Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডাকাউ ক্যাম্পের বন্দি – ২

    ২

    ডাকাউ ক্যাম্পের শেষ দর্শনীয় স্থানে রাইখের সঙ্গে এসে হাজির হল দীপাঞ্জনরা। বেশ বড়, ইটের তৈরি একটা বাড়ি। তার চারপাশে আজও দাঁড়িয়ে থাকা কাঠের খুঁটিগুলো দেখে মনে হল এক সময় কাঁটাতারের বেশ কয়েকটা নিরাপত্তাবলয় দিয়ে ঘেরা ছিল বাড়িটা। তার ভিতর প্রবেশ করতে-করতে রাইখ বলল, ‘একসময় এস. এস. গার্ডরা সবসময় এ বাড়ির চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকত। ব্যারাক এক্স-এর থেকে বন্দিদের এখানে আনা হত আমরা যে পথে ঢুকছি ঠিক সে পথেই। এ পথে এক সময় আমাদেরই মতো তিরিশ হাজার মানুষ ঢুকেছিল, যারা কোনো দিন আর বাইরে বেরোয়নি।’

    .

    বাড়ির ভিতরে ঢুকে দীপাঞ্জনদের নিয়ে রাইখ এসে দাঁড়াল একটা লম্বা টানেলের মতো জায়গাতে। সেখানে একটা হ্যাঙ্গারে সারসার জীর্ণ পোশাক ঝুলছে। সে আমলের বন্দিদের পোশাক। কয়েকটা তোয়ালেও আছে। উলটোদিকে একটা ঘর। তার লোহার দরজাটা খোলা। তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে এস. এস. গার্ডের মতো পোশাকে একজন মিউজিয়াম কর্মী। রাইখ বলল, ‘এই পোশাকগুলো কিন্তু সত্যি সেই মানুষদের, যাদের এই পোশাক একবার খোলার পর দ্বিতীয়বার আর কোনো পোশাক পরার দরকার হয়নি। বন্দিদের প্রথমে এখানে এনে দাঁড় করিয়ে তার পোশাক খোলানো হত। তারপর তার হাতে সাবান আর তোয়ালে দিয়ে তাকে স্নান করে আসতে বলা হত পাশের এই স্নানঘর বা শাওয়ার রুম থেকে। যে ঘরের দরজা খোলা দেখছেন আপনারা…

    দীপাঞ্জন বলল, ‘শুনেছি ফাঁসির আসামিদের নাকি ফাঁসির আগে স্নান করানো হয়। নতুন পোশাক পরানো হয়।’

    মৃদু হেসে রাইখ বলল, ‘না, এ ব্যাপারটা ঠিক তেমন নয়। চলুন শাওয়ার রুমের ভিতরে যাই।’

    দীপাঞ্জনরা প্রবেশ করল সেই স্নানঘরটাতে। সঙ্গে-সঙ্গে দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ হয়ে গেল।

    বেশ বড় একটা স্নানঘর। টাইলস বসানো মেঝে। দেওয়ালের গায়ে সাবান রাখার কেস, জামা-কাপড়, তোয়ালে ইত্যাদি ঝোলাবার জন্য হ্যাঙ্গার, একটা স্নান ঘরে যা-যা থাকার দরকার সবই আছে সেখানে। আর এক জায়গাতে মাথার ওপরে আছে বেশ বড় একটা শাওয়ার বা ঝাঁঝরি। ঘরে ঢুকলে প্রথমেই চোখ যায় সেদিকে।

    শাওয়ারের নিচে দীপাঞ্জন আর জুয়ানকে নিয়ে দাঁড় করাল রাইখ। শাওয়ারের জল ওঠার পাইপের গায়ের চাবিটা প্রথমে ঘোরাল রাইখ। তারপর বলল, ‘শাওয়ারের তো আর এখন জল নেই, তাই চাবি খুললেও জল পড়ল না। এবার আপনারা চাবিটা উলটো দিকে ঘুরিয়ে বন্ধ করুন।

    তার কথা শুনে দীপাঞ্জন চাবিটা বন্ধ করতে গেল। কিন্তু সেই লোহার চাবির প্যাঁচ যেন উঠে গেছে। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর সে বলল, ‘চাবিটা ঘুরছে না। আটকে গেছে।’

    রাইখ বলল, ‘না, চাবিটা আর কোনো অবস্থাতেই এখন পিছনে ঘুরবে না, যতক্ষণ না ঘরের বাইরের অন্য একটা চাবি দিয়ে এই শাওয়ারের চাবিটা ঘোরানো হয়। আসলে মাথার ওপরের এই শাওয়ার দিয়ে কোনোদিনই জল বেরোবে না। স্নানের জন্য হতভাগ্য লোকগুলো যখন শাওয়ার রুমে যেত তখন এই শাওয়ার দিয়ে বেরিয়ে আসত মারাত্মক গ্যাস—হাইড্রোজেন সায়ানাইড, কার্বন ডাইঅক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড। ঠিক একইভাবে মেঝেতে যে সব জল বেরোবার ছিদ্র দেখছেন সেখান থেকে গ্যাস বেরোত। হ্যাঁ, এই শাওয়ার রুমটাই হল হিটলারের সেই কুখ্যাত গ্যাস চেম্বার। এখানে অন্তত হাজার পঁচিশেক মানুষকে মারা হয়েছিল সে সময়।’

    দীপাঞ্জন আর জুয়ান স্তম্ভিতভাবে তাকিয়ে রইল সেই শাওয়ারটার দিকে। মানুষ খুন করার জন্য সত্যিই কী অদ্ভুত-নৃশংস পরিকল্পনা। রাইখ প্রথমে বলল, ‘এমনিতেই কিন্তু এ ঘরের দরজা বন্ধ করলে বাইরের বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়…।’

    তার কথাটা সম্ভবত সত্যি, কারণ দরজাটা বন্ধ হবার পর থেকেই একটা দমবন্ধভাব লাগছে দীপাঞ্জনের।

    রাইখ এবার বলতে লাগল, ‘দরজাটা বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা তখন এ ঘরে। শাওয়ারের নবটা খুলে দেওয়া হয়েছে! ভাবুন সেই পরিস্থিতির কথা! মাথার ওপর শাওয়ার থেকে, ঘরের মেঝে থেকে গ্যাস বেরোতে শুরু করেছে! দমবন্ধ হয়ে আসছে আপনার…’

    কথাগুলো বলতে-বলতে কেমন যেন বিকৃত হয়ে যেতে লাগল রাইখের মুখ।

    সে বলে যেতে লাগল, ‘ক্রমশ বিষাক্ত গ্যাস গ্রাস করে নিচ্ছে ঘরটা। দমবন্ধ হয়ে আসছে আপনার। এক টুকরো বাতাসের জন্য আপনি ছোটাছুটি করছেন, লোহার দরজাটা খোলার চেষ্টা করছেন! আপনার পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে বন্ধ দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে হাসছে নৃশংস এস. এস. গার্ডরা। আপনি আর পারছেন না, পারছেন না, দম বন্ধ হয়ে আসছে আপনার! সালফাইডের প্রভাবে আপনার ফুসফুস ফেটে রক্ত বেরোতে শুরু করেছে আপনার নাক-মুখ দিয়ে! একটু বাতাস, একটু বাতাস….

    কথাগুলো বলতে বলতে একই রকম বিকৃত হয়ে গেল রাইখের মুখটা। চমকে উঠল দীপাঞ্জন আর জুয়ান। রাইখের ঠোটের কোণ বেয়ে যেন কী একটা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। হ্যাঁ, লাল রক্ত! তবে কি এত বছর পর সত্যিই কোনো গ্যাস বেরোতে শুরু করেছে এই ঘর থেকে! মুহূর্তের জন্য দীপাঞ্জন আর জুয়ানের মনে হল সত্যিই যেন তাদের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! দীপাঞ্জন চিৎকার করে উঠতে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় শব্দ করে পিছনের দরজাটা খুলে গেল। আর রাইখের মুখটাও ফিরে এল স্বাভাবিক অবস্থায়।

    দীপাঞ্জনরা বাকরুদ্ধভাবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। রাইখ পকেট থেকে রুমাল বার করে ঠোটের কোণটা মুছে নিয়ে বলল, ‘রক্ত নয়, লজেন্স। মাফ করবেন, সেই ভয়াবহ মুহূর্তটা বোঝাবার জন্য এটা করলাম। চলুন এবার বাইরে যাওয়া যাক।’ বাইরে এল দীপাঞ্জনরা। রাইখ তাদের দরজার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই চাকাটা দেখাল, যা ঘুরিয়ে গ্যাস প্রবেশ করানো হত ঘরের ভিতর। ঘরটার পিছন দিকে বড় বড় গ্যাসের পাইপগুলো দেখিয়ে সে বলল, ‘প্রথম অবস্থায় যখন একজন-দুজনকে মারা হত তখন তাদের স্নান করতে যেতে বলা হত। কিন্তু শেষের দিকে যখন গণহত্যা শুরু হল তখন দলে দলে লোককে হাত-পা বেঁধে ও-ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শাওয়ারের চাবি ঘোরাবার দরকার হত না। মেঝের ছিদ্র দিয়ে ঘরে গ্যাস ঢোকানো হত।’ শাওয়ার রুমের থেকে একটু এগিয়েই ‘ওভান রুম। বিরাট ঘরটার এক পাশের দেওয়ালে মাটি থেকে কিছুটা ওপরে দুটো বিরাট চুল্লি আজও হাঁ করে আছে। চুল্লি গহ্বরের ভিতর জমাট বাঁধা অন্ধকার। ঘরের এক কোণে রাখা আছে কয়েকটা ট্রলি, বেলচা এসব। রাইখ বলল, ‘গ্যাস চেম্বারে, ফাঁসির দড়ি বা ফায়ারিং স্কোয়াডে যাদের মারা হত তাদের দেহ ওই ট্রলিগুলোতে চাপিয়ে এনে এই ওভান দুটোতে পুড়িয়ে ফেলা হত। হতভাগ্য লোকটার পরিবার পরিজন বলে যদি কেউ থেকে থাকত তবে সে জানতেও পারত না লোকটার কী হল।’ এ কথা বলে রাইখ বলল, ‘পাশেই একটা ঘরে ছোট সংগ্রহশালাতে হতভাগ্য সেই মানুষগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবার ব্যবস্থা আছে। যাবেন সে ঘরে? এছাড়া আর কিছু দেখাবার নেই এখানে।’

    জুয়ান বললেন, ‘হ্যাঁ, যাব।’

    পাশেই সেই ঘরটা। দরজার বাইরে একজন মহিলা গোলাপের পাপড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার হাতের পাত্র থেকে পাপড়ি নিয়ে সে ঘরে প্রবেশ করল দীপাঞ্জনরা। ঘরের ঠিক মাঝখানে শ্বেতপাথরের একটা পাত্র রাখা আছে। জলপূর্ণ সেই পাত্রে গোলাপের পাপড়ি ভাসিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করছে কয়েকজন ট্যুরিস্ট। আর ঘরটায় চারপাশের দেওয়াল জুড়ে রয়েছে অসংখ্য বাঁধানো ফোটোগ্রাফ। যাদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে সেই অসহায় মানুষদের ছবি। দীপাঞ্জনরা পাত্রে লাল গোলাপের পাপড়ি ভাসিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করার পর ঘুরে ঘুরে ছবিগুলো দেখতে লাগল। ছবির মানুষগুলোর সকলের চোখেই জেগে আছে এক অদ্ভুত বিষণ্ন ভয়ার্তভাব। মৃত্যু নিশ্চিত জানলে কোনো মানুষের চোখে-মুখে যে ভাব ফুটে ওঠে তেমনই। ছবিগুলোর দিকে তাকিয়ে দীপাঞ্জন প্রশ্ন করল, ‘এ মানুষগুলোর মধ্যে একজনও কি বাঁচেনি?’

    রাইখ জবাব দিল, ‘এই ক্যাম্পের বন্দিদের মধ্যে শেষের দিকে কেউ-কেউ বেঁচে গেছিল। হিটলারের পতনের পর মার্কিন সেনারা যখন এ ক্যাম্পের দখল নেয় তখন তারা কিছু বন্দিকে মুক্ত করে। তাদের নামের তালিকা আমরা প্রথম যে মিউজিয়ামে ঢুকেছিলাম সেখানে টাঙানো আছে।

    জুয়ান বললেন, ‘তাদের কেউ এখনও জীবিত আছেন? যদিও তাঁদের বয়স এখন অনেক হবার কথা। তেমন কেউ থাকলে তাকে দেখতাম।’

    রাইখ বলল, ‘বন্দিদের মধ্যে তখন সিংহভাগই বিদেশি ছিল। মুক্তি পাবার পর তারা সবাই নিজের দেশে ফিরে গেছিল। এ দেশের লোক অর্থাৎ জার্মানদের মধ্যে যারা দু-তিনজন জীবিত আছে তারা মিউনিখে কেউ নেই। তবে…’

    রাইখের কথা শেষ হবার আগেই পাশ থেকে একজন বলে উঠল, ‘এখানে একজন আছেন। তবে তাঁর জন্ম হয়েছিল পোল্যান্ডে। হিটলার পোল্যান্ড অধিকার করার পর তিনি অন্য বন্দিদের সঙ্গে এখানে আসেন। মার্কিন সেনারা এই ক্যাম্প দখল করার পর তিনি মুক্তি পেয়েও আর দেশে ফেরেননি।’

    কথাটা যে বলল তাকে চিনতে পারল দীপাঞ্জন। এই মেয়েটাকেই ঘুরতে-ঘুরতে সে চোখ মুছতে দেখেছিল। পরনে ওভারকোট, হাই-হিল বুট। রাইখ বলে উঠল, ‘আপনি জেকব লুবেনেস্কির কথা বলতে চাইছেন নিশ্চয়ই? আমি তার নামটাই বলতে যাচ্ছিলাম।’ মেয়েটা রাইখের প্রশ্নের জবাবে বলল, ‘হ্যাঁ।’ তারপর বলল, ‘এখানে তার ছবিও আছে, আসুন আপনাদের দেখাই।’

    রাইখ এবার একটু বিব্রতভাবে বলল, ‘একবার একদল ট্যুরিস্টকে নিয়ে আমি লুবেনেস্কির সঙ্গে দেখা করতে গেছিলাম ঠিকই, কিন্তু তাঁর ছবি যে এখানে আছে তা জানা ছিল না।’

    মেয়েটার পিছনে এগিয়ে দেওয়ালে টাঙানো একটা বাঁধানো ছবির সামনে এসে দাঁড়াল দীপাঞ্জন। আরও একজন ভদ্রলোক সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিবর্ণ হয়ে যাওয়া ছবিটার মধ্যে এস. এস. গার্ডদের পাহারায় দাঁড়িয়ে আছে একদল বন্দি। জনা দশেক লোক হবে তারা। লোকগুলো কেউ উলঙ্গ, কেউ অর্ধ-উলঙ্গ। তাদের সকলের চোখেই ভয়ার্ত দৃষ্টি। তারা ছবির মধ্যে যেখানে দাঁড়িয়ে আছে সে জায়গাটা চিনতে পারল দীপাঞ্জন। ছবিটা তোলা হয়েছিল লোকগুলোকে সেই মেডিকেল হাউসের সামনে দাঁড় করিয়ে। বাড়িটা দেখা যাচ্ছে পিছনে।

    মেয়েটা ছবি দেখিয়ে বলল, ‘সারি বাঁধা বন্দিদের মধ্যে একদম বাঁ-পাশে একটা চোদ্দো-পনেরো বছরের ছেলে দাঁড়িয়ে আছে দেখুন। ওই হল জেকব লুবেনেস্কি। এখন তার পঁচাশি বছর বয়স। আর তার ঠিক গা ঘেঁষেই যে যুবক দাঁড়িয়ে আছে তার নাম ইট লুবেনেস্কি। জেকবের দাদা সে। পোল্যান্ড থেকে জার্মান বাহিনীর হাতে ধরা পড়ার পর নানা বন্দি শিবির ঘুরে তারা দু-ভাই এখানে এসেছিল ১৯৪৩ সালে। তবে হুইটের আর এই ক্যাম্পের বাইরে বেরোনো সম্ভব হয়নি। ওই মেডিকেল হাউসে যাবার মাস খানেকের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। প্রাণে বাঁচে শুধু জেকব। অন্য যে লোকটা ছবিটার সামনে দাঁড়িয়েছিল। সে মেয়েটার কথা শুনে এবার হঠাৎ বলে উঠল, ‘আপনি নিশ্চিত যে ওই ছেলেটাই জেকব লুবেনেস্কি? মিউজিয়ামের কিউরেটর বলছিলেন তাঁর কথা।’

    মেয়েটা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে তার হাতব্যাগ খুলে একটা পোস্টকার্ড সাইজের ফোটোগ্রাফ বার করল। পাঁচ জন নরনারীর ছবি। সম্ভবত কোনো পারিবারিক ছবি। পুরানো ছবিটাকে আবার কম্পিউটারের মাধ্যমে নতুন করা হয়েছে। ছবিটা দেখিয়ে মেয়েটা বলল, ‘দেখুন এই ছবিতে যে দুজন পুরুষের ছবি আছে তার সঙ্গে দেওয়ালের ছবির ওই দুজনের মিল আছে কিনা?’

    জুয়ান তার হাত থেকে ছবিটা নিয়ে দেওয়ালের ছবিটার পাশে ধরতেই সবাই বুঝতে পারল মেয়েটার বক্তব্য সত্যি। দুটো ছবিরই বাচ্চা আর সেই যুবক একই লোক!

    ছবিটা জুয়ানের হাত থেকে আবার ব্যাগে রাখতে রাখতে এরপর মেয়েটা বলল, ‘এই পারিবারিক ছবিটা তোলা হয়েছিল ওরা ধরাপড়ার ঠিক মাসখানেক আগে।’

    জুয়ান এবার মেয়েটাকে প্রশ্ন করল, আপনি কি ট্যুরিস্ট? নাকি ইতিহাস-গবেষক?’

    উত্তর দেবার আগে মেয়েটা জানতে চাইল, ‘আপনারা?’

    জুয়ান উত্তর দিলেন, ‘আমি জাপানে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করি-প্রফেসর জুয়ান। আর আমার এই বন্ধু ‘শেন’ ভারতীয়। আমরা এ দেশে বেড়াতে এসেছি।’ দীপাঞ্জনের পদবি ‘সেন’টাকে ‘শেন’ উচ্চারণ করেন জুয়ান।

    জবাব শুনে মেয়েটা বলল, ‘আসলে আমি ঠিক ট্যুরিস্টও নই, আর ইতিহাস-গবেষক ও নই। যদিও আমি এসেছি পোল্যান্ড থেকে। আমার নাম ডায়না লুবেনেস্কি। ছবির এই হুইট ছিলেন আমার নিজের গ্র্যান্ডফাদার। জেকবও তাই আমার গ্র্যান্ডফাদার। আমি তাকে নিজের জন্মভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছি। এই ডাকাউ শহরেই তাঁর কাছে আমি দু-দিন ধরে আছি।’

    দীপাঞ্জনরা অবাক হয়ে গেল তার কথা শুনে। একটু চুপ করে থেকে জুয়ান বললেন, ‘ম্যাডাম, ওই ভদ্রলোকের সঙ্গে একবার দেখা করা যায় কি? তিনি তো জীবন্ত ইতিহাস।’

    দীপাঞ্জনদের পাশে দাঁড়ানো সেই অপরিচিত ভদ্রলোক এবার বললেন, ‘প্রথমে আমাকে মাফ করবেন আমি আপনাদের মধ্যে কথা বলছি বলে। আসলে আমি খুব আকর্ষণবোধ করছি আপনাদের কথায়। আমার নাম কার্ল মুলার। জার্মান। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। মেকানিকাল ও ইলেকট্রিকাল ও-দুটোতেই আমার ডিগ্রি আছে। দর্শকদের জন্য এখানে একটা ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করছেন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ। সে কাজেই আমি এখানে এসেছি। মিউজিয়াম কিউরেটরকে জিজ্ঞেস করলে আপনারা আমার পরিচয় সম্বন্ধে নিশ্চিন্ত হতে পারবেন। আমিও ওই জীবন্ত-ইতিহাস ভদ্রলোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী। তাতে আমার কাজের সুবিধা হবে। ম্যাডাম আমাকে সে সুযোগ করে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।’ ডায়না তাদের প্রশ্নের জবাবে বলল, ‘কিন্তু এখন তো তার সঙ্গে দেখা হবে না। বেলা বারোটা বাজে, তিনি খাওয়া সেরে এখন ঘুমিয়ে পড়বেন। বৃদ্ধ মানুষ। তার ঘুম ভাঙবে রাত আটটা নাগাদ। তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবার আগে তার সঙ্গে আপনাদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা আমি করাতে পারি। কিন্তু তার জন্য আপনাদের কাল সকাল আটটা নাগাদ এখানে আসতে হবে। আমি সে বাড়িতে আপনাদের নিয়ে যাব।’

    ইঞ্জিনিয়ার কার্ল মুলার সঙ্গে-সঙ্গে বললেন, ‘আমার আসতে কোনো অসুবিধা হবে না। এখানে তো আমাকে কাজের ব্যাপারে আসতেই হবে।’ দীপাঞ্জন বলল, ‘আমরা মিউনিখের একটা হোটেলে আছি। সেখান থেকে ঠিক সময় চলে আসব।’

    মুলার বললেন, ‘মিউনিখ হলে তো ভালোই। আমি তো সেখান থেকেই আসব। হোটেলের ঠিকানাটা দিলে আমি আসার সময় আপনাদের সেখান থেকে তুলে আনব।’

    কথাবার্তা হয়ে গেল কিছুক্ষণের মধ্যেই। সে ঘর ছেড়ে একসঙ্গে বেরোল সবাই। গ্যাস চেম্বারের লাগোয়া টানেলটা ধরে বাইরে বেরোতে বেরোতে দীপাঞ্জন, জুয়ানকে বলল, ‘ভাবতেও ভয় লাগে যে, হিটলারের মতো কেউ জন্মেছিলেন এ পৃথিবীতে! ভাগ্যিস আজ তিনি নেই।’

    তার কথা শুনে মুলার বললেন, ‘তবে তার ভাবধারার কিছু মানুষ কিন্তু এখনও জার্মানিতে আছে। তারা দেবতাজ্ঞানে শ্রদ্ধা করে হিটলারকে।

    দীপাঞ্জন বলল, ‘তারা কারা?’

    মুলার বললেন, ‘ওদের বলে ‘নিও নাৎসি’ বা ‘নব্য নাৎসি’। বেশ কিছু সংগঠন আছে ওদের। তার মধ্যে কয়েকটা আবার গুপ্ত সংগঠন। গোপনে নাকি অস্ত্রসংগ্রহ করে তারা। মাঝে-মাঝে লোকগুলো অন্য বর্ণ, ধর্মের মানুষদের ওপর ছোটখাটো গুপ্ত হামলাও চালায়। বিশেষত ইহুদিদের ওপর। হিটলারের আদর্শে অনুপ্রাণিত লোকগুলো স্বপ্ন দেখে যে একদিন তারা এই জার্মানির ক্ষমতা দখল করবে। তারপর পৃথিবী দখলের অভিযানে নামবে। রাশিয়া-ব্রিটেন-আমেরিকা তো বটেই সারা পৃথিবীর ওপর তারা কর্তৃত্ব করবে। তাদের স্বস্তিক-চিহ্ন আঁকা পতাকার নীচে থাকবে সারা পৃথিবী। তবে তারা এখনও পর্যন্ত ছোটখাটো দু-একটা নাশকতা ঘটানো ছাড়া তেমন কিছু করতে পারেনি। জার্মান পুলিশের কড়া নজর আছে। মাঝে মাঝে ওদের দু-একজন লোক গ্রেপ্তারও হয় ওদের হাতে।’

    জুয়ান বললেন, ‘হ্যাঁ, কোন একটা কাগজে যেন পড়েছিলাম এই নব্য ন্যাৎসিদের ব্যাপারে।’

    বাড়িটার বাইরে বেরিয়ে দীপাঞ্জনরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেল। ডায়না চলে গেল মিউজিয়ামে অধিকর্তার সঙ্গে দেখা করতে, মুলার বললেন, তার ক্যাম্প ছেড়ে বেরোতে বিকাল হয়ে যাবে। সব কিছু তাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে হচ্ছে। আর দীপাঞ্জনরা ক্যাম্পের বাইরে যাবার জন্য পা বাড়াল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }