Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. যৌথ পরিবার ও বিবাহ

    অধ্যায় : ১৩ [৪৫৮–৪৬৬]

    যৌথ পরিবার ও বিবাহ

    রাষ্ট্রের ঐক্যের জন্য এবং শাসক এবং সৈন্যবাহিনী অর্থাৎ অভিভাবক যেন নিঃস্বার্থভাবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করতে পারে সে-কারণে অভিভাবকদের ব্যক্তিগত পরিবার এবং সম্পত্তি থাকতে পারবে না। তাই ব্যক্তিগত পরিবারকে বিলুপ্ত করা হয়েছে।

    কিন্তু স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন ওঠে : পরিবার বিলুপ্ত হলে মানুষ কি দেবতা হয়ে যায়? মেয়ে এবং পুরুষ একই জীবনযাপন করবে। যৌথভাবে বসবাস করবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, যৌথ জীবনযাপনে তাদের দেহের চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে। সমস্যাটি সম্পর্কে সক্রেটিস সচেতন। বলা চলে তিনি সতর্ক। কারণ পরিবার বিলোপের সঙ্গে সঙ্গে এবং যৌথ জীবনযাপনের প্রস্তাবের অনুসিদ্ধান্ত হিসাবে এরূপ ধারণা করা সম্ভব যে, মেয়ে-পুরুষের দৈহিক চাহিদার ক্ষেত্রে এবার শৃঙ্খলাহীন স্বেচ্ছাচারিতাই প্রধান হয়ে উঠবে। সমস্যাটি সক্রেটিস পুরোপুরিই আলোচনা করেছেন এবং গোড়া থেকে শুরু করেছেন : “মেয়ে এবং পুরুষ সকলে সম্মিলিতভাবে বাস করবে; সম্মিলিতভাবে তারা প্রতিপালিত হবে, সম্মিলিতভাবে তারা শরীরচর্চায় অংশগ্রহণ করবে। মেয়ে এবং পুরুষেরা এই সম্মিলিত জীবনের মধ্যেই তাদের প্রাকৃতিক প্রয়োজনে একের সঙ্গে অপরে দৈহিকভাবে মিলিত হবে।” সে মিলন নিয়ম কিংবা নীতিহীন মিলন নয়। এর পরে আমরা এই যৌথজীবনে মেয়ে-পুরুষের মিলন তথা বিবাহের সুবিস্তারিত নিয়ম ও নিয়ন্ত্রণের বিবরণ পাই। সক্রেটিস এ-ব্যাপারে দ্ব্যর্থহীন : ‘তোমার কথা যথার্থ গ্লকন। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে যেমন, এক্ষেত্রেও তেমনি শৃঙ্খলার আবশ্যকতা আছে। এ-প্রয়োজনও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে পুরণ করতে হবে। কারণ উত্তমের যে-রাষ্ট্র সেখানে নিয়ন্ত্রণহীন মিলন পাপ বলেই পরিগণিত হবে এবং শাসকগণ তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে।” এই নিয়ন্ত্রণপ্রণালী অর্থাৎ বছরে মিলনের জন্য নির্দিষ্ট যৌথ বিবাহ উৎসবের ব্যবস্থা লটারির মাধ্যমে মিলনের জোড় নির্ধারণ; বিবাহ উৎসবের পরে সপ্তম কিংবা দশম মাসে জাত সকল সন্তান যৌথভাবে সকল পিতা-মাতার সন্তান; সকল সন্তান পরস্পরের ভাই এবং ভগ্নী, মেয়েরা বিশ থেকে চল্লিশ এবং পুরুষেরা পঁচিশ থেকে পঞ্চান্ন বছরের মধ্যেই মাত্র সন্তান উৎপাদন করবে; তার পূর্বে কিংবা পরে নয়; রাষ্ট্রের বিনা অনুমতিতে কোনো মিলন ঘটতে পারবে না; অননুমোদিত মিলনজাত সন্তানের বাঁচার কোনো অধিকার থাকবে না, তাকে ভ্রুণাবস্থায় কিংবা শিশু অবস্থায় বিনষ্ট করতে হবে—ইত্যাদি প্রস্তাব আমাদের কাছে অদ্ভুত এবং অবাস্তব বলে বোধ হতে পারে। কিন্তু প্লেটো বিষয়টি যেমন বিশেষ গুরুত্ব সহকারে উপস্থিত করতে সক্ষম হয়েছেন তেমনি এ-সকল প্রস্তাব যে রাষ্ট্রের ঐক্য এবং শক্তির জন্য অপরিহার্য একথাও যুক্তির যথেষ্ট জোরের সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন—তা আমাদের স্বীকার করতে হয়।

    এই আলোচনার শেষে সক্রেটিস যুদ্ধপরিচালনার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। যুদ্ধ অবাঞ্ছিত বটে, কিন্তু মানুষের স্বভাব যদি সর্ব রাষ্ট্রে পরিবর্তিত না হয়, অর্থাৎ আদর্শ রাষ্ট্র যদি সর্বত্র বাস্তবায়িত না হয় (আদর্শ রাষ্ট্র যে বাস্তব হতে পারে না সে-তত্ত্বের আভাস বাস্তব রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে যুদ্ধ এবং যুদ্ধপরিচালনার কৌশলের আলোচনার মধ্যেই ধরা পড়ে) তা হলে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে যুদ্ধ যে একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি তা আমাদের স্বীকার করতে হয়। যে-আদর্শ রাষ্ট্র সক্রেটিস রচনা করেছেন সেটিও তো যুদ্ধকামী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত হতে পারে। তাই আদর্শ রাষ্ট্রের রচনায় সৈন্যবাহিনী তৈরি করার যেমন প্রয়োজন পড়েছে, তাদের যুদ্ধ পরিচালনার বিষয়টির আলোচনারও তাই আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে সক্রেটিসের প্রস্তাব যে, গ্রীসের কোনো নগরী অর্থাৎ রাষ্ট্র অপর কোনো গ্রীসীয় রাষ্ট্রকে দাসে পরিণত করতে পারবে না—কারণ তা হলে গ্রীসের সকল রাষ্ট্র পরিণামে বর্বর জাতির (অর্থাৎ পারস্যের) দাস হয়ে যাবে, কিন্তু বর্বরদের দাসে পরিণত করা যাবে প্রভৃতি অভিমতে সংকটগ্রস্ত গ্রীক নগররাষ্ট্রসমূহকে বৈদেশিক শত্রুর বিরুদ্ধে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ করার আগ্রহ যে প্লেটো পোষণ করতেন তার আভাস প্রকাশিত হয়েছে—একথা বলা যায়।

    .

    আমি বললাম : ঠিক আছে। ভাগ্যের হাতে নিজেকে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আমার গত্যন্তর নেই। তবু তোমাদের নিকট অনুরোধ, আমার একটি আবেদন তোমরা মঞ্জুর করো : আমি স্বপ্নের ভূরিভোজে আমার মনকে তৃপ্ত করতে চাই। দিবাস্বাপ্নিকেরা যেরূপ পদচারণা করতে করতে স্বপ্ন দেখে, আমি তেমনি দিবাস্বাপ্নিক হতে চাই। এই স্বাপ্নিকেরা তাদের স্বপ্নের সম্ভাব্যতা নিয়ে উদ্বেগ বোধ করে না। কী উপায়ে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে, সে-চিন্তা তাদের নয়। স্বাপ্নিকেরা মনে করে তাদের ইচ্ছামতোই বাস্তব পরিবর্তিত হবে। আর এই ধারণা নিয়ে তারা তাদের পরিকল্পনা আরও বিস্তারিত করতে শুরু করে, যেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এভাবে স্বাপ্নিক তারা মনের আলস্যকে কল্পনার যোগান দিয়ে উৎসাহিত করে তোলে। কিন্তু এখন তো আমি হতোদ্যম হয়ে পড়ছি। তোমরা অনুমতি দিলে আমি বরঞ্চ সম্ভাব্যতার প্রশ্নটিকে আপাতত স্থগিত রেখে দেব। কাজেই আমাদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত করা সম্ভব—একথা ধরে নিয়ে আমি স্থির করব এই প্রস্তাব কার্যকর করার জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক এবং আমি দেখাব সেই ব্যবস্থানুযায়ী প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে আমাদের রাষ্ট্র এবং তার অভিভাবক তথা শাসকদের জন্য কেমন করে এ-প্রস্তাব সর্বাধিক উপকার সাধন করে। কাজেই তোমাদের আপত্তি না থাকলে প্রথমত আমি প্রস্তাবের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করতে চাই। প্রস্তাবটির কার্যকারিতার প্রশ্নটি পরে বিবেচনা করা যাবে।

    গ্লকন বললেন : আমার কোনো আপত্তি নেই। তুমি অগ্রসর হও, সক্রেটিস।

    প্রথমত আমি মনে করি আমাদের শাসক এবং তাদের সৈন্যবাহিনী যদি তাদের নামের মর্যাদা রক্ষা করতে চায় তা হলে তাদের একের মধ্যে যেমন আদেশ পালনের প্রবণতা থাকতে হবে, অপরের চরিত্রে তেমনি আদেশ দানের ক্ষমতা থাকতে হবে। শাসকরা আদেশ দানের সময়ে আমাদের বিধানকে যেমন মেনে চলবে তেমনি যে-ক্ষেত্রে বিধানের পরিবর্তে তাদের বিবেচনার উপর নির্ভর করতে হবে সেখানেও আমাদের বিধানের অন্তর্নিহিত ভাবকেই তারা অনুসরণ করবে।

    গ্লকন বললেন : একথা ঠিক।

    আমি বললাম : গ্লকন, বিধান প্রণয়নকারী হিসাবে আমাদের কাজ হচ্ছে আমাদের নির্বাচিত পুরুষ-শাসকদের জন্য মেয়েদের নির্বাচিত করে তাদের সঙ্গিনী করে দেওয়া। এ-নির্বাচনে লক্ষ রাখতে হবে যেন উভয়ের চরিত্র যথাসম্ভব সদৃশ হয়। তারা উভয়ে যৌথ বাসগৃহে বাস করবে, যৌথ আহারস্থানে তারা আহার গ্রহণ করবে। মেয়ে কিংবা পুরুষ কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বা পরিবার বলতে কিছু থাকবে না। তারা সকলে সম্মিলিতভাবে বাস করবে; সম্মিলিতভাবে তারা প্রতিপালিত হবে; সম্মিলিতভাবে তারা শরীরচর্চায় অংশগ্রহণ করবে। মেয়ে এবং পুরুষের এই সম্মিলিত জীবনের মধ্যেই প্রাকৃতিক প্রয়োজনে একের সঙ্গে অপরের দৈহিক সম্পর্কে তারা মিলিত হবে। ‘প্রাকৃতিক প্রয়োজন’ কথাটি কি আমি বেশি বললাম, গ্লকন?

    গ্লকন বললেন : প্রয়োজনই বটে। তবে এ-প্রয়োজন জ্যামিতিক বা আঙ্কিক প্রয়োজন নয়। এ এক ভিন্ন ধরনের প্রয়োজন যার পরিচয় প্রেমিকরাই জ্ঞাত। কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য এ-প্রয়োজনের অনিবার্যতা অপর যে-কোনো যুক্তির চেয়ে অধিক শক্তিশালী, সক্রেটিস।

    তোমার কথা যথার্থ, গ্লকন। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে যেমন এক্ষেত্রেও তেমনি শৃঙ্খলার আবশ্যকতা আছে। এ-প্রয়োজনও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে পূরণ করতে হবে। কারণ উত্তমের যে-রাষ্ট্র সেখানে নিয়ন্ত্রণহীন মিলন পাপ বলেই পরিগণিত হবে এবং শাসকগণ তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে।

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, আমাদের রাষ্ট্রে বল্গাহীন কাম নিষিদ্ধ হওয়াই সঙ্গত।

    তা হলে আমাদের পরবর্তী প্রয়োজন হচ্ছে বিবাহকে আমাদের রাষ্ট্রে যতদূর সম্ভব পবিত্র ব্যবস্থায় পরিণত করা। কেননা পবিত্র বিবাহের মাধ্যমেই আমরা সর্বোত্তম ফল লাভ করতে পারি। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ, অবশ্যই।

    তা হলে প্রশ্ন হচ্ছে : কী উপায়ে আমরা বিবাহকে সর্বোত্তম মঙ্গলপ্রসূ করে তুলতে পারি। প্রশ্নটা আমি তোমাকেই করছি, গ্লকন। তুমি এর জবাব দিতে পার। কেননা তোমার বাড়িতে তুমি শিকারের জন্য কুকুর পোষ। শিকারি পাখির সংখ্যাও তোমার গৃহে কম নয়। আমার অনুরোধ তুমি আমাদের বলো, এদের যৌনমিলন এবং শাবক প্রজননকে তুমি কি কখনো খেয়াল করে দেখছ?

    এ ক্ষেত্রে কোন্ বিষয়ে খেয়ালের কথা বলছ, সক্রেটিস?

    আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এগুলো সবই ভালো বটে। তবু এদের মধ্যে কোনোটিকে কি তুমি অপরটির চেয়ে অধিক সুন্দর বলে মনে কর না?

    অবশ্যই তা করি।

    কিন্তু প্রজননের ক্ষেত্রে তুমি কি এদের যেমন খুশি তেমন মিলিত হতে এবং শাবক প্রসব করতে দাও, কিংবা তুমি খেয়াল রাখ যাতে সবচেয়ে ভালো যেগুলি সেগুলি থেকে তুমি নূতন শাবক পেতে পার?

    সবচেয়ে ভালোগুলি থেকেই আমি শাবক উঠাই।

    এবং এজন্য তুমি কি এদের মধ্যে যেগুলোর বয়স বেশি সেগুলোকে মিলিত কর, কিংবা সবচেয়ে অল্প বয়স যাদের তাদের; অথবা বয়সে যারা পরিপক্কতা লাভ করেছে তাদের মিলিত কর?

    বয়সে যারা পরিপক্ক আমি তাদেরই এজন্য বাছাই করি।

    এদের শাবক-প্রজননে এই সতর্কতা যদি তুমি না রাখতে তা হলে তোমার কুকুর এবং পাখিদের বংশের ধারা নিশ্চয়ই ক্রমান্বয়ে নিকৃষ্ট হতে থাকত, নয় কি?

    অবশ্যই সক্রেটিস।

    একথা অশ্ব এবং অপরাপর পশুদের সম্পর্কেও সাধারণভাবে সত্য?

    নিঃসন্দেহে সত্য।

    প্রিয় গ্লকন, এ-নীতি যদি মানুষের ক্ষেত্রেও সত্য হয় তা হলে তা কার্যকর করতে আমাদের শাসকদের অবশ্যই অধিকতর সতর্কতা এবং দক্ষতার আবশ্যক হবে। নয় কি?

    গ্লকন বললেন : মানুষের ক্ষেত্রেও একই নীতি সত্য, সক্রেটিস। কিন্তু এ জন্য বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন কিসে?

    কারণ, যে-ঔষধের কথা আমি পূর্বে বলেছি আমাদের শাসকদের প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রের উপর সেই ঔষধ যথেষ্ট পরিমাণে প্রয়োগ করা।* যে-রোগীর ঔষধ অনাবশ্যক, কেবল পথ্যের প্রয়োজন, তার জন্য তেমন দক্ষ চিকিৎসকের আবশ্যকতা নেই। যে-কোনো সাধারণ চিকিৎসকই তার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ঔষধ যখন প্রয়োগ করতে হয় তখন চিকিৎসকেরই প্রয়োজন। ঠিক নয় কি?

    [* ৩ : ৩৮৯ দ্রষ্টব্য : মিথ্যা বলার অধিকার কেবল শাসকের]

    একথা আবশ্যই ঠিক। কিন্তু তুমি কিসের প্রতি ইঙ্গিত করছ?

    গ্লকন, আমি বলতে চাচ্ছি, শাসিতের মঙ্গলের জন্য আমাদের শাসকদের বেশ পরিমাণ মিথ্যা এবং প্রতারণার আশ্রয় নিতে হবে। আমরা বলেছি, এগুলিকে ঔষধ হিসাবে গণ্য করলে এরা আমাদের উপকার সাধন করতে পারে।

    আমাদের সে কথা বলা ঠিক ছিল, সক্রেটিস।

    আমি তাই বলছি, আমাদের রাষ্ট্রে বিবাহ এবং সন্তান জন্মদান নিয়ন্ত্রণের জন্য মিথ্যা এবং প্রতারণারূপ ঔষধ প্রয়োগের বেশ প্রয়োজন হবে।

    কেমন করে?

    আমি বললাম : এক্ষেত্রের নীতি আমরা ইতিপূর্বেই নির্দিষ্ট করেছি। আমরা যদি আমাদের শাসকদের বংশধারাকে সর্বোত্তম পর্যায়ে রাখতে চাই তা হলে আমাদের নীতি হবে, মেয়ে এবং পুরুষদের মধ্যে সর্বোত্তমের সঙ্গে সর্বোত্তমের যত অধিকবার সম্ভব মিলন ঘটানো এবং নিকৃষ্টের সঙ্গে নিকৃষ্টের মিলন যত কম হয় তার ব্যবস্থা করা। রাষ্ট্র সর্বোত্তমের মিলনজাত সন্তানকেই পালন করবে, নিকৃষ্টের মিলনজাত সন্তানকে নয়। কিন্তু এই নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা অবশ্যই গোপনে সম্পাদিত হতে হবে। কেবল শাসকরাই মাত্র এই সম্পর্কে জ্ঞাত থাকবে। অন্যথায় শাসককুলের বিপদ বৃদ্ধি পাবে। বিদ্রোহ দেখা দেবে। ঠিক নয় কি?

    খুবই ঠিক, সক্রোটিস।

    আমরা বরঞ্চ এজন্য কিছুসংখ্যক উৎসব নির্দিষ্ট করে দেব। উৎসবে বর এবং কনেদের আগমন হবে। দেবতার উদ্দেশে বলি উৎসর্গিত হবে। আমাদের কবিরা উৎসবের জন্য উপযুক্ত বিবাহসঙ্গীত রচনা করবেন। শাসকরা বিবাহের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেবেন। আর এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য হবে নগরীর লোকসংখ্যার গড় যাতে রক্ষিত হয়। এজন্য লোকসংখ্যার উপর যুদ্ধ, রোগ এবং অনুরূপ অন্যান্য আপদের প্রভাবের কথা তাদের বিবেচনা করতে হবে। মোটকথা, রাষ্ট্রের লোকসংখ্যা অত্যধিক বেশি কিংবা অত্যধিক কমে পরিণত হয়ে না যায় তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    গ্লকন বললেন : অবশ্যই।

    মিলনের ব্যাপারে যারা নিকৃষ্ট ধরনের তাদের জন্য আমাদের অভিনব কোনো লটারি ব্যবস্থার আয়োজন করতে হবে। এতে যার ভাগ্যে যে সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী জুটবে তার সঙ্গে সে মিলিত হবে। অসন্তুষ্টির কোনো কারণ ঘটলে এ-ব্যবস্থায় তারা নিজ ভাগ্যকেই দায়ী করবে, শাসকদের নয়।

    নিশ্চয়ই।

    তবে আমাদের যুবকদের মধ্যে যারা অপরের চেয়ে সাহসী এবং উত্তম তাদের সাহসিকতার জন্য পুরস্কার এবং সম্মানদান ব্যতীত নির্দিষ্ট সঙ্গিনীদের সঙ্গে মিলনের অধিকতর সুযোগ তাদের দেওয়া যেতে পারে। এ ব্যবস্থার লক্ষ্য হবে যাতে এরূপ সাহসিক পিতা যত অধিকসংখ্যক সম্ভব পুত্রের জন্মদান করতে পারে।

    হ্যাঁ, এটিও উত্তম ব্যবস্থা।

    আর এই মিলনজাত সন্তানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে এজন্য নিযুক্ত কর্মচারীবৃন্দ। এরূপ কর্মচারী হিসাবে মেয়ে এবং পুরুষ উভয়কে নিযুক্ত করা যাবে। কারণ আমরা বলেছি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে উভয়েরই সমান অধিকার।

    অবশ্যই।

    এই কর্মচারীগণ উত্তম অভিভাবক বা শাসকদের সন্তানদের নগরীর ভিন্ন অংশে বাসকারী নির্দিষ্ট ধাত্রীদের হস্তে প্রতিপালনের জন্য অর্পণ করবে। অভিভাবক বা শাককদের নিকৃষ্ট এবং বিকলাঙ্গ সন্তানদের নিঃশব্দে অপসারিত করার ব্যবস্থা করা হবে।*

    [* এখানে অবাঞ্ছিত ও নিকৃষ্ট শিশুদের বিনষ্ট করার প্রস্তাবের আভাস পাওয়া যায়।]

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, শাসকদের বংশধারা বিশুদ্ধ রাখতে হলে এ-কাজটি অবশ্যই করতে হবে।

    ধাত্রীগণ শিশুদের প্রতিপালন করবে। শিশুদের জননীদের স্তন্য যখন দুগ্ধপূর্ণ হবে তখন তারা শিশু-আগারে সমবেত হয়ে শিশুদের স্তন্যদান করবে। কিন্তু এ-সময়ে সর্বাধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে যেন কোনো জননী তার নিজের সন্তানকে চিহ্নিত করতে না পারে। শিশুদের স্তন্যদানের জন্য জননীদের সংখ্যা যথেষ্ট না হলে স্তনদায়িনী অধিকসংখ্যক ধাত্রী নিযুক্ত করা যাবে। দৃষ্টি রাখা হবে যেন সন্তানদের জননীগণ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ধরে শিশুদের স্তন্যদান করতে না পারে। এই ব্যবস্থার একটা সুবিধা এই যে শিশুদের জন্য রাত্রিজাগরণ কিংবা অপর কোনো কষ্ট জননীদের ভোগ করতে হবে না। এ-সমস্ত কাজ ধাত্রী এবং অন্যান্য পরিচালকের উপর ন্যস্ত হবে।

    গ্লকন বললেন : সক্রেটিস, তোমার এ-ব্যবস্থায় শাসকদের স্ত্রীদের জন্য সন্তানধারণ তা হলে বেশ সহজ ব্যাপারই হয়ে দাঁড়াবে।

    আমি বললাম : হ্যাঁ, তাই তো হওয়া সঙ্গত গ্লকন। সে যাহোক; আমরা বলছিলাম, জন্মদান পিতামাতার পরিপূর্ণ বয়সে হতে হবে।

    অবশ্যই।

    কিন্তু পরিপূর্ণ বয়স আমরা কোনটাকে বলব? পরিপূর্ণ বয়সের সংজ্ঞা হিসাবে আমরা কি বলব যে, মেয়েদের ক্ষেত্রে বিশ এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ত্রিশই হবে তাদের যৌবনের পরিপক্ক বয়স?

    সক্রেটিস, কোন্ বয়সকে তুমি নির্দিষ্ট করতে চাও?

    আমি বললাম : মেয়েদের ক্ষেত্রে মেয়েরা বিশ বৎসর বয়সে রাষ্ট্রের জন্য সন্তানধারণ করতে শুরু করবে এবং চল্লিশ বৎসর পর্যন্ত সন্তানধারণ করবে। পুরুষদের বেলা পঁচিশ বৎসর যখন তার জীবনের দ্রুততম স্পন্দনের মুহূর্ত অতিক্রান্ত হয়েছে তখন থেকে পঞ্চান্ন বৎসর পর্যন্ত পুরুষ, সন্তানের জন্মদান করতে পারবে।

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ এই সময়টাই পুরুষ এবং নারী—উভয়ের জীবনের দৈহিক এবং মানসিক শক্তির সর্বোৎকৃষ্ট সময়।

    আমাদের নির্দিষ্ট এই বয়ঃসীমার পূর্বে কিংবা পরে কেউ যদি রাষ্ট্রের বিবাহ উৎসবে যোগদান করে তা হলে তাকে অপবিত্র এবং অন্যায় কার্যসাধনের দায়ে দায়ী করা হবে। এরূপ নিষিদ্ধ মিলনের সন্তানকে অপবিত্র বলে গণ্য করা হবে। অনুমোদিত মিলনের ক্ষেত্রে যেখানে পুরোহিতগণ বলি উৎসর্গ করবে, সমগ্র নগরী যেখানে এই মিলনজাত সন্তান যেন তাদের জনক-জননীর চেয়ে উত্তম হয় তার জন্য প্রার্থনা করবে, সেখানে নিষিদ্ধ মিলনের সন্তানকে তারা অন্ধকার এবং লালসার সন্তান বলে গণ্য করবে।

    খুবই ঠিক কথা।

    এবং এই নির্ধারিত বয়সের মধ্যেও শাসকদের অনুমোদন ব্যতীত কোনো পুরুষ যদি কোনো নারীর সঙ্গে মিলিত হয় তা হলে তার ওপরও এই বিধান প্রয়োগ করা হবে। তার বিরুদ্ধেও আমাদের অভিযোগ হবে, সে রাষ্ট্রের জন্য অবৈধ, অননুমোদিত এবং অপবিত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছে।

    তোমার এ কথাও সত্য, সক্রেটিস।

    আমাদের নির্ধারিত বয়স সীমার মধ্যে নরনারীর মিলনের এই হবে আমাদের বিধান। এই বয়স সীমা অতিক্রান্ত হলে মিলনের ব্যাপারে আমরা কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করব না। তারা ইচ্ছামতো পরস্পর মিলিত হতে পারবে। কেবল শর্ত হবে, কোনো পুরুষ তার কন্যা কিংবা তার কন্যার কন্যা কিংবা তার জননী বা তার জননীর জননীর সঙ্গে মিলিত হতে পারবে না। মেয়েদের ক্ষেত্রে মেয়েরাও তাদের পুত্র কিংবা পুত্রের পুত্র বা পিতার পিতার সঙ্গে মিলিত হতে পারবে না। এই অনুমতির সঙ্গে আর-একটি শর্ত হচ্ছে এরূপ মিলনে কোনো সন্তান উৎপাদিত হতে পারবে না। এমন মিলনে কোনো ভ্রূণের সৃষ্টি হলে তাকে জন্মের পূর্বে অবশ্যই বিনষ্ট করতে হবে। এই নিষেধ সত্ত্বেও যদি কোনো অবৈধ সন্তান জন্মগ্রহণ করে তবে এমন সন্তানকে যে, রাষ্ট্র প্রতিপালন করবে না, এ-সত্য পিতামাতার উপলব্ধি করতে হবে। এবং এ-সন্তান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তাদের গ্রহণ করতে হবে।

    তোমার এ প্রস্তাবও যুক্তিসঙ্গত, সক্রেটিস। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এদের কারোর পক্ষে পিতা, মাতা, কন্যা প্রভৃতিকে চিনতে পারা কেমন করে সম্ভব হবে?*

    [* এখানে প্লেটো অননুমোদিত ভ্রূণের গর্ভপাত এবং অননুমোদিত শিশুর জীবননাশের প্রস্তাব করছেন।—লী’র ইংরেজি অনুবাদ. পূঃ ২১৭।]

    না, এদেরকে চেনা সম্ভব হবে না। ব্যাপারটি এরূপ হবে : নির্দিষ্ট বিবাহউৎসবে মিলনের পরে সপ্তম এবং দশম মাস অতিক্রমে যে-সকল পুত্রসন্তান জন্মলাভ করবে তাদের সকলকেই উক্ত বিবাহ উৎসবে বর হিসাবে আগত পুরুষ, পুত্র বলে সম্বোধন করবে এবং যে-সকল কন্যাসন্তান জন্মলাভ করবে তাদের সকলকে সে কন্যা বলে সম্বোধন করবে। এই সময়ে জাত সকল সন্তানও এদের পিতা বলে সম্বোধন করবে। এই সন্তানদের সন্তানকে সে পৌত্র বলে সম্বোধন করবে এবং এই সন্তানরাও বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধাদের পিতামহ এবং পিতামহী বলে সম্বোধন করবে। আবার এই সময়ে তাদের পিতা-মাতার মিলন থেকে যত সন্তান জাত হবে তারা সকলে পরস্পরকে ভাই এবং বোন বলে সম্বোধন করবে। এরূপ হলে মিলনের যে-নিষেধ আমরা প্রণয়ন করেছি তা পালন করা সম্ভব হবে। অবশ্য ভাই এবং বোনের মিলনকে একেবারে নিষিদ্ধ করে কোনো বিধান থাকবে না। অনুষ্ঠানে ভাগ্যের খেলায় তারা জোটবদ্ধ হলে এবং ডেলফীর দেবীর অনুমোদন থাকলে তাদের মিলন সিদ্ধ হবে।

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, এ-ব্যবস্থাকে আমরা গ্রহণ করতে পারি।

    আমি বললাম : গ্লকন, এই হচ্ছে আমাদের পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার ভিত্তিতে আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবকগণ* যৌথভাবে তাদের সকল স্ত্রী এবং পরিবারের মালিক হবে। এবার আমরা দেখাব যে, পরিবারের উপর এই সমষ্টিগত স্বামিত্ব আমাদের রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং এ-ব্যবস্থার চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা আর কিছু হতে পারে না। তুমি কি এবার যুক্তির এ দিকটিই প্রত্যাশা কর না?

    [* শাসক এবং সৈন্যবাহিনী।]

    অবশ্যই, সক্রেটিস।

    কিন্তু কীভাবে আমরা অগ্রসর হব? এই সকল ব্যবস্থার মধ্যে ঐক্যসূত্রের জন্য প্রথমে কি আমরা বিধানের এবং রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্য কী সেই প্রশ্নটি তুলব? অর্থাৎ চরম উত্তম এবং চরম অধম কী? এই প্রশ্নের পরেই কি আমরা বিবেচনা করব, আমাদের বর্ণিত ব্যবস্থা—উত্তম কিংবা অধম, কিসের স্বাক্ষর বহন করে?

    হ্যাঁ, এরূপেই আমরা অগ্রসর হব।

    বেশ, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যেখানে ঐক্যের আধিপত্য থাকা আবশ্যক সেখানে দ্বন্দ্ব, বিক্ষিপ্ততা এবং বহুত্বের চেয়ে ক্ষতিকর কিছু কি হতে পারে? অন্য কথায় ঐক্যের চেয়ে উত্তম কী হতে পারে?

    না, ঐক্যের চেয়ে উত্তম কিছু হতে পারে না।

    কিন্তু ঐক্যের অবস্থান কোথায়? যেখানে আনন্দ এবং বেদনার সমভোগ—অর্থাৎ যেখানে সকল নাগরিক একই আনন্দ এবং বেদনাতে সমভাবে আনন্দিত এবং বেদনার্ত হয়, ঐক্যের অবস্থান তো সেখানে?

    নিঃসন্দেহে।

    হ্যাঁ, তা-ই ঠিক। কিন্তু যেখানে সমষ্টিগত কোনো বোধ নেই, কেবল ব্যক্তিগত বোধ আছে সেখানে রাষ্ট্র অসংগঠিত হয়ে যায়। একই ঘটনায় যে-নগরীর অর্ধাংশ আনন্দ-আহ্লাদে উৎফুল্ল এবং অপর অংশ বেদনায় নিমজ্জিত—সে-নগরীকে আমরা সংগঠিত বলতে পারিনে। ঠিক নয় কি?

    অবশ্যই, সক্রেটিস।

    এরূপ পার্থক্যের মূল হচ্ছে ‘আমার’ এবং ‘আমার নয়’, ‘তার’ এবং তোর নয়’ –এরূপ শব্দব্যবহারের ক্ষেত্রে অনৈক্য।

    ঠিক বলেছ।

    তা হলে আমরা কি সেই রাষ্ট্রকেই সর্বোত্তমরূপে সংগঠিত রাষ্ট্র বলব না যে রাষ্ট্রের সর্বাধিকসংখ্যক মানুষ একই দ্রব্য সম্পর্কে একইভাবে ‘আমার’ এবং ‘আমার নয়’ শব্দকে ব্যবহার করতে পারে?

    খুবই সত্য কথা।

    দেহের ক্ষেত্রে এ-বিষয়টি আমরা প্রত্যক্ষ করি। কারণ আমাদের শরীরের একটি অঙ্গুলি যদি আহত হয় তা হলে আত্মার শাসনে সংগঠিত দেহের সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গই একটি অঙ্গের আঘাতে সমভাবে আহত বোধ করে। আর এই বোধের প্রকাশ ঘটে যখন আমরা বলি, লোকটির আঙুলটি আহত হয়েছে। দেহের অপর যে-কোনো অঙ্গের বেদনা কিংবা আনন্দবোধ সম্পর্কে এই কথাই সত্য। নয় কি?

    গ্লকন বললেন : খুবই সত্য কথা, সক্রেটিস। আমি তোমার সঙ্গে একমত। আমিও মনে করি, একটি উত্তমরূপে সংগঠিত রাষ্ট্র আনন্দ ও বেদনাবোধের ক্ষেত্রে তোমার বর্ণিত দেহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে তুল্য।

    তা হলে আমাদের রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে কোনো একজন নাগরিকের যখন মঙ্গল কিংবা অমঙ্গলের কিছু ঘটবে তখন সমগ্র রাষ্ট্র তাকে তার মঙ্গল কিংবা অমঙ্গলের বিষয় বলে বিবেচনা করবে এবং তার সঙ্গে সমভাবে আনন্দ কিংবা বেদনা বোধ করবে। ঠিক নয় কি?

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্রে তেমনটিই ঘটবে।

    এবার তা হলে আমাদের রাষ্ট্রের সংগঠনে প্রত্যাবর্তন করতে হয়। সেখানে আমরা দেখব আমাদের বর্ণিত ব্যবস্থাপনা এই সকল মৌলিক নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কি না?

    উত্তম কথা, সক্রেটিস।

    যে-কোনো রাষ্ট্রের ন্যায় আমাদের রাষ্ট্রেও তো শাসক আছে এবং শাসিত আছে। নয় কি?

    অবশ্যই।

    এরা সকলেই তো সকলের নিকট নাগরিক?

    নিশ্চয়ই।

    কিন্তু অন্যান্য রাষ্ট্রে জনসাধারণ কি তাদের শাসককে অন্য নামে অভিহিত করে না?

    সাধারণত তারা শাসককে প্রভু বলে অভিহিত করে। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসককে শুধুমাত্র শাসকই বলা হয়।

    কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রে শাসককে নাগরিক বলা ব্যতীত অপর কী নামে অভিহিত করা চলে?

    আমাদের রাষ্ট্রে শাসকদের আমরা ত্রাণকর্তা এবং সাহায্যকারী বলে অভিহিত করব।

    এবং শাসকগণ শাসিতকে কী বলবে?

    শাসকগণ বলবে যে তারা তাদের রক্ষাকারী এবং পালকপিতা।

    কিন্তু অন্য রাষ্ট্রে শাসকগণ শাসিতকে কী বলে?

    তাদের দাস বলে।

    অন্য রাষ্ট্রে শাসকগণ পরস্পরকে কী বলে?

    তারা পরস্পরকে সহশাসক বলে।

    আমাদের রাষ্ট্রে শাসকগণ পরস্পরকে কী বলবে?

    সহ-অভিভাবক।

    গ্লকন, তুমি কি কোনো রাষ্ট্রের এমন দৃষ্টান্ত দিতে পার যেখানে শাসকগণ এক সহ-শাসককে বন্ধু বলছে কিন্তু অপর একজনকে তার বন্ধু বলতে অসম্মত হচ্ছে?

    হ্যাঁ, এরূপ তো প্রায়ই ঘটে।

    আসলে সে মিত্র বলে তাকে যার সঙ্গে তার স্বার্থের সম্পর্ক, এবং অ-মিত্র বলে তাকে যার সঙ্গে তার স্বার্থের সম্পর্ক নেই।

    খুবই সত্য কথা।

    কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রের কোনো শাসক কি তার সহশাসককে অ-মিত্র বলে ভাবতে পারে? কিংবা তাকে অ-মিত্র বলতে পারে?

    না, তা সে ভাবতে পারে না। কারণ অপর সকলকেই সে হয় ভাই কিংবা বোন, পিতা কিংবা মাতা, পুত্র কিংবা কন্যা অথবা যাদের সঙ্গে সে এই সম্পর্কে সম্পর্কিত তাদেরই সন্তান বা পিতামাতা বলে গণ্য করবে।

    আমি বললাম : চমৎকার বলেছ, গ্লকন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে : আমাদের শাকসকগণ কি নামে মাত্র একটি পরিবার হবে, না কার্যের মাধ্যমে তাদের এই নামের যথার্থতা তারা প্রমাণ করবে? যেমন ধরো ‘পিতা’ কথাটি। এই কথা বলতে কি বিধান অনুযায়ী পিতার প্রতি ভক্তি, বাধ্যতা এবং করণীয় কর্তব্য বোঝাবে না? এবং যে এগুলি ভঙ্গ করবে তাকে কি আমরা অপবিত্র এবং অন্যয়কারী বলে বিবেচনা করব না? আমরা কি মনে করব না যে, এরূপ লোক বিধাতা কিংবা মানুষ কারও নিকট থেকেই কোনো মঙ্গল লাভ করতে পারে না? আমাদের শিশুদের নিকট যাদেরকে পিতা এবং আত্মজন বলে পরিচিত করে দেওয়া হবে তাদের সম্বন্ধে এই সমস্ত সম্ভ্রমমূলক কথা কি আমরা সদা-সর্বদা উচ্চারণ করব না?

    হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। এরূপ কথাই শিশুদের নিকট উচ্চারণ করতে হবে; অপর কোনো কথা নয়। কারণ সত্যিকার অর্থে না বলে কেবল মৌখিকভাবে পারিবারিক সম্পর্কের কথা উচ্চারণ করার চেয়ে অদ্ভুত বিষয় আর কী হতে পারে?

    তা হলে আমাদের রাষ্ট্রে অপর যে-কোনো রাষ্ট্রের চেয়ে কথা এবং কাজের সঙ্গতি এবং ঐক্য অধিক দৃষ্ট হবে। এবং পূর্বে আমি যেরূপ বলেছিলাম সেরূপে কেউ যখন সুস্থ কিংবা অসুস্থ হয়ে পড়বে তখন অপর সকলে তার সেই সুস্থতা কিংবা অসুস্থতাকে নিজের সুস্থতা এবং অসুস্থতা বলে গণ্য করবে।

    খুবই সত্য কথা।

    এবং চিন্তা এবং বাক্যালাপের এই ধারাতেই তাদের আনন্দ এবং বেদনা হবে সমষ্টিগত। ঠিক নয় কি?

    অবশ্যই ঠিক।

    যে-কোনো বিষয়ে তাদের স্বার্থ হবে সমষ্টিগত স্বার্থ। একটি দ্রব্যকে সকলেই ‘আমার দ্রব্য’ বলে সমভাবে অভিহিত করতে পারবে। এই সমষ্টিগত স্বার্থ থেকেই তাদের সকলের মধ্যে একই রূপ আনন্দ এবং বেদনাবোধের সৃষ্টি হবে।

    হ্যাঁ, অন্য রাষ্ট্র থেকে আমাদের রাষ্ট্রে এই বোধ অধিক সৃষ্টি হবে।

    এবং এর কারণ হচ্ছে এই যে, রাষ্ট্রের সাধারণ সুব্যবস্থা ব্যতীত আমাদের শাসকদের স্ত্রী এবং সন্তানরা সমষ্টিগতভাবে সকলের স্ত্রী এবং সন্তান বলে বিবেচিত হয়।

    হ্যাঁ, এটাই প্রধান কারণ।

    একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্রকে বেদনা কিংবা আনন্দে আলোড়িত অঙ্গপ্রত্যঙ্গময় দেহের সঙ্গে তুলনা করে তাই আমরা বলেছিলাম, রাষ্ট্রের মধ্যে অনুভূতির এই ঐক্যের চেয়ে উত্তম আর কিছু হতে পারে না।

    হ্যাঁ, একথা আমরা বলেছিলাম এবং সঠিকভাবেই বলেছিলাম।

    তা হলে স্ত্রী এবং সন্তানের উপর সমষ্টিগত মালিকানা রাষ্ট্রের জন্য মহত্তম মঙ্গলের উৎস।

    অবশ্যই।

    আর এ-নীতি আমাদের অপর নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। অপর নীতিতে আমরা বলেছিলাম, রাষ্ট্রের অভিভাবকদের কোনো ব্যক্তিগত গৃহ, কিংবা জমি কিংবা অপর কোনো সম্পত্তি থাকবে না। অপর নাগরিকদের নিকট থেকে প্রাপ্ত খাদ্যই তাদের মাহিনা হবে; সমষ্টিগতভাবে এই খাদ্য তারা গ্রহণ করবে এবং তাদের কোনোরূপ ব্যক্তিগত ব্যয় থাকবে না। কারণ আমাদের অভিভাবকদের যথার্থভাবে অভিভাবকের চরিত্র রক্ষা করতে হবে।

    তোমার এ কথা ঠিক, সক্রেটিস।

    সম্পত্তি এবং পরিবার—উভয়ের উপর সমষ্টিগত মালিকানা আমাদের অভিভাবকদের যথার্থ অভিভাবকে পরিণত করবে; এবার আর তারা ‘আমার’ এবং ‘আমার নয়’ দাবির পরস্পরবিরোধী ব্যবহারে আমাদের নগরীকে খণ্ডবিখণ্ড করে ফেলবে না; এবার আর তারা তাদের আহৃত দ্রব্যমাত্রকে নিজের ব্যক্তিগত গৃহে বহন করে ব্যক্তিগত পরিবার এবং সন্তানদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আনন্দ এবং বেদনার ভোগে নিজেদের লিপ্ত করবে না। কারণ, কি তাদের প্রিয় এবং আপনার এ-সম্পর্কে সকলে ঐকমত্য পোষণ করে। ফলে তাদের সকলের লক্ষ্য অভিন্ন।

    যথার্থ, সক্রেটিস।

    তা ছাড়া এখন আর তাদের দেহ ব্যতীত নিজেদের এবং ব্যক্তিগত বলে কিছু নেই। এ-কারণে বিচারালয়ে আইনগত অভিযোগ এবং নালিশেরও অস্তিত্ব থাকবে না। ব্যক্তিগত সন্তান, সম্পত্তি এবং সম্পর্ক যে-বিরোধের সৃষ্টি করে সে-বিরোধ থেকে আমাদের শাসকগণ এবার মুক্ত হবে।

    হ্যাঁ, অবশ্যই তারা এরূপ বিরোধ থেকে মুক্ত হবে।

    আক্রমণ এবং আঘাতের জন্য বিচারেরও কোনো আবশ্যকতা থাকবে না। আমাদের বিধান অনুযায়ী সমবয়স্কের অধিকার থাকবে সমবয়স্কের আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার। এরূপ আত্মরক্ষাকে আমরা সম্মানজনক এবং সঠিক বলে বিবেচনা করব। নিজেকে রক্ষা করা যে-কারোর জন্য দায়িত্ব বলে আমরা নির্দিষ্ট করব।

    এ-ব্যবস্থা উত্তম।

    হ্যাঁ, এ-বিধান উত্তম এ-কারণেও বটে যে, কারোর যদি অপর কারোর সঙ্গে বিরোধের কোনো ব্যাপার থাকে তা হলে বিরোধের মুহূর্তেই তার ফয়সালা তারা করে ফেলবে। এ নিয়ে অধিকতর বিপজ্জনক কোনো পর্যায়ের দিকে তারা ধাবিত হবে না।

    নিশ্চয়ই।

    বয়োজ্যেষ্ঠদের উপর দায়িত্ব থাকবে বয়ঃকনিষ্ঠদের শাসনের এবং ভর্ৎসনার।

    অবশ্যই।

    আর এটাও নিঃসন্দেহ যে, কনিষ্ঠ যারা তারা জ্যেষ্ঠদের রাষ্ট্রের নির্দেশ ব্যতীত কোনো আঘাত করতে পারবে না। বয়ঃকনিষ্ঠ জ্যোষ্ঠের প্রতি কোনোরূপ তাচ্ছিল্যও প্রদর্শন করবে না। কারণ তাদের জন্য অভিভাবক দুজন, একথা আমরা বলতে পারি। এক হচ্ছে লজ্জা। অপর হচ্ছে ভয়। এরা উভয়েই শক্তিশালী। জনক-জননীর সম্পর্কিত যারা তাদের আঘাত করা লজ্জাজনক। এ-লজ্জাই তাদের নিবারিত করবে এরূপ অন্যায় থেকে। ভয়ও তাকে নিবারিত করবে। কারণ তার আঘাতে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে অপর সকলে, অর্থাৎ ভাই, পুত্র, পিতা।

    এ কথা সত্য।

    তা হলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, আইন সর্বতোভাবে নাগরিকদের মধ্যে শান্তিরক্ষার সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করবে।

    হ্যাঁ, শান্তির কোনো অভাব হবে না।

    অভিভাবকদের নিজেদের মধ্যে বিরোধের যখন আর অবকাশ থাকবে না তখন অন্তর্দ্বন্দ্বে কিংবা বিদ্রোহে রাষ্ট্র বিভক্ত হয়ে যাওয়ার বিপদ থেকে আমরা মুক্ত থাকতে সক্ষম হব।

    না, আমাদের সেরূপ কোনো বিপদ আর থাকবে না।

    অপর যে-সকল ছোটখাটো এবং লক্ষ্যের অযোগ্য ত্রুটিবিচ্যুতি থেকে আমাদের রাষ্ট্র মুক্ত হবে তার উল্লেখ আমি করলাম না। কেবল দৃষ্টান্ত হিসাবে ধনবানের প্রতি দরিদ্রের চাটুকারিতা, পরিবার-প্রতিপালনের দুঃখ এবং কষ্ট, গৃহের দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়ের জন্য অর্থসংস্থানের চিন্তা, অর্থ ধার করা এবং তাকে অস্বীকার করা, যে-কোনো প্রকারে অর্থসংগ্রহ করে মেয়েদের হাতে তা অর্পণ করা, দাস নিযুক্ত করা ইত্যাকার যে-সমস্ত দুর্ভোগে মানুষ ভোগে তার কথা বলা যায়। এদের থেকে মুক্তির ব্যাপার যেমন স্পষ্টতই ক্ষুদ্র, তেমনি উল্লেখের অয্যোগ্য।

    হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ। এগুলো দেখার জন্য চোখের আবশ্যক হয় না।

    এই সমস্ত অমঙ্গল থেকে আমাদের রাষ্ট্রের নাগরিকগণ মুক্ত হবে। তাদের জীবন অলিম্পিক বিজয়ীদের চেয়েও অধিক স্বর্গীয় এবং সুখী হবে।

    কেমন করে?

    কারণ অলিম্পিক বিজয়ী তো আমাদের নাগরিকদের সুখের অংশবিশেষই মাত্র লাভ করতে পারে। আমাদের নাগরিকদের বিজয় তো অলিম্পিক বিজয়ের চেয়েও মহৎ। কারণ তাদের বিজয় তো সমগ্র রাষ্ট্রের মুক্তি অর্জন। আর এ-বিজয়ের মুকুট হচ্ছে তাদের নিজেদের এবং তাদের সন্ততিদের জীবনের পূর্ণ বিকাশ। এ-বিজয়মুকুট তারা রাষ্ট্রের হাত থেকে লাভ করে। মৃত্যুর পরে তারা লাভ করে রাষ্ট্রের হাতে সম্মানজনক সমাধি।

    হ্যাঁ সক্রেটিস, এগুলি অবশ্যই মহৎ পুরস্কার।

    তোমার হয়তো স্মরণ আছে গ্লকন, আমাদের পূর্বের আলোচনায় কোনো একজন (আমি তার নামের উল্লেখ করতে চাইনে) আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল যে, আমরা আমাদের অভিভাবকদের অসুখী করে তুলছি। কারণ তারা যেখানে অধিকারী হতে পারত সবকিছুর, আমরা সেখানে তাদের করে দিয়েছি নিঃস্ব। আমরা এই অভিযোগের জবাবে বলেছিলাম, পরবর্তীকালে এই প্রশ্নের আলোচনার আমরা সুযোগ পাব। কিন্তু বর্তমানে আমরা আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবকদের যথার্থরূপে অভিভাবক করতে চাই। আমরা রাষ্ট্রকে গঠন করছি সমগ্র রাষ্ট্রের সর্বাধিক সুখের জন্য, কোনো বিশেষ শ্রেণীর সুখের জন্য নয়।

    হ্যাঁ, সেকথা আমার স্মরণ আছে সক্রেটিস।

    কিন্তু এখন আমাদের রাষ্ট্রের অভিভাবকদের জীবন যখন অলিম্পিয়ার বিজয়ীদের চেয়ে অধিক উত্তম এবং মহৎ, তখন তুমি কী বলবে? তুমি কী পাদুকানির্মাণকারী কিংবা ক্ষেত্রকর্ষণকারী অথবা অপর কোনো কারিগরের জীবনের সঙ্গে আমাদের অভিভাবকদের জীবনকে তুল্য মনে করবে?

    নিশ্চয়ই না, সক্রেটিস।

    এবং আমাদের আলোচনায় পূর্বে কোথাও যা আমি বলেছি আবার আমাকে তা বলতে হচ্ছে : এদের কারোর ন্যায় আমাদের কোনো অভিভাবক যদি সুখী হতে চায় তা হলে সে আর অভিভাবক নামের উপযুক্ত থাকবে না। অভিভাবকের সুসঙ্গতিপূর্ণ জীবনই হচ্ছে সর্বোত্তম জীবন। কিন্তু সে যদি কারোর যৌবনের অহংকারী সুখের মোহে মোহিত হয়ে সমগ্র রাষ্ট্রকে নিজের স্বার্থে করায়ত্ত করতে চায় তা হলে তাকে পরিণামে হিসিয়ডের জ্ঞানী বাণীকেই শিখতে হবে। হিসিয়ড বলেছেন : ‘আসলে অর্ধেকই পুরাটার চাইতে বেশি।’

    এমন কাজ করার পূর্বে এই অভিভাবক আমার অভিমত জিজ্ঞেস করলে আমি বলব : জীবনে যা পেয়েছ তাতে সন্তুষ্ট থাকো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }