Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২৬

    ছাব্বিশ

    হৃদয় বিদ্ধ হইয়া আছে, কিন্তু রক্তক্ষরণ হইতেছে না। বেদনার নিখাদ স্নায়ুর কীর্ণ পথ বাহিয়া সমগ্র সত্তাকে মন্থন করিয়া ফিরিতেছে; কেহ জানিতে পারিতেছে না। অস্তিত্বের সে-যন্ত্রণা বড়ো সঙ্গোপনীয় মধুর! তাহার সুষুম্নাপথ দিয়া কে যেন সুধার অসি চালাইয়া দিতেছে, সত্তা দু-ভাগ হইয়া যাইতেছে। মনের ভিতর দুইজন কথা বলিতেছে। একজন বলিতেছে, কী করিতেছ, কমলনয়ন? একবার যাহা সত্য বলিয়া বুঝিয়াছ, আবার তাহা ভুলিয়া এ বংশীবাদকের প্রেমে মজিতেছ কেন? অন্যজন বলিতেছে, মিথ্যা মায়াকে লইয়া ইচ্ছামতো খেলা করিবারই নাম ‘লীলা’। তুমি শুধু নির্বিকল্প সত্তার সহিত একাকার হইতে চাও কেন? আমার লীলাচঞ্চল কৃষ্ণকিশোরকে চাও না? দ্বিখণ্ডিত সত্তার এবং প্রকার আলাপ ক্রমাগত শুনিতে শুনিতে কমলনয়ন যেন এক অনিবার্য দ্বন্দ্বের দোলায় দুলিতেছে। হৃদয় ও মস্তিষ্ক দ্বিমেরুবর্তী হইয়াছে। এ বেদনা হইতে নিষ্ক্রান্ত হইবার বুঝি আর উপায় নাই।

    ফতেহপুর সিক্রি হইতে প্রত্যাবর্তনের পর চারি মাস অতিক্রান্ত হইয়া গিয়াছে। পুনরায় সে তাহার চিরপরিচিত কক্ষে ফিরিয়া আসিয়াছে। ইতোমধ্যে অনেক আলোছায়া বাতায়নপথে খেলিয়াছে, মঠের পিছনে যে-কৃষ্ণচূড়া পাদপ বঙ্কিম ঠামে দাঁড়াইয়া আছে, তাহার উদাত্ত শাখায় অনেক পাখি নীড় বাঁধিয়াছে। অনেক রাত্রি গতযামা হইয়া প্রভাতের পরিচিত আলোকের সহিত মিতালি করিয়াছে। আগ্রা হইতে টোডরমলের পত্র আসিয়াছে; ফতেহপুর সিক্রির সভাপণ্ডিতগণ কমলনয়নের সন্দর্ভে উত্থাপিত দাবি মানিয়া লইয়াছেন। তাঁহারা স্বীকার করিয়া লইয়াছেন যে, টোডরমল কায়স্থ এবং সেই হেতু ক্ষত্রিয়। এসকল ঘটনার বিবরণ ফারসি ভাষায় ‘কায়স্থবয়ান’ নামক বিবরণীতে লিখিত হইয়াছে।

    অবিন্যস্ত চিন্তার রাশি ফেলিয়া কমলনয়ন উঠিয়া দাঁড়াইল। একবার দ্বারের নিকট আসিয়া অলিন্দপথে কেহ আসিতেছে কি না, দেখিয়া লইল। তাহার পর চুপিসাড়ে কক্ষের এক অন্ধকার কোণে সরিয়া আসিল। সেখানে একটি অতি ক্ষুদ্রাকার দ্বারপথ আছে। সচরাচর ইহা বাহিরের লোকের নয়নপথে পড়ে না। সে সন্তর্পণে দ্বারের অর্গল খুলিল। এইখানে একটি গোপন কক্ষ। পূর্বে এ কক্ষে দুষ্প্রাপ্য পুথির ভাণ্ডার ছিল। বর্তমানে কমলনয়ন সেসব পুথি অন্যত্র স্থানান্তরিত করিয়া কক্ষটি পরিষ্কার করিয়াছে।

    কক্ষের ভিতর অন্ধকারে পিলসুজের উপর দীপাধারে ঘৃতপ্রদীপ জ্বলিতেছে। মুচকুন্দ চাঁপাফুলের ঘ্রাণ। সেই সুরভিমেদুরতার ভিতর একটি ক্ষুদ্র সিংহাসনে কৃষ্ণকিশোর বিরাজ করিতেছেন। মনে অনেক দ্বিধা থাকা সত্ত্বেও শিশোদিয়া রাজপুত পরিবারের ঠাকুরঘর হইতে কমলনয়ন কৃষ্ণকিশোরকে লইয়া আসিয়া এই গোপন কক্ষে স্থাপন করিয়াছে। চন্দনচর্চিত নীলকলেবর বনমালী বংশীধর তাঁহার রূপের বিভায় এ কক্ষ আলো করিয়া রাখিয়াছেন।

    ইহা কি সে ঠিক করিল? সে অদ্বৈতপথের পথিক, তাহার এ কী ভাবখেয়ালের ধূলাখেলা? অনেক ভাবিয়াছে। ভাবিতেছে। মস্তিষ্ক বলে, ঠিক করো নাই। হৃদয় বলে, কেমন করিয়া এ আকর্ষণ ছাড়াইয়া যাও, দেখিব। মাঝে মাঝে মন কৃষ্ণাভিমুখী হয়। তখন সে ভক্তিভরে বাগান হইতে চাঁপাফুল তুলিয়া আনিয়া প্রাণ ভরিয়া পূজা করে। মনে হয়, তাহার নিভৃত বেদনার কথা এ কান্তাকাতর নীলমাধবই জানে। আবার কিছুদিন পর অদ্বৈত জ্ঞানের ভাব প্রবল হইয়া উঠে। এখন যেমন গত কয়দিন হইয়াছে। এ সময় পূজা পড়িয়াছিল। সে কৃষ্ণের পূজা করে নাই। অহোরাত্র বেদান্তের গ্রন্থ লইয়া গবেষণায় মত্ত ছিল। আজ আবার আসিয়াছে। কৃষ্ণকিশোরের সম্মুখে একটু বসিল। কেহ জানে না! এ তাহার গোপন প্রেম!

    মনে হইল, বেণুধরের বড়ো অভিমান হইয়াছে। ঠোঁট ফুলিয়া আছে। চোখের কোণে অশ্রুবিন্দু বেপথুমান।

    “তুমি আমার পূজা করো নাই কেন? এ কয়দিন আমি কিছু খাই নাই, জানো? সে-কথা তোমার মনে পড়িল না? যাও, তোমার সহিত কথা বলিব না!”

    দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া কমলনয়ন ক্ষুদ্র কক্ষটির বাহিরে আসিল। এদিক-ওদিক তাকাইতে তাকাইতে একটা তুলট কাগজ চোখে পড়িল। উৎপীঠিকার উপর কাগজ রাখিয়া মসীপাত্রে লেখনী ডুবাইয়া গোটা গোটা সুছাঁদ অক্ষরে লিখিল-

    হস্তমুৎক্ষিপ্য যাতোহসি বলাৎ কৃষ্ণ কিমদ্ভুতম্?
    হৃদয়াৎ যদি নির্যাসি পৌরুষং গণয়ামি তে।।—

    জোর করিয়া হাত ছাড়াইয়া চলিয়া যাইতেছ, কৃষ্ণ-ইহাতে আর আশ্চর্য কী? আমার হৃদয় হইতে যদি নিজেকে বাহির করিয়া লইয়া যাইতে পারিতে, তবে তো তোমার পৌরুষ বুঝিতাম!

    একবার বাতায়নপথে চাহিল। বেলা হইয়াছে। এইরকম আধোমনস্ক সকালবেলায় সে কোথা হইতে একটা সুর শুনিতে পায়। বাঁশির সুর! কে যে বাজায়! এই সুর সারাদিন কানে লাগিয়া থাকে। মনে প্রশ্ন আসে, সে কি একাই এই সুর শুনিতেছে? যত শুনে, বুকের ভিতরটা ততই হুস্থ করিতে থাকে। এ যে কী জ্বালা হইয়াছে তাহার!

    “বলভদ্র, তুমি কি একটা বাঁশির সুর শুনিতেছ?”

    “কই, না তো! চরাচর এ মধ্যাহ্নবেলায় স্তব্ধ হইয়া আছে, আচার্যদেব!”

    বলভদ্র শুনিতে পায় না। ময়ূখ শুনিতে পায় না। শুধু সে একাই শুনিতে পায়। কখনও মনে হয়, সুরটা তাহার বুকের ভিতর বাজিতেছে। চোখ বন্ধ করিলে একটা আশ্চর্য সুগন্ধ টের পায়। ধূপ পুড়িয়া শেষ হইবার ঘ্রাণ। সে নিজেই পুড়িতেছে তবে? বুকের ভিতর হোম হইতেছে? আহুতির সুগন্ধবিধুর ধূম ঘুরিয়া ঘুরিয়া মাথায় উঠিতেছে? কী যে হইতেছে তাহার!

    ঘরের একপার্শ্বে যত্নরচিত পুঁথিগুলি সূত্রবদ্ধ হইয়া পড়িয়া আছে। বহু বৎসরের পরিশ্রম। অদ্বৈতসিদ্ধি, অদ্বৈতরত্নরক্ষণম্, গূঢ়ার্থদীপিকা, বেদান্তকল্পলতিকা, সংক্ষেপশারীরকটীকা, সিদ্ধান্তবিন্দু… কত নিগূঢ় চিন্তা, কত নিবিষ্ট পরীক্ষা, কত আলোচনা, কত বিতর্ক-বিচার! কত প্রভাতনিশা, কত বিনিদ্র রজনীর আয়াস! এখন সব বিস্বাদ বোধ হইতেছে। কী লাভ গ্রন্থ রচনা করিয়া? এসব লিখিয়া লিখিয়া সে কী পাইয়াছে? কী খুঁজিতেছিল? যাহা খুঁজিতেছিল, মিলিল? তাহার মৃত্যুর পর আবার কি কেউ সেইগুলি খুঁজিবে? আজন্ম এইভাবে পরিশ্রম করিবে? তাহার পর কী পাইবে? পুথির কতগুলা শুষ্ক পাতা?

    কতদিন কাটিয়া গিয়াছে যে! সে শুধু ঘুরিয়া মরিতেছে, ঘুরিয়া মরিতেছে। কাচের আবরণে দীপালোক দেখিয়া পতঙ্গ যেমন সেই কাচাবরণের চারিপাশে ঘুরিয়া মরে, সেও কি ওইরূপ লুব্ধ পতঙ্গের ন্যায় প্রণয়ের অমিত বৈভবের আশায় সমস্ত জীবন ঘুরিয়া মরিল না?

    সহসা মনে হইল, কয়দিন কৃষ্ণকিশোরের সেবাপূজা করা হয় নাই। বালকের বড়ো অভিমান হইয়াছে। মান ভাঙাইতে হইবে।

    কিছুক্ষণ ধরিয়া পূজা চলিল। দীপ, ধূপ, নূতন করিয়া জ্বালিল। পুষ্প, চন্দনে কৃষ্ণকিশোরকে সাজাইল। পাদ্য, অর্ঘ্য, তুলসী দিল। চৌষট্টি ঘাটের সমীপবর্তী এক আপণ হইতে সরভাজা আনিয়াছিল। কৃষ্ণকিশোরকে নিবেদন করিল। কিশোরের অধরে হাসি স্ফুরিত হইতেছে।

    “তোমাকে আমি নাওয়াই নাই, খাওয়াই নাই, কয়দিন ভুলিয়া ছিলাম। তুমি আমাকে মনে করাইয়া দিলে না কেন? আমি কঠোরহৃদয় পামর! তোমাকে ভুলিয়া যাই…”

    “তোমার নিজেরই নাওয়াখাওয়ার ঠিক নাই, কমল! আমি আর কী বলিব?”

    “তুমি মনে করাইতে পারো না?”

    “তখন যে তুমি কঠিন কঠিন কথা ভাবিতেছিলে। আমি তো তোমার মনের দুয়ারে গিয়াছিলাম।”

    “ডাকিলে না কেন?”

    “ডাকিব কী? দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া দেখিলাম, পুথির ভিতর একেবারে ডুবিয়া গিয়াছ। আমি যে দাঁড়াইয়া আছি, সেদিকে তোমার হুঁশ নাই। আমি অনেকক্ষণ অপেক্ষা করিয়া ফিরিয়া আসিলাম।”

    “আচ্ছা, এই যে চর্চা করি, গবেষণা করি, আমার এ সকলই কি অর্থহীন?”

    “বা রে! অর্থহীন হইবে কেন? উহা তো আমারই স্বরূপ, আমারই পরমার্থ!”

    “তবে এই বেদান্তবেদ্য আত্মা আর এই তুমি—এই দুই কি আলাদা?”

    কৃষ্ণকিশোর কিছু বলিল না। শুধু বাঁশিটিতে ফুঁ দিল। তাহার সুরের মূর্ছনা কমলনয়নকে মুহূর্তে আবার কোথায় ভাসাইয়া দিতেছে। ইন্দ্রিয়গ্রাম বাহিরের পৃথিবী হইতে স্ব স্ব স্থানে ফিরিয়া আসিতেছে। মন নিবাত-নিষ্কম্প। অতলে ডুব দিয়াছে।

    এইরূপে বহুক্ষণ কাটিয়া গেল। ক্ষুদ্র কক্ষটি হইতে কমলনয়ন বাহির হইয়া আসিল। সযত্নে দ্বারে অর্গল দিল। এখন সে সুরের প্রভাবে টলিতেছে। পা পড়িতেছে, কি পড়িতেছে না। এই সুরের ক্রিয়া এখন চেতনার ভিতর সমস্ত দিনমান চলিতেই থাকিবে। কৃষ্ণকিশোর কি সত্যই এতক্ষণ কথা বলিতেছিল, নাকি ইহা তাহার মনের ভুল? কল্পনা? স্বপ্ন? আবেশ? কেন তাহার বিচার ডুবিয়া যাইতেছে সুরের অগাধ বারিধির ভিতর?

    তবু এই সুর কখনো কখনো থামিয়া যায়। বাহিরের সমাজের দাবি আসিয়া, কর্তব্যের আহ্বান আসিয়া সুর ভুলাইয়া দেয়। সেই যে দুইমাস আগে কাশীর দশাশ্বমেধ ঘাটে সত্তমণ্ডলী সমাবিষ্ট হইয়াছিল। সেসময় সেই সভার মধ্যে সুর কাটিয়া গিয়াছিল।

    ফতেহপুর সিক্রিতে সম্রাট আকবর বলিয়াছিলেন, হিন্দুরা যদি নিজস্ব সৈন্যদল গঠন করে, তিনি তাহাতে সমর্থন ও সাহায্য করিবেন। আক্রমণকারী মুসলমান আততায়ীর উপর হিন্দুরা যদি আত্মরক্ষার নিমিত্ত অস্ত্রপ্রয়োগ করে, তবে তাহাতে হিন্দুদের দোষ ধরা হইবে না। কিন্তু সৈন্যদল গঠন, তাও হিন্দুদের ভিতর, এ কাজ কীরূপে সম্ভব?

    হিন্দুরা সচরাচর অস্ত্র ধরে না, এই হইতে তাহাদের প্রতি করুণা করিয়া নিরীহ হিন্দু’ এই অভিধা প্রযুক্ত হয়। তাহাদের মধ্য হইতে সৈন্যদল গঠন?

    কমলনয়ন কীরূপে কী করা যায়, আগ্রা হইতে ফিরিয়া আসিয়া, এই লইয়া খুব ভাবিতেছিল। একবার রাজা প্রতাপাদিত্যর কথা মনে পড়িয়াছিল। তিনি প্রয়োজনে সাহায্য করিবেন বলিয়াছিলেন। কিন্তু পরমুহূর্তেই মনে পড়িয়াছিল, প্রতাপাদিত্য মুঘল-বিরোধী। এই সৈন্যদল গঠন করিয়া পরিশেষে প্রতাপাদিত্য যদি তাহাদের মুঘল বাদশাহর বিরুদ্ধেই চালনা করেন, তাহা হইলে আর তাহারা মুঘল রাজশক্তির আনুকূল্য পাইবে না। এতদ্ব্যতীত, আরও একটি কথা ভাবিবার মতো। সম্রাট আকবর হিন্দুদের মধ্য হইতে সৈন্যদল গঠন করিতে বলিয়াছেন অসহায় হিন্দু জনতাকে প্রতিরক্ষা দিবার নিমিত্ত। কিন্তু প্রতাপাদিত্যকে ইহার নেতৃত্ব দিলে প্রতাপ কেবল প্রতিরক্ষার নিমিত্ত ইহা ব্যবহার করিবেন না। কারণে-অকারণে মুসলমানদের উপর আঘাত হানিবার জন্যই এই সেনাবল ব্যবহার করিবেন। প্রতাপাদিত্যকে এ কার্যের ভার কোনোমতেই দেওয়া চলিবে না। অন্য কী উপায় আছে?

    ভাবিতে ভাবিতে সহসা বিদ্যুচ্চমকের মতো নাগা সন্ন্যাসীদের কথা মনে পড়িল ঠিক, ইহারাই তো তাহার প্রধান সহায়ক হইতে পারে!

    সন্ন্যাস মানবের ইতিহাসেরই ন্যায় প্রাচীন। সভ্যতার আদিম প্রত্যুষ হইতে মানুষ সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া ঈশ্বরের অনুসন্ধান করিয়া ফিরিতেছে। আদিতে সন্ন্যাসীরা নগ্ন থাকিতেন। লজ্জা-ঘৃণা-ভয়ের অতীত হইবার জন্যই সন্ন্যাসীরা কোনো বসন পরিতেন না। পরে প্রায় সকল সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের ভিতরেই বস্ত্র পরিবার চল আসিল। শীততাপ হইতে রক্ষা পাইবার জন্য, সমাজের ভিতর স্বচ্ছন্দে চলাফিরা করিবার নিমিত্ত। কেবল একটি সন্ন্যাসী সম্প্রদায় আজও নগ্নই থাকে। ইহারা নাগা সন্ন্যাসী সম্প্রদায়। নাগা সন্ন্যাসী কোনো বসন পরে না, বাহ্য আচার-আচরণেও বিধি-নিষেধের পার। তাহাদের অগম্য কোনো স্থান নাই, খাদ্য-পেয়ের কোনো বাছবিচার নাই। অন্যদিকে আবার তাহারা কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করে। এই নাগা-সন্ন্যাসীদের হস্তেই যদি অস্ত্র তুলিয়া দেওয়া হয় এবং প্রতিরক্ষার নিমিত্ত শস্ত্রব্যবহারে তাহাদের সুশিক্ষিত করিয়া তুলা যায়, তবে কেমন হয়?

    কমলনয়ন কাশীর অন্যান্য মঠের সন্ন্যাসী ও মণ্ডলেশ্বরদের সহিত এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা করিয়া দেখিল। সকলেই তাহার সহিত সহমত হইলেন। স্থির হইল, দশাশ্বমেধ ঘাটে নাগা সন্ন্যাসীদের আহ্বান করিয়া এ বিষয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হইবে।

    যথানির্দিষ্ট দিনে দশাশ্বমেধ ঘাটে সন্ন্যাসীসভা বসিয়াছিল। সভার কেন্দ্রে নগ্নদেহ নাগারা ভিড় করিয়া বসিয়াছে। আর তাহাদের চারিপাশে গৈরিকবাসে সুশোভিত তেজঃপুঞ্জকলেবর সন্ন্যাসীরা বসিয়াছেন। প্রথমে জনৈক বৃদ্ধ সন্ন্যাসী অতি মর্মস্পর্শী ভাষায় হিন্দুদের উপর মুসলমান আক্রমণকারিদিগের প্রবল আক্রমণ ও নরমেধের বর্ণনা করিলেন। সকলে নীরব হইয়া শুনিতেছিল। বৃদ্ধ সন্ন্যাসীর কথা শেষ হইয়া যাইবার পরেও কিছুক্ষণ সভা নিস্তব্ধ হইয়া ছিল। মাথার উপর শুধু এক দল কপোত চক্রাকারে ঘুরিয়া ফিরিতেছিল।

    ইহার পর কমলনয়ন কথা শুরু করিল। আগ্রার ফতেহপুর সিক্রিতে গমন, তথায় মুঘল সম্রাট আকবরের দর্শন ইত্যাদি সকল কথা বিস্তারিত বলিবার পর কমলনয়ন বলিল, “আমি মুঘল সম্রাট আকবর সকাশে হিন্দুদের এই নিদারুণভাবে অত্যাচারিত হইবার ঘটনা অনুপুঙ্খ নিবেদন করিলাম। প্রথমে তিনি হিন্দুদের প্রতিরক্ষার নিমিত্ত শাহি সিপাহি নিয়োগ করিতে চাহিয়াছিলেন। কিন্তু তাহাতে তাঁহার মুসলমান সভাসদগণ একমত হন নাই। ফলত, সম্রাট এইমাত্র বলিলেন, হিন্দুরা যদি তাহাদের সম্প্রদায়ের ভিতর প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়িয়া তুলিতে পারে, তবে সেই কার্যে সম্রাটের অনুমোদন, সহায়তা ও সমর্থন সকলই পাওয়া যাইবে।”

    জনৈক নাগা তখন বলিল, “বেশ। কিন্তু ইহাতে আমাদের কী ভূমিকা থাকিতে পারে?”

    কমলনয়ন বলিল, “সম্রাটের আর্থিক সহায়তায় আমরা আপনাদিগকে অশ্ব ও অস্ত্রাদি দিব। অস্ত্রশিক্ষারও ব্যবস্থা যথাবিধ হইবে। আপনারা অসি, ভল্প প্রভৃতিতে সুসজ্জিত ও অশ্বারূঢ় হইয়া অসহায় হিন্দু সম্প্রদায়কে মুসলমান আক্রমণকারীদের হস্ত হইতে রক্ষা করুন।”

    কমলনয়নের এই প্রস্তাবে বেশিরভাগ নাগা সন্ন্যাসীদের আনন্দোত্তেজিত দেখা গেল। যেন তাহাদের যুদ্ধজয় করিতে আহ্বান করা হইয়াছে।

    শুধু এক বৃদ্ধ নাগা সন্ন্যাসী বলিলেন, “ইহাতে আমার আপত্তি আছে। আপনারা যেমন সন্ন্যাসী, আমরাও তেমনই সন্ন্যাসী। সন্ন্যাসী নির্বের—তাঁহার কোনো শত্রু নাই। তবে কেন আমরা হিংসাকর কর্মে প্রবৃত্ত হইব? শুধু তাহাই নহে, সন্ন্যাসীর নিকট সকলেই সমান। কী মুসলিম, কী হিন্দু—সকলেই তাঁহার আত্মার প্রতিচ্ছবি। তবে কেন মুসলমানদিগকে শত্রু ভাবিব?”

    কমলনয়ন চিন্তা করিয়া দেখিল, বৃদ্ধ নাগার কথায় যথেষ্ট যুক্তি আছে। কিন্তু এখন আর ফিরিবার উপায় নাই। পারিলে ইহারাই পারিবে। দেখা গেল, অধিকাংশ নাগাই বৃদ্ধের কথা মানিতেছে না। এই সুযোগ। অধিকাংশের এই মতকেই উৎসাহ দিতে হইবে।

    সভার কলরোলের উপর গলা তুলিয়া কমলনয়ন অগ্নিবর্ষী ভাষায় বলিতে লাগিল, “কিন্তু এও ভাবিয়া দেখিবেন, ধর্ম হইল আমাদের জননীস্বরূপা। আজ আমাদের সেই সনাতন হিন্দুধর্ম আক্রান্ত। হিন্দুরা দলে দলে ধর্মান্তরিত হইতেছে। উপরন্তু নগরীর পথে পথে প্রকাশ্য দিবালোকে মুসলমান আততায়ীদিগের হস্তে হিন্দুরা সর্বস্বান্ত ও নিহত হইতেছে। ইহা তো আপনাদের মায়ের উপর অত্যাচার! ইহা আপনারা মুখ বুঝিয়া সহিবেন? উপায় থাকা সত্ত্বেও ইহার প্রতিকার করিবেন না?”

    সকলে সমস্বরে গর্জন করিয়া উঠিল, “না, না আর সহিব না। কিছুতেই নয়।”

    তথাপি সেই বৃদ্ধ নাগা অবিকম্পিত স্বরে বলিলেন, “প্রাজ্ঞ মধুসূদন! ইহাই সদি সত্য হয়, তবে আপনারা কেন অস্ত্রধারণ করিতেছেন না? কেবল নাগা সন্ন্যাসীরাই কেন অস্ত্রধারণ করিবেন?”

    কিন্তু ইহার উত্তর কমলনয়নকে দিতে হইল না। কিছু বলিবার পূর্বেই জনৈক তরুণ নাগা বলিয়া উঠিল, “কারণ অন্যান্য সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসিগণ শাস্ত্ৰ লইয়া নিয়ত চর্চা করেন; অস্ত্রশিক্ষার তাঁহাদের অবকাশ নাই। আর আমরা নাগারা সিদ্ধান্ত লইয়া চর্চা করি। ধর্ম আমাদের জননী। আর সেই জননীকে আমরা মায়ের সুযোগ্য সন্তানবৃন্দ—এই নাগারাই রক্ষা করিব। অন্যান্য সন্ন্যাসীরা শাস্ত্রচর্চা করুন, আর আমরা নাগারা শস্ত্রচর্চা করিব।”

    বৃদ্ধ নাগা বলিলেন, “ইহাতে আরও রক্তপাত হইতে পারে।”

    তরুণ নাগা বৃদ্ধ নাগার উদ্দেশে ব্যঙ্গোক্তি করিল, “আপনি বৃদ্ধ হইয়াছেন, আপনার শরীরে তেজ কমিয়া গিয়াছে, তাই ভয় পাইতেছেন। আর আমরা তরুণ নাগা-সন্ন্যাসীরা অকুতোভয়। আমরা অস্ত্র ধরিতে চাই।”

    সভার অন্য সকল নাগা উচ্চৈঃস্বরে সোল্লাসে বলিয়া উঠিল, “হাঁ, হাঁ, আমরা অস্ত্রধারণ করিতে চাই।”

    তখন কমলনয়ন সভাস্থ সকলের অনুমতি লইয়া বলিল, “তবে এক কথা। যখন দেখিবেন কোথাও হিন্দুদের উপর মুসলমানরা আগে আঘাত হানিতে উদ্যত হইয়াছে, একমাত্র সেই ক্ষেত্রেই আপনারা অস্ত্রের প্রয়োগ করিতে পারিবেন। প্রতিরক্ষার উপলক্ষ ছাড়া অন্য কোনো কারণে আপনারা মুসলমানদিগের উপর অস্ত্রপ্রয়োগ করিতে পারিবেন না। ইহাতে আপনারা সম্মত কি না?”

    নাগারা বলিল, “আমরা সম্মত।”

    তখন গৈরিক বাস পরিহিত জনৈক মধ্যবয়স্ক সন্ন্যাসী উঠিয়া দাঁড়াইলেন। বলিলেন, “আমার একটি প্রস্তাব আছে।”

    কমলনয়ন বলিল, “বেশ তো, বলুন।”

    “দেশীয় রাজাদিগের রাজপুত সৈনিকদের মধ্যে সন্ন্যাসধর্মের উদ্দীপনা ছড়াইয়া দেওয়া হউক। উহারা সন্ন্যাসী হইলে আমরা অতি সহজে সৈনিক-সন্ন্যাসী পাইয়া যাইব।”

    সকলেই বলিল, “উত্তম প্রস্তাব।”

    শুধু এক অশীতিপর সন্ন্যাসী বলিলেন, “সন্ন্যাস তো স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত। কাহাকেও জোর করিয়া সন্ন্যাসের পথে টানিয়া আনা সমীচীন নহে।”

    কমলনয়ন বলিল, “আহা! আমরা তো কেবল অনুপ্রেরণার কথা বলিতেছি। যে এই পথে আসিতে চায়, সে নিজের উদ্যমেই আসিবে। কাহাকেও জোর করার প্রশ্নই নাই।”

    কিন্তু সেসকল কথা সভার গুঞ্জন-গর্জনের নিম্নে চাপা পড়িয়া গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হইল।

    দশাশ্বমেধ ঘাট হইতে মঠে ফিরিতে ফিরিতে সেইদিন কমলনয়নের হঠাৎ মনে হইয়াছিল, সেই সুরটা…বাঁশির সেই সুমধুর সুর, যাহা তাহার ভিতর অনুক্ষণ বাজিতেছিল, তাহা যেন কখন সভার মধ্যে তাহার অজান্তেই থামিয়া গিয়াছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }