Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ১০

    ১০

    দ্বীপের কাছে হাঁটু জলে নামল সবাই। বিয়ার্ডের নেতৃত্বে এগোল সবাই পাড়ের দিকে। বেশ কিছুটা বেলাভূমি। তারপর জঙ্গল, ম্যাঙ্গকি বিয়ার্ডকে জিজ্ঞেস করল এখানে লোকজন থাকে তো?

    বিয়ার্ড শুধু আঙুল তুলে একটা জায়গা দেখাল। সেখানে জঙ্গলের ধার ঘেঁষে কয়েকটা ডিঙি নৌকা রাখা আছে। দ্বীপের প্রান্তসীমা দেখে ধ্রুবর অনুমান হল এর পরিধি মাইল পাঁচ হবে। সেসেজে এরকম অগুনতি ছোট ছোট দ্বীপ আছে।

    ধ্রুব বিয়ার্ডকে জিজ্ঞেস করল, ‘এ দ্বীপের নাম কী?’

    বিয়ার্ড হেসে বলল, ‘ইংল্যান্ড?’

    ধ্রুব বলল, ‘এর মানে?’

    বিয়ার্ড বলল, ‘সেসেজ সরকারের দেওয়া একটা নাম নিশ্চয়ই আছে। তবে জলদস্যুরা তাকে এ নামেই ডাকত।’

    এরপর বিয়ার্ড বলল, ‘আপনাকে আর মার্লিনকে একটা কথা বলি। এ দ্বীপে পূর্বপুরুষের নাম অনুযায়ী নিজের পরিচয় দানের রীতি। কেউ আপনার পরিচয় জানতে চাইলে আপনি বলবেন, আপনার পূর্বপুরুষ ছিল, সি-উলফ, আর মার্লিনের ছিল, হোয়াইট শার্ক। আমি যেমন বলব, আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন ব্ল্যাক প্যারোট আর ম্যাঙ্গকির পারকাসন। ব্যাপারটা খেয়াল রাখবেন।

    নামগুলো চিনতে অসুবিধা হল না ধ্রুবদের। মার্লিনের কচ্ছপের খোলে লেখা নাম। বিয়ার্ডের কথায় ঘাড় নেড়ে সম্মতি প্রকাশের পর ধ্রুবর সঙ্গে মার্লিনের একবার চোখাচোখি হল। সে ইশারায় চুপ থাকতে বলল তাকে।

    সকলে ভেজা বালি ছেড়ে সবে শক্ত জমিতে পা রেখেছে ঠিক এমন সময় হঠাৎই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে তাদের ঘিরে ধরল, জনা পঞ্চাশ লোক। তাদের পরনে প্রাচীন যুগের পোশাক। হাতে উদ্যত আদ্যিকালের গাদা বন্দুক। তবে তাদের পোশাকে কোনো জৌলুস নেই। তারা বন্দুক হাতে ঘিরে ধরেছে দেখে বিয়ার্ডের সঙ্গীরা উত্তেজিত হয়ে উঠে নিজেদের কোমরের অস্ত্রের দিকে হাত বাড়াতে যাচ্ছিল। কিন্তু বিয়ার্ড হাত তুলে তার সঙ্গীদের শান্ত থাকতে বললেন।

    ধ্রুবদের বেশ কিছুক্ষণ নজর করার পরে সেই লোকগুলোর মধ্যে একজন লোক এগিয়ে এসে বলল, ‘তোমরা কারা? এ দ্বীপে নেমেছ কেন?’

    বিয়ার্ড জবাব দিল, ‘আমি ব্ল্যাক প্যারোটের বংশধর, ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড। ওই জাহাজের মালিক। দ্বীপে নেমেছি রাজার সঙ্গে দেখা করতে।’

    লোকটা বলল, ‘প্রমাণ?’

    বিয়ার্ড এরপর তার ডান হাতের জামার আস্তিনটা উঠিয়ে দেখাল। ধ্রুব দেখল তার বাহুতে আঁকা আছে একটা উল্কি—‘কালো টিয়াপাখি।’

    লোকটাও চিহ্ন দেখল। তারপর বলল, ‘আমি হলাম ডিউক অব বার্মিংহাম। রাজা জর্জ- এর পার্শ্বচর। ঠিক আছে চলো আমি তোমাদের বাকিংহামে নিয়ে যাচ্ছি। তবে একটা কথা, রাজার আইনই এ দ্বীপের আইন। সে আইন অমান্য করলে ফাঁসিতে লটকানো হয়।’

    বিয়ার্ড আর বাক্যব্যয় না করে অনুসরণ করল ডিউককে। ডিউকের সঙ্গীরা ধ্রুবদের চারপাশ থেকে ঘিরে হাঁটতে লাগল। নিজেদের মধ্যে নানা টুকটাক কথা বলছে লোকগুলো। মাছধরা চাষবাস ইত্যাদি বিষয়ে। একে অপরকে মাঝে মাঝে নাম ধরে ডাকছে। তবে সে নামগুলো বড় অদ্ভুত। কারও নাম নাইট ল্যান্সলট, কারও নাম ব্যারন অব নিউক্যাসেল, কেউ ডিউক অব এডিনবরা, কেউবা আবার নিদেনপক্ষে ইয়র্কশায়ার বা কট্সওল্ডের জমিদার। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে তাদের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে এই অদ্ভুত নামগুলো শুনে ধ্রুব মার্লিনের কাছে চাপাস্বরে এইসব অদ্ভুত নামকরণের কারণ জিজ্ঞাসা করল।

    মার্লিন বলল, ‘যারা প্রাইভেটিয়ার পাইরেটস ছিল না, অর্থাৎ ‘ব্ল্যাক প্যারোটের’ মতো স্বাধীন বেসরকারি জলদস্যুদর পয়লা নম্বর শত্রু ছিল ব্রিটিশ রাজশক্তি। সে সময় কোনো স্বাধীন জলদস্যুকে ধরতে পারলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হত। আবার মাঝসমুদ্রে কোনো ব্রিটিশ অভিজাতকে বাগে পেলে জলদস্যুরাও একই কাজ করত। যে সমস্ত দ্বীপে জলদস্যুদের অধিকার কায়েম হত, সেসব দ্বীপে জলদস্যুরা অনেক সময় ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ব্যক্তিদের নাম-উপাধি অনুসারে নিজেদের বা জায়গার নামকরণ করত। এভাবেই তারা ব্যঙ্গ করত ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ও তার সঙ্গী অভিজাত জমিদারদের, যারা ছিল জলদস্যুদের শত্রু। এখানে এখনো এ ব্যাপারটা প্রচলিত আছে দেখছি।’ নিচু গলায় ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিল মার্লিন। এরপরই মার্লিন হঠাৎ একটা গাছের মাথার দিকে আঙুল তুলে দেখিয়ে বলল, ‘আরে ওই দ্যাখো!’

    ধ্রুব তাকিয়ে দেখল, একটা গাছের বেশ উঁচু ডালে সার বেঁধে বসে আছে, এক ঝাঁক বেশ বড়পাখি। কালো টিয়া। এতগুলো লোকের পদশব্দ শুনে পরমুহূর্তেই পাখিগুলো ট্যা ট্যা ডাকতে ডাকতে জঙ্গলের অন্য দিকে উড়ে গেল। পাখিগুলোকে দেখে ধ্রুব বিস্মিত হয়েছে বুঝতে পেরে তার পাশে চলা কট্সওল্ডের গভর্নর নামের এক দ্বীপবাসী বলল, ‘এ পাখি তামাম মুলুকে একমাত্র এখানেই পাওয়া যায়। এরা অনেক বছর বাঁচে আর মানুষের মতো কথা বলতে পারে। আর এরাই হল এ দ্বীপের রক্ষাকর্তা।’

    ধ্রুব বলল, ‘তার মানে?’ লোকটা ধ্রুবর কথা জবাব না দিয়ে শুধু একটু হাসল।

    কিছুক্ষণ জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলার পর হঠাৎই একটা উন্মুক্ত জায়গাতে এসে উপস্থিত হল তারা। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে বেশ কিছু বাড়ি ঘর। আরও কিছু লোকজনও আছে। তবে তাদের অধিকাংশই নারী-শিশু বা বৃদ্ধ

    সেখানে উপস্থিত হতেই কৌতূহলী ভাবে তাদের দেখতে লাগল সবাই। তবে তাদের পোশাক-আশাক ঘরবাড়ি সবই প্রাচীন ধরনের। ধ্রুবরা যেন অষ্টাদশ শতাব্দীর ইংল্যান্ডের কোনো ক্ষুদ্র গ্রামে এসে হাজির হয়েছে।

    সবাইকে এনে দাঁড় করানো হল গ্রামের একমাত্র দোতলা বাড়ির সামনে। কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি বাড়িটার মাথায় খড়ের ছাদ। অনেকদিনের পুরানো বাড়িটা একদিকে হেলে গেছে। সে বাড়ি আর আশপাশের বাড়িগুলোর ছাদে ঝাঁকে ঝাঁকে বসে আছে কালো টিয়াপাখি। তাদের বাসস্থানের জন্য পায়রার খোপের মতো কাঠের খোপও রাখা আছে ছাদে। আরও একটা অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেল ধ্রুবরা। যে চত্বর ঘিরে বাড়ি ঘরগুলো দাঁড়িয়ে আছে সেই চত্বরের মাঝখানে বেশ কয়েকটা কাঠের খুঁটি পোঁতা। আর তাদের গায়ে বাঁধা আছে কাপড় আর তুলোর তৈরি প্রমাণ আকৃতির মানুষের মতো পুতুল। তবে তাদের গাগুলো ছেঁড়াখোঁড়া। অসংখ্য ছিদ্র তাদের গায়ে। পেট ফেটে ভিতরের তুলো কাপড় বাইরে বেরিয়ে এসেছে। কাচের গুলির চোখগুলো অক্ষিকোটরের বাইরে সুতোতে ঝুলছে।

    মার্লিন বলল, ‘সম্ভবত এই তুলোর পুতুলগুলোর ওপর অস্ত্রশিক্ষা করে এরা। তাই এমন ছেঁড়াখোঁড়া পুতুলগুলো।’

    ডিউক অব বার্মিংহাম, ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডকে দোতলা বাড়িটা দেখিয়ে বলল, ‘এই হল ‘বাকিংহাম প্যালেস’। আপনারা বাইরে দাঁড়ান। আমি রাজাকে খবর দিচ্ছি।’ বিয়ার্ড বললেন, ‘তাকে বলবেন আমার সঙ্গে ম্যাঙ্গকি, উলফ, আর শার্কের উত্তরাধিকারীরাও আছেন।’

    সবাইকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে প্যালেসের ভিতর ঢুকল বার্মিংহামের ডিউক। মিনিট দশেক পর ফিরে এসে লোকটা বলল, ‘আপনারা চারজন এখন রাজকীয় অতিথিশালায় অপেক্ষা করুন। যথাসময়ে আপনাদের ডেকে আনবে।’ বাড়িটার দোতলায় উঠবার জন্য একটা সিঁড়ি আছে বাড়ির বাইরের দিকে। সেই সিঁড়ি দিয়ে একজন লোক এরপর ধ্রুবদের চারজনকে পৌঁছে দিয়ে গেল রাজকীয় অতিথিশালায়। বাকিরা নিচেই দাঁড়িয়ে রইল। রাজকীয় অতিথিশালা বলতে শস্যের বস্তাপূর্ণ একটা ঘর। তার মাঝখানে অপটু হাতে তৈরি একটা তক্তার টেবিল। আর তাকে ঘিরে কয়েকটা নড়বড়ে চেয়ার। টেবিল ঘিরে বসল চারজন। মার্লিন একদম চুপচাপ, বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকির মুখে চাপা উত্তেজনার রেশ। যে পৌঁছে দিতে এসেছিল সে যাবার পর চারপাশ দেখে নিয়ে বিয়ার্ড ধ্রুবদের উদ্দেশে বলল, ‘রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে আপনারা দুজন কী পরিচয় দেবেন মনে আছে তো? আর একটা কথা আপনাদের জানিয়ে রাখি। সি উলফ্ আর হোয়াইট শার্ক এরা দুজনেই কিন্তু ছিলেন আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের নাবিক। আপনাদের কাছে রাজা জানতে চাইলে আপনারা বলবেন, এ ব্যাপারটা আপনারা পারিবারিক সূত্রে জানেন ও ব্ল্যাক প্যারোটের উত্তরাধিকারী অর্থাৎ আমাকে নেতা বলে মানেন। আপনারা বলবেন যে আপনারা এসেছেন আপনাদের উত্তরাধিকার বুঝে নিতে।’

    ধ্রুব ব্যাপারটা শুনে না বোঝার ভান করে বলল, ‘ঠিক আছে বলব। কিন্তু, কীসের উত্তরাধিকার?’

    বিয়ার্ড বলল, ‘অত ব্যাপার আপনার না বুঝলেও চলবে। দেশে যা ঘটিয়ে এসেছেন তাতে তো ফেরার পথ বন্ধ। আমার কাজ ঠিকমতো মিটলে আরও কিছু আয় হবে আপনার। আর মার্লিনের ভবঘুরে দশাও কাটবে। কিন্তু আমার কথা না শুনলে এ দ্বীপেই ফেলে রেখে যাব।’

    তার কথা শুনে আর কিছু বলল না ধ্রুব।

    আধ ঘণ্টা পর একটা লোক এসে খবর দিল, ‘রাজা তলব করেছেন। তবে দুজনের বেশি লোক যাওয়া যাবে না। অস্ত্রও রেখে যেতে হবে।’

    দুজনের কথা শুনে যেন খুশিই হল বিয়ার্ড। ধ্রুব আর মার্লিনকে তাহলে নিয়ে যেতে হবে না। পারকাসন আর তলোয়ারগুলো ধ্রুবদের জিম্মায় টেবিলে রেখে বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকি বেরিয়ে গেল।

    তারা যাবার পর ধ্রুব বলল, ‘রাজার সাথে ওদের আলোচনা শুনতে পারলে ভালো হত।’

    মার্লিন হেসে বলল, ‘শুনবই তো। ওদের আগেই আমার রাজদর্শন সারা হয়ে গেছে।’

    ধ্রুব বলল, ‘মানে?’

    মার্লিন টেবিলের নিচের দিকে আঙুল দিয়ে দেখাতেই ধ্রুব ধরতে পারল ব্যাপারটা। টেবিলের নিচে কাঠের তক্তা পচে গিয়ে বেশ বড় একটা ছিদ্র হয়েছে। ঘুলঘুলির মতো ছিদ্র দিয়ে নিচের ঘরে কার যেন মাথা দেখা যাচ্ছে। ছিদ্রটাকে আড়াল করার জন্যই টেবিলটাকে এখানে রাখা হয়েছে। মার্লিন বলল, ‘দেখা যাক নিচে কী হয়, এই বলে সে টেবিলের নিচে শুয়ে পড়ল। তার দেখাদেখি ধ্রুবও সেই ফোকরে চোখ রাখতেই নিচের ঘরের সবকিছু স্পষ্ট হয়ে উঠল। ঘরের ভিতর একটা বড় কাঠের চেয়ারে বসে আছেন একজন অতিবৃদ্ধ লোক। তার সাদা চুল দাড়ি। গায়ে বিবর্ণ হয়ে যাওয়া সোনালি জরির পোশাক। সামনে একটা টেবিল, আর সেই টেবিল ঘিরে বসে আছে, বার্মিংহামের ডিউক, কিউক্যাসেলের ব্যারনসহ আরও কয়েকজন। সাদা চুলওলা এ লোকটাই রাজা। তার হাতে আবার ছোট কারুকাজ করা দণ্ড, রাজদণ্ড।’

    দেখতে লাগল ধ্রুবরা। বিয়ার্ড ম্যাঙ্গকি নিয়ে ঘরে ঢুকে প্রথমে টুপি খুলে, মাথা ঝুঁকিয়ে অভিবাদন জানিয়ে টেবিলের সামনে এসে দাঁড়াল। তারপর বলল, ‘আমি ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ক্যাপ্টেন ব্ল্যাক প্যারোটের উত্তরাধিকারী। আমি এসেছি আমাদের উত্তরাধিকার ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।’

    রাজা রিচার্ড ভালো করে দেখলেন বিয়ার্ডকে। তারপর ঘাড় নেড়ে বললেন, ‘প্ৰমাণ?’

    বিয়ার্ড প্রথমে আস্তিনের সেই চিহ্নটা দেখাল, তারপর তার পোশাকের ভিতর থেকে সনদের মতো লাঠির গায়ে জড়ানো একটা লম্বা প্রাচীন কাগজ তুলে দিল রাজার হাতে। রাজা সেটা খুলে পড়লেন, তারপর সেটা ঘুরতে লাগল তার অনুচরদের হাতে। কাগজটাতে কী লেখা তা ওপর থেকে ধ্রুবরা দেখতে না পেলেও, তার মধ্যে যে ব্ল্যাক প্যারোটের বেশ বড় একটা প্রতীক চিহ্ন আঁকা আছে তা দেখতে পেল তারা। কাগজটা সবার দেখা হয়ে গেলে রাজা বললেন, শর্ত পূরণ?’

    বিয়ার্ড বলল, ‘আরও তিনজনের উত্তরাধিকারী আমার সঙ্গে এসেছে। সি-উলফ, আর হোয়াইট শার্কের উত্তরাধিকারীরা আপনার অতিথিশালাতে, আর এই হল পারকাসনের উত্তরাধিকারী? এই বলে সে দেখাল ম্যাঙ্গকিকে।’

    ‘আর প্রমাণ?’ রাজা আবার বললেন।

    ‘আর প্রমাণ কী? চুক্তিপত্র আর তিনজনের উপস্থিতি তো আছেই। আপনার পূর্বপুরুষের সঙ্গে ব্ল্যাক প্যারোটের চুক্তি হয়েছিল যে আপনারা তার সম্পত্তি রক্ষা করবেন, ভার বিনিময়ে এই দ্বীপে পুরুষানুক্রমে রাজত্ব করবেন। যদি ব্ল্যাক প্যারোটের কোনো উত্তরাধিকারী তাঁর সঙ্গীদের তিনজনের উত্তরাধিকারীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের পূর্বপুরুষের সম্পত্তি ফেরত নিতে আসে তবে তার খোঁজ দেবেন আপনারা।

    রাজা বললেন, ‘আরও একটা শর্ত ছিল, যা গোপনীয়তার কারণে এই চুক্তিপত্রে উল্লেখ করা ছিল না। তা হল একটা বিশেষ কচ্ছপের খোল। যাতে ছিল ক্যাপ্টেন ব্ল্যাক প্যারোট আর তার সঙ্গীদের বখরার হিসাব। আপনি যখন উত্তরাধিকারী তখন ব্যাপারটা জানা আছে নিশ্চয়ই?’

    রাজার কথা শুনে এবার চমকে উঠল মার্লিন আর ধ্রুব।

    ম্যাঙ্গকি এবার বলল, ‘ওটা আমাদের কাছে নেই। ফায়ার থমসনের বংশধর ওটা হাতিয়ে নেয়। তবে আমার কাছে আমরাই যে আসল তার আরও প্রমাণ আছে। প্রমাণ হল ব্ল্যাক প্যারোটের ব্যবহৃত আমাদের প্রাচীন জাহাজ। সেখানে রাখা তার সিন্দুক ও ছবি। যে ছবির সঙ্গে দাড়ি বাদে হুবহু মিল আছে এই ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের। তবুও খোলটা লাগবে?’

    রাজা বললেন, ‘তাহলেও ওই কচ্ছপের খোলটা না হলে আমার চলবে না। বংশপরম্পরায় ওই জায়গা গোপন রেখেছি আমরা। এই কয়েকশো বছরের মধ্যে আমার পূর্বপুরুষদের কাছে বহু লোক এসেছে ওই জায়গার সন্ধান করতে। শেষ যে লোকটা আমার ঠাকুরদা জর্জের আমলে এসেছিল তার কাছে ছিল সেই কচ্ছপের খোলটা কিন্তু এই চুক্তিপত্র বা ব্ল্যাক প্যারোটের সঙ্গীদের বংশধর কেউ ছিল না, তাই তাকেও ফিরে যেতে বলেছিলাম আমরা।’

    বিয়ার্ড বলল, ‘তার মানে আমাদেরও ফিরে যেতে বলছেন?’

    ‘হ্যাঁ, তাই বলছি।’

    বিয়ার্ড বলল, ‘এত দূর এসে ফিরে যাব! তার চেয়ে আপনাদের কী দিতে হবে বলুন?’

    রাজা জর্জ বললেন, ‘লোভ আমাদের দেখাবেন না। ইচ্ছা হলে আমরা বহুদিন আগেই ওই সম্পদের মালিক হতাম। পাছে কেউ প্রলোভনে পড়ে তাই সে দ্বীপের মাটিতে আমাদের কেউ পা রাখে না। গত একশো বছরে আমি বা আমরা কেউ ওখানে যাইনি। আমিই শুধু বংশানুক্রমে জানি ওই দ্বীপে কোথায় রাখা আছে ওই গুপ্তধন। আমার এই সভাসদরা পর্যন্ত জানে না সে কথা। আমি মৃত্যুর আগে আমার ছেলেকে বলে যাব সে কথা। তারপর সে বলবে তার ছেলেকে। তার ছেলে বলবে তার ছেলেকে—এ ভাবেই ততদিন চলবে যতদিন না ক্যাপ্টেন ব্ল্যাক প্যারোটের কোনো উত্তরাধিকারী সব শর্ত পূরণ করে।’ ম্যাঙ্গকি এবার বেশ উত্তেজিত ভাবে বলল, ‘অত শর্ত আমরা বুঝি না। জায়গাটা আমাদের দেখিয়ে দিতে হবে। নইলে আমরা নড়ব না প্রয়োজনে….।’ কথাটা শেষ করল না সে।

    ধ্রুবদের মনে হল, বৃদ্ধ রাজা মনে হয় এবার হাসলেন। তারপর ঠান্ডা গলায় বললেন, ‘না যেতে চাইলে যাবেন না। আমার ঠাকুরদার আমলের সেই লোকটাও শেষ পর্যন্ত যেতে চায়নি। কিন্তু তার বিদায়টা খুব সুখকর ছিল না।’

    ম্যাঙ্গকি এবার আরও উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘আমাদের হুমকি দিচ্ছেন। জানেন আমরা কী করতে পারি?’

    রাজা বেশ কঠোর গলায় বললেন, ‘যা খুশি করতে পারেন। তবে সাফ কথা, ওই কচ্ছপের খোলটা না পেলে আমি আর কোনো কথা বলব না। আপনারা এবার যেতে পারেন, নইলে—।’

    ধ্রুবরা দেখল মুহূর্তের মধ্যেই গাদা বন্দুকের নলগুলো রাজার সঙ্গীরা ত্যাগ করেছে বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকির দিকে। ম্যাঙ্গকিও মনে হয় তার কোমরবন্ধে লুকানো পিস্তলটা বার করতে যাচ্ছিল। কিন্তু, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিয়ার্ড তার কাঁধে হাত রেখে তাকে থামিয়ে দিয়ে রাজার উদ্দেশে বলল, ‘ঠিক আছে আমরা যাচ্ছি।’ এই বলে তারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

    ধ্রুবরা শুনতে পেল তারা ঘর ছেড়ে বাইরে যেতেই রাজা তার সঙ্গীদের উদ্দেশে বললেন, ‘ব্যাপারটা ভালো ঠেকছে না। আজ রাতে ঘরের বাইরে কেউ যেন না বেরোয়। আর আমাদের সৈন্যবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখবে…।’

    এরপর তিনি আর কী বললেন তা আর শোনা হল না ধ্রুবদের। বাইরে নিচ থেকে বিয়ার্ড ধ্রুবদের নেমে আসতে বললেন।

    ধ্রুবরা বিয়ার্ডদের অস্ত্রগুলো নিয়ে নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিয়ার্ড সবাইকে নিয়ে ফেরার পথ ধরল। এবার আর দ্বীপবাসীরা সঙ্গে এল না।

    জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সমুদ্রের দিকে ফেরার সময় বিয়ার্ড শুধু একবার ম্যাঙ্গকিকে বলল, ‘এখন লড়াই হলে ক্ষতি হত। অন্ধকার নামার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। দেখি গাদা বন্দুক দিয়ে ওরা কী ভাবে আমাদের ঠেকায়? বুড়োটাকে জাহাজে তুলে আনব। তারপর কী করে কথা বার করতে হবে তা আমার জানা আছে

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }