Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈগলের পালকে রক্তের দাগ – ১

    ১

    সে অঞ্চলে একটা ছোট এয়ারপোর্ট আছে। কিন্তু চার্টার্ড প্লেন ছাড়া অন্য কোনো প্লেন নামে না। অগত্যা গাড়িতেই বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস থেকে কাকভোরেই যাত্রা শুরু করেছিল প্রফেসর জুয়ান আর দীপাঞ্জন। সঙ্গী আরও সাতজন লোক। এঁরা সবাই জুয়ানের মতো অধ্যাপক-ইতিহাস গবেষক অথবা মানবাধিকার আন্দোলনের সাথে যুক্ত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা এঁরা—ইউক্রেন থেকে আসা ডক্টর তুর্গিনেভ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের টোগো, হাঙ্গেরির সাংবাদিক পাউল, আমেরিকার কারস্টেন, সুদানের আল মামুন, ফরাসি সাঁপলিও, আর এ দেশের অর্থাৎ বেলজিয়ামের মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা প্রফেসর মার্টিন। যার আমন্ত্রণে গতকালের মানবাধিকার বিষয়ক এক সেমিনারে যোগ দিতে এদেশে এসেছিলেন প্রফেসর জুয়ান আর তার সঙ্গী হিসাবে দীপাঞ্জন। গত পরশু এ দেশে এসে পৌঁছেছেন সবাই। গতকাল সারা দিন ধরে কনফারেন্স চলেছে। আর এদিন ভোরবেলাতেই প্রফেসর মার্টিনের নেতৃত্বে একটা রিজার্ভ বাসে চেপে নির্দিষ্ট একটা জায়গা দেখতে বেরিয়ে পড়েছে সবাই। মার্টিন অবশ্য তার অতিথিদের কাউকেই বলেননি যে তাদের গন্তব্য কোথায়। তিনি শুধু বলেছেন, ‘বেলজিয়ামে বাইরের দেশের মানুষ যাঁরা আসেন তাঁরা সবাই দেখেন ব্রাসলেস-এর হীরের বাজার, চোখধাঁধানো শহর। কিন্তু আমি আপনাদের যেখানে নিয়ে যাচ্ছি সে জায়গা-ইতিহাস-গবেষক বা মানবাধিকার কর্মীদের দেখা প্রয়োজন। আজকের পৃথিবীর অনেকেই সে ব্যাপারটা সম্বন্ধে জানে না, অথবা জানলেও ভুলে গেছে ও ব্যাপারে। অথচ আমরা যে জায়গাতে যাব, সে জায়গা ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’ তাঁর এই বক্তব্য আগ্রহ সঞ্চার ঘটিয়েছে সকলের মনেই। মার্টিনের নেতৃত্বে হোটেল ছেড়ে বাসে সওয়ার হয়েছিল সকলে। ঘণ্টা পাঁচেক বাস যাত্রার পর যখন তারা গন্তব্যে পৌঁছল তখন কুয়াশা কেটে গেছে। তারা এসে উপস্থিত হয়েছে শহর থেকে বেশ অনেকটা দূরে বেলজিয়ামের পর্বতমালার পাদদেশের এক অঞ্চলে।

    একে-একে বাস থেকে নামল সবাই। পাথরের ব্লক বসানো রাস্তা কিছুটা এগিয়ে শেষ হয়েছে কাঠের প্রাচীর আর তার মাথায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো একটা বিশাল জায়গার লোহার ফটকের সামনে। বেশ নির্জন জায়গা। আশপাশে কোনো বাড়ি ঘর নেই। বাস থেকে নামার কিছুক্ষণ আগেই মার্টিন জানিয়েছে এ-জায়গা হল শেল্ট নদীর উপত্যকার ফ্লান্ডার সমতল ভূমি। লোকবসতি খুব একটা ঘন নয় এ অঞ্চলে। বনভূমি ও তৃণভূমি ঘেরা অঞ্চল। যা এ অঞ্চলে প্রবেশ করার পর তাদের যাত্রাপথে প্রত্যক্ষ করেছে দীপাঞ্জনরা। বাস থেকে নেমে অতিথিদের দলটাকে নিয়ে পাথুরে রাস্তা দিয়ে এগিয়ে প্রবেশ তোরণের সামনে এসে দাঁড়ালেন মার্টিন। জায়গাটা যে বেশ প্রাচীন তাতে সন্দেহ নেই। বন্ধ প্রবেশ তোরণের দুপাশে পাথুরে স্তম্ভের মাথায় বসানো কাঠের ফলকের গায়ের লেখাগুলো বিবর্ণ হয়ে গেছে, ছোট হরফে লেখাগুলো প্রায় মুছে গেছে। তবু তারই মাঝে যে লেখাটা পাঠ করা যাচ্ছে বড়বড় হরফের জন্য তা হল—‘হিউম্যান জ্যু’।

    লোহার ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে মার্টিন বেশ কয়েকবার হাঁক দিলেন ‘স্যামসন? স্যামসন?’ বলে। ক্যাচক্যাচ শব্দে দরজাটা দু-পাশে ফাঁক হয়ে গেল। ভিতর থেকে বেরিয়ে এলেন এক বৃদ্ধ। যদিও লোকটার মাথার চুল, ভ্রূও সব সাদা হয়ে গেছে তবুও সেই বৃদ্ধ যে আফ্রিকান কোনো জনগোষ্ঠীর লোক তা তাকে দেখেই বোঝা যায়। মার্টিনকে দেখে বৃদ্ধ বললেন, ‘ও তুমি? আমি ভাবলাম সেই সিনেমাওলার দলটা এল বোধ হয়। এখানে ছবি তুলতে আসার কথা একটা সিনেমাদলের।’ মার্টিন হেসে বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি। আর আমার সঙ্গের লোকেরা সব বিদেশি অতিথি। এই পুরানো চিড়িয়াখানা দেখাতে আনলাম এঁদের এ জায়গা তো কেউ আর দেখতে আসে না।’

    কথাটা শুনে বৃদ্ধ স্যামসন একবার তাকালেন সবার দিকে। তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্ভাষণ জানিয়ে গেটটা আরও একটু উন্মুক্ত করে দিয়ে ভিতরে চলে গেলেন।

    প্রবেশ তোরণ দিয়ে প্রবেশ করার আগে কয়েক মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়িয়ে মাথার ওপর সাইনবোর্ডটা দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘একটা লেখা নিশ্চয়ই আপনারা পড়তে পারছেন? হ্যাঁ ‘হিউম্যান জ্যু’। আমরা যে জায়গাতে এখন প্রবেশ করতে যাচ্ছি সে জায়গা বেলজিয়াম তথা ইউরোপের ইতিহাসে যে লজ্জাজনক ঘটনাগুলো সংগঠিত হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম। আসুন ভিতরে ঢুকলেই আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।’

    সবাইকে নিয়ে কম্পাউন্ডের ভিতরে প্রবেশ করলেন মার্টিন। প্রবেশ তোরণ অতিক্রম করলেই দুপাশে প্রাচীর ঘেঁষে সার সার ঘর। পাথরের দেওয়াল, পাথরের টালির ছাদ। সামনের একটা ঘরের জানালার গঠন দেখে সেটা একটা টিকিট কাউন্টার ছিল বলে মনে হয়। ঘরটার সামনে প্রমাণ সাইজের দুটো পাথরের মূর্তি রাখা আছে। একটা মূর্তি উলঙ্গ এক আফ্রিকানের, আর অন্য মূর্তিটা মাথায় পালকগোঁজা কোনো রেড ইন্ডিয়ানের। জুয়ান- দীপাঞ্জনের প্রাচীরের ভিতরে প্রবেশ করার পর জায়গাটা উন্মুক্ত হল তাদের চোখে। প্রাচীরের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেশ কয়েক একর জায়গা নিয়ে একটা অঞ্চল। তার মধ্যে গাছপালা যেমন আছে তেমনই দেখা যাচ্ছে লোহার জালে ঘেরা নানা এনক্লেভ, পরিখা দিয়ে ঘেরা নানা উন্মুক্ত জায়গা, আবার কোথাও দূরে দূরে এখানে-ওখানে দাঁড়িয়ে আছে লোহার গরাদ দিয়ে ঘেরা বিরাট বিরাট সব খাঁচা। তবে কোথাও কোনো পশুপাখির চিহ্ন নেই, কোনো লোকজনও কোথাও নেই। চারপাশে তাকিয়ে ডক্টর তুর্গিনেভ বললেন, ‘এ তো কোনো পরিত্যক্ত চিড়িয়াখানা বলে মনে হচ্ছে!’

    মার্টিন বললেন, ‘হ্যাঁ। এটা একটা চিড়িয়াখানাই ছিল ষাট-সত্তর বছর আগে। চলুন সামনে এগোনো যাক তবেই ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়ে যাবে আপনাদের কাছে। পিছনে হাঁটতে শুরু করল সবাই। খাঁচাগুলোর গায়ে এক সময় সাইনবোর্ড লাগানো ছিল খাঁচা, এনক্লোজারগুলোর পাশ দিয়ে মোরামের রাস্তা চলে গেছে নানা দিকে। মার্টিনের যেমন চিড়িয়াখানায় থাকে। কয়েকটা খাঁচার গায়ে এখনও সেগুলো আছে। দু-একটা সাইনবোর্ড পড়াও যাচ্ছে। কোথাও লেখা আছে ‘পিগমি’, কোথাও লেখা আছে ‘মঙ্গোলয়েড’, এমনকী একটা এনক্লোজারের গায়ে ‘ইন্ডিয়ান’ শব্দটাও দেখতে দীপাঞ্জন। মার্টিন তাদের নিয়ে এসে দাঁড় করাল একটা জায়গাতে। অনুচ্চ প্রাচীর ঘেরা একটা অঞ্চল। তারপর জলপূর্ণ একটা গভীর পরিখা আর তার ওপাশে ছোট একটা ফাঁকা জমি। সে জমির ভিতর কয়েকটা কুঁড়েঘর যেন মাটির সাথে মিশে যেতে যেতেও কোনোক্রমে তার কাঠামোটাকে মাটির ওপর ধরে রেখেছে। প্রাচীরটার গায়ে হেলান দিয়ে দীপাঞ্জনদের দিকে ফিরে দাঁড়ালেন মার্টিন। তারপর সবার উদ্দেশে বলতে শুরু করলেন, ‘এতক্ষণে ব্যাপারটা মনে হয় অনেকেই অনুমান করতে পেরেছেন। হ্যাঁ, এটা একটা চিড়িয়াখানাই ছিল। তবে সাধারণ চিড়িয়াখানা নয়। এসব খাঁচা, ঘেরা জায়গার মধ্যে পশু নয় মানুষ রাখা হত। অবশ্য যাদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করে এই চিড়িয়াখানায় এনে রাখা হত তাদের চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ বা দর্শকরা মানুষ বলে মনে করত না, পশু বা জন্তু বলেই ভারত। কারণ যাদের এখানে এনে রাখা হত তাদের কারোর চেহারা, পোশাক বা খাদ্যাভ্যাস তথাকথিত সভ্য ইউরোপীয়দের মতো ছিল না। কাজেই খাঁচাবন্দি লোকগুলো আমার-আপনার মতো মানুষ হলেও সে সময়ের বহু ইউরোপবাসীর চোখে তারা ছিল বানরজাতীয় জীব বিশেষ।’

    দীপাঞ্জন মানুষের চিড়িয়াখানার ব্যাপারটা প্রথম শুনলেও জুয়ান বললেন, এ জায়গা আমি প্রথম চাক্ষুষ করলাম, এ ঘটনা আমি শুনেছি। ইতিহাসের এক কলঙ্কময় ব্যাপার।’

    টোগো বললেন, ‘আমিও শুনেছিলাম যে আফ্রিকা থেকে আমাদের মতো কালো চামড়ার মানুষদের শুধু ক্রীতদাস বানাবার জন্যই ইউরোপে আনা হত না। বিভিন্ন উৎসবে, মেলাতে খাঁচাবন্দি জন্তুর মতো তাদের দেখানোও হত।’

    মার্টিন বললেন, ‘ঠিক কথা। এবং প্রচুর মানুষ তাদের দেখতও। ১৯৩১ সালে প্যারিসে যে ‘হিউম্যান জ্যু’র প্রদর্শনী হয়েছিল সেই প্রদর্শনীতে ছয় মাসে দর্শক সংখ্যা হয়েছিল প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ। অবিশ্বাস্য মনে হলেও ব্যাপারটা সত্যি।

    এরপর তিনি বললেন, ‘আজকে আমাদের কাছে ব্যাপারটা অত্যন্ত ঘৃণ্য বলে মনে হলেও ইউরোপের ইতিহাসে ব্যাপারটা খুব প্রাচীন। এর উৎপত্তি খ্রিস্টজন্মের সমসাময়িক। সে সময় শারীরিক অসঙ্গতি বা অপূর্ণতা নিয়ে যেসব মানুষ জন্মাত তাদের মনে করা হত শয়তানের অনুচর অথবা জন্তু। যেমন বামন, কুঁজো, সারাদেহে আবওলা, শ্বেতীওলা মানুষ। হয় এদের পুড়িয়ে মারা হত অথবা খাঁচায় পুরে মেলায় দেখানো হত। এরপর এক সময় নৌ অভিযানে বেরিয়ে পড়ল ইউরোপীয়রা। পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে নৌ অভিযাত্রীরা পৌঁছতে শুরু করল আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার নানা ভূখণ্ডে সেখানে যে মানুষগুলোকে তারা দেখল ইউরোপীয়দের সাথে গাত্রবর্ণ, দেহ সৌষ্ঠবে, পোশাকের কোনো মিল নেই। আফ্রিকা এশিয়া এমনকী আমেরিকার অনেক জনজাতি এখনও পর্যন্ত পোশাক পরে না অথবা নামমাত্র পোশাক পরে। কাজেই সভ্য ইউরোপীয়রা তাদের মানুষই মনে করল না। তাদের ইউরোপে আনতে লাগল ক্রীতদাস হিসাবে অথবা জন্তুর মতো দেখাবার জন্য। প্যারিস, হামবুর্গ, লন্ডন, মিলান, ওয়ারশ, পোল্যান্ড আর ব্রাসেলস-এ গড়ে উঠতে লাগল মানুষের চিড়িয়াখানা। সেখানে আফ্রিকার খর্বাকৃতি পিগমি বা দীর্ঘদেহী মাসাইরা যেমন স্থান পেত তেমনই থাকত তাতার, তুর্কি, ফিলিপাইনের ইরিগেটরা এমনকী এস্কিমো বা রেড ইন্ডিয়ানরাও। মানবতার ইতিহাসে এ এক কলঙ্কজনক ব্যাপার। আর যা চলেছিল মাত্র ষাট-সত্তর বছর আগে। বেলজিয়ামের সিরকা শহরে শেষ মানুষের চিড়িয়াখানা বন্ধ হয় ১৯৫৮ সালে। যে মানুষগুলোকে এসব চিড়িয়াখানায় আনা হত তারা নিজেদের পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হবার কারণে অথবা খাদ্য না পেয়ে এক-দু বছরের বেশি বাঁচত না। তাদের চিকিৎসা সাধারণ চিকিৎসকরা করতে চাইতেন না- পাছে কেউ তাদের পশুচিকিৎসক ভেবে ফেলে সেই ভয়ে। বেশ কিছু দর্শনাথী আবার খাঁচার ভিতর লাঠি ঢুকিয়ে তাদের খুঁচিয়ে আনন্দও পেত…।’

    একটানা কথা বলে থামলেন মার্টিন—

    সুদান থেকে আসা আল মামুন বললেন, ‘সত্যি কী ভয়ঙ্কর ব্যাপার। হিটলারের বন্দি শিবিরের সাথে এসবের বিশেষ পার্থক্য নেই।’

    কথাটা শুনে মাটিন বললেন, ‘হিটলারের কথাই যখন আপনি বললেন তবে এ প্রসঙ্গে একটা অদ্ভুত ব্যাপার জানাই। যে লোকটা জার্মানি আর পোলান্ডের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করলেন সেই লোকটাই কিন্তু ইউরোপে নিষিদ্ধ করেছিলেন এই হিউম্যান জ্যু। বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তার অধিকৃত ভূখণ্ডে তিনি বন্ধ করে দিয়েছিলেন হিউম্যান জ্যু। মুক্ত করেছিলেন মানুষগুলোকে। যদিও সেই মানুষগুলো হয়তো কোনোদিন আর ঘরে ফিরতে পারেনি। তবু কাজটা তিনি করেছিলেন।’

    মার্কিন কারস্টেন বললেন, ‘সত্যি ব্যাপারটা শুনে অদ্ভুত লাগল।’

    মার্টিন বললেন, ‘অনেকে অবশ্য এ কাজের জন্য বাহবা দিতে অস্বীকার করেন হিটলারকে। তাঁরা বলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলাকালীন কোনো এক রাষ্ট্রনায়ক নাকি বলেছিলেন যে, ‘যুদ্ধশেষে হিটলার যদি পরাজিত হন, আর তাকে যদি জ্যান্ত ধরা যায় তবে তাকে হিউম্যান ড্যুতে পোরা হবে জন্তুর মতো প্রদর্শনের জন্য।’—এ কথাটা নাকি ফুয়োরারের কানে গেছিল। আর তাই তিনি ভয় পেয়ে ইউরোপে হিউম্যান জ্যু নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন।

    এ কথা বলার পর মার্টিন পরিখা ঘেরা জায়গাটা দেখিয়ে বললেন, ‘এ জায়গাতে রাখা হত ফিলিপিন্সের ইরিগেট উপজাতির কয়েকজন লোককে। এই ইরিগেটরা এক সময় নরমুণ্ড শিকার করত, কিন্তু তবু তো তারা মানুষ ছিল। তারা যাতে ও জায়গা থেকে বেরিয়ে কাউকে আক্রমণ করতে না-পারে তাই পরিখার ব্যবস্থা। আবার শক্ত চেহারার মাসাই বা রেড ইন্ডিয়ানদের রাখা হত লোহার মজবুত গরাদ দেওয়া খাঁচায়। আর ছোটখাটো চেহারার শান্ত পিগমি বা এস্কিমোদের হরিণের মতো ছেড়ে রাখা হত জালে ঘেরা খোলা জায়গাতে। ছোটখাটো প্রাণীও ছেড়ে রাখা হত তাদের সাথে। মানুষ তাদের দিকে আধ- খাওয়া রুটির টুকরো ছুঁড়ে দিত। হিউম্যান জ্যুতে ‘ওটাবেঙা’ নামের এক পিগমি কন্যা ইউরোপে খুব বিখ্যাত হয়েছিল। কোলে শিম্পাঞ্জির বাচ্চা নিয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জন করত সে। তাকে নিয়ে পরবর্তীকাল হলিউড ফিল্মও হয়।’

    মার্টিন এরপর সকলকে নিয়ে দেখাতে লাগল জায়গাটা। আর তার সাথে-সাথে বলে যেতে লাগলেন কোথায় কোন মানুষদের রাখা হত, কেমনভাবে রাখা হত সে-সব ব্যাপারে। যেমন এক সময় তিনি বললেন, ‘খেয়াল করে দেখুন খাঁচার মধ্যে যেসব থালার মতো পাত্র আছে তাতে কিন্তু খাবার দেওয়া হত না, জল দেওয়া হত। পশুরা জল চেটে খায় তাই এই ব্যবস্থা। জল চেটে খেতে হত মানুষগুলোকেও। আর দর্শকরাও ভাবত তারা মানুষ নয় পশু।’

    নানা জায়গা দেখতে দেখতে অবশেষে এই অদ্ভুত চিড়িয়াখানার শেষ অংশে পৌঁছে গেল সবাই। প্রাচীরের গা ঘেঁষে বেশ অনেকটা ফাঁকা জমি সেখানে। আর তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে বড় বড় গাছ। একটা বিরাট বড়পাথরের তৈরি ক্রশ পোঁতা রয়েছে সেখানে। মাটিন বললেন, এই সেই জায়গা। যেখানে পাশাপাশি ঘুমিয়ে আছে নানা দেশের মানুষ। তাদের কেউ আফ্রিকান, কেউ রেড ইন্ডিয়ান, কেউ ফিলিপাইন — নানা জাতের নানা দেশের মানুষ। তথাকথিত সভ্য ইউরোপীয়ানরা যাদের মানবাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিল।’

    কারস্টেন বললেন, ‘এখানকার কোনো মানুষই আর বেঁচে নেই তাই না?’

    মার্টিন বললেন, ‘এই হিউম্যান জ্যু বন্ধ হবার পর কয়েকজন মুক্তি পেয়েছিল ঠিকই। কিন্তু তাদের প্রায় সবাই কিছুদিনের মধ্যে মারা যায়। কে আর তাদের দেশে পাঠাবে অথবা আশ্রয় দেবে? অনাহারে পথে-পথে ঘুরে মারা পড়ে তারা। তবে তাদের একজন কিন্তু এখনও বেঁচে আছেন। ওই যে স্যামসন বলে যাকে দেখলেন তিনি। মাসাইল্যান্ড থেকে বারো বছর বয়সে ওকে আনা হয়েছিল। এক পাদ্রীর বদান্যতায় ও বেঁচে যায় আর এখানেই থেকে যায়।’

    জায়গাটা ঘোরা হয়ে গেছে সবার। এবার তারা ফেরার পথ ধরল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }