Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ১৭

    সতেরো

    বারাণসীর ন্যায় এত বৃহৎ নগরীতে কমলনয়নকে খুঁজিয়া পাওয়া দুষ্কর ব্যাপার ছিল। নবদ্বীপ হইতে এত দীর্ঘপথ পার হইয়া আসিয়া বারাণসীতে উপস্থিত হইয়া যাদবের চক্ষে যেন ধাঁধা লাগিয়া গেল। দীর্ঘ দীর্ঘ বৎসর নবদ্বীপে অপেক্ষা করিবার পরেও ভ্রাতা যখন ফিরিল না, একখানা পত্রও নাই, তখন উপায়ান্তর না দেখিয়া ভ্রাতার অন্বেষণে যাদব এই দীর্ঘ পথশ্রম স্বীকার করিয়াও বারাণসী আসিয়াছিল। কিন্তু এখানে কোথায় খুঁজিয়া পাইবে কমলনয়নকে? এ ঘাটে ও ঘাটে বৃথা ঘুরিয়া ঘুরিয়া, এ মঠে ও মঠে অন্বেষণ করিয়া ব্যর্থমনোরথ হইয়া অবশেষে একদিন প্রভাতবেলায় চৌষট্টি যোগিনীর ঘাটে বসিয়া আছে, দেখিল এক মুণ্ডিতমস্তক সন্ন্যাসী স্নানান্তে উঠিয়া আসিতেছেন। যুক্তকরে সন্ন্যাসীকে অভিবাদন-অন্তর যাদব জিজ্ঞাসা করিল, “অবধূত! আপনি কি এই ঘাটের সমীপেই কোথাও অবস্থান করেন?”

    সন্ন্যাসী বলিল, “হাঁ, আমি আচার্য বিশ্বেশ্বর সরস্বতীর প্রব্রজিত সন্ন্যাসী। আপনি?”

    যাদব উত্তর দিল, “আমি যাদব। ব্রাহ্মণ। অতিসম্প্রতি কাশী আগমন করিয়াছি। আপনাদিগের মঠে কমলনয়ন নামে কি কোনো অন্ত্যেবাসী আছেন?”

    “না, কমলনয়ন নামে তো কেহ নাই!”

    যাদব তৎক্ষণাৎ বুঝিল, তাহার ভুল হইতেছে। প্রকাশ্যে কমলনয়ন কখনও তাহার বাল্যনামে পরিচয় দিত না। সর্বদাই তাহার জাতপত্রিকায় যে-নাম আছে, সেই ‘মধুসূদন’ নামে পরিচয় দিয়া আসিতেছে। অতএব ‘কমলনয়ন’ বলিলে কেহ চিনিবে না। সে দ্রুত নিজেকে সংশোধন করিয়া প্রশ্ন করিল, “আচ্ছা, মধুসুদন নামে কি কেউ…?”

    সন্ন্যাসী বলিলেন, “বিলক্ষণ! দুই-তিন মাস হইল, আমাদিগের মঠে আচার্য বিশ্বেশ্বর সরস্বতী জনৈক কৃতধী ব্যক্তিকে সন্ন্যাস দীক্ষা দিয়াছেন। সদ্যোপ্রব্রজিত সেই সন্ন্যাসীর নাম মধুসূদন সরস্বতী। তিনি অতি মেধাবী, শাস্ত্রসেবী, গভীর ধ্যানশীল, কিন্তু আপনি তাঁহার অন্বেষণ করিতেছেন কেন?”

    যাদবের মস্তকে যেন বজ্রাঘাত হইল। কমলনয়ন সন্ন্যাস লইয়াছে। তবে তো তাহার আর গৃহে ফিরিবার কোনো সম্ভাবনাই নাই। তথাপি, একবার শেষ চেষ্টা তো দেখিতেই হইবে। এ কী অভাবিত ঘটনা! কমলনয়ন, তাহার শৈশবের সাথী কমলনয়ন…পিতা-মাতা-ভ্রাতাদিগের উপর এত নিষ্ঠুর হইল কী প্রকারে? যাহাই হউক, নিজ ভাব ঈষৎ সংবরণ করিয়া লইয়া যাদব সম্মুখস্থ সন্ন্যাসীকে বলিল, “আমি কমলনয়নের…না, না…মধুসূদনের পূর্বাশ্রম সম্বন্ধে অগ্রজ। আমাকে আপনি কি একবার তাহার সমীপে লইয়া যাইতে পারেন?”

    সন্ন্যাসী উত্তর দিলেন, “পারি। কিন্তু মধুসূদন আপনার সহিত সাক্ষাৎ করিবেন কি না বলিতে পারি না। আসুন, আমার সহিত আসুন!”

    নগরীর শীর্ণ গলিপথ বাহিয়া চলিতে চলিতে সন্ন্যাসীদিগের মঠ আসিয়া পড়িল। প্রবেশদ্বারে দুইটি প্রস্তরনির্মিত সিংহ দ্বাররক্ষা করিতেছে। দ্বারপথ দিয়া কিছুদূর অগ্রসর হইলে অতি বিস্তৃত একটি উঠান। তাহার পর দীর্ঘ সোপান অতিক্রম করিয়া শ্বেতপাথরে আবৃত অলিন্দে উঠিতে হয়। সমস্ত মঠটি অতি পরিষ্কৃত—সব কিছু ঝকঝক তকতক করিতেছে। অলিন্দের স্তম্ভগুলি অতি স্থূল; চারিজন মনুষ্য পাশাপাশি দাঁড়াইলে যতখানি হয়, ততখানি বেধ। সন্ন্যাসী অনুসরণকারী যাদবকে দ্বিতলে একটি কক্ষের সম্মুখে লইয়া গেলেন। দ্বার উন্মুক্ত দেখা গেল। সন্ন্যাসী চক্ষের ইঙ্গিতে যাদবকে ভিতরে প্রবেশ করিতে বলিয়া চলিয়া গেলেন।

    দ্বারে দাঁড়াইয়া যাদব অভ্যন্তরে দৃষ্টিপাত করিয়া মুগ্ধ হইয়া গেল। কক্ষে ভূতলে একটি ব্যাঘ্রাজিন বিস্তৃত করিয়া এক তরুণ সন্ন্যাসী উপবিষ্ট। তাহার মস্তক সদ্যোমুণ্ডিত গাত্রের গৈরিক বস্ত্র ও উত্তরীয় প্রভাতের প্রথম আলোকের ন্যায় উজ্জ্বল। চতুষ্পার্শ্বে নানাবিধ শাস্ত্রগ্রন্থ, বিবর্ণ পুথি উন্মুক্ত অবস্থায় ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হইয়া পড়িয়া আছে। সম্মুখে একটি লিখিবার উপযুক্ত পীঠিকা। উহার উপর বসিয়া ঝুঁকিয়া বসিয়া সন্ন্যাসী কী একটি পুথি এক মনে রচনা করিতেছেন—এত গভীর মনঃসংযোগ যে, বাহিরের হুঁশমাত্র নাই।

    চিনিতে বিলম্ব হইল না। আহা! কত সৌম্য, কত শান্ত, কী সুন্দরই না হইয়াছে! যাদব স্তিমিত কণ্ঠে ডাকিল, “কমলনয়ন। ও কমলনয়ন!!”

    কমলনয়ন নয়ন উত্তোলন করিয়া দেখিল। দাদা! দাদা আসিয়াছে! কী একটি উচ্ছ্বাসের ভাব মুখমণ্ডলে ফুটি ফুটি করিয়াও অবশেষে সংযত হইয়া গেল। অভিবাদন জ্ঞাপন করিয়া কমলনয়ন কহিল, “আইস, অভ্যন্তরে আইস। উপবেশন করো।”

    কুট্টিমের এক পার্শ্বে একটি কুশাসন ছিল। যাদব তাহাতেই উপবেশন করিল। বলিল, “এ কী ব্যাপার? তুই সন্ন্যাসী হইয়াছিস? শুনিয়াছিলাম, তুই বেদান্তমত খণ্ডন করিবার জন্য কাশীতে বেদান্তপাঠ করিতেছিলি। ন্যায়মতের সর্বোৎকৃষ্টতা প্রমাণ করাই তো তোর উদ্দেশ্য ছিল! তাহা হইলে…?”

    “ন্যায়মত পরিত্যাগ করিয়াছি, দাদা। ওই মত ভ্রান্ত—আমার এতাদৃশ বোধ হইয়াছে। বেদান্তমত গ্রহণ করিয়া এষণাত্রয় পরিত্যাগ করিয়া সন্ন্যাস বরণ করিয়াছি।”

    “সন্ন্যাস লইবার পূর্বে পিতা-মাতা কাহারও অনুমতি লইবার তোর প্রয়োজন হইল না? একবার আমাদিগের কথা চিন্তাও করিলি না? হৃদয় এতদুর পাষাণ করিয়াছিস?” যাদবের কণ্ঠস্বরে ক্ষোভ ঝরিয়া পড়িল।

    কমলনয়ন প্রথমে কিছু কহিল না। তাহার পর ধীরে ধীরে বলিল, “গৃহত্যাগ করিবার পূর্বে মাতাপিতাকে এইরূপ ইঙ্গিত দিয়াই তাঁহাদের অনুমতি লইয়াছিলাম। তাহার পর পথে নামিলাম। সেই পথই আমাকে এই অবস্থায় লইয়া আসিয়াছে।”

    “আর আমি? আমি যে তোর জন্য পথক্লেশ স্বীকার করিয়া উনসিয়া হইতে নবদ্বীপ আসিয়াছিলাম? আমাকে বলিয়া আসিলি, কাশী হইতে তুই শীঘ্রই নবদ্বীপে ফিরিয়া যাইবি—তোর সে-প্রতিশ্রুতি মিথ্যা হইয়া গেল?”

    “তখন ওইরূপই স্থির করিয়াছিলাম, দাদা। কিন্তু কাশী আসিয়া মনোভাব পালটাইয়া গেল। কী আর করিব!”

    “বেশ। কিন্তু পিতামাতা বৃদ্ধ হইয়াছেন। তাঁহাদের কথা তো একবার চিন্তা করিতে হয়!”

    “এ সংসারে পিতা-মাতা-ভ্রাতা-দারা সুত সকলই মায়িক সম্বন্ধ, দাদা। উহার কিছুই সত্য নয়, শাশ্বত নয়। সংসার পদ্মপত্রে নীরবৎ! এই আছে, এই নাই। তাই সমস্ত ছাড়িয়া ঈশ্বরের শরণ লইয়াছি।”

    “কিন্তু বৃদ্ধ পিতামাতার প্রতি তোর একটা কর্তব্যও তো আছে! সে-কথা কি তুই অস্বীকার করিতে পারিস?”

    “না, পারি না। কর্তব্য আছে, সত্য। কিন্তু ভিতর হইতে আর-একটা ডাক আসিল। সেই ডাক কর্তব্যের আহ্বান অপেক্ষাও উচ্চতর।”

    “ভালো কথা। কিন্তু সংসারে থাকিয়া কি ধর্ম হয় না? রাজা জনক তো সংসারধর্ম পালন করিয়া ধর্মলাভ করিয়াছিলেন!”

    “সংসারে থাকিয়া যাহাদের ধর্ম হয়, হউক। আমার তো হইল না। আর সংসারে থাকিয়া যদি সকলেরই ধর্মলাভ হইত, তবে তো প্রত্যেকেই রাজর্ষি জনক হইতেন। তাহা তো হয় না। বেশিরভাগ সংসারী ব্যক্তিই সংসারের মধ্য দিয়া ধর্মলাভ করিবেন ভাবিয়া অন্তিমে পুত্রকন্যার জনক ভিন্ন আর কিছুই হইতে পারেন না।”

    “ও। আর সব সন্ন্যাসীই বুঝি ব্রহ্মজ্ঞানী হইয়া যায়?”

    “না, তাও হয় না। ব্রহ্মজ্ঞানের অধিকারী সর্বথাই বিরল। কিন্তু যে-ব্যক্তি সম্মুখে বহু বাধা আছে জানিয়াও তীর্থপথ ধরিয়া সাবধানে চলিতেছে, তাহার সহিত তুমি যাহারা সংসারের ভোগসুখে নিমগ্ন হইয়া কালহরণ করিতেছে, তাহাদের তুলনা করিতে পারো না।”

    “তোর দৃষ্টিতে সংসার তাহা হইলে অসার?”

    “হাঁ, অসার।”

    “কীরূপে? আমার সহিত বিচার কর।”

    “করিব। কিন্তু এখন নহে। তুমি কল্য রাত্রিতে কোথায় ছিলে?”

    “কোথায় আবার থাকিব? তুই কি আমাকে এতটুকু শান্তিতে রাখিয়াছিস? কয়েকদিন ধরিয়া বারাণসীর এক ধর্মশালায় পড়িয়া আছি!”

    “তবে চলো। আহারাদি করিয়া লইয়া একটু বিশ্রাম করিবে। এ কয়দিন তোমার আহারনিদ্রাও বুঝি হয় নাই।”

    মঠের পাকশালায় বসিয়া যাদব আহার করিল। আহার্য সামান্যই, রুক্ষ অন্ন, জলবৎ সৃপ, কদলী ও মুগসিদ্ধ। এইরূপ কর্কশ আহার কমলনয়নকে প্রত্যহ করিতে হয় ভাবিয়া যাদবের চক্ষে জল আসিল।

    আহারের পর মঠের অতিথিশালার এক কক্ষের কুট্টিমের উপর একটি কম্বল পাতিয়া যাদব শুইয়া ছিল। কমলনয়ন চলিয়া গিয়াছে। সমস্ত মঠটি নিঃশব্দ। যেন জনপ্রাণী নাই। অথচ এতগুলি সাধু এখানে থাকে, বোধহয় সকলেই নিজ নিজ কক্ষে নীরবে ধ্যানচিন্তন, পাঠাভ্যাসাদি করিতেছে।

    শুইয়া শুইয়া যাদব ভাবিতেছিল, কমলনয়ন সংসারকে অসার বলিতেছে কেন? কোন্ যুক্তিতে? বাতায়নপথে রৌদ্র আসিয়া ঘরের ভিতর বাঁকাভাবে পড়িয়াছে। কোথাও ছাদের কোণে ঘুঘুপাখি আমন্থর ঘুৎকার ধ্বনিতে মধ্যাহ্নের নির্জনতাকে গাঢ় করিয়া তুলিতেছে। ভাবিতে ভাবিতে অক্ষিপল্লবে তন্দ্রা নামিয়া আসিল।

    জাগিয়া উঠিয়া যাদব দেখিল, বেলা পড়িয়া আসিয়াছে। সে পুনরায় কমলনয়নের কক্ষে গেল। দেখিল, কমলনয়ন সেই একভাবে পুথির পৃষ্ঠায় আনতগ্রীব হইয়া আছে।

    যাদব কুশাসনের উপর গিয়া বসিল। কিছু পরে কমলনয়ন পুথি হইতে চোখ তুলিয়া স্মিতহাস্যে বলিল, “কী? ঘুম হইয়াছে?”

    “হাঁ, তাহা হইল।”

    “কোনো কী স্বপ্ন দেখিলে?”

    কমলনয়নের প্রশ্নে যাদব সামান্য বিস্মিত হইল। কখন যে কী কথা বলে। স্বপ্নের কথা স্মরণ করিয়া ধীরে ধীরে বলিল, “তা দেখিয়াছি বটে। আমাদিগের উনসিয়া গ্রামের স্বপ্ন…কে একটি বালিকা আমাদের উদ্যানে চুরি করিয়া ফুল পাড়িতেছে…আমি তাহাকে বলিলাম, না বলিয়া পুষ্পচয়ন করিতেছ কেন?…”

    কমলনয়ন যাদবের স্বপ্নবৃত্তান্তে তেমন আগ্রহী হইল না। সে জিজ্ঞাসা করিল, “স্বপ্ন দেখিবার সময় কি একবারও মনে হইয়াছিল, স্বপ্নের সেই গ্রাম, সেই বালিকা, পুষ্পচয়নাদি মিথ্যা? স্বপ্নদর্শনকালে স্বপ্ন দেখিতে দেখিতে কি তোমার একবারও মনে হইয়াছিল, এই স্বপ্ন আসলে একপ্রকার কল্পনা? সে-অবস্থায় একবারও মনে হইয়াছিল, স্বপ্ন মিথ্যা?”

    “না। স্বপ্ন দেখিবার সময়ে স্বপ্নকে সত্যই মনে হয়।”

    “তাহা হইলে, এখন যে জাগিয়া উঠিয়া তোমার এই মঠ, ঘট, পট সব সত্য মনে হইতেছে, এই জাগরণও তো তোমার একটা দীর্ঘস্থায়ী স্বপ্ন হইতে পারে। পারে না?”

    যাদব চারিপাশে একবার চোখ তুলিয়া তাকাইল। এই কক্ষ, কমলনয়ন, বিবর্ণ পুথির পৃষ্ঠা, ওই উন্মুক্ত বাতায়ন, নিজ শরীর — সকলই সে একপ্রকার স্বপ্ন দেখিতেছে নাকি?

    তথাপি সেই ঘোর কাটাইয়া যাদব তর্কে প্রবৃত্ত হইল, “বেশ। কিন্তু স্বপ্ন ভাঙিলে তো জাগিয়া উঠিয়া স্বপ্নকে মিথ্যা বুঝা যায়, বাপু। কিন্তু এই জাগ্রৎ অবস্থা তো দেখি আর কখনও ভাঙে না!”

    “কেমন করিয়া জানিলে, ভাঙে না? ইহার উপরেও তো একটা অবস্থা থাকিতে পারে। যদি এখনই এই জাগরণ ভাঙিয়া যায়? তখন তো জাগরিত অবস্থায় দৃষ্ট সংসার, এই সকল মায়িক সম্বন্ধ, এই ঘট-পট-মঠ সকল কিছুই মিথ্যা মনে হইবে?”

    “তুই যে জাগরণ হইতেও পুনর্জাগরণের কথা বলিতেছিস! কিন্তু তাহার নিশ্চয়তা কী? কাহারও কি এমন হয় যে, জাগরিত অবস্থা হইতেও জাগিয়া উঠে? ইহা তো আমি ভালো বুঝিতে পারিতেছি না।”

    “আচ্ছা বেশ, নাহয়, নাই বুঝিলে। কিন্তু আমাকে একটা কথা বলো। তুমি তো কাশীতে শুইয়া উনসিয়ার স্বপ্ন দেখিতেছিলে, তাই না?”

    “তা বটে। কিন্তু তাহাতে কী হইল?”

    “হইল এই যে, তোমার স্বপ্নাবস্থা তোমার জাগ্রত অবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করিয়াই রচিত হইয়াছিল। যদিও তুমি কাশীতে শুইয়া আছ, অথচ স্বপ্ন দেখিতেছ উনসিয়ার! কেমন কি না?”

    “হাঁ। যদিও জাগরিত অবস্থায় কাশীতে আছি, তথাপি স্বপ্নে দেখিলাম, আমি উনসিয়ায় রহিয়াছি।”

    “আর জাগিয়া উঠিয়া দেখিলে, তুমি উনসিয়ায় নাই, কাশীতে এক সন্ন্যাসীদের মঠে শুইয়া আছ। অতএব, তোমার স্বপ্ন অবস্থা আর তোমার জাগ্রৎ অবস্থা—উভয়ে উভয়কে খণ্ডন করিতেছে। এক অবস্থার সাপেক্ষে অন্য অবস্থা মিথ্যা প্রমাণিত হইয়া যাইতেছে।”

    “কিন্তু তুই শুধু জাগরণ আর স্বপ্নের কথা বলিতেছিস কেন রে? আরে, মানুষের এমন অবস্থাও তো হয়, যখন সে গভীর ঘুমে থাকে। সে অবস্থায় সে কোনো স্বপ্ন দেখে না। উহাকে ‘সুষুপ্তি’ অবস্থা বলে।”

    “বেশ তো! ওই গভীর ঘুমের অবস্থায় কি জাগ্রৎ অবস্থার কোনো কিছু অনুভূত হয়?”

    “না। কিছুমাত্র অনুভূত হয় না।”

    “স্বপ্ন অবস্থার কোনো কিছু অনুভূত হয় কি?”

    “আরে, না, না। সেই সুষুপ্তি অবস্থায় আন্তর, বাহ্য কোনো কিছুরই অনুভব হয় না। এমনকি ‘আমি’ বোধও সুষুপ্তি অবস্থায় লুপ্ত হইয়া যায়। সুষুপ্ত অবস্থায় যেন কিছুই নাই।”

    “তবে দাদা, সুষুপ্তি অবস্থায় ওই ‘না-থাকা টার সাক্ষী থাকে কে?”

    “যদি বলি, কেহই না?”

    “কেহই যদি সাক্ষী না থাকিত, তবে জাগিয়া উঠিয়া কে বলে, ‘সুখে ঘুমাইয়াছি; কিছুই অনুভব করি নাই?”“

    যাদব ভাবিতে লাগিল। সত্যিই তো! কমলনয়ন তো ঠিকই বলিতেছে। সুষুপ্তি অবস্থায় সেই ‘কিছু-না-থাকা’টা যদি সে-অবস্থায় কেহ না অনুভব করিত, তবে জাগিয়া উঠিয়া ‘আমি কিছু অনুভব করি নাই’ এই স্মৃতিই বা হইতেছে কাহার? সুষুপ্ত অবস্থায় এই ‘কিছু না’ যে অনুভব করিয়াছে, জাগরিত হইয়া সেই-ই ইহা স্মরণ করিতেছে। সত্য বটে!

    যাদবের চিন্তায় বাধা দিয়া কমলনয়ন বলিল, “দেখ, দাদা। জাগ্রৎ অবস্থা সরিয়া গিয়া স্বপ্ন আসিতেছে। স্বপ্ন সরাইয়া দিয়া সুষুপ্তি আসিতেছে। একের পর এক। কিন্তু এই তিন অবস্থার সাক্ষী এক জন, নাকি তিন জন? তিন জন হইতে পারে না। কারণ, একাধিক সাক্ষী হইলে ‘আমি জাগিয়া ছিলাম, আমিই ঘুমাইয়া স্বপ্ন দেখিলাম, আমিই স্বপ্নহীন গভীর ঘুমের মধ্যে তলাইয়া গিয়াছিলাম, পুনরায় আমিই জাগিয়া উঠিয়াছি’ একই লোকের এইরূপ অনুভব হইত না। অতএব, পরিবর্তনশীল এই জাগ্রৎ-স্বপ্ন- সূযুপ্তির এক নির্বিকার অপরিবর্তনীয় সাক্ষী বর্তমান।”

    “কে একভাবে এই অবস্থাত্রয়কে দেখিয়া চলিয়াছে?”

    “অবশ্যই সে তোমার এই জাগ্রত অবস্থার ‘আমি’ নহে। স্বপ্ন অবস্থার ‘আমি’ও নহে। এমনকি সুষুপ্তি অবস্থার ‘আমি-হীনতা’ও নহে। জাগ্রত অবস্থার ‘আমি’ জাগ্ৰত অবস্থার দ্বারাই সীমাবদ্ধ। জাগ্রত অবস্থার সেই ‘আমি’র পরিচয় মুছিয়া গিয়া স্বপ্নের ‘আমি’ ফুটিয়া উঠিতেছে। স্বপ্নের ‘আমি’ সুষুপ্তিতে তলাইয়া যাইতেছে। এ সকল ‘আমি’ও ‘আমার’ সেই এক অপরিবর্তনীয় সাক্ষীর উপর আরোপিত মাত্র। আর যাহা আরোপিত, তাহাই অসার। তাই বলিতেছি, সংসার অসার। এক সেই সাক্ষীই সত্য। ইনিই আত্মা। জীবের প্রকৃত স্বরূপ।”

    যাদব মুগ্ধ হইয়া শুনিতেছিল। কী আশ্চর্য কথা যে কমলনয়ন বলিতেছে!

    কমলনয়ন আবার বলিয়া উঠিল, “এই বিশ্বপ্রপঞ্চের দিকে তাকাও। ইহাও পরিবর্তনশীল। ইহারও নিশ্চয়ই একজন সাক্ষী থাকিবে। শাস্ত্র বলিতেছেন, প্রলয়কালে এই দৃশ্যমান বিশ্বপ্রপঞ্চ লীন হইয়া যায়।”

    “লীন হইলে কী থাকে?”

    “কতগুলা ভাব বা সূক্ষ্ম চিন্তা। সেই সূক্ষ্ম ভাবগুলাও এক পরম শূন্যতায় লীন হয়। তাহার পর আবার সেই শূন্যতা হইতে বিপরীতক্রমে সৃষ্টি বা বিকাশ হইয়া থাকে।”

    “তবে কি এই দৃশ্যমান প্রপঞ্চ এক বিরাট পুরুষের জাগ্রৎ অবস্থা?”

    “ঠিকই ধরিয়াছ, দাদা! আর এই দৃশ্যমান প্রপঞ্চ লীন হইলে যে-চিন্তারাশি থাকে উহা সেই মহান পুরুষের স্বপ্ন। এবং সকল চিন্তারাশি যে পরমশূন্যতায় লীন হয়, তাহা সেই অব্যক্ত পুরুষের সুষুপ্তি। কিন্তু এই বিশ্বপ্রপঞ্চের পরিবর্তনসমূহের সাক্ষীও এক, অর্থাৎ অপরিবর্তনীয়। তিনিই ব্রহ্ম।”

    “আচ্ছা, আমার দেহ-মনের সাক্ষী আত্মা। আর এই বিশ্বপ্রপঞ্চের সাক্ষী ব্রহ্ম- ইহারা যদি দুই হয়?”

    “না, তাহা হইতে পারে না। দেহ-মনের সাক্ষী আত্মা স্থান-কালের অতীত হওয়ায় অসীম হইবে। আবার বিশ্বপ্রপঞ্চের সাক্ষী ব্রহ্ম—তিনিও স্থান-কালের অতীত; অতএব,অসীম। এখন দুইটা অসীম হইতে পারে না। তাহা যদি হইত, তবে একটা অপরটাকে সীমায়িত করিয়া দিত। তাই, এই আত্মাই ব্রহ্ম। অয়মাত্মা ব্ৰহ্ম!”

    যাদবের মনে এক অননুভূতপূর্ব ভাব জাগিয়া উঠিতেছিল। তাহার মনে হইতেছিল, যে-আমি এই ক্ষুদ্র দেহ-মনের পশ্চাতে দাঁড়াইয়া আছি, সেই আমিই এই বিরাট ব্রহ্মাণ্ডের পশ্চাতেও দাঁড়াইয়া আছি? আমি এত মহীয়ান, এত বিশাল, এত মুক্ত, এত নিৰ্ভয়!

    দাদার এই ভাবান্তর কমলনয়ন লক্ষ করিতেছিল। কিছু পরে সে বলিল, “চলো, এখন আর বেদান্তবিচার নহে। সন্ধ্যারতির সময় হইল।”

    যাদব আচ্ছন্ন কণ্ঠে বলিল, “তাহা হইলে কে কাহার আরতি করিবে?”

    “দাদা, যতক্ষণ না সেই জ্ঞান হইতেছে, ততক্ষণ আমার ‘আমি’ বোধ বা অহং- বোধ ষোলো আনা রহিয়াছে। আর যতক্ষণ এই ‘আমি’ বোধ আছে, ততক্ষণ ‘আমি বদ্ধ, সাধনা করিয়া মুক্ত হইব’ এই বোধও রহিয়াছে। ততক্ষণ সন্ধ্যাবন্দনাদি সকলই রহিয়াছে।”

    মঠে সন্ধ্যারতি হইতেছিল। সন্ন্যাসীরা শিবের পূজন, আরতি ইত্যাদি করে। আরতির পর “প্রভুমীশমনীশমশেষগুণম্” ইত্যাদি স্তোত্রপাঠাদি হইল।

    আরতি সমাপ্ত হইলে যাদব কমলনয়নের নিকট হইতে ধর্মশালায় ফিরিয়া গেল। সমস্ত রাত্রি কমলনয়নের যুক্তিগুলি মনে ফিরিয়া ফিরিয়া আসিতেছিল।

    শুধু যুক্তিতর্ক নহে, সন্ন্যাসীদের সেই মঠ, কমলনয়নের সেই সৌম্যমূর্তি, সেই সন্ধ্যারতির সুর যেন ভাসিয়া আসিতেছে। কী পবিত্র জীবন সব! সর্বস্ব ত্যাগের কী দৃপ্ত রূপ!

    পরের দিন যাদব পুনরায় মঠে চলিল। পরপর কয়েকদিন। অবশেষে একদিন সে কমলনয়নকে মনের কথা খুলিয়া বলিল। তাহার অন্তর পরিবর্তিত হইয়া গিয়াছে। সেও সন্ন্যাস গ্রহণ করিয়া কৃতকৃতার্থ হইতে চায়।

    কমলনয়ন তাহাকে মঠাধ্যক্ষ বিশ্বেশ্বর সরস্বতীর নিকট লইয়া গেল। সকল কথা শুনিয়া বিশ্বেশ্বর বড়োই প্রীত হইলেন। তিনি যাদবকে কিছুদিন মঠবাস করিতে বলিলেন। উপযুক্ত সময় অসিলেই তাহাকেও সন্ন্যাসদীক্ষা দিবেন।

    কিন্তু হায়! বিধি বাম! যতবার যাদবের সন্ন্যাসগ্রহণের উপলক্ষ আসে, ততবারই কোনো-না-কোনো একটা বাধা আসিয়া উপস্থিত হয়। একবার তো বিশ্বেশ্বর সরস্বতী স্বয়ং অসুস্থই হইয়া পড়িলেন।

    অবশেষে একদিন তিনি যাদবকে ডাকিয়া বলিলেন, “দেখ বাবা! তোমার সন্ন্যাস গ্রহণ সম্ভবত ঈশ্বরের অভিপ্রেত নহে। তুমি দেশে ফিরিয়া যাও। তুমি ব্ৰাহ্মণ। গৃহে ফিরিয়া শাস্ত্রের প্রচার করো। আমি আশীর্বাদ করিতেছি, ইহাতেই তোমার সর্ববিধ কল্যাণ হইবে।”

    ফিরিবার পূর্বে যাদব কমলনয়নের সহিত দেখা করিল। নিতান্ত হতাশার স্বরে বলিল, “তুই থাক, আমি কাল প্রভাতে উঠিয়া চলিয়া যাইব।”

    কমলনয়ন কিছু বলিল না। তাহার হৃদয় হইতে কী যেন একটা উঠিয়া আসিতেছিল। কান্নার ন্যায় কিছু একটা। কিন্তু উহা মায়িক, পার্থিব। উহাও ত্যাগ করিতে হইবে। অন্তর্গত বাষ্পকে কণ্ঠে অবরুদ্ধ করিয়া কমলনয়ন শুধু বলিতে পারিল, “শূলপাণি তোমার সহায় হউন!”

    এক অনন্তবিসর্পী পথ দ্বিধাবিভক্ত হইয়া দুই দিকে চলিয়া গেল। পথ কি আর কখনও ফিরিয়া আসে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }