Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ২

    ২

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই মার্লিন ফিরে এল। বই রেখে ধ্রুব মার্লিনের সাথে গিয়ে ঢুকল জলি রজার্স রুমে। সারা দেওয়ালে নানা ধরনের কালো পতাকা বোর্ড পিন দিয়ে আটকানো আছে। তবে সবই আকৃতিতে ছোট রেপ্লিকা। জাহাজের মাস্তুলে ওড়ার মতো নয়। শুধু একটাই প্রমাণ মাপের পতাকা আছে। সেটা ঘরের শেষ মাথায় কাঠের ফ্রেমে কাচের আবরণের ভিতরে আছে। ঘরে ঢুকে মার্লিন বলল, ‘আপনাকে আগেই বলেছি যে ‘জলি রজার ভয় দেখাবার জন্য ব্যবহৃত হত। মাঝ সমুদ্রে কোনো জাহাজের ক্যাপ্টেনের দুরবিনে ‘জলি রজার’ দেখা দিলেই সে বুঝত মৃত্যু আসন্ন। এখানে এ ধরনের কিছু পতাকা আপনি দেখবেন। সব পতাকাতেই কঙ্কালের উপস্থিতি বুঝিয়ে দেয় যে ‘জলদস্যু’ আর ‘মৃত্যু-এ শব্দ দুটি সমার্থক।’

    প্রথম যে পতাকার সামনে তারা দাঁড়াল সেটা সমুদ্রের ইতিহাসে ভয় জাগানো এক নাম বার্থোলমিউ রবার্টসের। পতাকায় দেখা যাচ্ছে বার্থোলমিউর হাতে পানপাত্র তুলে দিচ্ছে এক নরকঙ্কাল। এরপর ব্ল্যাক রিয়ার্ডের পতাকাতে বর্শা আর টাকার থলি হাতে দাঁড়িয়ে আছে কঙ্কাল। আর ক্যাপ্টেন ইংলন্ডের জলি রজারের চিহ্ন তো সারা পৃথিবীব্যাপী আজ বিপদচিহ্ন হিসাবে পরিচিত। নর করোটির নিচে আড়াআড়ি ভাবে দুটো হাড়। সে পতাকাও দেখতে পেল ধ্রুব। সব শেষে তারা এসে দাঁড়াল সেই বিরাট পতাকার সামনে। কালো পতাকার মধ্যে আঁকা আছে একটা করোটি। আর তার মাথায় বসে আছে একটা টিয়াপাখি, সেই কালোটিয়া!

    মার্লিন বলল, ‘এই পতাকাটা কিন্তু সত্যিই একসময় ব্ল্যাক প্যারোটের মাস্তুলে উড়ত। আসল পতাকা এটা। ছবির চিহ্ন ছিল ব্ল্যাক প্যারোটের প্রতীক। ওঁর সিন্দুকেও এই চিহ্ন আছে। ওর পোষা কালো টিয়াপাখির জন্যই ওঁর নাম হয়েছিল ‘ব্ল্যাক প্যারোট।’

    ধ্রুব জানতে চাইল, ‘ব্ল্যাক প্যারোটের এসব আসল জিনিস কীভাবে সংগ্রহ হল?’ মার্লিন বলল, ‘এসব ক্যাপ্টেনের জিনিস। সম্ভবত পারিবারিক সূত্রে পাওয়া। বিশদ জানা নেই।’

    তারপর হেসে বলল, ‘আমাদের মিউজিয়াম দেখা শেষ হল। আশাকরি আপনার ভালো লেগেছে। একটা কথা আছে, আপনিও নাবিক শুনে ক্যাপ্টেন আপনার সাথে একটু কথা বলতে চান। তিনি ওপরে অপেক্ষা করছেন।’

    মিউজিয়াম দেখা শেষ করে ধ্রুব মার্লিনের সাথে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে উঠতে বলল, ‘আপনি কিন্তু বেশ বলেন, কোনো পোর্ট মিউজিয়ামে চাকরি করতে পারেন।

    মার্লিন একটু বিষণ্ণ হেসে বলল, ‘চাকরির জন্য তো সার্টিফিকেট লাগে। আমার কোনো সার্টিফিকেট নেই। কাগজ কলমে আমি এ জাহাজের খালাসি। তার বেশি কিছু নই। ধ্রুব তাকে আশ্বস্ত করার জন্য বলল, ‘দেখবেন, নিশ্চয়ই একদিন আপনার ভাগ্য ফিরবে।’

    উঠতে উঠতে থমকে দাঁড়িয়ে মার্লিন বলল, ‘ভাগ্য ফেরাতেই তো চাই। আমার ঠাকুর্দা পারেননি, বাবাও পারেননি, কিন্তু…কিন্তু…।’ কথা শেষ না করে ওপরে উঠতে লাগল সে।

    প্রথম কোনো ঘরে আধুনিক উপকরণ, আসবাবপত্র দেখতে পেল ধ্রুব। একটা কম্পিউটারও ডেকের একপাশে গোটাকয়েক ঘর। তারই একটাতে মার্লিন ধ্রুবকে নিয়ে ঢুকল। এই

    ঘরে আছে। বৈদ্যুতিক বাতিরও ব্যবস্থা আছে। কাচের জানলার সামনে ধ্রুবদের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে ছিলেন একজন লোক। তারা ঘরে ঢুকতেই তিনি ফিরে দাঁড়ালেন। তার পরনেও সেই অষ্টাদশ শতাব্দীর পোশাক। কিন্তু তা বেশ ঝকঝকে, এবং নিখুঁত ইস্ত্রি করা। মাথায় নীলরঙের ভেলভেটের ত্রিকোণ ভাঁজের টুপি, ঠিক সে যুগের ক্যাপ্টেনরা যেমন পরত। লাল মুখের লোকটার চেহারার বৈশিষ্ট্য হল, ভুরু, গোঁফ সব একদম ধবধবে সাদা, পনিটেল বাঁধা চুলের রংও তাই। লোকটা মধ্যবয়সি। লোকটা যেন কয়েক মুহূর্ত তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করে নিল ধ্রুবকে। তারপর দু কদম এগিয়ে ধ্রুবর সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘আমি ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড। এ জাহাজের মালিক।’

    করমর্দন করল ধ্রুব। তার হাত স্পর্শ করে সে বুঝতে পারল সে হাতে বেশ শক্তি ধরে। বিয়ার্ডের দাঁড়াবার ভঙ্গি একটু কুঁজো ধরনের হলেও সে বেশ লম্বা এবং শক্তপোক্ত চেহারার মালিক।

    করমর্দন করার সময় ক্যাপ্টেন ধ্রুবকে বললেন, ‘মার্লিনের মুখে আপনার কথা শুনলান। একটা বিশেষ কারণে আমি আপনাকে ডাকলাম।’

    ‘কী কারণ?’ একটু অবাক হল ধ্রুব।

    সামান্য একটু চুপ করে থেকে ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, ‘আমাদের একজন ওয়ারলেস রেডিও অপারেটরের বিশেষ প্রয়োজন। আপনি যদি আমাদের জাহাজে কাজটা নেন তাহলে আমি উপকৃত হই। পারিশ্রমিক নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। দিনপিছু পঞ্চাশ ডলার আমি দেব আপনাকে। যা আপনাকে কোনো জাহাজ কোম্পানি দেবে না।’

    বিস্মিত ধ্রুব ক্যাপ্টেনের প্রস্তাব শুনে বলল, ‘কিন্তু, আমি তো একটা জাহাজের কাজ নিয়ে এসেছি। তা আপনাদের ওয়ারলেস অপারেটার কোথায় গেলেন?’

    ক্যাপ্টেন বললেন, ‘আমাদের ছোট জাহাজে একজনই অপারেটর ছিল। কিছুদিন ধরেই বাড়ির জন্য মন খারাপ হচ্ছিল। গত চারদিন ধরে সে নিখোঁজ। আমার ধারণা আমাদের না জানিয়ে অন্য কোনো জাহাজ ধরে দেশের দিকে রওনা হয়েছে। তার নিখোঁজের দিন দুটো জাহাজ এডেন থেকে ইংল্যান্ডের দিকে যাত্রা করেছে। এদের মধ্যে যাত্রীবাহী জাহাজও আছে। সম্ভবত এর কোনোটাতে সে উঠে বসেছে। জাহাজ থেকে নাবিক পালাবার ঘটনা যেমন বহু যুগ ধরে ঘটে আসছে এও তেমনি ব্যাপার।’

    ধ্রুব জানতে চাইল, ‘ব্যাপারটা আপনি পোর্ট অথরিটি-হারবার মাস্টারকে জানিয়েছেন?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘পোর্ট পুলিশ, হারবার মাস্টার সবাইকে জানিয়েছি। ব্যাপারটা জানাতে গিয়েই আসল বিপত্তিটা ঘটল। হারবার মাস্টার সাফ বলে দিলেন ওয়ারলেস অপারেটর না থাকলে কোনো জাহাজকেই জাহাজঘাটা ছাড়ার অনুমতি দেবেন না তিনি। বিশেষত সোমালিয়ার ওদিকে তো একদমই নয়। নিশ্চয়ই জানেন যে ওদিকে জলদস্যুদের খুব উৎপাত। আমাদের মতো সাজানো জলদস্যু বা পারকাসনওয়ালা প্রাচীন জলদস্যু নয় তারা। আধুনিক জলদস্যু। তাদের হাতে থাকে পারকাসনের বদলে মেশিনগান। আদ্যিকালের জলদস্যুদের হাত কামানের বদলে কাঁধে রকেট লঞ্চার। ‘ধাও’ নামের এক লম্বা নৌকাতে সোমালিয়ার ৬৫৯ মাইল দীর্ঘ উপকূল বরাবর দাপিয়ে বেড়ায় তারা। প্রায়শ‍ই জাহাজ হাইজ্যাক করে। জাহাজের নিরাপত্তার কারণেই ওদিকের সব জাহাজে রেডিও অপারেটরের উপস্থিতি প্রয়োজনও বাধ্যতামূলক। আমরা যাচ্ছি মোগাদিসুতেই।’

    ধ্রুব বলল, ‘সবই তো বুঝলাম। আপনার বেতনও লোভনীয়। কিন্তু আমি তো একটা জাহাজে কাজ করছি।

    ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, ‘দেখুন, মার্লিনের মুখে যা শুনলাম, তাতে আপনাদের জাহাজ এখানে বেশ কিছুদিন থেকে মোগাদিসু যাবে। আমরাও যাব সেখানেই। অপারেটর পেলে আগামীকালই রওনা হব। আমার এ জাহাজ কিন্তু শুধু দাঁড় বা পালে চলে না। ইঞ্জিনও আছে। ইঞ্জিনের সাহায্যে এ জাহাজ বেশ দ্রুত চলে। মেগাদিসুতে আমার একদিনের কাজ তারপর আমরা আবার এডেনের দিকে আসব। আপনি সেখানে গিয়ে আপনার জাহাজ পৌঁছবার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। ও বন্দরে আমার চেনাজানা আছে। বদলি অপারেটর জুটিয়ে নেব আমি। আবার আপনি আমাদের সাথে এ দিকেও যাত্রা করতে পারেন। আপনার জাহাজ ছেড়ে গেলে, পথে সে জাহাজে আপনাকে তুলে দেব। আবার এমনও হতে পারে আপনার ‘শ্রীগণেশ’ এডেন ছাড়ার আগেই এখানে পৌঁছে গেলেন আপনি।’—একটানা কথা বলে ধ্রুবের উত্তরের প্রত্যাশায় তার দিকে তাকালেন ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড।

    ধ্রুব বলল, ‘কিন্তু আমার জাহাজের ক্যাপ্টেন আমাকে ছাড়তে রাজি হবেন কেন? বিয়ার্ড বললেন, ‘আপনি রাজি থাকলে সে ব্যাপারটা আমার ওপর ছেড়ে দিন। আমি যাব তাকে রাজি করাতে। মাত্র কয়েকদিনের তো মামলা। জাহাজ তো আপনার এখানে বেশ কিছুদিন দাঁড়াবে। আসলে সেই অবসর সময় আপনি আমার জাহাজে কাজ করছেন। তাছাড়া আপনার ক্যাপ্টেন রাজি হলে তিনি অন্যভাবে উপকৃত হবেন, আর আপনারও আরও একটা উপকার হবে। তবে সেটা নিছক এই কাজ সংক্রান্ত নয়। তার চেয়েও বড়।

    ‘কী উপকার?’

    বিয়ার্ড স্মিত হেসে জবাব দিলেন, ‘ক্যাপ্টেনেরটা তাকেই বলব, আপনারটাই বলি, —একটা সার্টিফিকেট। সহকারী রেডিও অপারেটরের নয়, পুরোদস্তুর রেডিও অপারেটরের সার্টিফিকেট। যে সার্টিফিকেট পেতে সাধারণ ভাবে আপনার আরও দশটা বছর সময় লাগবে। আর, জানেন তো আমাদের এ লাইনে ব্রিটিশ আর পোর্তুগিজ জাহাজের সার্টিফিকেটের মর্যাদাই আলাদা। কারণ, এ দুটি দেশ হল নৌ অভিযানের আদিপুরুষ। ক্যাপ্টেনের এ কথাগুলো শুনে ধ্রুব এবার ব্যাপারটা সম্পর্কে বেশ উৎসাহিত হল। ও সার্টিফিকেটের গুরুত্ব তার অজানা নয়। ওটা হাতে থাকলে চাকরি পাবার সত্যিই অনেক সুবিধা। মাসখানেক পরই তো দেশে ফিরতে হবে তাকে। ‘শ্রীগণেশের’ সাথে তার চুক্তি দেশের মাটি ছোঁয়া পর্যন্ত। তারপর নতুন জাহাজে চাকরি নিতে পুরোদস্তুর অপারেটরের সার্টিফিকেটটা কাজে আসবে।

    কিছুক্ষণ ভাবার পর ধ্রুব শেষপর্যন্ত বলল, ‘ঠিক আছে। আমার ক্যাপ্টেন অনুমতি দিলে আমি আপনার সাথে যেতে রাজি আছি।’

    ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, ‘ধন্যবাদ। জানেন তো নতুন পথে ঝাঁপ দিতে না পারলে নাবিক হওয়া যায় না। আপনার মধ্যে নাবিক হবার গুণ আছে।’

    .

    কিছুক্ষণের মধ্যেই সে জাহাজ থেকে নিজের জাহাজে ফেরার জন্য ধ্রুব রওনা হল। সঙ্গে

    তিনজন লোক। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড, মার্লিন, আর তৃতীয়জন হল, মিস্টার ফক্স। ফ্রান্সিস ড্রেক’ জাহাজের মেট। অর্থাৎ পদমর্যাদায় ক্যাপ্টেনের পরই সে জাহাজে তাঁর স্থান। ধ্রুব যখন নিজের জাহাজে পৌঁছল তখন সূর্য ডুবতে চলেছে। শেষ বিকালের আলো ছড়িয়ে পড়েছে সার সার নোঙর ফেলা জাহাজের মাস্তুলে। মাথার ওপর ওড়াওড়ি করছে গাংচিলের দল। বন্দরের কোলাহল-ব্যস্ততাও ক্রমশ ফিকে হয়ে আসছে।

    ধ্রুব জাহাজে উঠে সবাইকে নিয়ে সোজা এগোল ক্যাপ্টেনের কেবিনের দিকে। ক্যাপ্টেন রাজন দক্ষিণ ভারতীয়। বেশ সভ্য-ভদ্র লোক। ধ্রুবর সঙ্গে এরকম উদ্ভট পোশাকের লোক দেখে প্রথমে চমকে গেছিলেন তিনি। ধ্রুব তাঁদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেবার পর ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের তরফে কথা শুরু হল। ক্যাপ্টেনকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করতে লাগল বিয়ার্ড আর ফক্স। মার্লিন চুপচাপ দাঁড়িয়ে।

    রাজন ডেকে পাঠালেন চিফ রেডিও অপারেটরকে। ডি’সুজা বলে সে লোকটা বেশ বৈষয়িক। সে বলল যে ধ্রুবকে ছেড়ে দিতে তার কোনো আপত্তি নেই। প্রয়োজনবোধে ‘শ্রীগণেশের’ মোগাদিসু বন্দর পর্যন্ত যাবার কাজটা সে সামলে নিতে পারবে। কিন্তু ওই ক’টা দিনের জন্য ধ্রুবর যা প্রাপ্য হয় সেটা বাড়তি তাকে দিতে হবে।

    কথাটা শোনার সাথে সাথেই ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, প্রয়োজনবোধে তিনিই সেটা দেবেন।

    সব কথা শোনার পরও কিন্তু কিন্তু করতে লাগলেন ক্যাপ্টেন রাজন। বিয়ার্ড এবার ধ্রুবকে না বলা ক্যাপ্টেনের লাভের কথাটা অস্ত্র হিসাবে প্রয়োগ করলেন। তিনি বললেন, ‘মোগাদিসুতে শেষ কবে গেছিলেন আপনি?

    ক্যাপ্টেন রাজন বললেন, ‘তিনবছর আগে।’

    ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড বললেন, ‘আমি ঘুরে এসেছি তিনমাস আগে। ওদিকে যখন যাচ্ছেন তখন নিশ্চয়ই ওদিকের হালহকিকতের খবর রাখেন আপনি। তবুও আমার দেখে আসা সাম্প্রতিক অবস্থাটা বলি। এ তিন বছরে ওখানের পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত তিনবছরে সোমালিয়া বন্দরে হাইজ্যাকিং-এর অন্তত ১০০টা ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা ভারতীয় জাহাজও ছিল, জানেন নিশ্চয়। সেখানে সে অর্থে কোনো সার্বভৌম সরকার নেই। তিনজন গোষ্ঠীপতি নিজেদের মধ্যে অঞ্চল ভাগাভাগি করে দেশটা চালায়। দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ছাড়া জাহাজ হাইজ্যাকিং-এর ব্যাপারে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। জলদস্যু দমনের জন্য কোনো নৌবাহিনীও নেই সেখানে। চূড়ান্ত এক অরাজক ব্যাপার! সার্বভৌম সরকার না থাকলেও অন্য কোনো দেশের রণতরী তাদের জলসীমায় ঢোকে না। বিদেশি জাহাজ হাইজ্যাকিং বলা যেতে পারে ওখানে একটা শিল্প হয়ে উঠেছে। তাদের জলসীমায় দাঁড়িয়ে থাকা তিনটে জাহাজ আমি দেখে এসেছি যাদের হাইজ্যাক করা হয়েছে। মুক্তিপণের জন্য জলদস্যুরা খবর পাঠিয়েছে তাদের দেশে। কবে তা আসবে নাবিকদের তা জানা নেই। হয়তো দেখবেন এখনো তারা দাঁড়িয়ে আছে সোমালিয়ার দরিয়াতে। ঈশ্বর না করুন এ পরিস্থিতির সামনে না আপনাদের মুখোমুখি হতে হয়। আমার ছোট জাহাজ। কয়েকটা মেকি আর পুরানো জিনিস ছাড়া কিছু নেই। কিন্তু আপনার তো খোল ভর্তি কয়েক কোটি টাকার মাল, নাবিকও অনেক। হাইজ্যাকিং-এর জন্য ওদের কাছে আপনাদের জাহাজ একদম লোভনীয়।’

    এই বলে সম্ভবত ক্যাপ্টেন রাজনের প্রতিক্রিয়া লক্ষ করার জন্য কয়েক মুহূর্ত তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলেন বিয়ার্ড। তারপর আবার বলতে শুরু করলেন, ‘আর এ ব্যাপারে আপনাকে আমি কী সাহায্য করতে পারি তা বলি। ওখানে আমার পরিচিত হোবিও নামের একজন বেশ প্রভাবশালী লোক আছে। সে লোক একসময় একটা জলদস্যু দল চালাত। এখন একটা সোনার খনি কিনে ব্যবসা করছে। টাকাকড়ির জোরে সে এক গোষ্ঠীপতির কাছের মানুষ। আবার পূর্বতন পেশার সূত্রে হাইজ্যাকারদের সাথেও তার পরিচয় আছে। তারা তাকে বেশ সমীহ করে। বন্দর এলাকাতেই ওর বাড়ি। আমাকেও বেশ শ্রদ্ধা করে। আমার ঠাকুরদার জাহাজে কাজ করত ওর ঠাকুর্দা। একটা পারিবারিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক আছে। আমি ওর নামে আপনাকে একটা চিঠি দিয়ে দেব। আপনার জাহাজের নিরাপত্তার ব্যাপারটা সে দেখবে। নিশ্চিন্তে ক’টা দিন ইচ্ছা কাটাবেন মোগাদিসুতে। আর আপনার লোক তো আমার সঙ্গে রইলই। ওঁর সঙ্গে আমি আগাম পরিচয় করিয়ে দেব হোবিওর। আপনার সুবিধা হবে তাতে। চাইলে, আপনার জাহাজ থেকে এখনই আমি হোবিওকে তার করতে পারি।

    এবার কিন্তু ধন্দে পড়ে গেলেন ক্যাপ্টেন রাজন। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড যা বলেছেন মোগাদিসু বন্দর সম্পর্কে তা যে সত্য সে খবর রাখেন ক্যাপ্টেন রাজন। নেহাতই কোম্পানির চাকরি বজায় রাখার জন্যই জাহাজ নিয়ে সোমালিয়াতে যায় নাবিকরা। এ জাহাজও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রতিমুহূর্তে সেখানে হাইজ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের লোক যদি সেখানে সত্যি নিরাপত্তা দিতে পারে সেটা বিরাট ব্যাপার!

    আরও বেশ কিছুক্ষণ দুই ক্যাপ্টেনের কথা বলার পর ধ্রুবকে ছাড়তে রাজি হয়ে গেলেন ক্যাপ্টেন রাজন। অবশ্য শর্ত মোতাবেক মোগাদিসু বন্দরে ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের পরিচিত হোবিও নামের লোকটার উদ্দেশে একটা চিঠিও লিখিয়ে নিলেন রাজন। জাহাজের ওয়ারলেস ফোনেও বিয়ার্ড লোকটার সঙ্গে ক্যাপ্টেন রাজনের কথা বলিয়ে দেবার চেষ্টা করলেন, কিন্তু লাইন পাওয়া গেল না। ওদিকের পরিষেবা ব্যবস্থা এখনো ততটা নাকি উন্নত নয়। তবে মোগাদিসুতে নেমেই লোকটার সঙ্গে ধ্রুব পরিচয় করিয়ে দেবেন এ প্রতিশ্রুতি বিয়ার্ড ক্যাপ্টেন রাজনকে দিলেন। কথা হল, তারপর ধ্রুব পুরো পরিস্থিতি জানিয়ে দেবে ক্যাপ্টেন রাজনকে।

    কাগজপত্র সইসাবুদ সব জাহাজে বসেই হয়ে গেল। নতুন মালিক ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের জাহাজে ওয়ারলেস রেডিও অপারেটরের কাজে কাগজেকলমে সেই মুহূর্তেই যোগদান করল ধ্রুব।

    ফক্স আর মার্লিনকে নিয়ে জাহাজ থেকে নামার আগে ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ধ্রুবকে বলে গেলেন ভোর চারটাতে তাঁর লোক নৌকা নিয়ে জেটির নির্দিষ্টস্থানে অপেক্ষা করবে তাকে জাহাজে নিয়ে যাবার জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }