Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. কতিপয়তন্ত্র এবং কতিপয়তন্ত্রী চরিত্র

    অধ্যায় : ২১ [৫৫০—৫৫৫]

    কতিপয়তন্ত্র এবং কতিপয়তন্ত্রী চরিত্র

    উচ্চাভিলাষতন্ত্র থেকে কতিপয়তন্ত্র। উচ্চাভিলাষতন্ত্র কালক্রমে সম্পদকে সম্মান ও শক্তির কেন্দ্র বলে মনে করে, জ্ঞানকে নয়। ফলে শাসকরা ব্যক্তিগত সম্পত্তি জড়ো করতে শুরু করে। আর এই সম্পদের লোভ যখন শাসককে পরিপূর্ণরূপে গ্রাস করে তখনই কতিপয়তন্ত্রের উদ্ভব হয়। সম্পদ যেখানে লক্ষ্য, সেখানে শাসন কতিপয়ের হাতে সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে বাধ্য। কারণ, সকলেই চাইবে সর্বাধিক পরিমাণ সম্পদ সংগ্রহ করতে। এই প্রতিযোগিতায় দুর্বলরা ক্রমান্বয়ে নিঃস্ব হবে এবং সবলরা ধনবান হবে। দুর্বলের এবং দরিদ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সবলের তথা সম্পদবানের সংখ্যা হ্রাস পেয়ে কতিপয় হয়ে দাঁড়াবে। বিচ্যুতির যে-ক্রম, তাতে দেখা যায় প্রত্যেক পর্যায়ে রাষ্ট্রের ঐক্য ক্রমাধিক পরিমাণে বিনষ্ট হচ্ছে। আদর্শ রাষ্ট্রে ঐক্য ছিল। কারণ, সেখানে যার যা করণীয় সে তা-ই করত। উচ্চাভিলাষতন্ত্রে যার শাসন করা সঙ্গত নয় সেই ‘বিক্রম’ শাসন করতে শুরু করে। এই অসঙ্গতির মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রে অন্তর্দ্বন্দ্বের সূচনা। কতিপয়তন্ত্রে রাষ্ট্রের ঐক্য অধিকতর বিনষ্ট হয়। কারণ, সম্মান বা শক্তির আকাঙ্ক্ষা অর্থের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে উৎকৃষ্ট। অর্থের ক্রমাধিক আকাঙ্ক্ষা রাষ্ট্রকে সম্পদবান এবং নিঃস্ব—এই দুই পরস্পরবিরোধী ‘দ্বন্দ্বমান শ্রেণীতে’ বিভক্ত করে ফেলে। প্লেটোর ভাষায় ‘এমন রাষ্ট্রকে আমরা আর একটি রাষ্ট্র বলতে পারিনে। এ হচ্ছে দুটি রাষ্ট্র কিংবা এমন রাষ্ট্র যার একপ্রান্ত অপর প্রান্তকে অবিশ্বাস করে এবং অপর প্রান্তকে ধ্বংস করতে চায়।’ কতিপয়তন্ত্রের প্রতিনিধিত্বমূলক চরিত্র হচ্ছে কতিপয়ী চরিত্র যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অর্থগৃধুতা এবং আলস্য। “অর্থের লিপ্সা তার অন্তরে সম্রাট। যুক্তি এবং আকাঙ্ক্ষা সেই সম্রাটের পদপ্রান্তে দাস। যুক্তির জন্য জিজ্ঞাসা কিংবা হিসাব বা অনুমান এখন নিষিদ্ধ। কেমন করে অধিকতর অর্থ অর্জন করা যায়, এই হচ্ছে এখন সম্রাটের আদেশে যুক্তির বিবেচ্য। উচাচাকাঙ্ক্ষাও এখন সম্পদ এবং সম্পদবান ব্যতীত অপর কিছুর মূল্যদানে অক্ষম। “ [৫৫৩]

    .

    এবার তা হলে আমরা এসকাইলাস* যেমন বলেছেন ‘যেমন ব্যক্তি তেমন রাষ্ট্র’ সেরূপ আর-একটি চরিত্রের পরিচয় নিই? অথবা যদি বল, তা হলে আমাদের পরিকল্পনা অনুসরণ করে রাষ্ট্রটি সম্পর্কে আগে আলাপ করে নিই?

    [* এসকাইলাস (৫২৫–৪৫৬ খ্রিঃ পূঃ) গ্রীক বিষাদাত্মক নাট্যকলার স্রষ্টা।]

    হ্যাঁ, আমাদের এরূপ করাই উচিত।

    সেই ধারায় আমার বিশ্বাস কতিপয়তন্ত্র নিয়েই এবার আমাদের আলাপ করতে হয়?

    কিন্তু সক্রেটিস, কী ধরনের সরকারকে তুমি ‘কতিপয়তন্ত্র’ বলে অভিহিত করতে চাও?

    কতিপয়তন্ত্র আমরা তাকেই বলব, যেখানে সরকারের ভিত্তি হচ্ছে সম্পত্তি এবং যেখানে অর্থবানরাই ক্ষমতাবান আর দরিদ্রগণ ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত।

    হ্যাঁ, একথা ঠিক।

    কিন্তু আমাদের বোধহয় উচ্চাভিলাষতন্ত্র থেকে কতিপয়তন্ত্রের পরিবর্তনটা আগে ব্যাখ্যা করা আবশ্যক।

    হ্যাঁ, এই পরিবর্তনটি আমাদের জানা আবশ্যক।

    অবশ্য এর একটি অপরটিতে কীভাবে পরিবর্তিত হয় সেটি দেখার জন্য খুব তীক্ষ্ণ চোখের নিশ্চয়ই আবশ্যকতা নেই?

    কেন?

    ব্যক্তিগতভাবে সম্পত্তির অর্জন এবং ব্যক্তিগত ভাণ্ডারে তা জমা করার মধ্যেই উচ্চাভিলাষতন্ত্রের ধ্বংস নিহিত। উচ্চাভিলাষতন্ত্রের শাসকগণ বেআইনি উপার্জনের সঙ্গে সঙ্গে অবৈধ ব্যয়েরও নানা উপায় আবিষ্কার করে। কারণ, তারা কিংবা তাদের স্ত্রীগণ আইনের কোনো পরোয়া করে না।

    হ্যাঁ, একথা ঠিক।

    ফলে একজন যখন অপরজনকে ধনী হতে দেখে তখন সে নিজে তার চেয়েও অধিক ধনী হতে চায়। ধন-উপার্জনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এমনিভাবে অধিকসংখ্যক নাগরিকই অর্থলিপ্সু হয়ে দাঁড়ায়।

    এরূপ হওয়াই সম্ভব।

    এমনিভাবে তারা অধিক থেকে অধিকতর ধনবান হতে আরম্ভ করে। আর যত অধিক তারা সম্পদের কথা চিন্তা করে, তত কম তারা ন্যায়ধর্মের বিষয়ে আগ্রহবোধ করে। কারণ, দাঁড়িপাল্লায় তুমি যখন ধনসম্পদ আর ন্যায়ধর্ম একসঙ্গে ওজন করতে চাইবে, তখন একদিকে যখন ধনসম্পদ ভারী হতে থাকবে তখন অপরদিকে ন্যায়ধর্ম হ্রাস পেতে থাকবে।

    এ কথা যথার্থ।

    এবং যে-অনুপাতে এরূপ রাষ্ট্রসম্পদ এবং সম্পদবানের সম্মান বৃদ্ধি পেতে থাকবে ঠিক সেই অনুপাতে অপরদিকে ন্যায়ধর্ম এবং ন্যায়বান অসম্মানিত হতে থাকবে।

    নিঃসন্দেহে

    আর একথাও সত্য, যাকে তুমি সম্মান কর তারই চর্চা হয়, তারই বৃদ্ধি ঘটে। কিন্তু যে অসম্মানিত, সে অবজ্ঞাত হতে থাকে।

    এ-সত্য স্পষ্ট।

    পরিণামে এরূপ রাষ্ট্রে সম্মানের দ্বন্দ্ব সম্পদের দ্বন্দ্বে পরিণত হয়। সম্মানের জন্য দ্বন্দ্বের বদলে এবার সকলে অর্থ এবং ব্যবসায়কামী হয়ে ওঠে। এখন তারা সম্পদবানকেই সম্মানিত করে; তার প্রতি সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় এবং সম্পদবানকে শাসক হিসাবে নিযুক্ত করে এবং দরিদ্রকে তারা অসম্মান করে।

    তারা এরূপই করে।

    এর পরবর্তী ধাপে এরা এরূপ একটা আইন প্রণয়ন করে, যে-আইনের আদেশে বিশেষ বিশেষ পরিমাণ অর্থকে নাগরিকত্বের শর্ত হিসাবে নির্দিষ্ট করা হয়। এ-অর্থের পরিমাণ কোথাও কম, কোথাও বেশি হতে পারে। কারণ, কতিপয়তন্ত্রের শাসকের সংখ্যা কম কিংবা বেশি হতে পারে। নির্দিষ্ট অর্থের চেয়ে কম যাদের অর্থের পরিমাণ, সরকারের সকল ক্ষমতা থেকে তাদের বঞ্চিত রাখা হয়। সন্ত্রাসের মাধ্যমে যদি তারা সংবিধানের মধ্যে এই সমস্ত পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম না হয়, তা হলে অস্ত্রের জোরে শাসকগণ তাদের বাঞ্ছিত পরিবর্তন সাধন করে।

    খুবই সত্য কথা।

    মোটামুটি এভাবেই কতিপয়তন্ত্রের সরকার স্থাপিত হয়।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : তুমি ঠিকই বলেছ, সক্রেটিস। কিন্তু এরূপ সরকারের চরিত্রিক বৈশিষ্ট্য কী এবং এদের যে-ত্রুটির কথা তুমি একবার উল্লেখ করেছিলে, সেগুলিই-বা কি?*

    [* ৫৪৪ দ্রষ্টব্য।]

    আমি বললাম : প্রথমত, শাসনের শর্তের কথা ধরো। জাহাজ কে চালাবে? মনে করো শর্ত করা হল, যার অর্থ আছে সে-ই জাহাজ চালাবে, সে নয় যে জাহাজ চালাতে জানে। একজন দরিদ্র যদি নৌচালনায় দক্ষ হয় তবুও সে নৌযানের নাবিক হতে পারবে না। কারণ নৌযানচালনার গুণ নির্দিষ্ট হয়েছে—অর্থ, নৌচালনার দক্ষতা নয়। এমন যদি হয়, তার পরিণাম কী হতে পারে বলে তুমি মনে কর?

    এর পরিণাম নির্ঘাত ধ্বংস। জাহাজ সমুদ্রে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।

    হ্যাঁ। তাই হবে, আর এ কেবল জাহাজের ক্ষেত্রেই কি সত্য? যে-কোনো কিছুর চালনার ক্ষেত্রেই কি এ কথা সত্য নয়?

    হ্যাঁ, সর্বত্রই এ কথা সত্য।

    কিন্তু একটি রাষ্ট্র? সে কি এ-সত্য থেকে বাদ থাকবে? না, রাষ্ট্রচালনার ক্ষেত্রেও এ-পরিণাম সত্য?

    শুধু সত্য নয়, আমি বলব রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এ সবচেয়ে বেশি সত্য। কারণ, একটি রাষ্ট্রচালনা হচ্ছে সবচেয়ে কঠিন কাজ।

    তা হলে কতিপয়তন্ত্রের এটাই হচ্ছে প্রথম ত্রুটি?

    নিঃসন্দেহে এটা তার ত্রুটি।

    কিন্তু এর আর-একটি ত্রুটির কথাও আমাদের বলতে হয়, যে-ত্রুটি প্রথমটির মতোই মারাত্মক।

    কী সে ত্রুটি?

    রাষ্ট্রের মধ্যকার অনিবার্য বিভেদ ও বিভাগ। এরূপ রাষ্ট্র আসলে একটা রাষ্ট্র নয়। এ হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে দুটা রাষ্ট্র। এর একটি হচ্ছে দরিদ্রের রাষ্ট্র। অপরটি হচ্ছে ধনবানের রাষ্ট্র। একই স্থানে এই দুই রাষ্ট্রের অবস্থান এবং সর্বদা এরা অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত। সর্বদাই এরা পরস্পরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে রত থাকে।

    এমন হলে এ-ত্রুটি অবশ্যই প্রথমটির মতোই মারাত্মক।

    এরূপ রাষ্ট্রের অপর অবাঞ্ছিত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে, এই কারণেই এরা যুদ্ধ-পরিচালনায় অক্ষম হয়ে পড়ে। তাদের সম্মুখে উভয়সংকট। হয় তাদের জনতাকে যুদ্ধের জন্য সশস্ত্র করতে হয়, নয়তো তাদের সামরিক বাহিনীর একেবারে বাইরে রাখতে হয়। জনতাকে সশস্ত্র করতে তাদের ভয়। সশস্ত্র জনতাকে তারা তাদের বৈদেশিক শত্রুর চেয়েও অধিক ভয় করে। অপরদিকে যুদ্ধের সময়ে জনতাকে যুদ্ধে না পাঠালে কে যুদ্ধ করবে? কারণ কতিপয়তন্ত্র যথার্থই কতিপয়ের তন্ত্র। তার শাসকও যেমন কতিপয়, তার যোদ্ধাও কতিপয়। তা ছাড়া তাদের অর্থগৃধুতা রাষ্ট্রীয় কর এবং যুদ্ধের ব্যয়-পরিশোধেও তাদের অনাগ্রহী করে তোলে।

    এও তো এক মারাত্মক ত্রুটি।

    ফলে, আমরা পূর্বে যা বলেছিলাম সেই ব্যাপারই এখানে সংঘটিত হয়। এরূপ শাসনব্যবস্থায় এক ব্যক্তির উপর একাধিক দায়িত্ব ন্যস্ত হয়। যে কৃষক, সে-ই বণিক এবং সে-ই আবার যোদ্ধা : একসঙ্গে সে সবকিছু। এ-ব্যাপারটা কি তুমি উত্তম মনে কর?

    না, এ কিছুতেই উত্তম হতে পারে না।

    কিন্তু সবচেয়ে বড় যে, ত্রুটি, যার প্রবণতা এর মধ্যে প্রথমেই দেখা যায় তার কথা বলা এখনও বাকি আছে।

    কী সে-ত্রুটি?

    সে-ত্রুটি হচ্ছে এই যে, একজন নাগরিক ইচ্ছা করলে তার সকল বিষয়-আশয়ই বিক্রি করে দিতে পারে এবং অপর একজন তার সেসব সম্পত্তি ক্রয় করতে পারে এবং এরূপ বিক্রয়ের পরে সে আর নগরীর নাগরিক না থাকা সত্ত্বেও নগরীতে বাস করতে পারে। অথচ সকল কিছু বিক্রয়ের পরে সে আর এই নগরীর না বণিক, না কারিগর, না সেই সৈনিক। সে তখন একেবার নিঃস্ব এক অধিবাসী। কতিপয়তন্ত্রে এর উপর কোনো নিষেধ নেই। এর ফলেই এই শাসনব্যবস্থায় চরম সম্পদ এবং চরম দারিদ্র্যের তীব্র বৈষম্যের সৃষ্টি হয়।

    একথা সত্য।

    এক্ষেত্রে আর একটা কথা আছে। এখন যে নিঃস্ব অধিবাসীতে পরিণত হয়েছে সে যখন ধনবান ছিল, তখন কি সে তার অর্থ কোনো প্রয়োজনীয় সামাজিক দায়িত্বপালনে ব্যয় করেছে? না, তা সে করেনি। তাকে যদিও শাসকশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত বলে বোধ হয়েছে তবু না সে শাসনের দায়িত্ব পালন করেছে, না সে সামাজিক অপর কোনো কর্তব্যসম্পাদন করেছে। সে কেবল ভোগ্যবস্তুকে ভোগ করেছে।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : এ কথা যথার্থ। তাকে যেমনই বোধ হোক না কেন, সে কেবলমাত্র ভোগীই ছিল।

    তা হলে আমরা তাকে কী বলতে পারি? সঙ্গতভাবেই আমরা বলতে পারি সে ছিল পুরুষ-মৌমাছির মতোই অলস। পুরুষ-মৌমাছি যেমন মৌচাকের জন্য ক্ষতিকর, এমন লোকও নগরীর জন্য ক্ষতিকর। ঠিক নয় কি?

    ঠিক কথা সক্রেটিস।

    কিন্তু এ্যাডিম্যান্টাস, পার্থক্য এই যে, বিধাতা উড়ন্ত পুরুষ-মৌমাছিকে যেখানে একেবারে হুলবিহীন করে তৈরি করেছেন, সেখানে তিনি পায়ে-হাঁটা এই পুরুষ-মৌমাছির কাউকে হুলবিহীন করলেও অপরগুলোর মধ্যে মারাত্মক হুল জুড়ে দিয়েছেন। হুলবিহীন যেগুলি সেগুলি বৃদ্ধ বয়সে নিঃস্ব হয়ে জীবন শেষ করে। কিন্তু হুলযুক্তগুলি থেকেই রাষ্ট্রের যত অপরাধী, তাদের সৃষ্টি।

    খুবই সত্য কথা।

    আর তাই নগরীর যেখানে তুমি এই নিঃস্ব ভবঘুরেদের দেখতে পাবে, নিশ্চিত জেনো সেখানেই লুকিয়ে রয়েছে নগরীর যত চোর, বাটপাড়, মন্দির-লুণ্ঠনকারী ডাকাত এবং আরসব দুষ্কর্মকারীর দল।

    নিঃসন্দেহে।

    কতিপয়তন্ত্রে তুমি কি এরূপ নিঃস্ব লোকের সাক্ষাৎ পাও না?

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : হ্যাঁ। আমি তো বলব এমন রাষ্ট্রে যে শাসক নয় সে-ই ভিক্ষুক, সে-ই নিঃস্ব।

    তা হলে আমাদের একথাও বলতে হয় যে, এদের মধ্যে বহু অপরাধী রয়েছে—বহু দুষ্কর্মকারী রয়েছে যারা মারাত্মক রকমের হুলযুক্ত। এদের দমন রাখার জন্য শাসকদের বিশেষ বেগ পেতে হয়, সর্বদা তাদের সতর্ক থাকতে হয়?

    হ্যাঁ, একথাও আমাদের বলতে হয়।

    কিন্তু এরূপ লোকের অস্তিত্বের কারণ কী? এর কারণ হচ্ছে শিক্ষার অভাব, কুশিক্ষার আধিক্য এবং রাষ্ট্রের ত্রুটিপূর্ণ সংবিধান।

    হ্যাঁ, একথা সত্য।

    এই হচ্ছে তা হলে কতিপয়তন্ত্রের গঠন এবং তার ত্রুটি। এর বাইরেও এমন শাসনব্যবস্থার আরও অনেক ত্রুটি থাকতে পারে।

    হ্যাঁ, আরও ত্রুটি থাকতে পারে।

    তা হলে কতিপয়ের তন্ত্র বা যে-ধরনের শাসনব্যবস্থায় সম্পদের ভিত্তিতে শাসক নির্দিষ্ট হয় সে-সরকারের আলোচনা এবার আমরা শেষ করতে পারি। এবার এসো, আমরা এর প্রতিরূপ-ব্যক্তির চরিত্র অর্থাৎ যে-চরিত্র এইরূপ রাষ্ট্রের বাহক তার আলোচনা করি।

    হ্যাঁ, সে-আলোচনা এবার আমরা করতে পারি।

    যেভাবে অভিলাষতন্ত্র কতিপয়তন্ত্রে পরিণত হয়েছে, অনুরূপভাবেই উচ্চাভিলাষী কি কতিপয়তন্ত্রের বাহক-চরিত্রে পরিণত হয় না?

    কেমন করে?

    ধারাটি এইরূপ। উচ্চাভিলাষীর ছেলের কথা ধরো। প্রথমে সে পিতার পথ ধরেই চলতে আরম্ভ করে। কিন্তু এমন একটা সময় আসে যখন সে নিজেকে রাষ্ট্রের মুখোমুখি একটা নিমজ্জিত প্রবাল-প্রাচীরের উপর স্থাপিত বলে বোধ করে। তার নিজেকে হৃতসর্বস্ব মনে হয়। তার পিতা হয়তো কোনো সমরাধিনায়ক বা উচ্চপদস্থ রাষ্ট্রীয় কর্মচারী ছিল। কিন্তু গুপ্তচরের ষড়যন্ত্রে আজ তাকে বিচারে সোপর্দ হতে হয়েছে। এবং সে বিচারে হয় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, নয়তো সে নির্বাসিত হয়েছে। কিংবা সকল নাগরিক-অধিকার হতে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তার সকল সম্পদকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    এরূপ হওয়া খুবই সম্ভব।

    আমি বললাম : পিতার এ-ভাগ্য পুত্রের চোখের সম্মুখেই ঘটেছে। পুত্র সবকিছুই দেখতে পেয়েছে। পিতার এই দুর্ভাগ্য, বিশেষ করে সম্পদের ক্ষেত্রে তার হৃতসর্বস্ব অবস্থা পুত্রের মনে সাহস এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার যে-ভাব ছিল তাকে বিনষ্ট করে ফেলে। সে তার সাহস হারিয়ে ফেলে। কিন্তু দারিদ্র্যে নিপতিত হয়ে এবং নিজের পরিশ্রমে জীবিকা-অর্জনে বাধ্য হয়ে পুত্র কষ্টকর মিতব্যয়ে এবং কঠিন কাজের মাধ্যমে পুনরায় যখন সম্পদ সঞ্চয়ে সক্ষম হয়, তখন সে কি তার অন্তরে সম্পদের কামনাকেই সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত করবে না? অর্থের কামনাই কি এবার প্রাচ্যের একচ্ছত্র সম্রাটের মতো তাকে মুকুট, শৃঙ্খল এবং তরবারিতে সজ্জিত হয়ে শাসন করতে শুরু করবে না?

    অবশ্যই।

    অর্থের লিপ্সা তার অন্তরে সম্রাট। আর যুক্তি এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা সেই সম্রাটের পদপ্রান্তে দাস। যুক্তির জন্য জিজ্ঞাসা কিংবা হিসাব বা অনুমান এখন নিষিদ্ধ। কেমন করে অধিকতর অর্থ অর্জন করা যায়, এই হচ্ছে এখন সম্রাটের আদেশে যুক্তির বিবেচ্য। উচ্চাকঙ্ক্ষাও আর সম্পদ এবং সম্পদবান ব্যতীত অপর কিছুকে মূল্যদানে অক্ষম। তার জন্য তা নিষিদ্ধ। তার করণীয় এখন শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন করা। অর্থ-উপার্জনের প্রতিযোগিতাতে যোগদান করা—অপরকিছুতে নয়।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : উচ্চাভিলাষ থেকে অর্থের লিন্সায় এর চেয়ে দ্রুত পরিবর্তন আর কিছু হতে পারে না।

    এবং যে-চরিত্রটি আমরা এখানে তুলে ধরলাম, সে কি কতিপয়তন্ত্রের বাহকেরই চরিত্র নয়?

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : যে-সমাজব্যবস্থা কতিপয়তন্ত্রকে সৃষ্টি করে এ-চরিত্র অবশ্যই সে-অবস্থারই সৃষ্টি।

    তা হলে দেখা যাক এই চরিত্রের বৈশিষ্টও একইরূপ কি না।

    ঠিক আছে, দেখা যাক এর বৈশিষ্ট্য কী?

    কতিপয়ের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে এ-চরিত্রের প্রথম সাদৃশ্য অর্থের উপর এর সর্বাধিক গুরুত্বদানে নিহিত

    একথা সত্য।

    আবার দ্যাখো, সে মিতব্যয়ী এবং কঠিন পরিশ্রমী। তার যা অপরিহার্য প্রয়োজন তাকেই সে পূরণ করে, যথেষ্ট ব্যয়ের অভ্যাস তার থাকে না। অপর সব কামনাকে সে অপ্রয়োজনীয় বলে দমন করে রাখে।

    যথার্থ।

    হ্যাঁ, আমরা তাকে একটি কৃপণ এবং অপরিচ্ছন্ন চরিত্র বলে আখ্যায়িত করতে পারি। কারণ, সে সবকিছুর মধ্যেই অর্থের অন্বেষণ করে এবং তার অর্থের থলিটি সে ক্রমান্বয়ে ভারী করে তুলতে চায়। এরূপ চরিত্র স্থূলমনাদের কাছ থেকেই প্রশংসালাভ করে। কাজেই যে-রাষ্ট্রের সে প্রতিনিধি তার সে সত্যকার প্রতিরূপই বটে। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ, আমার কাছেও তাকে সত্যকার প্রতিরূপ বলেই বোধ হয়। মোটকথা, অর্থকে মূল্যবান বিবেচনার ক্ষেত্রে এই রাষ্ট্র এবং এই চরিত্র—উভয়েরই সাদৃশ্য স্পষ্ট।

    আর এরূপ চরিত্র যে খুব সংস্কৃত চরিত্র নয়, সেটিও পরিষ্কার?

    হ্যাঁ,একথা ঠিক। না হলে এক অন্ধ চরিত্রকে* তার জীবননাট্যের নায়কে সে পরিণত করত না।

    [* অর্থের দেবতা অন্ধ বৈ অপর কিছু নয়—গ্রীকদের এরূপ একটি ধারণা ছিল।]

    তুমি বেশ বলেছ এ্যাডিম্যান্টাস; কিন্তু দ্যাখো, এই সংস্কৃতির অভাবই তার চরিত্রে আবার নিঃস্ব এবং বর্বর সেই পুরুষ-মৌমাছির প্রবণতার বীজ বপন করতে থাকবে। তার সতর্ক দৃষ্টি এ-প্রবণতাকে প্রকট হতে না দিতে পারে, কিন্তু সে-বীজ অবশ্যই উপ্ত হবে।

    হ্যাঁ, একথা মিথ্যা নয়।

    আর এই মারাত্মক প্রবণতা কোথায় প্রকাশ পাবে, জান?

    কোথায়?

    প্রকাশ পাবে, অনাথদের ব্যবস্থাপনা কিংবা অনুরূপ সব ক্ষেত্রে যেখানে তার অসৎ হওয়ার সুযোগ মিলবে প্রচুর। এক্ষেত্রেই স্পষ্ট হয়ে যায়, জীবনের লেনদেনের অপরক্ষেত্রে এই চরিত্র যে-সম্মানজনক সততার পরিচয় এতদিন দিয়ে আসছিল, সে-সততার মূল হচ্ছে তার বৈষয়িক জীবনে অসততা থেকে লোকসানের ভয়। এই ভয়ই তার মারাত্মক প্রবণতাকে এতদিন একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখেছিল।

    একথা খুবই সত্য।

    তা ছাড়া আরও মারাত্মক যা তা হচ্ছে এই যে, এরূপ লোকের এই অধম প্রবৃত্তি সবচেয়ে প্রকট হয়ে দেখা দেয় তখন, যখন সে অপর লোকের অর্থব্যয়ের দায়িত্ব লাভ করে।

    তুমি যথার্থ বলেছ, সক্রেটিস।

    এরূপ লোকের কিন্তু অন্তরে শান্তি থাকে না। তার ব্যক্তিত্ব দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। অবশ্য সামগ্রিকভাবে এখনও তার উত্তম প্রবৃত্তি তার অধম প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম থাকছে।

    তা ঠিক।

    কাজেই এ-চরিত্রের একটা পরিমাণ সম্মান থাকে। কিন্তু তা হলেও, একটা সুসংহত ঐক্যসূত্রে গ্রথিত চরিত্রের যে যথার্থ উৎকৃষ্টতা, তাকে লাভ করা কিংবা তার নিকটবর্তী হওয়া এ-চরিত্রের পক্ষে সম্ভব নয়।

    তোমার অভিমতের সঙ্গে আমি একমত।

    আসলে সে একটি দুর্বল লোক আর তাই সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় জীবনে কোনো উচ্চ অভিলাষের ক্ষেত্রে কিংবা সাফল্যের প্রতিযোগিতার জন্য সে অনুপযুক্ত। সম্মান এবং বিশিষ্টতার সংগ্রামে অর্থব্যয়ে সে অনাগ্রহী এবং নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার পক্ষে লড়াই-এর ব্যয়সাপেক্ষ প্রবৃত্তিসমূহকেও সে জাগরিত করার ব্যাপারে ভীত। আর তাই কতিপয়তন্ত্রের একজন যথার্থ প্রতিভূ হিসাবে সে নিজের সত্তারই একটি অংশের বিরুদ্ধে লড়াইতে ব্যস্ত থাকে। তার একটি অংশকে সে দমিত করে। এ-লড়াইতে সে তার অর্থকে বাঁচাতে পারে বটে, কিন্তু মূলত সে পরাজিত হয়।

    হ্যাঁ, একথা সত্য।

    তা হলে আমরা দ্বিধাহীনভাবেই কি বলতে পারিনে যে, এরূপ অর্থগৃধু চরিত্রই হচ্ছে কতিপয়তন্ত্রের যথার্থ প্রতিভূ চরিত্র?

    এ-সিদ্ধান্তে আমাদের দ্বিধার কোনো কারণ থাকতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }