Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    সন্মাত্রানন্দ এক পাতা গল্প327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ছায়াচরাচর – ২৩

    তেইশ

    অন্ধকারের ভিতর জোনাকির মতন এই ময়ূরাক্ষী পৃথিবী জ্বলিতেছে, নিভিতেছে। দীপাবলির রাত্রি। গঙ্গার ঘাটে প্রদীপের মালা; আর্দ্র বাতাসে তাহাদের শিখা কাঁপিতেছে। জলে কতজন পাতার দিয়া ভাসাইয়া গিয়াছে, স্রোতের উপর সেই একটুখানি আলো তাহার করুণ স্পর্শ রাখিয়া দুলিতে দুলিতে চলিয়াছে। অমাবস্যার তমসাবৃত আকাশ কার্তিকের কুয়াশায় ভিজিয়া উন্মুখ ধরিত্রীর উপর উপুড় হইয়া পড়িয়া রহিয়াছে… আর সুপ্তা বালিকার ন্যায় দীপমালিকার সমুজ্জ্বল অলংকার পরিয়া গঙ্গা যেন শর্বরীর সেই নিগূঢ় বিতানকের নিম্নে হিমরাত্রির পর্যকে মাথা থুইয়া ঘুমাইয়া পড়িয়াছে; এখন আর কোথাও কোনো শব্দ নাই।

    কমলনয়ন চৌষট্টি ঘাটের রানার উপর আসিয়া বসিল। মধ্যে মধ্যে সে এইখানে আসে। জীবনের প্রবহমান ঘটনাস্রোত হইতে নিজেকে ছাড়াইয়া লইয়া অন্ধকারে তন্নিষ্ঠ করে মন। একান্ত হইয়া প্রশ্ন করে, কী পাইয়াছি, কী পাই নাই, কোথায় চলিয়াছি, কোথা হইতে আসিতেছি। উত্তর নাই; বোবা রাত্রি নিথর হইয়া চোখ বুজিয়া থাকে, কথা কয় না। তবুও সে প্রশ্ন করে প্রকল্পিত শান্তির জন্য, অসমাপ্ত জীবনের নিমিত্ত। এই যে তাহার অকিঞ্চিৎকর জীবন, কে ইহার কথা জানিবে? কে মনে রাখিবে? তাহার সুখ-দুঃখ-রোদন-বেদন আবর্তমান পটচিত্রের ন্যায় মনোভূমিকার উপর ঘুরিয়া যায়, ইহাদের কোনো চিরত্ব নাই। সময় সকলই খাইয়া ফেলে, দৃশ্যমান জগতের কোনোকিছুই টিকিয়া থাকে না। শত শত বৎসর এই জীবননাট্যের অঙ্কগুলি ধুইয়া মুছিয়া লেপিয়া পুঁছিয়া একাকার করিয়া দেয়।

    কৈশোরে প্রেম আসিয়াছিল, চলিয়া গিয়াছে। যাহাকে সে দেখে নাই, যাহাকে সে ভালোবাসিয়াছিল, আর কখনও যাহাকে দেখিবে না—সেই তপ্তকাঞ্চনকায় গৌরসুন্দর তাহার মনোহরণ করিয়াছিলেন। তাহাকে সে না পাইয়া পুথির পাতায় কী যেন খুঁজিয়াছিল। ন্যায়শাস্ত্রের ফাঁকি তাহাকে ফাঁকে ফেলিয়া চলিয়া গেল। বেদান্ত তাহাকে সন্ন্যাসী করিয়াছে। তবু সেই কঠোর সন্ন্যাসের তিরস্করণীর ব্যবধান দিয়া কখন যেন একটা বাঁশির সুর গুপ্তঘাতকের ন্যায় তাহার হৃদয় বিদ্ধ করিয়া চলিয়া যায়। মনে হয়, সে তো ইন্দ্রের অতুল বৈভব পরিত্যাগ করিয়া অদ্বৈতসাম্রাজ্যের পন্থা বাহিয়া ধীর পদক্ষেপে চলিতেছে, তথাপি পথিমধ্যে কে এক প্রণয়ের দূত বারংবার আবির্ভূত হইয়া সব লণ্ডভণ্ড করিয়া দিতেছে, দস্যুতা করিয়া তাহার হৃদয়পুর লুঠ করিয়া লইয়া সেই আশ্চর্য মুরলীধরের চরণের দাসী করিয়া লইয়া যাইতেছে, তাহার যেন বাঁচিবার অন্য কোনো উপায় নাই।

    ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’ গ্রন্থটি সে সমাপ্ত করিয়াছে। ইহার কঠোর যুক্তিজাল সে আজিকালি অধ্যাপনা করে। এইসব অন্ধকার রাত্রির গর্ভের ভিতর বসিয়া সংশয় আসে, কে তাহার এ গ্রন্থ মনে রাখিবে? শতাব্দী অতিক্রান্ত হইবার পর কেহ ইহা পড়িবে কি? অথবা, ইহা একটা নামমাত্র হইয়া বাঁচিয়া রহিবে? এত কঠিন বিতর্কবিন্যাস ভাবীকালের মানবকের উপযোগিতাবাদী মস্তিষ্কে প্রবেশ করিতে পারিবে? অথবা, সে শুধু একটা কিংবদন্তী হইয়া বাঁচিয়া রহিবে? ইহার বেশি কিছু নয়! কেহ বলিতে পারে না। কত মহামহোপাধ্যায়ের গ্রন্থ কালের বিবরে হারাইয়া গিয়াছে, এ গ্রন্থও সেইসব লুপ্তচিহ্ন গ্রন্থরাজির পন্থা অনুসরণ করিবে কি না, কোন্ ক্রান্তদর্শী তাহা বলিয়া দিতে পারে?

    হিমবর্ষী যামিনী আর্দ্র হইয়া আসে, এই ঘাটে মধ্যরাত্রে এইরূপে বসিয়া থাকা নিরাপদ নহে, কমলনয়ন তাহা জানে। কাশীর ঘাটে বিধর্মী দস্যুদিগের হামলা ঘটিয়াই চলিয়াছে। তবু সেসব বিপদ অগ্রাহ্য করিয়া এইখানেই সে বসিয়া থাকে। মরিতে আর ভয় পায় না। যাহা অবধারিত, যাহা একদিন আসিবেই, তাহাকে একটা নির্দিষ্ট মরশুম অবধি ঠেকাইয়া রাখিবার ব্যর্থ প্রয়াস সে আর করিতে চাহে না। অদ্বৈতবাদ তাহাকে নিৰ্ভয় হইতে শিখাইয়াছে। সে আজ জানিয়াছে, পরমার্থত তাহার মৃত্যু নাই। সে জন্মমৃত্যুরহিত আত্মা–অভয়, অসঙ্গ, আনন্দ!

    কাহাদের যেন পদশব্দে সমারূঢ় নৈঃশব্দ্য ভাঙিয়া গেল। কমলনয়ন ফিরিয়া দেখিল, দুইজন পথিক এই পথেই আসিতেছে। ঘাটের উপর আসিয়া কিছুদূরে বসিল। একজন মধ্যবয়স্ক, অন্য জন অপেক্ষাকৃত তরুণ। তাহারা কী যেন লইয়া উত্তেজিত স্বরে আলাপ করিতেছে। তাহাদের কথার ভিতর কয়েকবার তাহার নিজের নাম শুনিতে পাইয়া কমলনয়ন উৎকর্ণ হইয়া বসিল। ইহারা তাহাকে লইয়া আলোচনা করিতেছে কেন?

    মধ্যবয়স্ক বলিতেছে, “তুমি আরও একবার ভাবিয়া দেখ, শ্রীজীব, ইহা ঠিক হইতেছে কি না।”

    তরুণবয়স্ক বলিল, “অনেক ভাবিয়াছি। ইহাই রাধারাণীর ইচ্ছা। মধুসূদন সরস্বতীর নিকট হইতে ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’ আয়ত্ত না করিয়া লইতে পারিলে ওই মতের খণ্ডন অসম্ভব।”

    “কিন্তু তোমাকে গৌড়ীয় বৈষ্ণব জানিয়াও তিনি তোমাকে শিক্ষা দিবেন কেন?” মধ্যবয়স্ক প্রশ্ন করিল।

    “কে বলিল যে, আমি তাঁহাকে আমার গৌড়ীয় বৈষ্ণব পরিচয় প্রদান করিব? বলিব, আমি এক সাধারণ বিদ্যার্থী। কাশীতে অদ্বৈত বেদান্ত শিক্ষা করিতে আসিয়াছি।”

    “ইহাতে কি মিথ্যাচার হইবে না?”

    “ওটুকু মিথ্যাচার বিদ্যালাভ করিতে হইলে দূষণীয় নয়। মহাপ্রভুর মত প্রতিষ্ঠা করিতে হইলে তাঁহার বিরুদ্ধমত জানিতে হইবে। তবেই উহার খণ্ডন করিয়া অচিন্ত্যভেদাভেদবাদের জয়ধ্বজা উড়াইতে পারিব।”

    “কিন্তু তাঁহার নিকট পাঠ লইতে লইতে যদি তোমার ভাবের পরিবর্তন হয়?” মধ্যবয়স্কের কণ্ঠস্বর এইবার কী এক অজানা আশঙ্কায় কাঁপিয়া উঠিল, “শুনিয়াছি, অদ্বৈতমত বড়ো শুষ্ক। মধুসূদনের পাণ্ডিত্যের খরতেজে তোমার উন্মীলিত ভাবপ্রসূন যদি শুকাইয়া যায়?

    “তাহা কখনোই হইবে না। আমি অতি বাল্যকালে মহাপ্রভুকে দর্শন করিয়াছি। আমার জ্যেষ্ঠতাত ভক্তিমান শ্রীসনাতন ও শ্রীরূপ, আমার পিতা ভক্তশ্রেষ্ঠ শ্রীঅনুপম! আমার ভাব অত ভঙ্গুর নহে। প্রতিপক্ষের বক্তব্য কী, তাহা কেবল আত্মসাৎ করিয়া লইব। তাহার পর খণ্ডন……” এই বলিয়া তরুণটি গঙ্গার অন্ধকার স্রোতের দিকে চাহিয়া রহিল।

    ইহাদের কথা শুনিতে শুনিতে কমলনয়নের মনে বড়ো কৌতুক উপজিত হইল। একদিন এই তরুণের মতোই সেও অদ্বৈতমত খণ্ডন করিবার মানসে কাশী আসিয়াছিল। নিজের নৈয়ায়িক পরিচয় গোপন করিয়া রামতীর্থের নিকট অদ্বৈত বেদান্ত শিক্ষা করিয়াছিল। এখন এই তরুণও সেই একই উদ্দেশ্যে কাশী আসিয়াছে। বলিতেছে, তাহার ভাবভক্তি এতই প্রবল যে, অদ্বৈতবাদ শিক্ষা করিলেও সেই ভাব চলিয়া যাইবে না। তাহার ভাব অত ভঙ্গুর নয়। ভালো কথা! তবে কি কমলনয়নের ভাব ভঙ্গুর ছিল?

    একটুক্ষণ চুপ থাকিবার পর মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটির কণ্ঠস্বর আবার শুনা গেল, “শুনিয়াছি, মধুসূদন সরস্বতী প্রগাঢ় পণ্ডিত। শুধু পণ্ডিতই নহেন, সুগভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতিমান পুরুষ। তিনি যদি তোমার মনে কী আছে, ধরিয়া ফেলেন?”

    তরুণটি কৌতুকপূর্ণ স্বরে উত্তর দিল, “তবে আমিও তাঁহার মনের ভিতর ঢুকিয়া খুঁজিয়া বাহির করিব, কেন তিনি এইরূপ শুষ্ক জ্ঞানের পথ ধরিয়াছেন!” তাহারা দুইজনে পরিহাসভরে হাসিতে হাসিতে এ ওর গায়ে ঢলিয়া পড়িল।

    কমলনয়ন এইবার আর ঘাড় ঘুরাইয়া এই দুইজনকে না দেখিয়া থাকিতে পারিল না। দুইজন একটু উপরের ধাপে বসিয়া আছে। নিকটস্থ দীপস্তম্ভের স্তিমিতালোকে ইহাদের অস্পষ্ট দেখিতে পাওয়া যাইতেছে। তরুণটি শীর্ণকায়, কিন্তু বড়ো সুকুমারদর্শন। গাঁতি দিয়া কাপড় পরিয়াছে, গায়ে একটা উড়ানি। মুখে প্রতিভার ছাপ; গলায় তুলসীকাষ্ঠের মালা। মস্তক মুণ্ডিত, কেবল মাথার পিছনে একটি সুপুষ্ট শিখা আছে। সে উত্তরীয় মুখে চাপিয়া ক্ষুদ্র বালিকার ন্যায় হাসিতেছে। আর তাহারই পার্শ্বে মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটিও খুব হাসিতেছে— সে-ব্যক্তি সামান্য স্থূলকায়। এ দিকে মুখ ঘুরাইল… কিন্তু এ কী!

    পা হইতে মাথা পর্যন্ত কমলনয়নের একটা শিহরন খেলিয়া গেল। এ মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি কে? এ যে একেবারে তাহারই অনুরূপ! সে নিজেই যেন ভিন্ন বেশে সোপানের ঊর্ধ্বতর ধাপে বসিয়া তরুণবয়স্ক ব্রহ্মচারীর স্কন্ধে হাত রাখিয়া হাসিয়া আকুল হইতেছে! এ কেমন হইল? এ যে সেই নবদ্বীপে বিষ্ণুদামোদর মন্দিরের ঘটনার মতো হইল! কিন্তু বিষ্ণুদামোদর মন্দিরে যাহাকে দেখিয়াছিল, সে-ব্যক্তি আর এ ব্যক্তি এক নহে। তাহার ছিল আস্কন্ধবিলম্বিত কুঞ্চিত কেশদাম, আর ইহার মস্তক বৈষ্ণবোচিত অধর্মণ্ডিত, শিখাসমন্বিত। কণ্ঠস্বরও ভিন্ন।

    হাসি কোনোমতে থামাইয়া সেই কমলনয়নের অবিকল সদৃশ মধ্যবয়স্ক ব্যক্তিটি বলিল, “দেখ শ্রীজীব! অন্যের জীবনে তোমার এত কৌতূহল প্রকাশ না করাই উচিত। তিনি যদি আবার তোমার আচার্যস্থানীয় হন, তবে তো ইহা অন্যায্য ব্যাপার! হয়তো প্রথম যৌবনে কোনো মনোবেদনা পাইয়াই কঠোর সন্ন্যাসের পথ ধরিয়াছেন…”

    তরুণবয়স্ক ব্রহ্মচারী হাসিতে হাসিতেই বলিল, “হইতে পারে। যাঁহার নাম মধুসূদন, যিনি স্বয়ং কোমলকান্ত শ্রীহরি, তিনি যে কেমন করিয়া এত শুষ্ক জ্ঞানী হইলেন? নবদ্বীপে যখন ছিলেন, তাঁহার তখনকার সহপাঠী কেহ কেহ আমাকে বলিয়াছেন, তাঁহার বাল্যনাম কী ছিল।”

    মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি বলিল, “কী?”

    “তাঁহার বাল্যনাম ছিল কমলনয়ন। বাল্যে যিনি কমলনয়ন, পরিণত বয়সে তিনিই মধুসুদন। এমন কমনীয় নামধারী ব্যক্তি শুষ্ক জ্ঞানী হইলেন কী প্রকারে?” মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি উৎফুল্ল হইয়া বলিল, “বাহ! তিনি কমলনয়ন আর আমি রাজীবলোচন।”

    তরুণ এইবার হাসিতে মাটিতে লুটাইয়া পড়িবার উপক্রম করিল, “আশ্চর্য! আপনার নাম তাঁহার নামের অবিকল সমার্থক। আপনি রাজীবলোচন আর তিনি কমলনয়ন! দুইজনে একবার দেখা হইলে বেশ হইত!”

    এই তবে রাজীবলোচন? ইহারই অনেক অনুসন্ধান কমলনয়ন আযৌবন করিয়া আসিয়াছে? কমলনয়নেরই ন্যায় উনসিয়া হইতে এ ব্যক্তি নবদ্বীপে আসিয়াছিল। কিন্তু কমলনয়ন যেখানে মহাপ্রভুর দর্শন পায় নাই, এ ব্যক্তি কিন্তু সেস্থলে মহাপ্রভুর দর্শন পাইয়াছিল। মহাপ্রভু ইহাকে লইয়া পুরীক্ষেত্রে গিয়াছিলেন। বড়ো অদ্ভুত তো! অবিকল তাহারই ন্যায় দেখিতে।

    রাজীবলোচন তরুণের কথার জবাব দিল, “দরকার নাই আমার মধুসূদনের সহিত সাক্ষাৎ করার। কী জানি বাবা, ওইসব বড়ো বড়ো জ্ঞানের কথা শুনিয়া আমার আবার ভাব না বিগড়াইয়া যায়! চলো, রাত্রি হইয়াছে। অতিথিশালায় ফিরিতে হইবে।”

    শ্রীজীব বলিল, “চলুন”। এই বলিয়া উভয়ে গাত্রোত্থান করিয়া নগরীর পথ ধরিল। কমলনয়ন শুধু তাহাদের গমনপথের দিকে অবাক হইয়া চাহিয়া রহিল।

    দিন কয়েক পর। কমলনয়ন আপন কক্ষে তাহার শিষ্য বলভদ্রকে লইয়া অদ্বৈতসিদ্ধি রচনার সংস্কারসাধন করিতেছিল। বলভদ্র অত্যন্ত বুদ্ধিমান; সংশোধন ও সংস্কারসাধনে সে অপরিহার্য হইয়া উঠিয়াছে। বিশেষত কোনো একটি পরিভাষাকে তাহার অভিপ্রেত অর্থের অনুকুলে যথাযথ ব্যবহার করার ব্যাপারে কমলনয়ন প্রায়ই তাহার সাহায্য লইয়া থাকে। একটি শব্দের প্রয়োগ সম্বন্ধে সংশয় উঠিতেছিল; কমলনয়নের রচনায় শব্দটি বারংবার তাহার প্রচলিত অর্থকে অতিক্রম করিয়া গিয়াছিল। বলভদ্র বলিল যে, এক্ষেত্রে একটি উপযুক্ত বিশেষণ প্রয়োগ করিয়া শব্দটির অভীপ্সিত অর্থে পৌঁছানো যাইতে পারে। কিন্তু সেই বিশেষণটি কী হইতে পরে, তাহা লইয়াই গুরু ও শিষ্য দীর্ঘক্ষণ ধরিয়া আলোচনা করিতেছিল। কথায় কথায় বলভদ্র বলিল, “আচার্যদেব! অদ্বৈতবেদান্তের মূল সিদ্ধান্ত কী, এ ব্যাপারে প্রথম প্রবেশকের নিমিত্ত একটি ক্ষুদ্র প্রকরণ গ্রন্থ রচনা করিলে কেমন হয়?”

    কমলনয়ন উত্তর দিল, “এমন তো কত গ্রন্থই রহিয়াছে। আচার্য শঙ্করের বিবেকচূড়ামণি, আত্মবোধ, পঞ্চীকরণম্ এ জাতীয় গ্রন্থ।”

    বলভদ্র বলিল, “তাহা সত্য। তথাপি শংকরাচার্যের ওই গ্রন্থগুলিতে শংকর- পরবর্তী যুগের অদ্বৈতবাদী দার্শনিকদিগের গবেষণার সারভাগ থাকা সম্ভব নহে। ইদানীন্তন কালে কিন্তু এমন একটি প্রকরণ গ্রন্থের প্রয়োজন পড়িয়াছে, যাহাতে পরবর্তীকালের দার্শনিকদিগের দর্শনচিন্তার সারনিষ্কর্ষ ধরা থাকে।”

    কমলনয়ন প্রশ্ন করিল, “কী উপায়ে?”

    বলভদ্র উত্তর দিল, “শংকরভগবদ্‌পাদ-বিরচিত ‘দশশ্লোকী’-র উপর আপনি যদি একটি টীকা প্রস্তুত করেন, তবে ওই টীকাটিই এই জাতীয় প্রকরণ গ্রন্থের অভাব পূরণ করিতে পারিবে।”

    কমলনয়ন হাসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, “বেশ! কিন্তু টীকার নাম হইবে কী?”

    বলভদ্র একটু ভাবিয়া বলিল, “যদি টীকার নাম হয় ‘সিদ্ধান্তবিন্দু?”

    কমলনয়ন কহিল, “বাহ, উপযুক্ত নামকরণ। তবে তোমার সুখবোধের জন্যই এ টীকা আমি রচনা করিব।”

    এইসব কথা চলিতেছে, এমন সময়ে ঘরের মেঝের উপর কাহার একটি দীর্ঘ ছায়া পড়িল। কমলনয়ন মুখ তুলিয়া দেখিল, দ্বারপ্রান্তে দীপাবলির রাত্রে দৃষ্ট সেই তরুণবয়স্ক ব্রহ্মচারীটি দাঁড়াইয়া আছে। আজ তাহার গলদেশে তুলসী কাঠের সেই মালাটি আর নাই। ব্রহ্মচারী কক্ষে প্রবেশের অনুমতি চাহিল।

    কমলনয়ন সম্মতি দিলে সে নিকটে আসিয়া সাষ্টাঙ্গে প্রণাম নিবেদন করিল। বলভদ্র নবাগত ব্রহ্মচারীর মুখপানে চাহিয়াছিল।

    কমলনয়ন শান্ত স্বরে জিজ্ঞাসা করিল, “নাম কী?”

    ব্রহ্মচারী বলিল, “আমার নাম শ্রীজীব।”

    “নিবাস?”

    “গৌড়ের রামকেলি গ্রাম।”

    “সম্প্রতি কোথা হইতে আসা হইতেছে?”

    “নবদ্বীপ হইতে।”

    “কী উদ্দেশ্যে অত্র আগমন?”

    “অদ্বৈতবেদান্ত শিক্ষা করিতে চাই। আপনি কৃপালু হইয়া, আমাকে গ্রহণ করুন। আমি একজন সাধারণ বিদ্যার্থী।”

    কমলনয়ন বলিল, “ইদানীং অন্যবিধ কর্মে ব্যাপৃত আছি। তুমি এই মঠে দিন- দুই-চার অবস্থান করো। তোমার বিদ্যাবুদ্ধি পরীক্ষা করিয়া দেখি। যোগ্য বিবেচনা করিলে তোমাকে নিশ্চয়ই শিষ্যস্বীকার করিব।”

    তরুণ ব্রহ্মচারী শ্রীজীব পুনরায় সাষ্টাঙ্গে প্রণাম নিবেদন করিয়া কক্ষ হইতে নিষ্ক্রান্ত হইয়া গেল। ক্ষণপরে কমলনয়ন স্মিতহাস্যে বলভদ্রকে প্রশ্ন করিল, “এই ব্যক্তি কে, জানো?”

    বলভদ্র বলিল, “না তো!”

    “ইহার নাম শ্রীজীব গোস্বামী। ইহার পিতা শ্রীঅনুপম, ইহার জ্যেষ্ঠতাত মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যের সাক্ষাৎ পার্ষদ শ্রীসনাতন ও শ্রীরূপ গোস্বামী। ইহারা গৌড়ীয় বৈষ্ণব। ইহার অদ্বৈত বেদান্ত শিক্ষা করিবার উদ্দেশ্য হইল অদ্বৈতমত খণ্ডন করা।”

    বলভদ্ৰ উৎকণ্ঠিত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “আপনি কীরূপে জানিলেন?”

    রহস্যপূর্ণ হাস্য করিয়া কমলনয়ন উত্তর দিল, “জানিলাম!”

    বলভদ্ৰ উত্তেজিত হইয়া বলিল, “ইহা জানিয়াও আপনি ইহাকে শিষ্য স্বীকার করিবেন?”

    “করিব। তাহাতে অসুবিধা কী? বিদ্যা কোনো সম্প্রদায়ের নিজস্ব সম্পত্তি নহে। আর যুক্তি দ্বারা খণ্ডনের চেষ্টা করিলেই কি আর সত্য উম্মুলীত হইয়া যায়? অদ্বৈতবাদ কোনো মতবিশেষ নহে, উহা সত্য। উহাকে খণ্ডন করিতে গেলে উহা বরং আরও দৃঢ়মূল হইয়া প্রতিষ্ঠিত হইবে।”

    বলভদ্র বলিল, “ইহা আপনার উদারতা। কিন্তু মধ্যে মধ্যে সংশয় হয়, আপনার এরূপ উদারতায় সম্প্রদায়ের ক্ষতি হয় কি না। কয়েক মাস পূর্বে আপনি ব্যাসরামকে শিষ্য স্বীকার করিয়াছিলেন….

    “হাঁ, তাহাতে কী হইল?”

    “সেই ব্যাসরাম তাহার প্রকৃত পরিচয় দেয় নাই। বস্তুত, যে-”ন্যায়ামৃত’ খণ্ডন করিয়া আপনি ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’ রচনা করিয়াছেন, সেই ‘ন্যায়ামৃত’র গ্রন্থকার ব্যাসতীর্থের শিষ্য হইল ব্যাসরাম।”

    “জানি তো!”

    “সে আপনার নিকটে দিবাভাগে ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’র পাঠ লইত আর রাত্রি জাগিয়া ‘তরঙ্গিণী’ নামে আর-একটি টীকা লিখিয়া আপনার মতের খণ্ডন করিত। তাহার পাঠ শেষ হইল, তখন সে তাহার ‘তরঙ্গিণী’ টীকার একটি অনুলিপি প্রস্তুত করিয়া আপনাকে উপহার দিয়া বিদায় লইল।”

    “আমি তাহার তরঙ্গিণী’ টীকা দেখিয়াছি। আমার ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’কে খণ্ডন করিয়াছে। কিন্তু আমি তাহার উত্তর দিতে আর ইচ্ছা করি না।”

    “কেন?”

    কমলনয়ন বলিল, “দেখ, বলভদ্র! সে আমার ছাত্র। তাহার উত্তর দেওয়া আমার শোভা পায় না। তাহা ছাড়া ইহাও মনে রাখিও—

    শৈবাঃ সৌরাশ্চ গাণেশাঃ বৈষ্ণবাঃ শক্তিপূজকাঃ।
    ভবন্তি যন্ময়া সর্ব্বে সোহহমস্মি পরঃ শিবঃ।।

    অর্থাৎ শৈব, সৌর, গাণপত্য, বৈষ্ণব, শাক্ত প্রভৃতি সম্প্রদায়ভুক্ত সাধকগণ তাঁহাদের সাধনার দ্বারা যে-পরম তত্ত্বে তন্ময় হন, আমিই সেই তত্ত্ব, আমি পরমশিবস্বরূপ। আমি সকল সম্প্রদায়বিযুক্ত পরমাত্মা।”

    কিন্তু বলভদ্র এই উত্তরে সন্তুষ্ট হইতে পারিল না। সে বলিল, “বেশ। ব্যাসরাম আপনার ছাত্র, তাই আপনি তাহার আপত্তির উত্তর দিবেন না। কিন্তু আমি যদি তাহার উত্তর দিই, তাহাতে আপনার অসন্তোষ হইবে না তো?

    “না, না, কিছুমাত্র না। তুমি ইহার উত্তর দিতেই পারো। তুমি আমার শিষ্য; তুমি আর সে আমার নিকট উভয়েই সমান সমান।”

    “শুনিয়া বড়ো আনন্দ হইল। আমি ইতোমধ্যেই উহার উত্তর প্রস্তুত করিতেছি। আমি আমার টীকার নাম রাখিয়াছি ‘সিদ্ধিব্যাখ্যা’। ইহাতে আমি আপনার ‘অদ্বৈতসিদ্ধি’-র ব্যাখ্যা করিয়া ব্যাসতীর্থের শিষ্য শ্রীনিবাসকৃত ‘ন্যায়ামৃতপ্রকাশ’ ও ব্যাসরামকৃত ‘তরঙ্গিণী’র সকল উত্থাপিত আক্ষেপের উত্তর দিতেছি।”

    কমলনয়ন হাসিতে হাসিতে বলিল, “দাও। তোমাদের এই খণ্ডনমণ্ডন আমাকে বেশ আমোদই দিতেছে। ইহাতে অদ্বৈতসত্যের কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হয় না। উহা স্বপ্রকাশ; উহাকে আর যুক্তি দ্বারা প্রকাশ করিবার প্রয়োজন হয় না। তথাপি যুক্তিতর্কের দ্বারা মনীষা মার্জিত হয়।”

    শুনিতে শুনিতে অকস্মাৎ বলভদ্র অন্যমনস্ক হইয়া কী যেন ভাবিতে লাগিল। একবার কী বলিবে বলিবে করিয়াও বলিল না। কমলনয়ন তাহার এই আচম্বিত ভাবান্তর লক্ষ করিয়া বলিল, “তুমি কি আমার নিকট কিছু প্রকাশ করিতে চাও?”

    বলভদ্র গম্ভীর হইয়া বলিল, “হাঁ।”

    “কী, বলো না!”

    “ভাবিতেছি, বলিব কি না!”

    “নিঃসংকোচে ও নির্ভয়ে বলিয়া ফেলো।”

    “সে একটা সংগোপন বার্তা। একজন লোক—”

    “কে একজন লোক? কী চায়?”

    “একজন রাজকীয় প্রতিনিধি। তাঁহার এখানে আসিবার সমস্যা আছে। এখনই তাঁহার নাম বলিতে পারিব না… তাঁহাকে গোপনতা অবলম্বন করিয়া চলিতে হয়। আপনাকে কিছু সমস্যার কথা বলিতে চান। আমিও তাঁহার সমস্যা বিস্তৃত জানি না। বর্তমানে তিনি কাশীতেই আছেন। আপনি যদি—”

    “তাঁহার নিকট যাইব?”

    “হাঁ, কিন্তু গোপনে। আমি আপনাকে লইয়া যাইব। কথা দিতেছি, ইহাতে আপনার কোনো ক্ষতি হইবে না। পরন্তু আমাদিগের লাভই হইতে পারে।”

    “উত্তম, আমি যাইব। কবে লইয়া যাইবে?”

    “আগামী কৃষ্ণা একাদশী তিথিতে….”

    “বেশ! তাহাই হইবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026
    Our Picks

    ছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ

    July 28, 2026

    আগস্ট আবছায়া – মাসরুর আরেফিন

    July 28, 2026

    খেলারাম খেলে যা – সৈয়দ শামসুল হক

    July 28, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }