Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ৫

    ৫

    পরদিন ভোরবেলা রোজকার মতো রেডিও রুমে হাজির হল ধ্রুব। বেশ কুয়াশা পড়েছে আজ। ডেকে তিন হাত দূরে কিছু দেখা যাচ্ছে না। ঘণ্টাতিনেক অন্তত সময় লাগবে এ কুয়াশা কাটতে। বুঝতে পারল ধ্রুব। সে রেডিওর সামনে বসতে না বসতেই রেডিও থেকে একটা যান্ত্রিক খসখস শব্দ কানে এল। তার মানে কেউ কল করেছে! এত ভোরে আবার কে? ইয়ার ফোনটা কানে দিতেই ও পাশ থেকে ভেসে এল সেই পরিচিত ফ্যাসফ্যাসে গলা, ‘ক্যাপ্টেনকে এখুনি একবার ডেকে দিন। তাড়াতাড়ি খবরটা দিন।’

    লাইনটা ধরতে বলে ধ্রুব ক্যাপ্টেনের কেবিনে ছুটল। খবরটা পেয়েই বিয়ার্ড ব্যস্ত হয়ে রেডিও রুমে গিয়ে ঢুকল। ধ্রুব দাঁড়িয়ে রইল দরজার বাইরে কিছুটা তফাতে কুয়াশার মধ্যে। ভিতর থেকে অস্পষ্ট ভাবে শোনা যাচ্ছে ক্যাপ্টেনের গলা। তার কথা বুঝতে না পারলেও দুটো শব্দ তার কানে এল, ‘হাইজ্যাক’ আর ‘ডেস্ট্রয়ার’।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্যাপ্টেন অবশ্য বেরিয়ে এসে নিজের কেবিনের দিকে হাঁটা দিলেন। ধ্রুবকে যেন তিনি খেয়ালই করলেন না। তিনি যেন চিত্তামগ্ন। রেডিওরুমে ঢুকে ধ্রুব আবার নিজের জায়গাতে বসল।

    কুয়াশা কিন্তু কাটল না। একটু ফিকে হল মাত্র। সমুদ্রে অনেক সময় নাকি দু-তিনদিন ও টানা কুয়াশা থাকে। ধ্রুব শুনেছে এ কথা। ঘড়ির কাঁটা কিন্তু নিজের নিয়মে এগিয়ে চলল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোলিং হতে শুরু করল জাহাজ। প্রচণ্ড দুলুনি। একেই বলে রোলিং। সমুদ্রের যেখানে বিপরীতমুখী স্রোত এসে মেশে সেখান দিয়ে যাবার সময় এ রকম রোলিং হয়। ধ্রুব শক্ত হয়ে চেয়ারে বসে রইল। ঘণ্টাখানেক পর ব্যাপারটা সবেমাত্র একটু কমেছে। ঠিক এই সময় ইয়ার ফোনে ভেসে এল, ‘রয়াল মেরিন নেভি ভিক্টোরিয়া বলছি। তোমরা কোথায় যাচ্ছ?’

    ক্যাপ্টেনের কথামতো ধ্রুব বলল, ‘আমি যাচ্ছি মোগাদিসুর ড্রাই ডকে জাহাজ মেরামতের জন্য।’

    ‘তোমাদের জাহাজ, আর ক্যাপ্টেনের নাম কী? কোন্ দেশের জাহাজ?’

    ‘ফ্রান্সিস ড্রেক। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড। ব্রিটিশ জাহাজ।’ ধ্রুব জবাব দিল।

    ‘ব্রিটিশ জাহাজ! মেম্বার কত?’

    ধ্রুব উত্তর দিল, ‘ক্যাপ্টেন আর আমাকে ধরে পনেরো।’

    এবার ওপাশের লোকটা বলল, ‘অ্যাডমিরাল জোনাথনের পক্ষ থেকে তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছি জাহাজ থামাও। আমরা তল্লাশি নেব। জাহাজ থামাও। তোমাদের অবস্থান রেডারে ধরা পড়েছে। আধঘণ্টার মধ্যে পৌঁছচ্ছি।’

    ধ্রুব কী বলবে বুঝতে না পেরে আবার ছুটল ক্যাপ্টেনের কেবিনে। সেখানে বসে উত্তেজিত ভাবে কী যেন আলোচনা করছিলেন বিয়ার্ড আর ফক্স। ধ্রুব ঘরে ঢুকতেই কথা বন্ধ করে দিল তারা। সে তাদের কথাটা বলতেই একটা দুরবিন নিয়ে তারা বাইরে বেরিয়ে এল। ডেকের রেলিং এর ধারে দাঁড়িয়ে তারা দেখার চেষ্টা করতে লাগল যে জাহাজটাকে দেখা যায় কিনা? কিন্তু কুয়াশার চাদর চারপাশে বিস্তৃত। ব্যর্থ চেষ্টার পর ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ধ্রুবকে বললেন, ‘ওদের ডাকে আর সাড়া দেবার দরকার নেই। জাহাজ থামবে না। ওদের সত্যিকারের পরিচয় আমাদের জানা নেই।’

    তারপর মেটের উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘এক্ষুনি সবাইকে ডেকে উঠে আসতে বলো, জাহাজের মুখ পশ্চিমে ঘোরাতে হবে। সোমালিয়া সীমায় ঢুকতে হবে।’

    মেট ফক্স ছুটল নিচে সবাইকে খবর দিতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ইঞ্জিন ঘরের দু-তিনজন ছাড়া ওপরে উঠে এল সবাই। ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেল ডেকে। পালের দড়িদড়াগুলো টেনে ডেক সারেঙের নির্দেশে পাল খাটানো শুরু হল। যদিও বাতাস তেমন নেই তবুও জাহাজের গতি যদি কিছুটা বাড়ানো যায় একথা ভেবেই পাল খাটাচ্ছে তারা। মেট ফক্স আর ডেক সারেঙ চিৎকার করে নির্দেশ দিতে থাকল। সবার মুখেই চাপা উত্তেজনা। ধ্রুব যেখানে দাঁড়িয়েছিল তার মাথার ওপর থেকে কে যেন চেঁচিয়ে উঠল, ‘এই গর্ধভ, মোটা কাছিটা টান! উজবুকের দল, হাল শক্ত করে ধর। কামানের মুখ ঘোরা!’

    এ কার গলা? ধ্রুব ওপরে তাকিয়ে দেখতে পেল মার্লিনের পাখিটাকে। একটা লোহার দণ্ডর মাথায় বসে সে চেঁচাচ্ছে। আগে হয়তো কোনো জাহাজে এরকম কোনো ঘটনার সাক্ষী ছিল প্রাচীন পাখিটা। সেই কথাগুলোই এখন সে আউড়াচ্ছে। ডেকে লোকজনের ছোটাছুটি দেখে যেন খুব মজা পাচ্ছে ম্যাকাওটা। ঘাড় নাড়াচ্ছে আর চিৎকার করছে, ‘গর্ধভ, মোটা কাছিটা টান…উজবুকের দল, হাল শক্ত করে ধর…!’

    এত উত্তেজনার মধ্যেও ওর কাণ্ড দেখে ধ্রুব না হেসে পারল না। ঠিক এই সময় মার্লিন এসে পিছনে দাঁড়িয়ে কানের কাছে ফিসফিস করে বলে গেল, ‘ডেকে দাঁড়ানো নিরাপদ নয়, তুমি রেডিও রুমে যাও। তেমন কিছু হলে আমি আছি। যাও…যাও…।’ কথাগুলো বলে ডেকের ভিড়ে মিশে গেল মার্লিন।

    ক্যাপ্টেন নিজে গিয়ে ডেকের মাঝে হালের বিরাট চাকাটা ধরেছেন। ধীরে ধীরে ঘুরতে শুরু করেছে জাহাজের মুখ। চারপাশে ব্যস্ততা। মুখ ঘুরিয়ে জাহাজ তিরবেগে অন্যদিকে চলতে শুরু করল। ধ্রুবর দিকে কারো খেয়াল নেই। মার্লিনের কথা শুনে ডেক ছেড়ে রেডিও রুমে গিয়ে ঢুকে কানে ইয়ারফোন লাগাল ধ্রুব। নিশ্চুপভাবে শুনতে লাগল, ও পাশের রেডিও অফিসারের কণ্ঠস্বর, —‘হ্যালো, হ্যালো? শুনতে পাচ্ছ? তোমরা পালাচ্ছ কেন? এখুনি দাঁড়াও। নইলে…নইলে।’ লাইনটা একটা খসখস শব্দ তুলে পরমুহূর্তে কেটে গেল।

    নইলে কী, তা অবশ্য এক মিনিটের মধ্যে বুঝতে পারল সবাই। হঠাৎ আকাশে যেন একটা শোঁ শোঁ শব্দ শোনা গেল। আর তারপরই কুয়াশার আবরণ ভেদ করে একটা বিরাট জ্বলন্ত হাউই যেন জাহাজের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে আছড়ে পড়ল কিছু দূরে সমুদ্রে। আর তারপরই প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ। সমুদ্রের জল লাফিয়ে উঠল আকাশের দিকে। জলের ধাক্কায় কেঁপে উঠল জাহাজ। ডেকে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হল, ‘মিসাইল চার্জ হচ্ছে…মিসাইল চার্জ হচ্ছে…।’ ধ্রুব আর উত্তেজনা চাপতে না পেরে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে ডেকে এসে দাঁড়াল। নাবিকদের চোখেমুখে প্রচণ্ড আতঙ্ক। বিয়ার্ড কিন্তু অবিচল। জাহাজ থামবার নির্দেশ না দিয়ে শক্ত হাতে জাহাজের হালের ঢাকা ধরে রেখেছেন। তার পাশে দাঁড়িয়ে ফক্স। কোথা থেকে যেন একটা রাইফেল নিয়ে এসেছে সে। সেটা ধরেই সে দাঁড়িয়ে। আবার আকাশে একটা শব্দ। শব্দটা শুনেই নাবিকদের কেউ কেউ বাঁচার জন্য এদিকে ওদিকে দৌড়ল। কেউ আবার ডেকের রেলিং-এ উঠে দাঁড়াল জলে ঝাঁপ দেবার জন্য।

    কিন্তু এবার শব্দটা যেন কিছুটা অন্যরকম মনে হল ধ্রুবর। এটা হাউইয়ের শব্দ নয়। চপারের শব্দ। আর তারপরই জাহাজের মাথার ওপর দেখা গেল দুটো বিরাট হেলিকপ্টার। তাতে সাদা পোশাক পরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে বসে থাকা লোকগুলোকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কপ্টার থেকে লাউড স্পিকারে নির্দেশ এল, ‘জাহাজ থামাও। যাদের হাতে অস্ত্র আছে ফেলে দিয়ে হাত মাথার ওপর তোল। নইলে গুলি চালাব।’

    আর পালাবার উপায় নেই। ক্যাপ্টেন নির্দেশ দিলেন জাহাজ থামাতে। মেট রাইফেল ফেলে এগোল ক্যাপ্টেনের দিকে। তার চাকা উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করল। নোঙর নেমে গেল। আর হ্যাঁচকা টানে জাহাজটা একবার টাল খেয়ে কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়িয়ে গেল। মাথার ওপর কপ্টার দুটো থেকে দড়ি ঝুলিয়ে দেওয়া হল ডেকে। আর ওপর থেকে তা বেয়ে ডেকে নেমে এল অস্ত্রধারী জনা পনেরো লোক। মেরিন কমান্ডো! মুহূর্তের মধ্যে তারা দখল নিল জাহাজের। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যে কুয়াশার আবরণ ভেদ করে দেখা গেল সাদা রঙের বিশাল এক জাহাজ, ডেস্ট্রয়ার, রণতরী। তার মাথায় উড়ছে ইউনিয়ন জ্যাক। ধীরেধীরে সে এগিয়ে আসছে ফ্রান্সিস ড্রেকের কাছে।

    ধ্রুব মাথার ওপর হাত তুলে তাকিয়ে রইল জাহাজটার দিকে। এতবড় জাহাজ এর আগে কোনো দিন সে দেখেনি। যতই জাহাজটা এগিয়ে আসতে লাগল ততই বিস্মিত হতে লাগল ধ্রুব। সে জাহাজের ডেকটা যেন একটা ফুটবল মাঠ! আরও কয়েকটা কপ্টার দাঁড়িয়ে আছে সেখানে। ডেকের গায়ে সার বেঁধে সাজিয়ে রাখা সূচিমুখ ক্ষেপণাস্ত্র, যার যে কোনো একটা মুহূর্তের মধ্যে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে আস্ত একটা জাহাজকে। এছাড়া দূরপাল্লার আধুনিক কামান, ইত্যাদি তো আছেই। অন্তত দুশজন নৌ-সেনা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র কাঁধে ডেকে দাঁড়িয়ে। টাওয়ারের মাথায় ঘুরছে বিরাট রেডার। যাতে ধরা দিচ্ছে সমুদ্রের সব খবর। জাহাজ না বলে একে ভাসমান দুর্গ বলাই ভালো।

    কিছুটা তফাতে এসে দাঁড়াল ডেস্ট্রয়ার। তার ডেক ধ্রুবদের জাহাজের অনেক উঁচুতে। ব্রিজ নামিয়ে দেওয়া হলো। তা বেয়ে আরও জনা কুড়ি লোক সে জাহাজ থেকে নেমে এল ধ্রুবদের জাহাজে। সবার প্রথমে মধ্যবয়সি একজন ঋজু ব্যক্তি। ধবধবে সাদা পোশাক, টুপি। তার কাঁধের পটিগুলো বলে দিচ্ছে তিনি অ্যাডিমিরাল পদমর্যাদার কেউ হবেন। তবে শর মুখটা কেমন যেন চিন্তাক্লিষ্ট, মনে হয় বেশ কয়েক রাত তিনি ঘুমোননি।

    তিনি চারপাশে ডেকটা একবার ভালো করে দেখে নিয়ে বললেন, ‘ক্যাপ্টেন কে? সমস্ত ক্রুদের ডেকে হাজির করো। অদ্ভুত জাহাজ!

    কয়েকজন কমান্ডো নেমে গেল খোলের ভিতর। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড লোকটার সামনে হাজির হয়ে বললেন, ‘আমি ক্যাপ্টেন

    লোকটা এবার নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন, ‘আমি অ্যাডিমিরাল উইলিয়াম। জাহাজ থামাননি কেন?’

    বিয়ার্ড জবাব দিলেন, ‘কুয়াশার জন্য আমরা আপনাদের দেখতে পাইনি। আমার ধারণা হয়েছিল কোনো পাইরেট শিপ আমাদের ফাঁদে ফেলার জন্য থামতে বলছে যা এ মুলুকে হামেশাই ঘটে।’

    অ্যাডমিরাল বললেন, ‘আপনার লোকেদের এরকম অদ্ভুত পোশাক কেন? মাথায় আবার দেখছি জলি রজার। এ সবের মানে কী?’

    ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, ‘এ জাহাজ আসলে একটা ভাসমান মিউজিয়াম। পাইরেটস মিউজিয়াম। তাই জাহাজটাকে এভাবে সাজিয়েছি। আমি এ জাহাজের মালিকও বটে।’ ‘পাইরেটস মিউজিয়াম! এ তল্লাটে তো জ্যান্ত জলদস্যুর কোনো অভাব নেই। তার ওপর আবার মিউজিয়াম।’ রুক্ষভাবে বললেন অ্যাডমিরাল।

    বিয়ার্ড শান্তভাবে জবাব দিলেন, ‘মিউজিয়াম এ জায়গার জন্য কিন্তু নয়। ব্রিটেন থেকে বেরিয়ে নানা বন্দর ঘুরে গেছিলাম এডেনে। এখন ফিরছি। সব জায়গাতে তো আর জলদস্যু নেই। বহু লোক এ মিউজিয়াম দেখে আনন্দ পেয়েছে, সমুদ্রের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করেছে। আপনারাও ইচ্ছা হলে দেখতে পারেন।

    অ্যাডমিরাল বললেন, ‘সে ইচ্ছা বা সময় আমার হাতে নেই। তবে আমরা তল্লাশি নেব জাহাজের। আপনার লোকদের যে যার জায়গাতে যেতে বলুন। আমরা প্রত্যেকের ঘরে যাব। আর জাহাজের কাগজপত্র দেখব আমি।’

    বিয়ার্ড বললেন, ‘ঠিক আছে। তবে মিউজিয়ামে কিছু দুর্মূল্য জিনিস আছে। দেখবেন সেসব যেন নষ্ট না হয়। আপনি আমার কেবিনে চলুন, কাগজপত্র সব দেখাচ্ছি।’

    অ্যাডমিরাল এরপর ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের সঙ্গে পা বাড়াতে গিয়েও থমকে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আপনাদের রেডিও অফিসার কে?’

    ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ধ্রুবকে দেখিয়ে বললেন, ‘উনি, মিস্টার মিত্র, ইন্ডিয়ান। এডেন থেকে জাহাজে উঠেছেন।’

    অ্যাডমিরাল ধ্রুবর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ইন্ডিয়ান! আপনি রেডিও রুমে অপেক্ষা করুন। আমি সব শেষে আপনার ঘরে যাব।’ এই বলে তিনি ক্যাপ্টেনের সাথে এগোলেন জাহাজের নথিপত্র দেখতে।

    .

    রেডিও রুমে ফিরে অ্যাডমিরালের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল ধ্রুব। বুকটা বেশ ধুকপুক করছে। তাদের মেসেজটা তো সে-ই রিসিভ করেছিল। উত্তর না দেবার জন্য হয়তো …তাকে জবাবদিহি করতে হবে। ব্রিটিশ নৌসেনার কোনো ব্রিটিশ জাহাজের নাবিককে গ্রেপ্তার করার ক্ষমতাও আছে। ধ্রুবর মনে হল মার্লিন এ সময় তার সঙ্গে থাকলে ভালো হত।

    প্রায় এক ঘণ্টা বাদে অ্যাডমিরাল যখন ধ্রুবর ঘরে ঢুকলেন, ততক্ষণে জাহাজের তল্লাশি শেষ করেছে তাঁর লোকজন। একাই ঘরে ঢুকলেন তিনি। দুজন কমান্ডো রেডিও রুমের বাইরে দরজা আগলে দাঁড়িয়ে রইল।

    অ্যাডমিরাল উইলসন প্রথমে তার কাগজপত্র দেখতে চাইলেন। সেসব দেখাল ধ্রুব। কাগজ দেখে সন্তুষ্ট হয়ে অ্যাডমিরাল বললেন, ‘এ পথে তো আপনি একদম নতুন দেখছি। বয়সও তো দেখছি একদম কম। তা আপনি ওয়ারলেসে কথা শেষ করলেন না কেন?’

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘ক্যাপ্টেনের হুকুম ছিল।’

    তিনি বললেন, ‘তা, এ পথে যে যাচ্ছেন, এর হালহকিকত খোঁজ রাখেন তো?’

    ধ্রুব উত্তর দিল। ‘ক্যাপ্টেন আর নাবিকদের মুখে কিছুটা কিছুটা শুনেছি।’

    অ্যাডমিরাল উইলিয়াম জানলার বাইরে সমুদ্রের দিকে দৃষ্টি রেখে প্রথমে যেন নিজের মনেই বললেন, ‘যা শুনেছেন পরিস্থিতি তার চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর।’ তারপর ধ্রুবর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আপনি ভারতীয়। ভারতীয়দের আমি শ্রদ্ধা করি। আমার দেহে আপনাদের রক্ত কিছুটা হলেও আছে। আমার গ্রেট গ্র্যান্ড মাদার ছিলেন একজন ভারতীয় মহিলা। তাই আপনাদের প্রতি একটা টান আমার আছে। আপনাকে আমার একটা অনুরাধ, এ পথে যাবার সময় যদি ‘কিড’ নামের দশ বছরের একটা বাচ্চা ছেলের কোথাও দেখা পান, বা তার সম্বন্ধে কোনো খবর পান, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন। সোমালিয়ান জলদস্যুরা অপহরণ করেছে তাকে। তিনদিন আগে ঘটনাটা ঘটেছে। আমি, আপনাকে আমাদের ওয়ারলেস কোড নম্বর দিচ্ছি। আর এই দেখুন বাচ্চাটার ফোটো।’ এই বলে তিনি একটা ছবি ধ্রুবর দিকে এগিয়ে দিলেন। বছর দশ বয়সের সুন্দর দেখতে একটা ছেলের ছবি। মাথায় কোঁকড়া চুল, নীল চোখের ছেলেটা সম্ভবত জাহাজের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে।

    ছবিটা ভালো করে দেখে অ্যাডমিরালের হাতে ফেরত দেবার সময় তিনি বললেন, ‘আপনি যদি ছেলেটার সন্ধান দিতে পারেন, তাহলে এক লাখ পাউন্ড পুরস্কার দেব আমি।’

    ‘এক লাখ পাউন্ড! ধ্রুব জানতে চাইল, এ কোনো রাজপরিবারের ছেলে নাকি?’

    অ্যাডমিরাল উইলসন প্রথমে বললেন, ‘না, ও কোনো রাজপরিবারের নয়।’ তারপর কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, ‘ও আমার ছেলে। এই টাকাটা আমার সারাজীবনের সঞ্চয়।’

    ধ্রুব আরও চমকে উঠে বলল, আপনার ছেলে। কীভাবে অপহরণ হল? কেন করল?’ উইলিয়াম বললেন, ‘গত তিন বছর ধরে আমার জাহাজ টহল দিয়ে বেড়ায় সোমালি উপকূলের জলসীমার বাইরে। যেসব ব্রিটিশ পণ্যবাহী জাহাজ এ পথে পাওয়া আসা করে জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে তাদের রক্ষা করা আমার কাজ। বহু জলদস্যু জাহাজকে আমি ডুবিয়েছি। তাই আমার ওপর তাদের রাগ। মুক্তিপণ আর আমি যাতে এ তল্লাট ছেড়ে চলে যাই সে উদ্দেশ্য নিয়েই কাজটা করেছে ওরা। মাস ছয় হল একজন সোমালিকে রাখা হয়েছিল জাহাজে। উপকূলে গিয়ে সে জলদস্যুদের খবর এনে দিত। লোকটার ব্যবহারে ও কিছু সঠিক খবর দেওয়ায় আমরা বিশ্বাস করেছিলাম তাকে। গল্প শোনার লোভে তার সঙ্গে কিডের ভাব হয়ে গেছিল। তিনদিন আগে সে রাতে খুব কুয়াশা। কী ভাবে যেন পোর্টহোল দিয়ে ছদ্মবেশী শয়তানটা তাকে বাইরে বার করে নিয়ে গেল। জানতাম বাচ্চা ছেলেকে এ জাহাজে রাখা নিরাপদ নয়। কিন্তু মা-মরা একটা ছোট্ট ছেলে…।’ অ্যাডমিরালের গলাটা শেষ কথাগুলো বলার সময় যেন ধরে আসছিল, কিন্তু নিজেকে সামলে নিয়ে তিনি এরপর বললেন, ‘এই যে কোড নম্বরটা আপনি রেখে দিন। আশাকরি আপনি সম্ভব হলে সাহায্য করবেন।’ এই বলে তিনি কোড নম্বর লেখা চিরকুট হাতে দিয়ে বাইরে বেরিয়ে গেলেন। ধ্রুব পকেটে রেখে দিল সেটা।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের লোকজন নিয়ে ডেস্ট্রয়ারে ফিরে গেলেন অ্যাডমিরাল। ডেস্ট্রয়ার, ফ্রান্সিস ড্রেকের থেকে বেশ কিছুটা দুরে চলে যাবার পর বিয়ার্ডের নির্দেশে জাহাজ আবার মুখ ঘুরিয়ে রওনা হল তার নির্দিষ্ট পথে। কিন্তু ডেস্ট্রয়ারের এই আকস্মিক আবির্ভাব যেন ছন্দ নষ্ট করে দিল জাহাজের। সবাই আরও কেমন যেন শুম মেরে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }