Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ১৯

    উনিশ

    সেকালে বঙ্গের ভূস্বামিগণ কাশী প্রভৃতি তীর্থক্ষেত্রে প্রাসাদ নির্মাণ করিয়া রাখিতেন; অন্তিম বয়সে কাশীবাসী হইবার বাসনা বলবতী ছিল। চন্দ্রদ্বীপের রাজা কন্দর্পনারায়ণ ও ইহার ব্যতিক্রম করেন নাই। বারাণসীর উপকণ্ঠে তাঁহার একটি সুদৃশ্য অট্টালিকা ছিল; উহাকে কন্দর্পমহল নামে ডাকা হইত।

    ইদানীং পদ্মাক্ষ ও হৈমবতী তীর্থদর্শনমানসে এই কন্দর্পমহলে আসিয়া উঠিয়ছে। তাহারা এখন আর নবযুবক নবযুবতী নহে—মধ্যে বহু বৎসর কাটিয়া গিয়াছে। যৌবন-উপবনের প্রান্তসীমায় একটি সুস্থির আবাস থাকে, উহার পরেই প্রৌঢ়ত্বের প্রান্তর। এসময় মনুষ্য সহসা সুন্দর হইয়া উঠে, কিন্তু তাহাতে রূপের অজস্রতা বা আবেগের অস্থিরতা নাই। পদ্মাক্ষ ও হৈমবতী সেই বয়সে আসিয়া উপনীত হইয়াছে। তাহাদের প্রেম পরিণত, উহাতে উচ্ছ্বাস নাই, কিন্তু পরিপূর্ণতা আছে।

    তাহাদের এক পুত্রসন্তান; পুত্রটিকে তাহারা সেকালের বিধিমতো গুরুগৃহে প্রেরণ করিয়াছে। গুরুগৃহে পদ্মাক্ষ ও হৈমবতীর পুত্র পুণ্ডরীক কাব্য ও ব্যাকরণে বুৎপন্ন হইয়া উঠিতেছিল। পদ্মাক্ষ রাজসভার কবি, তাহার কাব্যে প্রকৃতি ও ঈশ্বরের পাশাপাশি মানব-মানবীর প্রণয়, বিরহ ভালোমতো জমিয়া উঠিয়াছে। কেবল কথা এই, সকল কাব্যেরই নায়িকার বর্ণনা প্রায় এক রূপ – কেহ জানে না, কবিশেখর পদ্মাক্ষের নায়িকারা সকলেই কবিপত্নী হৈমবতীর আদলে গড়া।

    বহুকাল পর তাহারা তীর্থদর্শনমানসে চন্দ্রদ্বীপের বাহিরে আসিয়াছে, রাজকীয় প্রহরীর দল তাহাদের সঙ্গে আসিয়াছে। এখন তো আর সেই নবাঙ্কুরিত যৌবনের তেজ নাই যে, ব্যবসায়ীদিগের বজরায় সমুদ্রে ভাসিয়া পড়িবে কিংবা জলপথে দস্যুদিগের মুখামুখি হইবে। এখন সাবধানে চলিবারই বয়স।

    যদিও এইরূপ, তথাপি পদ্মাক্ষর মনের ভিতর সেই হাস্যোজ্জ্বলদীপ্ত তরুণটি আজও বাঁচিয়া আছে। কেমন করিয়া নিত্যদিন নূতন নূতন প্রণয়ক্রীড়া আবিষ্কার করিবে অথবা নুতন কী উৎপাত করিয়া হৈমকে রাগাইবে ইত্যাকার ভাবনাই তাহার মাথার ভিতর খেলা করিতে থাকে। হৈমও স্বামীর এই নূতন নূতন প্রমোদগুলিতে অংশগ্রহণ করে, যদিও বাহিরে ছদ্মকোপের অভিনয় করিতে ভালোবাসে।

    আজ সকাল হইতে কী হইল, হৈম গঙ্গাস্নান করিতে গিয়াছে, নিকটেই চৌষট্টি যোগিনীর ঘাট, পদ্মাক্ষ কন্দর্পমহলের এক নির্জন কক্ষে পর্যঙ্কের উপর শুইয়া শুইয়া নূতন কী উপদ্রব করা যায়, ভাবিতেছে। সহসা একটা বিচিত্র অভিসন্ধি মস্তিষ্কের ভিতর নড়িয়া চড়িয়া উঠিল। স্থির করিল, হৈমবতীর বেশবাস অঙ্গে ধারণ করিয়া সে নারী সাজিবে।

    পেটিকা হইতে হৈমর কঞ্চলিকা ও অন্তরীয় বাহির করিল। বক্ষে কলিকা পরিল, কটিদেশে অন্তরীয়ে বাঁধন দিল। তাহার পর সদ্যোক্রীত বারাণসীর শিল্পীদের দ্বারা প্রস্তুত একটি মেঘডুমুর শাটিকা যত্ন করিয়া পরিধান করিল। তাহার গ্রীবা পর্যন্ত কুঞ্চিত কেশদাম ছিল, সাবধানে কাকই দিয়া সিঁথি বিনাইল, তাহার পর অতি যত্নে কবরী রচনা করিল। দর্পণের সম্মুখে দাঁড়াইয়া কপালে কুক্কুম এবং সিঁথিতে সিন্দুর দিল। নয়নের প্রান্তে কজ্জলরেখা টানিল। কণ্ঠে হৈমবতীর হার বাহির করিয়া পরিল। দর্পণে নানাপ্রকার মুখভঙ্গি করিতে লাগিল। বেশ মানাইয়াছে! কে বলিবে পদ্মাক্ষ পুরুষ? ইহার পর চরণে অলক্তরাগ আঁকিবে কি না ভাবিতেছে, এমন সময়ে সোপানের উপর হৈমর পদশব্দ শুনিয়া দ্বারের একপাশে গিয়া লুকাইল।

    হৈম স্নান সারিয়া আর্দ্র বস্ত্রে গৃহে ফিরিয়াছে। সে সটান ঘরে ঢুকিয়া সিক্ত বসন ছাড়িয়া শুষ্ক বস্ত্র পরিতে লাগিল। পদ্মাক্ষ তাহার সব দেখিতেছে, কিন্তু হৈম পদ্মাক্ষকে দেখে নাই। ইহার পর হৈম যখন দর্পণের সম্মুখে কেশ পরিচর্যা করিতে গেল, তখন দর্পণে পদ্মাক্ষর প্রতিবিম্ব দেখিতে পাইয়া বিস্ময়ে হতবাক হইয়া ফিরিয়া দাঁড়াইল।

    “এ মা-আ! এ কে গো?” বলিয়া হৈম তো হাসিয়া কাঁদিয়া আকুল! “হা ঈশ্বর, তোমার মাথায় এত দুষ্ট বুদ্ধিও আছে? এ কী সাজিয়াছ?”

    পদ্মাক্ষ দ্বারের পার্শ্ব হইতে বাহির হইয়া হাসিতে হাসিতে কাপড় ঝাড়া দিতে দিতে কহিল, “সাজিলাম। দেখ তো, আমাকে সুন্দরী দেখায় কি না?”

    “খুব সুন্দর দেখাইতেছে। কিন্তু নারীর কীরূপে গুল্ফ হয়, তাহা বুঝিতে পারিতেছি না।” হৈম হাসিতে হাসিতে আকুল হইয়া পর্যঙ্কের উপর গড়াইয়া পড়িয়াছে।

    পদ্মাক্ষ অমনই আঁচলের প্রান্ত দিয়া গুল্ফ ঢাকা দিয়া কহিল, “এইবার? এইবার কেমন লাগে?”

    “কেমন আর? যে কোনো পুরুষ দেখিবে, ভালবাসিয়া ফেলিবে।”

    “আর নারী? নারী ভালোবাসিবে না?” পদ্মাক্ষ সবলে হৈমকে জড়াইয়া ধরিল।

    “ওহ্, স্ত্রীলোকের গায়ে এত শক্তি? ছাড়িয়া দাও। হাড়গোড় ভাঙিয়া যাইবে।”

    “না ছাড়িব না,” এই বলিয়া পদ্মাক্ষ আরও জোর প্রয়োগ করিতে গেল।

    হৈমবতী অমনি তাহাকে ঝাড়া দিয়া নিজেকে মুক্ত করিয়া কহিল, “আমার মেঘডুমুর শাটিকার ভাঁজ নষ্ট করিয়াছ? ইস!!”

    “বেশ করিয়াছি। শাটিকার উপর অতো মায়া কেন?”

    “মায়া কি আর সাধে হয় বাপু? আমাকেই তো যত্ন করিয়া ভাঁজ করিয়া রাখিতে হয়। যাও, এসব জবড়জং ছাড়ো। তুমি পারও বটে। কখন যে কী দুষ্ট বুদ্ধি আসিয়া মাথায় ঢুকে। আমি প্রথম দেখিয়া ভয় খাইয়া গিয়াছিলাম।”

    হৈম আবার হাসিতে লাগিল, “সত্যি ভয় পাইয়াছিলাম কিন্তু! ভাবিতেছিলাম, দ্বারপার্শ্বে এ কোন্ নারী আসিয়া আবার কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করিল। ওহ্!”

    পদ্মাক্ষ নারীবেশ ছাড়িয়া, কবরী মুক্ত করিয়া, কপাল ও সিঁথির কুঙ্কুম-সিন্দুর মুছিয়া তাহার ধুতি ও পিরান পরিয়া লইল। হৈমবতী দর্পণের সম্মুখে সিন্দুর পরিতেছিল। তাহার পর মাথা একপাশে হেলাইয়া কানের লতিতে তাটঙ্ক পরিতে পরিতে বলিল, “জানো? আজ গঙ্গার ঘাটে একজন আমাকে লক্ষ করিতেছিল।”

    “মাত্র একজন? হায়! এমন সিক্তবসনা সুন্দরীকে সম্মুখে পাইয়া কোন্ পুরুষ না লক্ষ করিবে?”

    “তোমার খালি দুষ্টামি! পুরুষ নয়, নারী!”

    “নারী? আজকাল নারীরাও তোমার রূপে আকৃষ্ট হইতেছে বুঝি?”

    “আরে, কথাই শুনিতেছ না। একজন যোগিনী। অবিকল আমারই ন্যায় দেখিতে। মনে হইল, যেন দর্পণে প্রতিবিম্ব দেখিতেছি। আমারই সদৃশ…নাক, মুখ, চোখ সব…কেবল তাঁহার অঙ্গে গৈরিক বাস… কপালের চারিপাশ বেড়িয়া মাথায় ঘোমটা দেওয়া…”

    পদ্মাক্ষ সচকিত হইয়া উঠিল। এইরূপ সেও একবার দেখিয়াছে। নবদ্বীপের ঘাটে। অবিকল পদ্মাক্ষরই মতো দেখিতে এক বিদ্যার্থী। অনেক কথাও হইয়াছিল। আজ আবার হৈম দেখিল, হৈমরই ন্যায় অবিকল এক যোগিনী! পদ্মাক্ষ গম্ভীর হইয়া গেল। চিন্তিত মুখে ভ্রু কুঞ্চন করিয়া কী যেন সে ভাবিতেছে।

    হৈম স্বামীর গম্ভীর ভাব দেখিয়া দর্পণ হইতে মুখ ফিরাইয়া কহিল, “কী ভাবিতেছ, গো?”

    “ভাবিতেছি, সেই যেগিনী কোথায় থাকেন? একবার দেখা করিব, ভাবিতেছি।”

    হৈম অমনি সহর্ষে বলিল, “আমিও যাইব!”

    “যাইবে তো ঠিকই, কিন্তু তিনি যে কোথায় থাকেন, তাহাই তো জানি না।”

    বৈকালবেলায় পদ্মাক্ষ সস্ত্রীক চৌষট্টি ঘাটে গেল। ঘাটের চারিপাশে ঘুরিয়াও সেই যোগিনীকে দেখিতে পাইল না। পথিমধ্যে এক পরিচিত কথক ব্রাহ্মণকে দেখিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “আচ্ছা, এই ঘাটে সম্প্রতি কোনো যোগিনীকে দেখিয়াছেন কি?” ব্রাহ্মণ উত্তর দিল, “কতজনই তো আসে। কে কাহার খবর রাখে? তবে আজিকালি কোনো যোগিনীকে আমি এ ঘাটে দেখিয়াছি বলিয়া মনে পড়ে না।”

    “ভালো করিয়া ভাবিয়া দেখুন, ঘাটের উপর গম্বুজের নিকট বসিয়াছিলেন….”

    “বেশ, আপনি নাহয় একটু বর্ণনা করুন, দেখি মনে পড়ে কি না! দেখিতে কীরূপ?”

    “এইরূপ…” এই বলিয়া পদ্মাক্ষ হৈমবতীর অবগুণ্ঠন সরাইয়া দেখাইল।

    হৈম তো লজ্জায় জড়োসড়ো। এদিকে সেই ব্রাহ্মণ আবার অপলক নেত্রে হৈমর মুখপানে তাকাইয়া আছে। হৈম তাড়াতাড়ি ঘোমটায় মুখ ঢাকিয়া স্বামীর হাত ধরিয়া টানিয়া লইয়া গেল। কিয়দ্দূরে গিয়া বিরক্ত ঝাঁঝালো স্বরে কহিল, “ছি ছি! তোমার এই কাণ্ড! পরপুরুষের সম্মুখে আমার ঘোমটা সরাইয়া মুখ দেখাইলে! ঘাট হইয়াছে, আমাকে আর ভৈরবী দেখাইতে হইবে না।”

    পদ্মাক্ষ অনেকক্ষণ অনুনয় বিনয় করিয়া হৈমবতীর মান ভাঙাইবার চেষ্টা করিল। অবশেষে হৈম বলিল, “তুমি বরং সন্ধান করো, নিকটে সন্ন্যাসিনীদের কোনো মঠ আছে কি না।”

    সন্ধান মিলিল। এক ব্যক্তি সব শুনিয়া চিন্তিত মুখে বলিলেন, “নিকটে নহে। ক্রোশ তিনেক দূরে নগরীর বহির্ভাগে একটি অনুচ্চ টিলা আছে। সেইখানে পাহাড়ের গাত্রে কতকগুলি গুহা আছে। ওই গুহাগুলিতে যোগিনীরা বসবাস করেন। তাঁহাদেরই কেহ হয়তো প্রভাতে এই ঘাটে আসিয়াছিলেন। আপনার স্ত্রী অমনই কাহাকেও দেখিয়াছেন, বোধ করি।”

    পদ্মাক্ষ হৈমবতীকে জিজ্ঞাসা করিল, “যাইবে?”

    “যাইব,” হৈমবতীর চোখের তারায় সেই কিশোরকালের ন্যায় অভিযানের আগ্রহ নাচিয়া উঠিল।

    পদ্মাক্ষ দুই প্রহরের জন্য একটি অশ্ব ভাড়া লইল। অশ্বে আরূঢ় হইয়া হৈমকেও তুলিয়া লইল। প্রথমে ধীরে, পরে দ্রুত লয়ে নগরীর বাহিরে দীর্ঘপথ অশ্বপৃষ্ঠে অতিক্রম করিতে লাগিল। পথের দুই পার্শ্বে তরুশ্রেণী, মাঠ-ঘাট জ্যোৎস্নালোকে পিছনে সরিয়া সরিয়া যাইতেছিল। অবশেষে তাহারা এক নির্জন টিলার সমীপে উপস্থিত হইল। এইখানে সর্পিল গিরিবর্ত্ত পাহাড়ের গাত্র বাহিয়া ঊর্ধ্বে উঠিয়া গিয়াছে।

    এদিকে আকাশ কখন যেন মেঘভারে সমাচ্ছন্ন হইয়াছে। থাকিয়া থাকিয়া বিদ্যুতের শিখা মসীকৃষ্ণ গগনপটকে লেহন করিতেছে। ঝড়বৃষ্টি আসিল বলিয়া।

    টিলার নিম্নে অশ্বটিকে এক বৃক্ষের সহিত রজ্জুবদ্ধ করিয়া কিয়দ্দূর উঠিতে উঠিতে একটি গুহামুখ আসিয়া পড়িল। ক্ষণে ক্ষণে চমকিত তড়িল্লতার আলোকে পথ দেখিয়া আর-একটু অগ্রসর হইবামাত্র ভীষণদর্শনা দুই জন যোগিনী ত্রিশূল হস্তে পন্থা অবরোধ করিয়া দাঁড়াইল। তাহাদের চক্ষু ক্রোধে আরক্ত ও আসব-আবেশে ঘূর্ণিত হইতেছিল। কিন্তু পদ্মাক্ষ নিজেদের পরিচয় প্রদান করিবার পূর্বেই গুহার অভ্যন্তরভাগ হইতে সুগভীর নারীকণ্ঠে আদেশ ভাসিয়া আসিল : “উহাদের ছাড়িয়া দে। আমি উহাদের চিনি।”

    পদ্মাক্ষ ও হৈমবতী ভয়ে ভয়ে গুহার ভিতরে প্রবেশ করিল। প্রদীপের স্তিমিতালোকে মনে হইল, ইহা একটি মন্দির। প্রস্তরপীঠিকার উপর দণ্ডায়মানা এক দেবীমূর্তি। ভীষণা রূপ। পদতলে মৈথুনরত এক নারীপুরুষের যুগলমূর্তির উপর লোলজিহ্বা এক দ্বিভুজা দেবী দাঁড়াইয়া আছেন। এক হস্তে নরখর্পর, অন্য হস্তে উদ্যত রুধিরাপ্লুত অসি। মূর্তির পাদপীঠে একটি প্রদীপ জ্বলিতেছে। উহারই সম্মুখে গুহাগাত্রে বিশাল ছায়া ফেলিয়া এক যোগিনী পদ্মাসনে বসিয়া আছেন।

    উভয়ে যোগিনীকে নতজানু হইয়া প্রণাম করিল। যোগিনী গৈরিক বস্ত্রে আচ্ছাদিত, শিরোদেশে কেশভার চূড়া করিয়া বাঁধা। পদ্মাক্ষ ভালো করিয়া দেখিল, সত্যই! যোগিনীর অবয়ব, তাঁহার চক্ষুদ্বয়, নাসিকা, কপাল, মুখশ্রী অবিকল হৈমবতীর অনুরূপ। যেন একে অপরের ছায়া, কোনো সন্দেহই নাই।

    যোগিনী তাহাদের দুইজনকে সম্মুখস্থ আসনে বসিতে বলিলেন। উভয়ে সামান্য ব্যবধান রাখিয়া বসিয়াছে দেখিয়া যোগিনী হাসিয়া বলিয়া উঠিলেন, “উভয়ে উভয়ের ঘনিষ্ঠ হইয়া বোস। তোদের দুইজনকে একত্রে দেখিবার আমার বড়ো সাধ হইয়াছে। পদ্মাক্ষ আর তাহার হৈমবতী!”

    ইনি তাহাদের পরিচয় জানিলেন কী উপায়ে? যেন তিনিই তাহাদের টানিয়া আনিয়াছেন, আর বহ্নিলুব্ধ পতঙ্গের ন্যায় তাহারা কেবল এই অগ্নিময়ী নারীর সম্মুখে আসিতে বাধ্য হইয়াছে।

    যোগিনী ব্যক্তিত্বব্যঞ্জক স্বরে আদেশ করিলেন, “বল, তোদের কী জানিবার আছে?” হৈমবতী যুক্তকরে নমস্কার করিয়া বলিল, “আপনি কে মা? জানিতে বড়ো সাধ হইতেছে।”

    যোগিনী উত্তর দিলেন, “আমার নাম যোগিনী হিরণ্যবর্ণা। এইমাত্র? আর কিছু জানিতে চাস না?”

    পদ্মাক্ষ কহিল, “আজ প্রাতে গঙ্গার ঘাটে আমার স্ত্রী আপনার দর্শন পাইয়া অবাক হইয়া যায়। কী বলিব! আপনার সহিত আমার স্ত্রীর এতদূর সাদৃশ্য…”

    “কেন? তুই কখনও নিজের অবিকল সদৃশ কোনো পুরুষকে দেখিস নাই?”

    পদ্মাক্ষ ভাবিতে লাগিল। ইনি কি সর্বজ্ঞা? এমন ভাবে কথা বলিতেছেন যেন, পদ্মাক্ষ ও হৈমবতী তাঁহার অতি পরিচিত, যেন তাহাদের জীবনের সকল ঘটনাই ইনি জানেন। আশ্চর্য তো!

    পদ্মাক্ষ কহিল, “দেখিয়াছি। নবদ্বীপের ঘাটে। আমারই সদৃশ, একেবারে আমারই অনুকৃতি। তাই তো ভালো বুঝিতে পারিতেছি না।”

    যোগিনী কহিলেন, “বুঝিবার মতো কিছু থাকিলে তবে তো বুঝিবি! স্থানকালের বহুমাত্রায় গাঁথা এ এক বিচিত্র জগৎ! জগতপ্রসবিনী মহামায়ার এ এক বুদ্ধিবিভ্রমকারিণী মায়া। এখন শুনিয়া রাখ, বঙ্গভূমে পুষ্পপুর গ্রামে আমার জন্ম হয়।”

    কোথায় যেন প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হইল! গুহাপ্রাকার থরথর করিয়া কাঁপিয়া উঠিল। সেই ঘোর নিনাদ থামিলে পর হৈমবতী সবিস্ময়ে বলিল, “সে কী? পুষ্পপুর যে আমারও জন্মস্থান। কিন্তু সে গ্রামে তো আপনাকে কখনও দেখি নাই! তাহা হইলে আপনি কি আমাপেক্ষা জ্যেষ্ঠা?”

    “না, তোর আর আমার জন্ম একই দিনে একই মুহূর্তে হইয়াছে।”

    “সে কী! পুষ্পপুরের প্রত্যেককে আমি তো চিনি-কিন্তু সেখানে আপনাকে তো…”

    “দূর, দূর, তুই কাহাকেও চিনিস না। এক পুষ্পপুরের গভীরে কতগুলা পুষ্পপুর আছে, তুই জানিস?”

    পদ্মাক্ষ, হৈমবতী এ কথার বিন্দুবিসর্গও বুঝিতে পারিল না। একই স্থানে একই নামের অনেকগুলা গ্রাম কী করিয়া থাকিতে পারে?

    “পুষ্পপুর গ্রামেই আমার শৈশব, কৈশোর কাটিয়াছে। তাহার পর একদিন পাঠান আক্রমণ হয়। দস্যুর হস্তে নিগৃহীত হইবার ভয়ে আমি ইক্ষুখেতে আত্মগোপন করিয়া থাকি।”

    হৈম বলিয়া উঠিল, “আশ্চর্য! এ সবই যে আমার জীবনের ঘটনা! সব মিলিয়া যাইতেছে!”

    “ইহার পর হইতে আর মিলিবে না। দস্যু গ্রামে লুঠতরাজ করিয়া চলিয়া যাইবার পর ইক্ষুবন হইতে বাহির হইয়া আসিয়া আমাদিগের গৃহস্থলীর ধ্বংসাবশেষের ভিতর কয়দিন কাঁদিয়া কাঁদিয়া কাটাইলাম। তাহার পর, পাঠান আবার ফিরিয়া আসিতে পারে, এই ভয়ে গ্রাম ছাড়িয়া বাহির হইলাম। কত পথ, কত বন পার হইয়া গেলাম। শেষে এক নদীতীরে আসিয়া উপস্থিত হইলাম।”

    পদ্মাক্ষ জিজ্ঞাসা করিল, “তাহার পর কী হইল?”

    “নদীতীরে এক ঝোপের আড়ালে বসিয়া থাকিতে থাকিতে একদিন দেখিলাম, এক সম্পন্ন যুবক পথ দিয়া হাঁটিয়া চলিয়াছে। আর তাহার পশ্চাতে এক রোরুদ্যমানা কিশোরী পুঁটুলিটি বক্ষে চাপিয়া ধরিয়া যুবকের অনুসরণ করিতেছে। আমি তাহাদের ডাকিলাম, তাহারা শুনিয়াও বুঝিতে পারিল না। ঢিল ছুড়িলাম। তাহারা ভয় পাইয়া আরও দ্রুতবেগে চলিয়া গেল।”

    হৈম প্রশ্ন করিল, “তাহারা কারা?”

    ভৈরবী হাসিয়া বলিলেন, “চিনিতে পারিলি না? পুরোবর্তী সেই যুবক এই পদ্মাক্ষ আর অনুসরণকারিনী কন্যাটি তুই—হৈমবতী!”

    পদ্মাক্ষ-হৈমবতী বিস্ময়ে হতবাক হইয়া গেল। এ কী শুনিতেছে?

    যোগিনী হিরণ্যবর্ণা বলিয়া চলিলেন, “নদীতীরে ক্ষুধাতৃষ্ণায় কাতর হইয়া পড়িয়া আছি, এমন সময়ে এক শুভদিনে এক সন্ন্যাসিনী আসিয়া উপস্থিত হইলেন। তিনি যেন সাক্ষাৎ বাগাদিনী সরস্বতী! তন্ত্র, মন্ত্র, বেদ—সব তাঁহার জিহ্বায় অধিষ্ঠান করিতেছে। তিনিই আমাকে এ স্থানে লইয়া আসিয়া যোগিনীজীবনে দীক্ষিত করেন। সেই হইতে এই গুহামন্দিরেই রহিয়া গিয়াছি।”

    পদ্মাক্ষ যুক্তকরে ব্যাকুল হইয়া প্রশ্ন করিল, “মা! ইহা কীরূপে হয়? এসকলের ব্যাখ্যা কী?”

    “সে বড়ো রহস্যকথা!” যোগিনী বলিতে লাগিলেন, “আমাদের জীবনে কতগুলি সন্ধিলগ্ন আসে, যখন জীবনের নদী বাঁক পরিবর্তন করে, ইহা তো বুঝিস?”

    “হাঁ, বিলক্ষণ! ওই মুহূর্তগুলিই জীবনের স্থায়ী পরিবর্তন ঘটাইয়া দেয়।”

    “ঠিক। ওইসব সন্ধিলগ্নেই একাধিক সম্ভাবনার জন্ম হয়। যেমন, এই যে হৈমবতীর জীবন। সেদিন পুষ্পপুরের সেই গৃহে প্রবেশ করিয়া তুই যদি রোরুদ্যমানা হৈমকে আবিষ্কার করিয়া উদ্ধার না করিতিস, তাহা হইলে তাহার কী হইত, চিন্তা করিয়াছিস?”

    হৈম বলিল, “অনেক কিছুই হইতে পারিত। হয়তো পুনরায় পাঠানদস্যুরা আসিয়া আমাকে হরণ করিয়া লইয়া যাইত। হয়তো পলায়িত গ্রামবাসীর সহিত আমার পিতা-মাতা গ্রামে কিছুদিন পর ফিরিয়া আসিয়া আমাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় পাইত। হয়তো…”

    সন্ন্যাসিনী বাধা দিয়া কহিলেন, “হয়তো হয়তো হয়তো! ওই অনেকগুলা হয়তো-র ভিতর আমিও একটা হয়তো। আমিও একটা বিকল্প সম্ভাবনা। পদ্মাক্ষ আসিয়া তোকে উদ্ধার না করিলে, তুই হয়তো সন্ন্যাসিনী হইতিস। তখন তোর নাম হইত যোগিনী হিরণ্যবর্ণা! এইসব সম্ভাবনাগুলিই ভিন্ন ভিন্ন সমান্তরাল বিশ্বে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হইয়া চলিতেছে। কিন্তু তুই শুধু একটা সম্ভাবনাকেই বাস্তব ধরিয়া লইয়া পদ্মাক্ষর সহিত সুখে ঘরকন্না করিতেছিস।”

    পদ্মাক্ষ বলিল, “আর আমি যে নবদ্বীপে আমারই সদৃশ একজনকে দেখিলাম। সে কি তবে…?”

    “সে তোর জীবনের আর-এক সম্ভাবনা। তুই কবি না হইতে পারিলে, ওইরূপ হইতিস।”

    “আচ্ছা, কখন তবে ভিন্ন ভিন্ন সম্ভাবনাগুলির সহিত দেখা হয়? মানে, এই যে আপনার সহিত হৈমর দেখা হইল, কিংবা আমার সহিত নবদ্বীপে সেই যে আর- একজনের দেখা হইল—ইহা কীরূপে হয়?”

    যোগিনী কী যেন একটু চিন্তা করিয়া বলিলেন, “সম্ভবত, ভিন্ন ভিন্ন স্থান-কাল- পাত্রের ভিতর বিভাজক রেখা কোনো কারণে কথঞ্চিৎ ক্ষীণ হইয়া গেলে, ইহাদের দেখা হইতে পারে। কিন্তু ইহা তুই এখন বুঝিবি না।”

    “মা! যাহা পূর্বে বলিলেন, তাহাই ভালো বুঝি নাই, তো পরের কথা কী বুঝিব!”

    “আচ্ছা, শ্রবণ কর, একটি আখ্যায়িকা বলিব। আমাদিগের মধ্যে একটি গ্রন্থ বহুল জনপ্রিয় হইয়া রহিয়াছে। গ্রন্থটির নাম ‘যোগবাশিষ্ঠ’। সেই গ্রন্থ হইতেই এই আখ্যায়িকাটি বলিতেছি। যদি তাহাতে বুঝিবার সুবিধা হয়…

    আখ্যায়িকার নাম শুনিয়া পদ্মাক্ষ ও হৈমবতী গল্পপ্রিয় বালক-বালিকার ন্যায় আগাইয়া বসিল। গুহার বাহিরে ঘোররবে বৃষ্টি পড়িতেছে। যোগিনী হিরণ্যবর্ণা তাঁহার কাহিনি আরম্ভ করিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }