Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈগলের পালকে রক্তের দাগ – ৫

    ৫

    দীপাঞ্জনদের ঘুম কিন্তু পাঁচটার অনেক আগেই ভেঙে গেল গাড়ির এঞ্জিনের শব্দ আর লোকজনের চিৎকার—হাঁকডাকের শব্দে। বার্ক দীপাঞ্জনদের সঙ্গে এখানে থাকলেও শুটিং ইউনিটের অন্যান্য সব লোকজন সন্ধ্যার আগেই তাদের প্রাথমিক কাজকর্ম ছেড়ে বাইরে কোথাও থাকতে চলে গেছিল। ভোরের আলো ফোটার আগেই ফিরে এসেছে তারা। সকালবেলা থেকেই শুটিং শুরু হবে যে। জেনারেটর কারের ধকধক শুরু হল। আলো জ্বালিয়েই কাজ শুরু করে দিল বার্কের লোকজন। ভোর পাঁচটা নাগাদ যখন দীপাঞ্জন দরজা খুলল তখন বাইরে অনেক লোক চোখে পড়ল দীপাঞ্জনদের। যদিও তখনও ভোরের কুয়াশা ভালো করে কাটেনি। চিত্র পরিচালক বার্ককেও দেখতে পেল তারা। হাতে একটা ক্লিপবোর্ডের মধ্যে একতাড়া কাগজ নিয়ে তিনি এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে নানা রকম নির্দেশ দিচ্ছেন তাদের লোকদের।

    ঠিক ছ’টায় দীপাঞ্জনদের ঘরসহ সব ঘরে প্রাতরাশ পৌঁছে গেল। প্রাতরাশ খেয়ে তৈরি হয়ে নিয়ে ঠিক সাতটায় দীপাঞ্জনরা বাইরে বেরোল। অন্যরাও ধীরে-ধীরে তাদের সঙ্গে নির্দিষ্ট জায়গাতে জমায়েত হলেন। প্রযোজক কোম্বাটুর গাড়ি ঢুকল প্রবেশ তোরণ দিয়ে। গাড়ি থেকে নেমে কোম্বাটু সোজা উপস্থিত হলেন দীপাঞ্জনদের কাছে। আর তাকে দেখেই দু-জন অনুচরকে নিয়ে পরিচালক বার্ক ছুটতে ছুটতে এসে পৌঁছলেন সে জায়গাতে। জুয়ান-দীপাঞ্জনদের পুরো দলটার সঙ্গে প্রভাতী সৌজন্য-সম্ভাষণ বিনিময়ের পর কোম্বাটু বললেন, ‘আমিও কিন্তু অভিনয় করব। বলা বাহুল্য পিগমির চরিত্রেই। কারণ মেকআপ দিয়েও তো আমার মতো খর্বাকৃতি কাউকে বানানো যাবে না। আজ কিন্তু আমার বেশ গর্ব হচ্ছে আমার এই চেহারার জন্য।’—কথাগুলো বলে হাসলেন তিনি।

    পরিচালক বার্ক এবার বললেন, ‘ওদিকের কাজ মোটামুটি শেষ। চলুন এবার মেকআপ রুমে যাওয়া যাক। শুটিং সিডিউল তো আপনাদের প্রত্যেকের কাছে দেওয়াই আছে। প্রথম শ্যুটটা হবে পরিখা ঘেরা জায়গার ভিতর। মিস্টার পাউল যেখানে ইরিগেটের ভূমিকায় অভিনয় করবেন। সাপলিও আর মার্টিন আপনাদেরও মেকআপ নিতে হবে শ্বেতাঙ্গ গার্ডদের ভূমিকাতে অভিনয় করার জন্য।

    কাছেই একটা পরিত্যক্ত ঘরকে মেকআপ রুম বানানো হয়েছে। বিরাট আয়না বসানো হয়েছে, জেনারেটারের সাহায্যে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেকআপম্যানরা আগে থেকেই হাজির সেখানে। বাক্সপ্যাটরা থেকে তারা কস্টিউম ইত্যাদি বাইরে বের করে রেখেছে। তার মধ্যে একটা জিনিসে চোখ আটকে গেল দীপাঞ্জন আর জুয়ানের, ঈগল পাখির পালক লাগানো রেড ইন্ডিয়ানদের সাজ। রেড ইন্ডিয়ান দলপতিরা এই পালকের সাজ ব্যবহার করত। মাথার ওপর থেকে সূর্যের ছটার মতো এ সাজ নেমে আসত কাঁধের নীচ পর্যন্ত। জুয়ান আগ্রহ ভরে সাজটা তুলে নিয়ে কাছে দাঁড়ানো একজন মেকআপম্যানকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এখানে কি ঈগল আছে? এই ঈগলের পালক কোথা থেকে পান আপনারা?’

    লোকটা হেসে বলল, ‘না স্যার। এদেশে ছোটখাটো কিছু ঈগল পাওয়া গেলেও, এতবড় ঈগল পাওয়া যায় না। এই ঈগলের পালক আমেরিকা থেকে আনাতে হয়।’

    দীপাঞ্জনও জিনিসটা হাতে নিয়ে দেখল। তারপর জিনিসটা যথাস্থানে রেখে দিল।

    দীপাঞ্জন আর জুয়ানের শট দুপুরের দিকে লাঞ্চ ব্রেকের ঠিক আগে। তাদের পরে মেকআপ নিলেও চলবে। পাউল সাপলিও আর মার্টিন মেকআপ নিতে বসলেন। পাউলকে পোশাক খুলিয়ে দেহের নীচের অংশে পরানো হল পাতার সাজ। নাকে-কানে হাড়ের গয়না। গায়ে মাখানো হতে থাকল লালচে রং। আঁকা হতে থাকল বিচিত্র উল্কি। ধীরে-ধীরে মেকআপম্যানদের হাতের ছোঁয়াতে দীপাঞ্জনদের চোখের সামনে ফুটে উঠতে লাগল ফিলিপিন্সের দুর্ধর্ষ নরমুণ্ড-শিকারি উপজাতি ইরিগেটের মূর্তি। মার্টিন আর সাপলিওকেও পরানো হল পঞ্চাশ-ষাট বছর আগেকার শ্বেতাঙ্গ গার্ডদের পোশাক। তবে তাদের মেকআপ পাউলের মতো বেশি নয়। পোশাক আর কাঁধে বন্দুক। আল মামুনও কাছে দাঁড়িয়ে তাদের মেকআপ নেওয়া দেখছিলেন। তিনি হঠাৎ বার্ককে প্রশ্ন করলেন, ‘ইরিগেটের হাতে কোনো অস্ত্র থাকবে না?’

    পরিচালক বার্ক বললেন, ‘জঙ্গলচারী ইরিগেটরা নরমুণ্ডচ্ছেদের জন্য একধরনের তলোয়ার ব্যবহার করত ঠিকই। কিন্তু এখানে বন্দিদশায় ইরিগেটদের হাতে তলোয়ার বা রেড ইন্ডিয়ানদের তিরধনুক বা মাসাইদের বর্শা কখনওই দেওয়া হত না নিরাপত্তার কারণে। রেড ইন্ডিয়ান আর মাসাইদের চামড়ার বা কাঠের বাজনা দেওয়া হত অনেকসময় দর্শকদের মনোরঞ্জন করার জন্য।’

    কথাটা শুনে আল মামুন যেন বিড়বিড় করে বললেন, ‘সেই ইরিগেটটার হাতে তলোয়ার ছিল।’

    তার কথাটা খেয়াল করলেন না বার্ক। দীপাঞ্জনের মনে হল আল মামুন যেন ভুলতে পারছেন না গতকালের দেখা দৃশ্যটার কথা

    ইরিগেট আর গার্ডদের মেকআপ এক সময় শেষ হল। অন্য কিছু লোকজন মেকআপ নিতে বসলেন। বার্ক পাউলদের নিয়ে চলল শুটিং-স্পটের দিকে। তাদের সঙ্গে ব্যাপারটা দেখার জন্য এগোল দীপাঞ্জন, জুয়ান আর মিস্টার কোম্বাটু। তাদের পরে মেকআপ নিলেও চলবে। সবাই গিয়ে হাজির হল পরিখার প্রাচীর ঘেরা জায়গাটার সামনে। প্রাচীর থেকে নীচের পরিখা অতিক্রম করে একটা একটা লম্বা সিঁড়ি নামানো হয়েছে নিচের জমিটাতে। ইতিমধ্যে সে জমিতে নেমে নানা মাপজোক করছে পিছু লোক। একটা ক্যামেরাও বসানো হয়েছে সেখানে। আর একটা ক্যামেরা প্রাচীরটার ওপাশে একটা ক্রেনের মাথার ওপর বসানো। বার্ক প্রাচীরের গায়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ দেখিয়ে বললেন, ‘মিস্টার কোম্বাটু আপনারা ওই জায়গাতে গিয়ে দাঁড়ান। ওখান থেকে শুটিং দেখুন। ও জায়গা ক্যামেরার ফ্রেমে আসবে না।’ তার পরামর্শ মতো কোম্বাটুর সঙ্গে দীপাঞ্জনরা গিয়ে দাঁড়াল সে জায়গাতে। মার্টিন আর সাপলিওকে কোথায় দাঁড়িয়ে কী করতে হবে বুঝিয়ে দিয়ে বার্ক, পাউলকে নিয়ে প্রাচীর টপকে সিঁড়ি বেয়ে পরিখার ওপর দিয়ে নামতে লাগলেন নিচের জমিটাতে। জুয়ান বললেন, ‘এভাবে নিশ্চয়ই ইরিগেটদের নিচে নামানো হত। এছাড়া তো নিচে নামার অন্য কোনো উপায় দেখছি না।’

    কোম্বাটু মন্তব্য করলেন, ‘সম্ভবত তাই হবে।

    দীপাঞ্জন বলল, ‘আচ্ছা, ইরিগেটরা কি সাঁতার জানত না? পরিখাটা গভীর আর হাত কুড়ি চওড়া ঠিকই। কিন্তু সাঁতার জানলে এই পরিখা টপকে দেওয়ালের খাঁজ বেয়ে এই ছোট প্রাচীরের ওপর ওঠা খুব একটা কষ্টকর নয়।’

    কোম্বাটু এরপর বললেন, ‘হয়তো-বা তাই হবে।’

    পাউলকে নিয়ে জমিটাতে নেমে পড়েছেন বার্ক। সেদিকে তাকিয়ে কোম্বাটু বললেন, এই তথ্যচিত্র যেটা তৈরি হচ্ছে, এটা আমার কাছে একটা স্বপ্নের মতো ব্যাপার। আমার পরিবার-পরিজনরাও খুব উৎসাহিত ব্যাপারটা নিয়ে। তারা সবাই কিন্তু আমার মতোই খর্বাকৃতির।’

    জুয়ান জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে কে আছেন আপনার পরিবারে?’

    কোম্বাটু বললেন, ‘স্ত্রী, কন্যা, বৃদ্ধা মা। তাদের সবাইকে নিয়েই আমি আফ্রিকাতে ফিরে যাব। আরও একজন অবশ্য ছিল। সে অবশ্য তার ব্যাবসা বিক্রি করে অনেক আগেই কোথাও চলে গেছে।’

    ‘কে তিনি?’—প্রশ্ন করলেন জুয়ান।

    মৃদু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কোম্বাটু বললেন, ‘আমার বৈমাত্রেয় ভাই।’

    পারিবারিক ব্যাপারে বেশি প্রশ্ন করা শিষ্টাচার-বিরোধী। তাই আর তাকে কোনো প্রশ্ন করল না দীপাঞ্জনরা

    কিছুক্ষণের মধ্যেই শুটিং শুরু হল। ক্ল্যাপস্টিক পড়ল। ফাঁকা জমিটার মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে পরিখার ধারে এগিয়ে এসে দাঁড়াল ইরিগেটবেশী পাউল। আর গার্ডরূপী মার্টিন আর সাপলিও প্রাচীর থেকে ঝুঁকে পড়ে নিচের জমিতে দাঁড়িয়ে থাকা ইরিগেটের দিকে রুটির টুকরো ছুড়ে দিতে দিতে হাসতে-হাসতে বলতে লাগল—‘ওয়াইল্ড ডগ। ওয়াইল্ড ডগ!—বুনো কুত্তা!’ আর অসহায় ইরিগেট রুটির টুকরোগুলো তুলে মুখে দিতে লাগল। তবে একেবারে এ দৃশ্য নেওয়া গেল না। কারণ, কখনও পাউলের পরিখার ধারে দাঁড়ানো ঠিক হল না, অথবা মার্টিন-সাপলিওর রুটি ছোড়া ঠিক হল না। বার-তিনেক দৃশ্যটার পুনরাবৃত্তির পর পরিচালক বার্ক জানালেন ‘শট ওকে।’ জমিটা ছেড়ে আবার মই বেয়ে ওপরে উঠে এলেন বার্ক আর পাউল।

    এর পরের শটের বন্দোবস্ত করা হয়েছে একটা ফেনসিং ঘেরা জায়গাতে। দীপাঞ্জনেরা হাজির হল সেখানেও। ক্যামেরা-ট্যামেরা নিয়ে সে জায়গাতে শুটিং-এর প্রস্তুতি শুরু করলেন বার্ক। ইতিমধ্যে সেখানে মেকআপ নিয়ে হাজির হয়েছেন টোগো আর আল মামুন। গায়ে কালো রং মাখিয়ে আল মামুনকে নিগ্রো সাজানো হয়েছে। টোগো আর মামুন দুজনেরই কটিদেশে নামমাত্র পোশাক। টোগোর বাহুতে এক গোছা ধূসর লোম বাঁধা! সিংহের লোম। আর মামুনের উন্মুক্ত বুকে লাল সুতোতে ঝুলছে কোনো একটা প্রাণীর দাঁত। চেহারাতে মেকআপের সাহায্যে একটা রুক্ষ ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মাসাই বন্দিদের ভূমিকাতে অভিনয় করবেন তাঁরা।

    শুটিং দেখছিল দীপাঞ্জন আর জুয়ান। হঠাৎ একজন লোক এসে বলল, ‘স্যার এবার মেকআপ রুমে চলুন। পরের শটের জন্য মেকআপ নিতে হবে।’

    লোকটার সঙ্গে দীপাঞ্জনরা এগোল মেকআপ রুমের দিকে।

    কিছুক্ষণ পর মেকআপ শেষে দীপাঞ্জন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখে চমকে গেল। আয়নার সামনে যেন দীপাঞ্জন নয় কোনো এক তাতারের মূর্তি ছবির বইয়ের পাতা থেকে এসে দাঁড়িয়েছে। পরনে পশুচর্মের পোশাক, পরচুলটা মাথার ওপর ঝুঁটি করে বাঁধা। সারা মুখ আর দেহের চামড়াতে ফুটে আছে একটা রুক্ষতা। ঠিক যেমন থাকত তাতারদের। যেন একটু আগেও কোনো রুক্ষ পার্বত্য মরু অঞ্চলে ঘোড়া ছুটিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। নিজেকে দেখে অবাক হয়ে গেল দীপাঞ্জন। প্রফেসর জুয়ানকেও সাজানো হল এক পীত উপজাতির সাজে। লম্বা বেণি ঝুলছে তার উন্মুক্ত পিঠে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই দীপাঞ্জনদের ডাক এল। তবে খোলা জায়গাতে নয়, তাদের ছবি নেওয়া হবে গরাদঘেরা খাঁচায় নবাগত বন্দির ভূমিকাতে। সে জায়গাতে যাবার পর পরিচালক বার্ক দীপাঞ্জনকে প্রথমে তার শটটা বোঝালেন। আলো আর ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে চারপাশে। ব্যাপারটা বুঝে নিয়ে বার্কের কথামতো গরাদের ভিতর প্রবেশ করল দীপাঞ্জন। তারপর গরাদ ধরে দাঁড়িয়ে যথাসম্ভব বিষণ্ণভাব ফুটিয়ে তুলে গরাদ ঝাঁকিয়ে তা ভাঙার চেষ্টা করতে লাগল দীপাঞ্জন। বার্ক একসময় বললেন, ‘কাট’। আলো নিভে গেল। দীপাঞ্জন গরাদের বাইরে বেরিয়ে আসতেই পরিচালক বার্ক বললেন, ‘খুব ভালো অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুললেন আপনি। জীবনে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন দেখে তা মনে হল না।’

    তার কথা শুনে হাসল দীপাঞ্জন।

    এরপর জুয়ানের শটটাও নেওয়া হল কাছেই একটা খাঁচার মধ্যে। ঘরের মধ্যে রাখা একটা পাথরের থালা থেকে পশুর মতো জল চেটে খাচ্ছে এক মোঙ্গলয়েড বন্দি।—এ দৃশ্যটা ক্যামেরায় ধরে রাখা হল। এ দৃশ্যটা তোলার পর বার্ক বললেন, ‘এ বেলার মতো কাজ শেষ। বিকালে শুধু তুর্গিনেভের শটটা নেব। শেষ বিকালের আলোতে ফেনসিং ঘেরা জায়গার মধ্যে একলা দাঁড়িয়ে আছে একজন এস্কিমো। ওরাই সবচেয়ে কম বাঁচত এখানে এসে। মাত্র কয়েক মাস। খুব ঠান্ডার দেশের মানুষ ওরা। এ জায়গা ঠান্ডা হলেও ওদের কাছে গরমের দেশ। এস্কিমোদের যখন এখানে আনা হত তখন টিকিটের দাম বেশি করা হত। কারণ সারা বছর তো তাদের লোক দেখতে পেত না। মারা যেত তারা। এখানকার গরমেও তাদের মোটা পোশাক পরানো হত।’ দীপাঞ্জনরা সে জায়গা থেকে এরপর প্রথমে ফিরে এল মেকআপ রুমে। সেখান থেকে মেকআপ তুলে নিজেদের পোশাক প’লটে যখন ঘরে ফিরল তখন বেলা প্রায় দুটো। খাবার এসে গেল। খাওয়া সেরে বিছানায় শুয়ে পড়ল দীপাঞ্জনরা। জুয়ান ঘুমিয়ে পড়লেন। কিন্তু দীপাঞ্জনের ঘুম আসছে না। বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করতে লাগল সে। তারপর একসময় বিছানা ছেড়ে উঠে দরজা খুলে ঘরের বাইরে এসে দাঁড়াল। নিঝুম দুপুর। কোনো চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ নেই। শুটিং ইউনিটের লোকগুলো এখানে ওখানে বসে চুপচাপ ঝিমুচ্ছে। রাত শেষ না হতেই কাজে লেগেছিল তারা। ক্লান্তি তো লাগবেই।

    ধীরে-ধীরে হাঁটতে-হাঁটতে দীপাঞ্জন পৌঁছে গেল প্রবেশ তোরণের কাছে। ঠিক তখনই সে দেখতে পেল একটা ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছেন মার্টিন বার্ক আর কোম্বাটু মৃদু চিন্তার ভাব যেন তাদের চোখেমুখে। দীপাঞ্জনের সামনে এসে দাঁড়াল তারা। মার্টিন, দীপাঞ্জনকে বললেন, ‘সারাদিন বুড়ো স্যামসনকে একবারও দেখেছেন আপনারা?’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘না, দেখিনি।’

    মার্টিন আর কোম্বাটু বললেন, ‘আমরাও তো দেখিনি কেউ। দুপুরে যে ওর ওই ঘরে খাবার দিতে এসেছিল সে ফিরে গিয়ে জানাল সে তার ওই ঘরে নেই। দুপুরে পর্যন্ত তো কাজে ব্যস্ত ছিলাম সবাই। তাই তার খেয়াল রাখিনি।’

    মার্টিন দুশ্চিন্তার স্বরে বললেন, ‘স্যামসন কিন্তু এ জায়গা ছেড়ে কোথাও যায় না। ইদানীং ওর মাথাটা যেন বেশি গন্ডগোল করছে। ভুলভাল দেখছেন। তাই বেশি দুশ্চিন্তা লাগছে। কোথায় গেলেন কে জানে?’

    বার্ক বললেন, ‘এত বড় জায়গা। তিনি হয়তো এখানেই কোথাও আছেন। আপাতত আমাকে বিকালের শুটিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে। তারপর না হয় তাকে খুঁজব।’ বার্ক এ কথা বলার পর দীপাঞ্জনের থেকে বিদায় নিয়ে তারা তিনজন কাজে এগোলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }