Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ৩

    তিন

    রাজাকে স্বরচিত কবিতা শুনাইবার মানসে কমলনয়ন তাহার পিতার সহিত রাজদরবারের উদ্দেশে যাত্রা করিয়াছিল। রাজা তাহার কবিতা বড়ো মনোযোগ সহকারে শুনিলেন না, রাজার মানসিকতা সে-মুহূর্তে কবিতা শুনিবার অনুকূল ছিল না। কমলনয়নের ইহাতে বড়ো অভিমান হইল। তাহার কবি হইবার সাধ ঘুচিয়া গেল। সে স্থির করিল, গৃহত্যাগ করিয়া নবদ্বীপ যাত্রা করিবে। সেখানে গৌরাঙ্গ- পদাশ্রয়ী হইবে। সে ভক্ত হইবে।

    ইহার পর তাহার কী হইয়াছিল, সে প্রকৃতই ভক্ত হইতে পারিল কি না, সেসকল কথা আমরা পরে আলোচনা করিব। কিন্তু তাহার পূর্বে এইখানে থামিয়া আমরা আর-একপ্রকার সম্ভাবনার কথা চিন্তা করিয়া লই। ধরা যাক, চন্দ্রদ্বীপের উপর পাঠান আক্রমণের ঘটনা মাসাধিককাল পরে অনুষ্ঠিত হইল। যদি তাহাই হইত, তবে রাজার চিত্ত এইরূপ অশান্ত হইয়া পড়িত না। শান্ত মনে কবিতা শুনিবার অবকাশ তাঁহার থাকিত এবং তিনি কমলনয়নের কাব্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হইতেন। কারণ, কন্দর্পনারায়ণ প্রকৃতই কাব্যসাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন, আর কমলনয়নেরও কাব্যপ্রতিভা উজ্জ্বল ছিল। এইরূপে রাজা ও কবির মণিকাঞ্চন সংযোগ ঘটিতে পারিত।

    যদি ধরিয়া লই, এইরূপ সত্যই হইয়াছিল? হয়তো আমাদিগের এ পৃথিবীতে নয়, হয়তো এ বিশ্বের সমান্তরাল অন্য কোনো বিশ্বে এইরূপ ঘটিয়াছে…। সেই অন্য বিশ্বে হয়তো কিশোরটির নাম কমলনয়ন নহে, তাহার নাম পদ্মাক্ষ। পিতার সহিত রাজদরবারে সেও কবিতা শুনাইতে আসিয়াছিল এবং রাজা তাহার কবিতা শুনিয়া মুগ্ধ হইয়াছিলেন। কিশোর পদ্মাক্ষের দ্বারা রচিত পদগুলি শুনিয়া রাজা অতি হৃষ্ট হইলেন, কিশোরকে রাজসভার সভাকবিরূপে বরণ করিয়া লইলেন। তাহার পিতার প্রার্থনাও তিনি পূরণ করিলেন, পিতাকে আর ফলকর দিবার জন্য এতদূরে আসিতে হইবে না; গ্রামে বসিয়াই রাজপ্রতিনিধির নিকট ফলকর প্রদান করিলেই চলিবে। কবিকিশোর পদ্মাক্ষ অবশ্য এখন হইতে চন্দ্রদ্বীপেই বসবাস করিয়া, সুললিত কাব্য রচনা করিয়া রাজার প্রীতিবিবর্ধন করিবে। যদি এমন হইত? যদি ধরিয়া লই, এমনই হইয়াছে? এ বিশ্বে নহে, অন্য কোনো বিকল্প বিশ্বে?

    কেহ জানিতে পারে না, কিন্তু এইরূপই ঘটিয়াছে। ভাবিতে বড়ো ভালো লাগিতেছে যে! যাহা ভাবিতে ভালো লাগে, তাহাই কোথাও-না-কোথাও অনুষ্ঠিত হয়। নিরেট বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন লোক ইহা বুঝিতে চাহিবে না। নিরেট বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন লোক বলিবে, “ইহা কি কখনও হইতে পারে? কমলনয়ন কবি হইতে পারে নাই, ভক্ত হইতে গিয়াছিল। এ পর্যন্ত বুঝি। কিন্তু এ পদ্মাক্ষ আবার কোথা হইতে আসিল?”

    আমরা উত্তর দিব, “পদ্মাক্ষ হইল কমলনয়নের অপর পিঠ, পদ্মাক্ষ হইল কমলনয়নের অলটারনেটিভ পসিবিলিটি বা বিকল্প সম্ভাবনা। কমলনয়ন যাহা হইতে পারে নাই, পদ্মাক্ষ তাহাই হইয়াছে।”

    নিরেট তথাপি বলিবে, “সম্ভাবনা সম্ভাবনাই। সকল সম্ভাবনা কি বাস্তব হয়?”

    আমরা কহিব, “আমাদিগের পৃথিবীতে কোনো একটি সম্ভাবনা সত্য হইয়া যায়। কিন্তু তাই বলিয়া অন্য সম্ভাবনাগুলি হারাইয়া যায় না। অন্য সম্ভাবনাগুলিও অন্যান্য সমান্তরাল বিশ্বে বাস্তব হইয়া থাকে।”

    নিরেট প্রশ্ন করিবে, “কই? সেসকল সমান্তরাল বিশ্ব তো আমরা দেখিতে পাই না!”

    আমরা বলিব, “দেখিতে পাইতেছ না বলিয়াই কি নাই? চাঁদের অপর পিঠ দেখ নাই, তাই বলিয়া চাঁদের অপর পিঠ নাই?”

    নিরেট এখন চন্দ্রাভিযানের কথা উত্থাপন করিয়া বলিবে, “একটা নভোযান লইয়া চন্দ্রের অপর পৃষ্ঠে অবতরণ করিলেই চন্দ্রের উলটাপিঠ দেখা হইয়া যাইবে। কিন্তু তোমাদিগের সমান্তরাল বিশ্ব তো ওইভাবে দেখা যায় না।”

    আমরা উত্তর দিব, “অন্য সমান্তরাল বিশ্ব দেখা যায় না, তুমি কীরূপে নিশ্চিত হইলে? জীবন বড়ো রহস্যময়, কে বলিতে পারে, কোনো আচম্বিত মুহূর্তে এ বিশ্বের কোনো অধিবাসীর সহিত অন্য বিশ্বের কোনো অধিবাসীর দেখা হইয়া যাইতে পারে কি না!”

    নাহ, নিরেট আমাদের কথা মানিবে না। সে শুধু একপ্রকার সম্ভাবনা লইয়াই ভাবে। অন্য সম্ভাবনা লইয়া কালক্ষেপও করিতে চাহে না।

    না মানুক। আমরা যেরূপ ভাবিয়াছি, ঠিক সেইরূপই লিখিয়া যাইব। তাহাতে নিরেট চটিয়া যায়, চটুক। কমলনয়নের কথা বলিয়াছি। এক্ষণে কমলনয়নের অপর সম্ভাবনা পদ্মাক্ষের কথা বলিব।

    এ পরিচিত বিশ্বে কমলনয়ন কবি না হইতে পারিয়া ভক্ত হইতে চাহিল ঠিকই, কিন্তু অন্য কোনো সমান্তরাল বিশ্বে পদ্মাক্ষ কবিই হইয়াছিল। রাজসভার সভাকবি।

    চন্দ্রদ্বীপের ঘাটে পরদিন প্রভাতবেলায় নৌকা লাগিয়াছিল। পদ্মাক্ষ পিতাকে বিদায় জানাইতে আসিয়াছিল। বিদায়কালে পিতা বলিলেন, “পুত্র! আমি গৃহে ফিরিয়া যাইতেছি। কিন্তু তোমার জন্য বড়ো চিন্তা হইতেছে।”

    পদ্মাক্ষ কহিল, “তাত! চিন্তা করিবেন না। নদীতীরে মাধবীবিতানের পার্শ্বে আমার জন্য রাজা একটি কুটির স্থির করিয়াছেন। আমি সেখানেই বসবাস করিব। কাব্যসরস্বতীর উপাসনা করিয়া আমার ক্ষুদ্র জীবন অতিবাহিত করিয়া দিব। জননীকে কহিবেন, আমি শীঘ্রই গৃহে ফিরিয়া তাঁহার চরণযুগল দর্শন করিয়া আসিব। তিনি যেন আমার জন্য অযথা চিন্তা না করেন,” এই বলিয়া পদ্মাক্ষ পিতাকে নতজানু হইয়া প্রণাম করিল।

    অনুকূল পবনে নৌকা ছাড়িয়া দিল। দেখিতে দেখিতে স্রোতোপথে সেই তরীখানি ভাসিতে ভাসিতে দিক্‌চক্রবালরেখার নিকট বিন্দুবৎ মিলাইয়া গেল।

    জীবনে প্রথম পদ্মাক্ষের মনে হইল, সে মুক্ত; কোনোদিকে তাহার আর কোনো বাধা নাই। নদীতীরে বালুচর প্রভাতের রৌদ্রে দীপ্তি দিতেছিল। গ্রামের সেই ক্ষুদ্র আবেষ্টনী আর নাই, এখন উন্মুক্ত আকাশ বিস্তীর্ণ নদীর উপর উদাস হইয়া পড়িয়া আছে। পিতামাতা, বন্ধু-স্বজন কেহ তাহাকে আর নিয়ন্ত্রণ করিতেছে না। পদ্মাক্ষ তাহার দুই বাহু দুই পার্শ্বে বিহঙ্গমের ডানার মতো প্রসারিত করিয়া নিজের স্বাধীনতা- সুখ অনুভব করিতেছিল। বালুচরের উপর সে সত্যই কিছুদূর ছুটিয়া গেল, নির্জন সৈকত বালকের কলহাস্য শুনিয়া যেন আনন্দে উচ্ছিত হইতেছিল।

    ইদানীং সে নদীতীরস্থ সেই কুটিরটিতেই বসবাস করিতেছে। প্রভাতে সূর্যোদয়কালে নদীতে প্রাতঃস্নান করিয়া লয়। তাহার পর গায়ত্রী-উপাসনা-বন্দনাদির পর কাব্যরচনায় মন দেয়। এখন সে এক নূতন কাব্য ধরিয়াছে। নাম—’হংসমিথুনকথা’। প্রতিদিন এই কাব্যের কিছু কিছু সে রাজসমীপে নিবেদন করে। রাজা গুণগ্রাহী, তিনি কাব্যের ললিতভাগ আস্বাদ করেন, কোথাও পরিবর্তনযোগ্য কিছু পাইলে, তাহাও নির্দেশ করেন।

    পদ্মাক্ষ স্বপাক আহার করে। রাজার অনুগ্রহে তাহাকে তণ্ডুল, শাকাদি, পাক করিবার ইন্ধন সকলই প্রদান করা হইয়াছে। রন্ধন সমাপ্ত করিয়া সে আহারে বসে। আহারান্তে রাজসভায় গমন করে। সভাস্থ সকলেই এই সুদর্শন কবিকিশোরের জন্য অপেক্ষা করিয়া থাকেন।

    দিনান্তে রাজসভা সমাপ্ত হইলে সে কুটিরে ফিরিয়া আসে, সন্ধ্যাবন্দনাদির পর প্রদীপের স্তিমিতালোকে পুথি খুলিয়া বসে, দুই-একটি পদ সংশোধন করে, কখনো বা নূতন দুই-একটি পদ রচনাও করে। তাহার পর নৈশাহার সমাপ্ত করিয়া প্রদীপ নিভাইয়া কুটিরের দ্বারপ্রান্তে বসিয়া থাকে। যে-রাত্রে বর্ষণ নামে, সেই রাত্রে খড়ের চালে বৃষ্টির শব্দ শুনিতে শুনিতে নিদ্রার ক্রোড়ে আশ্রয় লয়। আর যে-রজনী বর্ষণহীনা, সেই রজনীতে সে কুটিরের বাহিরে নদীতীরে বালুকাময় সিকতায় অন্ধকারের ভিতর আসিয়া বসে, রাত্রির আকাশ এক-এক করিয়া অগণ্য নক্ষত্রপুঞ্জে ভরিয়া উঠে। পদ্মাক্ষ নৈশাকাশের দিকে অনন্যমনে চাহিয়া রয়, মনে হয় ওইসব নির্জন নক্ষত্রবীথি যেন সুদূর হইতে তাহার সহিত কী কথা বলিতে চাহিতেছে! সে কোন্ অজ্ঞাত রহস্যময় জগতের সংবেদনা, আকাশগঙ্গার সুদূর তীরে কোন্ অজানিত পৃথিবীর জীবনযাত্রার সংবাদ যেন এইমাত্র পদ্মাক্ষর নিকট আসিয়া পৌঁছিল। পদ্মাক্ষ ভাবে, ওই দূরে, এই জগতের ন্যায় ওখানেও কি আর-একটা জগৎ চলিতেছে? হয়তো সেখানেও গ্রাম আছে, নদীতীর আছে, রাজসভা আছে। সে-দেশের পথ বাহিয়া কত নরনারী, নদী বাহিয়া নৌকায় বা ডিঙায় কত যুবক, বৃদ্ধ, বালক- বালিকার দল হয়তো প্রতিদিন জীবনস্রোতের প্রবাহপথে শ্যাওলার মতো ভাসিয়া চলিতেছে… সেই ধাবমান জনযূথের ভিতর হয়তো তাহারই সদৃশ কোনো কিশোর আছে, যে কবি হইবার বাসনায় সুদূর সে-জগতেরই কোন্ এক ক্ষুদ্র রাজসভায় আসিয়া দাঁড়াইয়াছিল। হয়তো অন্য জগতের সেই কবিকিশোরের কবিতা তাহাদের দেশের রাজা মনোযোগ দিয়া শ্রবণ করেন নাই, তাই অন্য পৃথিবীর সেই কুমারকিশোর অভিমানভরে কাব্যচর্চা পরিত্যাগ করিয়া স্বজন-স্বদেশ ছাড়িয়া কোন্ অজানিতের পথে এইমাত্র যাত্রা করিল। হইবেও বা! রাত্রির জ্যোৎস্নাধবলিত অন্ধকার এইসব কত কথা নদীর বাতাসের ভিতর পদ্মাক্ষর কানে কানে অস্ফুটস্বরে কহিয়া চলে….

    একদিন দ্বিপ্রহরে রাজসভার কার্য দ্রুত নিষ্পত্তি হইয়া গেল। কুটিরে ফিরিয়া পদ্মাক্ষ কী করিবে ভাবিতেছে, উন্মুক্ত দ্বারপথ দিয়া নদীটিকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। বেলাশেষে একটি সওদাগরি নৌকা নদীর স্রোতে কোথায় যেন যাত্রা করিয়াছে। দিচক্রের নিকট কী একটা পাখি মেঘের রেখার ভিতর দিয়া সুদূর নীলাকাশের পটে কাহার যেন স্বর্ণতুলিকার টানে হালকা পালকের ন্যায় ভাসিয়া যাইতেছে। পদ্মাক্ষর মনে হইল, কতদিন সে তার গ্রাম দেখে নাই, মায়ের মুখ দেখে নাই… গৃহাঙ্গনের চারিপাশে কলমিলতার বেড়ায় এসময় একপ্রকার সাদা ফুল ফুটে, সেই ফুলগুলির অমলধবল মুখশ্রী মনে পড়িতেছে… গ্রামপ্রান্তে বেতসকুঞ্জের নিম্নে সন্ধ্যায় যে-অন্ধকার জমিয়া থাকে, তাহার ভিতর জোনাকির জুলানেভা মনে উঠিতেছে… তাহাদের গোহালঘরে ‘পিঙ্গলা’ গাভীর চোখে যে শীতল ব্যাকুলতা দেখিয়াছে, তাহাই যেন পদ্মাক্ষর মনে মনে নীরবতার ভাষায় কথা বলিতে চাহিতেছে…. কতদিন হইল, সে গ্রাম ছাড়িয়া আসিয়াছে… উনসিয়া গ্রামে স্নানযাত্রার মেলা হয়, হয়তো এই বছরও হইতেছে, এ বছর আর তাহার মেলা দেখা হইল না… সে এইসব কীসের ভিতর আসিয়া পড়িয়াছে, তাহার একটিও খেলার সঙ্গী নাই… পুথির পৃষ্ঠায় একা একা শব্দ লইয়া আর খেলা করিতে ইচ্ছা হয় না… পিতা কেমন আছেন? জননী খুব কাঁদিয়াছিলেন? তাহার ভ্রাতাগণ, তাহাদের গ্রামের সেই বালকেরা—হরিনাথ, চন্দ্রচূড়, পীতাম্বর, মেধাতিথি—উহারা কেমন আছে? কতদিন পদ্মাক্ষর সহিত তাহাদের দেখা নাই… একবার রাজার অনুমতি লইয়া পক্ষকালের জন্য সে দেশে যাইবে… কতদিন সে এই নদীতীরে নির্জন কুটিরে একাকী বসবাস করিতেছে…

    রাজার অনুমতি মিলিল। একদিন মধ্যাহ্নবেলায় সত্যই সে এক পাটের নৌকায় দেশে যাইবার জন্য উঠিয়া বসিল। উনসিয়া পঁহুছিতে দিন চারেক লাগিয়া গেল। গ্রামের ঘাটে নৌকা ভিড়িয়াছে।

    ঊনসিয়া? পূর্বে যে বলা হইয়াছে, কমলনয়নের গ্রামের নাম উনসিয়া! এক্ষণে বলা হইল, পদ্মাক্ষর গ্রামের নামও উনসিয়া? হাঁ। পদ্মাক্ষর গ্রামের নামও উনসিয়া। শুধু তাহাই নহে, পদ্মাক্ষর পিতার নামও প্রমোদন পুরন্দর। পদ্মাক্ষও জনক-জননীর তৃতীয় পুত্র। কমলনয়নের বাল্যজীবনে যাহা যাহা ঘটিয়াছে, পদ্মাক্ষর জীবনেও তাহা তাহাই সমস্ত সংঘটিত হইয়াছে— কমলনয়ন ও পদ্মাক্ষ সর্বাংশে এক। কেবল প্রভেদ এই, কমলনয়ন রাজসভায় রাজাকে কবিতা শুনাইয়া রাজার মনোযোগ আকর্ষণ করিতে পারে নাই; আর পদ্মাক্ষর কবিতায় মুগ্ধ হইয়া রাজা তাহাকে সভাকবিরূপে বরণ করিয়া লইয়াছেন। সময়ের ওই বিন্দু হইতেই কমলনয়ন ও পদ্মাক্ষ আলাদা হইয়া গিয়াছে। আমাদের পরিচিত পৃথিবীতে কবি না-হইতে-পারা কমলনয়নের জীবনস্রোত বহিয়া চলিয়াছে; আর এই পৃথিবীর গভীরে আর-একটা পৃথিবী আছে, এখানকার সকল না-হওয়া ঘটনাগুলি সেখানে সফল হইয়া যায়, এখানকার সকল ‘না’ সেখানে ‘হাঁ’ হইয়া উঠে—বিপরীত সম্ভাবনার সেই গভীরতর পৃথিবীতে কবি হইতে- পারা পদ্মাক্ষর জীবনলীলা অনুষ্ঠিত হইয়া চলিতেছে।

    গ্রামের ঘাট হইতেই পদ্মাক্ষর আগমন সংবাদ গ্রামময় রাষ্ট্র হইয়া গেল। পুত্ৰ এতদিন পর কৃতী হইয়া দেশে ফিরিয়াছে; জনক-জননী, পাড়াপ্রতিবেশীর আনন্দের অবধি নাই। পরিচিত ব্যক্তিবর্গের ভিড়ে প্রমোদন পুরন্দরের গৃহের উঠান লোকে লোকারণ্য হইয়া গেল।

    নদীর জল সামান্য নামিয়া গিয়াছে, খালপাড়ে বৈঁচি ফল পাকিয়াছে, আকাশে উদাসী মেঘের গতিবিধি। দুই-একটি কাশ ফুল দেখা দিয়াছে, কাহারা যেন পদ্মার তীর বাহিয়া বেতসতলার ছায়ায় ছায়ায় ঢাক বাজাইয়া চলিতেছে। কে এক পটুয়া পট খেলাইতে আসিয়াছে। মনসাগীত সুর তুলিয়া গাহিয়া গ্রামের বালক-বালিকাদের সম্মুখে পটের ছবিগুলি খুলিয়া খুলিয়া দেখাইতেছে; উজ্জ্বল সোনালি রঙের চিত্রপট ব্যাখ্যা করিয়া হাত-পা নাড়িয়া মেঠোসুরে বিভোর হইয়া পটুয়া নিজে মাতিতেছে, অন্যকে মাতাইতেছে। রং, সুর, রোদ, বাতাস, মেঘ সব মিলিয়া গঙ্গাহৃদি বঙ্গদেশ যেন আকুল হইয়া উঠিতেছে। কোথাও ঢেঁকিতে পাড় পড়িতেছে, তাহার শব্দের সহিত চিঁড়া, নাড়ু, খই, মোয়ার সুঘ্রাণ গৃহ হইতে গৃহান্তরে ভাসিয়া আসিতেছে।

    এইসব আনন্দদিনের ভিতর দিয়া এক পক্ষকাল যেন কয়েক দণ্ডে অতিবাহিত হইয়া গেল। পদ্মাক্ষর ফিরিয়া আসিবার সময় হইল। বিদায়কালে জননীর অশ্রুজলে পদ্মাক্ষর শিরোদেশ অভিসিঞ্চিত হইল, দেশগ্রামের সকল লোক নদীতীরে তাহাকে বিদায় জানাইতে আসিল।

    কয়েকদিন নদীযাত্রার পর নৌকার যাত্রীদল, মাঝিমাল্লা এক রাত্রে নিকটস্থ তীরভাগে নামিয়া রাত্রিযাপনের উদ্যোগ করিয়াছিল। সেস্থলে আরও একটি নৌকার যাত্রী একদল লোক নৌকা ভিড়াইয়াছিল। উভয় দলে মিলিয়া রন্ধনবণ্টনাদির ব্যবস্থা হইতেছে। এমন সময়ে পদ্মাক্ষ ও তাহার সহযাত্রীগণ অপর দলের সদস্যদের নিকট হইতে এক নিদারুণ সংবাদ পাইল। চন্দ্রদ্বীপ পাঠানের দ্বারা আক্রান্ত হইয়াছে। পাঠান সৈন্য সমস্ত নগরে লুঠতরাজ করিতেছে। চন্দ্রদ্বীপের ঘাটে নৌকা হইতে অবতরণ করা নিরাপদ নহে। অনেক আলোচনা করিয়া বাকি পথ পদব্ৰজেই যাইতে হইবে, পদ্মাক্ষ বুঝিতে পারিল। যে-স্থানে সেই রাত্রে নৌকা ভিড়ানো হইয়াছিল, সেখান হইতে চন্দ্রদ্বীপ পহুঁছিতে হাঁটাপথে দুইদিন লাগিবে। মধ্যে গঞ্জের হাট, ক্রোশতীর্থ, হরিরামপুর, নবগ্রাম, পুষ্পপুর, চরবান্ধিয়া নামক গ্রামসমূহ দূরে দূরে অবস্থিত। এইসব গ্রাম পদব্রজে পার হইয়া পদ্মাক্ষকে চন্দ্রদ্বীপে উপনীত হইতে হইবে।

    পরদিন প্রভাতে বস্ত্রপ্রান্তে পুথিগুলি বাঁধিয়া লইয়া, সঙ্গের পুঁটুলিটি স্কন্ধে লইয়া পদ্মাক্ষ যাত্রা আরম্ভ করিল। মধ্যবর্তী গ্রামগুলি পরস্পর সন্নিবিষ্ট নহে, মধ্যে মধ্যে দিগন্তবিথারিত ধানের খেত, পাটের খেত, আখের চাষ হইতেছে। কখনও আলপথ দিয়া, কখনও নদীর বাঁধের উপর দিয়া, কখনো বা গ্রামের ভিতর দিয়া পদ্মাক্ষ পন্থা অতিবাহন করিতে লাগিল।

    অপরাহুকালে হরিরামপুরে পহুঁছিয়া পদ্মাক্ষর বুঝিতে দেরি হইল না, পাঠান এই পথ দিয়াই গিয়াছে। গ্রামগুলি লুণ্ঠিত, লণ্ডভণ্ড হইয়া রহিয়াছে। পাঠানসৈন্য ধানের খেতের উপর দিয়া ধান দাবাইয়া গিয়াছে। গ্রামে গৃহস্থ বাটীগুলির প্রাকারসীমায় কবাট ভগ্ন হইয়া ঝুলিতেছে। কোনো কোনো গৃহাবাসের চাল দগ্ধ, কৃষ্ণধূম কটু গন্ধসহ বিনির্গত হইতেছে। হাটে একটিও লোক নাই। পথে একটা কুকুরও পর্যন্ত দেখা গেল না। পুষ্করিণীতে কেহ স্নান করিতেছে না। বিহগসকলও কূজন ভুলিয়াছে।

    ক্রমশ হরিরামপুর পার হইয়া নবগ্রাম অতিক্রম করিয়া পুষ্পপুরে উপনীত হইয়া এই চিত্র আরও প্রকট হইয়া উঠিল। এ গ্রামে মনুষ্যমাত্রেরই অভাব পরিলক্ষিত হইল। পাঠান সৈন্যের ভয়ে কে কোথায় পলাইয়াছে। গৃহদ্বার সকলই উন্মুক্ত খাঁ খাঁ করিতেছে। কেহ কোথাও নাই। গোশালায় অলস মধ্যাহ্নে শুষ্কতৃণচর্বণরত গাভীও নাই। হয় তাহাদের কেহ লইয়া পলাইয়াছে, নয় পাঠানসৈন্য গবাদিপশুগুলিকে জবাই করিয়াছে।

    পুষ্করিণী হইতে জল লইয়া চিঁড়ার উপর জলসিঞ্চন করিয়া পদ্মাক্ষ এক অশ্বত্থবৃক্ষের তলে আহার করিতে বসিল। একটা ছন্ন বাতাস নদীতীর হইতে উঠিয়া আসিয়া এই পরিত্যক্ত মৃত গ্রামের পথে পথে ঝুঁকিতে ঝুঁকিতে চলিতেছিল। একটা শুষ্ক অশ্বত্থের পাতা সেই মন্থর বায়ুবেগে একটি দীর্ঘশ্বাসের ন্যায় নিঃশব্দে খসিয়া পড়িল। পদ্মাক্ষ ভাবিতেছিল, চন্দ্রদ্বীপের না-জানি কী অবস্থা! নদীতীরে তাহার সেই নির্জন কুটিরটি কি আর আছে? হয়তো পাঠান সৈন্য তাহার সে-কুটির জ্বালাইয়া দিয়াছে!

    এমন সময়ে কোথা হইতে একটা অস্ফুট ক্রন্দনের শব্দ পদ্মাক্ষকে চমকিত করিয়া দিল। কেহ যেন ফুঁপাইয়া ফুঁপাইয়া কাঁদিতেছে। সে ত্বরিতে উঠিল। কান্নার শব্দ অনুসরণ করিয়া এক গৃহপ্রান্তে উপস্থিত হইল।

    এ গৃহেরও কবাট অগ্নিদগ্ধ ভগ্ন হইয়া আছে। উঠানে একটা গোযানের চাকা ভগ্ন রথচক্রের ন্যায় পড়িয়া রহিয়াছে। ঘরদ্বার ধুলামলিন, চালের খড় ছিন্নভিন্ন, বিধ্বস্ত। পদ্মাক্ষ কোনোমতে দাওয়ায় উঠিয়া এক অর্ধনিমীলিত দ্বারপথ দেখিতে পাইল। দ্বার ঠেলিয়া সে দেখিল, প্রায়ান্ধকার কক্ষে কে এক কিশোরী বালিকা হাঁটুর উপর মস্তক রাখিয়া আকুলস্বরে ক্রন্দন করিতেছে।

    কিছুক্ষণ পরে মনুষ্যপদশব্দে চমকিত বালিকা মুখ তুলিয়া তাকাইল। তাহার অশ্রুপরিপ্লুত মুখ অমনই আতঙ্কে নীল হইয়া উঠিল, সে সভয়ে উচ্চৈঃস্বরে বলিয়া উঠিল, “আমাকে মারিও না গো, আমার কেহ নাই, সকলেই পলাইয়াছে, গৃহেও আর ধনসম্পদ কিছুমাত্র নাই। তোমার পায়ে পড়ি, আমাকে ছাড়িয়া দাও!”

    পদ্মাক্ষ বলিল, “ভয় নাই। আমি সামান্য পথিক, পাঠান সৈন্য নহি। তোমাদিগের গ্রামের পথ দিয়া যাইতেছিলাম। তোমার ক্রন্দনশব্দ শুনিয়া গৃহে প্রবেশ করিয়াছি। কী হইয়াছে?”

    কিশোরী অঞ্চলপ্রাপ্ত বক্ষের উপর টানিয়া বেশবাস সম্বৃত করিল। সামান্য আশ্বস্ত হইয়া সে ধীরে ধীরে বলিল, “পরশ্ব আমি ঘাটে গিয়াছিলাম। ফিরিতে বিলম্ব হইয়াছিল। ইতোমধ্যে পাঠান সৈন্য গ্রামে প্রবেশ করে। একের পর এক গৃহস্থ বাটী লুঠতরাজ করিয়া বহু গৃহে অগ্নি সংযোগ করিয়া চলিয়া যায়। ঘাট হইতে ফিরিবার পথে দূর হইতে এই তাণ্ডবলীলা দেখিয়া আমি ভয়ে সমস্ত দিন ইক্ষুখেতের ভিতর লুকাইয়া ছিলাম। তাহার পরদিন বাহির হইয়া আসিয়া গৃহে পৌঁছাই।”

    “আসিয়া কী দেখিলে?”

    “দেখিলাম, গৃহ লুণ্ঠিত, পিতা ভ্রাতা সকলেই কে কোথায় পলাইয়া গিয়াছে। পাঠানেরা গাভীগুলিকে বাঁধিয়া লইয়া গিয়াছে। গৃহে এক দানা শস্যও আর অবশিষ্ট রাখে নাই।”

    কিশোরী পুনরায় ক্রন্দন করিতে লাগিল। পদ্মাক্ষ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “তোমার নাম কী?”

    সে কাঁদিতে কাঁদিতে কহিল, “হৈমবতী।”

    পদ্মাক্ষ কহিল, “আমাকে ভয় করিও না। আমি ব্রাহ্মণ, চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের সভাকবি, নাম— পদ্মাক্ষ। চন্দ্রদ্বীপেই যাইতেছিলাম। পথিমধ্যে এইরূপ বিপদ,” তাহার পর আরও গম্ভীর হইয়া পদ্মাক্ষ বলিল, “দেখ, এ স্থলে এইরূপে বসিয়া বসিয়া ক্ৰন্দন করিলে কোনো লাভ হইবে না। আপাতত, চরবান্ধিয়া যাত্রা করিব। তুমি চাহিলে আমার সহিত আসিতে পারো।”

    হৈমবতী অবোধ হরিণীর ন্যায় তাহার দুইটি বড়ো বড়ো চক্ষু তুলিয়া পদ্মাক্ষের মুখপানে চাহিল। তাহার চাহনিতে সরল বিশ্বাস ছায়া ফেলিতেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }