Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডাকাউ ক্যাম্পের বন্দি – ৫

    ৫

    পরদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে তৈরি হতে সাড়ে আটটা মতো সময় লাগল দীপাঞ্জনদের। কিছুক্ষণের মধ্যেই দরজায় টোকা পড়ল। দীপাঞ্জন দরজা খুলতেই দেখল ডায়না দাঁড়িয়ে আছে। সুপ্রভাত বিনিময়ের পর ডায়না মিষ্টি হেসে বলল, ‘আমাদের সবাইকে এখন একবার কিউরেটর অফিসে যেতে হবে। গ্র্যান্ড-পা তো কাল ফিরে যাচ্ছেন তাই কিউরেটর সাহেব ওর জন্য একটা সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছেন। উনি আমাদের সবাইকে নিয়ে যেতে লোক পাঠিয়েছেন।

    দীপাঞ্জন দেখল সত্যি দুজন মিউজিয়াম কর্মী কিছুটা তফাতে দাঁড়িয়ে আছেন লুবেনেস্কিকে নিয়ে।

    দীপাঞ্জনরা তৈরি হয়েই ছিল, সঙ্গে-সঙ্গে তারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। লুবেনেস্কিকে মধ্যমণি করে ব্যারাকের অলি-গলি বেয়ে এগোল কিউরেটরের অফিসের দিকে।

    সকালের আলো ছড়িয়ে পড়েছে চারপাশের ব্যারাকের ছাদে। সূর্যালোকে রাতের সেই থমথমে ভাবটা কেটে গেলেও চারপাশের পরিবেশের বিষণ্ণতা কিন্তু মুছে যায়নি। কালের নিয়মে এ ব্যারাকগুলো যতদিন এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে ততদিন এই বিষণ্ণতা ঘিরে থাকবে ডাকাউ ক্যাম্পকে।

    চলতে-চলতে জুয়ান হঠাৎ লুবেনেস্কিকে প্রশ্ন করলেন, ‘কাল রাতে ঘরের বাইরে দেখলাম আপনাকে?’

    মুহূর্তের জন্য একবার থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন লুবেনেস্কি। তারপর জবাব দিলেন, ‘চলেই তো যাব। তাই রাতে উঠে ঘুরে দেখছিলাম চারপাশটা। কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে এখানে।’

    ডায়না বলে উঠল, ‘তাই নাকি? আমি টের পাইনি তো! কত রাতে?

    জুয়ান মৃদু হেসে বললেন, ‘মাঝ রাতে।’

    ডায়না সঙ্গে-সঙ্গে মৃদু ভর্ৎসনার ঢঙে বলল, ‘কাজটা তুমি ঠিক করোনি গ্র্যান্ড-পা। অন্য কিছুর ভয় না থাক সাপখোপ তো থাকতে পারে।’

    তার কথা শুনে মৃদু হাসলেন বৃদ্ধ লুবেনেস্কি।

    দীপাঞ্জন আর জুয়ান দুজনেরই মনে পড়ে গেল গত রাতে সেই এস.এস গার্ডদের কথা। কিন্তু সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করা সমীচীন মনে হল না তাদের। হয়তো ডায়না কথাটা জেনে ভয় পেতে পারে। জুয়ান শুধু মিউজিয়ামের এক কর্মীকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ক্যাম্পের ভিতরে কি রাতে পাহারার বন্দোবস্ত আছে?’

    লোকটা জবাব দিল, ‘ক্যাম্পের ভিতরে থাকে না, তবে বাইরের মেইন গেটে থাকে। ক্যাম্পের ভিতরে পাহারার বিশেষ দরকার হয় না। কারণ স্থানীয় লোকেরা এড়িয়ে চলে এ জায়গাটা। বুঝতেই পারছেন এক সময় এখানে হাজারে হাজারে লোকের মৃত্যু হয়েছে, কাজেই…’

    দীপাঞ্জন আর জুয়ানের মধ্যে মৃদু দৃষ্টি বিনিময় হল লোকটার জবাব শুনে। তবে এ প্রসঙ্গে তারা আর কোনো কথা বাড়াল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা পৌঁছে গেল কিউরেটরের অফিসে। কিউরেটর তাদের সবাইকে আপ্যায়ন করে নিয়ে গেলেন একটা ঘরে।

    মিউজিয়ামের জনা কুড়ি কর্মী আগে থেকেই উপস্থিত ছিল সেখানে। ঘরোয়া সংবর্ধনা-অনুষ্ঠান। শুরুতে কিউরেটর বেশ কিছু কথা বললেন লুবেনেস্কির সম্বন্ধে। তারপর লুবেনেস্কিও সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলেন তার বিভীষিকাময় ক্যাম্প-জীবন সম্পর্কে। মিউজিয়ামের তরফে বেশ কিছু স্মারক তুলে দেওয়া হল ডাকাউ ক্যাম্পের জীবন্ত-ইতিহাস লুবেনেস্কির হাতে।

    বক্তৃতা, সংবর্ধনা-পর্ব মিটে যাবার পর লুবেনেস্কির সম্মানে একটা ছোট ‘টি-পার্টির’ আয়োজন করেছিলেন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ। একটা সোফাতে বসল দীপাঞ্জন আর ডায়না। অন্য একটা সোফায় লুবেনেস্কি আর প্রফেসর জুয়ান। চায়ের কাপ নিয়ে তাতে চুমুক দিচ্ছিল দীপাঞ্জন। পাশেই একটা টেবিলে লুবেনেস্কির পাওয়া উপহারগুলো রাখা। হঠাৎ তার মধ্যে থেকে একটা জিনিস তুলে নিল ডায়না। একটা অ্যালবাম। যদিও সেটাকে খাতা বলাই ভালো। তার পাতায় আঠা দিয়ে সাঁটা আছে ডাকাউ ক্যাম্প সম্পর্কে বিভিন্ন খবরের কাগজের কাটিং আর বিভিন্ন ছবির ফোটোকপি। ডায়না খাতাটা খুলল। দীপাঞ্জন ঝুঁকে পড়ল ডায়নার হাতের খাতাটার ওপর। তবে ডায়নার একটা ব্যাপার দেখে বেশ অস্বস্তি হল দীপাঞ্জনের। ঠোটে আঙুল ছুঁইয়ে থুতু দিয়ে খাতার পাতা ওল্টাচ্ছে ডায়না। এই বদভ্যাস অনেকের থাকে। ডায়না এসে থামল খাতার সেই পাতাটায়, যেখানে মেডিকেল হাউসের সামনে লুবেনেস্কি আর দাদার সেই ছবিটার ফোটোকপি আছে। ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল সে। হঠাৎ কিউরেটর ম্যাথুজের গলা শোনা গেল, ভদ্রমহোদয়গণ, এবার আমরা একটা ছবি তুলব জীবন্ত ইতিহাস মিস্টার লুবেনেস্কির সঙ্গে। এ ছবিও মিউজিয়ামে টাঙানো থাকবে।’

    কথাটা শুনে কর্মীরা উৎসাহিত হয়ে ঘরের মাঝখানে জড়ো হল ঠিকই, লুবেনেস্কিও উপস্থিত হলেন দীপাঞ্জনদের সঙ্গে নিয়ে তাদের মাঝখানে। কিন্তু কে তুলবে ছবিটা? সবাই তো এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চায়। ম্যাথুজ বললেন, ‘কিন্তু ছবিটা কে তুলে দেবেন?’

    জনতা নিরুত্তর। ক্যামেরা হাতে একটু বিব্রতভাবে ঘরের চারপাশে তাকালেন তিনি তার অবস্থা বুঝতে পেরেই সম্ভবত ডায়না বলল, ‘ক্যামেরাটা দিন আমি ছবি তুলে দিচ্ছি।’

    ডায়নাই ছবিটা তুলল। লুবেনেস্কি, মিউজিয়ামকর্মীদের সঙ্গে একই ফ্রেমে বন্দি হল জুয়ান আর দীপাঞ্জনও। জুয়ান বললেন, ‘ব্যাপারটা বেশ গর্বের হল। কেউ যদি মিউনিখ আসে তবে আমরা বলতে পারব যে জীবন্ত ইতিহাস লুবেনেস্কির সঙ্গে আমাদেরও ছবি রয়েছে ডাকাউ কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের মিউজিয়ামে।’

    ফোটো শ্যুট হবার পরই অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেল। লুবেনেস্কিসহ দীপাঞ্জনদের দরজার বাইরে এগিয়ে দেবার সময় কিউরেটর বললেন, ‘নিজেদের ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ান ক্যাম্পের যেখানে খুশি। সপ্তাহের আজকের দিনটাতে মিউজিয়াম বন্ধ থাকে। আজ ট্যুরিস্টদের ঝামেলা নেই। আপনাদের কেউ বিরক্ত করবে না।’

    কিউরেটরের থেকে বিদায় নিয়ে ব্যারাক সেভেনের দিকে রওনা হল দীপাঞ্জনরা। বেলা দশটা বাজে। হাঁটতে হাঁটতে লুবেনেস্কি জুয়ানকে বললেন, ‘আপনারা বরং ক্যাম্পটা ভালো করে ঘুরে দেখুন। আমি ফিরে গিয়ে শুয়ে পড়ব। কাল বেশি রাত অব্দি জেগেছি। শরীর ধকল নিতে পারছে না। সন্ধ্যাবেলা উঠে আমি শেষবারের জন্য একবার ক্যাম্পটা ঘুরে দেখব।’

    ব্যারাক সেভেনে ফিরে আসার পর দীপাঞ্জনদের থেকে বিদায় নিয়ে লুবেনেস্কি ডায়নাকে নিয়ে ঢুকে গেলেন তার থাকার জায়গাতে। তারা চলে যাবার পর দীপাঞ্জন জুয়ানকে বলল, ‘এবার কী করবেন? সবে তো মাত্র দশটা বাজে।’

    জুয়ান বললেন, ‘কী আর করব? ক্যাম্পটা নিজেদের মতো করে ভালোভাবে দেখে নেই। চল, প্রথমে ওই মেডিকেল হাউসটার দিকে যাই।’

    জুয়ানের কথামতো দীপাঞ্জন তার সঙ্গে এগোল সে দিকে।

    বেশ বড় বাড়িটা। দরজা-জানলা সব কত দিন ধরে বন্ধ আছে কে জানে! বাড়িটার বাইরে এখনও কাঁটাতারের বেড়া রয়ে গেছে। বাড়িটার ভিতরে ঢোকার কোনো উপায় নেই। কাজেই কাঁটাতারের বেড়ার পাশ বরাবর দীপাঞ্জনরা প্রদক্ষিণ করতে শুরু করল বাড়িটা। এক সময় বাড়িটার পিছন দিকে উপস্থিত হল তারা। বাড়ির পিছন দিকে কোনো জানলা নেই তবে একটা দরজা আছে। সেই দরজার দিকে তাকিয়ে দীপাঞ্জনরা একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করল। দীপাঞ্জনরা খেয়াল করে দেখেছে যে, যে সব ব্যারাকবাড়ি বা অন্য বাড়িগুলোর ভিতর টুরিস্টদের ঢোকার প্রয়োজন নেই বা মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ সেই বাড়িগুলোতে ঢোকার অনুমতি দেবার প্রয়োজনবোধ করে না, সেখানে দরজা খুলে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে জন্যে আড়াআড়িভাবে দুটো কাঠের তক্তা পেরেক ঠুকে মারা থাকে কাঠের দরজার পাল্লার গায়ে। কিন্তু সেই তক্তা দুটো খুলে মাটিতে পড়ে আছে দরজার সামনে। তার পাল্লা দুটোও যেন ঈষৎ ফাঁক করা! আর একটা লোহার রডও সামনে পড়ে আছে। যে ধরনের লোহার শিক ক্যাম্পগুলোর জানলায় বসানো থাকে। জুয়ান বললেন, ‘সম্ভবত ওই দরজা দিয়ে বাড়িটার ভিতরে প্রবেশ করেছিল কেউ। লুবেনেস্কি, নাকি সেই এস. এস. গার্ড?’

    কৌতূহলী হয়ে কাঁটাতারের ফাঁক গলে একটু কসরত করে তার ভিতরে ঢুকে বাড়িটার পিছনের সেই দরজার সামনে পৌঁছে গেল দীপাঞ্জন আর জুয়ান। জুয়ান মাটিতে পড়ে থাকা লোহার শিকটাকে হাতে তুলে নিয়ে বললেন, ‘দেখো শিকটায় একটা মরচে পড়ে ক্ষয়ে গেছে। নির্ঘাত ক্যাম্পের কোনো জানলা থেকে এটা উপড়ে এনেছে কেউ। তারপর এটা দিয়ে চাড় দিয়ে কাঠের পাটাতন সরিয়ে দরজা খুলেছে।’

    দরজার পাল্লা দুটো সত্যিই খোলা। দীপাঞ্জন আর জুয়ান উঁকি দিল দরজার ওপাশে। সেখানে খেলা করছে জমাটবাঁধা অন্ধকার। দীপাঞ্জন পাল্লা টেনে ভিতরে ঢুকতে যাচ্ছিল কিন্তু জুয়ান বললেন, ‘থাক, ভিতরে ঢোকার দরকার নেই। সঙ্গে টর্চও নেই। এতদিনের পুরোনো বাড়ি, ভিতরে সাপের বাসা থাকতে পারে।’

    দীপাঞ্জন আর ভিতরে ঢুকল না। জায়গাটা থেকে সরে আবার কাঁটাতারের বাইরে এসে দাঁড়াল তারা। ঠিক তখনই বাড়িটার অন্য দিক বেয়ে যেখানে উপস্থিত হলেন একজন, মুলার। দীপাঞ্জনদের দেখে কেমন যেন থতমত খেয়ে গেলেন তিনি। জুয়ান তাকে সুপ্রভাত জানিয়ে বললেন, ‘আপনি কখন এলেন?’

    মুলার বললেন, ‘এই তো একটু আগে ক্যাম্পে ঢুকলাম। আপনারা? লুবেনেস্কি কোথায়?’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘তিনি একটু আগে তার থাকার জায়গায় ঢুকেছেন বিশ্রাম নিতে। বিকালের আগে বাইরে বেরোবেন বলে মনে হয় না। আমরা ক্যাম্পটা আর একবার ঘুরে দেখতে বেরিয়েছি।’

    মুলার বললেন, ‘আচ্ছা ঘুরে দেখুন।’ –এই বলে তিনি দীপাঞ্জনদের সঙ্গে আর কোনো কথা না-বলে হাঁটতে শুরু করলেন ক্রিমেশন হাউসের দিকে।

    জুয়ান বললেন, ‘মুলারের আচরণ কেমন যেন অদ্ভুত মনে হল। যেন তিনি অন্য কোনো কারণে এখানে এসেছিলেন। আমাদের দেখতে পেয়ে এখান থেকে চলে গেলেন’

    বাড়িটাকে বেড় দিয়ে আবার বাড়ির সামনের দিকে চলে এল তারা। জুয়ান বললেন, ‘চলো পুরো ক্যাম্পটা একবার পাক খেয়ে আসি। এগোল দীপাঞ্জনরা। কয়েক পা হাঁটতেই তারা দেখতে পেল ডায়না আসছে। তার গলায় ঝুলছে টেলিলেন্সঅলা বেশ বড় একটা ক্যামেরা। ডায়না তাদের সামনে এসে প্রশ্ন করল, ‘মেডিকেল হাউসে গেছিলেন? বাড়িটার ভিতর ঢোকার ব্যবস্থা আছে নাকি?’

    দীপাঞ্জন জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, ওদিকে গেছিলাম। তবে ও-বাড়িটার ভিতর ঢোকা যায় না। সদর দরজায় তালা ঝুলছে।’

    ডায়না এরপর বলল, ‘গ্র্যান্ড-পা ঘুমিয়ে পড়েছেন। আমি ছবি তুলতে বেরোলাম। আর তো কোনোদিন আসব না এখানে। ছবি তুলে নিয়ে যাই। আচ্ছা মিস্টার মুলার ক্যাম্পে ফিরেছেন কিনা জানেন? সংবর্ধনা-সভায় ওঁকে তো দেখলাম না।’

    জুয়ান বললেন, ‘এই তো একটু আগেই মেডিকেল হাউসের পিছনেই তার সঙ্গে আমার দেখা হল। তিনি সম্ভবত ওই ক্রিমেশন হাউসের ওদিকে গেলেন।’

    ডায়না বলল, ‘তবে আমি ওদিকটাতে যাই। ওই গ্যাসচেম্বার আর ওভানগুলোর ছবি নেব। ওই বাড়িটা কেমন যেন গা ছমছমে। আজ তো আবার ট্যুরিস্টও নেই, কোনো মিউজিয়ামের লোকও নেই। মুলার থাকলে তাকে নিয়েই বাড়িটার ভিতরে ঢুকব।’ –এই বলে ডায়না এগোল সেদিকে। দীপাঞ্জনরাও আবার সামনের দিকে পা বাড়াল। নিঃস্তব্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে সারসার ব্যারাক। অধিকাংশ ব্যারাকের দরজাতেই তালা ঝুলছে অথবা দরজাটা কাঠের পাঠাতন ঠুকে বন্ধ করা। তাদের মাঝে মাঝে কোথাও এক টুকরো ফাঁকা জমি। ঘুরতে ঘুরতে দুটো নতুন জায়গা তাদের চোখে পড়ল। একটা জায়গাতে সারসার দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটা ফাঁসি কাঠ। আর অন্য একটা জায়গাতে একটা শান বাঁধানো চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে ফুট দশেক উঁচু আর কুড়ি-পঁচিশ ফুট চওড়া একটা দেওয়াল। কংক্রিটের দেওয়ালটা আজও তার বুকে গুলির ক্ষত চিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফায়ারিং স্কোয়াডের দেওয়াল। এই দেওয়ালেই দাঁড় করিয়ে হতভাগ্য বন্দিদের গুলি করে মারত এস.এস ঘাতক বাহিনী। ডাকাউ ক্যাম্পের ভিতর ঘণ্টাখানেক ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরা-ফেরা করে নিজেদের থাকার জায়গায় ফিরে এল তারা। আগের রাতে ইঁদুরের উপদ্রবে ভালো ঘুম হয়নি তাদের। ক্যাম্পের ভিতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল তারা দুজন।

    ঘুম থেকে উঠে বিকালবেলা যখন দীপাঞ্জনরা বাইরে এসে দাঁড়াল তখন সূর্য পশ্চিমে ঢলতে শুরু করেছে। লুবেনেস্কি একটা লাল পুলওভার গায়ে দিয়ে তাঁর ব্যারাকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দীপাঞ্জনদের দেখে তিনি হাত নেড়ে কাছে ডাকলেন। তারা গিয়ে দাঁড়াল লুবেনেস্কির সামনে। লুবেনেস্কি কয়েক মুহূর্ত দীপাঞ্জনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকার পর বললেন ‘কাল তো আমি ফিরে যাচ্ছি। আপনারাও নিশ্চয়ই ক-দিন পর নিজের দেশে ফিরে যাবেন। আর হয়তো কোনোদিন দেখা হবে না আমাদের। তবে যাবার আগে আপনি আমাকে একটা ব্যাপারে একটু সাহায্য করবেন? হয়তো বা তাতে উভয়পক্ষেরই লাভ হবে।’

    লুবেনেস্কির কথা শুনে দীপাঞ্জন মৃদু বিস্মিতভাবে বলল, ‘কী সাহায্য করতে হবে বলুন। সম্ভব হলে অবশ্যই করব।’

    লুবেনেস্কি বলতে গিয়েও হঠাৎ যেন থেমে গেলেন। তারপর কিছুটা তফাতে দুটো ব্যারাক বাড়ির মাঝখানে যে গলিটা আছে সেদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘কে ওখানে?’

    গলিটা থেকে হাসি মুখে বেরিয়ে এলেন মুলার। লুবেনেস্কির উদ্দেশে তিনি বললেন, ‘কালতো আপনি ভোরেই ফিরে যাবেন। তাই আপনার সঙ্গে দেখা করতে এলাম।’

    লুবেনেস্কির মুখ দেখে দীপাঞ্জনের মনে হল যে তিনি মুলারের কথাটা ঠিক বিশ্বাস করলেন না। লুবেনেস্কি তাকিয়ে রইলেন মুলারের দিকে। মুলার তাঁর দিকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘দেশে ফিরে যাবার পর আপনার সুস্থ জীবন কামনা করি। আমাদের দেশ মানে কিন্তু শুধু হিটলার নয়, আমরাও। যারা আপনাকে শ্রদ্ধা করি। আমাদেরও মনে রাখবেন।’

    লুবেনেস্কি এবার মৃদু হেসে মুলারের সঙ্গে করমর্দন করে বললেন, ‘আমি জানি এদেশের মানুষরা খুব ভালো। তারাই তো সারাজীবন আমাকে ঠাই দিল এ দেশে। ঈশ্বরের কাছে আপনারও মঙ্গল কামনা করি।’

    মুলার বললেন, ‘এবার আমাকে মিউনিখ ফিরতে হবে।’ –এ কথা বলে তিনি দীপাঞ্জন আর জুয়ানকেও শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেরার পথ ধরলেন।

    তিনি চলে যাবার পর লুবেনেস্কি সন্দিগ্ধভাবে বললেন, ‘যদিও মুলার বললেন যে ঊনি আমার সঙ্গেই দেখা করতে আসছিলেন কিন্তু সম্ভবত উনি ওই গলির আড়ালে দাঁড়িয়ে আমাদের কথা শোনার চেষ্টা করছিলেন। আমি অনেকক্ষণ ধরেই দেখতে পাচ্ছিলাম ওঁর জুতোটা!’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘আপনি আমাকে কী সাহায্য করতে বলছিলেন?’

    ঠিক এই সময় ব্যারাক বাড়িটার ভিতর থেকে বেরিয়ে এল ডায়না। লুবেনেস্কি, দীপাঞ্জনকে বললেন, ‘কথাটা বলতে গিয়ে বাধা যখন পড়ল, তখন থাক। কাল সকাল পর্যন্ত তো আমরা সবাই এখানেই আছি। রাতে আপনাকে ডেকে নেব। সব কথা বলব।’

    ডায়না জানতে চাইল, ‘তোমরা কী কথা নিয়ে আলোচনা করছ?’

    বৃদ্ধ লুবেনেস্কি বললেন, ‘তোমাকেও যথাসময় বলব কথাটা। চল সূর্য ডোবার আগে একবার সকলে মিলে হেঁটে আসি। লুবেনেস্কির কথামতো তার সঙ্গে ক্যাম্পের গলি বেয়ে হাঁটতে শুরু করল দীপাঞ্জনরা। হাঁটতে-হাঁটতে লুবেনেস্কি মাঝে-মাঝে থামছেন, কখনও বা হাত দিয়ে স্পর্শ করছেন কোনো ব্যারাকের দেওয়াল। কখনও বা শূন্য দৃষ্টিতে তিনি তাকিয়ে থাকছেন কোনো ব্যারাকের দিকে। তাকে দেখে দীপাঞ্জনরা বুঝতে পারল যে, এই বিদায়বেলায় বেশ আবেগমথিত হয়ে পড়েছেন তিনি। দীপাঞ্জনদের নিয়ে হাঁটতে-হাঁটতে একটা ব্যারাক বাড়ির সামনে উপস্থিত হলেন তিনি। জীর্ণদশা ব্যারাক-বাড়িটির। জানলা-দরজা সব খসে পড়ার উপক্রম। ভাঙা জানলার ভিতরে জমাটবাঁধা অন্ধকার। বেশ কিছুক্ষণ বাড়িটার দিকে তাকিয়ে রইলেন বৃদ্ধ। তারপর পকেট থেকে একটা প্লাস্টিকের পাউচ বার করে নীচু হয়ে জায়গাটা থেকে কিছুটা মাটি নিয়ে পাউচে রেখে ডায়নার উদ্দেশে বললেন, ‘আমার মৃত্যুর পর আমার কবরে এই মাটিটা ছড়িয়ে দিও। ডাকাউ ক্যাম্পে আসার পর এই বাড়িটাতেই সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছিলাম আমরা দুই ভাই। এখানেই আমাদের রাখা হয়েছিল অন্য বন্দিদের সঙ্গে। তারপর এখান থেকে আমাদের দু-জনকে নিয়ে যাওয়া হয় মেডিকেল হাউসে, আর আমাদের সঙ্গীদের অধিকাংশকেই পাঠানো হয় গ্যাসচেম্বারে। ভিতরে যদি ঢোকা যেত তবে দেখাতে পারতাম যে ঘরের কোনো কোণে প্রবল শীতের রাতে আমরা দুই ভাই জড়াজড়ি করে বসে থাকতাম।’

    লুবেনেস্কির কথাগুলো যেন মুহূর্তের মধ্যে বিষণ্ণতা ছড়িয়ে দিল সবার মনে। ছলছল চোখে বাড়িটার দিকে তাকিয়ে রইলেন লুবেনেস্কি। দীপাঞ্জনরাও নিশ্চুপ ভাবে সেখানে দাঁড়িয়ে রইল। এক সময় ডায়না তাঁর কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘এবার ফিরে চলো। অন্ধকার নামতে শুরু করেছে। ঠান্ডা বাতাসও গায়ে লাগছে। হয়তো বা তুষারপাত শুরু হবে।

    সত্যি কখন যেন সূর্য ডুবে গিয়ে চারপাশে অন্ধকার নামতে শুরু করেছে। ব্যারাকের গলিগুলো ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢাকতে শুরু করেছে। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ডায়নার হাত ধরে মাথা নীচু করে ফেরার পথ ধরলেন লুবেনেস্কি। দীপাঞ্জনরা অনুসরণ করল তাঁকে। ব্যারাক সেভেনে ফিরে ডায়নাকে নিয়ে তিনি ঢুকে পড়লেন নিজের ব্যারাক বাড়িতে। দীপাঞ্জনরাও ঢুকল নিজেদের জায়গাতে। ঠিক সেই সময়তেই অন্ধকারের চাদরে মুড়ে গেল ডাকাউ ক্যাম্প। নিজেদের ঘরে ঢুকে দীপাঞ্জন, জুয়ানকে বলল, ‘লুবেনেস্কি কী সাহায্যের কথা বলবেন মনে হয়?’

    জুয়ান বললেন, ‘ঠিক বুঝলাম না। তবে তিনি তো তোমাকে ডাকবেন বলে মনে হয়। ব্যারাক বাড়ির লম্বাটে ঘরটায় ম্যাটম্যাটে আলোর নিচে বসে নিজেদের মধ্যে কথা বলতে-বলতে লুবেনেস্কির ডাকের প্রতীক্ষা করতে লাগল দীপাঞ্জনরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }