Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ১১

    ১১

    জাহাজে উঠে নিজের কেবিনে চলে গেছিল ধ্রুব। বিকেল নাগাদ মার্লিন ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে বলল, ওপরের ডেকে সাজো সাজো রব। সেই অস্ত্রভর্তি বাক্সগুলো বিয়ার্ডের ঘরের বাইরে বার করা হয়েছে। ম্যাঙ্গকির অনুচরেরা সে সব অস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছে। ভয়ঙ্কর সব জিনিস। পিস্তল, অটোমেটিক রাইফেল, রকেট লঞ্চার আরও কত কী আর কোনো গোপনীয়তার ব্যাপার নেই বিয়ার্ড-ম্যাঙ্গকিদের। সব কাজই খোলাখুলি হচ্ছে। ভয়ঙ্কর একটা কাণ্ড হবে আজ রাতে। আরও একটা কথা আছে। সেই বাচ্চা ছেলেটাকে আজ কিছুক্ষণের জন্য নিচের সিন্দুক ঘর থেকে বার করে ওপরে তোমার রেডিও রুমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অনেকগুলো চোখের সামনেই রেডিও মারফত অ্যাডমিরাল উইলিয়ামসের সঙ্গে কথা বলানো হল বাচ্চাটার। তারপর বিয়ার্ডের নির্দেশে ফক্স অ্যাডমিরালের কাছে দশলক্ষ পাউন্ড মুক্তিপণ দাবি করল। একমাসের মধ্যে সেসেজের কোনো একটা দ্বীপে তাদের নির্দেশমতো টাকাটা তুলে দিতে হবে। ঠিক কী ভাবে, কখন, কোন্ জায়গাতে টাকাটা বিয়ার্ডরা নেবে সেটা পরে অ্যাডমিরালকে জানিয়ে দেওয়া হবে। বিয়ার্ডরা ঠিক করেছে এ দ্বীপের দখল নিয়ে গুপ্তধন উদ্ধারের পর তারা দ্বীপেই কিছুদিন থাকবে। ছেলেটাকে লুকিয়ে রাখার পক্ষে এসব আদর্শ জায়গা। মুক্তিপণ হাতে পেলে তারপর তারা পালাবে অন্যদিকে।’—একটানা অনেকগুলো কথা বলে মার্লিন থামল।

    ধ্রুব বলল, ‘আমরা কী করব এখন। যা দেখছি রক্তপাত ঘটবেই। ওদিকে শুনলে তো রাজা তার সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত রাখতে বলেছিলেন। সংঘর্ষ নিশ্চিত।’

    মার্লিন বলল, ‘বিয়ার্ডের নির্দেশ, সবাইকে দ্বীপে নামতে হবে আজ রাতে।’

    ‘তাহলে, আমরাও কি দ্বীপবাসীদের হত্যালীলায় শামিল হব নাকি। দ্বীপবাসীরা জলদস্যুর বংশধর হলেও তাদের সৎ বলেই মনে হয়েছে আমার।’

    মার্লিন বলল, আমার একবার মনে হয়েছিল, কচ্ছপের খোলটা বিয়ার্ডের হাতে তুলে দিলে হয়তো যুদ্ধ আটকানো যাবে। কিন্তু বিয়ার্ড সেটা হাতে পেলে আমার জীবন বিপন্ন হতে পারে। কচ্ছপের খোলটা আমার কাছে কেন—সে সন্দেহে ওরা আমাকে খুন করতে পারে। তাছাড়া বাচ্চাটার কথাও ভাবতে হবে। মুক্তিপণ পেলেও ওরা তাকে মেরে ফেলবে।

    ‘তাহলে?’

    মার্লিন বলল, ‘আমার মাথায় একটা প্ল্যান এসেছে। জাহাজ থেকে আমরা সবার সঙ্গে নামব ঠিকই, কিন্তু জঙ্গলের অন্ধকারে সরে পড়ব আমরা। তারপর জাহাজে ফিরে এসে বাচ্চা ছেলেটাকে মুক্ত করে সমুদ্রে নৌকা ভাসিয়ে দেব।’

    কিন্তু নৌকা ভাসিয়ে কোথায় যাবে? আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড তো এখান থেকে দেড় হাজার মাইল হবে।’

    মার্লিন বলল, ‘চেষ্টা করব দক্ষিণে মাদাগাস্কারের দিকে যাবার। অথবা ভাগ্য যেখানে নিয়ে যাবার সেদিকে যাব।’

    কিন্তু তোমার গুপ্তধনের ব্যাপারটা কী হবে?’

    মার্লিন শুনে হেসে বলল, ‘যা দেখছি, সেটা পাবার সম্ভাবনা আমার নেই। এখন কোনোরকমে নিজেদের প্রাণরক্ষার চেষ্টা করাটাই আসল কাজ।’

    ধ্রুব বলল, ‘আমারও তাই মনে হচ্ছে। এদের সঙ্গে থাকলে হয় এদের হাতে মরতে হবে। নইলে কোনো দেশের পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ফাঁসি যেতে হবে। এতকিছু জেনে যাবার পর বিয়ার্ড আর আমাদের ছাড়বে না।’

    অন্য পথ আর খোলা নেই। এ জাহাজ ত্যাগ করে সমুদ্রেই ভেসে যেতে হবে। তাতে যা হবার তাই হবে। কাজেই কিছুক্ষণের মধ্যে তারা এ পরিকল্পনাই ঠিক করে নিল। মার্লিন এরপর এগোল ডেকে যাবার জন্য। সেখানে না গেলে আসল খবর পাওয়া যাবে না।

    একটু পরই অবশ্য ধ্রুবর ওপরে ডেকে ক্যাপ্টেনের ঘরে ডাক এল। সে ঘরে বিয়ার্ড, ম্যাঙ্গকি, ফক্স সবাই উপস্থিত। বিয়ার্ড ধ্রুবর হাতে একটা রিভলভার তুলে দিয়ে বলল, ‘আজ রাতে দ্বীপে নামব আমরা। তখন এটা কাজে লাগবে। কাজ মিটলে ফেরত নেব।’

    ম্যাঙ্গকি দাঁত বার করে হেসে বলল, ‘দেশে তো একটা মানুষ খুন করেইছেন। আজ রাতে দেখি কটা করতে পারেন? একজনকে মাটিতে ফেললে তার জন্য আমি আপনাকে একশো পাউন্ড পুরস্কার দেব কথা দিচ্ছি। অবশ্য আমার সোমালি সঙ্গীরা যদি আপনার জন্য কাউকে অবশিষ্ট রাখে তবেই আপনার সুযোগ আসবে। মানুষ না মারলে টাকা রোজগার করা যায় না।’

    ম্যাঙ্গকির এ রসিকতায় ক্রুর হাসি ফুটে উঠল বিয়ার্ড আর ফক্সের মুখে। ধ্রুবর মনে হচ্ছিল তাদের দিকে গুলি চালিয়ে দিতে পারলেই ভালো হয়। কিন্তু সে মনের ভাব গোপন করে তাদের আস্থা অর্জনের জন্য ম্যাঙ্গকিকে বলল, ‘আপনি তা হলে আমার জন্য পাঁচশো পাউন্ড রেডি রাখুন।’ কথাগুলো বলে সে বেরিয়ে গেল।

    বিকেল হল একসময়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সন্ধ্যাও নামল। চারপাশ ঢেকে গেল অন্ধকারে। তারপর দ্বীপের মাথায় যখন চাঁদ উঁকি দিল তখন ঘণ্টি বাজিয়ে সবাইকে ডেকে উঠে আসার সংকেত দিল বিয়ার্ড। তৈরিই ছিল ধ্রুব। সে ডেকে উঠে এল। রেলিং-এর গায়ে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে সবাই। ম্যাঙ্গকির সঙ্গীদের গলায় ঝুলছে চওড়া কার্তুজের বেল্ট। হাতে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। কারও কাঁধে রকেট লঞ্চার। তাদের চোখগুলো হিংস্র পশুর মতো জ্বলছে। অন্যরাও নানা অস্ত্রে সজ্জিত। অন্তত একটা তরোয়াল আছেই। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ম্যাঙ্গকি আর ফক্সকে নিয়ে উপস্থিত। কিছুক্ষণ পর বিয়ার্ড সবাইকে লাইনে দাঁড়িয়ে যেতে বলল। লাইন হলে সবার নাম ধরে ডেকে গুনতি শুরু করল। ধ্রুবও ডাকে সাড়া দিল। কিন্তু মার্লিনের নাম ধরে তিনবার ডাকার পরও সাড়া মিলল না। সে ডেকে নেই। বিয়ার্ড বেশ রুষ্ট স্বরে ফক্সকে বলল, ‘দেখো গর্দভটা কোথায়? ওকে খুঁজে আনো।’

    মেট ফক্স তাকে খুঁজতে যাচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই মার্লিন পা-জামার দড়ি বাঁধতে বাঁধতে ওপরে উঠে এল। বিয়ার্ড তাকে ধমকে বলল, ‘এতক্ষণ নিচে কী করছিলে?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘আমার একটু ইয়ে পেয়েছিল।’

    তার কথা শুনে মৃদু একটা হাসির রোল উঠল লাইনে। যাই হোক সে লাইনে দাঁড়াবার পর আবার গোনা শুরু হল। সে কাজ শেষ হবার পর ক্যাপ্টেন বোটডেক থেকে নৌকো নামাবার নির্দেশ দিলেন। মার্লিনসহ নাবিকরা লেগে গেল সেই কাজে। ডেকে দাঁড়িয়ে ধ্রুব তাকাল সেই দ্বীপের দিকে। গোল থালার মতো বড় চাঁদ উঠেছে দ্বীপের আকাশে। তার আলো ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে জঙ্গলের মাথায়, বেলাভূমিতে। যেন একবুক রহস্য নিয়ে দাঁড়িয়ে সেই দ্বীপ! নৌকো নেমে গেল। বিয়ার্ডের নেতৃত্বে জাহাজ থেকে নেমে সবাই চড়ে বসল তাতে। ধ্রুব দেখল, দুজন লোক শুধু নামল না। মেট ফক্স আর মাস্তুল সারেঙ। সার বেঁধে দাঁড় টানতে টানতে সন্তর্পণে নৌকাগুলো এগোল চন্দ্রালোকিত বেলাভূমির দিকে।

    দ্বীপের মাটিতে পা রাখল সকলে। কেমন যেন ছমছমে ভাব সামনের জঙ্গলে। যেন অশুভ কিছুর প্রতীক্ষায় আছে এ দ্বীপ। বিয়ার্ড-ম্যাঙ্গকি প্রথমে ম্যাঙ্গকির অনুচরদের নিয়ে জঙ্গলে ঢুকল। তারপর তাদের অনুসরণ করল অন্যরা। শেষের দলে ধ্রুব আর মার্লিন। চাঁদের আলো প্রবেশ করছে না জঙ্গলে। কয়েকটা টর্চ জ্বালিয়ে নিয়েছে বিয়ার্ডরা। তবে আলোর মুখ মাটির দিকে। সেই আবছা আলোর রেশ অনুসরণ করে সামনে এগোচ্ছে ভূতের মতো অন্ধকারে ডুবে থাকা অন্যরা। জঙ্গলের মাঝামাঝি এসে মার্লিন ধ্রুবর হাতে চাপ দিল। ধ্রুব সঙ্গে সঙ্গে পাশের একটা গাছের গুড়ির আড়ালে দাঁড়িয়ে গেল। মার্লিন ও দাঁড়িয়ে গেল। এত অন্ধকারে তাদের কারও লক্ষ করার কোনো প্রশ্ন নেই। সমস্যা শুধু একটাই। মার্লিনের কাঁধের পাখিটা যদি ডেকে ওঠে। তবে শেষপর্যন্ত তেমন কিছু ঘটল না। বিয়ার্ডের টর্চের আলো আর লোকজনের পদশব্দ একসময় হারিয়ে গেল। ধ্রুবরা ফেরার পথ ধরল। যত দ্রুত সম্ভব এগোল তারা।

    জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ধ্রুবরা একসময় সমুদ্রের তীরে পৌঁছে গেল। তারপর উঠে বসল কিছুক্ষণ আগে রেখে যাওয়া নৌকোগুলোর একটাতে। জাহাজের দিকে তাকিয়ে ধ্রুব বলল, ‘কিন্তু ওখানে তো দুজন আছে। ডেকে উঠলেই তো ধরা পড়ে যাব।’ মার্লিন দাঁড় টানতে টানতে হেসে বলল, ‘সে ব্যবস্থা আমি করেছি। ডেকে উঠব না। নিচের তলার একটা পোর্টহোল আমি খুলে এসেছি। সে পথেই ভিতরে ডুকে ম্যাঙ্গকি যেভাবে বাচ্চাটাকে চুরি করেছিল সেভাবেই বাচ্চাটাকে বার করব। পোর্টহোলটা খুলতে গিয়েই তো লাইনে দাঁড়াতে দেরি হল। সবাই এখন আমার ইয়ে পাওয়ার কথা শুনে হাসছিল তখন মনে মনে আমিও খুব হাসছিলাম।

    উত্তেজনার মধ্যেও মার্লিনের কথায় ধ্রুব এবার হেসে ফেলল। সন্তর্পণে দাঁড় টেনে এগোল জাহাজের দিকে।

    জাহাজের কাছে পৌঁছে ডেকের রেলিং-এ কাউকে তারা দেখতে পেল না। জাহাজের গায়ে নির্দিষ্ট জায়গাতে নৌকা ভিড়িয়ে পোর্টহোল দিয়ে একে একে ভিতরে ঢুকল দুজন। নিচের তলাতেই সেই সিন্দুক ঘর। লোক দুজনের কেউ আশপাশে আছে নাকি দেখে নিয়ে তারা এগোল সে ঘরের দিকে। প্রথমে মার্লিন, পিছনে ধ্রুব। ঘরের কাছে পৌঁছে তারা দেখতে পেল দরজার পাল্লা বন্ধ থাকলেও সে ঘরে তালা দেওয়া নেই। হয়তো আজ ছেলেটাকে নিচে নামিয়ে আনার পর তালা দিতে ভুলে গেছে তারা। কাজটা তাহলে তাদের পক্ষে আরও সহজ। তালা ভাঙতে হল না। এই ভেবে মার্লিন দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে পড়ল। ঘরের ভিতর একটা মোম জ্বলছিল। সেই আলোতে ব্ল্যাক প্যারোটের বন্ধ সিন্দুকের ওপরে বসেছিল একজন। মার্লিন ঘরে ঢুকতেই সে লাফিয়ে উঠে মুখোমুখি দাঁড়াল। মেট ফক্স। পাহারা দিচ্ছে সিন্দুক।

    ফক্স মার্লিনকে দেখে বলল, ‘তুমি এখন এ ঘরে!’ তারপর বলল, ‘ও বুঝতে পেরেছি। এই বলে সে সঙ্গে সঙ্গে তলোয়ার খুলে ছুটে এল মার্লিনকে আঘাত করতে। ফক্সকে হঠাৎ দেখে মনে হয় সামান্য ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেছিল মার্লিন। সে তাকে প্রতিরোধ করার আগেই ফক্স সজোরে তলোয়ারের কোপ বসিয়ে দিল মার্লিনের মাথায়। তার টুপিটা সঙ্গে সঙ্গে দু টুকরো হয়ে মেঝেতে খসে পড়ল। মার্লিনও ছিটকে পড়ল মাটিতে। তার পাখিটাও ছিটকে পড়ল ঘরের কোণে। দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে থাকা ধ্রুবকে তখনো খেয়াল করেনি ফক্স। মার্লিন স্থির হয়ে পড়ে আছে। মাথায় ওরকম কোপ খেলে কেউ বাঁচে না। ফক্স আবার তলোয়ার হাতে এগোতে থাকল মার্লিনের দিকে। মোমের আলোতে আলো আঁধারি ঘরে ফক্সের মুখটা ঠিক পিশাচের মতো লাগছে। সে এবার ছিন্নভিন্ন করবে মার্লিনের শবদেহটা। কিন্তু, ওর পরমুহূর্তেই একটা অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল। স্প্রিং-এর মতো লাফিয়ে উঠে পিস্তল বার করে ফক্সকে লক্ষ্য করে মার্লিন গুলি চালিয়ে দিল। গুলির শব্দ আর ফক্সের ভয়ঙ্কর আর্তনাদে কেঁপে উঠল ঘর। সিন্দুকের ভিতর থেকে আতঙ্কে চিৎকার করে উঠল বাচ্চাটা। কাটা কলাগাছের মতো মাটিতে পড়ে গেল ফক্স। আর সে নড়ল না। মাৰ্লিন ধ্রুবকে বলল, ‘আমার মাথার এই শক্ত কচ্ছপের খোলটাই শেষপর্যন্ত আমাকে বাঁচিয়ে দিল। নইলে…।’ মার্লিনের কথা শেষ হবার আগেই তারা ওপর থেকে সিঁড়ি বেয়ে কার যেন নেমে আসার ধুপধাপ শব্দ শুনতে পেল। নিচে বন্দুক আর চিৎকারের শব্দ শুনে ছুটে আসছে ডেক সারেঙ। তারা দুজনে সঙ্গে সঙ্গে দরজার দুপাশে পাল্লার আড়ালে লুকিয়ে দাঁড়াল। এ লোকটাকে কাবু করতে অবশ্য বেশি বেগ পেতে হল না। সারেঙের হাতে পিস্তল থাকলেও সে ঘরে ঢুকতেই পিছন থেকে তরোয়ালের ভোঁতা দিক দিয়ে তার মাথায় বাড়ি মারল ধ্রুব। এক বাড়িতেই অজ্ঞান হয়ে গেল সারেঙ। ধ্রুব মার্লিনকে বলল, তুমি মেটকে মেরে ফেললে নাকি?’

    মার্লিন ফক্সকে পরীক্ষা করে বলল, ‘কাঁধে লেগেছে। শয়তানের জান ও মরবে না। অজ্ঞান হয়ে গেছে। মার্লিন এরপর তার পাখিটাকে তুলে নিয়ে এগোল সিন্দুকের দিকে।

    সিন্দুকের ডালা খুলতেই উঠে বসল একরত্তি সেই ছেলেটা। ফ্যাকাসে হয়ে গেছে তার মুখ। আতঙ্কে থরথর করে সে কাঁপছে। ধ্রুব আড়াআড়ি তাকে কোলে তুলে নিয়ে বলল, ‘তোমার নাম যে কিড়, তা আমি জানি। ভয় পেও না। তোমাকে আমরা তোমার বাবার কাছে পৌঁছে দেব।’ কিডের আতঙ্ক কিন্তু কাটল না। কোনো কথা না বলে সে ধ্রুবর কোলে কাঁপতে লাগল। ফক্স আর সারেঙের দেহ দুটোকে টেনে এনে এরপর সিন্দুকের মধ্যে ভরে তার ডালা বন্ধ করে দিল মার্লিন। তারপর সে ঘর থেকে বেরিয়ে আসবার পর মার্লিন ধ্রুবকে বলল, ‘তুমি এখানে একটু দাঁড়াও। আমি ওপর থেকে এখনই আসছি।’

    মিনিট তিনেকের মধ্যেই ফিরে এল মার্লিন। তার সঙ্গে বাক্সর মতো ওয়ারলেস রেডিও সেটটা। মার্লিন বলল, ‘এটা কাজে আসতে পারে বলে নিয়ে এলাম।’ তাছাড়া একটা ছোট বস্তা দেখিয়ে সে বলল, ‘এর মধ্যে কয়েক বোতল জল, দেশলাই, এসব আছে।’ এরপর যে পথে তারা জাহাজে ঢুকেছিল সে পথেই জাহাজ থেকে বেরিয়ে এসে নৌকোতে উঠে বসল তারা। মার্লিন দাঁড় টানতে শুরু করল।

    কিন্তু বিপদ তখনও তাদের পিছু ছাড়েনি। তারা জাহাজ থেকে সামান্য এগিয়েছে মাত্র। হঠাৎ তারা দেখতে পেল পাড়ের দিক থেকে কয়েকজন লোকসমেত একটা নৌকো তিরবেগে ধেয়ে আসছে। আর এরপরই সেই নৌকো থেকে টর্চের আলো এসে ছুঁয়ে গেল ধ্রুবদের নৌকো। সম্ভবত শেষপর্যন্ত ধ্রুবদের অনুপস্থিতি টের পেয়ে বিয়ার্ড তাদের পিছু ধাওয়া করতে পাঠিয়েছে লোকগুলোকে। জোরে জোরে দাঁড় টেনে জাহাজের কাছাকাছি প্রায় পৌঁছে গেছে তাদের নৌকোটা। হঠাৎ সেই নৌকো থেকে র‍্যাট্ র‍্যাট্ একটা শব্দ ভেসে এল। মার্লিন সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘শুয়ে পড়ো! শুয়ে পড়ো।’

    কিডকে বুকে জড়িয়ে শুয়ে পড়ল ধ্রুব। পরমুহূর্তেই তাদের মাথার ওপর দিয়ে সাঁ সাঁ শব্দে বাতাস কেটে বেরিয়ে গেল গুলির ঝাঁক। সাব মেশিনগান চালাচ্ছে ম্যাঙ্গকির অনুচরেরা। একটা গুলি এসে লাগল দাঁড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সেটা মট করে ভেঙে গেল। আর মনে হয় রক্ষা নেই। কিন্তু শেষপর্যন্ত ভাগ্য সাথ দিল ধ্রুবদের। জাহাজের পাশ কাটিয়ে ধ্রুবদের তাড়া করতে গিয়ে অন্ধকারে দেখতে না পেয়ে জাহাজের মোটা কাঠিতে ধাক্কা খেল সেই নৌকোটা। তারপর যাত্রীসমেত উল্টে গেল। তাদের চিৎকার কানে এল ধ্রুবদের। গুলি বন্ধ হয়ে গেল। তবুও বেশ কিছুক্ষণ তারা নৌকোতে শুয়ে রইল। ক্রমশ ঢেউয়ের দোলায় দূরে সরে যেতে লাগল ধ্রুবদের নৌকো।

    ধ্রুবরা যখন উঠে বসল তখন জাহাজ থেকে সমুদ্রের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গেছে তারা। অস্পষ্ট হয়ে গেছে। ধ্রুব উঠে বসে বলল, দাঁড়টা তো গেল। এবার কী হবে?

    মার্লিন কিছু জবাব দেবার আগেই হঠাৎ প্রচণ্ড জোরে দুলে উঠল নৌকো। তারপর একবার পাক খেয়ে জোরে ছুটতে শুরু করল। ধ্রুব আর একটু হলেই পড়ে যাচ্ছিল নৌকো থেকে। কোনোমতে সে সামলে নিল নিজেকে। মার্লিন চিৎকার করে বলে উঠল, শক্ত করে ধরে থাকো। সম্ভবত আমরা কোনো উপকূলীয় চোরাস্রোতের কবলে পড়েছি। আর কিছু করার নেই। এ স্রোত যেখান দিয়ে যাবে সেখানেই যেতে হবে আমাদের।

    চন্দ্রালোকিত সমুদ্রে, সমুদ্রস্রোত উল্কার গতিতে অজানা দিকে ধ্রুবদের ভাসিয়ে নিয়ে চলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }