Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ৩১

    একত্রিশ

    মাটির বেড়ার উপর খড়ের চালে সন্ধ্যামালতীর ঝাড় পল্লবিত হইয়া রহিয়াছে। বেড়ার গায়ে সেই আগের মতোই বাড়ির প্রধান ফটক। ফটকের সম্মুখে বাঁশঝাড় আরও ঘন হইয়াছে। বাঁশবাগানের ভিতর ক্ষুদ্র পুষ্করিণী শৈবালদামে আচ্ছন্ন হইয়া আছে। এইসব অতিক্রম করিয়া কমলনয়ন ফটক দিয়া গৃহপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করিল। কে একজন অল্পবয়সি বধূ প্রাঙ্গণ ঝাঁট দিতেছে। কমলনয়নকে দেখিয়াই ঘোমটা টানিয়া ঘরের ভিতর চলিয়া গেল।

    এইবার আর পদব্রজে নয়, ডুলিতে করিয়া কমলনয়ন বৃন্দাবন হইতে উনসিয়া আসিয়াছে। আসিতে প্রায় এক পক্ষকাল লাগিয়া গেল। পথে মধুমতী নদীটি পড়িল। এবার তো আর অপ্রসিদ্ধ পথে আসে নাই, প্রসিদ্ধ পথেই আসিয়াছে। খেয়ানৌকায় মধুমতী পার হইল। পুনরায় ডুলি। বুকের ভিতর কৃষ্ণকিশোর তাহার অঙ্গে অঙ্গে লাগিয়াই আছে। এতটা পথ; তবু পথশ্রমে ক্লান্ত হয় নাই। মনের ভিতর কেমন একটা নির্ভরতা ও প্রফুল্লতার ভাব।

    কমলনয়ন গৃহাঙ্গণে অপেক্ষা করিতেছিল। কিছুক্ষণ পর এক বৃদ্ধ বাহির হইয়া আসিলেন। যাদব। দাদা এত পরিণত বয়স্ক হইয়া গিয়াছে? প্রথমে কমলনয়নকে চিনিতে পারে নাই। বোধহয় ভাবিয়াছিল, গৈরিক ভাষায় পরিহিত কোনো ভিক্ষাপ্রার্থী সন্ন্যাসী। তাহার পর চিনিতে পারিয়া একেবারে জড়াইয়া ধরিল।

    “কমলনয়ন? তুই আসিয়াছিস? আমি যে কল্পনাও করিতে পারিতেছি না। সেই আসিলি, কিন্তু কত বিলম্ব করিয়া আসিলি রে! পিতা-মাতা উভয়েই স্বর্গগমন করিয়াছেন। আয়, গৃহের ভিতরে আয়। প্রাঙ্গণে দাঁড়াইয়া থাকিস না।”

    দাদার সহিত কমলনয়ন ঘরের ভিতরে গেল। পিতা-মাতার স্বর্গারোহণের সংবাদে মন দমিয়া গেল। এইরূপই কিছু অনুমান করিয়াছিল। কিন্তু তাহা যে সাক্ষাৎ শুনিতে হইবে, ভাবে নাই।

    এই ঘর! শৈশবের কত স্মৃতি যে এসব কক্ষের সঙ্গে জড়ানো! ওই বাতায়নপার্শ্বে বসিয়া একদিন ধাতুপাঠ মুখস্থ করিত। এখন ভাবিলে অবাক লাগে। পিতা নিকটে বসিয়া শুনিতেন। কখনো-কখনো বাতায়নপথে চাহিয়া দেখিতে পাইত, জননী পুকুরঘাট হইতে ওই কাঠালগাছটার ছায়ায় স্নানান্তে ঘটকক্ষে ফিরিতেছেন। কাঁঠালগাছটা এখনও একইরকম আছে। মা যে কোথায় লুকাইল!

    কমলনয়নের চক্ষুদুটি কী এক অননুভূতপূর্ব বেদনায় ভিজিয়া আসে।

    বলিল, “যিনি প্রাঙ্গণ ঝাঁট দিতেছিলেন, উনি কে? চিনিলাম না তো!”

    যাদব মৃদু হাস্যে বলিল, “সে অনেক কথা। কাশী হইতে দেশে ফিরিয়া অধ্যাপনা করিতেছি। দুয়েকটি শিষ্য জুটিল। মন্দ হইতেছে না। পিতামাতা প্রয়াণ করিলেন। বড়ো একা হইয়া গেলাম।”

    “এত বড়ো গৃহে তুমি একা?”

    “একাই তো। কেহ নাই। নিজে স্বপাক রাঁধিয়া খাই। তাহাতে দুঃখ ছিল না। কাশীতে বিশ্বেশ্বর সরস্বতীর নিকট সন্ন্যাসের দুয়ার অবধি তো গিয়াছিলাম। মনে ভাবিতাম, গৃহে সন্ন্যাসীভাবেই থাকিব। সন্ন্যাস হয় নাই তো কী হইয়াছে? সে-জীবন তো ঘনিষ্ঠভাবে প্রত্যক্ষ করিয়াছি। ঈশ্বর ব্যতীত অন্য কাহারও উপর নির্ভর করিতাম না। গৃহদেবতার পূজা, দুয়েকটি ছাত্রের অধ্যাপনা আর নিজের সাধনভজন লইয়াই ছিলাম।”

    “আহা! দাদা, তোমার একান্তবাসের কথা শুনিয়া আমারই লোভ হইতেছে।”

    “হাঁ রে! ভালোই ছিলাম। কিন্তু একদিন দ্বিপ্রহরবেলায় এক কাণ্ড হইল।”

    “কী কাণ্ড?”

    “দেখিতেছি কি, আমাদিগের গৃহসংলগ্ন উদ্যান হইতে কে একটি বালিকা ফুল পাড়িতেছে। এত ফুল লইতেছে দেখিয়া আমি বলিলাম, কে তুমি এত ফুল তুলিয়া লইয়া যাইতেছ? তাহা হইলে আমার পূজা হইবে কী প্রকারে? কিন্তু সেই বালিকা আমার কথায় কর্ণপাতও না করিয়া ফুল তুলিতে লাগিল।”

    “কী আশ্চর্য! তুমি একটা পরিণতবয়স্ক মানুষ, আর সে একটি ক্ষুদ্র বালিকা। তা সত্ত্বেও তোমার কথা শুনিল না?”

    “না, শুনিল না। তখন আমি তাহাকে ভয় দেখাইবার নিমিত্ত পরিহাসচ্ছলে বলিলাম, তুমি যদি আমার কথা না-শুন, তবে আমি তোমাকে বিবাহ করিয়া লইব।”

    “হাঃ হাঃ হাঃ! তখন সে থামিল?”

    “কই থামিল? আমি দুইবার, তিনবার তাহাকে বারণ করিলাম। সে তিনবারই আমার কথা অগ্রাহ্য করিল। তিনবারই আমি তাহাকে ভয় দেখাইবার নিমিত্ত, তোমাকে বিবাহ করিয়া লইব, বলিলাম।”

    “তাহার পর?”

    “আমি তিনবার ওই কথা বলামাত্র বেড়ার আড়াল হইতে বালিকার পিতা বাহির হইয়া আসিয়া আমার চরণযুগল জড়াইয়া ধরিল।”

    “কী উদ্দেশ্য?”

    “আরে, আমি তো আর জানি না বালিকার পিতা বেড়ার আড়ালে থাকিয়া আমার কথা শুনিয়াছে। সে-ব্যক্তি আমার চরণ জড়াইয়া কাঁদিতে কাঁদিতে বলিল, আমি সব শুনিয়াছি। আপনি ব্রাহ্মণ। ত্রিসত্য করিয়াছেন। আপনার কথা মিথ্যা হইতে পারে না।”

    “কী মুশকিল!”

    “মুশকিল বলিয়া মুশকিল! আমি যতই বলি, ও কথা আমি পরিহাসচ্ছলে বলিয়াছি, বালিকার পিতা ততই বলিতে থাকে, আপনি সত্য অঙ্গীকার করিয়াছেন। এক্ষণে সত্যরক্ষার্থ আপনার আমার কন্যাকে বিবাহ করা উচিত।”

    “হে প্রভু!”

    “জানি না, কী প্রভুর ইচ্ছা! আমাকে শেষাবধি সম্মত হইতেই হইল। কথা দিলাম, আমি তাহার কন্যাকে বিবাহ করিব। কিন্তু তখন আর-এক গোল বাঁধিল।”

    “কী হইল?”

    “দেখা গেল, কন্যাটি সর্বসুলক্ষণা হইলেও, তাহারা নীচু শ্রেণীর ব্রাহ্মণ। আমি তো কন্যাটিকে বিবাহ করিলাম, কিন্তু এই লইয়া গ্রামের অন্যান্য ব্রাহ্মণগণ আমাদের একঘরে করিয়া রাখিয়াছে।”

    “তবে তো সমস্যা! তোমাদের চলিতেছে কীরূপে?”

    “ওই চলিয়া যাইতেছে। ঈশ্বর যেমন রাখিয়াছেন, তেমনই আছি।”

    “তবে এই প্রাঙ্গণ-মার্জনকারিণীই আমার ভ্রাতৃবধূ?”

    “ঠিকই ধরিয়াছিস। উহার নাম নিস্তারিণী। এই নিস্তারিণী হইতে আমি আবার এক পুত্রসন্তান লাভ করিয়াছি। তাহার নাম গৌরীদাস।”

    “আচ্ছা!! সে কোথায়?”

    “ঘরে ঘুমাইতেছে। এখনও তোর আগমন সংবাদ পায় নাই। আমাদিগের জ্ঞাতিগণ তো আমাদের একঘরে করিয়াছে। এদিকে তোর বউঠাকুরানি উত্তেজিত হইয়া জ্ঞাতিদিগের উদ্দেশে সদর্পে এক কথা বলিয়া বসিয়াছে।”

    “কী বলিয়াছেন?”

    “বলিয়াছে, আপনারা তো আমাদের ঠেকো করিলেন। কিন্তু দেখিব আমার পুত্রকে আপনারা কীরূপে ঠেকাইতে পারেন। আমার পুত্র কৃতবিদ্য হইয়া আপনাদের সকল অভিযোগের উত্তর দিবে।”

    “বলো কী?”

    “হাঁ রে! এখন ওই এক কাজ। পুত্রটিকে উপযুক্ত বিদ্যায় শিক্ষিত করিয়া তুলা। যাহাতে আমাদের পিতা প্রমোদন পুরন্দরের পাণ্ডিত্যের ধারা সজীব হইয়া থাকে।”

    “দাদা, কী আশ্চর্য! তুমি একদিন সন্ন্যাসী হইতে গিয়াছিলে। কিন্তু বিধাতার ইচ্ছা অন্যরূপ। তোমাকে কৌশলে সংসারে ধরিয়া রাখিলেন।”

    “তাহাই বটে!” এই বলিয়া যাদব কী যেন ভাবিতেছিল। তাহার পর সহসা খুবই সংকুচিত হইয়া সভয়ে বলিল, “কমলনয়ন! তুই তো সন্ন্যাসী—মায়িক সম্বন্ধের অতীত! তোর কি আমাদের গৃহে অবস্থান করা চলিবে?”

    কমলনয়ন বলিল, “দাদা! আমার সেসব সংস্কার উড়িয়া পুড়িয়া গিয়াছে। তবে আমার সহিত কৃষ্ণকিশোর আছে। আমাদের ভিটার সংলগ্ন বহির্বাটীতে অবস্থান করিলেই সুবিধা হয়।”

    যাদব অবাক হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, “কৃষ্ণকিশোর কে?”

    তখন কমলনয়ন ফতেহপুরের শিশোদিয়া রাজপুত পরিবার হইতে কৃষ্ণকিশোরকে আনয়ন প্রভৃতি তাহার সকল কথাই দাদাকে বলিল। বক্ষবিলগ্ন ঝুলির ভিতর হইতে কৃষ্ণকিশোরকে বাহির করিয়া যাদবকে দেখাইলও।

    যাদব সব শুনিয়া চমৎকৃত। ভাবিতে লাগিল, প্রেমের আকর্ষণে কে কোথায় যে বাঁধা পড়ে!

    তাহার পর সে বিস্ময়ের ভাব অপসারিত করিয়া যাদব শশব্যস্তে বলিল, “সে তো হইল। কিন্তু দেখ, এত কথা কহিলাম, তোর তো এখনও খাওয়াই হয় নাই।”

    কমলনয়ন দ্রুত বলিল, “না, দাদা, আমি তো স্বপাক করিয়া কৃষ্ণকিশোরকে ভোগ দিই। তাহার পর কৃষ্ণের প্রসাদ গ্রহণ করি।”

    এই কথা বলিবামাত্রই গৃহের অন্তরাল হইতে সুবিনীত কিন্তু মধুর নারীকণ্ঠ ভাসিয়া আসিল, “সেটি হইবে না। অন্তত আজিকার দিনটিতে সেবা করিবার অধিকার দিতে হইবে। আমি ঠাকুরের ভোগ রাঁধিয়া পাঠাইয়া দিতেছি। কাল হইতে না হয় স্বপাক।”

    যাদব এই কথার সস্মিত সম্মতিজ্ঞাপন করিয়া কমলনয়নের দিকে চাহিল। তাহার পর কহিল, “তবে আর দেরি নয়। পুকুরঘাট হইতে ডুব দিয়া আয় দেখি। বেলা হইয়াছে।”

    কত কত যুগ পর কমলনয়ন খেজুরের মাজা দিয়া প্রস্তুত শৈশবের সেই প্রাচীন পুকুরের ঘাট বাহিয়া জলে নামিল। জলতল নিঃসাড় হইয়া শুইয়া আছে। কমলনয়নের গাত্রে ঘা দিয়া গম্ভীর ভারী ঢেউগুলি সেই শান্ত জলতলের উপর দিয়া পরপারের দিকে চলিয়া গেল। পুকুরের চারিপাশে তেঁতুল, আম ও কাঁঠালের গাছগুলি জড়ামড়ি করিয়া দাঁড়াইয়া আছে। চারিদিক নিস্তব্ধ। মাথার উপর নীল আকাশটা উপুড় হইয়া শুইয়া আছে। জলের উপর শেওলার দল নাচিতেছে। সেই শৈবালদাম সরাইয়া কমলনয়ন দেখিল স্বচ্ছ শীতল নীরে উপরের আকাশের ছায়া পড়িয়াছে। মনে হইল, যেন একটা অঙ্গুরীয়কের রত্নের উপর চোখ রাখিলে তাহার ভিতরটা যেমন অনড় স্বচ্ছ দেখায়, এ পুষ্করিণীর জলতলও সেইরূপ। দুই হস্তে জলের উপরিতল সরাইয়া কমলনয়ন জলের ভিতর ডুব দিয়া চোখ খুলিল। সেই সুদূর বাল্যকালে এইরূপ খেলা খেলিত। আজও সেইরূপ করিল। দেখিল, পুকুরের নিম্নে জলস্তর শৈশবেরই ন্যায় সবুজ অন্ধকার দেখাইতেছে। আর সেই আঁধার পটভূমিকায় জলের বুদ্বুদ নীচ হইতে উপরে উঠিতেছে। যত উপরে উঠে, তত তাহাদের আয়তন বিবর্ধিত হইয়া যায়। ভাবিতেছিল, তাহার জীবনও কি ওইরূপ নয়? সে যেন জীবনের একটুখানি বাতাস। এ গ্রামের নিস্তরঙ্গ জীবনবৃত্তের নিম্নে সে চাপা পড়িয়াছিল। তখন সে ক্ষুদ্র; তাহার পর তাহার জীবনের বাতাস ওই বুদ্বুদেরই ন্যায় ধীরে ধীরে আয়তনে বিবর্ধিত হইয়া উপরে উঠিতেছে। যতক্ষণ না উপরের বায়ুস্তরের সহিত মিলিয়া অসীম হইয়া যায়, ততক্ষণ তাহার মুক্তি নাই।

    ঘাট হইতে স্নান সারিয়া ফিরিতে ফিরিতে তাহার মনে হইল, এই তাহার গ্রাম। পুকুর হইতে ফিরিবার এই আম-কাঁঠাল-তেঁতুলের ছায়ায় ছাওয়া পথ দিয়া যুগের পর যুগ তাহার পুর্বপুরুষগণ মধ্যাহ্নবেলায় স্নানান্তে ফিরিয়া আসিয়াছেন। তাঁহাদের পদচিহ্নের উপাখ্যান পুকুরের পাড় হইতে মুছিয়া গিয়াছে। এই যে সে ভিজা পায়ে পুকুরপাড় দিয়া চলিয়া যাইতেছে, এক মুহূর্ত পরেই তাহারও সিক্ত পদচিহ্ন মুছিয়া যাইবে। তবু এই মুহূর্তটি একান্ত মিথ্যা নহে। ইহা পূর্বজদিগের উপাখ্যানের অনুষঙ্গে রচিত নুতন একটা অধ্যায়। এইসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাখ্যানের অস্ফুট কলিকা লইয়াই এক-একটি আখ্যানপুষ্পের গুচ্ছ, উপাখ্যানমঞ্জরী রচিত হইতে চলিল। কোনো পুথিতে ইহা লিখিত হইয়া রহিবে না, ইহা রহিয়া যাইবে মানবমনের আলো-অন্ধকারময় নিশাভাগে। পুকুরের জলতলে যেমন সবুজ অন্ধকার স্তম্ভিত হইয়া আছে, তেমনই সমষ্টি মানবের চিত্তের অন্তরতম প্রদেশে এমনই কত কথাকাব্য অদৃশ্য অক্ষরে লিখিত হইয়া রহিয়াছে। উহাতে পিতা প্রমোদন পুরন্দর কিংবা তাঁহার পূর্বপুরুষদের কথা যেমন লিপিবদ্ধ আছে, তেমনই কমলনয়নের জীবনেতিহাসও ইহাতে লিপিবদ্ধ হইতেছে, আবার দাদা যাদবের পুত্র গৌরীদাসের কথাও উহাতেই লিপিবদ্ধ রহিবে। মানব উহা সচেতনভাবে পাঠ করে না ঠিকই, কিন্তু অগণিত অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়া, প্রভাতের আলো, সায়াহ্নের অন্ধকার, মধ্যরাত্রির নৈঃশব্দ্য, মধ্যদিনের নিরাকার রৌদ্রের ধারার ভিতর দিয়া, ওই সকল অনাদি অতীতের কথামঞ্জরী মানবের মনে নিরাসক্ত উদাস ভঙ্গিমায় প্রবেশ করিয়া থাকে; মানুষ জানে না কবেকার কোকিলের ডাক, কবেকার শিউলি ফুলের গন্ধ, কবেকার দুরাকাশ হইতে নামিয়া আসা নক্ষত্রের আলোক তাহার চিত্তের ভিতর, তাহার সত্তার ভিতর প্রবেশ করিয়া মিশিয়া যাইতেছে। উহাই তো মানবের সম্পূর্ণ ইতিহাস! পুথির পাতায় আর কী জ্ঞান থাকে? উহা তো মানবের চিন্তার খণ্ড খণ্ড প্রকাশ। উহার জীবনীশক্তি বড়ো অল্প। উহা লেখনীপ্ৰসূত কিংবা মস্তিষ্কপ্রসূত হইতে পারে, কিন্তু উহা রক্তবীজ নহে, আত্মবীজ নহে। কিন্তু এই যে জ্ঞানের পরম্পরার ইতিহাস নিঃশব্দে নিরবয়ব অক্ষরে লিখিত হয়, এই যে কত প্রভাতের প্রসূন, কত অমিতাভ জ্যোৎস্নার আলোক, কত সন্ধ্যামালতীর সুগন্ধ যে পূর্বপুরুষদিগের আশীর্বাদ হইয়া অনুপ্রেরণা হইয়া মানবের চলার পথকে সুগম করিয়া তুলে, কত আয়ুদ প্রার্থনায় তাহার ভবিষ্যতের চলার পথে বকুলরেণু ছড়াইয়া যায়, ইহা কে সচেতনভাবে অনুভব করে? তথাপি, এই বহু যুগ পরে গৃহসংলগ্ন পুষ্করিণীতে স্নান করিতে যাইয়া যেমন হইল, তেমনই কোনো কোনো তন্ময় মুহূর্তে এই বোধ— এই অপরিমেয় কৃতজ্ঞতার করুণাঘন অনুভূতি মানুষের হৃদয়কে অভিভূত করিয়া যায়, তাহার অনির্বচনীয়তাই কমলনয়নের মনকে পূজার পূর্বে সঘন ধূপের সুগন্ধে যেন আবিষ্ট করিয়া তুলিল। মনে হইল, ইহারই ভিতর এক পরিপূর্ণতার মূর্তি তাহার হৃদয়ের পূজার আসনে আসিয়া বসিয়াছে। হয়তো সেই বিশ্বজীবনের জগদ্বন্দ্য সুগম্ভীর উপাস্য দেবতাই এইবার সকল সম্ভ্রমের দূরত্ব ঘুচাইয়া অপার্থিব প্রেমের আলোকে তাহার কৃষ্ণকিশোর হইয়া আসিয়াছে।

    .

    সেই দিন বিকালবেলায় প্রচণ্ড ঝড় উঠিল; অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একাকার করিয়া দেওয়া এক অপার্থিব ঝড়!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }