Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কূর্মদেবতার কামড় – ৬

    ৬

    রাত কেটে গেল। পাহাড়ের মাথায় ধীরে ধীরে উদিত হলেন সূর্যদেব। তার আলো ছড়িয়ে পড়ল কুরু হ্রদের জলে। ভোর হল হ্রদের ধারে সেই ছোট্ট পাহাড়ি জনপদের বুকে। এদিন আর সুদীপ্তদের বাইরে বেরোবার ব্যাপার নেই। মঙ নিষেধ করে গেছে বাইরে বেরোতে। জানলা-দরজা খুলে ঘরের মধ্যেই বসে রইল সুদীপ্তরা। তবে এদিন সকাল হতেই গ্রামের লোকদের মধ্যে নানা কর্মচঞ্চলতা চোখে পড়ল। অনেকেই নানা জিনিসপত্র নিয়ে লেকের ধারে যাচ্ছে। যেখানে তারা যাচ্ছে সে জায়গা অবশ্য সুদীপ্তদের ঘরের জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে না। তবে একটা জিনিস তারা খেয়াল করল যে এদিন কোনো নৌকা বা জেলে ডিঙি জলে নামেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন লোক কাপড়ের পাতাকা টাঙাতে শুরু করল গ্রামের বাড়িগুলোর মাথায়। লাল রঙের পতাকা। তাতে সোনালি রঙের কচ্ছপের দেবতা কিম কুঈয়ের প্রতিকৃতি আঁকা। উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ঘরে বসে এসব দেখতে দেখতেই সকালটা কেটে গেল। সময় যত কাটতে লাগল ততই ভিতরে ভিতরে উৎকণ্ঠা বাড়তে লাগল সুদীপ্ত আর হেরম্যানের। কচ্ছপ দেবতার দেখা মিলবে তো? বেলা বারোটা নাগাদ গ্রামের মেয়ে-পুরুষদের নানা রঙের পোশাকে সজ্জিত হয়ে মন্দিরের দিকে যেতে দেখল সুদীপ্তরা। মন্দিরের মাথায় পত পত করে উড়ছে দেবতা কিম কুঈ-এর পতাকা। একসময় মন্দিরের দিক থেকে ভেসে আসতে লাগল ঝাঁঝর আর অনেকটা ডুগডুগি ধরনের চামড়ার বাদ্যযন্ত্রের শব্দ। কচ্ছপ দেবতার পুজো শুরু হয়েছে মন্দিরে। দীর্ঘক্ষণ ধরে সে শব্দ কানে এল সুদীপ্তদের। তারপর সে শব্দ থামল। পুজো সেরে নিজেদের ঘরে ফিরে এল গ্রামের লোকেরা। শুরু হল নিস্তব্ধ দুপুর। সুদীপ্তরা দুপুরে খাওয়া সেরে নেবার পর হেরম্যান বললেন, ‘চলো এবার ঘুমিয়ে নেওয়া যাক। কচ্ছপ দেবতাকে দর্শনের জন্য সম্ভবত রাত জাগতে হবে আমাদের। এখন ঘুমিয়ে নিলে রাতে চাঙ্গা থাকা যাবে তার ওপর আমাদের উৎকণ্ঠাও কাটবে।’ শুয়ে পড়ল সকলে।

    নানা ছেঁড়া ছেঁড়া স্বপ্ন দেখার পর অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখল সুদীপ্ত। কচ্ছপ মন্দিরে পুরোহিত দং-পেঙ-এর সঙ্গে চাঁদনি রাতে লেকের জলে ক্যানোতে চেপে ভেসে চলেছে তারা। পুরোহিত দেবতা দর্শনে নিয়ে চলেছে তাদের। বেশ অনেকটা ভেসে চলার পর এক জায়গায় ক্যানো থাকাল পেঙ। সুদীপ্তদের সে বলল, ‘এখানেই থাকে আমাদের দেবতা। আমি জলে নেমে তাকে ডেকে আনি।’—এই বলে সে ঝাপ দিল কালো জলে। তার জন্য প্রতীক্ষা করতে লাগল সুদীপ্তরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার জলের থেকে ভুস্ করে মাথা তুলল কর্ম দেবতার পুরোহিত। সুদীপ্তদের উদ্দেশে সে বলল, ‘দেবতা এখনই আসছেন। আমাকে নৌকায় টেনে তোল।’

    জলের দিকে হাত বাড়াল সুদীপ্ত। দং-পেঙ তার হাত ধরার বদলে হঠাৎই কামড়ে ধরল সুদীপ্তর কবজিটা। আর এর পরই তার বিশাল পিঠটা ভেসে উঠল জলে। আরে দং-পেঙ কই, সুদীপ্তর হাত কামড়ে ধরেছে এক বিরাট কচ্ছপ। নৌকা থেকে সে টেনে সুদীপ্তকে জলে নামাতে চাচ্ছে! জলেই পড়ে যাচ্ছিল সুদীপ্ত। কিন্তু হেরম্যান আর ডেং-ফু তাকে জাপটে ধরল। টানাটনি শুরু হল দু-পক্ষের মধ্যে। ছোট্ট কালো নৌকাটা প্রবল দুলতে লাগল। এই বুঝি বা নৌকাটা উলটে যাবে। অসীম শক্তিতে সুদীপ্তর হাত কামড়ে ধরে তাকে জলের গভীরে টেনে নিয়ে যেতে চাচ্ছে দানব কচ্ছপটা। তার কামড় থেকে কিছুতেই হাত ছাড়াতে পারছে না সুদীপ্ত। ইতিমধ্যে কচ্ছপ দেবতার অনুচররাও তার চারপাশে ভিড় করেছে! ছোট-বড় নানা আকারের কচ্ছপ। জলের ওপর মুখ তুলে হাঁ করছে তারা। চাঁদের আলোতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তাদের তীক্ষ্ণ হিংস্র দাঁতের পাটি। সুদীপ্তদের নৌকাটা উলটে যাবার জন্য তারা যেন প্রতীক্ষা করছে। নৌকার চারদিক থেকে ছুটে আসছে আরও আরও কচ্ছপের দল! আর যেন শেষরক্ষা হল না। হ্যাঁচকা টান দিতে শুরু করেছে ভয়ংকর কুর্ম দেবতা। নৌকাটা উলটে গেল বলে! সুদীপ্ত চিৎকার করতে যাচ্ছিল। ঠিক এই সময় হেরম্যানের ধাক্কায় ঘুম ভেঙে গেল তার। হেরম্যান জানলার বাইরেটা দেখিয়ে একটু উত্তেজিতভাবে বললেন, ‘ওই দ্যাখো, ওই দ্যাখো।’

    ধড়মড় করে উঠে বসে জানলার বাইরে তাকাল সুদীপ্ত। বিকাল হয়ে গেছে। সুদীপ্ত দেখতে পেল চারজন গ্রামবাসীকে। তাদের হাতে বর্শা, বুকে বাঁধা কচ্ছপের খোলের বর্ম। লেকের বাঁকের জঙ্গলের দিক থেকে তারা ধরে আনছে সেই বাচ্চা ছেলেটাকে—ওয়াং-কে। ধরা পড়ে গেছে সে। ছেলেটা হাড় ছাড়াবার চেষ্টা করছে। কিন্তু কচ্ছপের কামড়ের মতোই দু’পাশ থেকে দুজন শক্ত করে চেপে রেখেছে তার হাত। ব্যাপারটা দেখতে লাগল সুদীপ্ত। ছেলেটাকে নিয়ে এসে লেকের দিক থেকে সুদীপ্তদের ঘরের পাশ দিয়ে মন্দিরের দিকে অদৃশ্য হয়ে গেল লোকগুলো। তারা চলে যাবার পর সুদীপ্ত বলল, ‘ছেলেটাকে নিয়ে ওরা কী করবে মনে হয়?’

    হেরম্যান বললেন, ‘হয়তো কিছু শাস্তি দেবে আর কিছুদিন ঘরে আটকে রাখবে বলে আমার ধারণা। যাতে ও আর পালাতে না পারে সে ব্যবস্থা করবে।’—এ কথা বলে হেরম্যান বললেন, ‘চলো, এবার তৈরি হয়ে নাও। আমাদের তো লোকেরা ডাকতে আসবে এবার। বেলা পড়ে আসছে।’

    তৈরি হয়ে নিল সুদীপ্তরা। যা কিছু টুকিটাকি জিনিস ছিল তা ব্যাগে পুরে নিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুজন লোক ডাকতে এল তাদের। রঙ-বেরঙের পোশাকে সেজে এসেছে তারা। দুজনের হাতেই বর্শা। আর বুকে বর্মের মতো করে বাঁধা কচ্ছপের খোল। উজ্জ্বল সোনালি রঙ করা সেই খোলগুলোতে। সুদীপ্তরা রুকস্যাক পিঠে নিয়ে চলল উৎসব-স্থলের দিকে। যেতে যেতে ডং-ফু তাদের উদ্দেশে বলল, ‘তোমাদের দেবতা সত্যি দর্শন দেবেন তো?’

    সঙ্গে সঙ্গে সে দুজনের মধ্যে একজন বলে উঠল, ‘দেবেন, দেবেন, নিশ্চয়ই দেবেন। তিনি যাতে দর্শন দেন সে জন্য সারাদিন সারা গ্রামের লোক পূজা দিয়েছে মন্দিরে। তিনি দর্শন না দিলে ভয়ংকর কাণ্ড হবে।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘কী হবে?’

    অপরজন ভয়ার্ত কণ্ঠে বলল, ‘হ্রদের জল শুকিয়ে যাবে। গ্রামে মড়ক লাগবে। বহু বছর আগে এমন একবার ঘটেছিল। তিনি আমাদের ডাকে সাড়া দিলেন না। কিছুদিনের মধ্যেই হ্রদের জল শুকিয়ে গেল। এই হ্রদই আমাদের সব। সেবার না খেতে পেয়ে আর কলেরায় গ্রাম প্রায় উজাড় হতে বসেছিল। দেবতা দর্শন দেবেন না—এ কথা মুখে এনো না।’

    তাদের কথা শুনে সুদীপ্তরা বুঝতে পারল যে এ গ্রামের লোকদের এই উৎসবের সঙ্গে নানা সংস্কার বা কুসংস্কার জড়িয়ে আছে।

    সুদীপ্তরা পৌঁছে গেল আসল জায়গায়। হ্রদের পাড়ে একটা জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। পাড় থেকে সে জায়গা চালু হয়ে নেমে গেছে জলের দিকে। টুলের মতো বেশ কিছু গাছের গুঁড়ি অর্ধবৃত্তাকারে সাজানো হয়েছে সে জায়গাতে। বেশ কিছু পূজার উপাচার, ফুল-মালা, কাপড় ঢাকা পাত্রও এনে রাখা হয়েছে সেখানে। অদ্ভুত সাজে সেজে সেখানে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু লোক। কচ্ছপ সেজেছে তারা। মাথা-মুখ থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত প্রায় উলঙ্গ শরীরের সর্বত্রই রং-মাখা। বুক-পেটের দিকে কচ্ছপের মতোই হলদেটে-সাদা রং। আর দেহের পিছনের অংশে কালচে-সবুজ রং। লোকগুলোর প্রত্যেকের পিঠেই কচ্ছপের খোল বাঁধা। আর হাতে ধরা আছে একটা করে ছোট কচ্ছপের খোল আর এক টুকরো কাঠ। প্রধান পুরোহিত দং-পেঙও আছে সেখানে। তার পিঠে নয়, বুকে বাঁধা আছে সোনার পাত বসানো একটা কচ্ছপের খোল। পুরোহিতের গলা-হাত ইত্যাদিও স্বর্ণালঙ্কারে ভূষিত। গম্ভীর মুখে সে ব্যবস্থাপনার তদ্বির করছে। আরও বেশ কিছু গ্রামবাসী রয়েছে সেখানে। তারা বর্শাধারী, পরনে রংচঙে পোশাক। ভিড়ের মধ্যে থেকে কূর্ম দেবতার পুরোহিত দেখতে পেলেন সুদীপ্তদের। যারা সুদীপ্তদের নিয়ে এসেছিল তাদের উদ্দেশে সে কী যেন বলল, সুদীপ্তদের সে জায়গার একদম কাছে যেতে দেওয়া হল না। জায়গাটার বেশ কিছুটা তফাতে পাড়ের ওপরের দিকে একটা শোয়ানো গাছের গুঁড়ির ওপর তাদের বসানো হল।

    পাহাড়ের আড়ালে সূর্য ডুবে গেল। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। পুরোহিত দং-পেঙ আর কচ্ছপের মতো সাজা লোকগুলো ছাড়া অন্য গ্রামবাসীরা জলের ধার থেকে উঠে এসে সুদীপ্তদের ঘিরে বসল। জলের ধারে পুরোহিতকে মাঝখানে রেখে সার বেঁধে দাঁড়াল কচ্ছপ মানুষরা। অন্ধকার নামতে থাকার সঙ্গে সঙ্গে জলের দিকে তাকিয়ে উদ্ভট সুরে একসঙ্গে কী যেন বলতে লাগল তারা। কচ্ছপ দেবতার আবাহন মন্ত্র বা সংগীত হবে। ক্রমশ কালো হয়ে উঠতে লাগল লেকের জল। একসময় কালো চাদরের পর্দার আড়ালে ঢেকে গেল সবকিছু। সুদীপ্তদের কানে শুধু আসতে লাগল কচ্ছপ দেবতার আবাহন সংগীত!

    সংগীত। একবার তা চড়া হচ্ছে, আবার পরমুহূর্তে খাদে নেমে যাচ্ছে। অদ্ভুত এক আবাহন তারপর ধীরে ধীরে একসময় অন্ধকারের পর্দা সরে যেতে লাগল। চাঁদ উঠতে শুরু করল। তার আলো খেলতে শুরু করল লেকের জলে।

    সবকিছু স্পষ্ট হবার পর হঠাৎই উচ্চাঙ্গে উঠে থেমে গেল সেই আবাহন ধ্বনি। সার ভেঙে লোকগুলো একে একে গিয়ে উঠে বসল অর্ধবৃত্তাকারে সাজিয়ে রাখা কাঠের গুড়িগুলোর ওপর। পিছন থেকে তাদের দেখে মনে হচ্ছে তারা এক একজন যেন এক একটা কচ্ছপ! পুরোহিত মাটিতে রাখা পুজার উপাচারের মধ্যে থেকে একটা থালা তুলে নিল। তার মধ্যে রাখা আছে বলের মতো একটা কিছু। দূর থেকে দেখে সুদীপ্তদের অনুমান হল সেটা কোনো খাবারের মণ্ড হবে। যা দেওয়া হবে দেবতা কিম কুঈকে। থালাটা হাতে নিয়ে পুরোহিত ধীরে ধীরে জলে নেমে গিয়ে কোমর জলে দাঁড়ালেন। থালাটা জলের দিকে তুলে ধরলেন নিবেদনের ভঙ্গিতে। আর কচ্ছপ মানুষগুলো তাদের হাতে ধরা ছোট কচ্ছপের খোলগুলোর ওপর কাঠ দিয়ে আঘাত করে এক অদ্ভুত ট্যাপ, ট্যাপ’ ছন্দোবদ্ধ বাজনা বাজাতে শুরু করল ধীরে ধীরে। তবে কি মাহেন্দ্রক্ষণ সমাগত। সুদীপ্তরা দমবন্ধ করে চেয়ে রইল পুরোহিত যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সেদিকে।

    চাঁদ ক্রমশ মাথার ওপর উঠতে শুরু করল। একইভাবে পাথরের মূর্তির মতো জলে দাঁড়িয়ে আছে পুরোহিত দং-পেঙ। বাদ্যকাররা খোলা বাজিয়ে চলেছে—ট্যাপট্যাপ-ট্যাপট্যাপ! এছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। সুদীপ্তদের চারপাশের লোকজনও নিশ্চুপভাবে তাকিয়ে জলের দিকে। দেবতা কিম কুঈ-এর দর্শনের প্রতীক্ষায়। সময় এগোতেই থাকল।

    এভাবে ঘণ্টা তিনেক সময় কেটে গেল একসময়। চাঁদ ঠিক মাথার ওপর উঠল। কিন্তু কচ্ছপ দেবতার দেখা নেই। হ্রদের জল শান্ত। কাছে বা দূরে জলে কোথাও আলোড়ন দেখা যাচ্ছে না। রাত বাড়তে লাগল। সুদীপ্তরা বুঝতে পারল যে তাদের চারপাশের লোকগুলো যেন কেমন চঞ্চল হয়ে উঠেছে। উৎকণ্ঠা ফুটে উঠতে শুরু করেছে তাদের মুখে। তবে কি কচ্ছপ দেবতা আসবেন না? বাজনারও যেন তাল কাটতে শুরু করল একসময়। তারপর একসময় সুদীপ্তরা দেখল কিছুটা হতাশভাবে জল ছেড়ে উঠে আসছে দং-পেঙ। হতাশা নামছে সুদীপ্তদের মনেও। তবে কি দেখা হল না তাকে? জল ছেড়ে উপরে উঠে পুরোহিত তাঁর সঙ্গীদের উদ্দেশে বলল, ‘মন্দির থেকে দেবতার তরবারিটা নিয়ে এসো। হয়তো সে তরবারি তিনি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চান। সেটা তাঁকে উৎসর্গ না করলে তিনি আসবেন না।’ তাঁর কথাটা সুদীপ্তদের তর্জমা করে দিল ডেং-ফু।

    তাঁর কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দুজন লোক ছুটল মন্দিরের দিকে। উৎকণ্ঠিত হয়ে উঠেছে চারপাশের জনতা। আশঙ্কা, ভয় ফুটে উঠেছে তাদের মুখে। দেবতা দর্শন না দিলে যে হ্রদের জল শুকিয়ে যাবে। মহামারী হবে।

    লোকগুলোর সেই ছুরি বা তলোয়ার নিয়ে ফিরে আসার প্রতীক্ষা করতে লাগল সবাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই যারা তরবারি আনতে গেছিল তারা ছুটতে ছুটতে ফিরে এল। তারা যা বলল, তাতে আঁতকে উঠল পুরোহিতসহ সবাই। ফুলমালা চাপা দেওয়া ছুরিটা নাকি মন্দিরে নেই! সেটা পাওয়া যাচ্ছে না!

    তবে কী হবে? ভয়ার্ত চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হল জনতার মধ্যে। পুরোহিত আর তার সঙ্গীরাও উঠে এল জলের ধার থেকে। হঠাৎ একজন বলে উঠল, ‘এ নিশ্চয় ওয়াং-এর কীর্তি। ও মানুষ নয়, ও জলের প্রেত। ওকে আটক করা হয়েছে বলে ও মন্ত্রবলে অদৃশ্য করেছে দেবতার ছুরি।’

    অন্য একজন বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, ছেলেটা মানুষ নয়, প্রেত। নইলে কেউ জলের নীচে ওভাবে থাকতে পারে?’

    আর তারপরই যেন আতঙ্কে কেমন হিংস্র-উন্মত্ত হয়ে উঠল জনতা। একজন বলল, ভয়ংকর বিপর্যয় নেমে আসতে চলেছে, লেকের জল শুকিয়ে যাবে এবার। ছেলেটা আমাদের এত বড় ক্ষতি করল! ওকে মন্দিরের কচ্ছপ চৌবাচ্চায় চুবিয়ে মারতে হবে।’ পুরোহিত দং-পেঙ এবার হিংস্রভাবে বলে উঠল, ‘ও জলের প্রেত। জলে চোবালে ওর কিছু হবে না। ওকে পুড়িয়ে মারতে হবে।’

    হিংস্র জনতা সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে উঠল, ‘পুড়িয়ে মারো, পুড়িয়ে মারো!’ তারপর তারা ছুটতে শুরু করল কচ্ছপ দেবতার মন্দিরের দিকে।

    পুরো ঘটনাটার প্রাথমিক বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে উঠে হেরম্যান বলে উঠলেন, ‘আমাদের দেবতা দেখা হোক বা না হোক বাচ্চা ছেলেটাকে যেভাবেই হোক বাঁচাতে হবে। ছুরিটা সম্ভবত মঙ-ই নিয়েছে। হয়তো বা পুরোহিত ব্যাপারটা আন্দাজ করে নিজের ছেলেটাকে বাঁচাবার জন্য বাচ্চাটার প্রাণ নিতে যাচ্ছে।’ কথাগুলো বলে হেরম্যান ছুটলেন মন্দিরের দিকে ধাবমান লোকগুলোর পিছনে। পিঠে রুকস্যাক ফেলে সুদীপ্ত আর ডেং-ফুও দ্রুত অনুসরণ করল তাঁকে।

    লোকগুলো পুরোহিত সমেত সুদীপ্তদের মিনিটখানেক আগেই মন্দিরে প্রবেশ করেছিল। সুদীপ্তরা যখন সেখানে গিয়ে পৌঁছল তখন মন্দিরসংলগ্ন চৌবাচ্চার ধারগুলো মশালের আলোতে আলোকিত। মন্দিরের থামগুলোর গায়ে মশাল জ্বালানো হয়েছে। কাঠের সাঁকোটা পেরিয়ে মন্দিরের প্রবেশমুখে পৌঁছল সুদীপ্তরা। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দাঁড়িয়ে কচ্ছপ মানুষরা। তারা তাকিয়ে আছে মন্দিরের ভিতর দিয়ে। হিংস্র ভাব ফুটে উঠেছে তাদের চোখে। সুদীপ্তদের উপস্থিতি প্রথমে গ্রাহ্যই করল না তারা।

    আর এরপরই মন্দিরের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল পুরোহিত দং-পেঙ, তার ছেলে মঙ আর একজন—সেই বাচ্চা ছেলেটা। মঙ শক্ত করে ধরে রেখেছে ওয়াং-এর হাতটা। কাঁপছে বাচ্চাটা। মঙ-এর তত্ত্বাবধানেই রেখে যাওয়া হয়েছিল ওয়াংকে। তাকে বাইরে আনার পর সর্বসমক্ষে কর্তব্য সম্পাদনের অছিলায় পুরোহিত দং-পেঙ জিগ্যেস করল—‘বল দেবতার তরবারিটা কোথায়?’

    বাচ্চা ছেলেটা ভয়ার্ত ভাবে বলে উঠল, ‘সত্যি বলছি। আমি তরবারি নিইনি।’  মঙ এবার ছেলেটার মাথা সজোরে একটা স্তম্ভর মাথায় ঠুকে দিয়ে বলল, ‘তুই জানিস কোথায় সেই তরবারি। বল? বল?’

    ওয়াং আবার ভয়ার্ত কন্ঠে আর্তনাদ করে বলে উঠল, ‘আমি জানি না, আমি জানি না।

    ডেং-ফুর মাধ্যমে সুদীপ্ত এবার বলে উঠল, ‘তোমরা এই বাচ্চা ছেলেটাকে এমনভাবে মারছ কেন? ও তো বলছে তরবারি ও নেয়নি।’

    কচ্ছপ দেবতার পুরোহিত এবার বলে উঠল, ‘তোমরা বিদেশি। আমাদের ব্যাপারে নাক গলিও না তোমরা। এখনই তোমরা এ মন্দির ছেড়ে চলে যাও। গ্রাম ত্যাগ করো। তোমাদের থাকতে দেওয়াই আমার ভুল হয়েছে।’

    সমবেত কচ্ছপ দেবতার উপাসকরা এবার চিৎকার করে বলে উঠল, ‘মন্দির থেকে

    নিয়ে চল ছেলেটাকে। ওকে এখনই পুড়িয়ে মারব গ্রামের মাঝখানে।’

    হেরম্যান এবার আর চুপ থাকতে পারলেন না। তিনি বলে উঠলেন, ‘ছুরি বা তরবারিটা এই বাচ্চা ছেলেটা নেয়নি। ওটা গতকাল দুপুরে মঙ আমাদের কাছে বিক্রি করতে নিয়ে গেছিল। আমরা জিনিসটা কিনতে রাজি হইনি।’

    এই আশ্চর্যজনক কথা শুনে হঠাৎ থেমে গেল কচ্ছপ দেবতার উপাসকরা। মঙও কেমন হতভম্ব হয়ে গেল। আর এরপরই মঙ-এর উদ্দেশে আসল বোমাটা ফাটাল ডেং-ফু। সে সবাইকে চমকে দিয়ে বলে উঠল, ‘তোমাকে এবার আমি চিনতে পেরেছি মঙ। তোমার নামে হুলিয়া বেরিয়েছে শহরে। হ্যানয় শহরের ল্যাম্পপোস্টে তোমার ছবি আঁকা পোস্টার সাঁটা হয়েছে! মাঝরাতে হ্যানয় শহরে ডাকাতি করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীকে গুলি করে এখানে পালিয়ে এসেছ তুমি। তোমার শাগরেদরা ধরা পড়লেও তুমি পালিয়েছ!’

    কথাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই যেন হাঁ হয়ে গেল মঙ-এর মুখটা। কয়েক মুহূর্তের জন্য ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল সে। আর হঠাৎই সে সুযোগটা কাজে লাগাল ছেলেটা। হঠাৎ সে কামড় বসিয়ে দিল মঙ-এর হাতে। হাত খসে গেল মঙের। আর সবাই কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাচ্চাটা দুজন কচ্ছপ মানুষের ফাঁক গলে ঝাঁপ দিল পরিখার জলে। কচ্ছপ মানুষরা এবার দৌড়াল সাঁকোর দিকে যাতে বাচ্চাটাকে ধরা যায়। কিন্তু তারা ওপারে পৌঁছবার আগেই পরিখাটা অসম্ভব দ্রুতগতিতে সাঁতরে পার হল বাচ্চাটা। তারপর জল ছেড়ে উঠে তিরগতিতে ছুটল পালাবার জন্য। সাঁকো পেরিয়ে দু-তিনজন কচ্ছপ মানুষ পিছু ধাওয়া করল ওয়াং-এর। অন্ধকারে হারিয়ে গেল তারা।

    পুরো ব্যাপারটা ঘটতে সম্ভবত দশ সেকেন্ড সময় লাগল। আর মঙও তার আসল রূপ ফিরে পেল। সে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘নিজেদের বাঁচাবার জন্য মিথ্যা বলছে এ বিদেশিরা। ওয়াং ওদেরকে ছুরিটা দিয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় আমি দূর থেকে দেখেছি ওয়াং-এর সঙ্গে হ্রদের পাড়ে জঙ্গলের ধারে কথা বলছিল বিদেশিরা। আরও দেখেছি হ্রদের পাড় থেকে ফেরার পর বাইরের ছাদে খড়ের ভিতর কী যেন একটা লুকিয়ে রাখল এই বিদেশিরা। সম্ভবত দেবতার সেই তরবারি হবে হয়তো। জিনিসটা মনে হয় এখনও সেখানেই আছে। এ লোকগুলো যেন পালাতে না পারে। দেবতার ছুরি চুরি করতেই এরা এখানে এসেছে।’

    হেরম্যান ডেং-ফুর মাধ্যমে কথাটা বুঝতে পেরে বলে উঠলেন, ‘মঙ মিথ্যা বলছে। আমরা ও ছুরি বা তরবারি নিইনি।’ কিন্তু মঙের কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বর্শাধারী কয়েকজন কচ্ছপ মানুষ ঘিরে ধরল সুদীপ্তদের। আর কয়েকজন লোক সাঁকো পেরিয়ে ছুটল সেই ঘরের দিকে যেখানে ছিল সুদীপ্তরা। মশালের আলোতে ঝিলিক দেওয়া একঝাঁক বর্শার চক্রব্যূহতে দাঁড়িয়ে রইল সুদীপ্তরা তিনজন।

    কিছু সময়ের মধ্যেই ফিরে এল যারা সেই ঘরের দিকে গেছিল তারা। আর তাদের সঙ্গে যারা ওয়াং-এর পিছু ধাওয়া করেছিল তারাও। ওয়াংকে ধরা যায়নি, সে ঝাঁপ দিয়েছে লেকের জলে। কিন্তু মঙ-এর কথা সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। বড় আকারের ছুরিটা বা দেবতা কিম কুঈ-এর তরবারি খুঁজে পাওয়া গেছে সুদীপ্তদের ঘরের চাল থেকেই। ছুরিটা লোকগুলো তুলে দিল পুরোহিতের হাতেই। সেটা দেখার সঙ্গে সঙ্গে ধূর্ত শ্বাপদের হাসি ফুটে উঠল মঙ-এর মুখে। হেরম্যান বলে উঠলেন, ‘আমরা এ ছুরি লুকাইনি। মঙই আমাদের ফাসাবার জন্য ছুরিটা খড়ের আড়ালে লুকিয়েছিল।’

    কিন্তু হেরম্যানের কথায় কর্ণপাত করল না কেউ। মঙ বলে উঠল, ‘এই চোরদের শাস্তি দিতে হবে।’

    কচ্ছপ দেবতার উপাসকরা বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, শাস্তি দিতে হবে। শাস্তি দিতে হবে। এদের পাপেই হয়তো দেখা দিচ্ছেন না দেবতা। হ্রদের জল শুকিয়ে যাবে, মহামারী নেমে আসবে দেবতার অভিশাপে।

    কিন্তু, কী শাস্তি? কী শাস্তি?

    কিছুক্ষণের মধ্যেই অবশ্য শাস্তির বিধান আর তাদের আগামী কর্মপন্থা ঠিক করে দিল কর্ম দেবতার মন্দিরের পুরোহিত আর মঙ। সূর্যোদয় হলে সুদীপ্তদের নামিয়ে দেওয়া হবে কচ্ছপ পরিখায়। তারপর দেবতার তরবারি নিয়ে সবাই যাবে হ্রদের ধারে। দিন-রাত ধরে চলবে দেবতা কিম কুঈ-এর আবাহন। যতক্ষণ, যতদিন তিনি দেখা না দেন। তিনি দেখা না দিলে যে ভয়ংকর কাণ্ড ঘটবে! কচ্ছপ দেবতার উপাসকরা সুদীপ্তদের কোনো কথাই শুনল না। তাদের ঘেরাটোপে বাকি রাত আটকে রইল সুদীপ্তরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }