Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কূর্মদেবতার কামড় – ৩

    ৩

    ছোট একটা গ্রাম। খড়ের ছাউনি দেওয়া পঞ্চাশটা মতো ঘর হবে। সুদীপ্তরা গ্রামে ঢুকতেই গ্রামবাসীরা কেউ ঘরের ভিতর থেকে, কেউ বা আবার দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কৌতূহলী হয়ে তাকাতে লাগল তাদের দিকে। সুদীপ্তদের যারা নিয়ে চলেছে তাদের উদ্দেশে দু-একজন দুর্বোধ্য ভাষায় কী-সব প্রশ্নও করল। তারাও তেমন ভাষায় তাদের প্রশ্নর জবাবও দিল। তারপর তারা সুদীপ্তদের নিয়ে হাজির হল গ্রামের ঠিক মাঝখানে সেই মন্দিরটায়। মন্দির বেশি বড় নয়। পাথর আর কাঠ দিয়ে তৈরি মন্দিরটা একটা পরিখার মতো বাঁধানো চৌবাচ্চা দিয়ে বৃত্তাকারে ঘেরা। চৌবাচ্চাটা চওড়ায় চল্লিশ ফুট মতো হবে। তার ওপর একটা কাঠের সাঁকো আছে। সেটা পেরিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে হয়। সুদীপ্তরা দেখতে পেল অসংখ্য বুড়বুড়ি উঠছে সেই চৌবাচ্চার জলে। অনেকগুলো কচ্ছপ খেলে বেড়াচ্ছে পরিখার জলে। ডেং-ফু বলল, এটা হল—কিম কুঈ—কচ্ছপ দেবতার মন্দির।’ সুদীপ্তরা কাঠের পাটাতন পেরিয়ে লোকগুলোর সঙ্গে মন্দিরে প্রবেশ করল। লাল রঙের থামের গায়ে সোনালি রঙের কচ্ছপের সার সার ছবি খোদাই করা। সার সার থামগুলোই চারপাশ থেকে ধরে রেখেছে মন্দিরের ছাদটাকে। সুদীপ্তরা মন্দিরে প্রবেশ করতেই ভিতর থেকে বেরিয়ে এল এক অদ্ভুতদর্শন লোক। মোটাসোটা খর্বকার লোকটার বুক-পেট বর্মের মতো একটা কচ্ছপের খোলা দিয়ে ঢাকা। গলায় নানা রঙের পাথরের মালা। চুলগুলো মাথার পিছনে উঁচু ঝুটি করে বাঁধা। লোকটার কোমরবন্ধ থেকে ঝুলছে একটা লম্বা দা-এর মতো অস্ত্র। সেটা লোকটার হাঁটু ছাড়িয়ে নীচে নেমেছে। লোকটার মুখমণ্ডল গোঁফ-দাড়িহীন। সে যেন কচ্ছপের মতো ড্যাবড্যাবে চোখে তাকিয়ে রইল সুদীপ্তদের দিকে। সুদীপ্তর মনে হল লোকটার বয়স অন্তত বছর ষাটেক হবে।

    যারা সুদীপ্তদের মন্দিরে এনেছে তারা যেন কী একটা বলল কচ্ছপের খোল পরা লোকটাকে। সে সুদীপ্তদের ভালো করে দেখে নিয়ে ভাঙা ভাঙা ইংরিজিতে বলল, ‘আমি দং পেঙ। কিম কুঈ দেবতার পুরোহিত। তোমরা আমাদের গ্রামে এসেছ কেন?’

    হেরম্যান প্রথমেই আসল কথাটা পাড়া সমীচীন মনে করলেন না। তিনি বললেন, ‘আমরা ট্যুরিস্ট। ভিয়েতনামে ঘুরে বেড়াচ্ছি। এখানে লেক আছে শুনে দেখতে এসেছি। কটা দিন থাকতে চাই এখানে।

    কথাটা শুনে পুরোহিত পেঙ বলল, ‘লেক দেখতে এসেছ? তা আসতেই পারো। কিন্তু তার জন্য থাকার দরকার কী? লেক দেখবে, চলে যাবে।’

    কচ্ছপ পুরোহিতের কথা শুনে সুদীপ্ত বলল, ‘আসলে, কোনো জায়গাতে দুটো দিন না থাকলে জায়গাটা ভালো করে দেখা হয় না, তাই দুটো দিন থাকতে চাই।’

    ইতিমধ্যে হেরম্যান তাঁর পিঠ থেকে উপহারভর্তি ব্যাগটা খুলে ফেলেছেন। এবার তিনি সেটা এগিয়ে দিলেন মোড়লের দিকে। ব্যাগটার মধ্যে রয়েছে নানা রঙের বেশ কয়েকটা রেশমের কাপড়, তামাক, ধূপ, একটা বড় স্ফটিকের মালা, আর একটা ছোট বাক্সে কুয়ালালামপুর থেকে কেনা পাথর বসানো সোনার আংটি।

    দং পেঙ ব্যাগটা নিয়ে ভিতরের জিনিসগুলো দেখতে লাগল। স্ফটিকের হারটা মনে হয় পছন্দ হল তার। মালাটা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে সেটা গলায় পরে নিল লোকটা। সুদীপ্তরা বুঝতে পারল যে তাদের উপহার কাজ দিতে শুরু করেছে। আর এরপর দং পেঙ সেই ছোট বাক্সটা খুলল। বাক্সটা খুলতেই বিকালের আলোতে সোনার আংটিটা ঝিলিক দিতে লাগল। বিস্মিত ভাবে সে দেখতে লাগল আংটিটা। সোনা এমনই একটা জিনিস যা পৃথিবীর সব দেশের মানুষ চেনে, প্রলুব্ধ হয়। এ জন্য একটু খরচ হলেও হেরম্যান উপহার হিসাবে এ জিনিসটা কিনেছেন।

    হঠাৎ পিছন থেকে ইংরিজিতে একটা কণ্ঠস্বর শোনা গেল, ‘আংটিটা সত্যি সোনার তো? * সুদীপ্তরা পিছনে ফিরে দেখল সেখানে এসে দাঁড়িয়েছে এক যুবক। তার চেহারার সঙ্গে এ গ্রামের লোকগুলোর মিল থাকলেও তার পরনে শহুরে পোশাক। জিন্স আর চামড়ার কালো জ্যাকেট। এক কানে ইয়ার রিং, আর গলার কাছে একটা কাঁকড়াবিছের উল্কি করা আছে। চিবুকের নীচে ছুঁচালো দাড়িটাতে ব্লিচ করা। তার চাহনির মধ্যে কেমন একটা ধূর্ত ভাবও আছে।

    হেরম্যান জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, সত্যি সোনার। পরখ করে নিতে পারেন।’

    আবছা একটা হাসি ফুটে উঠল সেই যুবকের ঠোটের কোণে। সে ভিয়েতনামি ভাষায় কচ্ছপ দেবতার পুরোহিতকে কী যেন বলল। পুরোহিত তার কথা শুনে সুদীপ্তদের উদ্দেশে বলল, ‘দুটো রাত তোমরা এখানে থাকতে পারো। পরশু ভোরে তোমাদের এ গ্রাম ছাড়তে হবে। ওই দিন রাতে আমাদের একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আছে। আমরা চাই না যে বিদেশিরা সে সময় গ্রামে থাকুক। রাত কাটাবার জন্য একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। তোমরা ওদের সঙ্গে যাও।’—এ কথা বলে সে তার সঙ্গীদেরকে নির্দেশ দিল সুদীপ্তদের তাদের থাকার জায়গাতে নিয়ে যেতে।

    হেরম্যান লোকটাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, ‘সেখানে যাওয়ার আগে তোমাদের এ মন্দিরের দেবতাকে দর্শন করা যাবে কি?’ তাঁর কথা শুনে পুরোহিত পেঙ সম্মতি প্রকাশ করে ইশারায় সুদীপ্তদের অনুসরণ করতে বলল তাকে। বৃত্তাকার বারান্দা দিয়ে তার পিছন পিছন গিয়ে সুদীপ্তরা উপস্থিত হল গর্ভগৃহের দরজার বাইরে। আধো অন্ধকারে গর্ভগৃহে দাঁড়িয়ে রয়েছে কালো পাথরের তৈরি দেবতা কিম কুঈ-এর মূর্তি। উচ্চতা পাঁচফুট হবে। দু-পায়ে দাঁড়িয়ে আছেন দেবতা কিম কুঈ। তাঁর সামনের হাত বা পা দুটো মাথার দিকে তুলে ধরা। ডান হাতে ধরা আছে একটা ছুরি, আর বাঁ-হাতে ধরা ন্যায়দণ্ড বা রাজদণ্ডের মতো একটা দণ্ড। দণ্ডায়মান কুর্ম দেবতার লাল পাথরের চোখ দুটো বিন্দু বিন্দু জ্বলছে। হয়তো বা সেগুলো চুনীরও হতে পারে। সবচেয়ে আশ্চর্যর ব্যাপার হল কচ্ছপ দেবতার মুখের ভিতর সার সার তীক্ষ্ণ দাঁত দেখা যাচ্ছে। সুদীপ্ত কোথায় যেন শুনেছিল যে কচ্ছপের কামড় নাকি মারাত্মক একবার কামড়ে ধরলে বজ্রপাতের শব্দ না হলে নাকি সে কামড় ছাড়ে না! কিন্তু কচ্ছপের কি দাঁত থাকে? ব্যাপারটা ঠিক জানা নেই সুদীপ্তর। তবে ওই দাঁতগুলো যেন মূর্তিটাকে একটা ভয়ঙ্করতা এনে দিয়েছে। মূর্তিটার ঠিক পায়ের কাছেই রাখা আছে খাপে ঢাকা একটা ছুরি। জিনিসটা মনে হয় বেশ প্রাচীন। ধূপ জ্বলছে ঘরের মধ্যে। সব মিলিয়ে-মিশিয়ে গর্ভগৃহের ভিতরে কেমন যেন একটা গা-ছমছমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

    পুরোহিত পেঙ সুদীপ্তদের উদ্দেশে বলল, ‘এটা দেবতা কিম কুঈ-এর সংহার মূর্তি। এ মূর্তি আমরা পূজা করি। ইনি আমাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করেন।’

    সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আবার মন্দিরের বাইরে বেরিয়ে এল সুদীপ্তরা। কচ্ছপ দেবতার উপাসকরা তাদের নিয়ে চলল তাদের থাকার জায়গার দিকে। গ্রামের শেষপ্রান্তে খড়ের ছাউনি দেওয়া একটা কাঠের ঘরে তাদের পৌঁছে দিয়ে চলে গেল লোকগুলো।

    ঘরে একটা জানলা আছে। সেটা খুলতেই পিছনের লেকটা চোখে পড়ল। তার ওপাশে ঘন জঙ্গল। আর এপাশেও জঙ্গল শুরু হয়েছে সুদীপ্তরা যে ঘরটাতে আছে তার কিছুটা তফাত থেকে। মাথার ওপর নীল আকাশ। পাহাড়ের আড়াল থেকে দিনশেষের আলো এসে পড়েছে শান্ত লেকের জলে। খুব মনোরম পরিবেশ। হেরম্যানও এসে দাঁড়ালেন জানলার পাশে। সুদীপ্ত বলল, ‘জায়গাটা খুব সুন্দর। কিন্তু কচ্ছপ পুরোহিতের কথা শুনে তো বুঝলাম যে তারা ওই অনুষ্ঠানের দিন আমাদের এখানে থাকতে দেবে না।’

    হেরম্যান বললেন, ‘আমাদের হাতে তো একদিন সময় আছে। দেখি কোনোভাবে কচ্ছপ দেবতার পুরোহিতকে রাজি করানো যায় কিনা।’

    ডেং-ফু হঠাৎ বলল, ‘জানেন ওই পুরোহিতের ছেলেকে আমি যেন আগে কোথায় দেখেছি বলে মনে হচ্ছে! ওই যে জিন্স পরা, গলায় উল্কি আঁকা যে লোকটা আপনাদের জিগ্যেস করছিল যে আংটিটা সোনার কিনা?’

    হেরম্যান বললেন, হ্যাঁ, ওর পোশাক-আশাক শহুরে। হয়তো শহরে দেখে থাকতে পারো ওকে। কিন্তু ও যে পুরোহিতের ছেলে তুমি তা বুঝলে কীভাবে?’

    ‘আংটিটা যে সোনার তা জানার পর ও ভিয়েতনামি ভাষায় পুরোহিতকে বলল, ‘বাবা, এদের দু-রাতের জন্য থাকতে দেওয়া যেতে পারে।’ তাই জানলাম।’—জবাব দিল ডেং-ফু।

    হেরম্যান বললেন, ‘এখন এসব কথা থাক। আর কিছুক্ষণ পরই সন্ধ্যা নামবে। চলো একবার হ্রদের পাড়ে ঘুরে আসি।’ ঘর ছেড়ে বেরোল সুদীপ্তরা। ঘরের পিছন দিয়ে কিছুটা হেঁটে লেকের পাড়ে হাজির হল তারা। বিশাল লেক। তার একটা অংশের শেষ দেখা যাচ্ছে না। হেরম্যান সে দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘যদিও তাঙ্গানিকা এর চেয়ে অনেক অনেক বড়, কিন্তু এই লেকটা দেখে আমার বহুদিন পর তাঙ্গানিকার কথা মনে পড়ে গেল।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘হ্যাঁ, বুরুন্ডিতে সবুজ মানুষের সন্ধানে অভিযানে এরকমই এক শেষ বিকালে তাঙ্গানিকার পাড়ে দাঁড়িয়ে আমরা জলহস্তীর খেলা দেখেছিলাম।’—কথা বলতে বলতে হ্রদের পাড় ধরে বনের দিকে হাঁটতে লাগল সুদীপ্তরা।

    চারপাশে সুন্দর-শান্ত-সমাহিত পরিবেশ। দিনের শেষ আলো রং ছড়াচ্ছে লেকের জলে। মাঝে মাঝে ঠান্ডা বাতাস ভেসে আসছে পাহাড়ের দিক থেকে। হাঁটছিল সুদীপ্তরা। সামনেই লেকের পাড়টা একটু বাঁক নিয়েছে। আর তার কিছুটা তফাতেই জঙ্গল শুরু হয়েছে। সেই বাঁকের কাছে আসতেই হঠাৎ তারা শুনতে পেল, কারা যেন চিৎকার করছে—‘কিম কুঈ! কিম কুঈ! কিম কুঈ!…’

    তবে কি দেবতা কিম কুঈ দর্শন নিচ্ছেন! চিৎকারের শব্দ কানে যেতেই সুদীপ্তরা ছুটে গেল সেই বাঁকের কাছে। তারা দেখতে পেল দশ-বারো বছর বয়সি একদল ছেলেকে। লেকের একদম পাড়ে দাঁড়িয়ে জলের দিকে তাকিয়ে তারা চিৎকার করছে আর জলের মধ্যে কী যেন লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ছে। সুদীপ্তরা দেখল পাড়ের কিছুটা তফাতে জলের মধ্যে কী যেন একটা আছে! সেটা মাঝে মাঝে ভেসে উঠছে আবার হারিয়ে যাচ্ছে। জিনিসটা দেখতে পেয়েই সুদীপ্তরাও উত্তেজিত হয়ে জলের ধারে ছেলেগুলোর পিছনে গিয়ে দাঁড়াল। ছেলেদের দল সুদীপ্তদের উপস্থিতি যেন বুঝতেই পারল না। জলের দিকে তাকিয়ে তারা ‘কিম কুঈ! কিম কুঈ’ বলে লাফাচ্ছে, আর পাথর ছুড়ছে। কিন্তু ভালো করে জলের দিকে তাকাতেই কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আসল ব্যাপারটা ধরে ফেলল সুদীপ্তরা। জলের ভিতর যেটা ডুবছে ভাসছে, যেটা লক্ষ্য করে ছেলেগুলো পাথর ছুড়ছে সেটা কচ্ছপ দেবতা কিম কুঈ নয়, ছোট একটা মানুষের মাথা! তাকে জলের ওপর ভাসতে বা উঠতে দিচ্ছে না ছেলের দল! ছোট ছোট ছেলেরা খেলার ছলে অনেক সময় এমন নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে যা তারা নিজেরাই বুঝতে পারে না। এটা তেমনই এক ব্যাপার। জলে থাকা ছেলেটা হয়তো শ্বাস নিতে না পেরে মরেই যাবে!

    ব্যাপারটা বুঝতে পেরেই হেরম্যান চিৎকার করে উঠলেন, ডেং-ফু-ও স্থানীয় ভাষায় চিৎকার করে উঠে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তেড়ে গেল ছেলেগুলোর দিকে। অকস্মাৎ সুদীপ্তদের উপস্থিতি আর তেড়ে আসা দেখে ঘাবড়ে গেল ছেলেগুলো। ভয় পেয়ে তারা লেকের পাড় ধরে চোঁচা দৌড় শুরু করল গ্রামের দিকে।

    জলের থেকে মাথা তুলল ছেলেটা। ডেং-ফু তার উদ্দেশে স্থানীয় ভাষায় বলল, ‘উঠে এসো। কোনো ভয় নেই। ওরা চলে গেছে।’ ধীরে ধীরে সাঁতরে পাড়ের কাছে চলে এল ছেলেটা। তারপর জল ছেড়ে উঠে এসে সুদীপ্তদের সামনে এসে দাঁড়াল। বছর দশেক বয়স হবে ছেলেটার। পরনে নামমাত্র পোশাক। এই ঠান্ডার দেশেও খালি গা-খালি পা। বিধ্বস্ত চেহারা তার। জলের নীচে অনেকক্ষণ থাকার কারণে, শ্বাস নিতে না পারার কারণে হাঁফাচ্ছে সে। পাথরের আঘাতে কপালের কাছে এক জায়গা ছড়ে গেছে। পাহাড়ের আড়াল গলে দিনের শেষ আলো এসে পড়েছে ছেলেটার মুখে। বিষণ্ণ, ভয়ার্ত দৃষ্টিতে বাচ্চা ছেলেটা তাকিয়ে আছে সুদীপ্তদের দিকে।

    ডেং-ফু তাকে প্রশ্ন করল, ‘তোমার নাম কী?’

    সে শ্বাস নিতে নিতে অতি কষ্টে উত্তর দিল ‘ওয়াং’।

    ডেং-ফু জানতে চাইল, ‘ওরা তোমাকে পাথর ছুড়ছিল কেন?’

    বাচ্চা ছেলেটা এ প্রশ্নের জবাবে শুধু নিশ্চুপভাবে কিছুক্ষণ চেয়ে রইল তারপর লেকের পাড় ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল। সূর্য ডুবে গেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরার পথ ধরল সুদীপ্তরা।

    অন্ধকার নামতে শুরু করেছে চারপাশে। লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা অরণ্যের ভিতর থেকে ভেসে আসতে শুরু করল ঝিঁঝিঁর কলতান।

    ঘরে ফিরে খাওয়া সেরে নিল সুদীপ্তরা। তারপর জানলার কাছে এসে দাঁড়াল সুদীপ্ত আর হেরম্যান। আর একদিন বাদেই পূর্ণিমা। ষোলোকলা প্রায় পূর্ণ হতে চলেছে। চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়েছে লেকের জলে। বাতাসে মৃদু মন্দ ঢেউ উঠছে লেকের জলে। হেরম্যান সেদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই বিশাল হ্রদের তলদেশে হয়তো সত্যি কোথাও লুকিয়ে আছেন কচ্ছপ দেবতা কিম কুঈ। পাহাড়-জঙ্গল আর নদী-হ্রদ-সমুদ্রের মধ্যে সবচেয়ে রহস্যময় জায়গা কিন্তু জলতল। সেখানে আজও কত রহস্যময় ব্যাপার লুকিয়ে আছে কে জানে? দেখা যাক আমরা কচ্ছপ দেবতার দর্শন পাই কিনা? কাল একবার লেকের জলে নৌকাবিহার করার ইচ্ছা আছে। তার আগে একবার যাব পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলতে, অনুষ্ঠানে যাতে আমরা থাকতে পারি সে ব্যাপারে তাকে রাজি করাতে।’

    সুদীপ্ত বলল, ‘হ্যাঁ, সে চেষ্টা করতে হবে আমাদের।’

    সারাদিনের পথশ্রমের ক্লান্তিতে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মাটিতে ম্যাট পেতে শুয়ে পড়ল সকলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }