Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ৪

    ৪

    তিনদিন জাহাজে কেটে গেল ধ্রুবর। বৈচিত্র্যহীন ক’টা দিন। চারপাশে শুধু ভারত মহাসাগরের অসীম জলরাশি। ডাঙার কোথাও কোনো চিহ্ন নেই। মাঝে মাঝে শুধু দূর দিয়ে দু-একটা জাহাজ ভেসে যায়। কখনো ফ্রান্সিস ড্রেককে তারা দেখতে পেয়ে ওয়্যারলেসে তার সম্বন্ধে মামুলি কিছু খবর জানতে চায়, তার জবাব দেয় ধ্রুব। রেডিও রুমে কাজ বলতে শুধু এটুকুই। তবে এ ক’দিনে ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের ম্যাঙ্গকি বলে সেই বন্ধুর বেশ কয়েকবার কল এসেছিল। লোকটার ফ্যাসফ্যাসে গলা। ভাঙা ভাঙা ইংরেজি বলে। যতবার তার কল এসেছে। ক্যাপ্টেনকে খবর দিতেই ব্যস্ত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এসেছেন তিনি। তবে তাদের কী কথাবার্তা হয় ধ্রুবর জানা নেই। ধ্রুবকে এ সময় রেডিও রুমের বাইরে থাকতে হয়। এটা ক্যাপ্টেনের অনুরোধ।

    সারাদিন রেডিও রুমে কাটায় ধ্রুব। দিনের বেলা সমুদ্রের দিকে তাকানো যায় না। চোখ ঝলসে যায়। এ সময় হাল-সারেঙ, আর মাস্তলের ওপর একজন ছাড়া, ডেকে কোনো লোক থাকে না। প্রচণ্ড গরম। ধ্রুব বিয়ার্ডের অনুমতি নিয়ে একটা মোটা বই এনেছে লাইব্রেরি থেকে। জলদস্যু ফ্রান্সিস ড্রেকের জীবন কাহিনি। রেডিও রুমে দিনেরবেলা এ ক’দিন বইটা পড়ে সময় কাটিয়েছে সে। বিকেলবেলা সূর্য ডোবার সময় হলে অবশ্য পরিবেশ বদলে যায়। মৃদু-মন্দ ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করে। নাবিকরা একজন-একজন করে খোল থেকে উঠে এসে ডেকে দাঁড়ায়। নিজেদের মধ্যে গল্পগুজব করে। তবে তারা ধ্রুবর সাথে কেউই বিশেষ কথা বলে না একমাত্র মার্লিন ছাড়া। সেও এ সময় ডেকে উঠে আসে। ধ্রুব তার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে। ইতিমধ্যে মার্লিনের সঙ্গে ধ্রুবর বেশ ভাব হয়ে গেছে। তাদের সম্পর্ক আপনি থেকে তুমিতে পৌঁছেছে। পদমর্যাদায় ওপরে বলে প্রথমে ধ্রুবকে তুমি ডাকতে ইতস্তত করছিল মার্লিন। ধ্রুবর ধমকের পরে সেটা ঠিক হয়ে গেছে। একান্ত আলোচনায় সে এখন ধ্রুবকে তুমিই বলে ডাকে।

    আসলে এ জাহাজে ধ্রুবর কথা বলার লোক বলতে তো একমাত্র মার্লিনই। সে নানারকম গল্প বলতে পারে। অবশ্য সে সবই জলদস্যু অথবা নাবিকদের গল্প। জলদস্যুদের লড়াইয়ের গল্প। নির্জন দ্বীপে ফেলে আসা অসহায় নাবিকদের গল্প, সমুদ্র তুফানের সঙ্গে পাঞ্জা কষার গল্প, আরও কত কিছু। সমুদ্র সম্বন্ধেও অনেক জ্ঞান তার। সে এর আগে কখনো সমুদ্রযাত্রা না করলেও নির্ভুলভাবে বলে দিতে পারে অতলান্তিকের কোথায় কত গভীরতা, প্রশান্ত মহাসাগরে কোথায় ডুবোপাহাড় অথবা আইসবার্গ আছে। বলতে পারে, কোন্ ঋতুতে কোন্ সাগরে টাইফুন বা টর্নেডো হয়। সবকিছু সে বলে ঝানু নাবিকের মতো। ধ্রুবর প্রাথমিকভাবে একটু সন্দেহ ছিল তার কথায়। ধ্রুবর নিজের সংগ্রহে কয়েকটা বই আছে। সমুদ্র সংক্রান্ত বই। ধ্রুব মিলিয়ে দেখেছে মার্লিনের কথা বর্ণে বর্ণে সত্যি। বই পড়ে সমুদ্র সংক্রান্ত ব্যাপারে প্রভূত তথ্য সংগ্রহ করেছে ছেলেটা। আর তার সঙ্গে রয়েছে তার গল্প বলার আশ্চর্য ক্ষমতা। এ দুই কারণে মার্লিনের প্রতি অনুর হয়ে উঠেছে ধ্রুব।

    সেদিন বিকেলে রেডিও রুমে বসে ছিল ধ্রুব। প্রায় পাঁচটা বাজে। তার ডিউটি শেষ হতে চলেছে। বাইরে সূর্যের তেজও কমে এসেছে। মান্নারা ডেকে উঠে আসতে শুরু করবে এবার। মার্লিনও উঠে আসবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। ডেকে এককোণে রেলিং-এর ধারে চেয়ার পেতে গল্প করতে বসবে তারা দুজন। সে গল্প চলবে যতক্ষণ না চান উঠা শুরু করে। তারপর আর বলা যায় না। দিনে যেমন গরম, ঠিক তেমনই অন্ধকার নামলেই ভেজা বাতাস কাঁপন ধরিয়ে দেয় শরীরে।

    ঘড়ির কাঁটা পাঁচটা ছুঁতে চলেছে। ধ্রুব ডেকে বেরোতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের সেই বন্ধুর গলা ভেসে এল যন্ত্রে। লোকটা ক্যালক্যাসে গলায় বলল, পনেরো মিনিট বাদে সে আবার যোগাযোগ করবে। বিয়ার্ড যেন সে সময় রেডিও কাম থাকেন। ধ্রুব যেন তাঁকে খবরটা দেয়।

    ধ্রুবর এ দিনের মতো কাজ শেষ। রেডিও রুম থেকে বেরিয়ে ক্যাপ্টেনকে টা দিতে কেবিনে ঢুকল সে। বিয়ার্ড একটা টেবিলে ম্যাপ বিছিয়ে তার ওপর কাঁটা-কম্পানে কী একটা মাপ-জোক করছিলেন। ধ্রুব তাকে খবরটা দিল। তিনি বললেন, বাচ্ছি। তারপর ধ্রুব যখন তার কেবিন থেকে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছে, ঠিক তখন বিন্নার্ড তাকে বললেন, ‘মার্লিনের সঙ্গে তো আপনার বেশ কথাবার্তা হয় দেখছি!’

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘আসলে, জাহাজে কথাবার্তা বলার তেমন লোক নেই তো, আপনিও ব্যস্ত থাকেন। ও নানারকম গল্প বলে, সেসব শুনি।’

    বিয়ার্ড বললেন, ‘তা, ও আমার ব্যাপারে বা এ জাহাজের ব্যাপারে আপনাকে কিছু বলে না?’

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘না, তেমন কিছু বলেনি, কেন?’

    ক্যাপ্টেন বললেন, ‘এমনি জিজ্ঞেস করলাম। আসলে, নাবিকরা অনেক সময় আড়ালে ক্যাপ্টেনকে গালমন্দ করে। অন্য নাবিকদের ক্যাপ্টেনের বিরুদ্ধে ক্ষেপায়। তাই ক্যাপ্টেন হিসাবে আমাকে সবার খবর রাখতে হয়। ঠিক আছে, আপনি এখন বান।

    ক্যাপ্টেনের ঘর থেকে বেরিয়ে ধ্রুব যখন ডেকে তাদের বসার জায়গাতে এল, ততক্ষণে মার্লিন এসে গেছে। তার কাঁধে বসা পাখিটাকে বাদাম খাওয়াচ্ছিল। পাখিটা একদিনে ধ্রুবর নাম জেনে গেছে। সে তাকে দেখে বলল, ‘ডুবো ডুবো’ তারপর ‘ক্যাপ্টেনের মুন্ডু কাট, মুণ্ডু কাট’ বলে উড়ে গেল অন্যদিকে।

    ধ্রুব চেয়ারে বসে পাখিটার শেষ কথা শুনে হেসে ফেলে বলল, ‘পাখিটার জন্য ক্যাপ্টেন তোমাকে জাহাজ থেকে নামিয়ে না দেয়! আমি ক্যাপ্টেনের ঘরে গেছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করছিলেন তুমি ওঁর সম্বন্ধে আমাকে কিছু বলেছ কিনা? হয়তো ঐ মুন্ডুট কথাটার ব্যাপারে ও তোমাকে সন্দেহ করছে!’

    মার্লিন ক্যাপ্টেনের ঘরের দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বলল, ‘ও যে আমাকে সন্দেহ করে তা জানি। আর সম্ভবত তোমাকেও নজরে রেখেছে।

    ধ্রুব আশ্চর্য হয়ে বলল, ‘কেন? ভর সন্দেহ উদ্রেক করার মতো কোনো কাজ তো আমি করিনি!’

    মার্লিন বলল, ‘আমি দুদিন খেয়াল করেছি আমার তোমার কথা বলার সময় তোমার পিছনে একটু দুরে ওই যে পিপেটা রাখা আছে তার ওপরে এসে মেট ফক্স বসেছিল। ভাবটা এমন ও যেন পিপের ওপর বসে সমুদ্র দেখছে। আসলে ও আমাদের কথা শোনার চেষ্টা করছিল। এ জাহাজে আমি তুমি ছাড়া সবাই ক্যাপ্টেনের নিজস্ব লোক বলতে যা বোঝায় তাই। আমাকে আর তোমাকেই শুধু বাইরে থেকে নেওয়া হয়েছে। জাহাজের অন্য নাবিকরাও আমার সাথে বিশেষ কথা বলে না। যেন কথা বললেই কোনো একটা ব্যাপার ফাঁস হয়ে যেতে পারে। সম্ভবত বিয়ার্ডের এ ব্যাপারে ওদের ওপর কোনো নিষেধ আছে।’

    এ ব্যাপারটা শুনে মার্লিনের মুখে শোনা, আরও একটা নিষেধের ব্যাপার ধ্রুবর মনে পড়ে গেল। সে বলল, ‘ফাঁস হয়ে যাওয়ার মতো কোনো গোপন ব্যাপার জাহাজে আছে নাকি? তুমি যে সেদিন বলছিলে যে ব্ল্যাক প্যারটের সিন্দুক যে ঘরে আছে, সে ঘর সম্পর্কে আলোচনা করা ক্যাপ্টেনের নিষেধ। তার কী কারণ?’

    উত্তর দেবার আগে মার্লিন একবার সতর্ক দৃষ্টিতে চারপাশে তাকিয়ে নিয়ে বলল, ‘বিশ্বাস করে কথাটা বলছি, ক্যাপ্টেনের কানে গেলে আমাকে জাহাজ থেকে ফেলে দেবে। ইংল্যান্ডের প্লাইমাউথ বন্দর থেকে আটলান্টিক হয়ে কেপ অব গুড হোপ ছুঁয়ে আমরা এদিকে এসেছিলাম। পথে থেমেছিলাম, মাদ্রিদ, ডাকার, কেপটাউন, পোর্ট এলিজাবেথ, মোম্বাসা, তারপর মোগাদিসু হয়ে এডেন। সেনেগালের ডাকার বন্দর থেকে একটা আফ্রিকান ছেলেকে কেবিন বয়ের কাজে নিয়েছিলেন বিয়ার্ড। বেশ হাসিখুশি বছর কুড়ির ছেলে। নাম ছিল জন। একদিন এরকমই এক বিকালে মাল্লাদের সঙ্গে গল্প করার সময় সে বলে ফেলেছিল, ‘সিন্দুক ঘরে যে লোকটার ছবি রাখা আছে সেটা কী কুৎসিত! ঠিক যেন সাক্ষাৎ শয়তান। আমি হলে ও ছবি জলে ফেলে দিতাম।’ বেশ উচ্চস্বরেই হেসে হেসে কথাগুলো বলছিল ছেলেটা। বিয়ার্ড কখন ডেকে এসে দাঁড়িয়েছে খেয়াল হয়নি কারও। কথাটা কানে যেতেই ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ছুটে এসে এমন লাথি কষালেন ছেলেটাকে যে ডেকে পড়ে কাটা মুরগির মতো ছটফট করতে লাগল সে। ক্যাপ্টেন তারপর পিস্তল বার করে বললেন, যে ওকে তুলবে তাকে তিনি গুলি করে মারবেন! আর ও ঘর নিয়ে যে অলোচনা করবে তাকে জলে ফেলে দেবেন তিনি। পরদিন আর দেখা গেল না সেই হতভাগ্য ছেলেটাকে। জিজ্ঞেস করতে ফক্স হেসে বলল, রাতে নাকি তাকে অন্য জাহাজে তুলে তার নিজের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ ছেলেটার ওই অবস্থা দেখে সে রাত খোলের মধ্যে জেগেই কাটিয়েছিলাম আমি। হলফ করে বলতে পারি সে রাতে কোনো জাহাজ আমাদের গায়ে ভেড়েনি। তাহলে টের পেতাম।’

    ‘ছেলেটার কী হল?’

    আমার ধারণা, ক্যাপ্টেনের লাথি খেয়ে শেষ পর্যন্ত মারা গেছিল ছেলেটা। তারপর যা হয় তাই, ওকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল জলে। পরদিন দুটো হোয়াইট শার্ককে জাহাজের পিছু পিছু অনেক দূর পর্যন্ত আসতে দেখেছিলাম। জাহাজ থেকে ওরা কোনো খাবার পেলে, তার লোভে ওরকম পিছু নেয়।’

    মার্লিনের কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই তারা দেখল, ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড তার কেবিন থেকে বেরিয়ে এলেন। তবে তিনি ডেকে দাঁড়ালেন না। চারপাশে একবার চোখ বুলিয়ে রেডিও রুমে গিয়ে ঢুকলেন। ধ্রুব খেয়াল করেছে ম্যাঙ্গকি বলে লোকটার কল এলে বেশ অনেকক্ষণ ধরে তার সঙ্গে কথা বলেন ক্যাপ্টেন। অনেক সময় তা ঘণ্টা ছাড়িয়ে যায়।

    ডেকে ইতিমধ্যে দু-একজন করে আসতে শুরু করেছে। ক্যাপ্টেন রেডিও রুমে ঢুকে যাবার পর ধ্রুব চাপাস্বরে জানতে চাইল, ‘ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ছেলেটার কথা শুনে ওরকম মাথা গরম করে ফেলেছিলেন কেন? শুনেছি দীর্ঘদিন জলে ভেসে থাকলে কারও কারও সাময়িক মাথার গন্ডগোল হয়। সে রকম ব্যাপার কি?’

    মার্লিন বলল, জাহাজের অনেকেই অবাক হয়েছিল এ ঘটনায়। তবে, আমি কিন্তু ব্যাপারটা অনুমান করতে পেরেছি।’

    ‘কী ব্যাপার?’

    মার্লিন গলা খাদে নামিয়ে বলল, আশাকরি তুমি ব্যাপারটা গোপন রাখবে। তোমাকে বিশ্বাস করছি বলে বলব। কিন্তু ব্যাপারটা ভালো করে বোঝার জন্য তোমাকে একবার সেই সিন্দুক ঘরে যেতে হবে। বিয়ার্ড এখন রেডিও ঘর ছেড়ে চট করে বেরোবে না, আর মেট ফক্সকেও দেখলাম তার ঘরে ঘুমোচ্ছে। নাবিকরাও সব ডেকে থাকবে এখন। চলো এখন ও ঘরে যাই। এটাই সঠিক সময়, চট করে কেউ খেয়াল করবে না :

    ধ্রুব রাজি হয়ে গেল। পাছে কেউ সন্দেহ করে তাই আগে উঠে নিচে নামল মার্লিন। তার একটু পরে ধ্রুব।

    খোলের একদম নিচে এমনিতেই বেশ অন্ধকার। দু-একটা পোর্টহোলের ফাঁক গলে আলো আসে শুধু। সেই ঘরের ভিতর আগেই ঢুকে গেছিল মার্লিন। ধ্রুব ঘরে ঢুকে দেখল একটা বাতি নিয়ে সে ব্ল্যাক প্যারটের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে। ধ্রুব তার পাশে দাঁড়িয়ে ছবিটার দিকে তাকাল। সত্যি কী হিংস্র সেই মুখ! তার চোখ দুটো যেন শ্বাপদের মতো জ্বলছে। বেশিক্ষণ সেই চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে অস্বস্তি হয়। মার্লিন চাপাস্বরে বলল, ‘কিছু বুঝতে পারছ?’

    ধ্রুব বলল, ‘না।’

    মার্লিন বাতিটা ধ্রুবর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘এটা ছবির মুখের সামনে তুলে ধরো।’

    কাজটা করল ধ্রুব। আলোকিত হয়ে উঠল বীভৎস সেই মুখটা। মার্লিন এবার মুখের ওপর তার হাতের আঙুলগুলো প্রজাপতির মতো মেলে ঢেকে দিল তার দাড়িটা। তারপর বলল, ‘এবার বুঝতে পারছ?’

    কয়েক মুহূর্ত ছবির দিকে তাকিয়েই ধ্রুব বলে উঠল, ‘আশ্চর্য!’

    মার্লিন বলল, ‘হ্যাঁ, দাড়ি বাদ দিলে ক্যাপ্টেনের চেহারা হুবহু ব্ল্যাক প্যারোটের মতো, অর্থাৎ এই ছবির মানুষটা ছিলেন ক্যাপ্টেনের পূর্বপুরুষ। এরই রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে ক্যাপ্টেনের ধমনীতে। ব্যাপারটা যাতে কেউ চট করে ধরতে না পারে তাই ক্যাপ্টেন দাড়ি রাখেননি। দাড়ি না রাখলেও ‘বিয়ার্ড’ নামটা কিন্তু তিনি বহন করেন। তার পূর্বপুরুষ ব্ল্যাক প্যারোটকে তার সাদা দাড়ির জন্য কেউ কেউ ‘হোয়াইট বিয়ার্ড’ নামেও ডাকত। এবার নিশ্চয়ই বুঝেছ কেন ক্ষেপে গেছিল ক্যাপ্টেন। পূর্বপুরুষের ছবি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য সে সহ্য করতে পারেনি।’

    এরপর সে বলল, ‘জানো মিটর, ক্যাপ্টেন এ ঘরে একলা এই ছবি আর সিন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মনে কী বিড়বিড় করে। অনেকসময় ঘণ্টার পর ঘন্টা সে দাঁড়িয়ে থাকে এ ছবির সামনে। আমি দরজার ফুটো দিয়ে দেখেছি।’

    মার্লিন এরপর বলল, ‘বইতে ব্ল্যাক প্যারোটের সম্বন্ধে কতটুকু পড়েছি তাতে প্রচণ্ড হিংস্র ছিল এ লোকটা। পোর্তুগিজ সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে ওর ডান হাত তলোয়ারের কোপে বাদ গেছিল তারপর সেটা পুষিয়ে নেবার জন্য ও এই মারাত্মক হুকসুদ্ধ খাপ পরত। এই হুকের সাহায্যে সে জাহাজের দড়ি বেয়ে তরতর করে মাস্তুলে উঠে যেত, তবে সবচেয়ে মারাত্মক ছিল অস্ত্র হিসাবে এর ব্যবহার। লড়াই করার সময় এই হুক বুকে বিঁধিয়ে জ্যান্ত মানুষের হৃৎপিণ্ড বাইরে বার করে আনত সে। ও সময় জাহাজিদের মধ্যে একটা চালু প্রবাদ ছিল যে, ‘সমুদ্র তুফানকে রোখা যায়, পারকাসনের গুলি বা দামাস্কাস তলোয়ারকে ঠেকানো যায়, কিন্তু ব্ল্যাক প্যারোটের হাতকে শয়তানও ভয় করে।’

    ধ্রুব সিন্দুকটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কিন্তু দেখো এত খুন-খারাবি করে শেষপর্যন্ত কী হল! এ সিন্দুকের সম্পদ কিছুই ভোগ করতে পারল না। শয়তানদের শেষ পরিণতি কিন্তু এইরকমই হয়।

    মার্কিন সিন্দুকের ডালাটা খুলল। সেই কালো পালকটা ছাড়া ভিতরে কিছু নেই। সিন্দুকটার দিকে চোখ রেখে মার্লিন এরপর কেমন যেন অদ্ভুত স্বরে বলল, ‘হয়তো এর ভিতরের জিনিসগুলো কোনো দিন খুঁজে পেলে ভালো কাজে লাগবে। যেন, এ সিন্দুকটা আমাকে খুব আকর্ষণ করে। বলতে গেলে এ সিন্দুক আর ছবিটা দেখেই এ জাহাজে চাকরি নিই আমি।’

    ধ্রুব বলল, ‘তার মানে?’

    মার্লিন তার হাত ধরে বলল, ‘তোমাকে আমি বিশ্বাস করেছি। সব কথা বলব তোমাকে। তবে এখন নয়, কেউ চলে আসতে পারে। কাল বিকাল পাঁচটায় পাশের লাইব্রেরিতে এসো। আমি ও ঘরে থাকব।’

    ঘর ছেড়ে এরপর বেরিয়ে এল দুজনে। ডেকে না উঠে মার্লিন চলে গেল তার ফোকসালে। আর ধ্রুব ওপরে উঠে তার কেবিনে গিয়ে ঢুকল। কিছুক্ষণ পর একজন লোক এসে খবর দিল, ‘ক্যাপ্টেন আপনাকে তার কেবিনে তলব করেছেন।’

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ধ্রুব পৌঁছে গেল ক্যাপ্টেনের কেবিনে। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড তাকে প্রথমে বললেন, ‘মার্লিন বা আপনি, কাউকে ডেকে পেলাম না, দুজনে নিচে গল্প করছিলেন নাকি?’

    ধ্রুব কায়দা করে জবাব দিল, ‘আমি আমার কেবিনে এখন একলাই ছিলাম।’

    বিয়ার্ড বললেন, ‘ও। আপনাকে কেন ডেকেছি সেটা এবার বলি। অনেকটা পথ আমরা মোগাদিসুর দিকে এসেছি। কাল সকালের মধ্যে আমরা আরও অনেকটা পথ পৌঁছে যাব। বলতে গেলে আমরা কাল যেখানে পৌঁছব সেখান থেকেই জলদস্যুদের আনাগোনা শুরু। যদিও মোগাদিসু আরও ক’দিনের পথ, তবে সোমালিয়া উপকূল আমাদের খুব কাছে। উপকূলকে ডানে রেখে সোমালিয়ার জলসীমার ঠিক বাইরে দিয়ে যাব আমরা। এ পথে কোনো সময় কোনো জাহাজ যদি আমাদের সম্বন্ধে জানতে চায় তাহলে বলবেন, জাহাজ ড্রাই ডকে যাচ্ছে মেরামতির জন্য। আর কেউ যদি জাহাজ থামাবার জন্য খবর পাঠায়, এমনকী কোনো ডুবন্ত জাহাজও যদি ‘এস.ও.এস’ পাঠায় তার কোনো উত্তর দেবার দরকার নেই। বন্দরে পৌঁছতে পারলে আমি নিশ্চিন্ত। কিন্তু মাঝপথে জাহাজ থামবে না। সোনালিয়া দস্যুরা অনেকসময় নানারকম ফাঁদ পাতে। এ কথাগুলোই আপনাকে বলার জন্য ডেকেছিলাম। আপনি এবার যেতে পারেন।’

    ক্যাপ্টেনের কেবিন থেকে বেরিয়ে নিজের কেবিনে ফিরে এল ধ্রুব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }