Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প427 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈগলের পালকে রক্তের দাগ – ১০

    ১০

    দীপাঞ্জন পৌঁছে গেল প্রবেশ তোরণের কাছাকাছি। কেউ কোথাও নেই। যে গাড়িটাতে বাক্স এসেছিল সে গাড়িটা উন্মুক্ত প্রবেশ তোরণের দিকে মুখ করা। গাড়ির ইঞ্জিন চালু হয়েছে। মৃদু ধকধক শব্দ আসছে গাড়িটা থেকে। অর্থাৎ ড্রাইভার কেবিনে হয়তো সে লোকটা আছে। সম্ভবত গাড়িটা এ জায়গা ছেড়ে চলে যাবার প্রস্তুতি শুরু করেছে। কিন্তু চারপাশে অন্য কোনো লোকজন নেই। দীপাঞ্জন গাড়িটার দিকে এগোতে যাচ্ছিল কিন্তু হঠাৎ সে কিছু দূরে ঘরের মধ্যে থেকে ভেসে আসা একটা আলোক রেখা দেখতে পেল। সেটা দেখে দীপাঞ্জন গাড়ির দিকে না এগিয়ে সেই ঘরটার দিকে এগোল। ঘরের কাছাকাছি পৌঁছে হঠাৎ দীপাঞ্জনের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় যেন কাজ করল। সে সন্তর্পণে দরজার কাছে গিয়ে সাবধানে উঁকি দিল ঘরের ভিতরে। এ ঘরের ভিতরেও দেওয়ালের গায়ে একটা মশাল গাঁথা। দীপাঞ্জন দেখতে পেল সেই বেঁটে লোকটাকে মাটির নীচের ঘরে যার নির্দেশ পালন করছিল রেড ইন্ডিয়ান আর ইরিগেট সাজা লোকদুটো। ঘরের মধ্যে রাখা আছে গাড়ি থেকে নামানো বাক্সগুলো। লোকটা দরজার দিকে পিছন ফিরে এগোচ্ছে একটা ডালা খোলা বাক্সের দিকে। দীপাঞ্জন একবার ভাবল যে সে ছুটে গিয়ে পিছন থেকে জাপটে ধরে লোকটাকে। কিন্তু পরক্ষণেই সে ভাবল এ কাজটা করা বিপজ্জনক হবে। কোনোভাবে লোকটা যদি তার পায়ের শব্দ পায় তবে নির্ঘাত সঙ্গে-সঙ্গে পিছনে ফিরে গুলি চালাবে দীপাঞ্জনকে লক্ষ্য করে। আর মাটিতে পড়ে থাকা মার্টিনকেও দেখতে পেল সে। মার্টিন যেখানে পড়ে আছেন সেখানে রক্তের ধারা বইছে। মার্টিনকে হয়তো গুলি করে মেরেছে ওই নিষ্ঠুর বামনাকৃতি লোকটা। কাজেই দীপাঞ্জন আর ঘরের মধ্যে না-ঢুকে দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল লোকটাকে। পিগমি আকৃতির লোকটা ডালা খোলা বাক্সের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বাক্সের ডালাটা বন্ধ করে ফিরে দাঁড়াল। একবার ঘড়ি দেখল লোকটা, তারপর কারো যেন প্রতীক্ষায় তাকাল দরজার দিকে। দীপাঞ্জন মাথাটা সরিয়ে নিল, তারপর দরজার ফ্রেম আর পাল্লার মধ্যে যে সরু ছিদ্র আছে তার মধ্যে দিয়ে দেখার চেষ্টা করতে লাগল ভিতরে। লোকটা সোজা তাকিয়ে আছে দরজার দিকে। কিন্তু হঠাৎই কয়েক মুহূর্তের মধ্যে লোকটা বলে উঠল, ‘কে? দরজার আড়ালে কে দাঁড়িয়ে?’

    আসলে দীপাঞ্জন দরজার একপাশে দাঁড়ালেও চাঁদের আলোতে তার ছায়াটা এসে পড়েছে দরজার আর একটা পাল্লার গায়ে। আর সেটা পিগমি আকৃতির লোকটার সতর্ক চোখে ধরা পড়ে গেছে।

    লোকটা দরজার দিকে বন্দুক উঁচিয়ে আবারও বলে উঠল, ‘কে? কে ওখানে?’

    দীপাঞ্জন জবাব দিল না, জবাব দেবার কোনো প্রশ্নই নেই। আগ্নেয়াস্ত্র এগিয়ে লোকটা দরজার দিকে দ্রুত এগোতে যাচ্ছিল। আর দীপাঞ্জনও পাল্লা আর ফ্রেমের আড়াল থেকে চোখ সরিয়ে ছুটতে যাচ্ছিল, কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘরের মধ্যে এক কাণ্ড ঘটল। বামনটা মাটিতে পড়ে থাকা মার্টিনের দেহটার পাশ দিয়ে দরজার দিকে এগোতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই মার্টিনের দেহটা যেন নড়ে উঠল আর তার পরই মার্টিনের জোড়া পা আঘাত করল লোকটাকে। হুমড়ি খেয়ে পড়ল লোকটা। হয়তো-বা আগ্নেয়াস্ত্রটার ট্রিগারে হাত পড়ে যাওয়াতেই জীবন্ত হয়ে উঠল সেটা। স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে র‍্যাটরাট শব্দ করে গুলি বর্ষিত হতে লাগল দেওয়ালের গায়ে। ধোঁয়ায় আর বারুদের কটু গন্ধে ভরে উঠল ঘর। আর ধোঁয়ার আড়াল থেকে ভেসে আসতে নাগল ঝটাপটির শব্দ। আগ্নেয়াস্ত্রের অগ্নিবর্ষণ শেষ হল এক সময়। দীপাঞ্জন ধোঁয়ার মধ্যে আবছা দেখতে পেল মাটিতে ঝটাপটি করছে মার্টিন আর সেই শয়তান লোকটা। দীপাঞ্জন আর দেরি করল না। ঘরের ভিতর প্রবেশ করে দ্রুত পৌঁছে গেল তাদের কাছে। দুজনের ঝটাপটিতে বামন লোকটার গলা থেকে খসে পড়েছিল স্ট্র্যাপে ঝোলানো মারণাস্ত্রটা। দীপাঞ্জন কুড়িয়ে নিল সেটা। তারপর তার বাঁট দিয়ে মোক্ষম আঘাত হানল বামন লোকটার মাথায়। আকস্মিক সেই আঘাতে অস্ফুট চিৎকার করে স্থির হয়ে গেল বামন। তার দেহ ছেড়ে এরপর উঠে বসল রক্তাক্ত মার্টিন। দীপাঞ্জন বলে উঠল, ‘কোথায় গুলি লেগেছে আপনার?’

    মার্টিন বললেন, ‘কাঁধে। কয়েক মিনিটের জন্য জ্ঞান হারিয়েছিলাম ঠিকই কিন্তু তারপরই হুঁশ ফিরেছিল। মরার মতো ভান করে পড়েছিলাম। আপনি তাড়াতাড়ি ওই বাক্সগুলো খুলুন। বাক্সগুলোর মধ্যে সবাই আছেন।’

    কথাটা শুনে বেশ অবাক হয়ে গেল দীপাঞ্জন। সে বাক্সগুলোর কাছে গিয়ে ডালা ওঠাতে শুরু করল। প্রথম বাক্স থেকে লাফিয়ে উঠলেন বার্ক, দ্বিতীয় বাক্স থেকে কোম্বাটু আর তৃতীয় বাক্স থেকে জুয়ান। জুয়ান বাইরে বেরিয়ে এসেই বললেন, ‘আমাদের শুধু জ্ঞান আছে, অন্যদের ক্লোরোফর্ম করে অজ্ঞান করে রাখা হয়েছে বাক্সগুলোর মধ্যে।

    দীপাঞ্জন বলে উঠল, ‘আপনাদের বাক্সে পোরা হল কেন?’

    জুয়ান মাটিতে পড়ে থাকা বামন লোকটাকে দেখিয়ে বললেন, ‘ওর নাম টিম্বাকু। সম্পর্কে মিস্টার কোম্বাটুর ভাই হন। লোকটা আমাদের বাক্স-বন্দি করে আফ্রিকা নিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল হিউম্যান জ্যু-তে রাখবে বলে।’

    ভাই বলে পরিচয় দিতে আমি আজ লজ্জা বোধ করি। জ্ঞান ফেরার আগে ওকে বাক্স-বন্দি মিস্টার কোম্বাটু সঙ্গে-সঙ্গে ঘৃণা ভরে বলে উঠলেন, ‘না, ও আমার কেউ হয় না। ওকে করো।’

    এরপর মাটিতে বসে থাকা মার্টিন আর পড়ে থাকা টিম্বাকুর দিকে এগিয়ে গেল সবাই। সত্যিই গুলি বিধেছে তার কাঁধে। কোম্বাটু আর জুয়ান তার সামনে বসলেন। জুয়ান তার শার্ট খুলে সেটা ছিঁড়ে মার্টিনের ক্ষতস্থান বাঁধতে শুরু করলেন। অত কষ্টের মধ্যেও মার্টিন জানতে চাইলেন, ‘স্যামসনের কোনো খোঁজ মিলল? আমার খুব চিন্তা হচ্ছে বুড়ো মানুষটার জন্য।’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘তিনি কোথায় আছেন আমি জানি।’ –এরপর সে সংক্ষেপে ব্যক্ত করল সব ঘটনাটা।

    জুয়ান ব্যাপারটা শুনে বললেন, ‘টিম্বাকুকে বাক্সবন্দি করে তুমি আর বার্ক স্যামসনকে উদ্ধার করে আনো।’

    দীপাঞ্জন আর বার্ক চ্যাংদোলা করে টিম্বাকুর দেহটা উঠিয়ে নিয়ে ভরে ফেলল একটা বাক্সর ভিতর। তারপর তার ডালাটা বন্ধ করে চাবি দিয়ে ঘর থেকে বেরোল স্যামসনকে ওপরে আনার জন্য।

    তারা যখন বাইরে বেরোল ঠিক তখনই তারা দেখতে পেল কফিনের বাক্স বয়ে আনা গাড়িটা দ্রুত গতিতে বেরিয়ে যাচ্ছে চিড়িয়াখানার চৌহদ্দি ছেড়ে। তা দেখে বার্ক বলল, ‘ওর ড্রাইভারটাই আমাদের মিথ্যা কথা বলে এ ঘরে টেনে এনেছিল। এখন বিপদের আঁচ বুঝে পালাচ্ছে। তবে পালের গোদা যখন ধরা পড়েছে তখন ও লোকটাও নিশ্চয়ই ধরা পড়ে যাবে।’ দীপাঞ্জন এ কথা শুনে বার্ককে নিয়ে এগোল বুড়ো স্যামসনের খোঁজে। কিন্তু তাকে খোঁজার জন্য বেশি দূর এগোতে হল না। খাঁচাগুলোর গোলকধাঁধায় তারা প্রবেশ করতেই দেখতে পেল মাটির নীচ থেকে উপরে উঠে কুয়াশার চাদর ভেদ করে ধীরে-ধীরে এগিয়ে আসছেন স্যামসন। দীপাঞ্জনদের সামনে এসে দাঁড়ালেন তিনি। দীপাঞ্জন খেয়াল করল স্যামসনের হাতে ধরা আছে বেশ বড় একটা সেই ঈগলের পালকটা। বার্ক তাকে বললেন, ‘চলুন, আপনাকেই আমরা আনতে যাচ্ছিলাম।’

    বৃদ্ধ ভালো করে হাঁটতে পারছিলেন না। খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে দীপাঞ্জনদের সঙ্গে এগিয়ে চললেন ঘরটার দিকে। ঘরে গিয়ে ঢুকল তারা তিনজন। ইতিমধ্যে বাক্সগুলো থেকে ধরাধরি করে অন্যদের বাইরে বার করে এনে মাটিতে শুইয়েছেন জুয়ান আর কোম্বাটু। তুৰ্গিনেভ মাটিতে উঠেও বসেছেন, কারস্টেন আর মামুন একটু নড়াচড়াও করছেন। মার্টিনের ক্ষতচিহ্ন বাঁধা হয়ে গেছে। একটা দেওয়ালের গায়ে ঠেস দিয়ে বসে তিনি। দীপাঞ্জনদের ঘরে ঢুকতে দেখে তিনি স্যামসনের উদ্দেশে বললেন, যাক আপনি সুস্থ আছেন, খুব চিন্তা হচ্ছিল আপনার জন্য।’

    স্যামসন আস্তে আস্তে জবাব দিলেন, ‘কাল রাতে আমি ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম কবরখানায়। শেষ রাতে যখন কবরখানা থেকে ঘরে ফিরছি তখন কুয়াশায় সাদা হয়ে গেছে চারপাশ। গরাদ ঘরগুলোর পাশ দিয়ে যখন আসছি তখন দেখি একজন পিগমি কুয়াশার মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে গরাদ ঘরের সামনে। ওই গরাদ ঘরেই শেষ কদিন আটকে রাখা হয়েছিল টিকুটিকুকে। আমি লোকটাকে টিকুটিকু ভেবে কুয়াশার মধ্যে তার দিকে এগোলাম, আর তখনই কে যেন আমার মাথায় বাড়ি মারল। যখন জ্ঞান ফিরল তখন আমি সেই সুড়ঙ্গ ঘরে। আমার সামনে দাঁড়িয়ে একজন পিগমি। তাকে দেখে বুঝলাম যে টিকুটিকু নয়, অন্য লোক। সে আমার থেকে টিকুটিকুর কবরের খোঁজ করছিল…।’—এই বলে বৃদ্ধ এগিয়ে গিয়ে একটা বাক্সের ওপর বসলেন। কোম্বাটু বললেন, ‘ইচ্ছা করছে ঘরের কোণে রাখা ক্লোরোফর্মের শিশিটা পুরোটাই টিম্বাকুর বাক্সে ঢেলে দেই। যাতে কোনোদিন আর ওর জ্ঞান না-ফেরে। কিন্তু আমরা তো আর ওর মতো খুনি নই। তাই কাজটা করতে পারব না। পুলিশকে ফোন করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে তারা ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আসছে এখানে।

    পুলিশের হাতে তুলে দেব ওকে। আমাদের ও হিউম্যান জ্যু-তে রাখবে ভেবেছিল,

    খুন করবে ভেবেছিল। এখন নিজেই বাকি জীবন কাটাবে জেলখানার গরাদের ভিতর।’

    দীপাঞ্জনরা এরপর স্যামসনের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। জুয়ান বৃদ্ধ স্যামসনকে বললেন, ‘এই যে বারবার আপনি টিকুটিকুর নাম বলছেন, এত বছর পর সেই পিগমির কবরের খোঁজ করছিল কেন লোকগুলো? এ ব্যাপারে আপনি কিছু জানেন?’

    স্যামসন জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, জানি। লোকগুলো কেন টিকুটিকুর কবর খুঁজছিল জানি।’

    দীপাঞ্জন বলল, ‘আপত্তি না-থাকলে আমাদের ব্যাপারটা সম্বন্ধে বলবেন?’

    প্রশ্নটা শুনে বেশ কিছুক্ষণ হাতে ধরা ঈগলের পালকটার দিকে চুপচাপ তাকিয়ে রইলেন বৃদ্ধ। যেন স্মৃতির অতলে ডুব দিলেন তিনি। তারপর ধীরে-ধীরে বলতে শুরু করলেন, ‘সে অনেকদিন আগের কথা। আমাকে তখন সদ্য আনা হয়েছে এখানে। আর তার কিছুদিন আগেই আফ্রিকার এক প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে টিকুটিকুকেও ধরে আনা হয়েছিল এই হিউম্যান জ্যু-তে। তার মুখেই আমি শুনেছিলাম তার পরিবারসহ বেশ বড় একটা দলকেই নাকি ধরা হয়েছিল। এ দেশে আনার পর হীরে ব্যবসায়ীরা কিনে নেয় দলের অন্যদের আর এই হিউম্যান জ্যু-এর মালিক টিকুটিকুকে কিনে এখানে আটক করেন। স্ত্রী-পরিবার- পরিজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় টিকুটিকু। পিগমিদের জন্য ফেনসিং-ঘেরা জায়গাটা আপনারা দেখেছেন। আমি তখন ছোট বলেই হয়তো আমাকে পিগমিদের সঙ্গে ওখানে প্রথমে রাখা হয়। পরে অবশ্য আমাকে ছেড়ে রাখা হত দিনের বেলাতে। বিভিন্ন খাঁচায় খাবার দেওয়া ইত্যাদি নানা কাজ করানো হত আমাকে দিয়ে। অন্য কারো সঙ্গে খুব বেশি কথা বলত না টিকুটিকু। তবে আমি ছোট বলেই হয়তো বা আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গেছিল তার। আমি যখন প্রথম এখানে এসেছিলাম তখন খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম। তখন সে-ই সাহস জোগাত আমাকে…। কথাগুলো বলে সম্ভবত দম নেবার জন্য কিছুক্ষণ থামলেন বৃদ্ধ। তারপর আবার বলতে শুরু করলেন—

    বেশ অদ্ভুত লোক ছিল টিকুটিকু। সে নাকি তার গ্রামের জাদুকর পুরোহিত ছিল। নানা রকম ছোটখাটো ট্রিক বা কৌশল জানত সে। মাঝে-মাঝে সেগুলো দশর্কদের দেখিয়ে রুটির টুকরো পেত। একটা অদ্ভুত খেলাও দেখাত সে। মাটির থেকে একটা ছোট পাথরের টুকরো তুলে নিয়ে দর্শকদের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে পাথরটা ওপরে ছুড়ে দিত সে। ওপর থেকে পাথরটা পড়েই অদৃশ্য হয়ে যেত কোথাও। তার অনাবৃত দেহতে পাথর লুকাবার মতো কোনো জায়গা ছিল না। হ্যাঁ, পাথরের টুকরো। আর ওরকমই একটা পাথরের টুকরোই বিপদ ডেকে আনল। তবে সেটা সাধারণ পাথরের টুকরো নয়। সাদারঙের পায়রার ডিমের আকৃতির একটা পাথরের টুকরো। ধরা পড়ার পর আফ্রিকা থেকে ইউরোপের সুদীর্ঘ যাত্রাপথে কী ভাবে যে টিকুটিকু পাথরটা তার সঙ্গে লুকিয়ে এনেছিল তা আমার জানা নেই। আর পাথরটা যে কোথায় লুকিয়ে রাখত তাও আমি জানি না। তবে আমি হাতে নিয়ে দেখেছি পাথরটা। চাঁদনি রাতে চারপাশে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত তখন টিকুটিকু পাথরটা বার করে হাতের তালুতে রেখে একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকত পাথরটার দিকে। চাঁদের আলোতে দ্যুতি ছড়াত পাথরটা। কখনও-বা সে লোফালুফি খেলত পাথরটা নিয়ে। নিজের দেশের গভীর জঙ্গলের ভিতর একটা নদীখাত থেকে নাকি সে কুড়িয়ে পেয়েছিল পাথরটা। আমার সামনে ছাড়া অন্য কারো সামনে পাথরটা বার করত না সে। কোনো গুপ্তস্থানে সেটাকে সে লুকিয়ে রাখত। আমি পরে জেনেছিলাম যে পাথরটা আসলে ছিল একটা ‘আনকাট ডায়মন্ড, পল না-কাটা, পালিশ না-করা একটা হীরে।’

    আবারও থামলেন স্যামসন। বেশ কিছুক্ষণের নীরবতা। খোলা দরজা দিয়ে কুয়াশা ঢুকতে শুরু করেছে ঘরের ভিতর। মৌনতা ভঙ্গ করে স্যামসন আবার বলতে লাগলেন, ‘কিন্তু ওই পাথরের টুকরোটাই দুর্যোগ ডেকে আনল টিকুটিকুর জীবনে। এক রাতে টিকুটিকু যখন পাথরটা নিয়ে খেলা করছিল তখন আড়াল থেকে একজন নৈশ প্রহরী ব্যাপারটা দেখে ফেলে পরদিন সেটা জানাল চিড়িয়াখানার মালিক শ্বেতাঙ্গ প্রভুকে। হীরে নিয়েই কারবার হয় এ অঞ্চলে। সবাই অল্পবিস্তর হীরে চেনে। গার্ড জানিয়েছিল যে পাথরটা নিয়ে খেলার সময় নাকি আলোক বিচ্ছুরিত হচ্ছিল পাথরটার থেকে। সাধারণ পাথর কি ঝলমল করে? এই হিউম্যান জ্যু-এর মালিকেরও এক সময় হীরের কারবার ছিল। টিকুটিকুকে যে জায়গা থেকে ধরা হয়েছিল সে অঞ্চলগুলোর নদীখাতে হীরে মেলে তা জানতেন চিড়িয়াখানার মালিক। হিসাব মিলে গেল। তিনি বুঝতে পারলেন টিকুটিকুর কাছে যে পাথরটা আছে তার দাম লক্ষ লক্ষ পাউন্ড হবে। কারণ, অত বড় হীরে মেলে না।

    পরদিনই তল্লাশি করা হল টিকুটিকুকে, তার থাকার জায়গাতেও তল্লাশি নেওয়া হল, কিন্তু হীরে মিলল না। হীরের সন্ধান দেওয়া তো দূরে থাক, ব্যাপারটা সে স্বীকারই করল না। সে বলল, ‘এমন কিছু জিনিস তার কাছে কোনোদিন ছিল না। কাজেই গারদে পোরা হল তাকে। বেশ ক’দিন অমানুষিক অত্যাচারের ফলে মারা গেল টিকুটিকু। আমাকে দিয়ে তার কবরের গর্ত খুঁড়ে দেহটা পুঁতে ফেলা হল।’ কথা শেষ করে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন বৃদ্ধ।

    দীপাঞ্জন বলে উঠল, ‘তবে কি টিকুটিকু তার দেহের ভিতরেই হীরেটা লুকিয়ে ফেলেছিল। তার সঙ্গে কবরে গেছে হীরেটা? সে জন্যেই তার কবরের খোঁজ করছিল। কিন্তু সেই বা জানল কীভাবে ব্যাপারটা?’

    এবার সবাইকে চমকে দিয়ে মিস্টার কোম্বাটু বলে উঠলেন, ‘টিম্বাকু আর আমি ব্যাপারটা জানি। তবে আমি কোনোদিন ওই কবর খুঁড়ে মৃত মানুষকে অসম্মানিত করতে চাইনি। অনেকদিন আগে টিম্বাকু আমাকে প্রস্তাবটা দিয়েছিল। আমি তা সঙ্গে-সঙ্গে নাকচ করে দিই।’ কথাটা শুনে জুয়ান বিস্মিত ভাবে বলে উঠলেন, ‘কিন্তু এ ব্যাপারটা আপনারা জানলেন কী ভাবে?’

    দীপাঞ্জনদের আরও চমকে দিয়ে কোম্বাটু বললেন, ‘আমরা জানলাম কারণ ওই টিকুটিকু আমার ঠাকুর্দা ছিলেন। বাবা ঠাকুমার মুখে ওই হীরের কথা শুনেছিলাম এবং মৃত্যুর আগে কথাটা আমাদের বলেছিলেন। ঠাকুমা বাবাকে বলেছিলেন যে, আমার ঠাকুর্দার এক অদ্ভুত কৌশল জানা ছিল। তিনি ছোট ছোট জিনিস গিলে ফেলে আবার সেটা উগরে বার করতে পারতেন। ওই হীরেটা ও ভাবেই তিনি পেটে লুকিয়ে রাখতেন। যে কারণে গার্ডরা হীরেটা পায়নি। আমাদের ধারণা টিকুটিকুর দেহের সঙ্গে কবরে চলে গেছে ওই অমূল্য হীরেটা। তাই কবরটা খুঁজছিল টিম্বাকু।

    দীপাঞ্জন বলে উঠল, ‘তাহলে সেই হীরেটা সত্যিই এখনও কবরের মধ্যে আছে?’

    বৃদ্ধ স্যামসন এবার বললেন, টিকুটিকু তার দেহের ভিতর হিরেটা লুকিয়ে রাখত এটা হয়তো সত্যি। কিন্তু কবরের ভিতর হীরেটা নেই। টিম্বাকুকে কবরের খোঁজ দিলে সঙ্গে-সঙ্গে আমাকে মেরে ফেলত। আর যাদের কাছে হীরেটা আছে তাদের কথা বললে তাদেরকে কোনো কৌশলে মারত। অনেক কষ্টে তাদের বাঁচিয়ে রেখেছি আমি। কাউকে জানতে দেইনি তাদের কথা।’

    জুয়ান প্রশ্ন করলেন, ‘তবে কাদের কাছে আছে হীরেটা? টিকুটিকুর পেটে হীরেটা ছিল না?’

    বৃদ্ধ স্যামসন ধীরে-ধীরে বললেন, ‘ব্যাপারটা নিশ্চিতভাবে না-জানা থাকলেও শ্বেতাঙ্গ মালিক একটা সন্দেহ করেছিলেন যে টিকুটিকু হীরেটা গিলে থাকতে পারে। তাই মৃত্যুর পর তার গলা-পেট চিরে দেখা হয়, কিন্তু হীরে পাওয়া যায়নি। আসলে একটা ছোট ব্যাপার ঘটেছিল সবার অলক্ষ্যে। একদিন গরাদ ঘরে বাইরে থেকে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সে তখন গরাদের ফাঁক দিয়ে পাথরটা আমার হাতে দিয়ে বলল, ‘এ পাথরটা আমি তোমাকে বিশ্বাস করে দিলাম। আমি এটা কোনোভাবেই ওই সাদা চামড়াদের হাতে দেব না। আমার দিন ঘনিয়ে এসেছে।’

    আমি জানতে চাইলাম, ‘এ পাথরটা নিয়ে আমি কী করব?’

    টিকুটিকু বলল, ‘এখানে এই চিড়িয়াখানার বাইরে তো তুমি যেতে পারবে না। তবে এখানে আমার দুই পরিজন আছে। বেঙ্গো আর টেঙ্গো। আমার দেশের নদী থেকেই ওদের ধরা হয়। তারপর আমাদেরই মতো একই সঙ্গে জাহাজে চাপিয়ে এখানে এনে পরিখার জলে ছাড়া হয়। ওরাও আমাদের কালো মানুষের দেশের কালো কুমির। ওরাও বন্দি। ওদেরকেই তুমি পাথরটা দিয়ে দাও।’

    টিকুটিকুর নির্দেশ পালন করলাম আমি। কুমিরের খাবার দেবার কাজটাও আমি করতাম। মাংসের খণ্ডের মধ্যে পাথরটা পুরে ওপর থেকে ছুড়ে দিলাম সেটা। ওদের দুজনের একজন গপ্ করে গিলে নিল সেটা।’ কথা শেষ করলেন স্যামসন। বেশ কিছুক্ষণের নীরবতা। স্যামসন উঠে দাঁড়িয়ে এরপর বললেন, ‘আমি এবার যাই। রেড ইন্ডিয়ানদের দেখে এমন একটা ঈগল পাখির পালক মাথায় গোঁজার শখ হয়েছিল টিকুটিকুর। আমাকে একবার সে বলেও ছিল সে কথা। আজ যদি তার সঙ্গে দেখা হয় তবে তাকে পালকটা দেব। এমন ঘন কুয়াশামাখা চাঁদনি রাতেই তো সে আসে…। এই বলে তিনি এগোলেন দরজার দিকে। তার পায়ে পায়ে এগোল দীপাঞ্জন আর জুয়ান। স্যামসন দরজা ছেড়ে বাইরে যাবার মুখে দীপাঞ্জন তাঁকে প্রশ্ন করল, ‘আপনি কোথায় দেখা পাবেন টিকুটিকুর?’

    মুহূর্তের জন্য থামলেন বৃদ্ধ। তারপর বললেন, ‘এমন রাতেই আমি তাকে দেখতে পাই পরিখার প্রাচীরের থেকে নিচে তাকালে। নিচে পরিখার গায়ের জমিটাতে এসে বসে। তার ডাকে সাড়া দিয়ে টেঙ্গো আর বেঙ্গো পরিখা থেকে জমিতে উঠে আসে। কুমির দুটোর মাথায় হাত বোলায় টিকুটিকু। তারাই যে তার দেশের মানুষ, একমাত্র আপনজন। তাদের কাছেই যে গচ্ছিত আছে তার পাথরটা। কুমিরদুটোর মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে মাঝে-মাঝে সে আমার দিকে তাকিয়ে হাসে। আমি স্পষ্ট দেখতে পাই তাকে।’

    দীপাঞ্জন আর জুয়ান এ প্রসঙ্গে আর কোনো কথা বলল না। ঘর ছাড়লেন বৃদ্ধ স্যামসন ঈগলের পালকটা নিয়ে তিনি ধীরে-ধীরে কুয়াশার মধ্যে হারিয়ে গেলেন পরিখার দিকে…চাঁদনি রাতে কোনো অপার্থিব দৃশ্যর খোঁজে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)
    Next Article তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026
    Our Picks

    তবু অনন্ত জাগে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 25, 2026

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ৩ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    July 25, 2026

    বর্ষায় – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় (গল্পগ্রন্থ)

    July 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }