Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২০. আদর্শ রাষ্ট্রের পতন

    অধ্যায় : ২০ [৫৪৩–৫৫০]

    আদর্শ রাষ্ট্রের পতন

    অষ্টম পুস্তকে প্লেটো আদর্শ রাষ্ট্রের তুলনায় অসম্পূর্ণ বাস্তব রাষ্ট্রের প্রকারভেদের আলোচনাটিতে ফিরে এসেছেন। পূর্বে এ-প্রসঙ্গ একবার উত্থাপিত হয়েছিল। কিন্তু মেয়েদের যৌথস্বামিত্বের প্রশ্নটি তোলায় সে-আলোচনা তখন আর অগ্রসর হতে পারেনি। [৪৪৯] প্লেটোর দর্শনে ভাব বা আদর্শের বস্তুনিরপেক্ষ সত্তা আছে। আদর্শ কতখানি বাস্তবায়িত করা সম্ভব হল—সেটা প্লেটোর জন্য বড় কথা নয়। আদৰ্শ বাস্তবে কোথাও দৃষ্ট না হলেও আদর্শই বাস্তবের নিয়ামক। আমরা আদর্শ দিয়ে বাস্তবকে পরিমাপ করি। যে-বাস্তব আদর্শ অনুযায়ী যত সুসম্পূর্ণ আমরা সেই বাস্তবকে তত আদর্শের নিকটবর্তী বলি। এবং যে-বাস্তব আদর্শের পরিমাপে যত অসম্পূর্ণ আমরা তাকে তত আদর্শ থেকে দূরবর্তী বলি। আদর্শ এবং বাস্তবের ব্যবধান সেখানে তত বেশি। কাজেই সক্রেটিসকে যখন প্রশ্ন করা হল : তোমার বর্ণিত আদর্শ রাষ্ট্র কোথায়, তখন সক্রেটিস অক্লেশে জবাব দিতে পারলেন : তাঁর আদর্শ রাষ্ট্র কোথাও দৃষ্ট হল কি হল না—সেটি বড় কথা নয়। আদর্শ বাস্তবায়িত না হলেও আদর্শের কোনো ক্ষতি নেই। কাজেই আদর্শ কীভাবে বিচ্যুত হয়ে বিভিন্ন বাস্তবে প্রকাশিত বা পর্যবসিত হয়েছে তার ধারাক্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। কিন্তু প্লেটো তার আদর্শ রাষ্ট্রকে কেবল কল্পনাতে আবদ্ধ রাখতে চাননি। সে-রাষ্ট্র বাস্তবায়িত হতে পারে। সেই বাস্তবায়িত হওয়ার শর্ত হচ্ছে দার্শনিকের শাসক হওয়া। তা হলে প্রশ্ন আসে : ধরা যাক সেই আদর্শ রাষ্ট পরিকল্পনানুযায়ী বাস্তবায়িত হয়েছে। কিন্তু তা হলেও সেই আদর্শ রাষ্ট্র কি চিরকালই আদর্শ থাকতে পারবে? না। মানবিক সেই আদর্শ রাষ্ট্র সম্পর্কে এরূপ কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। কারণ উত্তম মানুষসৃষ্টির একটি রহস্য আছে। সেটি হচ্ছে সংখ্যার রহস্য। ৩, ৪ এবং ৫-এর পারস্পরিক মিলন এবং সৃষ্টির রহস্য [৫৪৬], সেই রহস্য মানুষ সব সময় ভেদ করতে পারবে না। আর তা থেকেই শুরু হবে আদর্শ রাষ্ট্রের বিচ্যুতি। প্লেটোর এই সংখ্যার রহস্যকে খুব গুরুত্ব সহকারে না নিলেও চলে। আসলে এ হচ্ছে আদর্শ রাষ্ট্র থেকে বাস্তব রাষ্ট্রের আলোচনায় উত্তরণের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা দেখাবার একটি কৌশল। কিন্তু সে যাহোক, আদর্শ রাষ্ট্র থেকে বিচ্যুতি একবার শুরু হলে তার আর বিরাম নেই। সে ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হয়ে চলে। তবে এই বিচ্যুতির সূচনা এবং ধারাবাহিকতার দিকে খেয়াল করলে আমরা দেখি যে, আদর্শ রাষ্ট্রের বিচ্যুত রূপ হচ্ছে চারটি। অভিজাততন্ত্র অর্থাৎ প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্রের শাসক যখন আর তার জ্ঞানের জন্য নির্দিষ্ট হয় না, তখনই সূচনা হয় বিচ্যুতির। ১. এই বিচ্যুতির প্রথম রূপ হচ্ছে ‘টিমোক্রাসি’ বা উচ্চাভিলাষতন্ত্র। ২. তার দ্বিতীয় বা পরবর্তী রূপ হচ্ছে কতিপয়তন্ত্র। ৩. তৃতীয় রূপ গণতন্ত্র এবং ৪. চতুর্থ রূপ স্বৈরতন্ত্র। তাই অসম্পূর্ণ রাষ্ট্র চার প্রকারের : উচ্চাভিলাষতন্ত্র, কতিপয়তন্ত্র, গণতন্ত্র এবং স্বৈরতন্ত্র। প্রত্যেকটি বিচ্যুত রূপই তার বাহক-চরিত্র সৃষ্টি করে। উচ্চাভিলাষতন্ত্রের বাহক-চরিত্র হচ্ছে উচ্চাভিলাষী। কতিপয়তন্ত্রের কতিপয়ী। গণতন্ত্রের গণতান্ত্রিক এবং স্বৈরতন্ত্রের স্বৈরতান্ত্রিক। প্রত্যেকটি রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিচয়দানের সাথে প্লেটো তার প্রতিনিধিত্বমূলক চরিত্রের বর্ণনা দিয়েছেন।

    এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। আদর্শ রাষ্ট্রের বিচ্যুত রূপগুলির পর্যায়ক্রমকে ঐতিহাসিক বলে বোধ হতে পারে। মনে হতে পারে, উচ্চাভিলাষতন্ত্রের পরে কতিপয়তন্ত্র এবং কতিপয়তন্ত্রের পরে গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের পরে স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভবের উল্লেখ দ্বারা প্লেটো ঐতিহাসিক ক্রমকেও উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইতিহাসে এরূপ ধারাবাহিকতা খুব দেখা যায় না। কতিপয়তন্ত্রের মধ্য থেকেও স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব হতে পারে। আবার স্বৈরতন্ত্র গণতন্ত্রের পরবর্তী পর্যায় না হয়ে ইতিহাসে পূর্ববর্তী পর্যায় হিসাবেও উদ্ভূত হয়েছে। মোটকথা প্লেটো কোনো ঐতিহাসিক ক্রম বর্ণনা করতে চাননি। প্লেটো এই পর্যায়ের মধ্য দিয়ে একটি যৌক্তিক ক্রম প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে উচ্চাভিলাষ মানুষকে সম্পদের লালসায় নিয়ে যায়। সম্পদের লালসা ধনী এবং নির্ধনের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। ধনী এবং নির্ধনের দ্বন্দ্ব সংখ্যাগুরু নির্ধনের জয়লাভে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা। এবং গণতন্ত্রের অবাধ স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব।

    উচ্চাভিলাষতন্ত্র : প্রথম বিচ্যুতিকে ইংরেজিতে টিমার্কি বা টিমোক্রাসি বলা হয়। একে অর্থগতভাবে উচ্চাভিলাষতন্ত্র বলা যায়। এ-ব্যবস্থায় দার্শনিক আর শাসক নয়। এ-রাষ্ট্রের শাসক হচ্ছে বিক্রমশালী বা সম্মান-অভিলাষী। এরূপ রাষ্ট্রের বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসাবে স্পার্টার উল্লেখ করা যায়। উচ্চাভিলাষতন্ত্রে প্রতিনিধিত্বমূলক চরিত্র হচ্ছে উচ্চাভিলাষী যুবক। তার পিতা দার্শনিক ছিল। কিন্তু পুত্রের মধ্যে দর্শনের আর সেই চর্চা নেই। “এই রাষ্ট্রের বাহক চরিত্রে একদিকে যেমন অধিক আত্মপ্রতিষ্ঠার ভাব থাকবে, তেমনি তার পরিশীলনের মান অনেক কম হবে। এমন তরুণের উদ্ভবটি বর্ণনা করে আমরা বলতে পারি যে, প্রায়শ সে একটি সুশাসিত নগরীর সাহসী পিতার সন্তান। তার পিতার বৈশিষ্ট্য এই যে, পিতা নির্বিবাদী লোক। রাষ্ট্রীয় সম্মান বা দায়িত্বকে সে অবাঞ্ছিত বলে পরিহার করেছে।” পিতার এরূপ নির্বিবাদী চরিত্রে বিক্ষুব্ধ হয়ে পুত্র তার বিপরীত স্বভাব অর্থাৎ আত্মপ্রতিষ্ঠা, বিক্রম এবং সম্মানলাভের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে শুরু করে।

    .

    গ্লকন, তা হলে আমাদের সিদ্ধান্ত দাঁড়াচ্ছে : সর্বোত্তম রাষ্ট্রর স্ত্রী-পুত্র হবে যৌথ সম্পত্তি, শিক্ষা এবং যুদ্ধ এবং শান্তির সকল জীবিকা হবে রাষ্ট্র-পরিচালিত এবং সর্বোত্তম দার্শনিক এবং যোদ্ধা—এরা হবে রাষ্ট্রের শাসক?

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, এই সিদ্ধান্তই আমরা গ্রহণ করেছি।

    আমি বললাম : হ্যাঁ। তা ছাড়া আমরা একথাও বলেছি যে, শাসকগণ নিজেরা নিযুক্ত হবার পরে তাদের সৈন্যদের নিযুক্ত করবে এবং তাদের যৌথ বাসগৃহের ব্যবস্থা করবে। এখানে সবকিছুই সকলের। বেসরকারি ব্যক্তিগত বলতে কারোর কিছু থাকবে না, এবং সম্পত্তির বিষয়ে আমরা যা বলেছিলাম, তাও নিশ্চয়ই তোমার মনে আছে?

    হ্যাঁ, সক্রেটিস। আমার মনে আছে, কারোর জাগতিক কোনো বিষয়সম্পত্তি থাকতে পারবে না। তারা হবে যোদ্ধা এবং রাষ্ট্রের শাসক। বৎসরিক মাহিনার বদলে নাগরিকদের কাছ থেকে তাদের জীবনধারণের দ্রব্যাদি তারা লাভ করবে। এমনিভাবে তারা নিজেদের এবং রাষ্ট্রের মঙ্গলসাধন করবে।

    তুমি যথার্থ বলেছ। আমাদের এদিকটা যখন শেষ হয়েছে তখন এসো আমরা আমাদের পুরনো প্রধান সড়কটিতে ফিরে আসার চেষ্টা করি। যেখানটাতে আমরা ভিন্ন প্রসঙ্গে চলে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই আমাদের শুরু করতে হবে।

    গ্লকন বললেন : আমাদের মূল প্রসঙ্গে ফিরে আসা খুব কঠিন হবে না। তুমি তখনও বলেছিলে, রাষ্ট্রের বর্ণনা তুমি শেষ করেছ। তুমি বলেছিলে : তোমার বর্ণিত রাষ্ট্রই হচ্ছে উত্তম রাষ্ট্র এবং যে-মানুষ এই রাষ্ট্রের উপযুক্ত সে-মানুষ উত্তম। অবশ্য তার পরেও তুমি রাষ্ট্র এবং মানুষ সম্পর্কে অনেক উত্তম কথা বলেছ। এ ছাড়া তুমি আরও বলেছ, আমাদের এই রাষ্ট্র যদি উত্তম হয় তা হলে অপর সব রাষ্ট্র অধম। এবং আমার যতদূর স্মরণ হয়, তুমি একথাও বলেছিলে, অধম রাষ্ট্র হচ্ছে প্রধানত চার প্রকারের এবং এই অধম রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রকারের চরিত্র রূপ গ্রহণ করে যে-ব্যক্তির মধ্যে তাদের ত্রুটি এবং অপূর্ণতার বিষয়েও আলোচনা আবশ্যক। আমাদের প্রশ্ন ছিল : সকল মানুষকে যখন আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি এবং যখন আমরা স্থির করেছি, এদের মধ্যে কে সর্ব-উত্তম এবং কে সর্ব-অধম তখন আমাদের নির্ধারণ করতে হবে, এদের মধ্যে কে সুখী এবং কে অসুখী। যে সর্বোত্তম সে-ই কি সবচেয়ে সুখী এবং যে সর্ব-অধম সে কি সর্বাধিক অসুখী, সবচেয়ে হতভাগ্য? আমার মনে আছে, সক্রেটিস, আমি তোমাকে প্রশ্ন করেছিলাম : তোমার উল্লিখিত চার রকম সরকার কী কী? কিন্তু এই সময়ে পলিমারকাস এবং এ্যাডিম্যান্টাস বাধা দিলেন। তখন তুমি আবার শুরু করলে। সেই আলোচনা ধরেই তুমি এই স্থানটিতে এসে উপস্থিত হয়েছ।

    আমি বললাম : গ্লকন, স্মৃতি থেকে তোমার বর্ণনাটি খুবই ঠিক হয়েছে।

    গ্লকন জবাব দিলেন : তা হলে সক্রেটিস, মল্লযোদ্ধার মতো আবার তুমি উঠে দাঁড়াও এবং আমার প্রশ্নের আঘাত নিয়ে আমি শুরু করি। এবং যে-জবাব তুমি তখন আমাকে দিতে চেয়েছিলে সে-জবাব তুমি আমায় এবার দাও।

    আমি বললাম : আমার ক্ষমতায় কুলালে আমি তোমার জবাব নিশ্চয়ই দেব।

    আমি বিশেষ করে জানতে চাই, চার রকম সংবিধান বলতে তুমি কী বোঝাতে চেয়েছিলে?

    আমি বললাম : এ-প্রশ্নের জবাব সহজেই দেওয়া যায়। যে-চাররকম সরকারের কথা আমি বলেছিলাম তাদের একটিকে অপরটি থেকে পৃথক করে বলা যায় যে, এদের প্রথমটি হচ্ছে ক্রিট এবং স্পার্টার শাসন। এরূপ শাসনের বেশ প্রশংসা শোনা যায়। এর পরে আসে সেই ধরনের সরকার যাকে ‘কতিপয়তন্ত্র’ বলে অভিহিত করা হয়। এর নিন্দাবাদই আমরা অধিক শুনি। এর নানা ত্রুটিবিচ্যুতি। তৃতীয় হচ্ছে গণতন্ত্র। গণতন্ত্র কতিপয়তন্ত্রের পরেই আসে। কিন্তু কতিপয়তন্ত্র থেকে এর চরিত্র খুবই ভিন্ন। সবার শেষে আসে স্বৈরতন্ত্র। স্বৈরতন্ত্র খ্যাত এবং সর্বজনবিদিত : অপর সকল সংবিধান থেকেই এ অলাদা। স্বৈরতন্ত্র হচ্ছে অধম রাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ এবং রাষ্ট্রের বিকারের সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত। এই চার প্রকারের বাইরে অপর কোনো রাষ্ট্রের কথা আমি জানিনে। গ্লকন, তোমার কি জানা আছে? এ ছাড়া রাজতন্ত্র যে না আছে তা নয়। আবার এমন রাষ্ট্রও আছে যার উচ্চতম পদসমূহ ক্রয়-বিক্রয় হয়। কিন্তু এগুলিকে আমাদের চার রকমের মিশ্রণ বা মধ্যবর্তী ধরনের রাষ্ট্র বলতে পারি। এদের দৃষ্টান্ত গ্রীক এবং বর্বর—সমস্ত জাতির মধ্যেই পাওয়া যায়।

    গ্লকন বললেন : হ্যাঁ, বর্বরদের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার অদ্ভুত ধরনের সরকারের অস্তিত্বের কথা শোনা যায়।

    কিন্তু একটা জিনিস কি তুমি খেয়াল করেছ? সরকারের চরিত্রের এই যে বিভিন্নতা, তা তার মানুষের চরিত্রের বিভিন্নতার উপর নির্ভর করে। তুমি বলতে পার : যত-প্রকারের মানুষ, তত প্রকারের সরকার। কারণ, আমরা এমন তো বলতে পারিনে যে, রাষ্ট্র কাঠ আর পাথর দিয়ে তৈরি, মানুষ দিয়ে নয়। বস্তুত রাষ্ট্রের নিয়ামক মানুষ। পাল্লার ভারসাম্য সেইই ঘুরিয়ে দেয় এবং অপর সবকিছুকে সেইই নিয়ন্ত্রণ করে।

    একথা সত্য। যেমন মানুষ, তেমন রাষ্ট্র। মানুষের চরিত্রের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রের চরিত্র।

    আর তাই তুমি যদি বল রাষ্ট্রের প্রকার পাঁচটি তা হলে মানুষের চরিত্রের প্রকারও হবে পাঁচটি।

    অবশ্যই।

    অভিজাততন্ত্র বা সর্বোত্তম শাসনের যারা বাহক এবং যাদের আমরা ন্যায়পরায়ণ এবং উত্তম বলে বিবেচনা করি সে-চরিত্রের বিবরণ আমরা পূর্বেই দিয়েছি।*

    [* যে-আদর্শ রাষ্ট্রের বর্ণনা সক্রেটিস পূর্বে দিয়েছেন বর্তমানে অভিজাততন্ত্র বা সর্বোত্তমের শাসন বলতে সেই আদর্শ রাষ্ট্রকে বোঝান হচ্ছে।]

    হ্যাঁ, সে-চরিত্রের বিবরণ আমরা দিয়েছি।

    এবার অধম চরিত্রের মানুষের বর্ণনা আমাদের দিতে হবে। অধম চরিত্রের মধ্যে কলহপরায়ণ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী চরিত্রের প্রকাশ পাই আমরা স্পার্টার শাসনব্যবস্থায়। এ ছাড়া কতিপয়তন্ত্রের বাহক যে চরিত্র এবং গণতন্ত্রের এবং স্বৈরতন্ত্রের যারা বাহক তাদের চরিত্রের বিবরণও আমাদের দিতে হবে। এসো, আমরা সর্বোত্তমকে সর্বাধমের পাশে স্থাপন করি। পাশাপাশি রেখে এই তুলনায় আমরা দেখতে পাব, পরিপূর্ণ ন্যায়ের ভিত্তিতে জীবন যে যাপন করছে এবং যে পরিপূর্ণ অন্যায়ের ভিত্তিতে জীবনযাপন করছে, তাদের কার সুখের পরিমাণ কত? কে যথার্থ সুখী? এই প্রশ্নের জবাব পেলে আমাদের অনুসন্ধানেরও শেষ হবে। তখন আমরা বুঝতে পারব, থ্রাসিমেকাস যেরূপ বলেছেন আমাদের কি সেইরূপ, অন্যায়কে অনুসরণ করাই সঙ্গত হবে, না যুক্তির ভিত্তিতে ন্যায়ের পক্ষ গ্রহণ করা আমাদের উচিত হবে?

    তোমার প্রস্তাবমতোই আমাদের অগ্রসর হওয়া উচিত।

    কিন্তু আমাদের অগ্রসর হওয়ার পদ্ধতিটি কী হবে? স্পষ্টতার কারণে আমরা আগে যেরূপ রাষ্ট্রকে প্রথম বিবেচনা করে পরে ব্যক্তির বিবেচনায় অগ্রসর হয়েছিলাম এবারও কি আমরা সেই পদ্ধতি অনুসরণ করব? এবং ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষার’* সরকার নিয়ে যাত্রা শুরু করব? এর অপর কোনো উপযুক্ত নাম পাওয়া মুশকিল। এই সরকারের সঙ্গে আমরা এর বাহক ব্যক্তির চরিত্রের তুলনা করে দেখব। এর পরে আমরা কতিপয়তন্ত্র এবং তার প্রতিভূ চরিত্রের আলোচনা করব। গণতান্ত্রিক সরকার এবং গণতান্ত্রিক ব্যক্তির চরিত্রের আলোচনা এর পরে আসবে। পরিশেষে আমরা স্বৈরতান্ত্রিক নগরীর চিত্র প্রত্যক্ষ করব এবং স্বৈরতান্ত্রিক ব্যক্তির আত্মাকে বিশ্লেষণ করব এবং এই পদ্ধতিতে আমাদের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগ্রহণে আমরা সাক্ষম হব। এ-বিষয়ে তোমার কী মনে হয় গ্লকন?

    [‘উচ্চাকাঙ্ক্ষার’ সরকার : ইংরেজি অনুবাদে ‘টিমার্কি’ বা টিমোক্রাসি’ (timarchy. ti- mocracy) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু ‘অলিগার্কি’, ‘ডিমোক্রাসি’ এবং ‘টিরানী’র ন্যায় ‘টিমোক্রাসি’ কোনো পরিচিত শাসনব্যবস্থা নয়। প্লেটার বর্ণনানুযায়ী এক শব্দে একে উচ্চাকাঙ্ক্ষা, উচ্চাভিলাষ বা উচ্চ সম্মানলাভের সরকার বলে অভিহিত করা চলে।]

    বিষয়টির বিবেচনা সম্পর্কে তুমি যেরূপ বলেছ তা-ই সবচেয়ে উপযুক্ত হবে বলে আমি মনে করি।

    তা হলে এসো, আমরা প্রথমে দেখি অভিজাততন্ত্র বা সর্বোত্তমের শাসন থেকে উচ্চাভিলাষতন্ত্রের উদ্ভব কেমন করে ঘটে। বস্তুত, সকল রাজনৈতিক পরিবর্তনেরই মূল হচ্ছে ক্ষমতাসীন শাসকশক্তির নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্ব। কারণ, যে-সরকার ঐক্যবদ্ধ সে যতই ক্ষুদ্রাকার হোক তাকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

    গ্লকন বললেন, খুবই সত্য কথা।

    তা হলে আমাদের রাষ্ট্রের পরিবর্তনের মূল কোথায় থাকতে পারে বলে আমরা মনে করি? আমাদের রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এবং শাসক—এই দুই শ্ৰেণী নিজেদের মধ্যে কিংবা একে অপরের সঙ্গে কি বিরোধ শুরু করবে? বিরোধের উদ্ভব কেমন করে ঘটে তা যদি আমরা না জানি তা হলে হোমারের মতো আমরাও কি কাব্য এবং সঙ্গীতের দেবীর নিকট ‘বিরোধের আদি সূত্রপাতের’ রহস্যটি খুলে বলার জন্য প্রার্থনা জানাব? আমাদের এ-প্রার্থনার জবাবে দেবতাদের প্রকাশ ভঙ্গিটিকে আমরা কল্পনা করতে পারি। তারা হয়তো আমাদের শিশুর মতো গণ্য করে একদিকে কৌতুকে ফেটে পড়বে, অপরদিকে গাম্ভীর্যের ভাব নিয়ে গুরুতর এবং বিষাদাত্মক সুরে আমাদের উদ্দেশ করে বলবে–।

    আমাদের তারা কী বলবে?

    তারা বলবে : ‘যে-নগরী তোমরা এমন করে রচনা করেছ তাকে নড়ায় এমন সাধ্য কার! তবে শুরু যার আছে, তার যখন একটা শেষও আছে, তখন তোমাদের আদর্শ ব্যবস্থাটিও চিরস্থায়ী হবে, এমন মনে করা তো সম্ভব হচ্ছে না। পরিশেষে এও লয়প্রাপ্ত হবে। আর সে-বিলয়ের বলয়টি এরূপই হবে : মাটির উদ্ভিদ আর প্রাণী, তাদের দেহ নিজ জীবনবৃত্তের পরিধির সমাপ্তির সঙ্গে যুক্ত। যার বৃত্ত যখন সমাপ্ত হবে, তার জীবন তখন লয়প্রাপ্ত হবে। তাই যে-জীবনবৃত্তের পরিধি ক্ষুদ্র সে ক্ষুদ্র সময়েই শেষ হয়ে যায় এবং যার পরিধি বৃহত্তর তার জীবনকালও অধিকতর। কিন্তু তোমাদের নগরীর শাসকদের জন্ম-মৃত্যুর জ্ঞান যতই হোক-না কেন, ভ্রান্তির বিরুদ্ধে তাকে রক্ষা করতে তারা সক্ষম হবে না। এবং সেই অজ্ঞানতায় নগরীতে এমন সন্তানের জন্ম ঘটবে যে-সন্তান বাঞ্ছিত নয়। কারণ, তোমরা তো জান না, স্বর্গীয় সন্তান-উৎপাদনের নিয়ামক হচ্ছে একটি স্বর্গীয় সংখ্যা। আর মানুষের সন্তানের জন্মের নিয়ামক হচ্ছে এমন একটি সংখ্যা যে কয়েকটি মৌলিক সংখ্যার মূল এবং বর্গের গুণনে সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য, বৃদ্ধি এবং হ্রাসের সমানুপাতের মিশ্রণে অন্তিমে সাধারণ পরিমাপের একটি পরিফল সৃষ্টি করে। এই মৌলিক সংখ্যার মধ্যে ৪ এবং ৩, ৫-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে যখন চতুর্থ ঘাতে উন্নীত হয়, তখন এরা দুটি ঐক্যের সৃষ্টি করে। এর একটি হচ্ছে শতকের গুণিতকের বাহুসমন্বিত বর্গক্ষেত্র। অপরটি হচ্ছে এমন একটি আয়তক্ষেত্র যার একটি বাহু হচ্ছে একটি বর্গক্ষেত্রের পঞ্চম বাহুর বর্গক্ষেত্রের ব্যাসের এমন শতবর্গক্ষেত্র যার কোনো-একটির ব্যাসের মধ্যে অসঙ্গতি ঘটলে তার সংখ্যা একটি করে হ্রাস প্রাপ্ত হয় এবং সঙ্গতিপূর্ণ হলে তার সংখ্যা দুটি করে হ্রাসপ্রাপ্ত হয় এবং যে-আয়তক্ষেত্রের আর-একটি বাহু হচ্ছে সখ্যা ৩-এর একশত ঘনক।*

    [* মানুষের উত্তম সন্তান উৎপাদনের এই সংখ্যার হিসাব দুর্বোধ্য। আদর্শ রাষ্ট্রে ভ্রান্তি কীভাবে সৃষ্টি হতে পারে তার ব্যাখ্যার সূচনাতে সক্রেটিস দেবতাদের বর্ণিত এই সংখ্যারহস্যের উল্লেখ করেছেন। একে সক্রেটিসের কথামতো দেবতাদের পরিহাস বলেও গণ্য করা যায়। তবে এর মধ্যে প্রাচীন গ্রীসে পাইথাগোরাসের সংখ্যার রহস্যময় দর্শনের প্রভাবের একটি আভাস পাওয়া যায়।]

    ‘কাজেই মনুষ্যজাতি! তোমরা অনুধাবন করো : এই সংখ্যাই হচ্ছে তোমাদের জন্মের নিয়ামক। এই সংখ্যার ভিত্তিতে জন্মের উত্তম-অধম নির্দিষ্ট হয়। তোমাদের রাষ্ট্রের শাসকবর্গ যখন এই সংখ্যার মাহাত্ম্য বিস্মৃত হবে তখন তারা নারী এবং পুরুষের অবাঞ্ছিত মিলনের অনুমতি দান করবে এবং এই মিলনজাত সন্তানরা কোনো মহৎ গুণে গুণী হবে না। কালক্রমে যখন এদের মধ্য থেকেই ‘সর্বোত্তমদের’ বাছাই করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিযুক্ত করা হবে, তখন তারা যথার্থভাবে এ-দায়িত্বে উপযুক্ততার কোনো পরিচয় দিতে সক্ষম হবে না। আর তাই তাদের পিতাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে যখন তারা অধিষ্ঠিত হবে তখন শাসক হয়েও তারা কর্তব্যে অবহেলা করবে, মানসিক এবং দৈহিক শিক্ষার মর্যাদা দানে তারা ব্যর্থ হবে। ফলে রাষ্ট্রের তরুণসম্প্রদায় যথার্থ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে না। আর এই অধম শিক্ষায় শিক্ষিত বংশধরদের মধ্য থেকে যখন শাসক নিযুক্ত হবে, তখন তারা আর যথার্থ অভিভাবকদের ন্যায় উত্তম এবং অধম ধাতুতে তৈরি বিভিন্ন শ্রেণীর নাগরিকের মধ্যে কোনো পার্থক্য উপলব্ধি করতে সক্ষম হবে না। স্বর্ণ, রৌপ্য, পিত্তল এবং লৌহের ভেদাভেদ তারা বিস্মৃত হবে। হিসিয়ড যেমন বলেছেন, তেমনিভাবে তখন লৌহ এবং রৌপ্য কিংবা পিত্তল বা স্বর্ণের মিশ্রণে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং অপূর্ণ বস্তুর সৃষ্টি হবে এবং তাদের অসঙ্গতি এবং অনিয়মের কারণে যুদ্ধ এবং ঘৃণা ও সংঘাতের বিস্ফোরণ অনিবার্য হয়ে উঠবে।’ গ্লকন, বিরোধের উৎপত্তি সম্পর্কে দেবতাদের জবাব নিশ্চয়ই এরূপ হবে।

    গ্লকন বললেন : আমরা তাদের এ-জবাবকে সত্য বলেই গ্রহণ করতে পারি।

    দেবতাদের মুখনিঃসৃত যখন, তখন এ অবশ্যই সত্য হবে।

    কিন্তু দেবতাদের এর পরের বক্তব্য কী?

    পরের বক্তব্য হবে : একবার যখন অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গেছে তখন তার গতি বিরামহীন। এবার দুটি চরিত্র বিপরীত দিকে নাগরিকদের আকর্ষণ করতে চাইবে। লৌহ এবং পিত্তল আকর্ষণ করবে ব্যক্তিগত মুনাফা এবং জমি এবং গৃহাদি এবং স্বর্ণ-রৌপ্যের অলঙ্কারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি অর্জনের দিকে; অপরদিকে রৌপ্য এবং স্বর্ণ-চরিত্র তাদের আত্মার সম্পদের গুণে আকর্ষণ করবে ধর্ম এবং প্রতিষ্ঠিত শৃঙ্খলার দিকে। উভয় চরিত্রের এই দ্বন্দ্বের একটা সমাধান ঘটবে আপোসের মধ্যে। আপোসের ভিত্তিতে যৌথ সম্পত্তির স্থানে এবার জমি এবং গৃহাদিতে ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে আর শাসক এবং শাসিতের সম্পর্ক পূর্বে যেখানে ছিল স্বাধীন নাগরিক এবং সুহৃদের সম্পর্ক এবং যে-নাগরিকদের উপর শাসকগণ নির্ভর করত নিজেদের ভরণপোষণের জন্য, সেখানে শাসিত এবার শাসকের ভূমিদাস এবং গৃহভৃত্যে পর্যবসিত হবে। শাসকগণ এবার নিজেদের ব্যাপৃত রাখবে যুদ্ধে এবং রাষ্ট্রের নাগরিকদের অবদমনে।

    গ্লকন বললেন : আমারও তা-ই মনে হয়। পরিবর্তন এভাবেই শুরু হয়। এর ফলে যে-সরকারের উদ্ভব ঘটবে তাকে আমরা কি আমাদের আদর্শ রাষ্ট্র অর্থাৎ অভিজাততন্ত্র এবং কতিপয়তন্ত্র—এই দুই-এর মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করতে পারিনে?

    হ্যাঁ, এরূপ সরকারের অবস্থান এখানেই স্বাভাবিক।

    তা হলে এই পরিবর্তন সংঘটিত হবে। কিন্তু এই পরিবর্তনের পরের ঘটনা কীরূপ ঘটবে? এটা পরিষ্কার যে, পরিবর্তনের ফলে যে-রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে, যেহেতু সে-রাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে কতিপয়তন্ত্র এবং আদর্শ রাষ্ট্রের মধ্যস্থলে, সে-কারণে তার চরিত্রে যেমন প্রকাশ পাবে কতিপয়তন্ত্রের বৈশিষ্ট্য, তেমনি থাকবে তাতে আদর্শ রাষ্ট্রেরও কিছু বৈশিষ্ট্য। আর এ ছাড়া কিছু বিশেষ চরিত্রের সাক্ষাও আমরা এ-ব্যবস্থায় লাভ করব।

    তুমি ঠিকই বলেছ।

    এই বৈশিষ্ট্যের সাক্ষাৎ পাব আমরা শাসকদের প্রতি সম্মান-প্ৰদৰ্শনে, যোদ্ধাশ্রেণীর কৃষি, হস্তশিল্প, এবং সাধারণভাবে ব্যবসায়বৃত্তি গ্রহণ থেকে বিরত থাকার মধ্যে এবং খাদ্যগ্রহণের যৌথ ব্যবস্থায় এবং শরীরচর্চা এবং সামরিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব প্রদানে। এসব ক্ষেত্রে কতিপয়তন্ত্রের সঙ্গে এর সাদৃশ্য লক্ষণীয়।

    হ্যাঁ। এসব ক্ষেত্রে কতিপয়তন্ত্রের সঙ্গে মিল আছে।

    অপরদিকে আবার দার্শনিকদের হাতে শাসনের ক্ষমতাদানে এই ব্যবস্থার ভীতিতে এবং দার্শনিকদের স্থানে শান্তির বদলে যুদ্ধের প্রবণতা যাদের অধিক তেমন আবেগপ্রবণ এবং অগভীর চরিত্রের লোকদের প্রতি এই ব্যবস্থার আকর্ষণে এবং সামরিক কলাকৌশল এবং বিরামহীন যুদ্ধপরিচালনার উপর অধিক মূল্য আরোপে এই রাষ্ট্রে কতকগুলি বিশেষ চরিত্রের উদ্ভব ঘটে।

    হ্যাঁ, একথা ঠিক।

    আর এই চরিত্রের যে-মানুষ তারা অবশ্যই কতিপয়তন্ত্রের শাসকদের ন্যায় অর্থলোভী হয়ে দাঁড়াবে। বাহ্যত না হলেও এই রাষ্ট্রের শাসকগণের মনে স্বর্ণ এবং রৌপ্যের জন্য একটা গোপন আকর্ষণ বিরাজ করবে। তাই তারা এই সমস্ত সম্পদ গোপনে গুপ্ত স্থানে সঞ্চয় করতে থাকবে। এবং শাসকরা নিজেদের সম্পদ জমা রাখার জন্য গোপন কোষাগার এবং অস্ত্রাগার তৈরি করবে। তারা দুর্গও তৈরি করবে এবং তাকে হারেমে পরিণত করে তাদের স্ত্রী এবং প্রিয়পাত্রীদের উপর বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে থাকবে।

    নিঃসন্দেহে এই রাষ্ট্রের শাসকগণ এরূপই করবে।

    আর এদের চরিত্রে কার্পণ্যও স্পষ্ট হয়ে দেখা দেবে। কারণ, যে-অর্থে তাদের লালসা সে-অর্থ প্রকাশ্যে অর্জিত হতে পারে না। তা অর্জিত হবে গুপ্তভাবে। তারা অপরের অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেদের বিলাস-উপভোগে ব্যয় করবে। বস্তুত তারা অপরের আনন্দ অপহরণ করে দুষ্ট বালকের ন্যায় তাদের পিতামাতা এবং আইনের দত্তকে উপেক্ষা করে। কারণ, এদের শিক্ষা সুকুমার চরিত্রের প্রভাবে হয়নি। মানুষের যথার্থ যে শিক্ষক—যুক্তি এবং দর্শন, তাকে এরা অবজ্ঞা করেছে। এরা শিক্ষিত হয়েছে শক্তির প্রভাবে এবং এরা অধিক মূল্যবান মনে করেছে সঙ্গীতকে নয়, শরীরচর্চাকে।

    গ্লকন বললেন : সক্রেটিস, তুমি যে-প্রকার সরকারের বিবরণ দিচ্ছ, নিঃসন্দেহে এ-শাসনে উত্তম এবং অধমের মিশ্রণ ঘটেছে।

    হ্যাঁ গ্লকন, মিশ্রণ আছে ঠিকই। কিন্তু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এই শাসকদের চরিত্রের একটি দিক। অর্থাৎ তাদের অন্তর্বিরোধ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার দিকটিই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। আর এর কারণ হচ্ছে এদের চরিত্রে সাহস, অর্থাৎ তেজের উপাদানের আধিক্য।

    অবশ্যই।

    এরূপ রাষ্ট্রের উদ্ভব তা হলে এমনি করে ঘটে এবং তার চরিত্রের বৈশিষ্ট্যও হচ্ছে এরূপ। আমি অবশ্য এর বহিঃরেখাটি মাত্র উপস্থিত করেছি। এর অধিক বিবরণের আবশ্যকতা নেই। কারণ, এই খসড়ার মধ্য দিয়েই সর্বোত্তম চরিত্রের এবং সর্বাধম চরিত্রের বৈশিষ্ট্য আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কোনো রাষ্ট্রকে বাদ না দিয়ে সব রাষ্ট্রের বিবরণদান এবং সবরকম রাষ্ট্রের প্রতিভূ-চরিত্রের পরিচয়দানে আমাদের অশেষ পরিশ্রমই কেবল ব্যয়িত হবে।

    হ্যাঁ, একথা ঠিক।

    কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে : এই ধরনের সরকারের প্রতিভূ যে-মানুষ তার চরিত্র কীরূপ। তার জন্ম এবং বৃদ্ধি কী করে ঘটে?

    এ্যাডিম্যান্টাস বলে উঠলেন : আমার তো মনে হয় তুমি তার চরিত্রে বিরোধের যে-উপদানের উল্লেখ করেছ, সক্রেটিস, তাতে এই রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বমূলক চরিত্রটি আমাদের বন্ধু গ্লকন থেকে তেমন পৃথক কিছু হবে না।

    আমি বললাম : সেই একটি বিষয়ে গ্লকনের সঙ্গে তার মিল থাকতে পারে, কিন্তু অপরদিকে তার চরিত্র অবশ্যই ভিন্ন।

    কোনদিকে সে ভিন্ন?

    এই রাষ্ট্রের বাহক-ব্যক্তির চরিত্রে অবশ্যই যেমন একদিকে অধিকতর আত্মপ্রতিষ্ঠার ভাব থাকবে, তেমনি তার পরিশীলনের মান অনেক কম হবে। তবু সে সংস্কৃতির একজন সুহৃদ হবে, এ কথা আমরা বলতে পারি। অপরের কথা শ্রবণ করার ক্ষমতাটি তার প্রশংসানীয় কিন্তু নিজে বক্তা হিসাবে তেমন কিছু নয়। এমন চরিত্রের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই যে, অশিক্ষিতের মতো তার দাসের সঙ্গে রূঢ় ব্যবহারে সে বেশ দক্ষতা দেখায়। কোনো শিক্ষিত লোক এরূপ করবে না। কারণ এরূপ রূঢ় ব্যবহারকে সে তার শিক্ষার অনুপযুক্ত বলে বিবেচনা করে। কিন্তু সে স্বাধীন নাগরিকদের প্রতি বেশ সৌজন্যপরায়ণ এবং ক্ষমতাবানদের প্রতি বিশেষভাবে অনুগত; মোটকথা, শক্তির সে ভক্ত এবং সম্মানের সে যাচনাকারী। শাসক হওয়ার দাবি তার বাগ্মিতা কিংবা অন্য কোনো গুণের কারণে নয়। শাসক হওয়ার দাবি তার যোদ্ধা হিসাবে তার দক্ষতার জন্য। আর তাই সে শরীরচর্চা এবং পশ্চাদ্ধাবনের কৌশলকে বিশেষ পছন্দ করে।

    গ্লকন বললেন : উচ্চাভিলাষতন্ত্রের পরিপোষক চরিত্র এরূপই হবে।

    এরূপ যে-চরিত্র, সে সম্পদকে অপছন্দ করে কেবল তখন, যখন সে বয়সে তরুণ থাকে। কিন্তু তার বয়স যত বৃদ্ধি পেতে থাকে তত সে অর্থ এবং সম্পদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওঠে। কারণ তার চরিত্রের মধ্যে লোভের উপাদান রয়েছে। ধর্ম বা মহৎ গুণের প্রতি সে একনিষ্ঠ থাকতে পারে না, কারণ তার পরম হিতাকাঙ্ক্ষী যে-অভিভাবক তাকে সে পরিত্যাগ করেছে।

    এ্যাডিম্যান্টাস জিজ্ঞেস করলেন : কে তার পরম হিতাকাঙ্ক্ষী অভিভাবক ছিল?

    সঙ্গীতমিশ্রিত দর্শন ছিল তার হিতকাঙ্ক্ষী অভিভাবক। যে-মানুষের মধ্যে এই হিতাকাঙ্ক্ষী আশ্রয় গ্রহণ করে তাকে সে জীবনব্যাপী রক্ষা করে। তার ধর্মের সেইই একমাত্র রক্ষক।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : উত্তম কথা।

    আমি বললাম : তা হলে এই চিত্রটিই হচ্ছে উচ্চাভিলাষী তরুণের চিত্র। যেমন রাষ্ট্র তেমন তার নাগরিক। উচ্চাভিলাষী রাষ্ট্রের অনুরূপ হচ্ছে উচ্চাভিলাষী তরুণের চরিত্র।

    হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ, সক্রেটিস।

    এমন তরুণের উদ্ভবটি আমরা বর্ণনা করে বলতে পারি প্রায়শ একটি সুশাসিত নগরীর সাহসী পিতার সে সন্তান। তার পিতার বৈশিষ্ট্য এই যে, পিতা নির্বিবাদী লোক। রাষ্ট্রীয় সম্মান বা দায়িত্বকে সে অবাঞ্ছিত বলে পরিহার করেছে। কোনো উপদ্রবের মধ্যে জড়িত হওয়াকে সে পছন্দ করে না। তাই কোনো বিষয়ে আইন-আদালতের সে শারণাপন্ন হয়নি। নিজের প্রাপ্য অধিকারকেও সে উপদ্রব থেকে রেহাই পাবার আশায় পরিত্যাগ করেছে।

    কিন্তু তার সন্তানের চরিত্র এরূপ হল কীভাবে?

    পুত্রের চরিত্রে এর প্রভাব তখন থেকেই পড়তে শুরু করে যখন ছেলে দেখে, মা বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলছে : ‘সরকারে তোমার কোনো জয়গা নেই, তাই তো মেয়েদের মহলেও আমার কোনো মান নেই।’ তাছাড়া স্ত্রী যখন দেখে তার স্বামীর অর্থের প্রতি আগ্রহ নেই, আইন-আদালত কিংবা জনসভায় তর্ক-লড়াই-বাগ্মিতার কসরত না করে সামান্য যে-অর্থ পায় তা-ই সে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে, যখন সে দেখে তার স্বামীর চিন্তা তার নিজেতেই কেন্দ্রীভূত এবং সে তার কাছ থেকে নিস্পৃহতা বাদে কিছু লাভ করে না, তখন সে ক্ষুব্ধ হয়ে তার পুত্রকে বলে : ‘তোমার বাপ পুরো মানুষই নয়। সে জীবনটাকে নিয়েছে অতি সহজ ভাবে।’ এই বলে স্বামীর বিরুদ্ধে অপর সকল অভিযোগেরই সে পুনরাবৃত্তি করতে থাকে। কারণ, স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগের পুনরাবৃত্তি মেয়েদের বিশেষ প্রিয় বিষয়।

    এ্যাডমিন্টাস বললেন : হ্যাঁ, আমাদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগের অন্ত নেই। আর তাদের অভিযোগ তাদের চরিত্রেরই প্রতিফলন।

    তা ছাড়া তুমি জান, পুরনো গৃহভৃত্য যাদের আমরা প্রভুর গৃহের প্রতি অনুরক্ত বলে মনে করি তারাও সময়ে সময়ে গোপনে পুত্রের কাছে একই সুরে প্রভুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ করে। এরূপ ভৃত্যরা যদি দেখে যে, তার প্রভুর কাছে অর্থের দায়ে যারা ঋণী তারা তাদের দেয় ঋণ পরিশোধ করছে না কিংবা অন্য উপায়েও তাকে প্রতারিত করছে তবু তার প্রভু প্রতারকদের বিরুদ্ধে আদলতে নালিশ করে কোনো প্রতিবিধানের ব্যবস্থা করছে না, তখন সে পুত্রকে বলে : ‘আপনি আপনার পিতার মতো না হয়ে শক্ত হবেন এবং এই ধরনের প্রতারকদের বিরুদ্ধে আপনি কঠিন প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন।’ কেবল গৃহভৃত্যের নিকট নয়, পুত্র যেখানে যায় সেখানেই সে পিতার বিরুদ্ধে অনুরূপ কথাই শুনতে পায়। সে দেখে, নগরীতে যারা নিজের কর্তব্য পালন করে তারা সম্মানের পাত্র নয়। তাদের মনে করা হয় নির্বোধ। আর যারা ব্যস্তসমস্ত ফোপরদালাল তারাই সবার বাহবা লাভ করে। তারাই সম্মানিত হয়। তরুণ পুত্র একদিকে দেখে তার পিতার বিরুদ্ধে সাধারণের এমনি অভিযোগ; অপরদিকে পুত্র হিসাবে অধিকতর ঘনিষ্ঠভাবে সে তার পিতার অভিমতকে জানে। পুত্র এই উভয় অভিজ্ঞতাকে তুলনা করে এবং দেখতে পায়, তার পিতা যখন নিজের মনে যুক্তিকে প্রধান বলে গণ্য করছে এবং যুক্তির নীতিকে লালন করছে তখন অপর সকলের কাছে প্রধান হচ্ছে ব্যক্তিগত স্বার্থ। সেই ব্যক্তিগত স্বার্থসাধনেরই তারা চেষ্টা করছে। এমন অবস্থায় দুই বিপরীত আকর্ষণ সে বোধ করে। পুত্রের নিজের চরিত্র গোড়াতে খারাপ ছিল না। কিন্তু সকল অসৎসঙ্গের সম্মিলিত প্রভাব তাকে দূরে সরিয়ে এনে দুই বিপরীত আকর্ষণের মধ্যবিন্দুতে স্থাপিত করে। পুত্র এবার তার অন্তরের সৎ-এর রাজ্য পরিত্যাগ করে বিরোধ এবং লোভের কেন্দ্রবিন্দুকে বরণ করে এবং পরিণামে অহংকারী এবং উচ্চাভিলাষী এক চরিত্রে পরিণত হয়।

    এ্যাডম্যান্টাস বললেন : উচ্চাভিলাষী রাষ্ট্রের উচ্চভিলাষী তরুণের উদ্ভব এবং বিকাশকে তুমি সঠিকভাবে বর্ণনা করেছ সক্রেটিস।

    তা হলে আমরা দ্বিতীয় প্রকারের* সরকার এবং দ্বিতীয় প্রকার চরিত্রের পরিচয় পেলাম।

    [* প্রথম প্রকারের সরকার হচ্ছে প্লেটোর আদর্শ রাষ্ট্র। আদর্শ রাষ্ট্রকে অভিজাততন্ত্র বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম প্রকার চরিত্র হচ্ছে দার্শনিক শাসকের চরিত্র।]

    হ্যাঁ, আমরা এদের পরিচয় পেলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }