Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২

    দুই

    কয়েকদিনের মধ্যেই প্রমোদন পুরন্দর চন্দ্রদ্বীপে উপনীত হইলেন। রাজসরকারে রাজস্বস্বরূপ আম ও ডাবগুলি জমা করিতে এক দিবস অতিবাহিত হইয়া গেল।

    রাজকীয় অতিথিশালায় পিতা-পুত্রের স্থান মিলিয়াছে। ব্রাহ্মণের সেবার জন্য পৃথক ব্যবস্থা আছে। ভাণ্ডার হইতে চাল, ডাল প্রভৃতি প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মিলে, পুরন্দর তাঁহার ও তাঁহার পুত্রের জন্য স্বপাক রন্ধন করেন। নূতন দেশ ও নূতন পরিবেশে কমলনয়ন মহা উৎসাহে ঘুরিয়া বেড়ায়। অতিথিশালার কক্ষসমূহে নানা দেশ হইতে অতিথি আসিয়াছে। কিশোর প্রাণ খুলিয়া সকলের সঙ্গে মিশে; তাহারাও এই কমনীয় কিশোরের সান্নিধ্য কামনা করে। যে যাহা দেয়, কিশোর কমলনয়ন তাহাই আহার করে, ইহাতে তাহার কোনো বাছবিচার নাই, যদিও এ সকল কথা পিতা প্রমোদন পুরন্দর জানেন না, জানিলে অনর্থ হইত।

    অতিথিশালার এক প্রান্তে ক্ষুদ্র অপরিসর একটি কক্ষে একজন বিচিত্র মানুষের সহিত কমলনয়নের সাক্ষাৎ হইল। লোকটির বয়স হইয়াছে; শরীরের আকৃতি মাঝারি এবং গাত্রবর্ণ গৌর। গোলাকার মুখমণ্ডলে চক্ষুদুইটি বংশপত্রের ন্যায় প্রলম্বিত, নাসা খর্ব। কপালে শ্বেতচন্দনের তিলক, মুখে হাসিটি লাগিয়াই আছে; সে-ব্যক্তি সদাই প্রসন্ন। শ্বেত বস্ত্রধারী, সঙ্গে একটি একতারা আছে, সেই একতারা সহযোগে মধ্যে মধ্যে গান করে। আর একটি ঝুলি আছে, তাহা হইতে খঞ্জনী বাহির করিয়াও বাজায়। কথাবার্তা বড়ো সুন্দর, সুমধুর বাকবিন্যাস। কমলনয়ন উহার নাম-পরিচয় জিজ্ঞাসা করিল, অতিথি বলিল, “আমার নাম বনমালী জমাতিয়া, আরও পূর্বে ত্রিপুর রাজ্য আছে, সেখানেই আমার নিবাস। সম্প্রতি নবদ্বীপ হইতে আসিতেছি।”

    ‘নবদ্বীপ’ কথাটি বলিবার সময়ে সে দুই হাত জোড় করিয়া কাহাকে যেন নমস্কার করিল। কমলনয়ন জিজ্ঞাসা করিল, “নবদ্বীপ গিয়াছিলেন কেন?”

    বনমালী বলিল, “নবদ্বীপ যে গৌরাঙ্গসুন্দরের লীলাস্থান। আমি সেই পুণ্যভূমির ধুলা গায়ে মাখিয়া ত্রিপুররাজ্যে ফিরিতেছি।”

    কমলনয়ন অবাক হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, “গৌরাঙ্গসুন্দর কে?”

    বনমালী বলিল, “নবদ্বীপে গোরা অবতার হইয়াছেন যে! স্বয়ং ভগবান রাধাভাবসুবলিত তনু ধরিয়া সেখানে প্রেম বিলাইয়াছেন। সে প্রেমের স্পর্শ নবদ্বীপের আকাশে-বাতাসে আজও লগ্ন হইয়া আছে—যে যাইতেছে, সেই-ই আণ্ডিল হইয়া ফিরিতেছে।” এই পর্যন্ত বলিয়া সে খঞ্জনী বাজাইয়া গান ধরিল-

    “প্রেমধন বিলায় গোরারায়।
    প্রেম কলসে কলসে ঢালে তবু না ফুরায়!
    চাঁদ, নিতাই ডাকে আয়! আয়! চাঁদ, গৌর ডাকে আয়!
    (ওই) শান্তিপুর ডুবুডুবু নদে ভেসে যায়।”

    গান গাহিতে গাহিতে বনমালীর দুই চক্ষু দিয়া জল পড়িতে লাগিল। কমলনয়ন অবাক হইয়া তাহাকে দেখিতেছিল। এ লোকটির এ কী দশা হইয়াছে? কমলনয়ন ভাবিতেছিল, সে কেমন লোক, যাঁহার কথা বলিতে বলিতে মানুষ প্রেমে পাগল হইয়া যায়, হাসে, কাঁদে, নাচে, গায়? বস্তুত, বনমালীর অকিঞ্চন ভাব ও নিঃসংকোচ ব্যবহার কিশোরকে যারপরনাই মুগ্ধ করিল।

    কমলনয়ন বুদ্ধিমান, তদুপরি তাহার সংস্কার শুদ্ধ সংস্কার। সে আভাসে বুঝিয়া লইল, নবদ্বীপ নিশ্চয়ই কোনো আশ্চর্য মানুষের স্পর্শে ধন্য হইয়াছে। সে বনমালীকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করিল, “আপনি যদি নবদ্বীপ এতই ভালোবাসেন, তবে নবদ্বীপ ছাড়িয়া দেশে ফিরিতেছেন কেন?”

    বনমালী কহিল, “আমি তো নবদ্বীপেই থাকিতে চাহিয়াছিলাম। কিন্তু মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ নিত্যানন্দপ্রভু আমাকে কহিলেন, বনমালী বাউল! তোমার মাতৃভূমিতে ফিরিয়া যাও। সেখানে আচণ্ডাল সকলের ভিতর হরিনাম বিলাইয়া দাও। এ যুগে হরিনাম মহামন্ত্র! দেখিও, কখনও ঈশ্বর ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না।”

    “আচ্ছা, আমি যদি কোনোদিন মহাপ্রভুর দেখা পাই, তিনি কি আমাকে বালক বলিয়া ফিরাইয়া দিবেন?” ব্যাকুলস্বরে কমলনয়ন প্রশ্ন করিল।

    বনমালী জমাতিয়া কিশোর কমলনয়নের চিবুক ধরিয়া আদর করিয়া কহিল, “তাহার নিকট বালক-বৃদ্ধ, পণ্ডিত-মূর্খ, ধনী-গরিব, জাত-কুজাত কোনো ভেদ নাই। তাঁহার দেখা পাইলে, তোমার এমন বালগোপালের ন্যায় সুন্দর প্রেমের চক্ষু, তোমাকে তিনি সবার আগে টানিয়া লইবেন। কিন্তু ইদানীং তাঁহার দেখা পাওয়া বড়ো কঠিন!”

    ‘দেখা পাওয়া কঠিন’ কথাটা কমলনয়ন ভালো করিয়া তলাইয়া দেখিল না। উদগ্র আবেগে সে জিজ্ঞাসা করিয়া ফেলিল, “আচ্ছা, সেই নবদ্বীপ কতদূর?”

    বনমালী হাসিয়া উঠিয়া কহিল, “কী গো? এখনই যাবে নাকি? নবদ্বীপ এখান হইতে বহুদুরে। সময় হউক, তিনি নিজেই তোমাকে টানিয়া লইবেন।”

    নিজকক্ষে প্রত্যাবর্তন করিয়া কমলনয়ন দেখিল, পিতা তখনও ফিরিয়া আসেন নাই। বেলা দ্বিপ্রহর হইয়াছে!

    বস্তুত, প্রমোদন পুরন্দর বড়োই বিপাকে পড়িয়াছেন। রাজা কন্দর্পনারায়ণের সহিত সাক্ষাতের ব্যবস্থা কোনোমতে করিতে পারিতেছেন না। চন্দ্রদ্বীপ পাঠান সৈন্যের দ্বারা আক্রান্ত। একবার লুঠতরাজ করিয়া পাঠান চলিয়া গিয়াছিল, পুনরায় তাহারা আরও লোকবল সংগ্রহ করিয়া ফিরিয়া আসিতেছে। রাজা প্রতিরক্ষার জন্য সৈন্য সাজাইতেছেন। দরবারে বসিবার সময় নাই। এমতাবস্থায় কীরূপে রাজার সহিত দেখা করিয়া নিজ নিবেদন জ্ঞাপন করা যাইতে পারে, সে-বিষয়ে রাজসভার বিশিষ্ট সদস্যদিগকে তদবির তদারক করিতে করিতে বৈষয়িক কর্মে সম্পূর্ণ অনভ্যস্ত নিরুপদ্রব পণ্ডিত প্রমোদন পুরন্দর নাজেহাল হইয়া যাইতেছেন। যাহা হউক, ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করিয়া উপযুক্ত সুযোগের নিমিত্ত অপেক্ষা করা ছাড়া গত্যন্তর নাই।

    কয়েকদিন পর সেই সুযোগ মিলিল। পুরন্দর তাঁহার পুত্র কমলনয়নকে লইয়া রাজসভার মধ্যে উপস্থিত হইলেন। দেখিলেন, সভা সভাসদে পরিপূর্ণ, কিন্তু রাজা তখনও আসেন নাই। ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদিগের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে পুরন্দর ও কমলনয়ন উপবেশন করিলেন।

    কিছুক্ষণ পর রাজা কন্দর্পনারায়ণ সভামধ্যে প্রবেশ করিলেন। বন্দীগণ সুর করিয়া রাজার আগমনবার্তা জ্ঞাপন করিল। সিংহাসনে আসিয়া আসীন হওয়ামাত্রই, অমাত্যদিগের কেহ কেহ তাঁহার নিকটে গমন করিয়া কী যেন বলিতে লাগিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সভার কার্য আরম্ভ হইল।

    আলাপ, আলোচনা, মন্ত্রণা দীর্ঘক্ষণ ধরিয়া চলিতে লাগিল। এইরূপে অর্ধপ্রহর অতিবাহিত হইয়া গেল। এতক্ষণ পুরন্দর স্থির হইয়া বসিয়া ছিলেন। কমলনয়ন কিন্তু অস্থির হইয়া উঠিয়াছে। তাহার সঙ্গে একটি তালীপত্রের পুথি আছে। উহা তাহার রচিত শ্লোকভাণ্ডার। উহা হইতেই শ্লোক পাঠ করিয়া রাজাকে শুনাইবে। কমলনয়ন বারংবার তালীপত্রের পুথিটি খুলিয়া স্বরচিত শ্লোকগুলি দেখিতেছিল।

    সভার প্রধান প্রধান কার্য শেষ হইলে পর রাজার দৃষ্টি ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদিগের উপর গিয়া পড়িল। এক-একজন ব্রাহ্মণ পণ্ডিত আহুত হইতে লাগিলেন এবং প্রত্যেকে তাঁহার অন্তরের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিতে লাগিলেন। অবশেষে প্রমোদন পুরন্দরের ডাক পড়িল।

    তাঁহাকে দর্শন করিয়া রাজা যুক্তকরে নমস্কার জ্ঞাপন করিলেন। তাহার পর পুরন্দর কথা আরম্ভ করিবেন, এমন সময়ে একজন অমাত্য রাজার অতি নিকটে গমন করিয়া অস্ফুট স্বরে কী যেন বলিতে লাগিল। রাজা অমাত্যের সহিত কিছুক্ষণ আলোচনায় মগ্ন হইয়া গেলেন। দূর হইতে তাঁহাদিগের আলোচনা কী বিষয়ে, তাহা অনুধাবন করা গেল না, তথাপি পুরন্দরের মনে হইল, আসন্ন পাঠান আক্রমণ লইয়াই আলোচনা চলিতেছে। রাজার মুখমণ্ডল চিন্তামগ্ন, কী যেন অমঙ্গল আশঙ্কায় তিনি মহাভাবিত হইয়া পড়িয়াছেন। পুরন্দর দাঁড়াইয়াই রহিলেন, তাঁহার পার্শ্বে কমলনয়ন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করিতে লাগিল।

    এক দণ্ড পর আলাপ অবসিত হইলে, রাজা সেই চিন্তামগ্ন অবস্থাতেই প্ৰমোদন পুরন্দরকে কথা বলিবার নির্দেশ দিলেন। অবস্থা দেখিয়া পুরন্দর প্রমাদ গণিলেন। এমতাবস্থায় কমলনয়নের কবিতার প্রসঙ্গ প্রথমেই উত্থাপন করিবেন কীরূপে? সময় অল্প; প্রথমেই কাজের কথা বলিয়া ফেলা যাউক। এইরূপ ভাবিয়া পুরন্দর ধীরে ধীরে তাঁহার মনোবাঞ্ছা নিবেদন করিলেন। তিনি বৃদ্ধ হইয়াছেন। সর্বদা অধ্যাপনাকর্মে নিযুক্ত থাকায় তেমন অবসরও পান না। প্রতি বৎসর চারি-পাঁচ দিন নৌপথে এতদূর আসিয়া করস্বরূপ বাগানের ফলগুলি জমা করা সম্প্রতি কঠিন হইয়া পড়িয়াছে। পরিবর্তে যদি উনসিয়া গ্রামেই বসবাসরত রাজার প্রতিনিধির হস্তে ফলগুলি অর্পণ করিবার অনুমতি পান, ইত্যাদি।

    রাজা কন্দর্পনারায়ণ পুরন্দরের কথা শুনিয়া কিঞ্চিৎ গম্ভীরভাব ধারণ করিলেন। তৎপশ্চাৎ অতি দৃঢ় স্বরে বলিলেন, “না। তাহা কোনোমতেই হইতে পারে না। এই সামান্য ফলকর দিবার উপলক্ষ্যে বৎসরান্তে আপনার একবার দর্শন পাই। আপনি তাহাতেও বঞ্চিত করিতে চাহেন, তাহা কিন্তু হইবে না।”

    পুরন্দর আরও দুই-একবার তাঁহার বক্তব্য যুক্তিসহকারে উপস্থাপনা করিবার প্রয়াস পাইলেন। রাজার কিন্তু সেই এক কথা। রাজকর চন্দ্রদ্বীপে আসিয়াই প্রদান করিতে হইবে, অন্য উপায় নাই।

    পুরন্দর ইহাতে বড়ো নিরাশ হইয়া গেলেন। এদিকে রাজার দৃষ্টি কমলনয়নের উপর আসিয়া পড়িল। প্রসঙ্গ পরিবর্তন করিবার উদ্দেশ্যে তিনি পুরন্দরকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “এ কিশোর কে? আপনার পুত্র?”

    পুরন্দর বলিলেন, “হ্যাঁ। উহার নাম—” এমন সময়ে কমলনয়ন পিতার হস্ত ধরিয়া ইঙ্গিত করিল। পুরন্দর বলিলেন, “উহার নাম মধুসূদন। উহার উপর আমার অনেক আশা। বাল্যেই কবিত্বশক্তি অর্জন করিয়াছে। এক্ষণে আপনাকে তাহার দুই- একটি কবিতা শুনাইতে চায়।”

    রাজা কী যেন ভাবিলেন। বোধহয় ভাবিতেছিলেন, ব্রাহ্মণ সহজ পথে কার্যোদ্ধার হইল না দেখিয়া, এখন পুত্রের কবিতা শুনাইয়া আমাকে প্রীত করিতে চান, যাহাতে আমি সন্তুষ্ট হইয়া তাঁহার আবেদন মঞ্জুর করি। কিন্তু তাহা হইবে না। রাজা মুখে বলিলেন, “সম্প্রতি আমি রাজকার্যে বড়ো ব্যস্ত। আজ তো সময় হইবে না। সময়ান্তরে উহার কবিতা শুনিব।”

    পিতা-পুত্র নিতান্ত ভগ্নমনোরথ হইয়া রাজসভা হইতে অতিথিশালায় ফিরিয়া আসিলেন। ব্রাহ্মণের অনুরোধ রাজা রাখিলেন না। ইহাতে পুরন্দর নিতান্ত ব্যথিত হইয়াছেন। কবিতা শুনাইবার সুযোগ পাইল না দেখিয়া কমলনয়নও খুবই আশাহত হইয়াছে।

    আরও দুই-একদিন এইরূপেই কাটিল। তাহার পর আবার একদিন রাজদর্শনের সুযোগ আসিল। পুরন্দর পুত্র কমলনয়নের হাত ধরিয়া পুনরায় রাজসভায় উপনীত হইলেন। দেখিলেন, রাজা একইরকম চিন্তামগ্ন।

    চিন্তা হইবে নাই বা কেন? পাঁচ পুরুষ ধরিয়া নিঃসপত্ন রাজ্য ভোগ করিলে যাহা হয়। রাজ্য যে কখনও বিদেশি শত্রুর কবলিত হইতে পারে, সে-সম্ভাবনাই চিন্তার মধ্যে স্থান পায় নাই। ‘রাজা’, ‘রাজা’ বলিতেছি, কিন্তু কন্দর্পনারায়ণকে কি আর ‘রাজা’ বলা যায়? ক্ষুদ্র চন্দ্রদ্বীপ রাজ্য, তাহারই ভূস্বামী! পুরুষানুক্রমে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সামান্য গোলযোগ মিটাইয়া, প্রজাদের নিকট হইতে কর গ্রহণ করিয়া ভোগসুখে নিমগ্ন হইয়া ছিলেন। এক্ষণে অশ্বারূঢ়, খরতরবারিহস্ত পাঠান সৈন্যের সম্মুখে থরথর করিয়া কাঁপিতেছেন!

    যাহাই হউক, পিতা-পুত্রকে দর্শন করিয়া, কমলনয়নের উদ্দেশে কন্দর্পনারায়ণ বলিলেন, “কই কী কবিতা রচনা করিয়াছ, শুনাও দেখি।”

    কমলনয়ন অতি আগ্রহে পুথি খুলিয়া পড়িতে আরম্ভ করিল :

    “পিনাক-ফণী-বালেন্দু-ভস্ম-মন্দাকিনীযুতা।
    প-বর্গরচিতা মূর্তিঃ অপবর্গপ্রদাহস্তু নঃ।।

    পিনাক অর্থাৎ ত্রিশূল, ফণী অর্থাৎ সর্প, বালেন্দু অর্থাৎ চন্দ্রকলা, ভস্ম অর্থাৎ ছাই, মন্দাকিনী অর্থাৎ গঙ্গাধারা—প-বর্গের এই পাঁচটি বর্ণ প, ফ, ব, ভ, ম-দ্বারা রচিত শিবের মূর্তি আমাদিগের মুক্তি বিধান করুক।”

    রাজা বলিলেন, “বাহ, বেশ হইয়াছে!”

    কমলনয়ন আরও পড়িল :

    “গ্রামগুলিকে নদী গ্রাস করিয়া লয়, নদীগুলিকে সাগর গ্রাস করিয়া লয়, সাগরকে গ্রাস করিয়া লয় রাতের অন্ধকার। কিন্তু প্রলয়কালে অন্ধকারকে গ্রাস করিয়া লয় কে?”

    রাজা কহিলেন, “উত্তম! তাহার পর?”

    কমলনয়ন পড়িল, “কে এক বালিকা পূজাশেষে নদীর ঘাটে ফুলদল ভাসাইয়া দিয়া গেছে। নদীর স্রোতে পুষ্পপল্লব ভাসিয়া চলিতেছে। দূরে নীল গগনও যেন এক নদী, উহার উপর দিয়া শ্বেতকরবীর পাপড়ির ন্যায় মেঘখণ্ডসমূহ ভাসিয়া যাইতেছে। আমার জীবন ওই পুষ্পদলের ন্যায় কোন্ স্রোতে ভাসিয়া চলিতেছে? কোন্ ঘাটে গিয়া লাগিবে?”

    রাজা শিরশ্চালন করিয়া মন্তব্য করিলেন, “ভালোই তো হইয়াছে।”

    কমলনয়নের মনে কিন্তু অসন্তোষের একটা দুর্নির্ণেয় বাষ্প জমা হইতেছিল। কী এক প্রকার সন্দেহ মনের ভিতর উঠি-উঠি করিতেছিল। রাজা কি প্রকৃতই তাহার কবিতা মন দিয়া শুনিলেন? ‘বেশ হইয়াছে, ভালোই হইয়াছে’—ইহাই কি কবিতার প্রকৃত মর্মগ্রহণ? ইহা তো তাহার কবিতা লইয়া প্রকৃত আলোচনা নহে, মুগ্ধতার প্রকৃষ্ট অভিব্যক্তিও নহে। ইহা মামুলি প্রশংসামাত্র। কবিতা যদি সত্যই রাজার হৃদয় স্পর্শ করিত, তবে এইরূপ কাজচলা গোছের কথা কি বলিতে পারিতেন?

    কবিতা শ্রবণ করিয়া রাজা কিঞ্চিৎ সহজভাব প্রাপ্ত হইয়াছেন দেখিয়া প্রমোদন পুরন্দর আবার একবার পূর্বকথা পাড়িলেন। যদি কোনোক্রমে উনসিয়া গ্রামের রাজপ্রতিনিধির নিকট ফলকর প্রদান করা যায়, তাহা হইলে এত পথ এ প্রৌঢ়দশায় আর আসিতে হয় না। রাজা এইবারও কঠিন হাস্য করিয়া বলিলেন, “আমি তো আপনাকে পূর্বেই বলিয়াছি, ইহা হইতে পারে না। আমি আপনার প্রস্তাবে সম্মত নহি। কেন বারংবার একই অনুরোধ করিতেছেন?”

    নিরস্ত হইয়া প্রমোদন পুরন্দর পুত্রসহ অতিথিশালায় ফিরিয়া আসিলেন।

    সেইদিন বৈকালবেলায় কমলনয়ন পিতাকে জিজ্ঞাসা করিল, “তাত! আমরা কবে গ্রামে প্রত্যাবর্তন করিব?”

    “দেখি, আর দুই চারিদিন অপেক্ষা করিব ভাবিতেছি।”

    “কীসের জন্য অপেক্ষা করিবেন, তাত?”

    “যদি কোনোক্রমে রাজাকে সম্মত করানো যায়…”

    “না, তাত! রাজা সম্মত হইবেন না। আপনিও এইরূপে বারংবার আবেদন- নিবেদন করিয়া রাজার কৃপাভিক্ষা করিবেন না। উহা ব্রাহ্মণের অপমান, মনুষ্যত্বের অপমান! নিজেকে আপনি আর অসম্মানিত করিবেন না। কাল প্রাতেই আমরা উনসিয়ার উদ্দেশে নৌকায় আরোহণ করিব।”

    পুরন্দর সচমকে পুত্রের মুখপানে চাহিলেন। দেখিলেন, কমলনয়নের মুখে আত্মসম্মানের কী একপ্রকার আভা খেলা করিতেছে। তাহার অধরোষ্ঠ দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় সংবদ্ধ হইয়া আছে।

    পুরন্দর মুখ ফিরাইয়া লইলেন। অতিথিশালার বাতায়নপথে সুদূরের দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া ধীরে ধীরে কহিলেন, “অগত্যা..”

    পরদিন প্রভাতবেলায় নৌকা ছাড়িয়া দিল। দেখিতে দেখিতে চন্দ্রদ্বীপ ছাড়াইয়া নদীপথে মধ্যস্রোতে নাও ভাসিয়া চলিল। পুরন্দরের মন ভারাক্রান্ত হইয়াছে। রাজা তাঁহার অনুরোধ রাখেন নাই, ইহাতে তত দুঃখ নাই। কিন্তু উপর্যুপরি অনুরোধ করিবার পরও তাঁহার মুখের উপর কেহ যে আবেদন প্রত্যাখ্যান করিতে পারে, ইহা তিনি কখনও ভাবেন নাই। সরল ব্রাহ্মণ, সংসারের কুটিল গতি কখনও জানিতেন না, সমস্ত জীবন শাস্ত্রের ছিন্ন পুথিগুলি লইয়া কাল কাটাইয়াছেন, শিষ্য-প্রশিষ্য গ্রামস্থ সকলেই তাঁহাকে সম্মান করিয়াছে, ধনিকের দুয়ারে প্রার্থী হইয়া দাঁড়াইলে যে এতদূর আত্মাবমাননা ভোগ করিতে হয়, তাহা তাঁহার অজানিত ছিল। তদুপরি রাজসভার কলুষিত পরিবেশে তাঁহার চিত্ত মলিন হইয়াছিল। অন্যমনস্ক হইয়া পদ্মার ঘোলা স্রোতের দিকে ব্রাহ্মণ তাকাইয়া ছিলেন।

    নৌকার অপরধারে কমলনয়ন কিন্তু আরও গম্ভীর হইয়া বসিয়া ছিল। তাহার মুখভাবে কোনো সম্ভাপ ছিল না, দৃষ্টি অতি তীক্ষ্ণ, কী যেন অন্বেষণ করিতেছে। অধর ওষ্ঠকে চাপিয়া ধরিয়াছে, যেন অন্তরে কী ঝড় চলিতেছে, সেই ঝড়ের ভিতর একলক্ষ্যে মনস্থির হইয়া আছে। কমলনয়ন নিজেকে প্রশ্ন করিতেছিল, “কেন আমি রাজদরবারে কবিতা শুনাইবার জন্য গিয়াছিলাম? কেন আমি কবিতা লিখিয়া একে ওকে শুনাইবার জন্য ফিরি?” মন হইতে উত্তর উঠিতেছিল, “আমার কবিতা অন্যের হৃদয়কে স্পর্শ করিয়াছে জানিতে পারিলে আমার চিত্তের প্রসাদ হয়, তাই আমি অন্যকে আমার রচনা শুনাইবার প্রয়াস করিয়া থাকি।” কমলনয়ন পুনর্বার নিজেকে প্রশ্ন করিল, “ইহা কি মনুষ্যের ভজনা নহে? ইহা কি অন্যের দাসত্ব নহে?”

    স্মৃতিপথে বনমালী বাউলের কথা জাগিয়া উঠিতে লাগিল। তাহাকে নবদ্বীপের সেই প্রেমঘন পুরুষ বলিয়াছিলেন, “কখনও ঈশ্বর ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না।”

    কমলনয়নের মনে হইল, রাজাকে কবিতা শুনাইতে যাওয়া দাসত্ব করা মাত্র। কাহাকেও নিজ রচনা শুনানোর অর্থ, সেই ব্যক্তির দাসত্ব করা। যাহাকে কবিতা শুনাইতেছি, তাহার একটি প্রশংসা আমাকে সুখী করিয়া দিতে পারে, আবার তাহার একটি সমালোচনা আমার হৃদয়কে ব্যথিত করিয়া তুলিতে পারে। তখন আমি তো অন্যের হস্তের পুত্তলিকা মাত্র। অন্যে আমাকে যেমন নাচাইতেছে, আমি তেমনই নাচিতেছি।

    কমলনয়ন যাহা ভাবিতেছিল, তাহাই যে সর্বদা সত্য, এমন নহে। সহৃদয় ও সমানুভবী ব্যক্তির নিকট নিজ রচনা পাঠ করিলে সেই রচনাকে আরও একবার নূতন করিয়া দেখিবার সুযোগ হয়। সহৃদয় ব্যক্তির মন্তব্য রচনা সংশোধনের উপায় করিয়া দেয়। সেক্ষেত্রে রচয়িতা অবশ্যই উপকৃত হন। কিন্তু এ সকল কথা তখন কিশোর কবির চিত্তে উদিত হয় নাই। একে অল্প বয়স, তদুপরি রাজা তাহার কবিতার যথাযথ ভাবগ্রহণ করেন নাই, ফলতঃ কিশোরের চিত্ত অভিমানে ফুলিতেছিল।

    অন্যদিকে পিতার বারংবার রাজসভায় প্রার্থী হইয়া দণ্ডায়মান হওয়া কমলনয়নের জাগ্রত আত্মসম্মানবোধকে পীড়িত করিতেছিল। মনে হইতেছিল, পিতা পুত্র উভয়েরই অপমান হইয়াছে। উভয়কেই রাজা প্রত্যাখ্যান করিয়াছেন। কমলনয়ন মনে মনে বলিল, “আমি আর কাহারও দাসত্ব করিব না। দাসত্ব যদি করিতেই হয়, তবে একমাত্র ঈশ্বরের দাসত্ব করিব। কবিতা যদি শুনাইতে হয়, তবে একমাত্র ঈশ্বরকে শুনাইব।” ভাবিতে ভাবিতে কমলনয়নের দৃষ্টি পার্শ্বে রক্ষিত সেই তালীপত্রের পুথির উপর গিয়া পড়িল। “মনুষ্যের তৃপ্তিসাধন করিবার জন্য কী ছার কাব্য রচনা করিয়াছি!” কমলনয়নের মনের ভিতর কে যেন এই কথা বলিয়া উঠিল। তালীপত্রের পুথিটাকে যেন কলুষিত মনে হইতে লাগিল। নিতান্ত ঘৃণ্যবস্তুর ন্যায় পুথিটিকে বামহস্তে ধারণ করিয়া দুরত্ত আবেগে কমলনয়ন উহাকে নদীমধ্যে নিক্ষেপ করিল। সুকুমার কবিতার অনুপম ছন্দোবল্লরী স্রোতোবক্ষ সামান্য সংক্ষুব্ধ করিয়া পদ্মার সর্বগ্রাসী অতল গহ্বরে মুহূর্তে ডুবিয়া গেল।

    জলশব্দে চমকিত হইয়া পুরন্দর ঘাড় ফিরাইয়া পুত্রের এই অস্বাভাবিক কাণ্ড দেখিয়া উত্তেজিত হইয়া বলিলেন, “কী করিলি রে? সরস্বতীর প্রসাদ নদীতে ফেলিয়া দিলি?”

    কমলনয়ন অতি শান্তস্বরে বলিল, “হাঁ ফেলিয়া দিলাম। আজ এই মুহূর্তে স্থির করিলাম, আমি কবি হইব না। ভক্ত হইব। ঈশ্বরের শরণ লইব। নবদ্বীপে তিনিই গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুরূপে অবতীর্ণ হইয়াছেন। আমি তাঁহারই চরণ আশ্রয় করিব। তন্নিমিত্ত গৃহত্যাগ করিয়া নবদ্বীপ যাত্রা করিব। আপনি অনুমতি দিন।”

    পুরন্দর ভাবিলেন, ইহা বালকের আবেগের কথা। কয়েকদিন গত হইলে সব ভুলিয়া যাইবে। তিনি কিছু না-বলিয়া চুপ করিয়া রহিলেন। কিন্তু কমলনয়ন বারংবার একই কথা বলিতে লাগিল। সেইদিন, তাহার পরদিন, পরাপরদিন যখনই পিতা- পুত্রের বাক্যালাপ হয়, সব কথাবার্তা ঘুরিয়া ফিরিয়া সেই এক কথায় আসিয়া ঠেকে। কমলনয়ন গৃহত্যাগ করিয়া নবদ্বীপ যাইতে চায়। শেষে পুরন্দর বলিলেন, “আচ্ছা! গৃহে চলো, তোমার জননী রহিয়াছেন, গৃহত্যাগ করিবার পূর্বে তাঁহারও তো অনুমতি লওয়া আবশ্যক।” এই কথা শুনিবামাত্র কমলনয়ন চকিতে পিতার চরণ ধরিয়া বলিল, “তবে পিতঃ! বলুন— আপনার সম্মতি আছে?” পুরন্দরের হৃদয় রাজসভার ব্যাপারে বিপর্যস্ত ছিল, পুত্রকে বুঝাইবার মতো মানসিক শক্তি অবশিষ্ট ছিল না, তিনি ক্ষণেক নীরব থাকিয়া বলিলেন, “আচ্ছা, তাহাই হইবে।”

    তাঁহার অনেক কথা মনে পড়িতেছিল। সেসকল তাঁহার জীবনের প্রথম পর্বের কথা। প্রথম জীবনে তাঁহার গৃহত্যাগী হইয়া অনিকেত জীবন কাটাইবার বড়োই বাসনা ছিল। কিন্তু তাহা হইল না। জীবন কাটিয়া গেল, সংসারের কুলালচক্রে বাঁধা পড়িয়া গেলেন। বার্ধক্য আসিয়া পড়িল, তবু সে ঘর ছাড়িয়া ঈশ্বরকে স্মরণ করিয়া পথে নামিবার বাসনা পূর্ণ হইল না। আর এখন এই বালক নিতান্ত অপরিণত বয়সে ঈশ্বরাশ্রিত জীবনের পথে বাহির হইতে চলিল। কী আশ্চর্য! এ জীবন-প্রহেলিকার কী অর্থ, পদ্মার প্রবহমান স্রোতোরাশির ভিতর প্রৌঢ় পুরন্দর উদাসমনে তাহাই খুঁজিতে লাগিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }