Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মালয় বনের আতঙ্ক – ৮

    ৮

    সুদীপ্তরা যখন বাইরে বেরিয়ে এল তখন ভোরের আলো ফুটেছে। তারা দেখল ততক্ষণে হেলিকপ্টারের কাছে পৌঁছে গেছেন গুরুমূর্তি। তার বেশ কিছুটা তফাতে ধাবমান সেই লোমশ মানুষ। কপ্টারে পাইলট বসে ছিল। সে পরিস্থিতি বুঝে মাথার ওপরের পাখা ঘোরাতে শুরু করে দিয়েছে। সুদীপ্তরা তিনজনও ছুটল সে-দিকে। সেই লোমশ মানুষও গুরুমূর্তির কাছে প্রায় পৌঁছে গেছিল। কিন্তু গুরুমূর্তিকে সে ধরার আগেই তিনি লাফ দিয়ে কপ্টারে উঠে বসলেন। সঙ্গে-সঙ্গে গোঁ-গোঁ শব্দে মাটি ছাড়ল আকাশযানটা। বাতাসের ঝাপটা ছড়িয়ে পড়ল চারপাশে। টলমল করে উঠল সুদীপ্তদের পা। ভয় পেয়ে বা উত্তেজিত হয়ে গাছগুলোর মাথায় লাফালাফি শুরু করল ওরাংওটাং-এর দল। সুদীপ্তদের মাথায় মাত্র কয়েক হাত ওপর দিয়ে জঙ্গলের দিকে এগোল কপ্টারটা। তাদের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাবার সময় মুহূর্তের জন্য সুদীপ্ত দেখতে পেল গুরুমূর্তির মুখ। সে হাসছে নিচের দিকে তাকিয়ে।

    জমি ছেড়ে জঙ্গলের প্রান্তসীমার গাছগুলোর মাথার ওপর দিয়ে ওপর দিকে উঠে যাচ্ছিল কপ্টারটা। হঠাৎ দুর্বোধ্য ভাষায় কী-একটা চিৎকার করে উঠল সেই লোমশ মানুষ। আর এরপরই একটা বিস্ময়কর কাণ্ড হল। কপ্টারটা গাছগুলোর মাথা প্রায় ছুঁয়ে ওপরে উঠে যেতেই মুহূর্তে একটা ওরাংওটাং লাফ দিল কপ্টারটাকে লক্ষ্য করে। কপ্টারের নিচে ‘স্কি’ করার মতো ল্যান্ডিং-এর জায়গাটা ধরে ফেলল ওরাংওটাংটা। একটু ঝাঁকুনি খেল কপ্টারটা। কিন্তু ওরাংওটাংটাকে নিয়েই কপ্টারটা জঙ্গলের ওপর দিয়ে উঠতে লাগল আকাশের দিকে। কিছুটা ওপরে ওঠার পরই খসে পড়ল প্রাণীটা। আর ভারমুক্ত হয়ে কপ্টারটা হঠাৎ‍ই যেন ছিটকে আকাশের আরও ওপরে উঠে গেল। তারপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এঁকেবেঁকে জঙ্গলের মাথার ওপর একটা ডিগবাজি খেয়ে তিরের মতো নিচে নেমে এসে হারিয়ে গেল চোখের আড়ালে দূরের জঙ্গলে। বিস্ফোরণের একটা শব্দও যেন ভেসে এল সুদীপ্তদের কানে। এ-দৃশ্যের আকস্মিকতায় কিছুটা হতচকিত হয়ে গেছিল সুদীপ্তরা। আকাশের দিক থেকে মাটির দিকে চোখ ফেরাতেই সুদীপ্তরা দেখতে পেল বাড়িটার চৌহদ্দি ছেড়ে সেই লোমশ মানুষ অদৃশ্য হয়ে গেল বনের ভিতর। ইতিমধ্যে রাবণ বাইরে বেরিয়ে এসেছে। বাঁ-কাঁধ থেকে রক্তের ধারা নেমেছে তার। পিস্তলের বুলেট বিঁধে আছে কাঁধে। তাই দেখে হেরম্যান সুদীপ্ত আর ফিলিপের উদ্দেশে বললেন, ‘ওর কাছে একজন থাক, ওর শুশ্রূষার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো ডাক্তার থাকলে নিয়ে যেতে হবে। আর একজন আমার সঙ্গে চল। লোমশ মানুষটা তো জঙ্গলে ঢুকল, তাকে খুঁজে বার করতে হবে।’

    হেরম্যানের কথা শুনে রাবণ বলে উঠল, ‘আমিও যাব তোমাদের সঙ্গে। হেলিকপ্টারটা ভেঙে পড়েছে ঠিকই কিন্তু শয়তানটার পরিণতি আমার নিজের চোখে দেখা দরকার। ও দু-দুবার আমাকে মারতে গেছিল, কিন্তু পারল না।’

    হেরম্যান বললেন, ‘কিন্তু গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তুমি সঙ্গে যাবে কীভাবে?’

    রাবণ বলল, ‘পারব। শুধু বাড়ির ভিতর ঢুকে একটা ছুরি আর ব্যান্ডেজ বাঁধার কাপড় আন। তাড়াতাড়ি কর, দেরি হয়ে গেলে তোমরা হয়তো আর লোমশ মানুষকে খুঁজে পাবে না।’

    কথাটা শুনে ফিলিপ ছুটল বাড়ির দিকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে একটা ধারালো সরু ছুরি আর কাপড় নিয়ে হাজির হল। আমানুষিক ক্ষমতা, সাহস আর সহ্যশক্তি বটে রাবণের। ডান হাতে ছুরিটা ধরে মুহূর্তখানেক সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। তারপর দাঁতে দাঁত চেপে ছুরির ছুঁচলো ফলাটা ক্ষতস্থানে ঢুকিয়ে একটা চাড় দিল। ফোয়ারার মতো রক্ত বেরিয়ে এল তার কাঁধ থেকে, আর তার সঙ্গে-সঙ্গে বুলেটটা ঠিকরে বেরিয়ে মাটিতে পড়ল। একটা হাসি ফুটে উঠল রাবণের মুখে। সে বলল, ‘ব্যান্ডেজ বাঁধো।’

    দ্রুত সে-কাজ শুরু করল সুদীপ্ত আর ফিলিপ। ব্যান্ডেজ বাঁধা হয়ে গেলে রাবণ বলল, ‘চলো, এবার যাওয়া যাক।’ সুদীপ্তরা রওনা হল রবার বনের দিকে।

    জঙ্গলের ভিতর বেশ কিছুটা এগোবার পর গাছের ফাঁক দিয়ে বেশ অনেকটা দূরে একটা ধোঁয়ার কুণ্ডলী চোখে পড়ল সুদীপ্তদের। হেলিকপ্টারটা ওখানেই ভেঙে পড়েছে অনুমান করে সুদীপ্তরা এগোল সে-দিকেই। বেশ অনেকটা সময়ই লাগল সে-জায়গাতে পৌঁছতে। যাবার পথে রাবণ বলল, ‘এবার বলি, মাসখানেক আগে এক রাতে আমি কিন্তু একসঙ্গে দেখেছিলাম লোমশ মানুষ আর গুরুমূর্তিকে। ব্যাপারটা আমি দেখে ফেলেছি আন্দাজ করে পরদিন গুরুমূর্তি আড়াল থেকে গুলি চালিয়েছিল আমাকে লক্ষ্য করে। আর পরশু রাতে আমি গোডাউনের মধ্যে গুরুমূর্তি আর লোমশ মানুষকে ঢুকতে দেখেছিলাম। কথাগুলো আগে বললে তা হয়তো তোমরা বিশ্বাস করতে না।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘কিন্তু লোমশ মানুষটা কে? গুরুমূর্তির সঙ্গে ওর কীসের সম্পর্ক ছিল?’

    হেরম্যান বললেন, ‘সেটা জানার জন্যই লোকটাকে খুঁজে বের করা দরকার। লোমশ হলেও ও যে একজন মানুষ সে ব্যাপারে তো আর কোনো সন্দেহ নেই।’

    হেলিকপ্টারটা যেখানে পড়েছে সে-জায়গাতে পৌঁছল সুদীপ্তরা। বেশ বড়-বড় গাছ আছে এখানে। তারই একটা গাছের ওপর প্রথমে পড়ে, গাছটার ডালপালা ভেঙে নিয়ে মাটিতে আছড়ে আগুন ধরে গেছিল কপ্টারটাতে। চারপাশে ছড়িয়ে আছে কপ্টারের নানা যন্ত্রাংশ। আর অর্ধদগ্ধ কপ্টার থেকে বাইরে ঝুলছে একটা পোড়া দেহ। তবে সেটা গুরুমূর্তির নয়, হতভাগ্য পাইলটের দেহ। আশেপাশের গাছগুলোর মাথায় বেশ কিছু ওরাংওটাংও চোখে পড়ল তাদের।

    হঠাৎ উলটোদিকে তাকিয়ে ফিলিপ বলে উঠলেন, ‘ওই তো সেই লোমশ মানুষটা ওখানে দাঁড়িয়ে!’

    ফিলিপের দৃষ্টি অনুসরণ করে সুদীপ্তরা দেখতে পেল কিছুটা তফাতে গাছে ঘেরা ফাঁকা একটা ছোট জমির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে সেই লোমশ মানুষ। সে-ও সম্ভবত সুদীপ্তদের দেখতে পেল। সুদীপ্তরা এগোতে যাচ্ছিল তার দিকে, কিন্তু লোমশ মানুষটা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিল ঠিক তার কাছেই একটা গাছের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল বীভৎস এক মূর্তি। সর্বাঙ্গ তার পুড়ে ঝলসে কালো হয়ে গেছে, ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে পোশাক, তবে তার হাতে সেই পিস্তলটা . তখনও ধরা। গাছের আড়াল থেকে টলতে টলতে বেরিয়ে পিস্তল উঁচিয়ে সে লোমশ মানুষের

    উদ্দেশে বলল, ‘আমি তো যাচ্ছি, চল, এবার তোকে সত্যিই সঙ্গে নিয়ে যাব।’

    আকস্মিক গুরুমূর্তির এ-হেন আবির্ভাবে যেন একটু থতমত খেয়ে গেল সেই লোমশ মানুষ কিন্তু এর পরমুহূর্তেই গাছের মাথা থেকে লাফিয়ে নামল সেই পালের গোদা বিশালদেহী ওরাংওটাংটা। গুরুমূর্তির বন্দুকের নলের সামনে লোমশ মানুষকে আগলে বুক পেতে দাঁড়াল প্রাণীটা। কিন্তু গুরুমূর্তি থামলেন না। তিনি গুলি চালিয়ে দিলেন। বিকট একটা আর্তনাদ করে ছিটকে পড়ল গুলিবিদ্ধ প্রাণীটা। গুরুমূর্তি এরপর গুলি ছুঁড়তে গেলেন অরক্ষিত লোমশ মানুষকে লক্ষ্য করে। কিন্তু ট্রিগার টানার ‘খট্’ শব্দ হল শুধু, গুলি বেরোল না। গুলি শেষ।

    আর এরপরই এক ভয়ঙ্কর দৃশ্যর সূচনা হল যা সুদীপ্ত বা হেরম্যান কেউই এর আগে এতগুলো অভিযানেও প্রত্যক্ষ করেনি। গাছের ওপর থেকে গুরুমূর্তির ওপর ঝাঁপাতে শুরু করল ওরাংওটাংগুলো। একটা-দুটো-পাঁচটা-দশটা…গুরুমূর্তি মাটিতে পড়ে গেলেন। আর তাকে আঁচড়েকামড়ে ফালা ফালা করতে লাগল ওরাংওটাং-এর দল। নিষ্প্রাণ হয়ে গেল গুরুমূর্তির দেহ। কিন্তু তাতেও প্রাণীগুলোর আক্রোশ মিটল না। গুরুমূর্তির ছিন্নভিন্ন দেহটার পা ধরে টেনে নিয়ে কয়েকটা ওরাংওটাং একটা গাছে উঠতে শুরু করল। গাছটার মাথায় প্রথমে দেহটাকে নিয়ে উঠল তারা। তারপর হাত পা ধরে মৃতদেহটাকে দুলিয়ে ছুড়ে দিল অন্য গাছের মাথায়। সেখানে আটকে গেল দেহটা। তারপর দেহটা নিয়ে অন্য একটা গাছের মাথায় ছুড়ে দেওয়া হল। এভাবে এক গাছ থেকে আর এক গাছের মাথায় ওরাংওটাংগুলো প্রচণ্ড আক্রোশে গুরুমূর্তির দেহ নিয়ে ছোড়াছুড়ি করতে লাগল। বীভৎস এক দৃশ্য! তারপর একসময় সে দেহটা বিরাট একটা গাছের মগডালে উঠিয়ে নিয়ে সেখান থেকে নিচে ছুড়ে ফেলল। মাটিতে শব্দ তুলে আছড়ে পড়ল গুরুমূর্তির ছিন্নভিন্ন দলা পাকানো দেহটা। একসঙ্গে বিকট বিজয় উল্লাস করে উঠল ওরাংওটাংগুলো। তারপর গাছ বেয়ে দ্রুত নিচে নামতে লাগল।

    কখন যেন পায়ে-পায়ে নিজেদের অজান্তেই ফাঁকা জমিটার মধ্যে পৌঁছে গেছিল সুদীপ্তরা। তাদের কয়েক হাত তফাতে দাঁড়িয়ে আছে সেই লোমশ মানুষ। সুদীপ্তরা এই প্রথম দিনের আলোতে ভালো করে দেখল তাকে। মানুষেরই অবয়ব, কিন্তু তার মুখ, সারা দেহ লম্বা লম্বা লোমে ঢাকা ঠিক শিম্পাঞ্জি বা ওরাংওটাংদের মতোই। লোকটার কিছুটা তফাতে পড়ে আছে গুলিবিদ্ধ ওরাংওটাং-এর দেহটা।

    অন্য ওরাংওটাংগুলো গাছ থেকে নেমেই বৃত্তাকার একটা বলয় রচনা করল সুদীপ্তদের আর লোমশ মানুষকে ঘিরে। চোখমুখে হিংস্রতা ফুটে আছে। কারও-কারও হাতেমুখে লেগে আছে গুরুমূর্তির রক্ত। যেন সুদীপ্তদের ছিঁড়ে ফেলার জন্য তাদের ওপর তখনই ঝাঁপিয়ে পড়বে প্রাণীগুলো।

    প্রাণীগুলোর দিকে প্রথমে তাকিয়ে ঠিক ওরাংওটাংদের মতোই অদ্ভুত শব্দ করে কী যেন বলল সেই লোমশ মানুষ। তার কথা শুনে সুদীপ্তদের আক্রমণ করতে গিয়েও যেন থেমে গেল প্রাণীগুলো। তারা এগোল মাটিতে পড়ে থাকা প্রাণীটার দিকে।

    এরপর সেই লোমশ মানুষ সুদীপ্তর উদ্দেশে প্রশ্ন করল, ‘তোমরা কারা? তোমরা কি আমাকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছ?’

    হেরম্যান জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, এ-কথা ঠিকই আমরা রবারের বনের লোমশ মানুষকে খুঁজতে এসেছিলাম। কারণ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে আশ্চর্য প্রাণীদের খুঁজে বেড়াই। কিন্তু তোমাকে ধরতে আসিনি। আর এখন ধরার কোনো প্রশ্নই নেই, কারণ তোমার গায়ে লোম থাকলেও তুমিতো আসলে একজন মানুষ।’

    লোমশ মানুষ বলল, ‘ডাক্তার আমাকে বলেছিল যে তোমরা আমাকে ধরতে অথবা মারতে এসেছ তাই তোমাদের কাল আমি গর্তে ফেলেছিলাম যাতে ডাক্তারের সঙ্গে নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারি। এখন বুঝতে পারছি শয়তানটা কৌশলে আমাকে দিয়ে তোমাদের মারতে চেয়েছিল।’

    এরপর একটু থেমে সে জানতে চাইল, ‘তোমরা আমার পিছু ধাওয়া করে এলে কেন?’

    সুদীপ্ত বলল, ‘এলাম আসল ব্যাপারটা জানতে। তুমি কে? কোথা থেকে এখানে এলে? তুমি এমন লোমওয়ালা মানুষ হলে কী করে, এসব জানার জন্য। কৌতূহল বলতে পার। কোনো খারাপ উদ্দেশ্য আমাদের নেই। থাকলে তোমাকে বাঁচাতে গিয়ে রাবণ নিশ্চই গুলি খেত না।’

    সুদীপ্তর কথা শুনে মাটির দিকে তাকিয়ে কী যেন ভাবতে লাগল লোমশ মানুষ। ইতিমধ্যে সুদীপ্তর চারপাশ থেকে সরে গিয়ে মৃত ওরাংওটাংটাকে ঘিরে দাঁড়িয়েছে ওরাংওটাংগুলো। দলপতির মৃতদেহ ঘিরে মাথা নিচু করে ঠিক মানুষের মতোই যেন চাপা করুণ স্বরে বিলাপ করতে শুরু করেছে।’

    কিছুক্ষণ মাটির দিকে তাকিয়ে লোমশ মানুষ বলল, ‘শোন তবে। কথাগুলো তোমাদের জানিয়ে দিয়ে যাই।’

    লোমশ মানুষ কথা শুরু করল, ‘আমি এমন লোমশ ছিলাম না। স্বাভাবিক একজন মানুষ ছিলাম। বলা যেতে পারে সুপুরুষই ছিলাম আর আমার সঙ্গিনী হান্নাও ছিল রূপসী কুয়ালালামপুরে এক রেস্তোরাঁয় আমরা টুরিস্টদের জন্য নৃত্য-গীত পরিবেশন করতাম। অনেকক্ষেত্রে হাতে-গায়ে-মুখে রঙ মাখতে হত আমাদের। আর তার থেকেই মনে হয় প্রথম বিপদের সূচনা হয়েছিল। কোনো একটা রঙে হয়তো কোনো বিষাক্ত রাসায়নিক মেশানো ছিল। তার ফলে আমাদের সারা শরীরে ঘা ফুটে উঠল। ঠিক এই সময় খবরের কাগজে ডাক্তার গুরুমূর্তির একটা বিজ্ঞাপন দেখি। তাতে লেখা ছিল তিনি চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ, কসমেটিক সার্জেন ইত্যাদি-ইত্যাদি আরও অনেককিছু। বিজ্ঞাপনটা দেখে আমি আর হান্না ছুটলাম তাঁর কাছে। তিনি আমাদের পরীক্ষা করে বললেন, তিনি এই চর্মরোগ সারিয়ে দেবেন। শুধু তা-ই নয়, আমাদের তিনি আরও সুন্দর করে দিতে পারেন কিছু হরমোহন চিকিৎসার মাধ্যমে। প্রথম অবস্থায় আমাদের চর্মরোগের চিকিৎসা শুরু করলেন তিনি এবং তা সেরেও গেল। ডাক্তারের প্রতি আমাদের বিশ্বাস জন্মাল। তার ফলে একটা সম্পর্কও গড়ে উঠল। এরপর তিনি সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য হরমোহন চিকিৎসার কথা বললেন। আমরাও রাজি হলাম। কারণ, আমাদের পেশায় সৌন্দর্যের ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চিকিৎসা শুরু হল। ডাক্তার আমাদের বেশ কিছু হরমোহন ইঞ্জেকশন দিল। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল। সেই ইঞ্জেকশনের প্রভাবে আমাদের শরীরে লোম গজাতে শুরু করল। প্রাথমিক অবস্থায় ডাক্তার বলল যে এ ব্যাপারটা তেমন কিছু নয়। দেহে হরমোনের মাত্রা পরিবর্তনের প্রভাবে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে। পরে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঠিক হল না কিছুই। লোম বেড়েই চলল। ডাক্তার চিকিৎসার জন্য আমাদের তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তুলল। কিন্তু তাতে সুবিধা হল না কিছুই। আমাদের আরও কিছু ইঞ্জেকশন দিল ঠিকই, কিন্তু লোম বেড়েই চলল। বনমানুষ, ওরাংওটাং শিম্পাঞ্জির মতো বড়-বড় লোম। সারা শরীর ঢেকে যেতে লাগল লোমে। আমাদের রেস্তোরাঁর কাজ বন্ধ হল। দিনেরবেলা বাইরে বেরোনোও বন্ধ হল। একদিন রাতে বাইরে বেরিয়ে আমরা একজন বাস ড্রাইভারের চোখে পড়ে গেলাম। তাই নিয়ে কাগজে লেখালিখি হল। এমনিতেই লোমশ মানুষের প্রবাদ প্রচলিত আছে এই মালয়দেশে। ঘটনাতে প্রমাদ গুনলেন ডাক্তার গুরুমূর্তি। হয়তো-বা এমনও হতে পারে যে তিনি ভয় পেয়ে ছিলেন এ-জন্য যে পাছে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানাই বা আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা করি। তিনি আমাদের বললেন যে এ-রোগ সারতে কিছুটা সময় লাগবে আর আমাদের কুয়ালালামপুরে থাকা সমীচীন নয়। ব্যাপারটা জানাজানি হলে ভবিষ্যতে আমাদের কাজের ক্ষতি হতে পারে। কাজেই তিনি আমাদের অন্যস্থানে নিয়ে যাবেন। শহরের থেকে দূরে কোনো নির্জন জায়গাতে। যেখানে তিনি আমাদের সুস্থ করে তুলে তারপর আবার ফিরিয়ে দেবেন। আমরা সে সময় কিংকর্তব্যবিমূঢ়! কাজেই আমরা রাজি হয়ে গেলাম তাঁর প্রস্তাবে। সে আমাদের নিয়ে এল এখানে…।’

    এ-পর্যন্ত বলে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল লোমশ মানুষ। তারপর আবার বিষণ্ণভাবে বলতে শুরু করল, ‘এখানে এসে আমাদের প্রথম আশ্রয়স্থল হল এই পরিত্যক্ত গোডাউনটা। কিন্তু অসম্ভব দমবন্ধ করা পরিবেশ ওই বদ্ধ জায়গাটাতে। রাত হলে আমরা গোডাউন ছেড়ে এই বনে ঢুকতাম। কোনো কোনো সময় বনেই থেকে যেতাম দিনের বেলাতেও। ততদিনে আমাদের সারাদেহ ঢেকে গেছে গভীর লোমে। প্রায় তখন লোমশ মানুষ হয়ে গেছি আমরা। ডাক্তার বলেছিল আমরা ঠিক হয়ে যাব, কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না। এই বনেই একদিন ঘটনাচক্রে এই ওরাংওটাং দলের সঙ্গে পরিচয় হয়ে গেল আমাদের। যে কুয়ো বা গর্তে তোমরা পড়ে গেছিলে সেই গর্তেই ওদের একটা বাচ্চা পড়ে গেছিল। আমরা দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করেছিলাম। সে ঘটনা আর আমাদের দু’জনের গায়ে তাদেরই মতো বড়-বড় লোমের জন্য তাদের সমগোত্রীয় ভেবেই হয়তো আমাদের বন্ধু ভেবে নিল তারা। আমরা একই সঙ্গে ঘুরে বেড়াতাম। তাদের ভাষা, আচার-ব্যবহারও কিছুটা শিখলাম, আর তাদেরও কিছু শেখালাম মানুষের আচার-আচরণ। এ-ভাবে ক’টা বছর কেটে গেল। ডাক্তার আমাদের খালি বলতে লাগল যে, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কিছুই হল না। গোলযোগ বাড়ল মাস-তিনেক আগে। ওরাংওটাং দলটার সঙ্গে আমরা থাকতে শুরু করেছিলাম, কুয়োটার ওপারে গভীর জঙ্গলের মধ্যে। তোমরা সে-বনে যাওনি। কোনো ট্যাপাররাও ওদিকে যায় না। কিন্তু মাস তিনেক আগে বন ছেড়ে ডাক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে বেশ কয়েকজন লোক আমাদের দেখে ফেলল। বন্ধ হয়ে গেল বাগানের কাজ। কারণ মালয়ের লোমশ মানুষের গল্পটা এদেশে কয়েকশো বছর ধরে প্রচলিত। যদিও কয়েক বছর আমি এ-বনে থাকলেও তার দেখা পাইনি। জীবনের বড় দুর্যোগটা নেমে এল মাস দেড়েক আগে। একটা লেপার্ডের কবল থেকে একটা ওরাংওটাংকে বাঁচাতে গিয়ে লেপার্ডটার থাবার আঘাতে মৃত্যু ঘটল হান্নার। মানুষ হিসাবে একা হয়ে গেলাম আমি। আবার আমি চেপে ধরলাম ডাক্তার গুরুমূর্তিকে। কখনও তাঁকে ভয় দেখিয়ে, কখনও-বা তাঁকে কাতর অনুরোধ করে বললাম যে আমাকে সভ্য জগতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে সুস্থ করে তুলতে। পরশু রাতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল ওই গোডাউনে। ডাক্তার আমাকে বললেন যে গতরাতে আবার যেতে। তিনি আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। কিন্তু তার আগে আমাকে তোমাদের জন্য একটা বন্দোবস্ত করতে হবে। কারণ তোমরা নাকি আমাকে ধরতে বা মারতে এসেছ। সেদিন শেষরাতে আমি তোমাদের ঘরে উঁকি দিয়েছিলাম। আর ভোরের আলো ফোটার পর আড়াল থেকে ওরাংওটাংগুলোকে নিয়ে অনুসরণ করলাম। তোমাদের গর্তের ফাঁদে ফেলে আমি হেলিকপ্টারটা দেখে ওরাংওটাংদের নিয়ে চলে গেলাম ডাক্তারের কাছে, সেই গোডাউনে। তারপরের ব্যাপার সবই তোমরা দেখেছ। কীভাবে শয়তানটা মারতে চাইল আমাকে।’ কথা শেষ করল লোমশ মানুষ। সুদীপ্তর যেন মনে হল লোমশ মানুষের চোখের কোনটা চিকচিক করছে। মাথা নিচু করল সে। কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতা। হেরম্যান তারপর বললেন, ‘এমন একটা সন্দেহ আমারও হয়েছিল চিনা মেয়েটার কথা শুনে। সে বলেছিল তার দেখা লোমশ মানুষের পরনে একখণ্ড কাপড় ছিল। সভ্য মানুষ ছাড়া কেউ তো লজ্জা নিবারণের চেষ্টা করবে না।’

    লোমশ মানুষ বিষণ্ণভাবে বলল, ‘আমি একদিন সভ্য মানুষ ছিলাম এখন আর নেই। থাকতেও চাই না।’ এ-কথাগুলো বলে সে এগিয়ে গেল সেই যেখানে ওরাংওটাংটার মৃতদেহ পড়ে আছে সেখানে। সুদীপ্তরাও এগিয়ে গেল সেদিকে। দেহটাকে ঘিরে ছিল ওরাংওটাং-এর দল। সবাই তখন গাছ ছেড়ে জমায়েত হয়েছে সেখানে। পুরুষ-নারী-শিশু নানাবয়সি ওরাংওটাং। লোমশ মানুষ আর সুদীপ্তদের পথ করে দিল তারা দেহটার কাছে যাবার জন্য। দেহটার মাথার কাছে হাঁটু মুড়ে বসল লৈামশ মানুষ। তারপর পরম মমতায় মৃত প্রাণীটার মাথায় হাত বোলাতে লাগল। চারপাশে অদ্ভুত শব্দ করে কেঁদে চলেছে ওরাংওটাং-এর দল। সুদীপ্ত এবার স্পষ্ট দেখতে পেল জলের ধারা নামছে লোমশ মানুষের চোখ বেয়ে।

    হেরম্যান একসময় তার উদ্দেশে বললেন, ‘উঠে পড়। আমরা তোমাকে সঙ্গে নিয়ে শহরে যাব। তোমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। হয়তো তুমি ঠিক হয়ে যাবে। চল এবার।’

    লোমশ মানুষ উঠে দাঁড়াল ঠিকই। তারপর বলল, ‘না, আমি আর ফিরব না। যদি আমি ঠিক না হই? সারাজীবন মানুষের অনুকম্পা বিদ্রূপ নিয়ে জীবন কাটাতে হবে আমাকে। তাছাড়া আজ বুঝতে পারছি যে মানুষের চেয়ে ওই ওরাংওটাংরা ঢের ভালো। দেখছ, ওরা সঙ্গীর মৃত্যুতে কেমন কাঁদছে? কেমনভাবে আমার জীবন বাঁচাতে প্রাণ দিল এই প্রাণীটা? মানুষ ভালোবাসা জানে না। এরা জানে। বাকি জীবনটা এদের সঙ্গেই কাটাব আমি। তোমরা ফিরে যাও। আমি যাব না।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘তুমি একবার ভেবে দেখ ব্যাপারটা।’

    লোমশ মানুষ বেশ দৃঢ়স্বরে বলল, ‘বললাম তো আমি যাব না। তোমাদের মানুষদের থেকে এই ওরাংওটাংরা অনেক ভালো।’

    হেরম্যান এবার তাকে শেষ প্রশ্ন করলেন ‘তোমার নাম কী?’

    লোমশ মানুষ জবাব দিল, ‘নাম তো সভ্য পৃথিবীর মানুষদের প্রয়োজন। আমার আর কোনো নামের প্রয়োজন নেই। ধরে নাও আমার নাম ‘মালয়ের লোমশ মানুষ’। বিষণ্ণ হাসি ফুটে উঠল লোমশ মানুষের মুখে। ওরাংওটাং-এর দল এরপর তাদের দলপতির মৃতদেহটা তুলে নিয়ে এগোল জঙ্গলের গভীরে। লোমশ মানুষ সুদীপ্তদের উদ্দেশে বলল, ‘তোমরা সবাই ভালো থেকো। ঈশ্বর যেন কোনোদিন আমাকে নিয়ে যেমন পরিহাস করলেন তেমন না করেন তোমাদের সঙ্গে।’ এই বলে সে অনুসরণ করল শববাহী ওরাংওটাং-এর দলটাকে। স্থাণুর মতো নির্বাকভাবে দাঁড়িয়ে রইল সুদীপ্তরা। জঙ্গলের ভিতর অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে ওরাংওটাং-এর দলটা। তাদের পিছন-পিছন চোখের আড়ালে যাবার আগে পরনের কৌপিনের মতো বস্ত্রখণ্ডটা ছুড়ে ফেলল লোমশ মানুষ। যেন সভ্যতার সঙ্গে শেষ সম্পর্কটাও ছিন্ন করল সে ওই বস্ত্রখণ্ড খুলে ফেলে। তারপর মালয়ের রবার বনের গভীর থেকে আরও গভীরে সুদীপ্ত-হেরম্যানের, সারা পৃথিবীর চোখের আড়ালে হারিয়ে গেল হতভাগ্য অভিশপ্ত এক মানুষ। মালয়ের লোমশ মানুষ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }