Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২২

    বাইশ

    তুলসীদাসের বিচারসভা হইবার কয়েকদিন পর মঠে এক নিদারুণ সংবাদ আসিয়া আছড়াইয়া পড়িল। কেদারঘাটে শতাধিক হিন্দু তীর্থযাত্রীর উপর বিধর্মীরা হামলা করিয়াছে। দুই-একজন মাত্র আহত হইয়া বাঁচিয়া আছে, বাকিরা স্ত্রী-পুরুষ-শিশু সকলেই নির্বিচারে নিহত হইয়াছে।

    কাশীর বাহিরে এইরূপ ঘটনা মধ্যে মধ্যে ঘটে—পূর্বে শ্রুতিগোচর হইত বটে, কিন্তু একেবারে বারাণসী নগরে প্রকাশ্য দিবালোকে এরকম হত্যাকাণ্ড উপর্যুপরি অনুষ্ঠিত হইতেছে, এমন শুনা যায় নাই। বহু বৎসর পূর্বে দশাশ্বমেধ ঘাটে কমলনয়ন একবার এইরকম হত্যাদৃশ্যের সাক্ষী হইয়াছিল, তাহার পর এতদিন কাশীর পরিবেশ শান্তই ছিল। কিন্তু ইদানীং ইহা বাড়িয়াই চলিতেছে। কয়দিন পর আবার মণিকর্ণিকায় হামলা, তাহার পর অসিঘাটে, হরিশচন্দ্র ঘাটে একই কাণ্ড ঘটিতে লাগিল। নিরীহ হিন্দু তীর্থযাত্রীদের উপর বিধর্মী মুসলমান আক্রমণকারীরা কোথা হইতে যেন অশ্বারূঢ় হইয়া আসিয়া ঝাঁপাইয়া পড়ে। লুঠপাট, স্ত্রী-হরণ, হত্যাকাণ্ডে স্থানটি নরক হইয়া উঠে।

    ইহার কী প্রতিকার? ভাবিতে ভাবিতে কমলনয়ন মঠের অলিন্দে উন্মত্তবৎ ঘুরিয়া বেড়ায়। অসহায়ের ন্যায় মাথা ঝাঁকাইতে থাকে, কখনও প্রচণ্ড ক্রোধে রগের দুইপাশে শিরা ফুলিয়া উঠে, কখনও স্কন্ধের উপর শিরোদেশ একপার্শ্বে হেলিয়া থাকে। তথাপি,কোনো সিদ্ধান্তে আসিতে পারে না। কোনো সরলীকৃত সমাধান তাহাকে শান্তি দেয় না। সে জানে, সে সন্ন্যাসী; অসহায় প্রজাপুঞ্জের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রাজার, তাহার নয়। কিন্তু মন ইহা মানিয়া লইতে চাহে না, একটা প্রতিকারোপায় খুঁজিবার চেষ্টা করে। দুই সম্প্রদায়ের ভিতর কীরূপে যে সমঝোতা হইতে পারে, ভাবিয়া পায় না। এমন সময়ে একদিন এক অতিথি মঠে আসিলেন।

    কমলনয়ন ঘরে বসিয়া লিখিতেছিল; তাহার শিষ্য বলভদ্র আসিয়া সংবাদ দিল, এক রাজকীয় পুরুষ মঠে আসিয়াছেন। শিবমন্দিরে প্রণাম নিবেদন করিয়া কমলনয়নের অনুসন্ধান করিতেছেন। তিনি কে, তাহার পরিচয় তিনি কাহাকেও দেন নাই। শুধু বলিতেছেন, আচার্য মধুসূদন সরস্বতী উপস্থিত হইলে তবেই আত্মপরিচয় দিবেন। কমলনয়ন সব শুনিয়া দ্রুত প্রস্তুত হইয়া মঠের প্রাঙ্গণে নামিয়া আসিল। দেখিল, কোনো রাজা-মহারাজাই হইবেন। সঙ্গে লোক-লস্কর, রক্ষী-সান্ত্রী – ছত্রধারী প্রভৃতি রহিয়াছে। আগন্তুক ব্যক্তি দীর্ঘাকার, গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল গৌর, স্কন্ধের উপর চাঁচর কেশ আসিয়া পড়িয়াছে। পরনে বহুমূল্যবান বস্ত্র বাঙালি ধরনে পরা এবং গাত্রে চাপকানের উপর একটি সুদৃশ্য কাশ্মীরী শাল বিলম্বিত। চিবুক ও ভূযুগ ঈষৎ গর্বোন্নত, মুখমণ্ডল গোলাকার, নিখুঁতভাবে কামানো কিন্তু ওষ্ঠের উপর চাড়া গুল্ফ আছে। গালে গালপাট্টা; গণ্ডদেশ ও চক্ষুর নিম্নভাগ স্ফীত। চক্ষু দুইটি আরক্তিম, তাহাতে স্বভাববশতই যেন কী একপ্রকার ক্রোধময় বহ্নিজ্বালা খেলা করিয়া বেড়াইতেছে। অথচ তাহার আননের হাসিটি পঞ্চমবর্ষীয় শিশুর ন্যায়। দেখিয়া মনে হয়, অহংকৃত স্বেচ্ছাচারী অথচ তেজস্বী একটি বালক।

    পরস্পর অভিবাদন বিনিময়ের পর আগন্তুক ব্যক্তি মন্দ্রস্বরে নিজ পরিচয় জ্ঞাপন করিলেন। বলিলেন, “আমি যশোহরের রাজা প্রতাপাদিত্য। সম্প্রতি তীর্থদর্শন মানসে কাশী আসিয়াছি।”

    প্রতাপাদিত্য? কমলনয়নের মনে পড়িল :

    “যশোর নগর ধাম          প্রতাপাদিত্য নাম,
    মহারাজ বঙ্গজ কায়স্থ;
    নাহি মানে পাতসায়           কেহ নাহি আঁটে তায়,
    ভয়ে যত ভূপতি দ্বারস্থ!”

    সেই প্রতাপাদিত্য? ইঁহার কথা কমলনয়ন পূর্বেই শুনিয়াছে। বঙ্গদেশে মুঘল শাসনের বিরোধিতা করিয়া যে-বিদ্রোহীগণ বারো ভুঞা নামে পরিচিতি পাইয়াছে, প্রতাপাদিত্য তাহাদের অন্যতম। ইনি অত্যন্ত স্বাধীনতাপ্রিয় ও যুদ্ধবাজ—ইহা কমলনয়ন পূর্বেই শুনিয়াছিল। কিন্তু তাহার সহিত ইঁহার কী যোগ? তাহার কাছে ইনি কেন আসিলেন, কমলনয়ন তাহা বুঝিতে পারিল না।

    বোধহয় কমলনয়নের মনোগত সংশয় ধরিতে পারিয়া প্রতাপাদিত্য বলিয়া উঠিলেন, “আপনার জন্মভূমি কোটালিয়া পরগনার উনসিয়া গ্রাম আমার রাজ্যসীমার মধ্যেই পড়ে। ইতোমধ্যেই আপনার খ্যাতি দেশময় পরিব্যাপ্ত হইয়াছে। আমিও আপনার কথা অনেক শুনিয়াছি। তাই দর্শন করিতে আসিলাম,” এই পর্যন্ত বলিয়াই অপেক্ষাকৃত নিম্নস্বরে বলিলেন, “আপনার সঙ্গে আমার বিশেষ প্রয়োজন আছে। এখানে অনেক লোক। গঙ্গার উপর এক বজরায় আমি অবস্থান করিতেছি, আপনি কি একবার তথায় চরণধূলি দিবেন? কথা আছে।”

    কমলনয়ন প্রতাপাদিত্যের আমন্ত্রণে সম্মত হইল।

    দুই-একদিন পর গঙ্গার ঘাটে প্রতাপাদিত্যের লোক কমলনয়নকে ডিঙানৌকায় তুলিয়া বজরার সমীপে লইয়া গেল। বজরায় প্রবেশ করিবার পর প্রতাপাদিত্য যে- কক্ষে অবস্থান করিতেছিলেন, কমলনয়ন এক রক্ষীর দ্বারা তথায় নীত হইল। কমলনয়ন দেখিল, রাজসিংহাসনে বসিয়া প্রতাপাদিত্য তাহারই অপেক্ষা করিতেছেন। প্রতাপাদিত্য কমলনয়নকে আর-একটি সিংহাসনে বসিতে অনুরোধ করিলেন। আসনে উপবেশন করিয়া কমলনয়ন জিজ্ঞাসুনেত্রে রাজার মুখপানে চাহিয়া অপেক্ষা করিতে লাগিল।

    অভিবাদনান্তর প্রতাপাদিত্য কথা আরম্ভ করিলেন, “আপনি হয়তো আমার কার্যধারার বিষয়ে সম্যক অবগত আছেন।”

    কমলনয়ন বলিল, “কিছু কিছু কথা লোকমুখে প্রবাদাকারে শুনিয়াছি মাত্র।”

    “উত্তম। আমার উদ্দেশ্য হইল, বঙ্গদেশকে কেন্দ্র করিয়া এক অখণ্ড হিন্দুরাষ্ট্র সংঘটিত করা। দিল্লীতে মহাবল মুঘল সম্রাট, ইহারা বিধর্মী মুসলমান। ইহাদের হস্ত হইতে আমি হিন্দু সম্প্রদায়কে মুক্ত করিতে চাই।”

    কমলনয়ন বলিল, “মুসলমান মুঘল সম্রাট যদি দেশে সুশাসন স্থাপন করেন, তবে পৃথক হিন্দুরাজ্য গঠনের প্রয়োজন থাকিবে কি?”

    প্রতাপাদিত্য উত্তেজিত হইয়া পড়িতেছিলেন। কিন্তু দ্রুত সেই উত্তেজনা সংযত করিয়া অধর ওষ্ঠে চাপিয়া ধরিয়া বলিলেন, “প্রথমত, মুঘল অধিকারে দেশে সুশাসন হওয়া প্রায় অসম্ভব, আর তা ছাড়া হিন্দুরাই বা কেন চিরকাল মুসলমান রাজার অধীনে থাকিবে?”

    কমলনয়ন অকম্পিত কণ্ঠস্বরে কহিল, “আপনি আমার কথায় কিছু মনে করিবেন না। ইহাই যদি আপনার উদ্দেশ্য হয়, তবে পাঠান আমলে আপনার পিতা ও আপনি বশ্যতা স্বীকার করিয়াছিলেন কেন? পাঠানও তো মুসলমান!”

    “উহা একটা রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিল মাত্র। উহার উদ্দেশ্য ছিল শক্তি সংগ্রহ করা। আমার পিতা বিক্রমাদিত্য ও খুল্লতাত বসন্ত রায় পাঠান বাদশাহ দাউদ খাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারী ছিলেন বটে। আমিও প্রথম যৌবনে কতলু খাঁর পক্ষাবলম্বন করিয়া মুঘলদিগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়াছি—তাহাও সত্য। মানসিংহ বঙ্গাধিপ হইয়া আসিলে আমি যে মুঘলের বশ্যতা স্বীকার করি, তাহার একমাত্র কারণ—মানসিংহ হিন্দু। কিন্তু মানসিংহের পর এখন ইসলাম খাঁ শাসন করিতে আসিতেছে। আর আমি ইহার বশ্যতা স্বীকার করিব না। পাঠান সাম্রাজ্যের পর এইবার দেশে হিন্দুরাজত্ব ফিরিয়া আসিবেই।” প্রতাপাদিত্য পিঞ্জরাবদ্ধ ব্যাঘ্রের ন্যায় ছটফট করিয়া কথা বলিতেছিলেন।

    কমলনয়ন শান্তস্বরে বলিল, “হিন্দুশাসনেই যে দেশে সর্বাঙ্গীন শান্তি প্রতিষ্ঠা পাইবে, ইহা কি নিশ্চিত?”

    প্রতাপ হাসিয়া বলিলেন, “সর্বাঙ্গীন শান্তি’ একটা কথার কথা মাত্র। উহার তেমন কোনো অর্থ নাই। অন্তত রাজনীতি বিষয়ে। তবু অরাজকতা কমিয়া আসিবে। আর দেশের লোক শান্তিতে নিঃশ্বাস ফেলিয়া জানিবে, তাহারা মুসলমানের লবণ ভক্ষণ করিতেছে না। মাথার উপর হিন্দু রাজা রাজত্ব করিতেছে।”

    “কিন্তু ইহা তো আপনার স্বপ্ন!” কথাটা বলিবার সময়ে কমলনয়ন ‘আপনার’ কথাটার উপর জোর দিয়া বলিল। অর্থাৎ যাহা আপনার ব্যক্তিগত স্বপ্ন, দেশের সকল হিন্দুরা তাহা সহসা দেখিতে শুরু করিবে কেন? অন্যদের এ স্বপ্ন দেখাইবার কী অধিকার আপনার আছে? .

    প্রতাপাদিত্য সে-কথার অভিপ্রায় বুঝিতে পারিলেন না। তিনি উত্তেজিত হইয়া বলিলেন, “স্বপ্ন নয়। ইহাই বাস্তব হইবে। আমি ইহা স্পষ্ট দেখিতে পাইতেছি।”

    ইহাকে বুঝানো মুশকিল! হিন্দুরাজ্যের পিপাসা ইঁহাকে খাইয়া বসিয়াছে। কমলনয়ন মুহূর্তে আলোচ্য প্রসঙ্গ হইতে মনকে সরাইয়া লইয়া এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ লোকটাকে লইয়া খেলা করিতে চাহিল। প্রতাপাদিত্যকে আরও উত্তেজিত করিবার ইচ্ছায় বলিয়া বসিল, “আপনি একা কী করিতে পারেন?”

    প্রতাপ এইবার হুংকার দিয়া বলিয়া উঠিলেন, “আমি একা নহি। আমার একান্ত বন্ধু জমিদার শংকর চক্রবর্তী এবং মহাবলশালী সূর্যকান্ত গুহ একত্র হইয়াছি। মুঘলের বিরুদ্ধে আমরা শীঘ্রই ফাটিয়া পড়িব। তাহা ব্যতীত আরাকান অধিপতিও আমার পক্ষাবলম্বন করিয়াছেন। এই আরাকানের মগ রাজার মৈত্রী লাভ করিবার জন্য আমি কী করিয়াছি, জানেন?”

    কমলনয়ন প্রশ্ন করিল, “কী?”

    “আরাকানরাজের চিরশত্রু হইল পর্তুগিজ কার্ভালো। অমি তাহাকে আতিথ্যদানের অভিনয় করিয়া নিজ রাজধানীতে টানিয়া আনিয়া হত্যা করিয়াছি। আরাকানরাজের নিকট কার্ভালোর ছিন্নশির উপহার পাঠাইয়াছি। এখন আরাকানরাজ আমাদের সহিত মুঘল সম্রাটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে প্রস্তুত।” এই বলিয়া প্রতাপ ক্রূর হাস্য করিতে লাগিলেন। তাঁহার সুন্দর মুখ বীভৎস দেখাইতে লাগিল।

    কমলনয়ন মনে মনে বলিল, তোমার যে দেখি গুণের ঘাট নাই! মুখে বলিল, “তাহাও যেন হইল, কিন্তু মহাবলশালী মুঘল সম্রাটের সঙ্গে লড়িবার উপায় আপনার হাতে কী আছে?”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “কেন? আমার পিয়ারা, মহলগিরি, ঘুরাব, পাল, মাচোয়া, পশত, ডিঙ্গি, গছাড়ি, বালাম, পলওয়ার, কোচা—সব আছে!”

    কমলনয়ন জিজ্ঞাসা করিল, “এইগুলি কী?”

    “এইগুলি হইল রণতরী। আমার উৎকৃষ্ট যুদ্ধ জাহাজের সংখ্যা কত জানেন? দশ হাজারেরও অধিক। এই রণতরীগুলি এক দুর্ধর্ষ পর্তুগিজ কর্মচারী ফ্রেডারিক ভুডলীর অধীন। আমার সৈন্যবাহিনী ঢালী, অশ্বারোহী, তীরন্দাজ, গোলন্দাজ, নৌসৈন্য, গুপ্তসৈন্য, রক্ষিসৈন্য, হস্তিসৈন্য—এই আট বিভাগে বিভক্ত। কে আমার মোকাবিলা করিতে পারিবে? ‘ষোড়শ হলকা হাতী, অযুত তুরঙ্গ সাতী, বায়ান্ন হাজার যার ঢালী!” হাঃ হাঃ হাঃ!!” হাসিতে হাসিতে প্রতাপাদিত্য চাড়া গোঁফে তা দিতে লাগিলেন।

    কমলনয়নের মনে হইল, একটি অপরিণামদর্শী বালক সগর্বে তাহার খেলার সামগ্রীগুলি দেখাইয়া ফিরিতেছে। যাহাই হউক, আর কথা না-বাড়াইয়া বলিল,

    “আমাকে ডাকিয়াছেন কেন? আমি কী করিতে পারি?”

    “আপনি আমার সহায় হউন। আপনাকে বহু বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি দিতেছি। আপনি দেশে ফিরিয়া আসুন। দেশে বসিয়া অধ্যাপনা করুন। আপনি বঙ্গদেশে আসিয়া বসিলে কাশী হইতে ছাত্ররা দলে দলে বঙ্গদেশে শিক্ষালাভ করিতে যাইবে। যশোহর দ্বিতীয় মগধ হইবে—যশোহর নবদ্বীপ ও বারাণসীর যশ হরণ করিয়া লইবে।”

    “আমি বারাণসীধামে বিশ্বনাথচরণে পড়িয়া আছি। এখানেই বিদ্যাচর্চা ও সাধনার তীর্থ!”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “কাশীতে পড়িয়া থাকিবেন কেন?”

    কমলনয়ন প্রতিপ্রশ্ন করিল, “আপনি কাশীধামে আসিয়াছেন কেন?”

    প্রতাপাদিত্য হাসিয়া বলিলেন, “তীর্থ করিতে।”

    সে-উত্তর যে কতই ফাঁকা, কমলনয়নের বুঝিতে বিলম্ব হইল না। তীর্থবাসনা মোটেই নয়, প্রতাপাদিত্যের নির্ঘাত অন্য উদ্দেশ্য আছে। শক্তি সংগ্রহ করা, দেশীয় রাজাদের স্বপক্ষে টানিয়া আনা। ইহাই হইবে। তীর্থদর্শন ছলমাত্র।

    প্রতাপাদিত্য আবার বলিলেন, “কাশীতে থাকিয়া কী হইবে? এখানে তো হিন্দুরা উপদ্রুত। দেখিতেছেন না, কাশীর ঘাটে ঘাটে অসহায় নিরীহ তীর্থযাত্রীরা মোল্লাদিগের হস্তে কেমন নৃশংসভাবে খুন হইয়া যাইতেছে। ইহার প্রতিকারার্থ আপনারা হিন্দু সাধুরা কী করিতে পারিতেছেন?”

    সহসা প্রতাপাদিত্যের কথায় কমলনয়নের বুকের ভিতর যেন একটা বৃহৎ কাঁসার ঘণ্টায় আঘাত পড়িল। কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া সে বলিল, “অনেক ভাবিয়াছি। কিন্তু কোনো প্রতিকারোপায় দেখিতেছি না।”

    “আপনারা কেবল ভাবিয়াই চলেন। আর আমি কার্য করিয়া দেখাই। আমার হস্তে ইহার প্রতিকার আছে!”

    “কী প্রতিকার?”

    “তবে, শুনুন। কাশী আমার রাজ্য নহে। এখানে প্রকাশ্যে আমার শাসন চলিবে না। কিন্তু প্রকাশ্যে না হইলে, গোপনে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠিলে, আঙুল বাঁকাইতে হইবে…”

    “বাঁকা আঙুলটাই বা কী?”

    “কাশীতে একদল সশস্ত্র গুপ্তঘাতক রাখিয়া যাইতে পারি। ইহারা মোল্লাদিগকে দেখিলেই কচুকাটা করিবে।”

    কমলনয়ন ভিতরে ভিতরে শিহরিয়া উঠিল। কিন্তু বাহিরে সেই ভাব বুঝিতে দিল না। বলিল, “সকল মুসলমানই আক্রমণকারী নয়। অনেক নিরীহ মুসলমান নরনারী আছেন। আর যাহারা আক্রমণ করে, তাহারাও প্রকৃত মুসলমান নয়। আক্রমণ কিংবা হত্যা সকল ধর্মাচরণের বিরোধী—সে হিন্দুই হউক, মুসলমানই হউক। আপনার দ্বারা নিযুক্ত গুপ্তঘাতকের দল মুসলমান-নামধারী আক্রমণকারীদের সহিত নির্বিচারে বহু সাধারণ শত শত নিরীহ মুসলমানদিগকেও হত্যা করিবে। ইহা তো অতি অসঙ্গত!”

    প্রতাপাদিত্য উত্তেজিত হইয়া বলিলেন, “ও! আর মোল্লারা যখন নির্বিচারে হিন্দু নরনারী বধ করে, তখন?”

    কমলনয়ন উত্তর দিল, “ইহা তো নিতান্ত শিশুর মতো কথা হইল। তুই কেন উহার উপর উৎপাত করিতেছিস? না, সে আগে আমার উপর উৎপীড়ন করিয়াছিল! ইহা তো কোনো সমাধান হইল না। তাহা হইলে তো পারস্পরিক হত্যাকাণ্ড অনন্তকাল ধরিয়া চলিতেই থাকিবে। কোনো মীমাংসা হইবে না।”

    “ইহা ছাড়া আর উপায় কী?”

    “না, ইহা আমি মানিতে পারি না। ইহাতে আততায়ীর স্তরে নামিয়া যাওয়া হয়। যাহারা আক্রমণ করিতেছে, তাহারা ইহাই তো চাহিতেছে। যাহাতে আমরা তাহাদের স্তরে নামিয়া গিয়া প্রতি-আক্রমণ করি। আমরা ফিরিয়া তাহাদের আক্রমণ করিলে তাহাদের উদ্দেশ্যসিদ্ধি হইবে। দেশে অবাধ অরাজকতা নামিয়া আসিবে এবং উহারা লুটিয়া-পুটিয়া খাইবে।”

    প্রতাপাদিত্য চক্ষু কুঞ্চিত করিয়া কমলনয়নকে দেখিতেছিলেন। পরে বলিলেন, “এই যুক্তি অবলম্বন করিলে তো দেশের বাহির হইতে বহিরাক্রমণকারীরা আসিলেও তাহাদের ঠেকানো উচিত হইবে না। হাস্যকর যুক্তি!”

    কমলনয়ন এইবার সামান্য উত্তেজিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, “কে বহিরাক্রমণকারী?”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “কেন? মুসলমানরা বহিরাক্রমণকারী!”

    কমলনয়ন বলিল, “মুসলমানদিগেকে এক্ষণে আর বহিরাক্রমণকারী ভাবা ঠিক হইবে না। চারিশত বৎসর পূর্বে যাহারা উন্মুক্ত তরবারি হস্তে ভারতভূমে অশ্বপৃষ্ঠে প্রবেশ করিয়াছিল, তাহারা বহিরাক্রমণকারী ছিল ঠিকই। কিন্তু সেদিন গিয়াছে। পূর্বযুগের আক্রমণের দুঃস্বপ্নস্মৃতি লইয়া আজিকার ভারতবর্ষকে দেখিলে চলিবে না। ইতোমধ্যে মুসলমানরা ভারতদেহে একাত্ম হইয়া যাইতেছে।”

    “কেমন করিয়া যে একাত্ম হইল। মুসলমানরা সর্বভাবে হিন্দুদের বিপরীত নয় কি?”

    কমলনয়ন ধীরে ধীরে বলিল, “আজ যাহারা মুসলমান, গত পরশু তাহারা হিন্দু ছিল এবং গতকল্য তাহারা মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হইয়াছে।”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “তবে তো দোষ উহাদেরই। উহারা স্বধর্ম ত্যাগ করিল কেন?”

    “না, দোষ উহাদের নয়। দোষ আমাদের, এই উচ্চবর্ণের হিন্দুদের। নিম্নবর্গীয় হিন্দুদিগকে আমরা অস্পৃশ্য করিয়া রাখিয়াছিলাম, তাহাদিগকে সকল মনুষ্যোচিত অধিকার হইতে বঞ্চিত করিয়া রাখিয়াছিলাম বলিয়াই তাহারা মুসলমান হইয়াছে।”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “সে যাহাই হউক। মুসলমানগণ হিন্দুদিগের বিরোধী। অতএব, হিন্দুরাও নিশ্চেষ্ট হইয়া বসিয়া থাকিতে পারে না।”

    কমলনয়ন ক্লান্ত স্বরে বলিল, “আপনার কথা মানিতে পারিলাম না। এই বিরোধ স্বাভাবিক নহে। এই বিরোধ একশ্রেণীর মানুষ আপন স্বার্থ চরিতার্থ করিবার মানসে ইচ্ছা করিয়া বাঁধাইয়াছে। যেখানেই এই সাম্প্রদায়িক হামলা হইতেছে কিংবা যাহারাই এই হামলা বাঁধাইতেছে, তাহাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতের এক শ্রেণীর মানুষের উপর আর-এক ধর্মান্তরিত মানব গোষ্ঠীকে উত্তেজিত করিয়া তুলা। ইহা বস্তুত এক ভ্রাতার দেহে অন্য ভ্রাতার অস্ত্রাঘাত। ইহাতে আরব, ইরান, তুরস্ক কাহারও প্ররোচনা নাই। ইহা একটা ক্ষমতার খেলা, একটা রাজনৈতিক অভিসন্ধি ব্যতীত অন্য কিছু নহে!”

    প্রতাপাদিত্য এসকল কথার কিছুই বুঝিলেন না। তিনি ব্যঙ্গবিদ্রূপের স্বরে কহিলেন, “মুসলমান কবে আমাদের ভাই হইল?”

    কমলনয়ন দেখিল, বিষ গলা অবধি পৌঁছাইয়াছে। উহাকে আর নামানো যাইবে না। বিষক্রিয়ায় মৃত্যু সুনিশ্চিত। কে প্রতাপাদিত্যকে বুঝাইতে সমর্থ? কে কবে প্রতাপাদিত্যদের বুঝাইতে পারিয়াছে? সে শুধু তিক্ত নিরাসক্ত স্বরে বলিল, “গুপ্তহত্যার পরামর্শে আমার কিছুমাত্র সম্মতি নাই।”

    প্রতাপাদিত্য বলিলেন, “বেশ। তবে আপনাদের মঠটিকে রক্ষা করিবার জন্য কিছু সৈন্য রাখিয়া যাই?”

    “না, প্রয়োজন নাই। অসহায় হিন্দু তীর্থযাত্রীদের যাহা হইবে, আমাদেরও তাহাই হউক। আমরা বিশেষ সুবিধা চাহি না।”

    “তাহা হইলে আপনি আমার নিকট হইতে কিছু দান গ্রহণ করুন।”

    “তাহারও প্রয়োজন নাই। বিশ্বনাথের কৃপায় আমাদিগের বেশ চলিয়া যাইতেছে।”

    “তবে মঠের সংস্কারসাধনের জন্য কিছু গ্রহণ করুন।”

    “উহাও প্রকারান্তরে আমারই লওয়া হইবে। প্রয়োজন নাই।”

    “তবে আপনাদিগের মঠের সন্নিকটস্থ চৌষট্টি ঘাটটি বাঁধাইয়া দিই?’

    “তাহা করিতে পারেন। তাহাতে লোকসাধারণের বড়োই উপকার হইবে।”

    “বেশ তাহাই করিয়া দিব। কিন্তু আপনি আমার কথাটা ভাবিয়া দেখিবেন, যদি কখনও যশোহর আসিয়া বসবাস করেন…” প্রতাপাদিত্য অনুনয় করিয়া বলিলেন।

    “এখন তো ওইরূপ কিছু ভাবি নাই। ভবিষ্যতে সেরূপ সিদ্ধান্ত করিলে আপনাকে নিশ্চয়ই স্মরণ করিব।”

    আর কোনো কথা হইল না। কমলনয়ন ধীরে ধীরে বজরা হইতে ডিঙায় নামিয়া আসিল।

    .

    কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (১৮শ শতক) সন্ন্যাসী মধুসূদন সরস্বতী (১৬শ শতক) বা কমলনয়নের বহু পরে জন্মেছিলেন। তা সত্ত্বেও এখানে কমলনয়ন এবং প্রতাপাদিত্যের মুখে যে ভারতচন্দ্রের কবিতা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কেবল রসসৃষ্টির তাগিদে। এটি লেখকের সচেতন অ্যানাক্রনিজম্।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }