Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোটিয়ার দ্বীপে – ৮

    ৮

    পরদিনও কিন্তু খোঁজ পাওয়া গেল না মার্লিনের। বিশ্রী একটা দিন। তারপাশে ঘন কুয়াশায় মোড়া। মার্লিনের খোঁজে বার চারেক ডেকে উঠেছিল ধ্রুব। কিন্তু ঘন কুয়াশায় তিন হাত দূরের কিছু দেখা যাচ্ছে না। তার মধ্যে দিয়েই ঘড়ঘড় শব্দে এগিয়ে চলছে জাহাজ। কুয়াশার স্তর এত ওপর পর্যন্ত বিস্তৃত যে সূর্যের আলোও আসছে না। হাতে ঘড়ি না থাকলে সময়ের তফাত ধরা যাবে না। সারা জাহাজে ‘কোথাও কোনে লোকজনের শব্দ নেই। সবাই নিজের কেবিনে অথবা ফোকসালে শুয়ে বসে এই স্যাঁতসেতে দিনটা কাটিয়ে দিল। রাতে বিছানায় শুয়ে ধ্রুব ভাবতে ভাবতে ঠিক করল পরদিন যে ভাবেই হোক খুঁজে বার করতে হবে মার্লিনকে। সে বেচারা হয়তো মোগাদিসুতে জাহাজ না ভেড়ার কারণে তার পরিকল্পনা বানচাল হওয়ায় মুষড়ে পড়েছে। তাই আর ধ্রুবর সঙ্গে দেখা করতে আসছে না।

    কিন্তু পরদিন আর খুঁজতে বেরোতে হল না মার্লিনকে। শেষরাতে দরজায় টোকা দেবার শব্দ শুনে দরজা খুলে ধ্রুব দেখল কম্বল মুড়ি দিয়ে মার্লিন এসে হাজির হয়েছে। মার্লিন ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল, ‘এখন সারা জাহাজ ঘুমোচ্ছে তাই এলাম। জাহাজ কুয়াশায় একাকার। ডেকে কিছুই দেখা যাচ্ছে না।’

    ধ্রুব মার্লিনকে দেখে বুঝল, তার চোখে মুখে স্পষ্ট উত্তেজনার ছাপ। সে বলল, ‘কিন্তু কাল সারাদিন তুমি কোথায় ছিলে?’

    মার্লিন জবাব দিল, ‘ডেকেই ছিলাম। তুমি একবার আমার তিনহাত দূর দিয়ে হেঁটে গেছ। কুয়াশায় বুঝতে পারোনি। আমিও ইচ্ছা করে ডাকিনি তোমাকে। দু-রাতে আমি যা খবর সংগ্রহ করেছি, তা শুনে চমকে যাবে তুমি। তবে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। ভয় পেলে বা উত্তেজিত হলে আমরা বাঁচব না।’

    এরপর একটু থেমে সে বলল, ‘আজ জাহাজে যারা উঠল তারা হল সত্যি জলদস্যু। আর এদের নেতা হল ম্যাঙ্গকি আর বিয়ার্ড। ম্যাঙ্গকি যখন ওই মোবাইল রিমোট দিয়ে জাহাজটা ডুবিয়ে দিল তখন আমি বড় মাস্তুলের আড়ালে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ডুবন্ত জাহাজটা ছিল ‘ফ্যান্টম জাহাজ।’ ও জন্যই মাঝদরিয়ায় ছিল।’

    ‘ফ্যান্টম জাহাজ কী?’

    মার্লিন বলল, ‘জলদস্যুরা জাহাজ ছিনতাই করে জাহাজের লোকজনকে মেরে, নামিয়ে দিয়ে সে জাহাজের রং, নাম পাল্টে তা নিয়ে সমুদ্রে ঘুরে বেড়ায়। ওই সব ভূতুড়ে জাহাজকে বলে, ‘ফ্যান্টম শিপ।’ দু-বছর অন্তর প্রত্যেক জাহাজকে একবার ড্রাই ডকে নিয়ে যেতে হয় খোল মেরামতির জন্য। কিন্তু ফ্যান্টম শিপের ক্ষেত্রে তা করা যায় না ধরা পড়ার ভয়ে।’

    ‘কিন্তু ওরা যে সত্যিই জলদস্যু তা তুমি নিশ্চিত হলে কীভাবে?’

    মার্লিন উত্তর দিল, ‘ডেকে তো খুব কুয়াশা। আমি আড়ি পেতে বিয়ার্ডের সঙ্গে ওদের কথাবার্তা শুনেছি। বাইরে থেকে উঁকি দিয়ে ঘরের ভিতর ওদের কাণ্ড দেখেছি। যে চারটে বাক্স জাহাজে রাখা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটে আছে বিয়ার্ডের ঘরে। কাল রাতে বাক্স খুলে ম্যাঙ্গকি তার ভিতরের জিনিসগুলো ক্যাপ্টেনকে দেখাচ্ছিল। বাক্সগুলো সব স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র, আর কার্তুজের বেল্টে ঠাসা। একটাতে আছে রকেট লঞ্চার। ম্যাঙ্গকি সেগুলো দেখিয়ে বিয়ার্ডকে বলছিল, তুমি এগুলো দিয়ে পুরো একটা আর্মি টুপ উড়িয়ে দিতে পারবে। আর ওরা তো সেই পারকাসনের যুগে আজও রয়ে গেছে। মার্লিনকে কথা শেষ না করতে দিয়ে ধ্রুব উত্তেজিত ভাবে বলে উঠল, ‘বিয়ার্ড কি এ জাহাজ নিয়ে কোথাও যুদ্ধ করতে যাচ্ছে নাকি? আমাদের তো এডেনের দিকে যাবার কথা। সেখানে আমার জাহাজ…।’

    মার্লিন বলল, ‘আমার এখনো অনেক কথা বলা বাকি। আগে পুরো ব্যাপারটা তোমাকে শোনাই। তৃতীয় সেই সিন্দুকের মতো বাক্সটার কথা তোমাকে বলি। বাক্সটা অন্য বাক্সর থেকে আলাদা করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল যে ঘরে ব্ল্যাক প্যারোটের ছবি আর সিন্দুক রাখা হয়েছিল, সে ঘরে। তারপর বাক্সর জিনিস সে ঘরে রেখে ঘর তালাবন্ধ করে বাক্সটা বাইরে বের করে দেওয়া হয়েছিল। বাক্সর ভিতরে খড়ের মধ্যে আমি কী পেয়েছি এই দ্যাখো—‘ এই বলে মার্লিন তার পোশাকের ভিতর থেকে বার করল ছোট্ট এক পাটি জুতো। ‘পরে অবশ্য বাক্সটা আবার আগের জায়গাতেই রাখা হয়েছে।’

    ‘জুতো!’ অবাক হয়ে গেল ধ্রুব।

    মার্লিন বলল, ‘ঘণ্টা চারেক আগে ক্যাপ্টেনের ঘরের বাইরে আড়ি পেতে আমি শুনলাম, বিয়ার্ড বলছিল, ‘এত খরচ করে জাহাজটাকে এমনভাবে সাজিয়েছি, যা দেখিয়ে আমি ওদের বলতে পারি যে এই সেই জাহাজ, এই সেই সিন্দুক, এ সবই হল ব্ল্যাক প্যারোটের বংশধর হিসাবে আমার প্রমাণ। তাছাড়া তোমার পূর্বপুরুষের সিন্দুকে এখন যে ঘুমোচ্ছে তার দাম ওই এক সিন্দুক টাকার চেয়ে কম হবে না। অ্যাডমিরালটা খুব জ্বালিয়েছে এ ক বছর, আমার তিনটে ফ্যান্টম শিপ লোকসুদ্ধু ডুবিয়ে দিয়েছে। আগে মুক্তিপণের টাকাটা পেয়েনি, তারপর সিন্দুকসুদ্ধ ওকে মাঝসমুদ্রে ভাসিয়ে দেব।’

    মার্লিনের কথা শুনে চমকে উঠে ধ্রুব বলল, ‘তার মানে সেই অ্যাডমিরালের ছেলে এ জাহাজে সিন্দুকের মধ্যে আছে। পুরো ব্যাপারটা যতটুকু যা জেনেছ গুছিয়ে বলো আমাকে।’

    মার্লিন বলল, ‘ব্যাপারটা যতটুকু আমি বুঝতে পেরেছি তা হল এই যে, ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গিক দুই জলদস্যুর বংশধর মিলে তাদের পূর্বপুরুষের গুপ্তধন উদ্ধার করতে যাচ্ছে। পূর্বপুরুষদের পেশা এখনও তারা ছাড়তে পারেনি। সোমালিয়া দরিয়ায় জলদস্যুতা চালায় তারা। ওদের কথাবার্তায় জেনেছি যে অ্যাডমিরাল উইলিয়ামের সঙ্গে ইতিপুর্বে একবার সংঘর্ষ হয়েছিল বিয়ার্ডের। কোনোমতে কুয়াশার সুযোগ নিয়ে সেবার পালিয়েছিল সে। এবার নতুন ভেক ধরে বছর তিন পর ফিরে এসেছে সে দুটো কারণে। গুপ্তধন উদ্ধার ও উইলিয়ামকে শিক্ষা দেবার জন্য। মনে ভয় থাকার জন্যই ডেস্ট্রয়ার দেখে গালাচ্ছিল সে। তার সৌভাগ্য, আগেরবার তার দাড়ি থাকা অবস্থায় তাকে দূর থেকে দেখেছিলেন উইলিয়াম। এবার তিনি তাকে চিনতে পারেননি। বিয়ার্ডের পরামর্শ মতোই অ্যাডমিরালের ছেলেকে হাইজ্যাক করেছে ম্যাঙ্গকি। তবে ঠিক কি কৌশলে তা জানতে পারিনি।’

    ‘তাহলে আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি?’ জানতে চাইল ধ্রুব।

    মার্লিন জবাব দিল, ‘আমরা এখন সোজা দক্ষিণে যাচ্ছি। সূর্য উঠলে তুমি বুঝতে পারতে আগের মতোই সূর্য আমাদের যাত্রাপথের বাঁদিক থেকে উঠছে, আর ডুবছে যেদিকে ডাঙা, সেদিকে। আমরা ফেরার পথ ধরলে ব্যাপারটা উল্টো হত। সম্ভবত আমাদের গন্তব্য সেসেজের কোনো দ্বীপ।’ কথাগুলো বলে মার্লিন মৃদু হাসল।

    ধ্রুব একটু তিরস্কারের ঢঙে বলল, ‘এরকম ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে তুমি হাসছ?’ মার্লিন বলল, ‘হাসছি, ভাগ্য আমাদের কীভাবে চালিত করছে তাই দেখে। যেখানে যাবার জন্য জাহাজ থেকে পালাব ভাবছিলাম এ জাহাজ সেখানেই যাচ্ছে। আর তোমার তো এ জাহাজে আসার কোনো কথাই ছিল না। এও এক অদৃষ্টের ব্যাপার! তবে শেষ পর্যন্ত আরও কী ঘটবে কে জানে? ওরা আলোচনা করছিল সে রকম বুঝলে আমাদের দুজনকে সমুদ্রে ফেলে দেবে।’

    ‘তাহলে এখন আমরা কী করব?’

    ‘মাথা ঠান্ডা রেখে ওই দ্বীপে নামা পর্যন্ত ওদের কথামতো কাজ বা কাজ করার অভিনয় করে যেতে হবে। আর চেষ্টা করতে হবে বাচ্চা ছেলেটাকে বাঁচাবার। দ্বীপে নামার পর দেখা যাক কী হয়?’

    ধ্রুব জানতে চাইল, ‘আমরা যে দ্বীপে যাচ্ছি সে দ্বীপে কি লোকজন পাওয়া যাবে? তাহলে নয় তাদের সাহায্য নিয়ে কিছু করা যেতে পারে।’

    সে বলল, ‘যতটুকু শুনেছি তাতে প্রসেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়া, মাহে, আরা, প্রসলিন সংলগ্ন দ্বীপগুলো ছাড়া অধিকাংশ দ্বীপে কোনো জনবসতি নেই। যারা এসব দ্বীপে থাকে তারা অধিকাংশই আফ্রিকান বা ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাদের পূর্বপুরুষদের ক্রীতদাস হিসাবে ওখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে আমি একটা বইতে পড়েছি যে ওই দ্বীপপুঞ্জে কয়েকটা এমন দ্বীপ আছে যেখানে জলদস্যুদের বংশধররাই শুধু থাকে। তাদের জীবনযাত্রা এখনো নাকি তিনশো বছর আগের যুগেই রয়ে গেছে। পোশাক, ভাষা সবকিছুই সে যুগের তারা অন্য দ্বীপের আধুনিক মানুষদের সঙ্গে মেশে না। তবে তাদের সম্বন্ধে কোনো পক্ষের অভিযোগ নেই। পূর্বপুরুষদের পেশা ছেড়ে দিয়ে তারা চাষবাস নিয়ে থাকে। উপকুল সংলগ্ন অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরে বেড়ায়। ওদের কথাবার্তা শুনে আমার ধারণা, সে রকমই কোনো দ্বীপে যাচ্ছে বিয়ার্ডরা।’

    ধ্রুব আর মার্লিন এরপরও আরও কিছুক্ষণ পরামর্শ করে নিল। তারপর আলো ফোটার আগেই মার্লিন ফিরে গেল ডেকে।

    কুয়াশা কাটতে আরও একদিন সময় নিল। তার পরদিন সকালে ঝলমলে রোদ উঠল। ধ্রুব ডেকে উঠে দেখল তিনদিন দমবন্ধ করা কুয়াশার পর সবাই ডেকে হাজির। ম্যাঙ্গকির সঙ্গীরা সাধারণত কেবিন ছেড়ে বেরোয় না, তারাও উপস্থিত। ক্যাপ্টেন বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকি জাহাজের ব্রিজে দাঁড়িয়ে সমুদ্রে চোখ রেখে কথা বলছিল। মার্লিন হালের বড় চাকাটার সামনে দাঁড়িয়েছিল। ধ্রুবকে দেখে, বিয়ার্ডদের দেখিয়ে ইশারা করল সে। মার্লিনের সঙ্গে একটা পরামর্শ আগেই করা, সেই মতো ধ্রুব এগোল বিয়ার্ডদের দিকে। কাছে যেতেই ‘একটা কথা কানে এল তার। বিয়ার্ড বলছে, ‘আসলে ওই কচ্ছপের খোলটা যদি সঙ্গে থাকত তবে আর চিন্তা ছিল না। কারণ কচ্ছপের খোলটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাণ চিহ্ন।’

    আর তারপরেই ধ্রুবর পায়ের শব্দে ফিরে দাঁড়াল দুজন।

    ধ্রুব বিয়ার্ডকে বলল, ‘আপনার সঙ্গে বিশেষ কথা ছিল।’

    ‘কী কথা?’

    ধ্রুব বলল, ‘এতদিন কুয়াশা ছিল বলে বুঝতে পারিনি। কিন্তু আজ সূর্য ওঠার পর দেখছি, জাহাজ তো দক্ষিণ দিকেই যাচ্ছে। এটা তো মোগাদিসুর রাস্তা নয়।

    বিয়ার্ড প্রথমে গম্ভীর হয়ে গেল, ‘তারপর বলল, হ্যাঁ, অন্য দিকেই যাচ্ছি। আমার বিশেষ কাজ আছে অন্যত্র। কেন আপত্তি আছে আপনার?

    ধ্রুব প্রথমে গম্ভীরভাবে বলল, ‘হ্যাঁ, তা থাকার কথা। আপনি আমাকে আমার জাহাজে তুলে দেবেন বলেছিলেন? তবে পারিশ্রমিক যদি পাই, তবে এ জাহাজে থাকতেও আমার আপত্তি নেই। আসল ব্যাপারটা স্যার হল গিয়ে টাকা। যে জাহাজেই যাই না কেন মশাই সবই তো টাকার কথা। টাকা দিলে আমার আপত্তি নেই। তার ওপর দেশে এই মুহূর্তে ফেরা সমস্যাও আছে। ওখানে একটা গন্ডগোল…।’

    টাকা পেলে ধ্রুব থাকতে রাজি শুনে বিয়ার্ডের গম্ভীর ভাবটা কেটে গেল। ঠোটের কোণে মৃদু হাসি ফুটিয়ে তিনি বললেন, ‘সমস্যা কেন? কী গন্ডগোল?’

    একটু ইতস্তত ভাব দেখিয়ে বলল, কাউকে বলবেন না স্যার, বিশ্বাস করে আপনাদের বলছি। মুম্বাই বন্দরে একটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছি। জাহাজ বন্দর ছাড়ার আগেরদিন রাতে রাগের মাথায় এক সারেঙের মাথায় ডান্ডা দিয়ে বাড়ি মেরেছিলাম। লোকটা মরে যাবার পর তার লাশটা একটা পিপের মধ্যে লুকিয়েও ছিলাম। কিন্তু জাহাজ মাঝসমুদ্রে আসার পর আমার এক পরিচিত লোক ওয়ারলেসে জানিয়েছে যে পুলিশ নাকি লাশটা পেয়েছে, ও খুনের ব্যাপারেই আমাকে সন্দেহ করছে।’ বেশ নাটকীয়ভাবে বানানো কথাগুলো বলল ধ্রুব। খুনের কথা শুনেই নিজেদের মধ্যে চোখাচোখি হল বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকির।

    ম্যাঙ্গকি ধ্রুবকে বলল, ‘আপনাকে দেখে কিন্তু বোঝাই যায় না আপনি মানুষ খুন করতে পারেন। তা খুনটা করলেন কেন?’

    ধ্রুব জবাব দিল, ‘টাকা পয়সা সংক্রান্ত ব্যাপার। একটা জাহাজ থেকে কিছু গোল্ড বিস্কুট তাকে কথা শেষ করতে না দিয়ে ম্যাঙ্গকি বলল, ‘ও বুঝেছি। আপনি তো দেখছি এলেমদার . লোক। তা টাকা পয়সার জন্য দু-একটা খুন করাই যেতে পারে, কী বলো বিয়ার্ড?’

    এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইল তারা। ধ্রুবর মনে হল তার বানানো গল্প শুনে কিছুটা হলেও ধন্দে পড়েছে বিয়ার্ড আর ম্যাঙ্গকি।

    এরপর বিয়ার্ড বললেন, ‘দেখুন, আপনি কোথায় কী করেছেন সেসব ব্যাপারে আমাদের উৎসাহ নেই। আপনার ক্ষতি করতে চাই না আমরা। বরং আপনি রাজি থাকলে ইংল্যান্ডের কোনো বন্দরে আপনাকে নামিয়ে দেব। নাম ভাড়িয়ে আপনি যাতে অন্য জাহাজে কাজ করতে পারেন তার ব্যবস্থাও করব। এ জাহাজে যতদিন থাকবেন তার জন্য পয়সাও পাবেন। তবে শর্ত একটাই, আশা করি আপনার জন্য আমাদের কাজের কোনো ব্যাঘাত হবে না?’

    ধ্রুব বলল, ‘না, ব্যাঘাত হবে না। আর দয়া করে খুনের ব্যাপারটা জাহাজের অন্যদের কাছে গোপন রাখবেন।’

    ম্যাঙ্গকি মৃদু হেসে বলল, ‘আপনার মতো খুনে জাহাজি এদিককার প্রত্যেক জাহাজেই দু-একজন করে পাওয়া যায়। ব্যাপারটা আপনি নিজে পাঁচকান না করলেই হল।’

    বিয়ার্ড বলল, ‘ঠিক আছে আপনি এখন যান। কখনো প্রয়োজন হলে ডাকব আপনাকে। ধ্রুব তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে এগোল অন্যদিকে।

    বেশ ক’টা দিন কেটে গেল। ইতিমধ্যে মার্লিন একদিন এসে খবর দিল ধ্রুবর বলা গল্পটা নিয়ে নাকি সত্যি ধন্দে পড়েছে বিয়ার্ডরা। ম্যাঙ্গকির ইচ্ছা ধ্রুবকে প্রলোভন দেখিয়ে দলে টানা। তবে বিয়ার্ড আরও সাবধানে এগোতে চায়। আড়াল থেকে তাদের আলোচনা শুনেছে মার্লিন। তবে এই মুহূর্তে ধ্রুবকে নিয়ে খুব একটা ভাবছে না। তারা দ্বীপে নেমে কী পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় সেটা নিয়েই ভাবিত তারা। গুপ্তধন কোথায় আছে তা সঠিক জানা নেই তাদেরও। দ্বীপেরই কোনো লোকের কাছ থেকে তারা জানার চেষ্টা করবে। আরও একটা খবর বলল মার্লিন, দরজার ফুটো দিয়ে মার্লিন একদিন সিন্দুক ঘরে বাচ্চা ছেলেটাকে দেখেছে। বছর দশেকের বাচ্চা একটা ছেলে। ম্যাঙ্গকি প্রতি রাত্রে ছেলেটাকে খাবার দেবার জন্য সে ঘরে একবার ঢোকে। অন্যসময় তাকে আটকে রাখা হয় ব্ল্যাক প্যারোটের বিরাট সিন্দুকে।

    অবশেষে একদিন বিয়ার্ডের ঘরে ডাক এল ধ্রুবর। ঘরে উপস্থিত বিয়ার্ড, ম্যাঙ্গকি আর ফক্স। বিয়ার্ড তাকে বলল, ‘সম্ভবত কালই আমরা গন্তব্যে পৌঁছব। তবে যেখানে যাচ্ছি, সে মাটিতে পা রাখার আগে ক’টা কথা জানিয়ে দিই। দ্বীপটা একসময় ছিল জলদস্যুদের আড্ডা। যারা সেখানে বাস করে রক্তে তাদের নৃশংসতা মিশে আছে। সেখানে যদি কোনো গন্ডগোল হয়, আশাকরি আপনার সাহায্য আমরা পাব? দ্বীপে নেমে একসঙ্গেই সবাই থাকব। আর আপনাকেও এই পোশাক পরিবর্তন করে প্রাচীন জলদস্যুদের পোশাক পরতে হবে। তারা আধুনিক পোশাক পছন্দ করে না।’

    ধ্রুব বলল, ‘আপনি যেমন বলবেন তেমনই হবে। আচ্ছা কোন্ দ্বীপে যাচ্ছি আমরা?’ একটু চুপ করে থেকে বিয়ার্ড জবাব দিলেন, ‘সেসেজ দ্বীপপুঞ্জের নাম শুনেছেন? তারই একটা দ্বীপে।’

    এরপর আরও কী একটা বলতে যাচ্ছিলেন বিয়ার্ড কিন্তু হঠাৎই প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিয়ে জাহাজের গতি কমে গেল। কী হল ব্যাপারটা? জাহাজ কোনো ডুবো পাহাড়ে ধাক্কা খেল নাকি? কথা থামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সবাই ডেকে বেরিয়ে এল। দুজন মাল্লা, ডেক সারেঙ আর মার্লিন ডেকের রেলিঙে ঝুঁকে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখছে। ধ্রুবরাও জলের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেল এক অদ্ভুত দৃশ্য। মাঝসমুদ্রে সাধারণত ঢেউ থাকে না, কিন্তু তাদের জাহাজের চারপাশ ঘিরে অসংখ্য ছোট ছোট ঢেউ ভাঙছে। জলতলের ওপরে একটা হলদেটে আভা উঠে এসেই পরক্ষণেই আবার হারিয়ে যাচ্ছে। অতিকায় কচ্ছপ সব! সংখ্যায় অগুনতি। ছন্দোবদ্ধভাবে পিঠ জলের উপরিভাগ ছুঁয়ে উঠছে নামছে। তাই হলদেটে আভা। এ দৃশ্য কোনো দিন ধ্রুব দেখেনি। ইতিমধ্যে জাহাজ থেমে গেছে। ডেক সারেঙ বলল, এই এপ্রিল মাস নাগাদ, হাজারে হাজারে কচ্ছপ ডিম পাড়ার জন্য ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপে যায়। এদের মধ্যে দিয়ে ছোট জাহাজ চালাতে হলে তাদের শক্ত খোলে ধাক্কা খেতে খেতে প্রপেলার ভেঙে যাবে। তাই জাহাজ থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাহাজকে কিছুটা কোনাকুনিভাবে অতিক্রম করছে সেই কচ্ছপের ঝাঁক। বেশ অনেকটা সময় লাগল। কচ্ছপের ঝাঁকের সে জায়গা পেরোতে। তারপর জাহাজ আবার চলতে শুরু করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }