Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈগলের পালকে রক্তের দাগ – ৯

    ৯

    বেশ কিছুক্ষণ মাটিতে মরার মতো চুপচাপ শুয়ে রইল দীপাঞ্জন। এক সময় যখন সে বুঝতে পারল যে লোকগুলো সব চলে গেছে তখন ধীরে-ধীরে চোখ মেলল সে। দরজার দিকে তাকিয়ে সে দেখল তার পাল্লাটা বন্ধ। বৃদ্ধ স্যামসন ছাড়া ঘরে আর কোনো লোক নেই। স্যামসনও মাটিতে মরার মতোই পড়ে আছেন। সম্ভবত অজ্ঞান হয়ে আছেন তিনি। আশপাশে কেউ নেই সে ব্যাপারে নিশ্চিত হবার পর শরীরটাকে মোচড় দিয়ে কোনোরকমে উঠে বসল দীপাঞ্জন। কিন্তু এর চেয়ে বেশি কিছু করার নেই তার। পা-দুটো এমনভাবে বাঁধা হয়েছে যে উঠে দাঁড়ানো অসম্ভব। হাতঘড়িটা দেখে দীপাঞ্জন বুঝতে পারল এতক্ষণে নিশ্চয়ই বাইরে অন্ধকার নেমেছে। জুয়ান নিশ্চয়ই তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। বসে-বসে সে ভাবতে লাগল কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এই বন্দিদশা থেকে? সময় এগিয়ে চলল। হঠাৎ ঘরের বাইরে কাদের যেন পায়ের শব্দ কানে এল। সঙ্গে-সঙ্গে দীপাঞ্জন আগের মতো শুয়ে পড়ে চোখ বন্ধ করল। চোখ বন্ধ অবস্থাতেই দীপাঞ্জন বুঝতে পারল বেশ কয়েকজন ঘরে ঢুকেছে

    ‘দেখো ওদের জ্ঞান ফিরেছে কিনা?’—কণ্ঠস্বর শুনে লোকটাকে চিনতে পারল দীপাঞ্জন। সেই বেঁটে লোকটার গলা। আবার ফিরে এসেছে তারা।

    নির্দেশ পাবার পর একটা পায়ের শব্দ এসে দীপাঞ্জনের সামনে দাঁড়াল। কয়েক মুহূর্তের নিস্তব্ধতা। তারপর একটা জোরালো লাথি এসে লাগল দীপাঞ্জনের কোমরে। সে আঘাতে দীপাঞ্জন এক পাশ থেকে অন্য পাশে কাত হয়ে গেল। কিন্তু সেই প্রচণ্ড আঘাতেও দীপাঞ্জন আগের মতোই কোনো শব্দ করল না বা চোখ খুলল না। দ্বিতীয় আঘাতটার জন্য প্রতীক্ষা করতে লাগল সে। কিন্তু পায়ের শব্দটা কিছুটা সরে গেল, তারপর ধুপ্ করে একটা শব্দ হল। তারপর একটা কণ্ঠস্বর বলল, ‘এ দুজন এখনও অজ্ঞান হয়ে আছে। এত জোরে লাথি কষালাম, জেগে থাকলে অন্তত একটা শব্দ করত।’

    বামন লোকটার গলা আবার শোনা গেল, ‘এদের ব্যবস্থা ওপর থেকে ফিরে এসে করব। ওয়াহুয়া তুমি সুড়ঙ্গের মধ্যে পাহারাতে থাক। আমি মোচেকে নিয়ে ওপরে যাচ্ছি। বাক্স চলে এসেছে, অন্ধকারও নেমেছে। লোকগুলোকে বাক্সে পোরার ব্যবস্থা করি। এই ইন্ডিয়ানটাকে নিয়ে আমার ভাবার তেমন কিছু নেই। কিন্তু স্যামসন যদি জাগে তবে তার থেকে খবরটা বার করার একটা শেষ চেষ্টা করব। স্যামসন যদি কবরের অবস্থানটা সত্যি আমাদের বলে দেয় তবে কবরটা খুঁড়তে হবে। আর সে কাজে কোনোরকম বিঘ্ন যাতে না-ঘটে, আমরা যাতে নিরাপদে এ তল্লাট ছাড়তে পারি তার জন্য এই লোকগুলোকে বাক্সবন্দি করা প্রয়োজন। আমি ভেবে নিয়েছি, কবরের খোঁজ পাই না-পাই ওই লোকগুলোকে সঙ্গে নিয়ে যাব। কালো মানুষগুলোকে ছেড়ে দেব আফ্রিকার কোনো দুর্গম অঞ্চলে সিংহের খাবার হবার জন্য, আর সাদা মানুষদের আমার বানানো চিড়িয়াখানাতে পুরব।’

    ওয়াহুয়া বলে লোকটা জবাব দিল, ‘আচ্ছা, আমি তবে সুড়ঙ্গের মধ্যেই রইলাম।’

    পদশব্দগুলো এরপর মিলিয়ে গেল ঘর থেকে। দরজার পাল্লা টেনে দেবার শব্দ কানে এল দীপাঞ্জনের।

    সময় এগিয়ে চলল। চোখ বন্ধ অবস্থায় দীপাঞ্জন কান খাড়া করে বেশ অনেকক্ষণ ধরে শোনার চেষ্টা করল, ঘর বা ঘরের বাইরের সুড়ঙ্গ থেকে কোনো শব্দ আসছে কি না? তারপর ধীরে ধীরে চোখ খুলল সে। না, ঘরে কেউ নেই। বুড়ো স্যামসনও আগের মতোই নিথর। ওয়াহুয়া নামের সেই রেড ইন্ডিয়ান-সাজা লোকটা হয়তো বা ঠিক দরজার বাইরেই বসে আছে, কিন্তু তার কোনো সাড়া-শব্দ পাওয়া যাচ্ছে না। দীপাঞ্জন ভাবতে লাগল, কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায় এই ভয়ঙ্কর লোকগুলোর কবল থেকে? তার হাত-পা দুটোই বাঁধা। দীপাঞ্জন যে পালাবে অথবা লড়াই করবে ও লোকগুলোর সঙ্গে সে উপায়ও নেই। তবে কি নিতান্ত অসহায়ভাবে এ লোকগুলোর হাতে মরতে হবে? শেষ লড়াই একটা দেওয়া যাবে না?—এ কথাগুলো ভাবতে-ভাবতে শুয়ে থাকা অবস্থায় দু-পাশে উত্তেজিতভাবে মাথা ফেরাতে লাগল দীপাঞ্জন। হঠাৎ একটা জিনিস নজরে পড়ল তার। মশালটা নিভু-নিভু হয়ে এসেছে। আর মশাল থেকে একটুকরো কাপড় খসে পড়েছে মাটিতে। আর সেই কাপড়ের টুকরোটা পুড়ে সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবার আগে ধিকি ধিকি জ্বলছে। সেই জ্বলন্ত কাপড়ের টুকরোটা দেখার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎই একটা ভাবনা খেলে গেল দীপাঞ্জনের মাথায়। সে গড়িয়ে-গড়িয়ে এগিয়ে গেল দেওয়ালের গায়ে সেই নির্দিষ্ট জায়গাটার কাছে, তারপর অতি কষ্টে উঠে বসল। ন্যাকড়ার আগুন প্রায় নিভে এসেছে তখন। দীপাঞ্জন এরপর তার দু-হাতের দড়ি-বাঁধা অংশটা সেই ন্যাকড়াটার ওপর রেখে ফুঁ দিতে শুরু করল। ধীরে ধীরে আগুন আবার জীবন্ত হতে শুরু করল। কী অসহ্য তাপ দীপাঞ্জনের হাত দুটো যেন ঝলসে যাচ্ছে। কিন্তু এ ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় নেই। আর এরপরই দীপাঞ্জন যা চাইছিল তাই হল। দীপাঞ্জনের হাতে বাঁধা নাইলনের দড়িতে আগুন ধরে গেল, আর তার সঙ্গে-সঙ্গে এক অসহনীয় যন্ত্রণাও দাঁতে দাঁত চেপে দীপাঞ্জন সহ্য করতে লাগল। এক সময় যেন মাংসপোড়া গন্ধও তার নাকে এসে লাগল। চামড়া পুড়তে শুরু করেছে নাকি? আর সহ্য করতে পারছে না দীপাঞ্জন। সে চাপ দিতে শুরু করল দড়িটার ওপর। কয়েকবার চেষ্টা করার পর অগ্নিদগ্ধ দড়িটা পট করে ছিঁড়ে গেল। এখন আর হাতের অবস্থা দেখার মতো পরিস্থিতি নেই দীপাঞ্জনের। হাতের বাঁধন খসে যাবার পরই দীপাঞ্জন পায়ের বাঁধন খুলে ফেলল। মুক্ত হয়ে গেল সে।

    যা করার তাড়াতাড়ি করতে হবে। সেই রেড ইন্ডিয়ান সাজা লোকটা হয়তো ঘরে ঢুকতে পারে যে কোনো মুহূর্তে। স্যামসনকে যদি মুক্ত করা যায়, তার জ্ঞান ফেরানো যায়, তবে হয়তো তাকে নিয়ে অন্য কোনো পথে পালানো যেতে পারে। নিশ্চয়ই এ সুড়ঙ্গের গলিঘুঁজি জানা আছে তার। দীপাঞ্জন এই ভেবে স্যামসনের কাছে গিয়ে উবু হয়ে বসে তার হাত-পা-এর বাঁধন খুলে ফেলল। দীপাঞ্জনের হাতের স্পর্শে সম্ভবত জ্ঞান ফিরে এল স্যামসনের। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই মশালটা নিভে গিয়ে অন্ধকার হয়ে গেল ঘর। আর এর ফলেই গন্ডগোলটা হল। স্যামসন, দীপাঞ্জনকে চিনতে না-পেরে চিৎকার করে বলে উঠলেন, ‘মেরো না, মেরো না, দোহাই আমাকে মেরো না। আর এর পরই দীপাঞ্জনের মনে হল যে, সুড়ঙ্গ বেয়ে দূর থেকে একটা পায়ের শব্দ যেন ছুটে আসছে। দীপাঞ্জন বিদ্যুতের মতো লাফিয়ে উঠে দরজার দিকে এগোল। একদম দরজার কাছে এগিয়ে এসেছে শব্দটা। দরজার একপাশে সরে দাঁড়াল দীপাঞ্জন। পাল্লা খুলে হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকল রেড ইন্ডিয়ান সাজা লোকটা। অন্ধকার ঘরে ঢুকে চোখে কিছু দেখতে না পেয়ে থমকে গেল ওয়াহুয়া। আর এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাল দীপাঞ্জন। আন্দাজ মতো লোকটার শরীর লক্ষ্য করে অন্ধকারে পিছন থেকে লাথি মারল দীপাঞ্জন। আর আচমকা সেই লাথির আঘাতে চিৎকার করে মাটিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ল লোকটা। আর এই সুযোগে দীপাঞ্জন ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ল। যেদিক দিয়ে সে ভিতরে ঢুকেছে সেদিকে এগোলে তার ধরা পড়ার সম্ভাবনা আছে তা মনে করে বিপরীত দিকে ছুটল দীপাঞ্জন। কোনোরকমে অন্ধকার সুড়ঙ্গ হাতড়ে ছোটার চেষ্টা করতে লাগল সে। আর এরপরই সে পিছনে পায়ের শব্দ শুনে বুঝতে পারল ওয়াহুয়াও ঘর থেকে বেরিয়ে তার পিছনে ছুটতে শুরু করেছে।

    এগোতে-এগোতে এরপর হঠাৎই মাটিতে ঠোক্কর খেয়ে পড়ে গেল দীপাঞ্জন। সামনে একটা সিঁড়ি। দীপাঞ্জন মাটি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে উঠতে শুরু করল সিঁড়ি বেয়ে। বেশ কিছুটা ওপরে ওঠার পর আবছা একটা আলো দেখতে পেল সে। রেড ইন্ডিয়ানের পায়ের শব্দ এগিয়ে আসছে মুখে। দীপাঞ্জন এবার দ্রুত এগোতে লাগল আলোক রেখা লক্ষ করে। সিঁড়ির মাথায় উঠে এল সে। সামনে একটা লোহার গরাদ। আর তার সঙ্গেই একটা পাতায় ছাওয়া ভেঙে পড়া কাঠের ঘর। বাইরের আলো সেই ঘরের মধ্যে এসে গরাদের দরজাতে পড়েছে। পুরানো গরাদের শিকগুলো জং ধরে খসে ফাঁক হয়ে গেছে। সেই শিক গলে দীপাঞ্জন প্রথমে ভাঙা ঘরটার ভিতর প্রবেশ করল, তারপর খোলা আকাশের নীচে এসে দাঁড়াল। আরে সে যে এসে দাঁড়িয়েছে পরিখা ঘেরা জমিটার মাঝে, যেখানে বাস করত ইরিগেটরা! সুড়ঙ্গটা আসলে এদিকে এসে উপরে উঠে শেষ হয়েছে ইরিগেটদের ঘরের ভিতরে। সম্ভবত ও পথেই ইরিগেটদের এনে ছাড়া হত এই পরিখা-ঘেরা জায়গার ভিতরে।

    ওয়াহুয়া নিশ্চয়ই এখনই ওপরে উঠে আসবে। তখন একমাত্র উপায় ছুটে গিয়ে পরিখাটা সাঁতরে পেরিয়ে ছোট প্রাচীরটার খাঁজ বেয়ে ওপরে ওঠা। জুয়ানরা নিশ্চয়ই প্রাচীরের ওপাশে কাছাকাছিই আছেন। দীপাঞ্জন সামনের ফাঁকা জমিটা পেরিয়ে ছুটল পরিখার দিকে। সে পরিখার কাছে পৌঁছে জলে নামার আগে শেষবারের জন্য পিছন ফিরে তাকাতেই দেখতে পেল সুড়ঙ্গ দিয়ে ওপরে উঠে ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসেছে সেই ছদ্ম রেড ইন্ডিয়ান। তার হাতে ধরা বর্শার ফলাটা চাঁদের আলোতে ঝিলিক দিচ্ছে। চারপাশে তাকিয়ে দীপাঞ্জনকে খোঁজার চেষ্টা করছে সে। দীপাঞ্জন আর দেরি না-করে শ্যাওলা-ঘেরা পরিখাতে নেমে পড়ল। পরিখাটা বেশি গভীর নয়। দীপাঞ্জনের গলা পর্যন্ত ডুবল জলে। কিন্তু সে সাঁতরে প্রাচীরের দিকে এগোল না। প্রাচীর বেয়ে উঠতে গেলে নিশ্চয়ই চাঁদের আলোতে লোকটা তাকে দেখে ফেলবে। তারপর ছুটে এসে বর্শাবিদ্ধ করে ফেলবে তাকে। কাজেই পরিখার গা ঘেঁষে সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল।

    কিন্তু লোকটা মনে হয় অনুমান করল যে দীপাঞ্জন পরিখাতেই নেমেছে। সে ছুটে এসে দীপাঞ্জন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে জলের মধ্যে, তার হাত কুড়ি তফাতে পরিখার পাড়ে এসে দাঁড়াল। পরিখার দেওয়াল ঘেঁষে দীপাঞ্জন যেখানে দাঁড়িয়ে, সেখানে চাঁদের আলো ঢুকছে না। রেড ইন্ডিয়ানের পোশাক পরা লোকটা পরিখার দিকে ঝুঁকে দাঁড়িয়ে দেখার চেষ্টা করতে লাগল জলতল কোথাও নড়ছে কিনা? কোথায় লুকিয়ে আছে দীপাঞ্জন

    দীপাঞ্জন না-নড়লেও হঠাৎই কিছুটা তফাতে নড়ে উঠল জলতল। আর সেটা দেখামাত্রই সে জায়গাতে দীপাঞ্জন আছে ভেবে সঙ্গে-সঙ্গে পরিখাতে নেমে পড়ল লোকটা। তারপর বর্ণাটা উঁচিয়ে ধরে দীপাঞ্জনের বিপরীত দিকে এগোতে লাগল যেখানে জল নড়ে উঠেছিল সে জায়গার দিকে। জায়গাটার কাছাকাছি পৌঁছে ওয়াহুয়া থমকে দাঁড়িয়ে বলল, ‘জল থেকে বেরিয়ে আয় নইলে বর্শা দিয়ে গাঁথব তোকে।’ সেখান থেকে কোনো জবাব এল না, শুধু সে জায়গার জলটা যেন একটু নড়ে উঠল। তাই দেখে ওয়াহুয়া বলে উঠল, তুই বেরোবি না? এবার তোর ভেসে ওঠার ব্যবস্থা করছি।’—এই বলে সত্যি সে বর্শাটা ছুড়ে মারল জায়গাটা লক্ষ্য করে। আর সত্যিই যেন বর্শাটা জলতলের ঠিক নিচে কিছুর সঙ্গে গেঁথে গেল! বর্শা-দণ্ডটা জেগে রইল জলতলের ওপর। ওয়াহুয়া তাকিয়ে রইল সেদিকে। আর কিছুটা তফাত থেকে দীপাঞ্জনও। মুহূর্ত খানেকের মধ্যেই দীপাঞ্জনের যেন মনে হল যে, জলের ওপর জেগে থাকা বর্শাদণ্ডটা যেন ধীরে ধীরে এগোচ্ছে ওয়াহুয়ার দিকে। আর এরপরই ওয়াহুয়া হঠাৎই যেন পিছু ফিরে দ্রুত এগোতে লাগল পরিখা ছেড়ে পাড়ে ওঠার জন্য। চাঁদের আলোতে তার মুখমণ্ডলে স্পষ্ট জেগে উঠেছে আতঙ্কের ভাব। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। পাড়ে ওঠার আগেই কে যেন পিছন থেকে ধরে ফেলল তাকে। আকাশ কাঁপিয়ে আর্তনাদ করে উঠল ওয়াহুয়া। প্রচণ্ড এক ঝটাপটি শুরু হল জলের মধ্যে। কে যেন তাকে জলের মধ্যে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছে, আর তার কবল থেকে মুক্ত হবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে ওয়াহুয়া। আকাশে চাঁদের দিকে ছিটকে উঠছে জল। আর সেই জলের সঙ্গেই মুহূর্তের জন্য আকাশের দিকে লাফিয়ে ওঠা জিনিস দেখতে পেল দীপাঞ্জন। আর তারপরই সে নিজের প্রাণ বাঁচাবার জন্য দ্রুত সাঁতরাতে শুরু করল দেওয়ালটার দিকে। তার গায়ে পৌঁছে দ্রুত পাথরের খাঁজ বেয়ে দেওয়ালের গায়ে উঠতে লাগল। দেওয়ালের মাথায় পৌঁছে সেটা ধরে সে যখন দেওয়ালটা টপকাতে যাচ্ছে ঠিক তখন তার ঝুলন্ত পায়ের ঠিক নীচেই খটাস করে একটা শব্দ হল। দীপাঞ্জন তাকিয়ে দেখল বিশাল একটা চোয়াল ধীরে-ধীরে ডুবে যাচ্ছে জলের ভিতর। চাঁদের আলোতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে চোয়ালের বাইরে বেরিয়ে আসা দাঁতগুলো আর জলের বাইরে জেগে থাকা হিংস্র চোখ দুটো। জল থেকে মাথা তুলে প্রাণীটা চেষ্টা করছিল দীপাঞ্জনের ঝুলন্ত পা দুটো কামড়ে ধরার। কিন্তু এক চুলের জন্য ফসকে গেছে তার কামড়। এই খটাস করে শব্দটা প্রাণীটার চোয়াল বন্ধ করার শব্দ! আরও একটা কুমির! কুমির ছেড়ে রাখা আছে পরিখার মধ্যে। আজও প্রাণীগুলো অথবা তার বংশধররা পাহারা দিচ্ছে পরিখা। এ জন্যই ইরিগেটরা পরিখাতে নামত না।

    দীপাঞ্জন তাকিয়ে রইল জলের দিকে। আর কয়েক মুহূর্ত জলের মধ্যে থাকলে তার যে কী অবস্থা হত তা ভেবে শিউরে উঠল দীপাঞ্জন। জলের মধ্যে ঝটাপটিটা থেমে গেল। শেষ হয়ে গেছে লোকটা। এবার ধীরে সুস্থে তার মাংস ছিঁড়ে খাবে কুমিরগুলো। শুধু জলের ওপর জেগে রইল প্রথম কুমিরটার পিঠে গাঁথা বর্শাদণ্ডের ফুট চারেক অংশ। জলের মধ্যে নড়তে লাগল সেটা। দীপাঞ্জন এর পর আর সেখানে না-দাঁড়িয়ে এগোতে যাচ্ছিল সামনের দিকে। কিন্তু দূর থেকে একজনকে চাঁদের আলোতে সেদিকে ছুটে আসতে দেখল দীপাঞ্জন। ইরিগেটের পোশাক পরা মোচে নামের সেই লোকটা। দীপাঞ্জনকে দেখতে পেয়ে গেছে সে। লোকটার হাতে ঝিলিক দিচ্ছে খড়্গটা। এগোতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল দীপাঞ্জন। প্রাচীরের এপাশে খাঁড়া হাতে ছুটে আসা মোচে আর ওপাশে প্রাচীরের নীচে তার জন্য অপেক্ষা করে আছে হিংস্র কুমির। এবার কোন দিকে যাবে দীপাঞ্জন? পালাবার কোনো উপায় না-দেখে লাফ দিয়ে আবার প্রাচীরের উপর উঠে পড়ল দীপাঞ্জন। সরু প্রাচীর। পা রাখার শুধু জায়গা আছে তার মাথায়। প্রাচীরের কাছে এসে উপস্থিত হল মোচে। তারপর দীপাঞ্জনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এবার তোর মাথা নেব।’ এই বলে সেও লাফিয়ে উঠল প্রাচীরের ওপর। দুজনের মধ্যে হাত দশেকের ব্যবধান। খাঁড়াটা উঁচিয়ে ধরে সে এগোতে থাকল দীপাঞ্জনের দিকে। এবার পিছোতে শুরু করল দীপাঞ্জন। জলের মধ্যে পড়লেই তার মৃত্যু নিশ্চিত, আর মাটিতে না নামলে নির্ঘাত খড়্গগর আঘাত হানবে লোকটা। দীপাঞ্জন পিছু হটলেও দু-জনের মধ্যে ব্যবধান কমে আসতে লাগল। মোচে যে গতিতে এগোচ্ছে . সে গতিতে পিছু হটা সম্ভব নয় দীপাঞ্জনের। ব্যবধান ক্রমশ কমছে। দশ হাত থেকে আট হাত, সাত হাত, ছ-হাত, পাঁচ হাত…! এবার দীপাঞ্জন মোচের খড়গর নাগালে চলে আসবে। ব্যবধান কমে এল তিন হাতে। এক সময় ইরিগেটের পূর্বপুরুষরা নরমুণ্ড শিকার করত। মোচের ধমনীতে প্রবাহিত সেই আদিম রক্ত যেন জেগে উঠেছে। চাঁদের আলোতে এক ভয়ঙ্কর জান্তব অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে তার মুখে, ঝিলিক দিচ্ছে তার হাতের অস্ত্র। মোচে একদম দীপাঞ্জনের সামনে চলে এল। তারপর হিংস্র হেসে সাপের মতো হিসহিস করে বলে উঠল, ‘নীচে দাঁড়িয়েই এক কোপে তোর দেহ কোমর থেকে দু-টুকরো করে ফেলতে পারতাম। কিন্তু আমরা শুধু মাথা কাটি।’—এই বলে সে খড়্গগটা মাথার ওপর তুলল দীপাঞ্জনের মুন্ডু কাটার জন্য। দীপাঞ্জন বাঁচার একটা শেষ চেষ্টা করার জন্য লাফ দিল মাটির দিকে। মোচেও তার খড়্গটা চালাল তাকে লক্ষ্য করে। মোচের খড়্গটা দীপাঞ্জনের মাথার ওপরে এক গোছা চুল বাতাসে উড়িয়ে দিল। কিন্তু আঘাতটা ঠিক জায়গাতে না-লাগাতে সরু প্রাচীরের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ঘাতক টাল সামলাতে পারল না। সে পা ফসকে পড়ে গেল পরিখার ভিতর। মোচের ভাগ্যে কী হল তা দেখার জন্য দীপাঞ্জন আর পরিখার দিকে উঁকি দিল না। সে ছুটতে শুরু করল সামনের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }