Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ১৩

    ১৩

    সকালের আলোতে ঝলমল করছে দ্বীপ। গাছে গাছে পাখি ডাকছে। সূর্যের আলো ঝিলিক দিচ্ছে তাদের নানা রঙের ডানাতে। দ্বীপে অধিকাংশ গাছেই হল নারকেল আর প্রসলিন গাছ। প্রসলিন হল এক ধরনের পাম গাছ। এ ছাড়া নানা ধরনের অর্কিডও আছে। উঁচু-নিচু জমি। মাঝে মাঝেই গ্রানাইট পাথরের দেওয়াল। সমুদ্রের জল আছড়ে পড়ছে তার গায়ে। কোথাও আবার লাফ দিয়ে পেরিয়ে যাওয়া যায় এমন ছোট নালা গ্রানাইটের ফাটল ভেদ করে অন্য দিকে হারিয়ে গেছে। দ্বীপটাকে লম্বালম্বি ভাবে চিরে অন্য পাশে যাবার জন্য এগোতে থাকল তারা। কিডের মুখে বেশ খুশি খুশি ভাব। হাতে একটা লাঠি নিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সে হাঁটছে। মার্লিনের কাঁধে বসা পাখিটা অবিশ্রান্ত ভাবে বকবক করে চলেছে। কখনও সে বলছে—

    ‘ডি ডং ডিং ডং ডিং ডং বেল
    পাইরেটস চেস্ট ইন টারটেল শেল।’

    আবার কখনো সে বলছে, ‘কাট, কাট, ক্যাপ্টেনের মুন্ডু কাট।’

    মার্লিন একসময় তার চিৎকারে অতিষ্ঠ হয়ে পাখিটাকে ধমকে উঠে বলল, ‘এবার চুপ না হলে তোরই মুন্ডু কাটব।’

    পাখিটা তার কথায় সাময়িক চুপ করল ঠিকই, কিন্তু একটু পরই আবার শুরু করল, ‘ডিং ডং ডিং ডং ডিং ডং বেল….’ মার্লিনের মুখ দেখে ধ্রুবর মনে হল সে গভীরভাবে কী যেন ভাবছে। সম্ভবত গুপ্তধনের আশা এখনও সে ছাড়তে পারেনি। চলতে চলতে মার্লিন একসময় বলল, ‘বিয়ার্ডের শেষ কথাগুলো মনে হয় মিথ্যা নয়। হয়তো এ দ্বীপেই সেই গুপ্তধন আছে।’

    ধ্রুব হেসে বলল, ‘তা থাকলেও সঠিক জায়গা না জানলে এত বড় দ্বীপে তা খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।’

    মার্লিন হতাশা জড়ানো গলায় বলল, ‘এত কাছে এসে শুধু হাতে ফিরে যেতে হবে এটাই দুঃখের।

    ধ্রুব তাকে সান্ত্বনা দেবার ভঙ্গিতে বলল, ‘আমাদের প্রাণটা যে রক্ষা পেল এই ঢের! তাছাড়া কিডকে ফিরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কারটা তুমিই নিও। তার অঙ্ক কিন্তু কম নয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তুমিই তো উদ্ধার করলে ওকে।

    মার্লিন সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, ‘পুরস্কারের লোভে আমি কাজটা করিনি। করেছি একটা শিশুকে বাঁচাবার জন্য। গুপ্তধনের লোভ আমার আছে, সে ব্যাপারটা অন্য। আমি গরিব-ভবঘুরে নাবিকও হতে পারি, কিন্তু কিডকে ফিরিয়ে দিয়ে তার পরিবর্তে টাকা নিলে নিজের কাছে আমি ছোট হয়ে যাব। পুরস্কার আমি নেব না।’

    তার কথা শুনে তার পিঠ চাপড়ে ধ্রুব বলল, ‘তোমাকে আজ আবার নতুন করে চিনলাম।’

    নানা কথা বলতে বলতে এগিয়ে চলল তারা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাথার ওপর সূর্যও এগোতে লাগল তাদের সঙ্গে।

    দুপুর নাগাদ ধ্রুবরা তখন দ্বীপের মাঝামাঝি পৌঁছে গেছে, এমন সময় তাদের গতি রুদ্ধ হল। তাদের পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে গ্রানাইট পাথরের বিরাট এক দেওয়াল। উচ্চতায় তা অন্তত একশো ফুট হবে। মসৃণ দেওয়াল, ওপরে বেয়ে ওঠার জন্য একটুও খাঁজ নেই কোথাও। নারকেল গাছগুলোর মাথা ছাড়িয়ে সে দেওয়াল ওপরে উঠেছে। তার বিস্তৃতি দেখে মার্লিন বলল, ‘আমার অনুমান, এই প্রাকৃতিক দেওয়ালটাই দ্বীপটাকে পূর্ব-পশ্চিমে দুটো ভাগে ভাগ করেছে। দেওয়ালের একটা প্রান্ত সমুদ্রের ভিতর কিছুটা এগিয়ে গেছে। দেওয়ালে সেখানে সমুদ্রের জল আছড়ে পড়ে গুম গুম শব্দ করছে।

    জায়গাটা ভালো করে পরিদর্শনের পর মার্লিন মন্তব্য করল, ‘এ দেওয়াল অতিক্রম করতে না পারলে আমরা দ্বীপের ওপাশটা দেখতে পাব না। ওপাশে যাবার অন্য উপায় ভাবতে হবে।’

    ধ্রুব বলল, ‘ফিরে গিয়ে নৌকা নিয়ে এসে পাড় ঘেঁষে দ্বীপের অন্য প্রান্তে পৌঁছনো যায় না?’

    দেওয়ালের যে দিকটা সমুদ্রের ভিতর ঢুকে গেছে, সে দিকে আঙুল তুলে মার্লিন বলল, ‘দেখেছ, ওখানে সমুদ্রের জল কেমন ঘুরতে ঘুরতে বাড়ি খাচ্ছে! ওখানে হাল বা দাঁড় কিছুই কাজ করবে না। ও জায়গা অতিক্রম করতে গেলে সমুদ্রস্রোতে আমাদের নৌকাসুদ্ধ তুলে দেওয়ালে আছড়ে মারবে। কেউ বাঁচব না।’

    ধ্রুব বলল, ‘তবে কী করবে?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘আজ বরং এখানেই থাকি। দেখি কী উপায় বার হয়?’

    দেওয়ালের গায়েই নিচের দিকে এক জায়গাতে আশ্রয় নিল তারা। বিকেল হল একসময়। ধ্রুব, কিডের পাশে বসে বিকেলে রেডিও সেটটা আবার খুলল। যদি কোনো জাহাজকে পাঠানো যায় তাদের বার্তা। আগের দিনের মতোই বলতে শুরু করল, ‘আমি ভারতীয় জাহাজ ‘শ্রীগণেশে’র রেডিও অপারেটর ধ্রুব…।’ ইথার তরঙ্গে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্রে ছড়িয়ে যেতে লাগল সেই বার্তা। মার্লিন বেরোল আশপাশে একবার ঘুরে আসার জন্য। কিছুক্ষণ পর মার্লিন ফিরে এল একরাশ কচ্ছপের ডিম নিয়ে। সে বলল, ‘একটা নালার পাশে বালির গর্তে ডিমগুলো ছিল। একদম টাটকা ডিম। হয়তো কচ্ছপগুলোর প্রতি অবিচার

    হল। কিন্তু প্রাণরক্ষার জন্য কাজটা করতেই হল।’

    ধ্রুব বলল, ‘কিন্তু এত ডিম দিয়ে কী হবে?’

    মার্লিন বলল, ‘কিছুটা খেয়ে বাকিগুলো ওই সামনের জমিতে পুঁতে রাখব কালকের প্রাতরাশের জন্য?’

    মার্লিনের কথামতোই কাজ হল। কিছু ডিম বালিতে পুঁতে রাখা হল, বাকি ডিম সেদ্ধ করে ভরপেট খেয়ে পাথরের গায়ে হেলান দিয়ে বসে ধ্রুব আর মার্লিন দেওয়াল অতিক্রম করে ওপাশে যাওয়ার উপায় খুঁজতে বসল। আর কিড কিছুটা তফাতে বসল মার্লিনের পাখিটাকে নিয়ে। ইতিমধ্যেই পাখিটার সঙ্গে বেশ ভাব হয়ে গেছে কিডের। পাখিটাও কিডের নাম ধরে ডাকতে শুরু করেছে।

    কথা বলছিল ধ্রুব আর মার্লিন। নীল সমুদ্রে আবির গুলে সূর্যাস্ত হতে শুরু করেছে। হঠাৎ কিড মার্লিনের উদ্দেশে চিৎকার করে উঠল, ‘আরে দ্যাখো দ্যাখো, তোমাদের ডিম নিয়ে যাচ্ছে।’

    তার কথা শুনে চমকে উঠে ধ্রুবরা দেখতে পেল, কিছুদূরে যেখানে ডিমগুলো পোঁতা আছে, সেখানে বালি খুঁড়তে শুরু করেছে অনেকটা শেয়ালের মতো দেখতে একটা অচেনা প্রাণী! সবার অলক্ষে কখন যেন জায়গাটিতে পৌঁছে গেছে সে। এ দ্বীপে অনেক পাখি দেখতে পেলেও এই প্রথম অন্য কোনো প্রাণী দেখতে পেল তারা। মার্লিন উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাড়া করল তাকে। প্রাণীটা সোজা ছুটল দেওয়ালের গায়ে কিছুদুরে একটা ঝোপের দিকে। তারপরই সেখানে মিলিয়ে গেল। মার্লিন তার পিছু পিছু পৌঁছে গেছিল সে জায়গাতে। ঝোপঝাড় একটু নাড়াতেই হঠাৎ সেখানে বেরিয়ে পড়ল একটা ফাটল। অনায়াসে একজন মানুষ প্রবেশ করতে পারে সেখানে। ধ্রুব আর কিডও গিয়ে দাঁড়াল সেখানে। ফাটলটা দেখার জন্য মার্লিন একটা মশাল জ্বালাল। ফাটলের ভিতর দিয়ে একটা অন্ধকার গুহাপথ এগিয়েছে ওদিকে। তা দেখে মার্লিনের চোখে আশার ঝিলিক খেলে গেল। সে বলে উঠল, ‘হয়তো এই গুহাটাই আমাদের ওপাশে পৌঁছে দিতে পারে। কাল ভোরেই এখানে ঢুকব আমরা।’

    প্রচণ্ড উত্তেজনায় রাতে মাঝে মাঝেই ঘুম ভেঙে যাচ্ছিল ধ্রুবদের। পরদিন ভোরের আলো ফুটতেই মালপত্র নিয়ে গুহায় প্রবেশ করল তারা। মার্লিন বেশ কয়েকটা মশাল বানিয়ে নিয়েছে। তার আলোতেই এগিয়ে চলল তারা। গুহাটা সোজা এগিয়ে চলেছে। মাথার ওপর নিচু ছাদ। সঙ্কীর্ণ পরিসর হলেও পায়ের নিচের পথ মসৃণ বলে চলতে খুব একটা অসুবিধা হচ্ছে না। আর একটা ব্যাপার বাঁচোয়া যে গুহার অন্ধকার পরিবেশে মার্লিনের বুড়ো পাখিটা চুপচাপই রয়েছে। অন্য সময় হলে সে বকবক করে মাথা খারাপ করে দিত।

    মার্লিন বলল, ‘আমার ধারণা গ্রানাইটের পাহাড় ভেদ করে গুহা এগিয়েছে। এ ধরনের গুহাতেই একসময় জলদস্যুরা গুপ্তধনের সিন্দুক লুকিয়ে রাখত। এবং তা রক্ষা করার জন্য পাহারাদার নিযুক্ত করত। এই পাহারাদার নিয়োগের পদ্ধতি ছিল বড় অদ্ভুত। নিজেদের মধ্যে লটারি করে প্রথমে একজনকে নির্বাচিত করত তারা। সেই লোককে বলা হত দলের মধ্যে থেকে তার পছন্দ মতো কাউকে বেছে নিয়ে তার সঙ্গে পারকাসন বা তলোয়ারের ডুয়েল লড়তে। এ লড়াইতে পরাজিত ব্যক্তিই হত সিন্দুকের পাহারাদার। তাকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় বন্ধ সিন্দুকের ডালার ওপর বসিয়ে লোহার ভারী শিকল দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হত সিন্দুকের সঙ্গে। এরপর তার কোলে রাখা হত জলি রজার দিয়ে মোড়া একটা তলোয়ার। ক্যাপ্টেন অর্থাৎ জলদস্যু সর্দার তার মাথায় নিজের টুপি খুলে পরিয়ে দিয়ে বলতেন, ‘আজ থেকে তুমিই হলে ক্যাপ্টেন। তোমার অনুমতি ছাড়া কেউ যেন এ সম্পদ স্পর্শ না করতে পারে।’ এই বলে তার উদ্দেশে এক পিপে পানীয় উৎসর্গ করে গুহা ছেড়ে বেরিয়ে সমুদ্রে জাহাজ ভাসিয়ে দিত তারা। সেই ক্যাপ্টেন পাহারাদার ই নাকি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রক্ষা করত জলদস্যুদের সিন্দুক।’

    ধ্রুব হেসে বলল, ‘তা তুমি এ গুহায় সে রকম কোনো পাহারাদারের সাক্ষাৎ পাবে ভাবছ নাকি?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘আমার অনুমান ব্ল্যাক প্যারোটের গুপ্তধন অন্য কোনো কৌশলে লুকিয়ে রেখে গেছিল। তার সিন্দুক তো শূন্য অবস্থায় তার ভাঙা জাহাজেই পাওয়া গেছিল।’

    ধ্রুব বলল, ‘আচ্ছা, যা শুনেছি ব্ল্যাক প্যারোটের দেহ তো সে জাহাজে পাওয়া যায়নি। এমনও তো হতে পারে যে ব্ল্যাক প্যারোট পরবর্তীকালে এ গুপ্তধন নিজেই নিয়ে যায়।

    মার্লিন জবাব দিল, ‘তা সম্ভবত নয়। তাহলে বিয়ার্ড এ অভিযানে শামিল হত না।’

    এরকম নানা কথা বলতে বলতে এগোতে থাকল তারা। বাইরে আলোর তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গুহার ভিতরের অন্ধকারও যেন অনেকটা হালকা হয়ে এল। মাঝে মাঝে ছাদের ফাটল বেয়ে বাইরের আলো ঢুকছে ভিতরে। কিন্তু চলার যেন বিরাম নেই। একসময় ধ্রুবর যেন মনে হতে লাগল এ গুহা কোনোদিন শেষ হবে না। ধ্রুব হিসাব করে দেখল ইতিমধ্যে ঘণ্টা পাঁচেক কেটে গেছে। সে অধৈর্য হয়ে বলল, ‘এ গুহা আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? আমার তো মনে হয় পিছনে ফেরা ভালো।’

    মার্লিন বলল, ‘আরও কিছুটা দেখা যাক। খেয়াল করে দেখো, অতি সামান্য হলেও মেঝেটা কিন্তু ক্রমশ ঢালু হয়ে চলেছে। এ সব দ্বীপ সাধারণত একদিক উঁচু অন্য দিক নিচু হয়, এসবও হতে পারে এ গুহাপথ সরাসরি দ্বীপের অপর প্রান্তে পৌঁছেছে।’

    আরও কিছুক্ষণ চলার পর হঠাৎ পাশের নিচে পুরু সাদা কিছুর আস্তরণ দেখা যেতে লাগল। মার্লিন জিনিসটা পরীক্ষা করে বলল, ‘লবণ। তার মানে সমুদ্রের জল আসে বা আসত ওখানে।’

    আর এর অল্পক্ষণের মধ্যেই গুহাপথ হঠাৎ প্রশস্ত হতে শুরু করল। শেষপর্যন্ত তারা পৌঁছে গেল বিরাট হলঘরের মতো জায়গাতে। কোথা থেকে যেন আলো ঢুকছে সেখানে। আর পাথুরে দেওয়ালের বাইরে থেকে কীসের যেন অস্পষ্ট একটা শব্দ ভেসে আসছে। বিশালাকৃতির প্রাকৃতিক পাথুরে ঘরটার মেঝেটা যেন একটা চৌবাচ্চার মতো। হাঁটু সমান জল সেখানে। আলো যেখান থেকে আসছে কয়েক মুহূর্তের মধ্যে সে জায়গাটা আবিষ্কার করে ফেলল তারা। সেই চৌবাচ্চা উলটো দিকে যেখানে শেষ হয়েছে সেখানে দরজার মতো একটা ফাটল। লোহার গরাদ বসিয়ে তার মুখ বন্ধ করা। মার্লিন বিস্মিতভাবে বলল, ‘ওখানে লোহার দরজা কেন? এখানে মানুষের আসা-যাওয়া আছে নাকি?’ একটা গোলাকার পাথরের খণ্ড জলের ভিতর থেকে জেগে আছে সেই গরাদের সামনে। কিডকে পিঠে তুলে নিয়ে মার্লিনের সঙ্গে জলে নেমে গরাদের দিকে এগোল ধ্রুব। তার কাছাকাছি পৌঁছতেই তারা দেখতে পেল বাইরের রৌদ্রস্নাত বালুতট। সেই শব্দটা আরও তীব্র হচ্ছে। সমুদ্রর গর্জন।

    আদ্যিকালের পুরানো জং ধরা লোহার গরাদ। তার নিচের অংশটা অনেকটা জল খেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। একটা বড়ফাঁক তৈরি হয়েছে সেখানে। গরাদের একদম কাছাকাছি পৌঁছতেই তাদের চমকে দিয়ে গরাদের সামনের সেই জলে ডোবা পাথরটা হঠাৎ নড়ে উঠল। পাথরটা ভালো করে খেয়াল করতেই তারা বুঝতে পারল, ওটা আসলে পাথর নয়, দানবাকৃতির এক সামুদ্রিক কচ্ছপের পিঠ। এতবড় কচ্ছপ এর আগে কোনোদিন দেখেনি। বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে মার্লিন বলল, ‘গরাদের ওই নিচের ফাঁকা অংশ দিয়ে ভিতরে ঢুকে বেচারা সম্ভবত ভিতরে আটকে গেছে।’ বাইরে বেরোবার জন্য ধ্রুবরা গরাদ ধরে ঝাঁকাতেই জং ধরে পচে যাওয়া বহু প্রাচীন লোহার দরজা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল। বাইরে বেরিয়ে আসতেই ধ্রুবরা দেখতে পেল কিছুদূরেই বালুতটে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের ঢেউ। আর মাথার ওপর রৌদ্রোজ্জ্বল নীল আকাশ। আরও একটা অদ্ভুত জিনিস তারা দেখতে পেল। বিস্তীর্ণ সমুদ্র তটে যতদূর চোখ যায় বালিতে শুয়ে আছে অগুনতি সামুদ্রিক কচ্ছপ। হয়তো তাদের সংখ্যা কয়েক হাজার হবে। তাদের মধ্যে কেউ আবার নড়ে চড়ে বেড়াচ্ছে, কেউ আবার বালি খুঁড়ে তাতে ডিম দিচ্ছে। কিড মহানন্দে ছোটাছুটি শুরু করল কচ্ছপের ঝাঁকের মধ্যে। মার্লিনের বুড়ো পাখিটা এতক্ষণ পর আলো দেখে উৎকুন্ন হয়ে মাথার ওপর উড়তে উড়তে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে হাঁকডাক শুরু করল। মার্লিন বলল, ‘ধ্রুব তোমার মনে আছে সেসেজের কাছাকাছি কচ্ছপেরা বিয়ার্ডের জাহাজের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল? এরা মনে হয় তারাই। এ দ্বীপেই তখন তারা আসছিল।’

    ধ্রুব বলল, ‘এদের দেখে আমারও তাই মনে হচ্ছে। এখানে ডিম দিতে এসেছে ওরা।’

    বালুতটে মালপত্র নামিয়ে সেখানে থাকার ব্যবস্থা শুরু করল তারা।

    .

    বিকেলবেলা বালুতটে বসে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে গল্প করছিল ধ্রুব আর মার্লিন। মার্লিন বলল, ‘এখানে কতদিন বসে জাহাজের প্রতীক্ষা করতে হবে কে জানে? তবে জায়গাটা মন্দ নয়। নারকেল আছে, কচ্ছপের ডিম আছে, না খেয়ে অন্তত মরতে হবে না। তাছাড়া এ দ্বীপে কোনো হিংস্র প্রাণী আছে বলে মনে হয় না। সেদিক থেকে বিপদের আশঙ্কা নেই।’

    ধ্রুব রেডিও যন্ত্রটা নাড়াচাড়া করতে করতে বলল, ‘এ দ্বীপে জাহাজের স্বাভাবিক যাত্রাপথে পড়ে না। এক যদি আমাদের রেডিও বার্তা কোনো জাহাজ শুনতে পেয়ে আমাদের উদ্ধার করতে আসে।’

    কথা বলছিল তারা। এমন সময় কিড বলল, ‘ওই দেখো বড় কচ্ছপটা গুহার বাইরে বেরিয়ে এসেছে।’

    ধ্রুব তাকিয়ে দেখল সত্যি প্রাণীটা বেরিয়ে এসে গুটি গুটি পায় ঘোরাফেরা করছে বালিতে। প্রকাণ্ড কচ্ছপ। বালুতটে যারা শুয়ে আছে তারাও বিরাটাকৃতি হলেও আকারে এ কচ্ছপটা তাদের প্রায় তিনগুণ। সে এতই বিশাল যে ওর পিঠে চড়ে বসতে পারে কোনো লোক।

    ধ্রুব মন্তব্য করল, ‘অদ্ভুত প্রাণী।’

    মার্লিন বলল, ‘আমি বইতে পড়েছি, সেসেজ দ্বীপপুঞ্জের কোনো কোনো দ্বীপে নাকি জায়েন্ট টারটেল পাওয়া যায়। এটা মনে হয় সেই প্রজাতিরই হবে। বহু বছর বাঁচে এরা।

    ধ্রুব বলল, ‘আমাদের কলকাতার চিড়িয়াখানায় এরই এক জ্ঞাতি ভাই ছিল। তার নাম ছিল ‘অদ্বৈত’। সেটা দুশো পঞ্চান্ন বছর বেঁচেছিল।’

    কিড তাদের কথা শুনে বলল, ‘সেই দুষ্টু লোকটাও আমাকে এরকম প্রকাণ্ড কচ্ছপের পিঠে চড়াবে বলেছিল।’

    মার্লিন হেসে তাকে বলল, ‘দেখো, এ কচ্ছপটা হয়তো সেটাই হতে পারে। ঘুরতে ঘুরতে তোমাকে খুঁজতে এখানে চলে এসেছে।’

    কিড বলল, ‘আমি ওর পিঠে চড়ব?’

    ধ্রুব হেসে বলল, ‘যাও।’

    কিড সঙ্গে সঙ্গে ছুটে গিয়ে তার পিঠে চেপে বসল। দৈত্যাকৃতির কচ্ছপটার যেন কোনো মালুমই হল না তাতে। কিডকে পিঠে নিয়ে মন্থরগতিতে ঘুরে বেড়াতে লাগল সে। ধ্রুবরা আবার নিজেদের আলোচনায় মন দিল।

    .

    কচ্ছপের পিঠে চেপে মহানন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছিল কিড। আর মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে নানারকম শব্দ করছিল। কিডের কাঁধে এসে বসেছে মার্লিনের পাখিটা। সেও মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছে কচ্ছপটার উদ্দেশে। বেশ মজার দৃশ্য। ধ্রুব মার্লিনকে বলল, ‘একটা ক্যামেরা থাকলে ছবি তুলে রাখতাম।’

    ঠিক এই সময় কিড হঠাৎ বলল, ‘আরে, কচ্ছপটার পিঠে কী যেন লেখা আছে!’

    কচ্ছপের পিঠে লেখা! কথাটা ধ্রুবদের কানে যেতেই কৌতূহলী হয়ে কিডের কাছে উপস্থিত হল তারা। কিড কচ্ছপটার পিঠ থেকে নেমে খোলের ওপর একটা জায়গা দেখিয়ে বলল, ‘এই দেখো—’

    কিডের জুতোর ঘষায় কচ্ছপটার পিঠে জমে থাকা শ্যাওলার স্তর এক জায়গাতে কিছুটা উঠে গেছে। আর তার ভিতর থেকে সত্যিই যেন উঁকি দিচ্ছে কয়েকটা ইংরেজি হরফ! অদ্ভুত ব্যাপার!

    মার্লিন তাড়াতাড়ি একমুঠো বালি তুলে নিয়ে সে জায়গাতে ঘসতেই সে জায়গা পরিষ্কার হয়ে গেল। তার ভিতর অস্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠল কয়েকটা অক্ষর। একটা নাম—ওশান হার্ট!’

    মার্লিন সঙ্গে সঙ্গে বেশ উত্তেজিত হয়ে তার মাথার ছোট কচ্ছপের খোলটা খুলে সেটা ধ্রুবর হাতে দিয়ে বলল, ‘কচ্ছপের পিঠে লেখা নামটা তো আমার খোলে প্রথমেই লেখা আছে। এই দেখো—‘ক্যাপ্টেন প্যারোট—ওশান হার্ট!’

    ধ্রুব বলে উঠল—আশ্চর্য ব্যাপার!’

    সঙ্গে সঙ্গে তারা পরীক্ষা করতে লাগল কচ্ছপের পিঠের সে জায়গাটা। আর এরপরই তারা ধরতে পারল কচ্ছপের পিঠে সে জায়গাতে খোলের একটা ছোট প্লেট খুলে নিয়ে সেখানে বসানো হয়েছে একটা ধাতব প্লেট। নামটা তার ওপরই লেখা। এত নিখুঁত ভাবে প্লেটটা বসানো হয়েছে যে পিঠের অন্য প্লেটগুলোর থেকে তাকে চট করে আলাদা করা যায় না। মার্লিন একটা ছুরি দিয়ে খুব সাবধানে সেই ধাতব প্লেটটা খোলার চেষ্টা করতে লাগল। উত্তেজনায় তার হাত কাঁপছে। ধ্রুবও বেশ উত্তেজিত। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটা খুলে উঠে এল মার্লিনের হাতে। পাতটার উল্টোদিকে আটকানো ঠিক দেশলাই বাক্সর আকারের একটা ছোট ধাতব বাক্স। যেটা পাতের আড়ালে লুকানো ছিল কচ্ছপের খোলের মধ্যে। ছোট্ট বাক্সটার গায়ে খোদিত আছে জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের প্রতীক চিহ্ন-কালো টিয়ার ছবি।

    কাঁপছে। বাক্সটা খুলে ফেলল ধ্রুব। তার ভিতর থেকে বেরিয়ে এল পায়রার ডিমের মতো বাক্সসমেত প্লেটটা মার্লিন কাঁপা কাঁপা হাতে এগিয়ে দিল ধ্রুবর দিকে। ধ্রুবর হাত একটা পাথর। জল দিয়ে পাথরটা ধুয়ে হাতের চেটোয় মেলে ধরতেই শেষ বেলার সূর্যের আলোতে ঝলমল করে উঠল সেটা। — হার্ট অব দি ওশান। জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের গুপ্তধন!

    বিস্ময়ে তাদের দুজনেরই কেউ কথা বলতে পারছে না। বিস্ময়ের ঘোর কাটিয়ে মার্লিন অবশেষে বলল, ‘আমার বুড়ো পাখিটার ছড়ার অর্থ এবার বুঝতে পারলাম। সরাইখানার সেই বৃদ্ধ নিজে গুপ্তধন উদ্ধার করতে না পারলেও কীভাবে সেগুলো লুকানো আছে তা জানতেন। তাই ছড়াটা শিখিয়েছিলেন। ব্যাপারটা মোটামুটি বুঝতে পেরেছি আমি। জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোট শেষ গেছিল অ্যামস্টেলে। অ্যামস্টেল আমস্টারডামের প্রাচীন নাম। ধীরে বেচাকেনার প্রাচীন কেন্দ্র। সেখানে তিনি তাঁর সিন্দুকের সম্পদের বিনিময়ে সংগ্রহ করেন দুর্মূল্য কিছু রত্ন। যা লুকিয়ে রাখা সহজ। হার্ট অব দি ওশান’, ‘সি কুইন’, ‘ কিং অব মাদাগাস্কার’–এ সবই হল বিভিন্ন রত্নর নাম। এ দ্বীপে এসে তারপর ব্ল্যাক প্যারোট অদ্ভুত কৌশলে রত্নগুলো কচ্ছপের খোলে লুকিয়ে রেখে যান। এক একজন জলদস্যুর প্রাপ্য ভাগ এক একটা কচ্ছপের খোলে।’ কথাগুলো বলে মার্লিন উল্লসিত ভাবে বলে উঠল, ‘যাক মার্লিন থমসন শেষ পর্যন্ত তার সম্পদ পেল! এবার বড়লোক হয়ে যাব আমরা!’

    ‘থমসন! মার্লিন থমসন?’

    ধ্রুব প্রশ্নটা করতেই এত আনন্দের মধ্যেও যেন হঠাৎ ফ্যাকাসে হয়ে গেল মার্লিনের মুখ। সে বলার চেষ্টা করল—’মানে ইয়ে…।’

    ধ্রুব হেসে বলল, ‘সন্দেহটা কিন্তু আগেই আমার হয়েছিল। তারপর কাল ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড যখন কথা বলছিল তখন তোমার নামের ব্যাপারেও একটা ইঙ্গিত দিয়েছিল। তুমি নিশ্চয়ই জলদস্যু ফায়ার থমসনের বংশধর? পাছে আমার সন্দেহ হয় তাই তোমার পদবি আমার কাছে গোপন করেছিলে। আমার ধারণা এডেন বন্দরের সেই বৃদ্ধও তোমার কেউ হতেন। আমার অনুমান কি ঠিক?’

    মার্লিন প্রথমে লজ্জিত ভাবে বলল, ‘তিনি ছিলেন আমার ঠাকুরদার বাবা। যিনি বিয়ার্ডের পূর্বপুরুষের কাছ থেকে কচ্ছপের খোলটা হাতিয়েছিলেন।’ –একথা বলেই মার্লিন আবেগ মথিত ভাবে ধ্রুবর হাত দুটো জড়িয়ে ধরে বলতে লাগল, ‘কিন্তু বিশ্বাস করো, নিজের সম্পর্কে বংশপরিচয় গোপন করা ছাড়া আর কোনো কথা মিথ্যা বলিনি। বংশপরিচয় জানলে পাছে তুমি আমাকে ঘৃণা বা অবিশ্বাস করো সে ভয়ে পরিচয় গোপন রেখেছিলাম। আমি কপর্দকহীন, ভবঘুরে, জলদস্যুর বংশধর। কিন্তু বিশ্বাস করো কোনোদিন আমি কোনো অন্যায় কাজ করিনি।’ বাষ্পরুদ্ধ হয়ে এল মার্লিনের কণ্ঠ।

    ধ্রুব মার্লিনের পিঠে হাত রেখে, সান্ত্বনা দিয়ে বলল, ‘আমি সেকথা বিশ্বাস করি। তুমি যে ভালো মানুষ তা আমি কিডের ব্যাপারেই বুঝেছি।’

    ‘ঠিক তো?’

    ‘হ্যাঁ, ঠিক।’ মার্লিনের পিঠ চাপড়ে হেসে বলল, ধ্রুব।

    কিছুটা ধাতস্থ হবার পর মার্লিন বলল, ‘কিন্তু, আর কচ্ছপগুলো গেল কোথায়? তারা তো গুহার ভিতরে বা বালুতটে নেই?’

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘আমার ধারণা তাদের আর পাওয়া যাবে না। ব্ল্যাক প্যারোট কচ্ছপের খোলে রত্ন পুরে তাদের গারদের ওপাশে আটকে রেখে গেছিল প্রাকৃতিক চৌবাচ্চাতে। জোয়ারের জল ওই চৌবাচ্চায় পৌঁছে দিত খাদ্য-প্ল্যাঙ্কটন ইত্যাদি। ওভাবেই কয়েকশো বছর হয়তো ছিল প্রাণীগুলো। গুহার ভিতর থেকে শত শত বছর ধরে তারা তাকিয়ে থাকত সমুদ্রের দিকে। প্রতীক্ষা করত সমুদ্রে ভেসে যাবার। তারপর একদিন জলে খেয়ে গরাদের লোহায় মরচে লেগে তার নিচের অংশ খসে গেল। মুক্তি পেল সবাই। শুধু বেরোতে পারল না এ বেচারা। হয়তো তা ওর দানবীয় কলেবরের জন্যই। ওর সঙ্গীরা সব হারিয়ে গেছে ওখানে।’ ধ্রুব আঙুল তুলে দেখাল সামনের দিকে। মার্লিনও তাকাল সেদিকে। ধ্রুবদের সামনে কিছুদূরে ভারত মহাসাগরের সুনীল জলরাশি। ছোট ছোট ঢেউ ভাঙছে সমুদ্রতটে। গম্ভীর শঙ্খের গর্জন। আর সেই জলরাশির ওপর লেগেছে শেষ বিকেলের রং। ধ্রুবরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে রইল সেদিকে।

    .

    তিনদিন পরের ঘটনা। ধ্রুবরা আস্তানা গেড়ে ছিল সে গুহাতেই। একদিন ভোরে কিড গুহার মুখে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘জাহাজ আসছে। জাহাজ আসছে!’

    ধ্রুব আর মার্লিন বাইরে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখতে পেল তাকে। ধবধবে এক সাদা জাহাজ রাজহংসের মতো ভেসে আসছে দ্বীপের অভিমুখে। ভিক্টোরিয়া। কিডের বাবার জাহাজ। শেষপর্যন্ত ধ্রুবদের পাঠানো খবর সে পেয়েছে। উল্লসিত ভাবে কিডকে জড়িয়ে ধরল মার্লিন। ক্রমশ এগিয়ে আসছে জাহাজটা। মার্লিনের পাখিটা মাথার উপর পাক খেয়ে বলতে লাগল সেই ছড়াটা—

    ‘ডিং ডং ডিং ডং ডিং ডং বেল
    পাইরেটস চেস্ট ইন টারটেল শেল—’

    ঠিক সেই সময় ধ্রুবর চোখে পড়ল আরও একটা দৃশ্য। ধীরে ধীরে সমুদ্রের জলে নিঃশব্দে নেমে যাচ্ছে সেই বিশাল প্রাচীন কচ্ছপটা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের সম্পদ যক্ষের মতো আগলে রাখার পর অবশেষে ভারমুক্ত হয়ে সে ফিরে যাচ্ছে আপন ঠিকানায়। হয়তো তার সঙ্গীদের খোঁজে।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }