Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মালয় বনের আতঙ্ক – ৩

    ৩

    বেলা দশটাতেই ঘর ছেড়ে বাড়ির বাইরে বেরোল সুদীপ্তরা। যে গাড়িতে তারা এসেছিল সেই গাড়িতেই তাদের আর দু’জন সঙ্গীকে নিয়ে কুলি বস্তির দিকে রওনা হলেন গুরুমূর্তি। সতর্কতার কারণেই এবার কাঁধে একটা বন্দুক নিয়েছেন তিনি। বাড়ির কম্পাউন্ড ছেড়ে প্রথমে বনপথে প্রবেশ করল গাড়ি। গুরুমূর্তি বললেন, ‘কুলি বস্তিতে আমাদের একটা ঘর আছে সেখানেই ওই লোকগুলোকে আসার জন্য খবর পাঠিয়েছি। তবে ওই কুলি সর্দারটার ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকবেন। ওর কাছেও একটা বন্দুক আছে। সেটা বাগানেরই বন্দুক। কায়দা করে সেটা নিয়ে নিতে পারলে ভালো হয়।’

    রবার বন গভীর থেকে আরও গভীরে চলে গেছে। বিরাট বিরাট কালচে-সবুজ পাতাগুলোর জন্য বনের ভিতর বেশি দূর দৃষ্টি চলে না। ঘেঁষাঘেঁষি-ঠেসাঠেসি করে দাঁড়িয়ে আছে গাছগুলো। গুরুমূর্তি সুদীপ্তদের বললেন, ‘এটা প্ল্যান্টেড রবার ফরেস্ট নয়। প্রাকৃতিক বন। তাই গাছগুলো যে যার মতো বেড়ে উঠেছে। প্ল্যান্টেড ফরেস্টগুলোতে নির্দিষ্ট ব্যবধানে গাছের চারা রোপণ করা হয়। সে-সব বন এত ঘন হয় না।’

    হেরম্যান জানতে চাইলেন, ‘বনের সর্বত্র কি গাড়ি চলাচলের রাস্তা আছে?’

    গুরুমূর্তি জবাব দিলেন, ‘প্ল্যান্টেড ফরেস্ট না হবার কারণই নেই। অধিকাংশ জায়গাতেই পায়ে হেঁটে ট্যাপ করতে যেতে হয়। সাধারণত সন্ধেবেলা ট্যাপ করে চ্যানেল আর পাত্র ঝুলিয়ে আসা হয়। আর পরদিন দুপুরে গিয়ে ল্যাটেক্স বা তরল রবার সংগ্রহ করা হয়। তারপর ল্যাটেক্সে অ্যামোনিয়া সলিউশান মিশিয়ে ড্রামে পোরা হয় যাতে তা জমে না যায় তার জন্য।

    সুদীপ্ত জানতে চাইল, ‘একটা গাছ থেকে কতদিন ল্যাটেক্স পাওয়া যায়?’

    গুরুমূর্তি বললেন, ‘পদ্ধতিটা হল, হাফ-স্পাইরালভাবে গুঁড়ির ওপরের আস্তরণ প্রথমে কেটে ফেলতে হয়। তারপর ওই ছালের নিচে ল্যাটেক্সবাহী যে নালি আছে তাতে সরু চ্যানেল বসাতে হয়। তা গাছের এপাশ-ওপাশ মিলিয়ে গুঁড়ি যদি বেশ প্রমাণ মাপের হয় তবে একটা গাছ থেকে পাঁচ বছরও ল্যাটেক্স সংগ্রহ করা যায়। তারপর আবার বেশ কয়েক বছরের জন্য বিশ্রাম দিতে হয় সে-গাছকে।’

    হেরম্যান বললেন, ‘তার মানে তো অন্ধকার নেমে গেলেও বনে থাকতে হয় অনেক সময়?’

    গুরুমূর্তি বললেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই তো সমস্যা। এক সময় তো বাতি নিয়ে সারা রাতও ট্যাপ করত শ্রমিকরা। তারা যত কাজ করবে ততই তো পয়সা। কিন্তু এখন দিনেরবেলাও কেউ বনে ঢুকতে চাইছে না।’

    সুদীপ্তদের গাড়ি কিন্তু বনের গভীরে প্রবেশ করল না। বনের একপাশ ঘেঁষে বেশ কিছুক্ষণ চলার পর হঠাৎই বন শেষ হয়ে গেল। সামনে একটা ফাঁকা অঞ্চল। যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সারসার টিনের চালওয়ালা ছোট ছোট কাঠের বাড়ি, রবার বাগিচার কুলি বা শ্রমিক মহল্লা। বেশ ঘিঞ্জি পরিবেশ চারপাশে। নানা জায়গাতে মানুষের জটলা। মালয়ী, চিনা, সিংহলী, ভারতীয়—নানা জাতের মানুষ থাকে সেখানে। সুদীপ্তদের গাড়ি ঢুকে পড়ল শ্রমিক বস্তিতে। তারপর গিয়ে দাঁড়াল বাগানের ছোট্ট অফিসটা যেখানে আছে সে-জায়গাতে। ইতিমধ্যেই সুদীপ্তদের আগমনবার্তা পেয়ে বাড়িটার সামনে জড়ো হয়েছে বেশ কিছু মানুষ। গাড়ি থেকে নেমে তাদের ভিড় ঠেলে বাড়িটায় ঢুকে অফিস ঘরে সুদীপ্তদের নিয়ে গিয়ে বসালেন গুরুমূর্তি। একজন লোক ছিল সে-ঘরে। সুদীপ্তদের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে গুরুমূর্তি তার উদ্দেশে বললেন, ‘ওদের তিনজনকে এক-এক করে ঘরে পাঠাও। ওরা ঘরে ঢুকলে দরজা বন্ধ করে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবে। একজন না বেরোলে অন্য কাউকে ঢুকতে দেবে না।’

    গুরুমূর্তির কথা শুনে ঘাড় নেড়ে লোকটা চলে গেল তার আদেশ পালন করতে। মিনিট খানেকের মধ্যেই সুদীপ্তদের ঘরে প্রথমে এসে হাজির হল বছর পনেরো-ষোলোর একটা চিনা মেয়ে। তার মুখভর্তি বসন্তের দাগ। ভীত চাহনি। পোশাক-পরিচ্ছদে বিবর্ণতার

    স্পষ্ট ছাপ। গুরুমূর্তি জানালেন মেয়েটার নাম ‘ফাও’।

    ফিলিপ, গুরুমূর্তির উদ্দেশে বললেন, ‘ওকে ঘটনাটা বলতে বলুন আর আপনি সেটা অনুবাদ করে দিন।’

    সুদীপ্ত প্রস্তুত হল ‘ফাও’ নামে মেয়েটার জবানবন্দি হেরম্যানের ইচ্ছানুসারে মোবাইল ফোনে রেকর্ড করার জন্য।

    একটু ভীতভাবে ফাও বলতে শুরু করল, ‘মাস দুই আগের ঘটনা। তখনও ঠিকমতো ভোর হয়নি। অন্ধকারে ল্যাম্প নিয়ে আমি আর আমার এক সঙ্গী জঙ্গলে গেছিলাম রস সংগ্রহ করতে। জঙ্গলের ভিতর যেখানে সরু একটা নালামতো আছে ঠিক তার পাড়ে। একটার পর একটা গাছে ঝোলানো বাটি থেকে রস সংগ্রহ করতে করতে আমরা দু’জনের থেকে দু’জন যে কখন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিলাম তা খেয়াল করিনি। আমার বালতি ভরে ওঠার পর আমি সঙ্গীর খোঁজ করতে করতে হাঁটতে লাগলাম। হঠাৎ কয়েকটা বড় গাছের আড়ালে অস্পষ্ট শব্দ শুনে আমার সঙ্গী সেখানে আছে ভেবে জায়গাটাতে যেতেই একদম মুখোমুখি হয়ে গেলাম তাদের!’ এ-পর্যন্ত বলে সম্ভবত সে-দৃশ্যের কথা চিন্তা করেই ভয়ে মৃদু কেঁপে উঠল মেয়েটা।

    ফিলিপ প্রশ্ন করলেন, ‘ঠিক কী রকম দেখতে তাদের? ক’জন ছিল তারা?’

    মেয়েটা বলল, ‘দু’জন। আকারে মানুষের মতোই। কিন্তু মাথার চুল, গোঁফ-দাড়ি সব লম্বা লম্বা। আর সারা দেহও লম্বা লম্বা কালো লোমে ঢাকা। তারা তাকিয়ে ছিল আমার দিকে।’

    ফিলিপ বললেন, ‘এমনও তো হতে পারে যে ওরা ওরাংওটাং বা ওই ধরনের প্রাণী? ওরাংওটাং তো এ-জঙ্গলে আছে।’

    মেয়েটা বলল, ‘না। ওরাংওটাং অমনভাবে মানুষের মতো সোজা দাঁড়াতে পারে না, ঝুঁকে দাঁড়ায়। আমি অনেকবার ওরাংওটাং দেখেছি। তাছাড়া তাদের কোমরে ছোট কাপড়ের ফালি জড়ানো ছিল।’

    হেরম্যান বললেন, ‘তুমি ঠিক দেখেছ যে ওদের কোমরে কাপড়ের ফালি ছিল?’

    ফাও বলল, ‘হ্যাঁ, ছিল। আমি স্পষ্ট দেখেছি।’

    হেরম্যান বিড় বিড় করে বললেন, ‘তবে কি তারা সেই প্রথম আদিম মানুষ যারা প্রথম লজ্জা নিবারণ করতে শিখেছিল?’

    ‘তারপর কী হল?’ শেষ প্রশ্ন করলেন ফিলিপ।

    মেয়েটা জবাব দিল, ‘ওরা দাঁত বার করে হাসছিল আমার দিকে তাকিয়ে। আমি ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই। অন্যরা আমাকে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করে আনে।’

    মেয়েটা তার বয়ান দিয়ে চলে যাবার পর যে ঘরে ঢুকল সে একজন মাঝবয়সি শক্তপোক্ত চেহারার মালয়ী। তার নাম ইসমাইল। গুরুমূর্তির প্রশ্নের উত্তরে সে বলল, ‘ঘটনাটা তো তোমাকে আগেও বলেছি সাহেব। সূর্য ডোবার কিছু আগে আমি বনে ঢুকেছিলাম গাছে ট্যাপ করার জন্য। বেশ ক’টা গাছ ট্যাপ করতে করতে চাঁদ উঠল এক সময়। হঠাৎ একটা গাছ ট্যাপ করতে গিয়ে আমার বাটালিটা গেল ভেঙে। সঙ্গে আমার একটা বাটালি ছিল কাজেই বাটালিটা আমি ছুড়ে ফেললাম একটা গাছের আড়ালে। সঙ্গে সঙ্গে যেন একটা মৃদু চিৎকারের শব্দ হল, আর গাছের আড়াল থেকে চাঁদের আলোতে বাইরে বেরিয়ে এল সেই ভয়ংকর মানুষটা। বাটালিটা সম্ভবত তার গায়ে গিয়ে পড়েছিল। কী বীভৎস তাকে দেখতে! সারা গায়ে বড় বড় লোম! চোখদুটো যেন আগুনের মতো জ্বলছে…।’

    ফিলিপ লোকটার উদ্দেশে বললেন, ‘তুমি কি কোনো নেশা করো?’

    ইসমাইল দৃঢ়ভাবে বলল, ‘না, আমি কোনো নেশা করি না। আর ভুল-ও দেখিনি। মাত্ৰ দশ হাত দূর থেকে আমি তাকে স্পষ্ট দেখেছি।’

    হেরম্যান জানতে চাইলেন, ‘তারপর কী হল?’

    মালয়ী জবাব দিল, ‘সেই ভয়ংকর প্রাণীটা এরপর এক পা এক পা করে আমার দিকে এগোতে লাগল। আমি ভয় পেয়ে গেলাম। তারপর পিছু ফিরে ছুটতে শুরু করলাম।’

    তৃতীয় জন যে সেই লোমশ মানুষের দর্শন পেয়েছে সে একজন অতিবৃদ্ধ বার্মিজ। নাম ওলাং। সে জানাল, ‘বয়স হওয়ার কারণে আমি আর এখন গাছ ট্যাপ করতে পারি না। অন্যের ট্যাপ করা গাছ থেকে ল্যাটেক্স সংগ্রহ করি। তার বিনিময়ে তারা কিছু পয়সা দেয় আমাকে। ল্যাটেক্স সংগ্রহ করার টিনের ড্রাম আর বাঁকটা, যা নিয়ে আমি বনে যাই। সে-দুটো বাগানের অফিসের চৌহদ্দির মধ্যেই রাখা থাকে। মাসখানেক আগে আমি ভোরের আলো ফোটার আগে রোজকার মতো বাগানের অফিসে গেলাম সেগুলো সংগ্রহ করার জন্য। ড্রামের বাঁকটা কাঁধে নিয়ে সবে বনে ঢুকতে যাব, ঠিক সেই সময় হঠাৎই দেখতে পেলাম তাদের। পুরনো গোডাউনের পিছনে যে জায়গা থেকে জঙ্গল শুরু হয়েছে সেখানে দাঁড়িয়েছিল তারা। লোমওয়ালা দুটো মানুষ। তাদের দেখে থমকে দাঁড়িয়ে রইলাম আমি। তারাও তাকিয়ে রইল আমার দিকে। তারপর কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। আমার আর বনে ঢোকার সাহস হয়নি। ভোরের আলো ফোটার পর অন্যেরা যখন একে একে সেখানে আসতে শুরু করল তখন আমি তাদের ব্যাপারটা জানাই।’

    হেরম্যান লোকটার কথা শুনে মৃদু বিস্মিতভাবে বললেন, ‘তার মানে একদম আমাদের বর্তমান বাসস্থানের হাতার মধ্যে তাদের দেখা গেছে!’

    ফিলিপ ব্যাপারটাতে আমল না দিয়ে বললেন, হতে পারে তারা বাগানেরই কোনো লোক। বুড়োটা আধো অন্ধকারে ভুল দেখেছে।’

    এ-কথা বলে ফিলিপ সে-লোককে কিছু প্রশ্ন করতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু দুম করে দরজায় একটা শব্দ হল। লাথি মেরে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করল একজন লোক। মাঝবয়সি। লোকটার দানবের মতো চেহারা। গায়ের রং ঘোর কৃষ্ণবর্ণ, চোখ দুটো লাল। পরনে একটা ধুতি হাঁটুর ওপর গুটিয়ে পরা, গায়ে নেটের গেঞ্জি। পিঠে একটা বন্দুক। রাবণের মতো চেহারার এ-লোকের পরিচয় বুঝতে অসুবিধা হল না সুদীপ্তদের। কুলি সর্দার রাবণ!

    লোকটা সোজা এসে দাঁড়াল সুদীপ্তদের সামনে। তারপর উদ্ধতভাবে বলল, ‘তোমরা কি লোকজনকে বনে পাঠাবার জন্য এসেছ? বাগানে আর কেউ কাজে যাবে না।

    ফিলিপ বললেন, ‘হ্যাঁ বাগানটা আমরা চালু করতেই এসেছি। এখানে ব্যাপারটা কী ঘটছে তা জানার চেষ্টা করছি লোকজনের সঙ্গে কথা বলে। তোমার কোনো বক্তব্য থাকলে, দাবি থাকলে আমাদের বল?’

    রাবণ বলল, ‘একটাই বক্তব্য বাগানে কেউ কাজে যাবে না।’

    ‘কেন যাবে না?’ জানতে চাইলেন ফিলিপ।

    রাবণ জবাব দিল, ‘বাগানে গিয়ে ওই লোমশ মানুষের হাতে যদি কারও প্রাণ যায় তখন?’

    ফিলিপ বললেন, ‘ওই লোমশ মানুষ বা বনমানুষ তো কাউকে আক্রমণ করেনি? যদিও ওদের অস্তিত্ব আমি বিশ্বাস করি না।’

    রাবণ এবার বেশ রুক্ষস্বরে বলল, ‘আমি তোমার সঙ্গে তর্ক করতে চাই না সাহেব। শুধু এটুকু তোমাদের জানাতে চাই যে রবার বনে কেউ কাজে যাবে না।’

    ফিলিপ এবার তার মোক্ষম চালটা চাললেন। তিনি বললেন, ‘কোম্পানি আর ক্ষতি স্বীকার করবে না। বসিয়ে বসিয়ে এই কুলি লাইনের লোকজনকে খাওয়াবে না। এখানকার ব্যবসা গুটিয়ে নেব আমরা। তবে বাগানটার ইজারার টাকা অগ্রিম সরকারকে দেওয়া আছে। সে ইজারা আমরা অন্য কোনও রবার কোম্পানিকে হস্তান্তর করব না। শ্রমিকরা যখন খেতে পাবে না তখন কিন্তু তারা তোমাকেই দুষবে।’

    এ কথাটা শুনে কেমন যেন থমকে গেল রাবণ। তারপর গুরুমূর্তির দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওর জন্যই তো বাগানের এই অবস্থা। ওকে বলতাম বাগানের অফিসে আর যে দুটো বন্দুক আর টোটার বাক্স আছে তা আমাকে দিতে। একদল লোক নিয়ে জঙ্গল তল্লাশি চালাব আমরা। কিন্তু এই মালিক রাজি নয়।’

    গুরুমূর্তি সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘বাকি বন্দুক দুটো তোমাকে দেওয়া সম্ভব নয়। বরং তোমার কাছে যে বন্দুকটা আছে তা এখন আমাদেরকে জমা দাও। তোমার মতলব সম্বন্ধে আমার সন্দেহ আছে।’

    রাবণ সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘না এ বন্দুক আমি ফেরত দেব না।’ গুরুমূর্তিও উত্তেজিতভাবে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘তোমার স্পর্ধা দিন-দিন সীমা ছাড়াচ্ছে। মালিকদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয় তুমি জানো না দেখছি। কাঁধ থেকে বন্দুক খুলে রাখ। নইলে….।’

    রাবণ বলে উঠল, ‘নইলে তুমি কী করবে শুনি? তোমার যদি ক্ষমতা থাকে তবে বন্দুকটা কেড়ে নাও। জঙ্গলে আমাকে লক্ষ্য করে কে গুলি ছুড়েছিল আমি বুঝেছি। আত্মরক্ষার জন্যেও ওটা আমার প্রয়োজন। বন্দুক আমি দেব না।’

    গুরুমূর্তি বলে উঠলেন, ‘এ-সব তোমার বানানো মিথ্যা কথা। তোমাকে কে গুলি করতে যাবে? সেই লোমশ মানুষ?’

    পরিস্থিতি এবার হাতের বাইরে চলে যেতে পারে দেখে ফিলিপ এবার বলে উঠল, ‘থামুন, থামুন। আপনারা দুজনেই চুপ করুন। যা বলার আমি বলব।

    পরস্পরের দিকে একবার অগ্নিদৃষ্টি হেনে ফিলিপ কী বলেন তা শোনার প্রত্যাশায় তার মুখের দিকে তাকালেন গুরুমূর্তি আর কুলি সর্দার রাবণ।

    মুহূর্তখানেক ভেবে নিয়ে ফিলিপ বললেন, ‘দেখো রাবণ, তুমি শ্রমিক সর্দার। তোমার থেকে আমরা দায়িত্বশীল ব্যবহার আশা করি। বাগানে কাজ না হলে শ্রমিক-মালিক দু’পক্ষরই ক্ষতি। বন্দুক দুটো তোমাকে দেওয়া যাবে না এখন। ওগুলো এখন আমাদের কাজে লাগবে। তোমার বন্দুকটাও আপাত ফেরত দিতে হবে না। একটা কাজ করা যাক। আমরা সবাই মিলে একটা অনুসন্ধান চালাই রবার বনে। ক’দিন খুঁজেও যদি ওই লোমশ মানুষদের সন্ধান না পাওয়া যায় তবে ধরে নেওয়া যেতে পারে ব্যাপারটা নেহাতই ভুল ধারণা। যে তিনজন তাদের দেখেছে তারা আসলে ওরাংওটাং বা অন্যকিছু দেখেছে, তল্লাশিতে তেমন কিছু না পাওয়া গেলে কুলি শ্রমিকদের ভয়ও অনেকটা কেটে যাবে। আর তারপর তোমাদের অন্য কোনো দাবি থাকলে তা নিয়ে আলোচনায় বসা যাবে।’

    ফিলিপের কথা শুনে হেরম্যান এবার বলে উঠলেন, ‘একদম সঠিক সিদ্ধান্ত। ওই লোমশ মানুষের খোঁজে বাগানটা দেখা প্রয়োজন।’ গুরুমূর্তি কথাটা শুনে বললেন, ‘এই রবার বন মাইলের পর মাইল বিস্তৃত। লোমশ মানুষের খোঁজে কতদূর সন্ধান চালাবেন আপনারা?’

    হেরম্যান হেসে বললেন, ‘যতদূর পর্যন্ত যাওয়া যায়। আমাদের কিন্তু আফ্রিকার জঙ্গলে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে যাবার অভিজ্ঞতা আছে।’

    এ-কথা শুনে গুরুমূর্তি চুপ করে গেলেন, আর রাবণ কী যেন একটা ভেবে নিয়ে বলল, ‘ঠিক আছে তবে তাই হবে। কিন্তু তোমরা তোমাদের মতো খুঁজবে, আমি আমার মতো। এই বলে সে আরও একবার গুরুমূর্তির দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি হেনে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। রাবণ ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় গুরুমূর্তি মন্তব্য করলেন, ‘লোকটা পাকা শয়তান। ফিলিপ বললেন, ‘ও শয়তান হোক আর যাই হোক, আপাতত ওর সঙ্গে সংঘাতে যাওয়া ঠিক হবে না। কৌশলে ব্যাপারটা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। এখানকার কাজ আপাতত শেষ। চলুন এবার বাগানে যাওয়া যাক।’

    ফিলিপের কথামতো সে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে চেপে বসল সবাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }