Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২৮

    আঠাশ

    “বাষ্কলি আর বারে উপাখ্যানটি কি আমাকে বলিবেন, আচার্য?”

    বলভদ্রের প্রশ্নে কমলনয়নের হুঁশ ফিরিল। এতক্ষণ সে কী যেন ভাবিতেছিল। মধ্যাহ্ন অতিক্রান্ত হইয়াছে। বাতায়নপথে শরতের নীল আকাশ দেখা যায়। একটা পাখি ওই নিঃসীম নীলের ভিতর ঊর্ধ্বে উঠিয়াছে। এখন তাহাকে বিন্দুবৎ প্রতীয়মান হইতেছে।

    “বলিব”, এই বলিয়া কমলনয়ন আবার সুদূর আকাশের দিকে তাকাইয়া রহিল। বাঁশির সুরটা আজ নীলাকাশ হইয়াছে। সেই সুর দিয়া গড়া আকাশ সমস্ত ভুবন ঘিরিয়া রাখিয়াছে।

    অধ্যাপনা করিতে আর ভালো লাগে না। কী হইবে এইসব পড়াইয়া? এমনিতেই তাহাকে লইয়া কাশীতে কানাকানি হইতেছে। সেই ভাণ্ডারার দিনে সন্ন্যাসীরা তাহার নিহিত কক্ষে কৃষ্ণকিশোরকে দেখিয়া গিয়াছে। তাহার ভাবতন্ময়তাও দেখিয়াছে। তাহার পর হইতেই কমলনয়নের পরিচয় কী, সে অদ্বৈতবাদী, না দ্বৈতবাদী এই লইয়া জল্পনাকল্পনা চলিতেছে। কাশীর ঘাটে শাস্ত্রালোচনা করিতে গিয়াও দেখিয়াছে। সে যখন শানিত যুক্তির দ্বারা অদ্বৈতসিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করে, কোনো কোনো শ্রোতা তখন মুখ টিপিয়া টিপিয়া হসে। সেও তো তাহার দার্শনিক অবস্থান স্পষ্ট করিতে পারে নাই। কী লাভ? সে যাহা, তাহাই! কিন্তু অন্যে তাহাকে বিদ্রূপ করিতেছে, তাহাকে লইয়া হাসাহাসি করিতেছে।

    “বাষ্কলি আর বারে কী হইয়াছিল? কে গুরু, কে শিষ্য?” বলভদ্র পুনরায় জিজ্ঞাসা করিল।

    “বার্ধ্ব গুরু। বাষ্কলি শিষ্য”, কমলনয়ন বলিল, “অতি প্রাচীন আখ্যায়িকা।”

    “কী ঘটিয়াছিল?”

    “বাষ্কলি বলিয়াছিলেন, অধীহি ভগবো ব্রহ্মেতি—হে ভগবন! আমাকে ব্রহ্ম-বিষয়ে উপদেশ করুন। ব্রহ্ম কী, তাহা বলুন। তখন বার্ধ্ব চুপ করিয়া রহিলেন—স তৃষ্ণাং বভূব। তখন বাষ্কলি আবার এই প্রশ্ন করিলেন, অধীহি ভগবো ব্ৰহ্ম—আমাকে ব্ৰহ্ম কী, তাহা বলুন।”

    “এবারও বার্ধ্ব চুপ করিয়া রহিলেন?”

    “হাঁ, এবারেও কোনো উত্তর নাই। বাষ্কলি উপর্যুপরি দুইবার তিনবার একই প্রশ্ন করিলেন। তখন বার্ধ্ব মুখ খুলিলেন।”

    “কী বলিলেন?”

    “বলিলেন, আমি তো প্রতিবারই তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতেছি, তুমিই তো বুঝিতে পারিতেছ না। এই নৈঃশব্দ্যই তো ব্রহ্ম। তাই, এই নৈঃশব্দ্যই তোমার প্রশ্নের প্রকৃষ্ট উত্তর। উপশাস্তোংয়মাত্মা। সকল জিজ্ঞাসা যেখানে শান্ত হইয়া যায়, সকল বাক্য ও চিন্তা যেখানে স্তব্ধ হইয়া যায়, সেই এই শান্তস্বরূপ আত্মা।”

    “এই একটি কথা ঠিক করিয়া বুঝিলে বেদান্ত বুঝা যায়!” বলভদ্ৰ বলিল।

    “ঠিক ধরিয়াছ, এই একটি কথা… ইহাই যথেষ্ট। এই একটি কথা বুঝাইবার জন্যই অনেক কথার অবতারণা করা হইয়াছে…এই লইয়াই যত তর্কযুক্তি। যত শাস্ত্রের আড়ম্বর…বস্তুত, কথাটি অত্যন্ত সরল, তাহার অর্থও সরল… চিত্ত বাসনাময় হইয়া আছে বলিয়াই এই একটি কথা বুঝিতে এত জটিল লাগিতেছে…”

    কথা ঠিকমতো শেষ হইল না, ময়ূখ আসিয়া কক্ষে প্রবেশ করিল, সে হাঁপাইতেছে।

    “কী হইয়াছে, ময়ূখ? এত হাঁপাইতেছ কেন? কোনো দুর্ঘটনা ঘটিয়াছে?”

    “সাংঘাতিক ব্যাপার! হরিশচন্দ্র ঘাটে আজ আবার হামলা হইয়াছে। কিন্তু আজ ব্যাপার অন্যরূপ। মুসলমান আততায়ীরা ঘাটের জনতার উপর ঝাঁপাইয়া পড়িতে উদ্যত। কিন্তু ঘাটের নিকটেই নাগা সন্ন্যাসীরা ছিল। মুসলমানদিগকে আক্রমণ করিতে দেখিয়াই নাগারা অশ্বারূঢ় হইয়া অকুস্থলে আসিয়া পড়ে। মুসলমান সৈন্যের সহিত নাগা সন্ন্যাসীদের প্রচণ্ড যুদ্ধ বাধে। একেবারে রক্তারক্তি কাণ্ড!”

    বলভদ্র উত্তেজিত হইয়া বলিল, “যুদ্ধের পরিণাম কী হইল?”

    “নাগারা ভয়ংকর যুদ্ধ করিয়াছে। তাহাদের প্রতাপে ভীত হইয়া মুসলমান অশ্বারোহীদের কেহ কেহ প্রাণ লইয়া পলাইয়াছে। অবশিষ্ট মুসলমান সৈন্যদের নাগারা মুণ্ডচ্ছেদ করিয়া মারিয়া ফেলিয়াছে। দুই-একজন নাগা মাত্র আহত হইয়াছে। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের প্রাণরক্ষা করিয়া অন্যত্র লইয়া যাওয়া হইয়াছে। কিন্তু ঘাটের দৃশ্য ভয়াবহ!”

    কমলনয়ন কহিল, “চলো তো, যাই। স্বচক্ষে দেখিয়া আসি, কী হইয়াছে।”

    বলভদ্র ও ময়ূখ কমলনয়নের সঙ্গে চলিল। হরিশচন্দ্র ঘাটের কাছাকাছি আসিতেই কতিপয় মানুষের মরণান্তিক আর্তনাদ শুনিতে পাইল। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেল, আহত রক্তাপ্লুত নাগাদের লইয়া অবশিষ্ট নাগারা ফিরিতেছে। কমলনয়নকে দেখিয়া তাহারা সংক্ষিপ্ত নমস্কার জ্ঞাপন করিয়াই দ্রুতপদে চলিয়া গেল। আহত নাগা সন্ন্যাসীদের শুশ্রূষার প্রয়োজন।

    হরিশচন্দ্র ঘাটে আসিয়া কমলনয়ন দেখিল, ভয়াবহ কাণ্ডই বটে! ঘাটের উপরে, চাতালের গায়ে, রানার উপর, সোপানশ্রেণীর নিম্নে সর্বত্র নিহত মানুষের শবদেহ। অশ্বগুলাকেও নাগারা সক্রোধে আঘাত করিয়াছে। রানার উপর পতিত দুই-একটা অশ্ব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করিতেছে; তাহাদের উদরদেশ ভয়ংকরভাবে উঠিতেছে, পড়িতেছে। রুধিরাপ্লুত মানুষের কর্তিত মুগুগুলা গড়াগড়ি যাইতেছে। কৃষ্ণবাসে আবৃত বহু মানুষের মুণ্ডহীন ধড় শুধু নিম্নের সোপানের উপর পড়িয়া আছে। নিহত ব্যক্তি সকলেই মুসলমান। তাহাদের বেশবাস হইতে তাহাই অনুমিত হয়। কোনো কোনো ব্যক্তির অবস্থা আরও ভয়ংকর। ধড় হইতে মাথা ছিন্ন হইয়াছে মাত্র, কিন্তু সম্পূর্ণ বিশ্লিষ্ট হইয়া যায় নাই। ফিনকি দিয়া রক্ত ছুটিতেছে। বিদীর্ণ উদরদেশ হইতে অন্ত্রতন্ত্র নাড়িভুঁড়ি বাহির হইয়া আসিয়া ঘাটের উপর লাফাইতেছে। চূর্ণীকৃত করোটিগহ্বর হইতে মগজের ঘিলু গড়াইয়া পড়িয়া স্পন্দিত হইতেছে। ছিন্ন হস্ত, কর্তিত পদ, রুধিরাক্ত খণ্ডিত অঙ্গ, উদর…সর্বত্র রক্তের স্রোত বহিয়া যাইতেছে। গঙ্গার জল আরক্তিম হইয়া উঠিয়াছে।

    বহুদিন পূর্বে কমলনয়ন গঙ্গার ঘাটে এইরূপ আর-একটা দৃশ্য দেখিয়াছিল, মনে পড়িল। সেই একই ভয়াবহতা!

    ঘাটের নিম্নদিকে কমলনয়ন নামিয়া আসিল। কিন্তু এ কী! এক অতি বৃদ্ধ মুসলমানের মৃতদেহের পার্শ্বে এক মূক ব্যক্তি বসিয়া গোঙাইয়া কাঁদিতেছে। একটা বাঁশি মৃতব্যক্তির হস্তচ্যুত হইয়া ঘাটের সোপানের উপর পড়িয়া আছে। এ কী হইল? এ বৃদ্ধ ব্যক্তি তো কোনোক্রমেই আক্রমণকারী হইতে পারে না!

    কমলনয়ন প্রশ্ন করিল, “ময়ূখ! এ কী ব্যাপার? এ যে নিরীহ লোক!”

    ময়ূখ বলিল, “হাঁ। নাগারা নির্বিচারে মারিয়াছে। ভল্পের আঘাতে এ বৃদ্ধের বক্ষ বিদীর্ণ করিয়া চলিয়া গিয়াছে! আমি এ বৃদ্ধকে চিনি।”

    “তুমি ইহাকে চেনো? কে এই বৃদ্ধ?”

    “বংশীবাদক এনায়েৎ খাঁ। ক্রন্দনরত ব্যক্তিটি তাহার সহিত মৃদঙ্গ বাজায়। নাম মেহবুব। হয়তো ঘাটে বসিয়া বাজাইতেছিল। সহসা গোলমালের ভিতর পড়িয়া বৃদ্ধ প্রাণ হারাইয়াছে।”

    অন্য দিক হইতে বলভদ্রের কণ্ঠস্বর শুনা গেল, “আচার্যদেব! একবার কৃপা করিয়া এইদিকে আসুন।”

    কমলনয়ন বলভদ্রের নিকটে আসিলে বলভদ্র একটি মৃতদেহের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিল। এক মুসলমান রমণী ও একটি শিশু। উভয়েই নিহত হইয়া পড়িয়া আছে। রক্তে তাহাদের শরীর ভাসিয়া যাইতেছে। মৃত্যুবরণ করিয়াও জননী তাহার মৃতশিশুটিকে বাম বাহুতে জড়াইয়া রাখিয়াছে।

    “হে ভগবান! এ কী! ইহারা তো সব নিরীহ ব্যক্তি! ইহাদের মারিয়াছে!”

    বলভদ্র গম্ভীর স্বরে বলিল, “হাঁ। মারিবার সময়ে কে আক্রমণকারী, কে আক্রমণকারী নয়, নাগারা এসব বিচার করে নাই। নির্বিচারে অস্ত্র চালাইয়াছে।”

    ক্রোধে, বিস্ময়ে থরথর করিয়া কাঁপিতে কাঁপিতে কমলনয়ন ঘাটের সোপানের উপর বসিয়া পড়িল। এ কী হইল? হায়, এই কি সে চাহিয়াছিল? ইহা তো প্রতিরক্ষা নহে, ইহা যে হত্যার বিরুদ্ধে হত্যা করিয়া প্রতিশোধ গ্রহণ!

    ধনু হইতে শর জ্যামুক্ত হইয়া বাহির হইয়া গিয়াছে; আর ফিরত পাইবার উপায় নাই। অমোঘ লক্ষ্যে গিয়া বিদ্ধ করিবেই। যাহাদের কেবল রক্ষা করিতে বলা হইয়াছিল, তাহারা নিষাদ। বধ করিয়াই তাহাদের আনন্দ, তাহাদের আক্রোশের অবধারিত পরিতৃপ্তি। এই নিষাদ মানুষের রক্তের ভিতর সৃষ্টির আদিম প্রত্যুষ হইতে ধাবিত হইতেছে। ইহার হাত হইতে কাহারও রক্ষা নাই, পরিত্রাণ নাই।

    সহসা কমলনয়নের মনশ্চক্ষের সম্মুখে কী কতগুলা ছবি নড়িয়া চড়িয়া উঠিতে লাগিল। বর্তমানের চিত্র নহে, অতীতের দৃশ্য নহে, ভবিষ্যতের ছবি। আজ হইতেই সেই ভয়ংকর ভবিষ্যৎ শুরু হইয়াছে। অহিনকুলের ন্যায় বিবদমান দুই সম্প্রদায়ের মানুষ উঠিয়া আসিতেছে। সকলেরই হস্তে রুধিরাপ্লুত অস্ত্র। হত্যার পরিবর্তে হত্যা। ধর্মের নামে তাহারা দুই দলে বিভক্ত হইয়াছে। একদল হিন্দু, আর-এক দল মুসলমান। পরস্পর পরস্পরকে আঘাত করিতেছে। রক্তস্রোতে প্লাবিত ভাবীকালের দৃশ্যগুলি একের পর এক কমলনয়নের চোখের সম্মুখে যেন আবর্তিত হইতেছে। হাঁ, ইহাই হইবে, কোনো নিস্তার নাই… আজ হইতেই আরম্ভ!

    ওই তাহারা এ উহার মুণ্ডচ্ছেদ করিতেছে। ধর্মের ভিত্তিতে তাহাদের স্বদেশ ভারতবর্ষকে দ্বিখণ্ডিত করিতেছে। ভারতের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যের অধিকার লইয়া হিন্দু-মুসলমান লুব্ধ সারমেয়ের ন্যায় টানাটানি করিয়া খাইতেছে। নগরীর রাজপথ অগণ্য মানুষের রক্তে ভাসিয়া যাইতেছে। মৃতদেহের আর গণনা নাই। হিন্দু সরোষে মুসলমানের মসজিদে সশস্ত্র ঢুকিয়া পড়িতেছে। মুসলমান হিন্দুর মন্দির ভাঙিতেছে। হিন্দু মুসলমানের মসজিদ চূর্ণবিচূর্ণ করিয়া দিতেছে। মসজিদ ভাঙিয়া মন্দির গড়িবে। হিন্দুর মন্দিরে আট বৎসরের বালিকা—মুসলমান কন্যা দিনের পর দিন গণধর্ষিত হইতেছে। মুসলমানের মসজিদের অন্তরালে হিন্দু কন্যার উপর লোলুপ পুরুষ ঝাঁপাইয়া পড়িতেছে। বৃদ্ধ ইমামের তরুণ পুত্রকে হিন্দু আততায়ীর দল কাটিয়া ফেলিতেছে। গ্রাম ভাঙিয়া পড়িতেছে। শহর তাহার লোলুপ হস্ত দিয়া গ্রামকে গ্রাস করিতেছে। হিন্দু কন্যাকে ভালোবাসিবার অপরাধে মুসলমান যুবকের দেহে আগুন লাগাইয়া দিয়া হিন্দু যুবক পৈশাচিক উল্লাস করিতেছে। হিন্দু জনতায় পরিপূর্ণ শকটে অগ্নিসংযোগ করা হইতেছে। পরিবর্তে অসহায় মুসলমান গ্রামের প্রতিটি প্রাণীকে নির্মমভাবে বধ করা হইতেছে। পুত্রের সম্মুখে জননীকে ধর্ষণ করা হইতেছে, স্ত্রীর সম্মুখে স্বামীর জঘন্য হত্যাকাণ্ড অনুষ্ঠিত হইতেছে। অসহায় দেশের সিংহাসনে মূর্খরা বসিয়া রাজত্ব করিতেছে। সাম্প্রদায়িক বিভেদকে কাজে লাগাইয়া উভয় তরফ হইতে রাজনৈতিক সুবিধা লুণ্ঠন করা হইতেছে। একদিক হইতে ‘আল্লা হু আকবর’ ধ্বনি উঠিতেছে। অন্য দিক দিয়া ‘জয় শ্রীরাম’ বলিয়া কাহারা আস্ফালন করিতেছে। বাল্মীকির রাম নহে, তুলসীদাসের রামও নহে, ইহা এক অন্য রাম—রক্তপিপাসু, যুদ্ধলোলুপ রাম! যে-হিন্দুরা, ‘একং সবিপ্রাঃ বহুধা বদন্তি’—সত্য এক, বিপ্ররা তাহাই বহুভাবে ব্যাখ্যা করেন আবিষ্কার করিয়া সকল ধর্ম ও সকল মতের একই গন্তব্য ঘোষণা করিয়াছিল, সেই সব অহিংসক নিরস্ত্র হিন্দুদের হস্তে অস্ত্র তুলিয়া দিল কে?

    আমি, আমিই তাহাদের হস্তে অস্ত্র তুলিয়া দিয়াছি। আমিই তাহাদের এক ভ্রাতাকে বলিয়াছি, অন্য ভ্রাতার রক্তে হস্ত রাঙাইয়া লও। একজনকে বলিয়াছি, অন্যের হৃৎপিণ্ড তুলিয়া লও। চক্ষু উপড়াইয়া লও, শিরা-ধমনী ছিঁড়িয়া লও, মানুষের করোটি খুলিয়া লইয়া সেই নরখপরে রক্ত পান করো, গর্ভিণী নারীর উদরে পদাঘাত করিয়া ভ্রূণ হত্যা করো। আমিই মানুষকে বলিয়াছি, যতদূর সম্ভব পশুর অপেক্ষাও হিংস্র আচরণ করো। অথবা পশুও লজ্জা পাইবে এমন পৈশাচিক কর্মে আমিই তাহাদের নিয়োগ করিয়াছি। আমার দুইটা হাত ভবিষ্যতের কোটি কোটি অগণ্য মানবের রক্তে লাল হইয়া গিয়াছে! আহ, এ কী দুর্নিবার শোচনা!!

    কাহার যেন কণ্ঠস্বর কমলনয়নের কর্ণে অতীতের পটভূমিকা হইতে উঠিয়া আসিয়া বজ্ৰনাদে বলিতেছে, “এ হিন্দু, ও মুসলমান, এ মিত্র, ও অরাতি—ইত্যাকার ভেদ কোথা হইতে আসিল? এই ভেদদর্শনই তো মিথ্যা। তুমি নিজেকেই তো এসকল নানা রূপে, নানা ভেদে অভিব্যক্ত হইতে দেখিতেছ। ইহা তো ভ্রান্তি! মায়ার খেলা মাত্র! বস্তুত, তুমি ছাড়া আর কিছুই তো নাই! এ কথা একবার বুঝিতে পারিলে কে কাহাকে আঘাত করিবে? কে কাহার আঘাতে হতাহত হইবে? তুমি নিজে নিজেকে আঘাত করিবে?…কাদা দিয়া কখনও কাদা ধোওয়া যায়? রক্ত দিয়া কখনও রক্তস্রোত মুছিতে পারো?”

    কমলনয়ন তাকাইয়া দেখিল, কোথা হইতে কতগুলা শৃগাল আসিয়া ঘাটের উপর রক্ত চাটিয়া চাটিয়া খাইতেছে। মাথার উপর শবভুক শকুনের পাল উড়িতেছে।

    .

    এখনই ভারতবর্ষের উপর নামিয়া আসিবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }