Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ৬

    ৬

    বিকেলবেলা নির্দিষ্ট সময় ডেকে বেরিয়ে এল ধ্রুব। কিন্তু মার্লিন কই? পরক্ষণেই তার মনে পড়ে গেল মার্লিনের লাইব্রেরি রুমে অপেক্ষা করে থাকার কথা। সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছিল ধ্রুব, কিন্তু সে দেখল মার্লিন ওপরের দিকে আসছে। ধ্রুবকে দেখে সে বলল, ‘লাইব্রেরি রুমে বসে দরজা বন্ধ করলে কেউ সন্দেহ করতে পারে। তার চেয়ে বরং কেবিনে চলো তোমার। কেউ জিজ্ঞেস করল বলবে যে রোলিং-এ পা ব্যথা হয়েছে তোমার, আমাকে ঘরে ডেকে গা হাত-পা টেপাচ্ছিলে। জাহাজের অধস্তন নাবিকদের অনেক সময় এ কাজ করতে হয়।’

    মার্লিনের কথামতো তাকে নিজের কেবিনে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে মুখোমুখি বসল দুজন।

    মার্লিন প্রথমে বলল, ‘আজকের ঘটনাটা বেশ রোমাঞ্চকর তাই না? কিন্তু, ওরা হঠাৎ এভাবে তল্লাশি শুরু করল কেন? নিশ্চয়ই কোথাও কিছু ঘটেছে সমুদ্রে।

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘হ্যাঁ। ওই অ্যাডমিরালের ছেলেকে অপহরণ করেছে সোমালি জলদস্যুরা। তারই খোঁজ চলছে।’

    এরপর ধ্রুব এ ব্যাপারে প্রথম সেই ওয়ারলেসে মেসেজ আসা থেকে শুরু করে অ্যাডমিরালের সঙ্গে ধ্রুবর কথাবার্তা সবকিছু বলল মার্লিনকে।

    মার্লিন শুনে বলল, ‘অ্যাডমিরালের সঙ্গে তোমার কথাবার্তা ক্যাপ্টেনকে বলার দরকার নেই। ওর আচরণ আমার বেশ সন্দেহজনক লেগেছে!’

    ‘কী রকম?’

    মার্লিন বলল, ‘আমার ধারণা ওই জাহাজটা যে জলদস্যুর জাহাজ নয়, ডেস্ট্রয়ার বা অন্য ওই ধরনের কিছু তা বুঝতে পেরেছিল বিয়ার্ড। যে কোনো কারণেই হোক ওদের মুখোমুখি হতে চাইছিল না। আশ্চর্য ব্যাপার হল যে সোমালিয়ার জলসীমার দিকে জাহাজ নিয়ে পালাচ্ছিল কেন? সাধারণত জলদস্যুরা মাঝদরিয়া থেকে জাহাজ টেনে সোমালিয়ার জলসীমাতে নিয়ে যায়। যাতে অন্য দেশের জাহাজ পিছু নিলেও কিছু না করতে পারে। কারণ, ওই জলসীমা বিনা অনুমতিতে অন্য কোনো দেশের জাহাজ অতিক্রম করতে পারে না। সোমালি জলসীমায় ঢুকে গেলে জলদস্যুরা নিরাপদ। বিয়ার্ড যদি ডেস্ট্রয়ারকে জলদস্যুদের জাহাজ ভেবে থাকে, তাহলে তো তার উল্টোদিকে যাবার কথা। জলদস্যুরা যেদিকে জাহাজ তাড়িয়ে নিয়ে যায়, বিয়ার্ড সে দিকেই পালাচ্ছিল কেন?’

    ধ্রুব বলল, ‘আমারও যেন কেমন মনে হচ্ছে এখন। আজ ভোরে ক্যাপ্টেনের ম্যাঙ্গকি বলে সেই বন্ধুর জরুরি ডাক এসেছিল। বিয়ার্ড যখন কথা বলছিলেন তখন দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে তাঁর মুখ থেকে দুটো শব্দ শুনেছি। ‘হাইজ্যাক’আর ‘ডেস্ট্রয়ার’! আমার ধারণা ওই ম্যাঙ্গকি বলে লোকটার সাথে কোনো গোপন কথা আলোচনা করেন ক্যাপ্টেন। তার ডাক এলেই তিনি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন। আমাকে সে সময় রেডিও রুমে থাকতে দেন না তিনি।’

    মার্লিন বলল, ‘পাছে তুমি ভয় পাও এই ভেবে আমি তোমাকে বলিনি, তোমার আগের রেডিও অপারেটরের হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়াটা কিন্তু বেশ সন্দেহজনক। যে রাতে সে নিখোঁজ হল, সেদিন বিকালেও আমি ওর সঙ্গে গল্প করেছি। বেশ হাসিখুশি ছিল লোকটা। তাহলে লোকটা কি ওয়ারলেসে এমন কোনো খবর শুনে ফেলেছিল। যাতে ভয় পেয়ে সে জাহাজ ছেড়ে পালাল? নাকি কোনো গোপন খবর জেনে যাওয়াতে বিয়ার্ডই তাকে…!’ মার্লিন কথাটা আর শেষ করল না।

    ধ্রুব তার বক্তব্য ধরতে পেরে প্রথমে চমকে উঠল। তার পর মৃদু হেসে বলল, ‘কিন্তু ক্যাপ্টেনের কাছে আমাকে নিয়ে গিয়ে তুমিই তো আমাকে এ চাকরিতে বহাল করালে।’

    মার্লিন বলল, ‘বিশ্বাস করো, বিয়ার্ডের তোমাকে চাকরিতে বহাল করার অভিসন্ধি আমার জানা ছিল না। কাজটা ও আমার অগোচরে মেট ফক্সের সঙ্গে পরামর্শ করে করেছে। যে কারণে বিয়ার্ড যখন তোমাকে কাজের প্রস্তাব দিচ্ছিল তখন আগাগোড়া আমি চুপচাপই ছিলাম। তোমাকে মিউজিয়াম দেখাবার সময় ক্যাপ্টেন আমাকে অন্য প্রয়োজনে ওপরে ডেকে ছিল। কথা প্রসঙ্গে আমি কাকে মিউজিয়াম দেখাচ্ছি সে জানতে চাওয়ায় আমি তোমার পরিচয় দিয়েছিলাম মাত্র। ওর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমার কোনো হাত ছিল না।’

    এরপর একটু চুপ করে থেকে মার্লিন আবার তার কথার খেই ধরে বলল, ‘তবুও কিছুটা দায় আমাকে অবশ্যই নিতে হবে। তোমার পরিচয়টা তো আমিই বিয়ার্ডকে দিয়েছিলাম। এখন যদি তোমার কোনো ক্ষতি হয়….।’ মার্লিনের কণ্ঠস্বরে যেন একটা অপরাধবোধ ফুটে উঠল। বিষণ্ণ হয়ে উঠল তার মুখ।

    সেটা কাটাবার জন্য ধ্রুব হেসে তার পিঠে হাত রেখে বলল, ‘আমি জানি এ ব্যাপারে তোমার কোনো হাত নেই। ঘটনাচক্রে সব হয়েছে। আর কোনো বিপদ হলে তোমার মতো বন্ধু তো আছেই। তবে এতক্ষণ যে আলোচনা হল তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তোমার কিন্তু আমাকে আজ অন্য ব্যাপার জানাবার ছিল। তা হল, ব্ল্যাক প্যারোটের সিন্দুক দেখে কেন তুমি আকৃষ্ট হয়ে এ জাহাজে কাজ নিয়েছিলে?’

    এবার একটু উজ্জ্বল হয়ে উঠল মার্লিনের মুখ। দরজার কাছে উঠে গিয়ে সেটা সত্যিই বন্ধ আছে কিনা তা ভালো করে একবার পরখ করে নিল সে। কান পেতে শোনার চেষ্টা করল দরজার বাইরে কারও শব্দ শোনা যায় কিনা? তারপর কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে ফিরে এসে ধ্রুবর মুখোমুখি বসে বলল, ‘একটা বাতি জ্বালাও। পোর্টহোলের আলো কমে আসছে। তার কথামতো টেবিলে রাখা তেলের বাতিটা ধ্রুব জ্বেলে দিল।

    মার্লিন প্রথমে একটু চুপ করে থেকে ধ্রুবর চোখের দিকে তাকিয়ে চাপাস্বরে বলল, ‘তুমি গুপ্তধনের গল্পে বিশ্বাস করো?

    ধ্রুব মৃদু হেসে বলল, ‘গল্পের বইতে এসব কাহিনি পড়েছি। কিন্তু রক্তমাংসের কোনো মানুষ পেয়েছে বলে জানা নেই।’

    মার্লিন বলল, ‘আমি কিন্তু করি। তোমাকে এর আগে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দুটো

    জিনিসের কথা বলেছিলাম। রক্তে সমুদ্রের আহ্বান আর ওই ম্যাকাও পাখি। এবার আমি তোমাকে তৃতীয় জিনিসটা দেখাব।’ এই বলে মার্লিন তার টুপিটা প্রথমে খুলল। ধ্রুব দেখল মার্লিনের টুপির নিচে মাথার চাঁদির ওপর কালো রঙের একটা খাপ বসানো। কী ওটা? হেলমেট নাকি? মার্লিন এরপর বাটির মতো খাপটা মাথা থেকে খুলে ধ্রুবর দিকে এগিয়ে দিল।

    ধ্রুব জিনিসটা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখল। খুব শক্ত সেটা। কিন্তু হালকা জিনিস। সে বলল, ‘এটা কী?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘এটা একটা তিনশো বছরের প্রাচীন কচ্ছপের খোল।’

    ‘কচ্ছপের খোল!’

    মার্লিন বলল, ‘হ্যাঁ, এটাও আমার ঠাকুরদা পেয়েছিলেন সেই বুড়ো জাহাজির কাছ থেকে। তারপর প্রথমে আমার ঠাকুরদা, তারপর আমার বাবা এর সাহায্যে ভাগ্য ফেরার আশায় সারাজীবন কাটিয়ে দিলেন ভারত মহাসাগরে। তাঁরাও ঠিক আমার মতো টুপির নিচে মাথায় পরে বেরোতেন এটা। তুমি জিনিসটা এবার আলোর সামনে ভালো করে দেখো।’

    ধ্রুব তার কথা মতো আলোর সামনে ধরতেই দেখতে পেল খোলের ওপর খোদাই করা আছে নানা রেখাচিত্র। মার্লিন এরপর খোলের ওপর তর্জনী দিয়ে দেখাতে দেখাতে বলল, ‘এটা আসলে একটা মানচিত্র। এই দেখো এটা হল আফ্রিকা উপকূল, এই হল এশিয়ার প্রান্ত ভাগ, আর এই হল আফ্রিকা উপকূলের বিপরীতে ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত মাদাগাস্কার…।’ মার্লিনের কথা শুনে মানচিত্রতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠতে লাগল চোখের সামনে। আর এই দেখো মাদাগাস্কারের উত্তরে ভারত মহাসাগরের মধ্যে বসে আছে একটা পাখি। কালোটিয়া —ব্ল্যাক প্যারোটের প্রতীক। জায়গাটাতে একটা ক্রসচিহ্নও দেওয়া আছে। জায়গাটার পাশে ল্যাটিচিউড-লঙ্গিচিউড ও সম্ভবত লেখা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে যে ম্যাপটা এঁকেছিল, অথবা কেউ গোপনীয়তার জন্য জায়গাটা ঘসে নষ্ট করে দেয়। আমার ঠাকুরদা সেইবুড়ো জাহাজির কাছ থেকে এটা এ অবস্থাতেই পেয়েছিলেন। এবার তুমি খোলের ভিতরটা দেখো। নিজেই পড়তে পারবে—‘ মার্লিন এরপর বলল।

    ধ্রুব এবার খোলের ভিতরটা আলোর কাছে মেলে ধরে দেখল। খুদে খুদে লেখাগুলো প্রথমে বুঝতে অসুবিধা হলেও শেষপর্যন্ত পড়তে পারল সে। কালোটিয়ার একটা ছবি। —জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের চিহ্ন, তারপর লেখা, ‘গচ্ছিত রাখলাম—।’ আর তার নিচে এরকম সংক্ষিপ্ত একটা তালিকা-

    ক্যাপ্টেন প্যারোট—ওশান হার্ট
    সি উলফ—কিং অব মাদাগাস্কার
    ফায়র থমসন—সি কুইন
    অক্টোপাস মূর—ফেয়ার
    লেডি শ্রাঙ্কেন হেড—বিউটি টিয়ার্স
    ওয়ান লেগ ব্ল্যাক ডগ—কুইন অব জঞ্জিবার
    পারকাসন ম্যাঙ্গকি — সি হর্স
    হোয়াইট শার্ক—টিয়ার্স অব দি স্কাই।

    এর নিচে লেখা আছে—‘হারপুন হাডসনের প্রাপ্য হিসাবে বাকিটা তার বিধবা পত্নীকে আমস্টেলে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

    লেখাটা পড়ে ধ্রুব বলল, ‘এটা কীসের তালিকা? এর মধ্যে ম্যাঙ্গিক বলে একটা নামও আছে দেখছি।’

    মার্লিন বলল, ‘তালিকার বাঁদিকে আর নিচে ক্যাপ্টেন প্যারোট ছাড়া অন্য যে নামগুলো আছে, তারা সবাই ছিল ব্ল্যাক প্যারোটের দুর্ধর্য সহচর। তবে ডানপাশেরগুলো কীসের নান তা আমার জানা নেই। আর হতে পারে যে বিয়ার্ডের ওই বন্ধু ম্যাঙ্গকির কোনো পূর্বপুরুষ ছিল পারকাসন ম্যাঙ্গকি। এটা একটা পদবি।’

    এরপর একটু থেমে মার্লিন বলল, ‘এবার নিশ্চয়ই কিছুটা অনুমান করতে পারছ কেন আমি চাকরিটা নিই! বিয়ার্ডের সাথে ব্ল্যাক প্যারোটের ছবির সাদৃশ্য ধরতে পেরেছিলাম আমি। ছবিটা আমাকে বিয়ার্ডের পরিচয় জানতে সাহায্য করেছিল। যার গুপ্তধনের সংকেত আমার হাতে আছে, তাঁর উত্তরপুরুষ যখন জাহাজটার ক্যাপ্টেন এবং জাহাজটা যখন ভারত মহাসাগরের দিকেই যাচ্ছে তখন এমনও হতে পারে যে বিয়ার্ড সেই গুপ্তধনের খোঁজেই যাচ্ছেন? এ কথাটা আমার সে সময় মনে হয়েছিল।’

    ধ্রুব বলল, ‘বুঝলাম। তা তোমার কী ধারণা, বিয়ার্ড তার পূর্বপুরুষের খালি সিন্দুকভর্তি করে ঘরে ফেরার জন্যই বেরিয়েছেন?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘বিয়ার্ড যে মিউজিয়ামের ব্যবসা করার জন্য বেরোননি সেটা নিশ্চিত। টিকিট বিক্রিতে যে আয় হয়, জাহাজের খরচ তার হাজার গুণ। এত ক্ষতি সে সইবে কেন। আমার ধারণা তার উদ্দেশ্য অন্য। মিউজিয়ামের ব্যাপারটা ক্যামোফ্লাজ। যাতে কেউ সন্দেহ না করে।

    ধ্রুব কচ্ছপের খোলটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে দেখতে বলল, ‘তোমার পাখিটার ছড়াটাও কিন্তু অদ্ভুত, ‘পাইরেটস চেস্ট ইন টারটেল শেল।’ এ খোলটা দেখে আমার কথাটা মনে পড়ে গেল! কিন্তু কচ্ছপ যত বড়ই হোক, সিন্দুক বা তার ভিতরের অত কিছু তার খোলে থাকা সম্ভব নয়। নাকি তার ইঙ্গিত এই খোলটার দিকে?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘তাও হতে পারে। পাখিটাও ছিল সেই বুড়ো জাহাজির। তাঁর সম্বন্ধে যতটুকু শুনেছি সেটা বলি। বহু বছর আগের কথা, ঠাকুরদার তখন যুবা বয়স। সে সময় তার জাহাজ নোঙর করেছিল এডেনে। একদিন বন্দরে তার কানে এল এক বৃদ্ধ ব্রিটিশ নাবিক নাকি জাহাজঘাটার সরাইখানায় অন্ধ অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। দেশের লোক অচেনা হলেও বিদেশে তাকেই পরমাত্মীয় বলে মনে হয়। ঠাকুরদা খবরটা শুনে ছুটলেন সেই সরাইখানায়। দেখলেন সরাইখানার নোংরা ঘরে শুয়ে আছে এক মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধ। তার সঙ্গী বলতে ওই পাখিটা। মাদাগাস্কার থেকে আগত কোনো এক জাহাজ নাকি তাকে সরাইতে ফেলে পালিয়েছে। লোকটার সারা দেহে ক্ষতচিহ্ন। যেন কেউ ব্লেড দিয়ে তাকে চিরেছে, চোখের দুটো মণি যেন কেউ খুবলে নিয়েছে। এ অবস্থাতেই নাকি তাকে নৌকায় মাদাগাস্কার উপকূলে ভাসতে দেখেছিল উদ্ধারকারী সেই জাহাজ। খোলটা সম্পত্তির মতো বুকে আঁকড়ে শুয়ে থাকা বৃদ্ধর তখন প্রাণবায়ু বেরোয় বেরোয় করছে। ঠাকুরদার কাছে একটা বাইবেল ছিল। তার শেষ অবস্থা দেখে ঠাকুরদা সেটা তার কানের কাছে পড়তে লাগলেন। পাঠ শেষ হলে সেই বৃদ্ধ হঠাৎই নড়ে উঠে খোলটা দিয়ে বললেন ‘আমার আত্মাকে তুমি মুক্তি দিলে। তাই তোমাকে এটা আর আমার পাখিটা দিয়ে যাচ্ছি। এর চিহ্ন দেওয়া জায়গাতে লুকানো রয়েছে জলদস্যু ব্ল্যাক প্যারোটের গুপ্তধন।’

    ঠাকুরদা জিজ্ঞেস করলেন, ‘সে জায়গা কোথায়?’

    বৃদ্ধ জবাব দিল, ‘যেখাতে তারা আছে…। তাদের হেফাজতে আছে সেই গুপ্তধন…তবে রাত সেখানে বড়ই ভয়ঙ্কর…।’

    ‘তারা কারা তা অবশ্য আর জানতে পারেননি ঠাকুরদা। এরপরই বৃদ্ধর মুখে যেন প্রচণ্ড আতঙ্ক ফুটে উঠে শ্বাস থেমে যায়।’

    সব শুনে ধ্রুব জানতে চাইল, ‘সে জায়গা কোথায় বলে তোমার ধারণা?’

    মার্লিন বলল, ‘খোলের ম্যাপে চিহ্ন দেওয়া জায়গাটা হল সেসেল্জ দ্বীপপুঞ্জ।’ মাৰ্লিন এরপর আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল, কিন্তু দরজায় টোকা দেবার শব্দ শুনে মার্লিন তাড়াতাড়ি কচ্ছপের খোলটা মাথায় দিয়ে টুপিটা পরে নিল। দরজা খুলে ধ্রুব দেখল সামনে দাঁড়িয়ে আছে মেট ফক্স। সে প্রথমে ধ্রুবকে দেখে বলল, ‘ক্যাপ্টেন আপনাকে ডাকছেন।’ তারপর মার্লিনকে দেখে বলল, ‘ও, তুমিও এ ঘরে।’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘রোলিং-এ রেডিও সাহেবের গা ব্যথা হয়েছে। টিপে দিচ্ছিলাম। দুটো টাকা আয় হবে তাতে।’

    মেট শুনে মৃদু হাসল। ধ্রুবর মনে হল কথাটা সম্ভবত তার বিশ্বাস হয়নি। মার্লিন বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। ধ্রুব ফক্সের সঙ্গে উপস্থিত হল ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের ঘরে। বিয়ার্ড তাকে বললেন, ‘একটা বিশেষ কারণে আপনাকে ডেকেছি। দেখলেন তো আজ ডেস্ট্রয়ারটা কী হ্যাঙ্গাম করল। আমরা যত মোগাদিসু বন্দরের দিকে এগোব তত এসব হ্যাঙ্গাম বাড়বে। এ দিকের হাল হকিকত তো আপনার জানা নেই। রেডিও ম্যাসেজে কখন কী বলতে হবে তা আপনি বুঝতে পারবেন না। আমি ভাবছি কাল থেকে রেডিও রুম মেট ফক্সই সামলাক। তবে চিন্তা নেই, কাগজ কলমে আপনিই রেডিও অফিসার থাকবেন। সে হিসাবে যা প্রাপ্য তাই পাবেন।’

    ধ্রুব শুনে অবাক হয়ে বলল, ‘তাহলে কী কাজ করব আমি?’

    বিয়ার্ড একটু ভেবে নিয়ে বললেন, ‘আপনি তো শিক্ষিত মানুষ, পরিবর্তে আপনাকে একটা কাজ দেব আমি। আমার লাইব্রেরিতে অনেক বই আছে নিশ্চয়ই দেখেছেন? ওর একটা ক্যাটালগ তৈরি করুন আপনি। কাজটা করতে দিন দুই লাগবে আপনার আর তার পর তো আমরা মোগাদিসুতে পৌঁছে যাব।’

    জাহাজে ক্যাপ্টেনের আদেশই শেষ কথা। ব্যাপারটা তাই মেনে নিল ধ্রুব। রাতে একবার এক মিনিটের জন্য ধ্রুবর কেবিনে এল মার্লিন। ধ্রুবর কাজ বদল হয়েছে শুনে সে বলল, ‘ব্যাপারটা আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে। বিয়ার্ড ডেকে ছিল। আমাকে ডেক সারেঙের সহকারী হিসেবে কাজ করতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ আমি ওপরে, তুমি নিচে। আমার ধারণা, আমাদের মেলামেশা ওরা সন্দেহের চোখে দেখছে, তাই এ ব্যবস্থা করল। চোখ কান খোলা রেখো মনে হয় ভিতরে ভিতরে কোনো ঘটনা ঘটতে চলেছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }