসিয়া বসিলেন। নানা শাস্ত্রীয় আলোচনা হইতে লাগিল। কমলনয়ন সেই আলোচনায় প্রত্যক্ষ যোগ না-দিয়া সকলের কথা শুনিতেছিল। মধ্যে মধ্যে দু-এক কথায় আলোচিত বিষয়ে কীরূপ সিদ্ধান্তে আসিতে পারা যায়, তৎসম্বন্ধে আলোকপাত করিতেছিল। সন্ন্যাসিগণ সহর্ষে কমলনয়নের কথা অনুমোদন করিতেছিলেন।

    জনৈক বৃদ্ধ সন্ন্যাসী, নাম তাঁহার হরিহরানন্দ, সহসা সাহ্লাদে বলিয়া ফেলিলেন, “আপনি আমার গুরু!”

    ইহাতে কমলনয়ন নিতান্ত লজ্জিত বোধ করিল। হরিহরানন্দ বয়োজ্যেষ্ঠ, তদুপরি সন্ন্যাস-জীবনে তাঁহার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। সে সংকুচিত হইয়া হরিহরানন্দকে বলিল, “না, না, এ কথা বলিবেন না। ইহাতে আমার অপরাধ হইবে!”

    হরিহরানন্দ সেই কথায় আমল না-দিয়া কহিলেন, “কোনো অপরাধ হইবে না। বয়সে আপনি আমাপেক্ষা কনীয়ান হইতে পারেন, কিন্তু প্রজ্ঞায় আমার অগ্রবর্তী। আর ভগবদ্‌পাদ আচার্য শঙ্কর স্বয়ং বলিয়া গিয়াছেন, সদ্গুরু কো বা? হিতোপদেষ্টা। যিনি হিত উপদেশ করেন, তিনিই সদগুরু। তবে?”

    “কিন্তু আমি কি আর উপদেশ করিতে পারি? আমি শুধু সেই পন্থায় আপনাদিগের সহযাত্রী।”

    “সে আপনার বিনয়। উপদেষ্টার অভিমান না থাকিলে তবেই উপদেশ ফলপ্রসূ হইয়া উঠে। উহা লইয়া আপনি ভাবিবেন না।”

    কথায় কথায় বেলা বাড়িল। আহারের সময় হইল। দ্বিতলের অলিন্দে সাধুদের পঙ্ক্তিভোজন বসিল। সন্ন্যাসীরা কেহ মুণ্ডিতমস্তক, কেহ জটাজুটসমন্বিত শ্মশ্রুগুম্ফধারী, কেহ পীতবসন, কেহ-বা শ্বেতবাস—সব আহারে বসিয়াছেন। প্রথমেই শ্রীমদ্ভবদ্‌গীতার পঞ্চদশোধ্যায় উর্ধ্বমূলমধঃশাখমশ্বত্থং প্রাহুরব্যয়ম্’ ইত্যাদি সন্ন্যাসীরা সুর করিয়া স্মৃতি হইতে আবৃত্তি করিতেছিলেন। গীতাপাঠ শেষ হইলে এক-এক করিয়া প্রত্যেককে মাল্যচন্দনে বিভূষিত করিয়া বরণ করিয়া লওয়া হইল। তাহার পর নববস্ত্র ও কম্বল উপহার দেওয়া হইল। কমলনয়ন ও মঠের অন্যান্য সন্ন্যাসিবর্গ সমস্ত কিছুর সুব্যবস্থা হইতেছে কি না দেখিতেছিলেন।

    পরিবেশন আরম্ভ হইল। শালপত্রের স্থালীর উপর প্রথমে অন্ন ও শুক্রুনি পরিবেশিত হইল। তাহার পর পীত সুগন্ধি ঘৃত ভাতের উপর দেওয়া হইল। মুগের ডাল, দশবিধ শাক, দুগ্ধ তুম্বী, দুগ্ধ কুষ্মাণ্ড, বেশারী নাফরা, মোচার ঘণ্ট, মোচাভাজা, ভুষ্ট বার্তাকু, ফুলবড়ি একে একে সব আসিতে লাগিল। শেষ পাতে ঘোল ও পায়সান্ন।

    পঙ্ক্তিভোজন খাইতে খাইতে সাধুদের ভিতর শ্লোকাবলী ও দোঁহা আবৃতি করিবার প্রথা আছে। জনৈক সন্ন্যাসী উচ্চৈঃস্বরে বলিলেন :

    “মহেশ্বরে বা জগতামধীশ্বরে জনার্দনে বা জগদান্তরাত্মনি।
    ন বস্তুভেদপ্রতিপত্তিরস্তি মে তথাপি ভক্তিস্তরুণেন্দুশেখরে।।
    ওঁ নমঃ পার্বতীপতয়ে হর হর হর…”

    সকলে বলিয়া উঠিলেন, “সাধু, সাধু!”

    আহারের পর হরিহরানন্দের সহিত কমলনয়নের আরও কথা হইতেছিল। হরিহরানন্দ বলিলেন, “নাগা সন্ন্যাসীদের অস্ত্রশিক্ষা ভালোই চলিতেছে। উঁহারা অশ্বারোহণ ও যুদ্ধবিদ্যায় রীতিমতো পারদর্শী হইয়া উঠিয়াছেন।”

    কমলনয়ন উত্তর দিল, “তথাপি আমার সংশয় যায় নাই। ইহা কি ঠিক হইল? সন্ন্যাসীদের হস্তে অস্ত্র তুলিয়া দেওয়া হইল। ইহা তো আমাদিগের শাস্ত্রবিধি উল্লঙ্ঘন করা হইল। শাস্ত্রে কোথাও নাই, সন্ন্যাসী অস্ত্রধারণ করিবে।”

    হরিহরানন্দ বলিলেন, “কিন্তু দেশের রাজা যদি প্রতিরক্ষা না দিতে পারেন, তাহা হইলে বিকল্প উপায়ই বা কী?”

    “উপায় নাই। নিরুপায় হইয়াই….”

    বেলা পড়িয়া আসিল। সকলেই ফিরিয়া যাইতেছেন। কেহ কেহ-বা মঠের সর্বত্র ঘুরিয়া ঘুরিয়া দর্শন করিতেছেন। কয়েকজন সন্ন্যাসী ঘুরিতে ঘুরিতে কমলনয়নের কক্ষের সম্মুখে আসিলেন। দ্বার অর্গলবদ্ধ। কমলনয়ন নাই, হরিহরানন্দকে আগাইয়া দিতে গিয়াছে। তথাপি, দ্বারে অর্গল দেওয়া সন্ন্যাসীবিধি নহে। সন্ন্যাসীর দুয়ার সর্বদা উন্মুক্ত থাকিবে। ইহা দেখিয়া অনেকেরই কৌতূহল হইল।

    একজন স্থূলকায় সন্ন্যাসী হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “দ্বার রুদ্ধ কেন? আচার্য মধুসূদন এই কক্ষের ভিতর কী সংগুপ্ত রাখিয়াছেন?”

    আর-একজন তরুণ বলিলেন, “ইহা সত্যই অদ্ভুত! মধুসূদন সরস্বতীর ইহা শোভা পায় না। ঘরে কি মণিমুক্তা লুকাইয়া রাখিয়াছেন?”

    প্রথমজন বলিলেন, “চল তো দেখি, কী আছে।”

    তাঁহারা দ্বার খুলিলেন। ঘরে কিছুই নাই। কয়েকটি গৈরিক বসন আর কয়েকটা জীর্ণ পুথি

    দেখিতে দেখিতে ঘরের এককোণে ক্ষুদ্র আর একটি দ্বার চোখে পড়িল।

    স্থূলকায় ব্যক্তি বলিলেন, “এই এখানে কী আছে? এ যে আর-একটি কক্ষ!”

    তরুণ সন্ন্যাসী বলিলেন, “হইবে মঠের কোনো সম্পত্তি। চল, চলিয়া যাই।”

    অন্যদের কৌতূহল তখন অত্যধিক বাড়িয়া উঠিয়াছে। জনৈক মধ্যবয়স্ক সন্ন্যাসী বলিলেন, “দেখই না খুলিয়া। কী আর হইবে রে বাপু?”

    ক্ষুদ্র দ্বারটি খোলা হইল। আলো হইতে সহসা অন্ধকারে আসিয়া সব ঝাপসা লাগিতেছিল। আঁধারে চক্ষু সহজ দশাপ্রাপ্ত হইলে দেখা গেল, আধো-অন্ধকারে একটি ঘৃতপ্রদীপ জ্বলিতেছে। চাঁপাফুলের সৌরভের ভিতর সিংহাসনে কৃষ্ণকিশোর দাঁড়াইয়া আছেন। প্রভাতে তাঁহার পূজা করা হইয়াছে। এখনও পুষ্পসম্ভার অমলিন রহিয়াছে।

    স্থূল ব্যক্তি অবাক হইয়া বলিল, “ইহা কেমন হইল? আচার্য মধুসূদন অদ্বৈতবাদী; তিনি গোপনে দ্বৈতভাবাত্মক কৃষ্ণপূজা করেন?”

    তরুণ বলিল, “বড়োই আশ্চর্য! ইহা তো মন-মুখ এক হইল না। ইহা কী হইল?”

    মধ্যবয়স্ক সন্ন্যাসী বলিলেন, “যে লোক অদ্বৈতসিদ্ধি’ লিখেছে, সেই-ই দ্বৈতবাদের পূজার্চনা করিতেছে?”

    আর-একজন কে যেন বলিয়া উঠিল, “ইহা কি দ্বিচারিতা নহে?”

    “দ্বিচারিতাই বটে! আমি দ্বিচারিণী, কুলটা—তাহাতে সন্দেহ নাই!!” পিছন হইতে কাহার যেন কণ্ঠস্বর শুনা গেল। সকলে ফিরিয়া দেখিল, স্বয়ং মধুসূদন।

    মধ্যবয়স্ক সাধুটি বলিলেন, “আপনার অনুমতি না-লইয়া এ সাধনালয়ে প্রবিষ্ট হইয়াছি—আমাদিগের অপরাধ ক্ষমা করিবেন। কিন্তু আপনার এবংবিধ আচরণের অর্থ আমরা কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না।”

    স্থূলকায় সন্ন্যাসী বলিলেন, “আপনি এত বড়ো অদ্বৈতবাদী। এক অদ্বয় ব্ৰহ্ম ব্যতীত অন্য কিছুই মানেন না। কাশীর ঘাটে বসিয়া এসকল কতই ব্যাখ্যা করেন। দ্বৈতবাদীদের যুক্তি খণ্ডবিখণ্ড করিয়া দেন। আর আপনার এ কেমন বিকৃতি? আপনি কৃষ্ণপূজা করিতেছেন? ইহা তো সম্পূর্ণ দ্বৈতভাব। ইহার ব্যাখ্যা করুন।”

    কমলনয়ন ধীরে ধীরে সামনে আসিল। কৃষ্ণকিশোরের সম্মুখে নতজানু হইয়া বসিয়া পুষ্পপাত্র হইতে অবশিষ্ট একটি চাঁপাফুল তুলিয়া বিগ্রহের চরণে দিল। কেবল বেণুধরের মুখপানে চাহিয়া রহিল। তাহার চক্ষুদ্বয় নয়নজলে ভাসিয়া যাইতেছে…

    “এ তুমি কী করিলে, মুরলীধর? এখন আমি কী করিব? কী উত্তর ইঁহাদের আমি দিব?”

    “বেশ হইয়াছে! ঠিক হইয়াছে! এবার ঠেলা সামলাও।”

    “ইহারা যে তোমাকে মানে না। এখন যে ইহারা আমাকে ত্যাগ করিবে!”

    “ভালোই তো! তোমাকে সবাই ত্যাগ করিলে, তুমি শুধু আমার, শুধু আমার হইয়া যাইবে।”

    “তুমি এমন হাসিতেছ কেন? তোমার হাসি দেখিয়া আমার গা জ্বলিয়া যাইতেছে যে!”

    “তুমি কাঁদিতেছ, তাই দেখিয়া আমি হাসিতেছি।”

    কমলনয়ন উঠিয়া দাঁড়াইল। সকলে তাহার উত্তরের অপেক্ষায় তাকাইয়া আছে। তথাপি একজন জোর দিয়া বলিলেন, “এ আচরণের ব্যাখ্যা আপনাকেই দিইতে হইবে, মধুসূদন। আপনি অদ্বৈতবাদী। অদ্বৈতবাদীর দৃষ্টিতে এসব স্বপ্ন, পুতুলখেলা মাত্র। ইহা তো আপনি নিজেই বহুবার ব্যাখ্যা করিয়াছেন। আর আজ সেই পুতুলখেলায় আপনি মাতিয়া উঠিলেন কীভাবে? ইহার ব্যাখ্যা কী?”

    কমলনয়নের দুই গণ্ডদেশ অশ্রুবারিতে ভাসিয়া যাইতেছে। কোনোমতে মুখ তুলিয়া অশ্রুপরিপ্লুত কণ্ঠে সে বলিতে পারিল,

    “অদ্বৈতসাম্রাজ্যপথাধিরূঢ়াস্তূণীকৃতাখগুলবৈভবাশ্চ।
    শঠেন কেনাপি বয়ং হঠেন দাসীকৃতা গোপবধূবিটেন।।

    অদ্বৈতসাম্রাজ্যের পথ ধরিয়া ইন্দ্রের অতুল ঐশ্বর্যকে তৃণবৎ উপেক্ষা করিয়াই তো চলিতেছিলাম, কিন্তু পথিমধ্য হইতে কে এক শঠ, কে এক গোপবধূলম্পট জোরপূর্বক হরণ করিয়া লইয়া গিয়া তাহার চরণের দাসী করিয়া রাখিল যে!”

    তরুণবয়স্ক সন্ন্যাসীটি বলিল, “ইহা বড়োই অদ্ভুত। আপনি কি বলিতেছেন, ইহা আপনার অসম্পূর্ণতা? কিন্তু ইহা তো আমাদের বিশ্বাস হইতেছে না। এত ভাব-ভক্তি লুকাইয়া রাখিয়াছেন? বেশ, তবে এক্ষণে বলুন, আপনি সমস্ত জীবন ধরিয়া কী সত্য পাইয়াছেন, কী সত্য জানিয়াছেন? অদ্বৈত সত্য? না, দ্বৈত সত্য?”

    কমলনয়নের মনে হইতেছিল, যেন তাহার কানের কাছে বজ্রাঘাত হইতেছে। অদ্বৈত, দ্বৈত—কিছুই তাহার আর শুনিতে ইচ্ছা হইতেছে না। সে প্রেম খুঁজিয়াছিল, প্রেম পাগল করিয়া দিয়াছে। কৃষ্ণকিশোর তাহার মাথা খাইয়া ছাড়িয়াছে। সব দার্শনিক আলোচনা বিস্বাদ বোধ হইতেছে।

    ওই, ওই আবার সেই বাঁশিটা বাজিয়া উঠিল। ওই সেই বাঁশির সুর আদিম নাগমাতার মতো তাহাকে পাকে পাকে জড়াইয়া ধরিতেছে! শ্বাস বন্ধ হইয়া আসিতেছে।

    সে কী উত্তর দিবে? কী বুঝাইবে? বলিয়া দাও, কৃষ্ণকিশোর, বলিয়া দাও। কী বলিব, বলিয়া দাও! প্রেমভরে আর্দ্রস্বরে আচম্বিতে সে বলিয়া উঠিল,

    “বংশীবিভূষিতকরান্নবনীরদাভাৎ
    পীতাম্বরাদরুণবিম্বফলাধরোষ্ঠাৎ।
    পূর্ণেন্দুসুন্দরমুখাদরবিন্দনেত্রাৎ
    কৃষ্ণাৎ পরং কিমপি তত্ত্বমহং ন জানে।।

    যাঁহার দুটি কর বংশীবিভূষিত, নবীন মেঘের ন্যায় যাঁহার গাত্রবর্ণ, পীতাম্বর যাঁহার অঙ্গের বসন, আরক্তিম বিম্বফলের ন্যায় যাঁহার অধরোষ্ঠ, চাঁদের ন্যায় যাঁহার সুন্দর মুখ, পদ্মের ন্যায় যাঁহার দুইটি চক্ষু, সেই কৃষ্ণ ছাড়া আর কোনো তত্ত্ব আমি জানি না!”

    সে আর কথা কহিতে পারিতেছে না। কণ্ঠস্বর ক্রন্দনের ভিতর ডুবিয়া গিয়াছে। চারিপাশে কী হইতেছে, সে আর দেখিতে পাইতেছে না। নেশায় পা টলিতেছে। বাঁশির সুরে সুরে তাহার সত্তা দ্রবীভূত হইতে চলিল। নুনের পুতুল সমুদ্রে গলিয়া গেল।

    .

    অনেকক্ষণ পর যখন তাহার বাহ্যজ্ঞান ফিরিল, দেখিল সকলেই চলিয়া গিয়াছে। শূন্যঘরে সে শুধু একা আর আসনের উপর মুরলীধর তাহারই পানে তাকাইয়া হাসিতেছে!

    কী করিলে, কৃষ্ণকিশোর, এ তুমি আমার কী করিয়া দিলে? এমন করিয়া হাটে হাঁড়ি ভাঙিয়া দিতে হয়?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }