Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ৩

    ৩

    পরদিন ‘শ্রীগণেশের’ থেকে বিদায় নিয়ে ধ্রুব যখন জেটিতে নামল তখন অন্ধকার কাটেনি। কিন্তু এ সময়তেই সবচেয়ে কর্মব্যস্ততা থাকে। মাছ ধরার ট্রলারগুলো এ সময় সমুদ্রে যাবার জন্য তৈরি হয়। তাদের ‘ভো’ শোনা যাচ্ছে। কুয়াশামাখা অন্ধকার ভেদ করে অস্পষ্ট ভাবে ভেসে আসছে তাদের সার্চলাইটের হলদেটে আলো। জেটি ধরে নির্দিষ্ট জায়গা দিকে হাঁটতে লাগল ধ্রুব। যেখান থেকে সে আগের দিন নৌকা ধরেছিল। জেটির রাস্তায় বেশ ভিড়। তবে এরা ঠিক জাহাজি নয়, ধীবর শ্রেণির লোক। ট্রলার বা নৌকা নিয়ে মাছ ধরে সমুদ্রে, আবার ফিরে আসে এ বন্দরে। রাস্তার পাশে কফিপাবগুলোর সামনে তাদের জটলা। সমুদ্রে ভেসে যাওয়ার আগে আগুনের মতো গরম কফি গলায় ঢেলে নিচ্ছে তারা। কোথাও কোথাও পাবের সামনে রাখা আছে কাঠের পিপে। তার ভিতর থেকে মগে করে অনেকটা আলকাতরার মতো দেখতে তরল পদার্থও পান করছে কেউ কেউ। ওটা কী বস্তু তা জানে ধ্রুব। হাঙরের তেল। ও খেলে সর্দি-কাশি এসব হয় न মান্নাদের। ওর জন্য পয়সা দিতে হয় না। নিখরচায় অমৃত। তবে প্রচণ্ড বিস্বাদ আর গন্ধ! ম্যাসকট বন্দরে সে ও জিনিস একবার খেয়ে দেখেছে। মুখে দিতেই গা তার গুলিয়ে উঠেছিল। এ সব দেখতে দেখতে ধ্রুব পৌঁছে গেল নির্দিষ্ট জায়গাতে। বোট নিয়ে অপেক্ষা করছিল আগের দিনের লোকটাই। সঙ্গে একটা ঘষা কাচের লণ্ঠন। তার আলোতে কেমন যেন ভৌতিক দেখাচ্ছে লোকটার মুখ। ধ্রুব বোটে উঠতেই সে লণ্ঠনটা ধ্রুবর হাতে ধরিয়ে দাঁড় টানতে লাগল। ধ্রুব তার পিঠের ব্যাগটা বোটে নামিয়ে রেখে লণ্ঠনটা উঁচুতে তুলে গুল। পাড় থেকে যত তারা দূরে সরে যাচ্ছে তত ঘন হয়ে উঠছে কুয়াশা। তিনহাত দূরের জিনিস কিছু দেখা যাচ্ছে না। তার ওপর আবার চারদিকে ছোটবড় জাহাজের দেওয়াল, অগুনতি কাছি, আর দড়িদড়া। তাতে আটকে গিয়ে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ধ্রুব বোট চালককে বলল, ‘সাবধানে। নইলে বোট উল্টে যেতে পারে। কিছুই তো দেখা যাচ্ছে না!’

    লোকটা নির্লিপ্ত ভাবে শুধু বলল, ‘সাঁতার জানেন নিশ্চয়ই? তবে আর ভয় কী? দাঁড় চালাতে লাগল লোকটা।

    সেরকম কিছু ঘটল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই বোট এসে লাগল ‘ফ্রান্সিস ড্রেকের’ গায়ে। অন্ধকারে কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে জাহাজটা। যেন আসলে জাহাজ নয়, তার একটা প্রতিচ্ছবি মাত্র। জাহাজের মাস্তুলে শুধু একটা লাল আলো জ্বলছে। আর কোথাও কোনো আলো নেই। জাহাজের গায়ে ঝোলানো দড়ির সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করল ধ্রুব। ডেকের কাছাকাছি পৌঁছতেই ধ্রুবকে ওপরে উঠিয়ে নেবার জন্য কুয়াশার আবরণ ভেদ করে বেরিয়ে এল একটা হাত। সে হাত ধরে উঠে ডেকে পা রাখল ধ্রুব। সে হাতটা মার্লিনের। সে হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানাল তাকে। ডেকে কয়েকটা তেলের আলো জ্বলছে। তবে তার আলো এত কম যে নিচ থেকে তার অস্তিত্ব বোঝা অসম্ভব ছিল ধ্রুবর পক্ষে। ডেকের অন্ধকারও তাতে দূর হয়নি। কুয়াশামাখা আধো অন্ধকারে ব্যস্ত সমস্ত হয়ে ঘোরাফেরা করছে কিছু ছায়ামূর্তি। ধ্রুবর মনে হল জাহাজ ছাড়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত তারা। মার্লিন ধ্রুবকে নিয়ে এগোল ক্যাপ্টেনের ঘরের দিকে।

    ঘরের দরজা জানলা বন্ধ থাকলেও ভিতরে আলো জ্বলছিল। একটা টেবিলে বসে একটা চার্ট নিয়ে কী যেন দেখছিলেন ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড। তারা ঘরে ঢুকতেই চার্ট ফেলে উঠে দাঁড়িয়ে প্রথমে ধ্রুবর সঙ্গে করমর্দন করে বললেন, ‘আপনি এসে গেছেন। ‘ফ্রান্সিস ড্রেকে’ আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।’ এরপর তিনি মার্লিনকে বললেন, এঁকে তাহলে রেডিও রুমে নিয়ে যাওয়া যাক। কাজ ভালো করে পরে বুঝিয়ে দেওয়া যাবে। এখন আপাতত হারবার মাস্টারকে জানিয়ে জাহাজ ছাড়ব আমরা। কাগজপত্র তো কালই সব জমা দেওয়া হয়ে গেছে। সব প্রস্তুতি সারা। ধ্রুবকে নিয়ে যাওয়া হল রেডিও রুমে। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড ধ্রুবকে বললেন, ‘আমার ঘর আর এ ঘর, এ দুটো ঘরেই শুধু বৈদ্যুতিক আলো আছে।’ কাঠের দেওয়াল আর নিচু ছাদওলা মামুলি রেডিও রুম। শ্রীগণেশের’ রেডিও রুমের মতো ইলেকট্রনিক্স প্যানেল, ইত্যাদি কিছুই নেই এ ঘরে। খবর আদান-প্রদানের যন্ত্রপাতি বেশ মামুলি ধরনের। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের নির্দেশে ধ্রুব বসে গেল তার নির্দিষ্ট আসনে। এরপর ক্যাপ্টেনের বক্তব্য মতো হারবার মাস্টারকে ধ্রুব প্রথম খবর পাঠাল — ব্রিটিশ জাহাজ, আর.এম ফ্রান্সিস ড্রেক, বন্দর ছাড়ার অনুমতি চাইছে। গন্তব্য, পোর্ট মোগাদিসু সোমালিয়া। ক্যাপ্টেন-টমাস বিয়ার্ড, চিফ মেট—অ্যান্ড্রু ফক্স, রেডিও অপারেটর ধ্রুব মিত্র…।’ সামান্য কিছু জিজ্ঞাসার পর অনুমতি চলে এল হারবার মাস্টারের অফিস থেকে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই ডেকে রাখা নোঙরের কাছি বাঁধা ক্যাপস্টেন ঘোরাতে শুরু করল কয়েকজন লোক। নোঙর উঠে এল। এঞ্জিনের ধকধক শব্দও শুরু হল। সার্চলাইট জ্বালিয়ে কুয়াশার আবরণ ভেদ করে ধীরে ধীরে সমুদ্রের দিকে যাত্রা শুরু করল ফ্রান্সিস ড্রেক।

    কুয়াশা কেটে একসময় সমুদ্রের জলে লাল আবির গুলে সূর্যদেব উদিত হলেন। সুন্দর ঝলমলে সকাল। মাথার ওপর নীল আকাশ। ডাঙা আর দেখা যাচ্ছে না। চারপাশে অসীম সমুদ্র। মাঝে মাঝে দু-একটা মাছ ধরার ট্রলার বা পালতোলা জেলে ডিঙি ভেসে যাচ্ছে। একসময় সেগুলোও হারিয়ে গেল। গভীর সমুদ্রে প্রবেশ করল জাহাজ। রেডিও ঘরেই ছিল ধ্রুব। সামনের খোলা জানলা দিয়ে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে। প্রাতরাশের পর ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড তাকে নিজের কেবিনে ডেকে পাঠালেন। ফক্সও রয়েছে তার ঘরে। ফক্স তাকে বললেন, ‘দেখুন আপনি তো একা, চব্বিশ ঘণ্টা আপনার পক্ষে তো রেডিও রুমে ডিউটি দেওয়া সম্ভব নয়, ভোর পাঁচটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত আপনি কাজ করবেন। রাতে আপনার কাজটা করে দেব আমি আর ফক্স। আর একটা কথা, আমার এক বিশেষ বন্ধু মাঝে মাঝেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার নাম মিস্টার ম্যাঙ্গকি। তার কোনো কল এলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে খবর দেবেন।’

    ফক্স এরপর বলল, ‘আমিও আপনাকে একটা কথা বলি। জাহাজে আমরা দু-তিন জন ছাড়া বাকি নাবিকরা কিন্তু বলতে গেলে অশিক্ষিত। মাল্লা শ্রেণির লোকরা সাধারণত যেমন হয়। ওদের সঙ্গে মেলামেশা করবেন না। আপনার কোনো কথা বলার থাকলে তা আমাকে বা ক্যাপ্টেন সাহেবকে বলবেন।’

    আর কোনো কথা বললেন না তারা। ক্যাপ্টেনের অনুমতি নিয়ে কেবিন থেকে ডেকে বেরিয়ে এল ধ্রুব। রোদ বাড়তে শুরু করেছে। সমুদ্রে তার প্রতিবিম্ব ঝলকাচ্ছে। বেশিক্ষণ জলের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ অন্ধ হয়ে যাবে। দুজন মাত্র লোক ডেকের ডিউটিতে। একজন ধ্রুবর দিকে পিছন ফিরে হালের চাকা ধরে বসে, অন্যজন ফুট তিরিশ ওপরে প্রধান মাস্তুলের প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের দুজনের পরনেই কিন্তু সেই প্রাচীন নাবিকদের পোশাক। ঢিলা পা-জামার ওপর চওড়া কোমরবন্ধ। তার ওপর ডোরাকাটা হাতকাটা জ্যাকেট। মাথায় সেই তিনকোনা টুপি। আরও একজনকে দেখতে পেল ধ্রুব। মার্লিনের সেই ম্যাকাওটা। বেশ ওপরে একটা গোটানো পালের ওপর গম্ভীরভাবে সে পায়চারি করছে। তার মালিক অবশ্য ধারে কাছে নেই। সে হয়তো খোলে অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত। ধ্রুব আবার তার নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকল। অপারেটরের কাজটা একঘেঁয়ে। কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে চুপচাপ বসে থাকা। সারাদিনে তেমন কোনো বার্তা এল না। একটা ফরাসি জাহাজ শুধু জানতে চাইল এডেন বন্দরের দিকে কুয়াশা কেটেছে কি? আর এডেন হারবার একবার রুটিন খবর নিল জাহাজের অবস্থান কোথায়? দুপুরে খাবার দিয়ে গেল একজন। খাবার খেয়ে একটু ঝিমিয়ে নিল ধ্রুব। সে যখন ওয়ারলেস রুম থেকে ডেকে বেরিয়ে এল তখন বিকাল পাঁচটা বেজে গেছে।

    .

    ডেকে রেলিং-এর পাশে একটা চেয়ারে বসল ধ্রুব। সূর্যের তাপ অনেকটা কমে এসেছে। গুমট ভাব কেটে গিয়ে বাতাস বইতে শুরু করেছে। বড় পালটা খাটানো হয়ে গেছে। এঞ্জিন এখন বন্ধ। পালটাই টেনে নিয়ে চলেছে জাহাজটাকে। সারা দিনের মধ্যে এই সময়টাই বেশ আরামের। খোলের ভিতর থেকে একজন দুজন করে উঠে এসে ডেকে দাঁড়াচ্ছে। ধ্রুবর মনে হল তার প্রতি তাদের খুব একটা আগ্রহ নেই। তারা দেখেও যেন দেখছে না। তাকে মার্লিনের পাখিটাকে সে দেখতে পেল জাহাজের ব্রিজের ওপর বসে পালক পরিষ্কার করছে। কিন্ত মার্লিন কোথায়? বেশ কথা বলে ছেলেটা। তার কথা ভাবতে ভাবতেই মার্লিন এসে হাজির হল। সে একটা চেয়ার টেনে ধ্রুবর পাশে বসে জানতে চাইল, ‘জাহাজ কেমন লাগছে?’

    ধ্রুব হেসে জবাব দিল, ‘সবে তো কাজে ঢুকলাম, এখনই কীভাবে বলব? তবে মন্দ লাগছে না।’

    মার্লিন এরপর প্রথমে একটু কৈফিয়তের সুরে বলল, ‘ভেবেছিলাম, আপনার ঘরে এসে একবার দেখা করে যাব, কিন্তু খোলে কাজ ছিল, ফুরসত হল না।’

    তারপর সে বলল, ‘আচ্ছা শ্রীগণেশ কি আপনার প্রথম জাহাজ?’

    ধ্রুব বলল, ‘হ্যাঁ, চাকরি বলতে যা বোঝায় সে অর্থে ‘শ্রীগণেশই’ প্রথম। তা আপনি অনুমান করলেন কী ভাবে?’

    মার্লিন হেসে বলল, ‘আসলে আপনাকে দেখে ঠিক জাহাজি বলে এখনও মনে হয় না। সে ছাপ এখনও আপনার মুখে পড়েনি এই যে ডেকে যারা ঘুরে বেড়াচ্ছে, মাল্লা থেকে ক্যাপ্টেন, সবার চেহারাতে দেখবেন একটা রুক্ষতার ছাপ আছে। সমুদ্রের প্রখর সূর্য আর নোনা বাতাস গায়ের চামড়া খসখসে করে দেয়। সমুদ্রের দিকে দিনের পর দিন তাকিয়ে থাকতে থাকতে প্রতিফলিত সূর্যের আলোতে চোখের মণি ধূসর হয়ে যায়, দড়িদড়া টানতে না হলেও রেলিং বেয়ে ওঠানামা করতে করতে হাতের শিরা ফুলে ওঠে। এসব কোনো চিহ্নই নেই আপনার। আপনাকে বরং স্কুল মাস্টারের মতো দেখতে। তা এরকম জাহাজের চাকরিতে এলেন কেন? বাড়িতে কেউ জাহাজি ছিলেন নাকি?’

    ধ্রুব বলল, ‘না, তেমন কেউ ছিলেন না। আসলে কলেজে পড়াশোনার পর অন্য কিছু না হওয়ায় পরিচিত একজন ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন একটা মেরিন ইনস্টিটিউটে। সেখান থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে বেরিয়ে কিছুদিন শিক্ষানবিশ থাকলাম ইনার শিপে। তারপর মাসখানেক আগে চাকরি জুটল শ্রীগণেশে’। চাকরির বাজার বেশ খারাপ। বাড়িতে বাবা নেই, মারা গেছেন। ছোট ছোট ভাইবোনেরা এখনও পড়াশোনা করছে। উপার্জনক্ষম কেউ নেই, কাজেই…।’

    ধ্রুবর কথা শেষ করার আগেই মার্লিন বলল, ‘ও, বুঝতে পেরেছি। অধিকাংশ লোকই যে কারণে জাহাজে আসে, আপনারও সে ব্যাপার। আমার অবশ্য পরিবার বলে কিছু নেই। মা ছেলেবেলায় মারা গেছিলেন, তারপর বাবাও গেলেন। জাহাজঘাটায় ঘুরে ঘুরে দিন কাটছিল। আয় বলতে ডকে মাল তোলার ঠিকা কাজ। সে কাজ না থাকলে ডক লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতাম। জাহাজঘাটাতেই একদিন এ জাহাজের খবর মিলল। চাকরির জন্য নয়, মিউজিয়ামটাই দেখতে গেছিলাম। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ডের সঙ্গে পরিচয় হল। চাকরিটা মিলে গেল। সুবিধা উভয়পক্ষেরই, মিউজিয়ামের জন্য তার গাইড দরকার, আর আমারও একটা ইচ্ছা ছিল সমুদ্রে ভাসার। এ ইচ্ছাটা মনে হয় আমার রক্তের মধ্যেই ছিল। ভেসে পড়লাম। যদি কোনো দিন ভাগ্য ফেরে এই আশাতেও’ নিজে থেকেই কথাগুলো জানাল মার্লিন। ধ্রুব বলল, ‘তার মানে, আপনারও এটা প্রথম জাহাজ। আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনার বাড়িতে কেউ জাহাজি ছিলেন?’

    সে জবাব দিল, ‘ঠাকুরদা এবং বাবা দুজনেই। ডাঙার থেকে সমুদ্রেই তাদের জীবন কেটেছে বেশি। ঠাকুরদাকে অবশ্য আমি চোখে দেখিনি, বাবার মুখে তার কথা শুনেছি। এই ভারত মহাসাগরে বহু ঘুরে বেড়িয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ঘুরে বেড়ানোই সার। ভাগ্য তাঁদের ফেরেনি। ঠাকুরদা ছিলেন ডেক সারেঙ, বাবা ছিলেন টিন্ডাল। তবে চেষ্টা তাঁরা করেছিলেন। কিন্তু ঈশ্বর তাদের সাথী হননি, দেখি আমার ভাগ্যে কী আছে?’

    ঠিক এই সময় মার্লিনের পাখিটা হঠাৎ এসে বসল তার কাঁধে। তারপর দুবার ডেকে উঠল ‘মার্লিন-মার্লিন’ বলে। মার্লিন পকেট থেকে একমুঠো বাদাম বের করে পাখিটাকে খেতে দিতে দিতে বলল, ‘এ জাহাজে আমার চাকরির পিছনে ওরও কিন্তু একটা বড় ভূমিকা আছে। ওকে তো আমি সব সময় নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম। মিউজিয়াম দেখতে আসার দিনও আমার সঙ্গে ছিল। বিয়ার্ড ওকে দেখে বললেন, ‘এরকম একটা পাখি আমিও খুঁজছিলাম। পাইরেট শিপে এ পাখি ভালো মানাবে। বলতে গেলে ওর জন্যই চাকরিটা আরও হল।’ মার্লিনের কথা শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই পাখিটা হঠাৎ একটা ছড়া কেটে উঠল। প্রথমবার তার কথা ঠিক ধরতে না পারলেও, দ্বিতীয়বার বলার পর পাখিটার কথা বুঝতে পারল ধ্রুব। সে বলছে-

    ‘ডিং ডং-ডিং ডং-ডিং ডং বেল,
    পাইরেটস চেস্ট ইন টারটেল শেল।’

    অদ্ভুত ছড়া তো! ধ্রুব আশ্চর্য হয়ে বলল, ‘জলদস্যুর সিন্দুক কচ্ছপের খোলে রাখা আছে, বেশ মজার ব্যাপার তো। এর অর্থ কী? এ ছড়া আপনি শিখিয়েছেন।?’

    মার্লিন বলল, ‘না, এ ছড়া আমি শেখাইনি। আমার ঠাকুরদা-বাবা সবাই শুনেছে এ ছড়া। অর্থ আমার জানা নেই। আমার দাদু এ পাখিটা পেয়েছিলেন এডেন বন্দরের এক বুড়ো জাহাজির কাছ থেকে। সম্ভবত সেই শিখিয়েছিল এই অদ্ভুত ছড়া।’

    এরপর মার্লিন বলল, ‘জানেন ও আরও নানা কথা বলে। যেমন, ‘ঝড় আসছে পাল নামাও। সারেং হাল ধরো’ ইত্যাদি। বাপ-ঠাকুরদার সঙ্গে সমুদ্রে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে এসব জাহাজি কথা শিখে ফেলেছে ও। তবে ওর একটা কথার জন্য বিয়ার্ড ওর ওপর খাপ্পা। আগে সে কথা কানে গেলে ক্যাপ্টেন ওকে জাহাজে তুলত না।’

    ‘কী কথা?’ জানতে চাইল ধ্রুব।

    মার্লিন একবার ক্যাপ্টেনের কেবিনের দিকে তাকিয়ে নিয়ে কৌতুকমিশ্রিত চাপা স্বরে বলল, ‘ও বলে, ‘ক্যাপ্টেনের মুন্ডু কাট, দাড়ি ছেঁড়।’ এ নিয়ে মাল্লারা হাসাহাসি করে। ক্যাপ্টেন তাই আজকাল ক্ষেপে যান ওকে দেখলে।’

    ধ্রুব হাসি চেপে বলল, ‘এটা শেখাল কে?’

    মার্লিন বলল, ‘এর উত্তরও আমার জানা নেই। অনেক বছর ধরে ও এ জাহাজ সে জাহাজে ঘুরেছে। ষাট-সত্তর বছর আগে তো হামেশাই জাহাজে বিদ্রোহ হত। আর তা দমন করতে না পারলেই প্রথমে কাটা যেত ক্যাপ্টেনের মাথা। হয়তো সে রকম কোনো ঘটনার সাক্ষী ছিল সে। কোনো বিদ্রোহীর কথাটা শুনে সেটা আজও মনে রেখেছে সে।’ ধ্রুব বলল, সময় কাটাবার সঙ্গী হিসেবে একটা কিন্তু দারুণ জিনিস পেয়েছেন।’ মার্লিন জবাব দিল, উত্তরাধিকার সূত্রে মাত্র তিনটে জিনিস পেয়েছি আমি। সমুদ্রের প্রতি টান, এই পাখিটা, আর…’ কথা শেষ করতে পারল না মার্লিন। পাখিটা চিৎকার করে ধমকে উঠল, ‘চো-ও-ও-প’।’

    ঠিক এই সময় তার ঘর থেকে ডেকে বেরিয়ে এলেন ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড। পাছে তিনি তাদের দিকে আসেন, এই ভয়ে মনে হয় পাখিটাও সঙ্গে সঙ্গে উড়িয়ে দিল মার্লিন। ক্যাপ্টেন অবশ্য এলেন না। খোলের সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে গেলেন। ডেকে ক্যাপ্টেনের সাময়িক উপস্থিতিতে মার্লিনের কথার খেই হারিয়ে গেল।

    মার্লিন এরপর বলল, ‘আপনার থাকার ব্যবস্থা হয়েছে খোলের দোতলায়। সিঁড়ি দিয়ে নেমে বাঁপাশের ঘর।

    ‘আর আপনার থাকার জায়গা?’

    সে জবাব দিল, ‘আমি থাকি একদম নিচে ইঞ্জিন সারেঙদের সঙ্গে একটা ফোকসালে। তবে ওতে একটা সুবিধা হয় আমার। ইচ্ছা হলে কাজ না থাকলে লাইব্রেরিতে চলে যাই। অনেক বই আছে ওতে। কত রকমের জলদস্যুর কাহিনি। আপনাকে তো একা বসে থাকতে হবে। ওখান থেকে বই নিয়ে আসতে পারেন শুধু জলদস্যু নয়, সমুদ্র সম্পর্কেও অনেক তথ্য জানতে পারবেন ওর থেকে।’

    ধ্রুব বলল, ‘কাল আপনার সঙ্গে গিয়ে বই নিয়ে আসব।’

    ধ্রুবরা এরপর ডেকে বসে গল্প করতে লাগল। ইন্ডিয়া দেশটা কেমন, সে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতে লাগল মার্লিন। তার ঠাকুরদা নাকি একবার ইন্ডিয়া গেছিলেন। এ সব নিয়েই চলল গল্প।

    একসময় সূর্য ডুবে গেল। আঁধার নেমে এল সমুদ্রে। মাস্তুলের মাথার ওপর সেই লাল আলোটা জ্বলে উঠল। বেশ ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করেছে। দিনে যেমন রোদের তাপে ডেকে থাকা যায় না, তেমনই মাঝসমুদ্রের এই ঠান্ডা বাতাসও ক্ষতিকর। ডেক ফাঁকা হতে শুরু করল। মার্লিনের কথা বলা পাখিটা গিয়ে আশ্রয় নিল ডেকের ওপর একটা কেবিনের মাথায় রাখা শোয়ানো কাঠের পিপের মধ্যে। ওটাই নাকি তার থাকার জায়গা। উঠে পড়ল ধ্রুবও। মার্লিন তাকে নিয়ে চলল নিচে তার ঘরে পৌঁছে দিতে।

    সিড়ি বেয়ে নামতে নামতে ধ্রুব বলল, ‘ক্যাপ্টেনকে তো আর উঠতে দেখলাম না। তিনি কোথায়?

    মার্লিন উত্তর দিল, ‘যে ঘরে ব্ল্যাক প্যারোটের ফাঁকা সিন্দুক আছে সে ঘরে। মাঝে মাঝে তিনি ও ঘরে সময় কাটান।’

    ধ্রুব জানতে চাইল, ‘ও ঘরে কী করেন তিনি।’

    মার্লিন চাপা স্বরে বলল, ‘পর্যটকদের দেখাবার সময় ছাড়া, ও ঘর সম্পর্কে এ জাহাজে আলোচনা করা নিষেধ আছে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }