Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ৭

    সাত

    মথুরানাথ তর্কবাগীশের টোলে উপস্থিত হইয়া কমলনয়ন দেখিল, বহু দেশ হইতে নানা বয়সের বিদ্যার্থিগণ তথায় বিদ্যাভ্যাস করিতেছে। শিক্ষার্থিদিগের বসিবার জন্য বহু ধাপ সমন্বিত সোপান নির্মিত আছে। প্রথম শিক্ষার্থিবৃন্দ সর্বনিম্ন ধাপে, তাহার পর ক্রমশ উচ্চ উচ্চ শ্রেণীর ছাত্রগণ ক্রমোচ্চ ধাপে বসিয়া শাস্ত্র আয়ত্ত করিতেছে। অপেক্ষাকৃত নিম্ন শ্রেণীর ছাত্রদিগের পড়াইবার ভার তাহাদের অপেক্ষা উপরের শ্রেণীর ছাত্রদের উপরেই ন্যস্ত। সোপানের উপরিভাগে সর্বোচ্চ শ্রেণীর ছাত্রদিগের দ্বারা পরিবেষ্টিত হইয়া পুস্তকস্তূপের মধ্যে তেজস্বী তীক্ষ্ণদৃষ্টি মথুরানাথ স্বয়ং গম্ভীরভাবে অধ্যাপনা করিতেছেন।

    কমলনয়ন মঞ্চোপরি উপবিষ্ট মথুরানাথের নিকট উপস্থিত হইয়া প্রণাম নিবেদন করিল। সৌম্যকান্তি কিশোরের কমনীয় মূর্তি দেখিয়া মথুরানাথের চিত্তে কিশোরের প্রতি বাৎসল্যভাবের উদয় হইল। কিন্তু তিনি তা বাহিরে প্রকাশিত হইতে দিলেন না। গম্ভীর স্বরে কমলনয়নের পরিচয়, কী উদ্দেশ্যে অত্র আগমন ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করিলেন।

    কমলনয়ন অতি সম্ভ্রমের সহিত উত্তর দিল, “আমার নাম মধুসূদন। পিতার নাম প্রমোদন পুরন্দরাচার্য। নিবাস বিক্রমণিপুরের কোটালিপাড়ার অন্তর্গত ঊনসিয়া গ্রাম। সম্প্রতি ন্যায়শাস্ত্র শিক্ষার মানসে নবদ্বীপে আপনার চরণপ্রান্তে উপস্থিত হইয়াছি।”

    সে যে শ্রীগৌরাঙ্গের চরণরেণু মস্তকে ধারণ করিয়া ভক্তের জীবন লইবার জন্য নবদ্বীপে আসিয়াছিল, শ্রীগৌরাঙ্গের দর্শন পায় নাই, অতঃপর পিতার আদেশানুসারে বিদ্যাচর্চায় ব্রতী হইয়াছে, এত কথা কমলনয়ন বলিল না। সেসব কথা এখানে বলিয়া কী হইবে? উহা কমলনয়নের নিতান্ত ব্যক্তিগত হাহাকার, হৃদয়ের বেদনাকুসুম হৃদয়েই ফুটিয়া উঠিয়া হৃদয়েই ঝরিয়া পড়ুক! সেই প্রথম অনুরাগচন্দনে লিপ্ত অমলা ভক্তির পুষ্পার্ঘ্য দেবতার চরণে অর্পিত হইল না, তাহার ব্যথিত সুবাস আপন হৃদয়ে লুকাইয়া রাখিয়াই শুষ্ক ন্যায়শাস্ত্রের চর্চা করিতে হইবে। অন্য উপায় নাই!

    মথুরানাথ দেখিলেন, কিশোরের ওষ্ঠদ্বয় কী যেন অভিমানে কাঁপিতেছে, তাহার নয়নে যেন কী গোপন বেদনা আঁকা হইয়া রহিয়াছে। সমস্ত জীবন সুকঠিন ন্যায়শাস্ত্রের অধ্যাপনা করিলেও মথুরানাথের হৃদয় বধির হইয়া যায় নাই, সূক্ষ্ম বেদনা তাঁহার মনোবীণার তন্ত্রীতে অনুরণিত হইত। মথুরানাথ বুঝিলেন, কোনো-না-কোনো কারণে এই তরুণবয়স্ক বিদ্যার্থীর হৃদয়দেশ আহত হইয়া আছে, কিন্তু কী কারণে যে নবাগত কিশোর বেদনাহত হইয়া আছে, তাহা তিনি বুঝিতে পারিলেন না।

    তিনি প্রশ্ন করিলেন, “এখানে আসিবার পূর্বে কোন্ কোন্ গ্রন্থ চর্চা করিয়াছ?” কমলনয়ন উত্তর দিল, “পিতার নিকট ন্যায়শাস্ত্রের প্রাথমিক পরিচয় পাইয়াছি। উদয়নাচার্যের ‘লক্ষণাবলী’ ও বল্লভাচার্যের ‘ন্যায়লীলাবতী’ অধ্যয়ন করিয়াছি।”

    “বেশ। এই দুই গ্রন্থ তুমি এখানে পুনর্বার অধ্যয়ন করো। এই দুই গ্রন্থই এক্ষণে ন্যায়দর্শনসৌধের ভিত্তিভূমিস্বরূপ। পুনঃপাঠের দ্বারা যখন এই দুই গ্রন্থ তোমার মজ্জাগত হইবে, তখনই নব্যন্যায়শাস্ত্র পাঠের অধিকার জন্মাইবে। অন্যথায় নব্য ন্যায় দুরূহ মনে হইতে পারে।”

    বস্তুত, ন্যায় দর্শনের দুইটি বিভাগ —প্রাচীন ন্যায় ও নব্য ন্যায়। ন্যায় দর্শনের জনক আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক হইতে খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকের মধ্যে কোনো এক সময়ে আবির্ভূত ঋষি গৌতম। আবার ন্যায় দর্শনের সদৃশ ও সর্বাধিক সমীপবর্তী দর্শন হইল বৈশেষিক দর্শন। উহার উদ্‌গাতা মহর্ষি কণাদ। এই বৈশেষিক দর্শন ইতিহাসের বিচারে ন্যায় দর্শন অপেক্ষাও প্রাচীনতর।

    শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরিয়া ইহাদের চর্চা, সংযোজন, সংশোধন চলিয়াছে। এইরূপে চলিতে চলিতে খ্রিস্টীয় দশম শতকে উদয়নাচার্যের আবির্ভাব হয়। তিনি ন্যায় দর্শন ও উহার সমান্তরাল বৈশেষিক দর্শনের ভিতর সেতুবন্ধন করিবার প্রয়াস করেন। উদয়নাচার্যের এই প্রয়াসকেই ভিত্তিভূমি করিয়া ত্রয়োদশ শতকে মিথিলার গঙ্গেশ উপাধ্যায় নব্য ন্যায়মতের প্রবর্তন করেন।

    কমলনয়ন উদয়নাচার্যের ‘লক্ষণাবলী’ ও বল্লভাচার্যের ‘ন্যায়লীলাবতী’ পাঠ করিতে লাগিল। পুনঃপাঠে স্মৃতি সজীব হইয়া উঠে, পূর্বে ওই দুই গ্রন্থের যে-স্থল অস্পষ্ট ছিল, পুনঃ পুনঃ অভ্যাসের ফলে সেই সকল স্থানে মেধার প্রখর আলোক আসিয়া পড়িল; সংশয় ও দুর্বোধ্যতার মেঘ কাটিয়া গেল।

    কয়েকদিবস অতিবাহিত হইলে মথুরানাথ অদূরে পাঠরত কমলনয়নকে নিকটে ডাকিয়া বলিলেন, ‘মধুসূদন! এখন হইতে অন্য ছাত্রদিগের নিকট হইতে পাঠ না- লইয়া তুমি সরাসরি আমার নিকট হইতেই পাঠ লইও।’

    এত অল্পবয়স্ক নবাগত ছাত্রকে মথুরানাথ স্বয়ং পড়াইবেন শুনিয়া অন্য বিদ্যার্থিগণ বিস্মিত হইয়া কমলনয়ন ও মথুরানাথ—উভয়ের মুখের দিকেই তাকাইয়া রহিল। তাহাদের সেই দৃষ্টিতে কেবল বিস্ময় ছিল না, ঈষৎ ঈর্ষাও মিশ্রিত ছিল।

    ন্দুই-একটি প্রশ্ন করিয়া কমলনয়ন ‘লক্ষণাবলী’ ও ‘ন্যায়লীলাবতী’ পড়িয়াছে কেমন, মথুরানাথ তাহা পরীক্ষা করিলেন। কমলনয়নের উত্তরে নিতান্ত সন্তুষ্ট হইয়া মথুরানাথ অতঃপর বলিলেন, “প্রাথমিক পাঠ যথেষ্ট হইয়াছে। এক্ষণে গঙ্গেশ উপাধ্যায়- বিরচিত তত্ত্বচিত্তামণি’ আয়ত্ত করো। এই ‘তত্ত্বচিন্তামণি’ সত্যই চিন্তামণিস্বরূপ। ইহা হাতে লইয়া যে যাহা চিন্তা করিবে, তাহাই পাইবে।” কথাটি বলিয়া তিনি কিঞ্চিৎ হাসিলেন।

    ওইরূপে হাসিবার কারণ ছিল। গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের তত্ত্বচিন্তামণি’ গ্রন্থটি হাতে লইয়া যে যাহা চিন্তা করে, সে তাই-ই পায়, এই প্রবাদটির অর্থ যদি এইরূপ করা যায় যে, ইহা সম্যক পাঠ করিলে দর্শনশাস্ত্রের কোনো বিষয়ই আর অনায়াত্ত থাকে না, তবে ওই প্রকার ব্যাখ্যায় মথুরানাথের কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু তাহা না- হইয়া, যদি ‘তত্ত্বচিন্তামণি’ গ্রন্থের অলৌকিক শক্তিতে পৃথিবীর যে-কোনো বাঞ্ছিত বস্তু করায়ত্ত হয়, কিংবা যে-কোনো পার্থিব বাসনাই পরিপূর্ণ হয়—যদি এইরূপ লোকপ্রচলিত বিশ্বাসের কথা ধরা যায়, তবে তাহা যে সম্পূর্ণ ভ্রমাত্মক, এ কথা বুঝিতে প্রখর বস্তুবাদী নৈয়ায়িক পণ্ডিত মথুরানাথের কোনো অসুবিধা হইবার কথা নহে। পরন্তু গ্রন্থটি অতি দুরূহ; ইহা এত বিখ্যাত যে, ইহার টীকা না করিতে পারিলে সেযুগে কেহ পণ্ডিত মহলে পরিচিতিই পাইত না। এই এক তত্ত্বচিন্তামণি’ গ্রন্থের বহুবিধ টীকা রচিত হইয়াছিল। গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের পুত্র বর্ধমান, মিথিলা-প্ৰখ্যাত পক্ষধর মিশ্র, নবদ্বীপ-গৌরব রঘুনাথ শিরোমণি, বাসুদেব সার্বভৌম, জগদীশ তর্কালঙ্কার, গদাধর ভট্টাচার্য প্রমুখ প্রত্যেকেই ইহার টীকা করিয়াছেন। স্বয়ং মথুরানাথ ‘তত্ত্বচিন্তামণি’ গ্রন্থের টীকা ‘তত্ত্বালোক রহস্য’ রচনা করিয়াছিলেন। একই গ্রন্থের এত টীকা রচিত হওয়ায়, ইহা বুঝিতে পারা যায় যে, মূলগ্রন্থটি কী পরিমাণ দুরূহ ও নানামুখী আলোচনায় সমৃদ্ধ। সেই কঠিন গ্রন্থ মথুরানাথ যখন কমলনয়নের হস্তে তুলিয়া দিলেন, তখন তিনি নিশ্চিতভাবে জানিতেন যে, কমলনয়ন উহা অত শীঘ্ৰ আয়ত্ত করিতে পারিবে না। না পারুক, তবু কঠিন বিষয় চর্বণ করিতে গিয়া যেমন বালকের দুধে-দাঁত ধারালো হয়, তেমনই ইহা অভ্যাস করিতে গিয়া মেধাবী কিশোর কমলনয়নের মেধা আরও শাণিত হইবে, এই বিশ্বাসেই মথুরানাথ উহা কমলনয়নকে পড়িতে আদেশ দিয়াছিলেন। আর ওই দুগ্ধপোষ্য শিশুর হস্তে বিপুল কলেবর ‘তত্ত্বচিন্তামণি’ গ্রন্থখানি দেখিয়া যুগপৎ পুলক ও কৌতুকে মথুরানাথের ওষ্ঠাধরে বিদ্যুতের ন্যায় হাস্যরেখা খেলিয়া গিয়াছিল।

    কিন্তু কৌতুকের সে-হাস্য মিলাইয়া গিয়া মথুরানাথের মুখমণ্ডলে অচিরেই বিস্ময়ের ভাব জাগিয়া উঠিল। কিশোর কমলনয়ন দুর্জয় প্রতিভাবলে এই গ্রন্থ দ্রুতবেগে আয়ত্ত করিতে লাগিল। মথুরানাথ শিষ্যকে পক্ষধর মিশ্র প্রণীত ‘আলোক’ টীকা ধরাইলেন, কমলনয়ন উহা যেন দীপ্ত হুতাশনের ন্যায় গ্রাস করিয়া লইল। মথুরানাথ ইহার পর রঘুনাথ শিরোমণিকৃত জগদ্বিখ্যাত ‘দীধিতি’ টীকা উপস্থাপন করিলেন, কমলনয়ন সাগ্রহে ও সানুরাগে উহাও সম্পূর্ণ আয়ত্ত করিয়া লইল। এইবার মথুরানাথ তাঁহার স্বরচিত ‘তত্ত্বালোক রহস্য’ আনিলেন, উহার সুকঠিন যুক্তিপ্রণালী আত্মসাৎ করিতেও কমলনয়নের বিলম্ব হইল না। কমলনয়নকে পড়াইয়া মথুরানাথ যত আনন্দ পাইতেছিলেন, আর কাহাকেও পড়াইয়া তত আনন্দ পান নাই। এক্ষণে এইসব টীকার তুলনামূলক আলোচনা করিয়া মথুরানাথ মেধাপ্রখর কমলনয়নকে তৃপ্ত করিতে লাগিলেন। গুরু ও শিষ্য এই অধ্যয়ন-অধ্যাপনাকালে যেন আনন্দের সাগরে ভাসিতেছিলেন।

    কিন্তু তাহার পর যখন পাঠে বিরতি হইত, টোল ছুটি হইয়া যাইত, মথুরানাথ আবশ্যকীয় গার্হস্থ্য কর্মে মন দিতেন, টোলের বিদ্যার্থিগণ স্ব স্ব কক্ষে ফিরিয়া আসিত, কমলনয়ন তখন তাহার পুঁথিপাতড়ায় বন্ধন দিয়া নিজ গৃহদ্বারে আসিয়া বসিত। দিবস অবসন্ন হইয়া আসিতেছে, অপরাহ্ণ নামিতেছে, আকাশ বাহিয়া পাখির দল বাসায় ফিরিতেছে, কুটিরের পশ্চাদ্ভাগে অযত্নবর্ধিত ঘেঁটকোল পাতার জঙ্গল হইতে বন্য সুবাস উঠিয়া আসিতেছে, সেসময় কমলনয়নের মন কেমন লক্ষ্যহারা উদাস হইয়া বাজিত। চরাচরে তাহার কেহ কোথাও নাই, জগতের সকল মায়িক বন্ধন খসিয়া পড়িয়াছে, সে যেন ঈশ্বরের এক বর্জিত সৃষ্টি… দূরে গঙ্গার ঘাটের কাছে নহবতে সানাইয়ে মূলতান রাগ বাজিত, কী এক সকরুণ, মন্থর সুর সমস্ত বৈকালটা উদাস করিয়া রাখিত… কমলনয়নের মনে হইত, তাহার হৃদয় কাহাকে যেন ভালোবাসিতে চাহিয়াছিল, পায় নাই। দূর দিগন্তের নিকট মেঘ করিয়া আসিত, ওই মেঘের ভিতর যেন তাহার কিশোর মনের প্রথম প্রেমের মুকুল ঝরিয়া গিয়াছে… আর কখনও ফুটিবে না… শুষ্ক পুথিগুলার পৃষ্ঠায় সেই প্রেমের স্পর্শমাত্র নাই, উহাতে বুদ্ধির কসরৎ মাত্র আছে, মেধার শাণিত অস্ত্রে শব্দের হীরক কাটিয়া বাক্যহার গড়িবার অনুপম রীতি আছে, কিন্তু হৃদয়ের বিশুদ্ধ অনুভূতি রাখিবার জায়গা নাই… মনে হইত, সে তো কবি হইতে চাহিয়া কবি হইতে পারে নাই… কেন জানি মনে হইত, সে যাহা হইতে পারে নাই, আর কেহ তাহাই হইয়াছে—সে যাহা যাহা লাভ করিতে পারে নাই, অন্য কেহ সেসকল লাভ করিয়াছে; গৃহত্যাগ করিয়া অনিকেত জীবনে আসিয়া সে শ্রীচৈতন্যদেবকে ভালোবাসিতে চাহিয়াছিল, দেখা পায় নাই; না দেখিয়াই এত ভালোবাসিয়াছে… যদি দেখা পাইত, তবে তনুমনপ্রাণ সেই রাতুল চরণে বিকাইয়া দিত… ভাবিতে ভাবিতে উঠিত, প্রদীপ জ্বালাইয়া পুথির পাতা খুলিয়া বসিত, পড়িতে পড়িতে অন্তরের অতল হইতে দীর্ঘশ্বাস উঠিয়া আসিত… কে যেন সন্ধ্যার সেই স্তিমিতালোকে তাহার কানে কানে বলিয়া যাইত, ‘এ জীবন নিরর্থক, এ জীবনে কিছুই হইল না’… নদীর অশান্ত বাতাস উঠিয়া আসিয়া হৃদয়হীন পুথির ব্যাপ্তি’ আর ‘হেত্বাভাস’-এর অধ্যায়গুলির পৃষ্ঠায় মর্মরিত হইয়া চলিয়া যাইত।

    একদিন বৈকালে গঙ্গার উপর মেঘ জমিয়াছে, ঘরে বড়ো গুমোট, কমলনয়ন ভাবিল, নদীতীর হইতে ঘুরিয়া আসিবে। নগরের বেষ্টনীর বাহিরে গঙ্গার পাড়ে আসিয়া স্নিগ্ধ বাতাসে তাহার শরীর ও মন যেন শান্তি পাইল। ঘাটের উপর বসিয়া আছে, কে এক ব্যক্তি সন্ধ্যাস্নান সারিতেছে। স্নানান্তে সে-ব্যক্তি যখন উঠিয়া আসিল, লোকটিকে দেখিয়া কমলনয়ন নিতাক্ত বিস্মিত হইয়া গেল। এ যে সেই লোক, যাহার সহিত প্রথম সে মথুরানাথের কথোপকথন শুনিয়াছিল; এই ব্যক্তিই প্রথম, যাহার নিকট সে মথুরানাথ তর্কবাগীশের বিদ্যাশ্রমের পথনির্দেশ পাইয়াছিল! তাহার পর কত বছর কাটিয়া গেছে। মনে হইল, লোকটিও তাহাকে চিনিতে পারিয়াছে। সম্মুখে আসিয়া কমলনয়নের মুখের সম্মুখে আঙুল নাচাইয়া নাচাইয়া সেই স্থূলাকার গৌরবর্ণ ব্যক্তিটি রহস্য করিয়া কহিল :

    “কিং গবি গোত্বং? কিমগবি গোত্বম্? যদি গবি গোত্বং ময়ি ন হি তত্ত্বম্।
    অগবি চ গোত্বং যদি ভবদিষ্টম্, ভবতি ভবত্যপি সম্প্রতি গোত্বম্ ॥”

    কমলনয়ন তাহার কথায় হাসিয়া উঠিল। কথাটি রহস্যপূর্ণ ও নৈয়ায়িক মহলে অতি প্রচলিত। নব্য ন্যায়ের জনক গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের জীবন সম্পর্কিত একটি কিংবদন্তী। বাল্যে গঙ্গেশের দুরন্তপনায় বিরক্ত তাঁহার মাতুল গঙ্গেশকে একবার ‘গোরু’ বলিয়া তিরস্কার করিয়াছিলেন। গঙ্গেশ তখন এই শ্লোকটির দ্বারা মাতুলের তিরস্কার ফিরাইয়া দিয়া কহিয়াছিলেন, “তাত! গো-ত্ব কি গোরুতেই থাকে, নাকি গোরু ভিন্ন অন্য কোনো পদার্থে থাকে? যদি গোরুতেই গো-ত্ব থাকে, তবে আমাতে তাহা সম্ভব নয়, কারণ আমি গোরু নই, মানুষ। আর গো-ত্ব যদি গোরু ভিন্ন অন্য কিছুতে থাকে এমন হয়, তবে গোরুর ওই বৈশিষ্ট্য গো-ত্ব আপনার উপরেও প্রযুক্ত হইতে পারে কি না?”

    তাহার ভাবভঙ্গি, কথাবার্তা শুনিয়া কমলনয়ন বালকের ন্যায় হাসিতেছে দেখিয়া স্থূলোদর লোকটি বলিল, “চিনিতে পারিয়াছ তাহা হইলে? এই গঙ্গার ঘাটে সেই দেখা। ভালো আছ? সম্প্রতি মথুরানাথ তর্কবাগীশের টোলে অধ্যয়ন করিতেছ বুঝি?”

    কমলনয়ন কহিল, “হাঁ। আপনার সর্বাঙ্গীন কুশল তো? আপনি কি নিকটেই থাকেন?”

    লোকটি বলিল, “এই বিষ্ণু দামোদরের মন্দিরের পাশেই আমার কুটির। আসিবে নাকি?”

    কমলনয়ন লোকটির সহিত চলিল। মন্দিরের পাশে গঙ্গার ধার ঘেঁষিয়া উহার একচালা গৃহ। গৃহে অন্য কেহ নাই। লোকটির বহুদিন হইল স্ত্রীবিয়োগ হইয়াছে। আর দারপরিগ্রহ করে নাই। ক্রমে ক্রমে লোকটির সব কথা প্রকাশ হইয়া পড়িল সে বলিল, “আমার নাম হরিরাম চক্রবর্তী। আমার যখন তোমাদের ন্যায় তরুণ বয়স, সেই তখন নবদ্বীপ আসিয়াছিলাম। সেই হইতে রহিয়া গিয়াছি।”

    কমলনয়ন জিজ্ঞাসা করিল, “পিতৃপুরুষের নিবাস কোথায় ছিল?”

    হরিরাম কহিল, “বনবিষ্ণুপুর। আমি কিন্তু শৈশবেই পিতৃহীন ছিলাম। বিদ্যালাভের উদ্দেশে নবদ্বীপ আসিয়াছিলাম। পাঠ সমাপ্ত হইবার পূর্বেই জননী পরলোকগতা হইলেন। সংসারে আর কেহ কোথাও নাই; তাই বিদ্যা উপার্জনের পর নবদ্বীপেই বিবাহ করিয়া ঘর বাঁধিলাম। কিন্তু বিবাহের দুই বৎসরের মধ্যে স্ত্রীবিয়োগ হয়। তাহার পর আর ঝামেলা বাড়াই নাই। তোমাকে কী খাইতে দিই? খই-দুধ আর খাজুরের গুড় আছে, খাইবে?”

    কমলনয়ন ঘাড় নাড়িয়া সম্মতি প্রকাশ করিল। ঘরের মেঝেতে পিঁড়িতে বসিয়া কাংস্যপাত্রে খই দুধ গুড় মাখিয়া খাইতে খাইতে জিজ্ঞাসা করিল, “নবদ্বীপে কি ন্যায়শাস্ত্র পাঠ করিতে আসিয়াছিলেন?”

    হরিরাম উত্তর দিল, “হাঁ। আমার বড়ো সাধ ছিল, প্রসিদ্ধ নৈয়ায়িক হইব। কিন্তু ন্যায়ের টোলে আমার ন্যায় সাধারণ মেধার ছাত্রের পক্ষে অন্তত দশ বৎসরের কমে কিছুতেই বিদ্যা সমাপ্ত হয় না। প্রথমে ন্যায়ের টোলেই প্রবেশ করিয়াছিলাম। দুই বৎসর পড়িয়াও ছিলাম। কিন্তু তখন চিন্তা, গৃহে জননী জীবিতা আছেন। বনবিষ্ণুপুরে সেই জঙ্গলাকীর্ণ লোকপরিত্যক্ত গৃহে মা একাকী পড়িয়া আছেন। আমি দ্রুত পাঠ সমাপ্ত করিয়া দেশে গিয়া টোল খুলিয়া না বসিলে তাঁহার ভরণপোষণ হয় না। অগত্যা ন্যায়শাস্ত্র ছাড়িয়া কাব্যসাহিত্যের শ্রেণীতে প্রবেশ করিতে হইল। তখন কি আর জানিতাম, পাঠ সমাপ্ত হইবার পূর্বেই হতভাগিনী মা অনাহারে অনিদ্রায় ভুগিয়া সংসারের মায়া কাটাইয়া চলিয়া যাইবেন? আমারও ন্যায় পড়া হইল না, মায়েরও সুখের মুখ দেখা হইল না।”

    এই পর্যন্ত বলিয়াই হরিরাম সাগ্রহে কমলনয়নকে জিজ্ঞাসা করিল, “তুমি কী কী পড়িতেছ, বলো। রঘুনাথ শিরোমণির দীধিতি-টীকা পড়িয়া ফেলিয়াছ? বাব্বাঃ! আমি তো কেবল ওই টীকার নামটাই শুনিয়াছি। মথুরানাথ তর্কবাগীশ তোমাকে উহার উপর টিপ্পনীও লিখিতে বলিয়াছেন? আহা, তাহা হইলে তো তুমি ধুরন্ধর নৈয়ায়িক পণ্ডিত হইবে, বলো?”

    কমলনয়ন দেখিল, হরিরামের খুব বিদ্যাবাসনা ছিল। সে অনেক পড়িতে চাহিয়াছিল। কিন্তু দারিদ্র্য তাহাকে সে সুযোগ দেয় নাই। তাহার বিদ্যা হইল না। এখন গুটিকতক ছাত্র লইয়া কাব্যশাস্ত্রের সামান্য অধ্যাপনা করিয়া আর ছাত্ররা যে যাহা দেয়, তাহা দ্বারাই অতি দরিদ্রভাবে নগরীর একপ্রান্তে এই জীর্ণ কুটিরে বসবাস করে।

    কমলনয়ন তথাপি বলিল, “আচ্ছা, এখনও তো বিদ্যাভ্যাস করা যায়। আমাদিগের টোলে আপনার অপেক্ষাও বয়স্ক ছাত্র আছে।”

    হরিরাম হাসিয়া বলিল, “নাহ। এই বয়সে আর হয় না। আমার মস্তিষ্ক জীবিকার সন্ধান করিতে করিতে অনুর্বর হইয়া গিয়াছে। সূক্ষ্ম চিন্তা করিতে পারি না। স্মৃতি দুর্বল হইয়া গিয়াছে। অনেক স্বপ্ন লইয়া বিবাহ করিয়াছিলাম। বড়ো চতুষ্পাঠী খুলিব। বহু ছাত্রের সমাগম হইবে। তাহাদিগকে কালিদাস, রঘু, নৈষধ পড়াইব। কিন্তু হইল আর কই? স্ত্রীবিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে আমার সে বহুলালিত স্বপ্ন ঘটের ন্যায় ভাঙিয়া খাপরায় পরিণত হইয়াছে। ওই যে তোমরা ‘ধ্বংসাভাব’ না কী যেন বলো…”

    কমলনয়ন প্রসঙ্গ পরিবর্তন করিবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করিল, “আপনি তো তবে বহু প্রসিদ্ধ নৈয়ায়িককে দর্শন করিয়াছেন?”

    হরিরামের মুখভাব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল। বলিল, “অবশ্য। তোমার আচার্য মথুরানাথ তর্কবাগীশের পিতা শ্রীরাম তর্কালঙ্কারকেও দেখিয়াছি। কিন্তু যাঁহাকে দেখিলে তুমিও নিজেকে ধন্য মনে করিতে, ন্যায় দর্শনের সেই প্রবাদপুরুষ রঘুনাথ শিরোমণির পুণ্যদর্শন পাইবার সৌভাগ্য আমার হইয়াছে। মথুরানাথ প্রথমে পিতার নিকট শিক্ষালাভ করিয়া পরে রঘুনাথ শিরোমণির ছাত্র হইয়াছিলেন। কেন, তুমি মথুরানাথ তর্কবাগীশের নিকট রঘুনাথ শিরোমণির কথা শুন নাই?”

    কমলনয়ন বলিল, “শুনিয়াছি। তবে অল্প। আমার আচার্য দর্শনের নিগূঢ় চিন্তাতেই অধিক কাল নিমগ্ন থাকেন।” হরিরাম কহিল, “তবে তুমি আমার নিকট মহাত্মা রঘুনাথের কথা শুন। শুনিবে?”

    কমলনয়ন অত্যন্ত আগ্রহী হইয়া কহিল, “হাঁ। নিশ্চয়ই শুনিব।”

    হরিরাম বলিল, “বেশ। আমি এক্ষণে তোমাকে রঘুনাথের গল্প বলিব। বাহিরে খুব বৃষ্টি পড়িতেছে। এখন তো আর ফিরিতে পারিবে না। নিকটে সরিয়া আইস। মন দিয়া শুন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Next Article মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সন্মাত্রানন্দ

    তোমাকে আমি ছুঁতে পারিনি – সন্মাত্রানন্দ

    August 4, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }