Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১. ন্যায়ের সংজ্ঞা : আলোচনার সূত্রপাত

    অধ্যায় : ১ [৩২৭–৩৩১]

    ন্যায়ের সংজ্ঞা : আলোচনার সূত্রপাত
    সিফালাসের অভিমত : কথায় ও কাজে সততাই হচ্ছে ন্যায়

    ‘রিপাবলিক’ সংলাপের প্রধান কথক সক্রেটিস। ইতিপূর্বে সংঘটিত ঘটনার বর্ণনা হিসাবে সক্রেটিস তাঁর নিজের আলাপ এবং অন্যান্য চরিত্রের অংশগ্রহণকে এখানে পেশ করছেন। কল্পনা করা যেতে পারে যে, সংলাপের নীরব শ্রোতাও আছেন। তাঁদের সংখ্যা কিংবা অংশগ্রহণের কোনো উল্লেখ নেই। সক্রেটিসের সঙ্গে প্রশ্ন এবং জবাব কিংবা টিপ্পনী কাটার মাধ্যমে যেসব চরিত্র সংলাপে অংশগ্রহণ করছেন তাদের মধ্যে আছেন : গ্লকন এবং অ্যাডিম্যান্টাস (প্লেটোর দুই জ্যেষ্ঠ সহোদর), সিফালাস, সিফালাসের দুই পুত্র পলিমারকাস এবং লিসিয়াস, ইউথিডেমাস, ক্লিটোফন এবং চ্যালসেডনের থ্র্যাসিমেকাস। ইনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষক বা সফিষ্ট। এ ছাড়া সক্রেটিসের তরুণ শিষ্যরাও আছে। সংলাপটির স্থান ছিল এথেন্সের নিকটবর্তী পাইরিউস বন্দরে প্রবীণ বণিক সিফালাসের গৃহ। বেন্দি দেবীর উদ্দেশে অনুষ্ঠিত বলিদান উপলক্ষে একটি সমাবেশ ঘটেছিল সে-সমাবেশের উল্লেখ সংলাপের শুরুতে পাওয়া যায়। সিফালাস ব্যবসায়-বাণিজ্যে ধন লাভ করেছেন যথেষ্ট। কিন্তু তিনি অর্থসম্পদকে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য বলে গণ্য করেন না। অর্থ ও সম্পদ জীবনের প্রয়োজন মাত্র। তাঁর মতে অর্থ ও সম্পদের মূল্য হচ্ছে এই যে, অর্থ ও সম্পদ ব্যক্তির মনে শান্তির সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু শান্তির মূল উৎস সততা এবং দেবতা কিংবা মানুষ যার যা প্রাপ্য তা পরিশোধের দাযিত্ববোধ। তাঁর মতে “সম্পদের যেটা বড় আশীর্বাদ সে হচ্ছে উত্তম ও সৎ-কে এই অভয়দান যে, ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় কাউকে প্রতারণা কিংবা বঞ্চিত করার কোনো কারণ তার ঘটেনি।” কিন্তু আলোচনাটি সম্পদের লাভালাভে সীমাবদ্ধ থাকল না। সক্রেটিসের কথায় : “তুমি ঠিকই বলেছ, সিফালাস। এর চেয়ে সম্পদের বড় আশীর্বাদ আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু তা হলে ন্যায় সম্পর্কে আমরা কী বলব? সত্যকথন কিংবা ঋণ-পরিশোধকে কি আমরা ন্যায় কিংবা ধর্মের সংজ্ঞা বলে নির্দিষ্ট করতে পারি?” কাজেই বর্তমান সংলাপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ন্যায়। এবং সক্রেটিস অধিক বিলম্ব না করে তাকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু করে তুললেন।

    .

    এরিসটনের পুত্র গ্লকনকে সঙ্গী করে গতকাল আমি পাইরিউস গিয়েছিলাম। পাইরিউস যাবার আমার দুটো উদ্দেশ্য ছিল। প্রথমত, পাইরিউস মন্দিরের অধিশ্বরীকে[১] আমার পূজার্চনা পেশ করা; দ্বিতীয়ত এখানকার উৎসবটি কী করে অনুষ্ঠিত হয় সেটি দেখা। এই উৎসবটির প্রচলন এখানে নূতন। এজন্য এর অনুষ্ঠানটি দেখার আমার বিশেষ আগ্রহ ছিল। স্থানীয় অধিবাসীগণের শোভাযাত্রাটি আমার মনে প্রকৃতই আনন্দের সঞ্চার করেছে। থ্রেসবাসীদের ক্রীড়াকৌশল দেখেও আমি চমৎকৃত হয়েছি। বস্তুত ক্রেসবাসীদের প্রদর্শনী অন্যান্যদের চেয়ে অধিকতর চিত্তাকর্ষক না হলেও অপর কারু চেয়ে তারা কিছুতেই কম ছিল না। আর সবার মতই তারাও সুন্দর ক্রীড়াকৌশল দেখিয়েছে।

    আমাদের পূজার্চনা তখন শেষ করেছি; অনুষ্ঠান দর্শনও তখন সমাপ্ত হয়েছে; নগরী লক্ষ্য করে আমাদের বাড়ির পথে আমরা সবেমাত্র চলতে শুরু করেছি—ঠিক সেই মুহূর্তে সিফালাস-পুত্র পলিমারকাস দূর থেকে আমাদের দু’জনকে দেখে ফেললেন। আমাদের দেখতে পেয়েই তিনি তাঁর ভৃত্যকে পাঠিয়ে দিয়ে বললেন, আমরা যেন তাঁর জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি। ভৃত্যটি দৌড়াতে দৌড়াতে পিছন থেকে আমার জোব্বাটির নাগাল পেয়ে তাকে টেনে ধরেই বলে উঠল : হুজুর, প্রভু পলিমারকাস আপনাদের খানিকটা অপেক্ষা করতে বলেছেন।

    আমি পেছনে ফিরে বললাম : কই হে! তোমার মনিব কোথায়?

    বেচারি অনুনয়ের সুরে বলল : এই যে হুজুর তিনি আসছেন। আপনারা একটু অপেক্ষা করলেই তিনি এসে পৌঁছে যাবেন।

    গ্লকন বললেন : বেশ বেশ, আমরা অপেক্ষা করছি।

    কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা পলিমারকাসকে দেখতে পেলাম। শুধু পলিমারকাস নয়, পলিমারকাসের সঙ্গে গ্লকনের ভ্রাতা এ্যাডিম্যান্টাসকে এবং নিসিয়াস-পুত্র নিকারাটাসসহ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী আরও অনেককেই দেখা গেল।

    আমার নিকটবর্তী হয়ে পলিমারকাস বললেন : সক্রেটিস, তোমার সঙ্গীকে নিয়ে তুমি ইতিমধ্যেই শহরে ফিরে চলেছ?

    আমি বললাম : তোমার অনুমান খুব মিথ্যা নয় পলিমারকাস।

    পলিমারকাস আমার কথার জবাবে বলে উঠলেন : কিন্তু সক্রেটিস, আমাদের সংখ্যাটি নিশ্চয়ই তুমি দেখতে পাচ্ছ

    আমি বললাম : নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছি।

    কিন্তু তোমার শক্তি কি আমাদের সবার চাইতে বেশি? যদি তা না হয় তা হলে তুমি একথা ঠিক জেনো যে, তুমি যেখানে রয়েছ সেখানেই তোমাকে থাকতে হবে।

    আমি বললাম : এমন চরম কথা কেন? আমরাও তো আমাদের অবস্থাটি তোমাদের এমনভাবে বুঝিয়ে বলতে পারি যাতে তোমরা অবশ্যই আমাদের চলে যাওয়ার অনুমতি দেবে।

    পলিমারকাস দুষ্টামির ভঙ্গিতে বললেন : কিন্তু বুঝতে আমরা যদি না চাই, বোঝাতে পারবে আমাদের? এমন সাধ্য আছে তোমাদের?

    গ্লকন হাল ছেড়ে বললেন : না না, সে-সাধ্য আমাদের আদৌ নেই!

    : বেশ তা হলে জেনে রাখো, তোমাদের কোনো কথা আমরা আদপেই শুনছিনে।

    এ্যাডিম্যানটাস বললেন : তোমরা কি শোননি রাত্রিবেলা দেবীর উদ্দেশে অশ্বপৃষ্ঠে এক মশাল-মিছিলের অনুষ্ঠান ঘটবে?

    আমি একটু অবাক হলাম : কী বলছ— অশ্বপৃষ্ঠে মশালযাত্রা! এ তো অবশ্যই এক নূতন দৃশ্য। ব্যাপারটি কীরূপ? অশ্বারোহী কি তা হলে মশালসহ দৌড়ে গিয়ে নিজের মশালটি অপর অশ্বারোহীর হাতে পৌঁছে দেবে?

    পলিমারকাস জবাব দিলেন : হ্যাঁ, তা তো বটেই; তা ছাড়া রাত্রে আরও একটি উৎসবের আয়োজন হয়েছে। এটি তোমাদের অবশ্যই দেখা আবশ্যক। এসো আমরা সকলে অপেক্ষা করি। রাত্রির ভোজনের পরেই আমরা উৎসবে যোগদান করব। উৎসব ক্ষেত্রে বিরাট এক তরুণদলও সমবেত হবে। আমাদের সবার মধ্যে তখন একটি উত্তম আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারবে। কাজেই আমাদের অনুরোধ, তোমরা অরসিক হয়ো না। তার বদলে খুশি মনে রাত্রির অনুষ্ঠানের জন্য এখানে অবস্থান করো।

    গ্লকন দেখলেন উপায়ান্তর নেই। তিনি বললেন : তোমরা যখন এত করে বলছ, তখন আমাদের অবস্থান করতেই হয়।

    আমি বললাম, উত্তম গ্লকন। তবে তা-ই হোক।

    এই পরিকল্পনানুযায়ী আমরা সদলবলে পলিমারকাসের গৃহে গিয়ে উপস্থিত হলাম। সেখানে আমরা লীসিয়াস এবং ইউথিডেমাস ভ্রাতৃদ্বয়কে যেমন দেখতে পেলাম, তেমনি তাদের সঙ্গে উপস্থিত দেখলাম চালসিডোনবাসী থ্রাসিমেকাসকে, পিনিয়াবাসী চারমানটাইডিসকে এবং এ্যারিসটোনেমাস পুত্ৰ ক্লিটোফনকেও। পলিমারকাসের পিতা সিফালাসও উপস্থিত ছিলেন। অনেক দিন পরে আজ তাঁকে এই প্রথম দেখলাম। মনে হল সিফালাস ইতিমধ্যে যেন অনেকখানি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন। গদিসজ্জিত একটি আরামকেদারায় সিফালাস তখন উপবিষ্ট। তাঁর মস্তক ঘিরে একটি পুষ্পমাল্য শোভা পাচ্ছিল। বুঝতে পারলাম উৎসব-প্রাঙ্গণে তিনি বলিদানকার্যে নিরত ছিলেন। তাঁর পাশে অর্ধবৃত্তাকারে আরও অনেকগুলি আসনের আয়োজন ছিল। আমরা তাঁর দুপাশে সবাই মিলে আসন গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে সাগ্রহে সম্বোধন করে বললেন :

    সক্রেটিস, তুমি তো আমাকে আর তেমন দেখতে আসো না। দ্যাখো, আমার যদি চলৎশক্তি থাকত এবং নিজেই তোমার কাছে যেতে পারতাম তা হলে আর তোমাকে আসতে বলতাম না। কিন্তু বুঝতেই পারছ আমার এই বয়সে আর আমার পক্ষে শহর পর্যন্ত ধাওয়া করা সম্ভব নয়। তাই বলছি, পাইরিউসে তোমারই আরও বেশি করে আসা উচিত। কারণ, সত্যি করে বলতে কী সক্রেটিস! দেহের শক্তি আর উচ্ছলতা যতই ম্রিয়মাণ হয়ে পড়ছে, ততই আমি যেন তোমাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় অধিকতর আনন্দ এবং আকর্ষণ বোধ করছি। কাজেই আমার এ-অনুরোধটি তুমি প্রত্যাখ্যান কোরো না। আমার এ-গৃহ তোমার বিশ্রামনিবাস হোক, এই আমার অনুরোধ। চারপাশে এই তরুণদল রয়েছে। তাদের তুমি সঙ্গদান কোরো। তোমার আমার পারস্পরিক বন্ধুত্বের বন্ধন তো শুধুমাত্র আজকের কথা নয়। পুরাতন আমাদের বন্ধুত্ব। আমার গৃহে তোমার সঙ্কোচের কোনো কারণ কি থাকতে পারে?

    আমি বললাম : সিফালাস, প্রিয়বরেষু! আমার নিজের কথা বলতে গেলে আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে, বয়সে যাঁরা অভিজ্ঞ তাঁদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনাতেই আমার সর্বাধিক আনন্দ। কেননা আমি মনে করি, বয়সে যাঁরা আমার অগ্রজ তাঁরা জীবনের দীর্ঘতর পথ অতিক্রম করে এসেছেন। সে-পথ হয়তো-বা আমাকেও অতিক্রম করতে হবে। কাজেই আমার প্রয়োজন সেই অগ্রপথিকদের কাছে জিজ্ঞাসা করে জেনে নেওয়া তাঁদের অতিক্রান্ত সে-পথ সহজ, নিরঙ্কুশ অথবা সে দুর্গম কঠিন। তোমার কাছেও আমার সেই জিজ্ঞাসা সিফালাস। কবিরা যাকে বলেন ‘বার্ধক্যের বেলাভূমি’ তুমি আজ সেখানে উপস্থিত হয়েছ। তুমি আমায় বলো, প্রবুদ্ধ! জীবনের দিগন্ত কি সত্যিই দুর্গম?

    : সক্রেটিস, এ-ব্যাপারে আমার নিজের মনোভাবটি তোমায় বলছি। আমার বয়সী যারা—অর্থাৎ আমরা যারা বৃদ্ধ তারা অনেক সময়েই এক ঝাঁকে সমবেত হই। কারণ, প্রবাদের কথায়, আমরা একই পালের পাখি। আমাদের এরূপ সমাবেশে আমি আমার বন্ধুদের নিকট থেকে অভিযোগের সুরে শুনতে পাই, কেউ বলছে, ‘ভাই! আর খেতে পারছিনে’, কেউ বলছে, ‘কোথায় আর জীবনের সেই পানোৎসব; যৌবনের তারুণ্য আর প্রেমের জোয়ার আজ ভাটার টানে পলাতক, বিশুষ্ক। জীবনে একটা দিন এসেছিল বটে, আনন্দের আর প্রেমের। কিন্তু সে আজ অন্তর্হিত, জীবনআজ মৃত।’ কেউ অভিযোগ করে, আত্মজনেরা আজ তাকে অবজ্ঞার চোখে দেখছে, কেউ বলে বার্ধক্যই সব দুঃখের মূল; তাদের দুঃখভরা কন্ঠে যত করুণ কাহিনী বর্ণিত হয় তাদের সবার দায়িত্ব ‘বার্ধক্যের’ কাঁধে গিয়ে বর্তায়। কিন্তু সক্রেটিস, আমার মনে হয় আমার অভিযোগকারী বন্ধুগণ তাদের দুঃখের মূল খুঁজে পাচ্ছে না। বৃথাই তারা বার্ধক্যকে দায়ী করছে। কারণ, বার্ধক্য যদি সব দুঃখের কারণ হত তা হলে বৃদ্ধ আমি এবং বৃদ্ধ আর সকলের মনেই তো একই অভিযোগ আর দুঃখবোধের সৃষ্টি হত। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা এরূপ নয়। এমন কিছু বৃদ্ধ অপর বন্ধুও আমার রয়েছে যাদের অভিজ্ঞতাও এরূপ নয়। সফোক্লিস আজ নয়, বহু বছর পূর্বে এ-প্রসঙ্গে সুন্দর জবাবই দিয়েছিলেন। বৃদ্ধ কবি যখন জিজ্ঞাসিত হলেন : কবি, বলো বার্ধক্যে কি প্রেম সাজে? যে-তরুণ একদিন তুমি ছিলে আজও কি তুমি তা-ই রয়েছ? কবি বললেন : “শান্ত হও! তোমরা যার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করছ আমি যে তার শৃঙ্খলকে এড়াতে পেরেছি তাতেই আমার পরম সন্তোষ। উন্মত্ত আর অমিত সে প্রভু। তার হাত থেকে রেহাই পেয়েছি, মুক্তি পেয়েছি এ-আনন্দই আমার বড়।’ বৃদ্ধ কবির এ-বাণী আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। উক্তির দিনটি থেকে আজ পর্যন্ত কতবার এ-বাণীকে আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছি। এ-বাণীর যথার্থতা উক্তির দিনটির ন্যায় আজও অম্লান। বার্ধক্য সত্যই আমাদের জীবনে একটা শান্তি আর মুক্তির অনুভূতি নিয়ে আসে। সফোক্লিসের বাণীর মর্মানুযায়ী, আমাদের উদগ্র বাসনার বন্ধন যখন শিথিল হয় তখন আমরা যে কেবল একটি দুর্দম প্রভুর দাসত্ব থেকেই মুক্তি পাই তা-ই নয়, আমাদের বশকারী বহু প্রভুর বন্ধন থেকেই আমরা মুক্তির আস্বাদ লাভ করি। সক্রেটিস, এক্ষেত্রে যারা বৃদ্ধ বয়সে আত্মীয়স্বজনদের উপর অবজ্ঞার দোষ আরোপ করে তারাও আসল কারণটিকে নির্ধারণ করতে পারে না। অবজ্ঞাত হওয়ার আসল কারণ বার্ধক্য নয়, আসল কারণ তাদের আপন আপন চরিত্র এবং মেজাজ। কেননা, একথা আমরা জানি, যে চরিত্রে শান্তএবং সুখী, সে তার বয়সের বোঝা আদৌ বোধ করে না। অপরদিকে চরিত্রই যার বিপরীতধর্মী, কী তারুণ্য কী বার্ধক্য সবই তার নিকট ভার হয়ে দাঁড়ায়।

    মুগ্ধ হয়ে আমি সিফালাসের আলোচনাট শুনছিলাম এবং যাতে তিনি তাঁর এই মেজাজটি নিয়ে আরও অগ্রসর হয়ে যেতে পারেন সেজন্য আমি বললাম : তোমার কথা অবশ্যই ঠিক সিফালাস। কিন্তু আমার মনে হয় তোমার এরূপ বক্তব্যের উপর সাধারণ লোক কোনো আস্থা স্থাপন করবে না। কেননা, তারা হয়তো ভাববে যে, বার্ধক্য যদি সিফালাসের নিকট বোঝা বলে অনুভূত হয়ে না থাকে তো সে এজন্য নয় যে সিফালাস প্রকৃতিগতভাবে ধীর, শান্ত ও বিবেচক। আসল কারণ হচ্ছে, সিফালাস অর্থবান, সিফালাস সম্পদশালী। কেননা, লোকে বলে সম্পদই মানুষের মনে শান্তি আনে।

    আমার কথা শুনে সিফালাস বললেন : তুমি ঠিকই বলেছ, সক্রেটিস, সাধারণ লোক আমার কথা বিশ্বাস করে না। এবং আমার সম্পর্কে তাদের বক্তব্য যে একেবারে মিথ্যে একথাও আমি বলছিনে। অবশ্য তাদের কথা যতখানি যথার্থ বলে তারা মনে করে ততখানি যথার্থ নয়। এক্ষেত্রে থেমিসটোক্লিসের ন্যায় আমিও তাদের একটি জবাব দিতে পারি। তুমি জান যে, জনৈক সেরিফিয় তাঁর প্রতি কটূক্তি উচ্চারণ করে বলেছিল যে, থেমিসটোক্লিসের খ্যাতির পেছনে তাঁর নিজের গুণ কিছু নেই; এথেন্সের অধিবাসী বলেই তিনি খ্যাত। সেরিফিয়বাসীর এ উক্তির জবাবে থেমিসটোক্লিস বলেছিলেন : ‘যথার্থ। আর এজন্যেই আমি বলছি যে, তুমি যদি আমার দেশের অধিবাসী হতে, কিংবা আমি তোমার দেশের অধিবাসী হতাম তা হলে তুমি কিংবা আমি কারুর ভাগ্যেই খ্যাতির কোনো প্রসাদই জুটতো না।’ থেমিসটোক্লিসের ন্যায় আমিও যারা সম্পদে বঞ্চিত আর বার্ধক্যে উদ্বিগ্ন তাদের লক্ষ্য করে বলতে পারি : যে নির্ধন কিন্তু সৎ, তার কাছে যেমন বার্ধক্য কোনো বোঝাস্বরূপ বোধ হতে পারে না, তেমনি যে সম্পদে সমৃদ্ধ কিন্তু অসৎ, সে-ও কখনো অন্তরের শান্তি লাভ করতে পারে না।

    আমি বললাম : সিফালাস, আমি কি জিজ্ঞেস করতে পারি তোমার এই সম্পদ সবই কি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত, না তোমার স্বোপার্জিত?

    : সক্রেটিস, অবশ্যই স্বোপার্জিত। কিন্তু তুমি কি যথার্থই জানতে চাও, আমার উপার্জিত সম্পদের পরিমাণ কতখানি? অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে আমাকে তুমি আমার পিতামহ আর পিতার মধ্যবর্তী মনে করতে পার। আমার পিতামহ যাঁর নাম আমি ধারণ করছি তাঁর কথা বললে আমি বলব যে তিনি তাঁর পৈতৃক সম্পদকে দ্বিগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছিলেন। আমার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ যতটুকু, তিনি ততটুকুই মাত্র উত্তরাধিকার হিসাবে লাভ করেছিলেন। কিন্তু আমার পিতা লীসানিয়াস আবার তাকে ক্ষয় করে বর্তমানের চেয়েও নিচে নামিয়ে দিয়েছিলেন। আর নিজের বেলায় আমি বলব যে, যেটুকু আমি পেয়েছিলাম যেন তার কম নয় বরঞ্চ একটু বেশি আমি আমার পুত্রদের জন্য রেখে যেতে পারি। এটুকু হলেই আমি সুখী হব, আমি আর কিছুই চাইব না।

    : আমার জিজ্ঞাসার কারণও তা-ই সিফালাস। কেননা অর্থ এবং সম্পদ সম্পর্কে তোমার যে নিস্পৃহতা দেখা যায় সে-বৈশিষ্ট্য কেবল জন্মগতভাবে প্ৰভূত সম্পদের উত্তরাধিকারীদের চরিত্রেই দৃষ্ট হয়, সম্পদ উপার্জনকারীদের চরিত্রে নয়। অর্থ এবং সম্পদকে যারা নিজেরা উপার্জন করে তারা আপন সৃষ্ট বলে একান্তভাবে ভালোবাসে। তাদের এ-ভালোবাসা হচ্ছে কাব্যের প্রতি কবির কিংবা পুত্রের প্রতি পিতার ভালোবাসারই সদৃশ। অর্থ এবং সম্পদের একটা ব্যবহারিক মূল্য আছে। সেজন্য মানুষমাত্রই তাকে ভালোবাসে। আমাদের সে-ভালোবাসা সাধারণ; কিন্তু সম্পদসর্বস্বদের এই ভালোবাসা অস্বাভাবিক এজন্য এদের সঙ্গ খুব বাঞ্ছনীয় নয়। এরা সঙ্গী হিসাবে পরিত্যাজ্য। কেননা, তাদের পক্ষে কারু সঙ্গে অর্থ এবং সম্পদের প্রশংসা ব্যতীত অপর কোনো আলোচনা করাই সম্ভব নয়।

    সিফালাস বললেন : তোমার একথা যথার্থ সক্রেটিস।

    : হ্যাঁ, একথা অবশ্যই সত্য। কিন্তু তোমার নিকট আমার আর একটি প্রশ্ন রয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, সম্পদ থেকে কী শান্তি তুমি লাভ করেছ?

    সিফালাস বললেন : সম্পদের একটি আশীর্বাদের কথা আমি বলতে পারি। অবশ্য আমি জানি, আমার কথাটি অপরকে সহজে বিশ্বাস করানো সম্ভব নয়। তথাপি, সক্রেটিস, আমি মনে করি যে, সম্পদের এই দানটি খুবই মূল্যবান। কেননা, মানুষ যখন মৃত্যুর নিকটবর্তী হয়ে আসে তখন তার মনে এতদিন পর্যন্ত যে-চিন্তা, ভাবনা ও ভীতির উদয় হয়নি, সেগুলোরই উদ্ভব ঘটতে থাকে; পাতাললোকে যাত্রা যখন তার আসন্ন হয়ে উঠেছে তখন তার কৃতকর্মের ফলস্বরূপ যে-শাস্তি তাকে সেই পরলোকে পেতে হবে তার কথা আতঙ্কজনকভাবে তার মনে উদয় হতে থাকে। মর্তলোকের কার্যাবলীর জন্য পাতাললোকে দণ্ড কিংবা পুরস্কারলাভের কাহিনী সে পূর্বেও শুনেছে। কিন্তু পূর্বে যে-কাহিনী ছিল তার নিকট পরিহাসের বস্তু আজ তাই হয়ে উঠেছে তার নিকট আতঙ্কের বিষয়। আজ সে ভাবছে, এতকাল যাকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছে, সে-কাহিনী শেষ পর্যন্ত সত্যও হতে পারে। পাতাললোকের সান্নিধ্য অথবা বয়সের আধিক্য—যে-কারণেই হোক-না কেন আজ যেন পাতাললোক সম্পর্কে তার দৃষ্টিটি বেশ পরিষ্কার হয়ে এসেছে; উদ্বেগ এবং আতঙ্কে তাই সে অস্থির হয়ে উঠেছে। আজ সে ভাবতে শুরু করেছে, মর্তলোকের জীবনে কার প্রতি কোন্ অন্যায় সে করেছে। এই হিসাব-নিকাশে যখন সে দেখতে পায় যে, অন্যায়ের অংশ তার মোটেই কম নয় তখন শিশুর মতোই নিদ্রার মধ্যে দুঃস্বপ্নে সে আঁতকে ওঠে; মন তার নানা দুশ্চিন্তায় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু অন্যায় থেকে যে মুক্ত, পাপের দুশ্চিন্তার উদয় যার মনে ঘটে না, সুন্দর আশাই তার পরলোকের পথে প্রিয় সঙ্গী হিসাবে তাকে অভয় দিতে থাকে। এ কথাটিই সুন্দরভাবে প্রকাশ করে পিন্ডর বলেছেন :

    যে ধর্মের পথে রয়েছে এবং পবিত্র জীবনযাপন করেছে আশা তার আত্মার সঙ্গী; তার বার্ধক্যে আর পাতাললোকের পথে আশা তাকে ভরসা যোগায়; কারণ, দুশ্চিন্তায় অস্থির আত্মাকে শান্ত করার ক্ষমতা একমাত্র আশারই আছে।

    পিন্ডরের এ-কথাকয়টিকে আমি খুবই উত্তম বলে মনে করি। আর তাই সম্পদের যেটা সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ সে হচ্ছে উত্তম ও সৎকে এই অভয়দান যে, ইচ্ছায় কি অনিচ্ছায় কাউকে প্রতারণা কিংবা বঞ্চিত করার কোনো কারণ তার ঘটেনি। পাতাললোকে যাত্রার মুহূর্তে মানুষ কিংবা দেবতা কারু কাছে কোনো ঋণের চিন্তাতেই আর সে নিজেকে চিন্তাগ্রস্ত বোধ করে না। একথা অবশ্যই সত্য যে, এ-আশীর্বাদ কেবলমাত্র উত্তমের ভাগ্যেই জুটতে পারে, সকলের ভাগ্যে নয়। দুশ্চিন্তা থেকে মানুষের মুক্তিবোধের এই যে শান্তি সে কেবল সম্পদ থেকেই আমরা লাভ করতে পারি। সম্পদের সুবিধা এ ছাড়াও নিশ্চয়ই আরও অনেক রয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয়, যে-ব্যক্তি জ্ঞানী, যে চিন্তাশীল তার কাছে সম্পদের আশীর্বাদ এর চেয়ে বড় আর কিছু হতে পারে না।

    আমি বললাম : তুমি ঠিকই বলেছ সিফালাস, এর চেয়ে সম্পদের বড় আশীর্বাদ আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু তা হলে ন্যায় সম্পর্কে আমরা কী বলব? সত্যকথন কিংবা ঋণ-পরিশোধকে কি আমরা ন্যায় কিংবা ধর্মের সংজ্ঞা বলে নির্দিষ্ট করতে পারি? তা ছাড়া, এমন সংজ্ঞারও কি ব্যতিক্রমের কথা আমাদের স্বীকার করতে হয় না? কারণ, ধরো, আমার এক বন্ধু সুস্থ অবস্থা তাঁর একটি অস্ত্র আমার কাছে জমা রাখলেন। কিন্তু তিনি যখন তাঁর সে-অস্ত্র ফেরত চাইলেন, তখন তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। এখন আমার কী করণীয়? আমি কি তাঁকে তাঁর জমা-রাখা অস্ত্র ফেরত দেব? এমন অবস্থায় তাঁর হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া আমার পক্ষে সঙ্গত বলে নিশ্চয়ই কেউ বলবে না। অনুরূপ অবস্থায় যিনি আছেন তাঁর কাছে সত্যকথন কেউ উচিত-কার্য বলে মনে করবে না।

    সিফালাস বললেন : তোমার কথা যথার্থ সক্রেটিস।

    আমি বললাম : তা হলে সত্যকথন এবং ঋণ-পরিশোধকে ন্যায় বা ধর্মের সঠিক সংজ্ঞা বলে অভিহিত করা চলে না।

    এবার পলিমারকাসও আলাপে যোগ দিলেন। তিনি বললেন : তুমি ঠিকই বলেছ সক্রেটিস। সিমোনাইডিসের কথাকে যদি বিশ্বাস করতে হয় তা হলে ধর্মের সেরূপ সংজ্ঞা-নির্ধারণ আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

    এই সময়ে সিফালাস চলে যাওয়ার উপক্রম করে বলে উঠলেন : আমার তো আর বিলম্ব করার উপায় নেই সক্রেটিস। বলিদান অনুষ্ঠানের তদারক আমাকে করতে হবে। তাই পলিমারকাস এবং অন্য বন্ধুদের হাতে যুক্তির বল্লাটি তুলে দিয়ে আমি এবার নিষ্ক্রান্ত হতে চাই।

    আমি বললাম : তা হলে পলিমারকাসই তোমার যুক্তি-সম্পদের উত্তরাধিকারী, কী বল?

    সিফালাস যেতে যেতে সহাস্যমুখে বললেন : তাতে আর সন্দেহ কী?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }