Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মালয় বনের আতঙ্ক – ৬

    ৬

    বেলা একটা নাগাদ তারা থামল। গাছের ডালপালা ছাঁটতে ছাঁটতে, ঝোপঝাড় ভাঙতে ভাঙতে ক্লান্ত লাগছে শরীর। ক্ষিদেও পেয়েছে। এবার বিশ্রামের, ক্ষুন্নিবৃত্তির প্রয়োজন। এ-জায়গাটা একটু ফাঁকা ফাঁকা। ঘনসন্নিবিষ্ট রবার গাছের পরিবর্তে কিছুটা তফাতে তফাতে মোটা মোটা শুঁড়িওয়ালা বড় বড় গাছ দাঁড়িয়ে আছে। সে-জায়গাটা পছন্দ হওয়ায় একটা মোটা গাছের গুঁড়ির গায়ে হেলান দিয়ে বসল তিনজন। ফিলিপ তার বন্দুকটা পাশে নামিয়ে রাখলেন। ব্যাগ থেকে শুকনো খাবার বের করে খাওয়া শুরু হল। ফিলিপের অবস্থা বেশ কাহিল মনে হচ্ছে। ঘামে সারা শরীর ভিজে উঠেছে। আসলে এ-ভাবে পথ চলার অভ্যেস তার নেই। হেরম্যান তার অবস্থা অনুমান করে বললেন, ‘খাওয়া সেরে এক ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে আবার পথ চলা শুরু হবে।’ সেইমতো খাওয়া সেরে গাছের গুঁড়ির গায়ে হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে বসল সকলে। গাছটার মাথা ঘন পাতায় ছাওয়া বলে গাছের নিচটা বেশ ঠান্ডা আর আরামদায়ক।

    আধঘণ্টা মতো সময় কেটেছে। গাছের নিচটা বেশ আরামদায়ক বলে আর পথশ্রমের ক্লান্তিতে মৃদু তন্দ্রাভাব নেমে এসেছিল সবার চোখে। হঠাৎ একটা অস্পষ্ট শব্দ শুনে সুদীপ্ত একটা অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেল। কোথা থেকে যেন তাদের কাছাকাছি হাজির হয়েছে একটা ওরাংওটাং! সুদীপ্ত কিছু বোঝার আগেই সে আরও কাছে এগিয়ে এসে ফিলিপের পাশে রাখা বন্দুকটা তুলে নিল। তারপর লাফ দিয়ে এগোল সামনের অন্য একটা গাছের দিকে। সুদীপ্ত সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে উঠল, ‘ওরাংওটাং! ওরাংওটাং। বন্দুক নিয়ে পালাচ্ছে!’ চিৎকার করেই লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল সে। মুহূর্তের মধ্যে স্প্রিং-এর মতো উঠে দাঁড়ালেন হেরম্যান আর ফিলিপও। ওরাংওটাংটা তখন বন্দুকটা নিয়ে গাছের গুঁড়ি বেয়ে উঠতে শুরু করেছে। সুদীপ্তরা তিনজন সঙ্গে সঙ্গে ছুটল গাছটার দিকে। আর সঙ্গে সঙ্গে প্রবলভাবে আন্দোলিত হতে লাগল আশেপাশের গাছগুলো। কখন যেন সেখানে হাজির হয়েছে ওরাংওটাং-এর বেশ বড় একটা দল! অথবা তারা সেখানে গাছগুলোর মাথায় আগে থেকেই লুকিয়ে ছিল। ওরাংওটাংটা তরতর করে গাছের মাথায় একটা বড় গাছের ডালে চড়ে বসল। মানুষ যেভাবে বন্দুক ঝোলায় অনেকটা ঠিক সেভাবেই বন্দুকটা কাঁধে ঝুলিয়েছে প্রাণীটা। গাছের মাথা থেকে সে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে লাগল সুদীপ্তদের উদ্দেশে, আর অন্য ওরাংওটাংগুলোও গাছের ডাল ধরে ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে নানা কসরত দেখাতে লাগল। যে পুরুষ ওরাংওটাংটা বন্দুক নিয়েছে সে আকারে বেশ বড় অন্য প্রাণীগুলোর থেকে। সম্ভবত সেই পালের গোদা বা দলপতি হবে। পালের গোদাটা এরপর সে-গাছ থেকে অন্য একটা গাছে লাফ দিল। আর তার সঙ্গে একে একে তার সঙ্গীরাও। বন্দুকটা হাতছাড়া করা যাবে না, কাজেই সুদীপ্তরা দৌড়াল সে গাছের দিকে। বন্দুকটা উলটো করে কাঁধে ঝুলিয়েছে প্রাণীটা। অর্থাৎ নলটা নিচের দিকে। কোনোভাবে গুলি ছুটে গেলেই সর্বনাশ। সুদীপ্তদের দিকে ছুটে আসতে পারে গুলি।

    সুদীপ্তরা সে-গাছটার কাছে পৌঁছতেই বন্দুক সমেত প্রাণীগুলো ঝাঁপ দিল অন্য গাছে। আর এরপর যেন মানুষগুলোকে নিয়ে খেলা শুরু করল ওরাংওটাং-এর দল। একটার পর একটা গাছ পেরিয়ে সুদীপ্তদের ছুটিয়ে নিয়ে যেতে থাকল তারা। যতক্ষণ না সুদীপ্তরা তাদের গাছের কাছে পৌঁছচ্ছে ততক্ষণ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। গাছের ডালে বসে মুখ ভ্যাঙাচ্ছে, হাত-পা নেড়ে, দোল খেয়ে অদ্ভুত শব্দ করে যেন ডাকছে সুদীপ্তদের। আর কাছাকাছি গেলেই হয় একটা গাছ থেকে আর একটা গাছে লাফ দিয়ে অথবা দুটো গাছের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে গাছ থেকে নেমে লাফিয়ে দ্রুত জমি পেরিয়ে উঠে যাচ্ছে অন্য গাছে। বেশ অনেকটা পথ এভাবে তাদের অনুসরণ করতে করতে এক সময় সুদীপ্তরা হাঁপিয়ে উঠল। কথায় বলে বাঁদরের বাঁদরামি। বাঁদর-শিম্পাঞ্জি-ওরাংওটাং তো সব একই গোত্রের প্রাণী। কিন্তু কিছু করার নেই। সুদীপ্তরাও ছুটে চলল তাদের সঙ্গে।

    একসময় সত্যিই বেশ হতোদ্যম হয়ে পড়ল তারা তিনজন। তখন তারা এসে উপস্থিত হয়েছে জঙ্গলের ঠিক মাঝখানে একখণ্ড ফাঁকা জমির মুখে, আর ওরাংওটাং-এর দল জমির একপাশ দিয়ে জায়গাটা অতিক্রম করে চড়ে বসেছে একটা বিরাট নেড়া গাছের মাথায়। সেই গাছটার ওপাশ থেকে আবার শুরু হয়েছে ঘন রবার বন। ফাঁকা জায়গাটার প্রবেশমুখে . দাঁড়িয়ে ফিলিপ বললেন, ‘দাঁড়ান একটু জিরিয়ে নিই। আমরা যতক্ষণ কাছে না যাব ততক্ষণ ওরা নড়বে না।’

    ফিলিপের কথা শুনে সুদীপ্ত আর হেরম্যানও থমকে দাঁড়িয়ে গেল। জমির ওপাশের বিশাল গাছটা নেড়া বলে পুরো দলটাকেই এবার দেখতে পাচ্ছে সুদীপ্তরা। নারী-পুরুষ মিলিয়ে জনা তিরিশ প্রাণী আছে দলটাতে। স্ত্রী ওরাংওটাংদের কয়েকটার কোলে ছোট বাচ্চাও আছে। পালের গোদা ওরাংওটাংটা এবার বন্দুকটা লাঠির মতো ধরে নাচাতে শুরু করেছে, আর অন্য প্রাণীগুলো চিৎকার চেঁচামেচি আর নানা ভঙ্গি করে সুদীপ্তদের যেন কাছে ডাকছে।

    সুদীপ্তরা একই জায়গায় দঁড়িয়ে রইল আর প্রাণীগুলোও একইভাবে গাছের ডালে তাদের কাজ করে চলল, হেরম্যান সেদিকে তাকিয়ে এক সময় বললেন, ‘প্রাণীগুলো আমাদের নিয়ে খেলা করছে। আমরা কাছে গেলেই ওরা আবার দূরে চলে যাবে। বন্দুকটা নেবার জন্য অন্য কোনো ভাবনা ভাবতে হবে।’

    ফিলিপ বললেন, ‘আমাদের খাবারগুলো ওদের দিয়ে একবার দেখা যেতে পারে যে বন্দুকটা ওরা ফেলে দেয় কিনা? বেশ কিছু ফলও তো খাবারের ব্যাগে আছে।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘এ পরিকল্পনাটা একেবারে মন্দ ছিল না, কিন্তু খাবারের ব্যাগ, মালপত্র সব আমরা সেই গাছের নিচে ফেলে এসেছি।’

    ফিলিপ হতাশভাবে বললেন, ‘তাহলে কী করা যায়? এভাবে আর কতক্ষণ ওদের পিছনে ধাওয়া করা যাবে?’ ফাঁকা জমিটার এ-পাশে দাঁড়িয়ে ও-পাশের গাছটার মাথায় লম্ফঝম্ফ করা ওরাংওটাংগুলোর দিকে তাকিয়ে তাদের বন্দুকটা হতাশ চোখে দেখতে থাকল সুদীপ্তরা।

    কিন্তু এরপর হঠাৎ পালের গোদা ওরাংওটাংটা নামতে শুরু করল গাছের গুঁড়ি বেয়ে। কিছুটা নিচে নেমে সে ওপর থেকেই বন্দুকটা ছুড়ে ফেলল কিছুটা তফাতে জমির উপর। ভাগ্য ভালো যে মাটিতে পড়ে গুলি ছিটকাল না তার থেকে। বন্দুকটা ফাঁকা জমির যেখানে পড়ল সে জায়গাটা শুকনো ডালপালা আর পাতায় ছাওয়া। হয়তো বা নেড়া গাছ থেকে খসে পড়া ডালপাতা হবে। সে জন্যই মাটিতে পড়লেও তেমন আঘাত লাগল না বন্দুকটার। নইলে গুলি ছিটকাত। বন্দুক নিচে ফেলেই আবার গাছ বেয়ে ওপরে উঠে গেল প্রাণীটা। পালের গোদাসহ অন্য ওরাংওটাংগুলো এরপর চিৎকার- লাফালাফি থামিয়ে গাছের মাথা থেকে তাকিয়ে দেখতে লাগল সুদীপ্তদের।

    ব্যাপারটা দেখে একটু অবাক হল সবাই। হেরম্যান বললেন, ‘আমরা কাছে যাচ্ছি না দেখে ওরা এবার হয়তো অন্য একটা খেলা খেলার চেষ্টা করছে। খুব বুদ্ধিমান প্রাণী ওরা। আমরা বন্দুকটা নেবার জন্য কাছে গেলেই ওরা হয়তো দ্রুত নেমে বন্দুকটা তুলে আবার গাছের মাথায় উঠে যাবে।’

    ফিলিপ বললেন, ‘তবে কী করা যায়?’

    হেরম্যান বললেন, ‘চেষ্টা একটা করতেই হবে। ওপাশে ঘন জঙ্গল শুরু হয়েছে। ওরা যদি বন্দুকটা নিয়ে তার গভীরে ঢুকে যায় তবে আর তাদের পিছু ধাওয়া করা যাবে না। দেখি হঠাৎ একসঙ্গে চিৎকার করে যদি ওদের একটু ঘাবড়ে দেওয়া যায়। আমি তিন গুনব। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই একসঙ্গে চিৎকার করতে করতে ছুটব বন্দুকটা কুড়িয়ে নেবার জন্য।’

    হেরম্যানের কথা মতো সুদীপ্তরা প্রস্তুত হল। ওরাংওটাং-এর দল নিশ্চুপভাবে লক্ষ করছে তাদের। হেরম্যান গুনতে শুরু করলেন, ‘এক… দুই… তিন…’

    হেরম্যান তিন গোনার সঙ্গে সঙ্গেই বীভৎস চিৎকার করতে করতে জ্যা-মুক্ত তিরের মতো তিনজন ছুটল ফাঁকা জমির ভিতর গাছের কাছে শুকনো ডালপালার ওপর পড়ে থাকা বন্দুকটার দিকে। আর তাদের সেই সম্মিলিত চিৎকারে ওরাংওটাংগুলো নিচে না নেমে উঠতে লাগল গাছের আরও ওপর দিকে। চিৎকার করতে করতে প্রায় একইসঙ্গে তারা পৌঁছে গেল জায়গাটাতে। সুদীপ্ত নিচু হয়ে বন্দুকটা কুড়িয়ে নিতে যাচ্ছিল, কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে সুদীপ্তদের সবার পায়ের নিচ থেকে হঠাৎই মাটি সরে যেতে লাগল। মড়মড় শব্দে সুদীপ্ত- হেরম্যান-ফিলিপ বন্দুকসমেত তলিয়ে গেল মাটির গভীরে।

    ব্যাপারটা বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগল তাদের। তারপর ধীরে ধীরে একে একে উঠে দাঁড়াল। অন্তত পনেরো ফুট গভীর একটা কুয়ো বা গহ্বরের মতো জায়গাতে পড়ে গেছে তারা। নিচে কাদামাটি থাকায় আর শুকনো ডাল-পাতাসমেত পড়ায় ভাগ্যক্রমে তাদের তেমন আঘাত লাগেনি। সুদীপ্তরা উঠে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল জায়গাটা। এটা একটা প্রাকৃতিক গর্ত। সম্ভবত বর্ষার সময় জল জমা হয় এখানে। কূপের বৃত্তাকার দেওয়ালগুলোও ভেজা ভেজা কাদাকাদা। তার মাথার ব্যাস আট-দশ ফুট হবে। ওপরটা শুকনো ডালপালা ছাওয়া হওয়ায় গর্তটার উপস্থিতি বুঝতে পারেনি সুদীপ্তরা। হেরম্যান তার দেওয়ালগুলি পরখ করে দেখলেন। দেওয়ালের গায়ে আঙুল বসালেই হয় হাত পিছলে যাচ্ছে অথবা কাদামাটি খসে পড়ছে। দেওয়াল বেয়ে ওপরে ওঠা অসম্ভব।

    সুদীপ্ত বলল, ‘ব্যাপারটা কি কাকতালীয়? নাকি ওরা ইচ্ছা করেই এ-কাণ্ড করল? আমাদের ফাঁদে ফেলল? ওরাংওটাং-এর কি এত বুদ্ধি হয়?’

    হেরম্যান বললেন, ‘আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। কিন্তু যেভাবেই হোক আমাদের ওপরে উঠতে হবে। এখানে তো কেউ উদ্ধার করতে আসবে না আমাদের।’

    ওরাংওটাংগুলো কিন্তু চলে যায়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাথার ওপর গহ্বরের মুখে এসে উপস্থিত হল পালের গোদা ওরাংওটাংটা। তারপর একে একে উপস্থিত হল দলের অন্য সদস্যরা। কূপের বৃত্তাকার মুখটা ঘিরে দাঁড়িয়ে তারা গর্তর মধ্যে ঝুঁকে দেখতে লাগল সুদীপ্তদের। তারপর এক সময় সকলে মিলে যেন উদ্ভট স্বরে হাসতে লাগল মানুষ তিনটের দুরবস্থা দেখে।

    ফিলিপের মাথায় তাই দেখে হঠাৎ রক্ত চড়ে গেল। তিনি গর্তে পড়ে থাকা বন্দুকটা কুড়িয়ে নিলেন। তারপর সুদীপ্তরা তাকে বাধা দেবার আগেই ওপর দিকে বন্দুকের নল ত্যাগ করে সেই পালের গোদা ওরাংওটাংটাকে লক্ষ্য করে ট্রিগার টেনে দিলেন।

    কিন্তু আশ্চর্য! ট্রিগার টানার ‘খট্’ শব্দ হল মাত্র। গুলি বেরোল না বন্দুক থেকে! ওরাংওটাংগুলো বন্দুকটা নিয়ে নাচানাচি করায় কলকব্জা বিগড়ে গেল নাকি? ফিলিপ সঙ্গে সঙ্গে খুলে ফেললেন বন্দুকের ব্যারেলে যেখানে গুলি ভরা হয় সে জায়গাটা। তারপর বিস্মিতভাবে বললেন, ‘আরে! বন্দুকে যে কার্তুজই নেই! আর একটা উদ্ধারের জন্য আমরা এত বিপদে পড়লাম!’

    হেরম্যান বললেন, ‘বন্দুকটা নেবার সময় আপনি পরীক্ষা করে দেখেননি যে ওর মধ্যে টোটা ভরা আছে কিনা?’

    ফিলিপ জবাব দিলেন, ‘না পরীক্ষা করিনি, গুরুমূর্তি বন্দুকটা আমার হাতে দিলেন, আমি নিয়ে নিলাম। সম্ভবত গুরুমূর্তি নিজেও খেয়াল করেননি ব্যাপারটা।’ কথাগুলো বলে তিনি দাঁত বের করে হাসতে লাগল সুদীপ্তদের দুরবস্থা দেখে। সুদীপ্ত আর হেরম্যান আগেও বিভিন্ন আশাহতভাবে বন্দুকটা ছুড়ে ফেললেন একপাশে। ওরাংওটাং-এর দল এবার যেন আরও অভিযানে এ-ধরনের নানা বিপদের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। তাই তারা কিছুটা উত্তেজিত হলেও তাদের স্নায়ু ফিলিপের থেকে কিছুটা শান্ত। কিন্তু ফিলিপের এসব অভিজ্ঞতা নেই, গলি ছোঁড়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর গহ্বর থেকে মুক্তিলাভের আশায় তিনি বারকয়েক কাদামাখা দেওয়াল বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করলেন। কিন্তু একফুটও ওপরে উঠতে পারলেন না তিনি। প্রতিবারই হড়কে যেতে লাগলেন। তারপর হতোদ্যম হয়ে মাটিতে বসে পড়লেন। এভাবে কর্দমাক্ত মাটি বেয়ে ওপরে ওঠা অসম্ভব ব্যাপার। সুদীপ্ত আর হেরম্যানও এক সময় গহ্বরের মধ্যে বসে পড়লেন। হেরম্যান আক্ষেপ করে বললেন, ‘আমার ব্যাগের মধ্যে স্টিলের কে আর দড়ি ছিল। সেগুলো যদি সঙ্গে থাকত তবে তার সাহায্যে ওপরে ওঠার একটা চেষ্টা করা যেত।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘হ্যাঁ, খুব ভুল হয়ে গেল আমাদের। ওরাংওটাংগুলোর পিছু ধাওয়া করার সময় ব্যাগগুলো ফেলে আসা উচিত হয়নি। শেষে না এই কুয়োর ভিতরেই আমাদের পচে মরতে হয়। সঙ্গে তো জলের বোতল পর্যন্ত নেই!’

    সময় এগিয়ে চলল। নিচে বসে রইল সুদীপ্তরা আর ওরাংওটাংগুলো বসল ওপরে গহ্বরের মুখটা ঘিরে। নিজেদের মধ্যে তারা কিচকিচ করে কথা বলতে লাগল, আর মাঝে মাঝে নিচের দিকে তাকিয়ে ফাঁদে আটকে পড়া মানুষদের দেখতে লাগল। নিচ থেকে মাথার ওপরের ফাক দিয়ে আকাশ দেখা যাচ্ছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে চলেছে। সূর্যদেব পশ্চিমে এগোতে শুরু করলেন। কিন্তু ওরাংওটাংগুলো একইভাবে বসে রইল গর্তর মুখটাতে। যেন তারা পাহারা দিতে লাগল নিচে পড়ে থাকা সুদীপ্তদের।

    বিকাল হল একসময়। ফিলিপ, হেরম্যানকে বললেন, ‘এখান থেকে মুক্তি পাবার অন্য কোনো উপায় মাথায় এল? কাদামাটির দেওয়াল বেয়ে যে ওপরে ওঠা যাবে না তা তো বুঝতেই পারলাম।’

    হেরম্যান বললেন, ‘হ্যাঁ দেওয়াল বেয়ে ওপরে ওঠা যাবে না। আর একজনের কাঁধে একজন উঠেও কূপের মুখে পৌঁছনো যাবে না। তবে অন্য একটা চেষ্টা করা যেতে পারে। যদিও সেটা ভাগ্যের ওপরই নির্ভরশীল। আমাদের জামাগুলো ছিঁড়ে পাকিয়ে দড়ি বানিয়ে বন্দুকের সঙ্গে বাঁধব। তারপর একজনের পিঠে একজন উঠে দড়ি সমেত সেটা ছুড়ে দেব মাথার ওপরে গহ্বরের বাইরে। দৈবাৎ যদি বন্দুকটা ওপরে কোনো কিছুর সঙ্গে আটকে যায় তবে হয়তো দড়ি ধরে ঝুলে একজন প্রথমে ওপরে উঠতে পারবে। তারপর সে মুক্ত করার চেষ্টা করতে পারবে বাকিদের। কিন্তু তার আগে ওরাংওটাংগুলোর সরে যাওয়া প্রয়োজন। দেখা যাক, সূর্যাস্তের সময় তারা ফিরে যায় কিনা!’

    ওরাংওটাংগুলোর চলে যাবার প্রতীক্ষা করতে লাগল সুদীপ্তরা। সূর্য ক্রমশ চলছে ঢলছে… শেষ বিকেলে হঠাৎই ওরাংওটাংগুলোর মধ্যে কেমন যেন চাঞ্চল্য লক্ষ করল তারা। গহ্বরের মুখে বসে থাকা প্রাণীগুলো যেন নিচে সুদীপ্তদের দিকে না তাকিয়ে উত্তেজিতভাবে আকাশের দিকে তাকাতে লাগল। আর এর পরই সুদীপ্ত হেরম্যানের কানে এল একটা শব্দ! তারা দেখতে পেল মাথার ওপর দিয়ে উড়ে চলেছে একটা হেলিকপ্টার! বেশ নিচ দিয়েই সেটা উড়ে চলেছে যেদিক থেকে তারা এসেছে সেদিকে। সঙ্গে সঙ্গে তারা গহ্বরের মধ্যে উঠে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে হাত নাড়তে শুরু করল আকাশের দিকে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হল না। হয়তো বা চালকের পক্ষে আকাশ থেকে গহ্বরের মধ্যে থাকা সুদীপ্তদের দেখা সম্ভবও ছিল না। কপ্টারটা সুদীপ্তদের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল তার নির্দিষ্ট যাত্রাপথে। এরপর ধীরে-ধীরে শান্ত হল ওরাংওটাং এর দল।

    কপ্টারটা অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পর হেরম্যান, ফিলিপকে প্রশ্ন করলেন, ‘এটা কি আপনাদের রবার কোম্পানির কপ্টার?’

    ফিলিপ হতাশভাবে বললেন, ‘না, আমাদের কয়েকটা ছোট এরোপ্লেন আছে। যেটা আমাদের নামিয়ে দিয়ে চলে গেল তেমন। এই কপ্টারটা হয়তো অন্য কোথাও যাচ্ছে।’

    কপ্টারটা চলে যাবার পর যেন সূর্য অতি দ্রুত চলতে লাগল। হঠাৎ সুদীপ্তদের কানে গর্তর ওপর থেকে যেন একটা অদ্ভুত শব্দ ভেসে এল। মানুষের কণ্ঠস্বর? আর তারপরই যেন ওরাংওটাং-এর দল ধীরে-ধীরে চলে গেল সেই কুয়ো বা গহ্বরের মাথাটা ছেড়ে। তাই দেখে সুদীপ্তরা তিনজন নিজেদের জামা খুলে ছিঁড়ে দড়ি বানাতে শুরু করল গহ্বর থেকে মুক্তি পাবার শেষ চেষ্টা করার জন্য। সূর্য ডুবে গিয়ে অন্ধকার নামতে শুরু করল বাইরের পৃথিবীতে আর আরও দ্রুত সেই গহ্বরের মধ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }