Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. স্বৈরতন্ত্র এবং স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্র

    অধ্যায় ২৩ [৫৬২–৫৬৯]

    স্বৈরতন্ত্র এবং স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্র

    গণতন্ত্রই আবার স্বৈরতন্ত্রের জন্ম দেয়। প্রত্যেক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি লক্ষ্য থাকে। কিন্তু প্লেটোর মতে সে-লক্ষ্যের উপর জোরের আধিক্য সেই ব্যবস্থা ধ্বংসেরও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এক্ষেত্রে কতিপয়তন্ত্রের সঙ্গে গণতন্ত্রের সাদৃশ্য আছে। কতিপয়তন্ত্রের লক্ষ্য সম্পদের সংগ্রহ, অর্থের উপার্জন। কিন্তু এই লক্ষ্যের উপর অত্যধিক জোর দানের জন্যই কতিপয়তন্ত্রের রাষ্ট্র ধনিক ও দরিদ্রের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। “ঠিক তেমনি গণতন্ত্রের লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা। … যারা গণতন্ত্রের সমর্থনকারী তারা বলে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তার স্বাধীনতা। …কিন্তু অপর সকল প্রয়োজনের বিনিময়ে স্বাধীনতার অত্যধিক আকাঙ্ক্ষাই গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে তোলে এবং পরিণামে এই স্বাধীনতার আধিক্য থেকেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি জোরদার হয়।”

    প্লেটোর বর্ণনায়, গণতান্ত্রিক অরাজকতা চরম আকার গ্রহণ করে রাষ্ট্রকে দরিদ্র-ভবঘুরে-অমিতব্যয়ী এবং ধনিক ও কৃষক—এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করে ফেলে। একসময়ে রাষ্ট্রে সংকটের সৃষ্টি হয়। অলস পরজীবীর দল হয়তো আক্রমণ করে ধনবানদের উপর। ধনবানরা নিজেদের রক্ষার্থে দল তৈরি করে। তখন রাষ্ট্রে আবার ধনিকে এবং দরিদ্রে গৃহযুদ্ধ আসন্ন হয়ে ওঠে। এবার প্রয়োজন হয় নেতৃত্বের। এই সংকটে কোনো নেতা জনতার সামনে জনতার রক্ষক হিসাবে হাজির হয়। সে জনতাকে বলে : আমার দেহরক্ষী তৈরি করে দাও, আমি তোমাদের রক্ষা করব। জনতা তার দাবিকে পূরণ করে। তার দেহরক্ষী তৈরি হয়। “কিন্তু একবার যখন জনতাকে নিজের প্রভাবে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়, তখন কোনো স্বজনের রক্তপাতেই ‘রক্ষকের’ আর দ্বিধার কোনো কারণ থাকে না। … যাকে তার হত্যা করা প্রয়োজন তার বিরুদ্ধে বিচারালয়ে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করা হয় এবং পরবর্তীকালে তাকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হয়। এই রক্তের স্বাদ নিয়ে তার অপবিত্র জিহ্বা এবং ওষ্ঠ তার সহ-নাগরিকদের রক্তপানের জন্যে উন্মুখ হয়ে ওঠে।” গণতন্ত্রের বিবরণে প্লেটো যেরূপ আপোসহীনভাবে সামলোচক ছিলেন, স্বৈরতন্ত্রের ক্ষেত্রে প্লেটো সমপরিমাণেই আপোসহীন। গ্রীসের ইতিহাসে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের যেমন বিকাশ ঘটেছিল, তেমনি স্বৈরতান্ত্রিক শাসকেরও অভাব ছিল না। বস্তুত, অনেক ক্ষেত্রে স্বৈরতান্ত্রিক একচ্ছত্র শাসকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেই জনতা গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছিল। প্লেটোর এই বিবরণে তাই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সাধারণ মনোভাবের স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। প্লেটো গণতন্ত্রের সমালোচক হলেও স্বৈরতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন না।

    স্বৈরতন্ত্র তার বাহক স্বৈরতান্ত্রিক চরিত্র সৃষ্টি করে। আসলে স্বৈরতন্ত্রী শাসন এবং স্বৈরতন্ত্রী চরিত্র একই। কারণ এ হচ্ছে একটিমাত্র ব্যক্তির একচ্ছত্র শাসন। তার শাসন এবং চরিত্র—উভয়ের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, অপরের প্রতি ভয় এবং বিরামহীনভাবে সকল গুণী এবং শক্তিমানের নিধন। গোড়ার দিকে অবশ্য তার মুখে মৃদু হাসির রেখা থাকে। সকলকেই সে নানা মধুর প্রতিশ্রুতিতে মুগ্ধ করতে চয়। কিন্তু সে-ভাব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। যতক্ষণ সে নিজেকে সংকটাপন্ন বোধ করে, ততক্ষণ জনতার উপর নির্ভর করে। “কিন্তু যে-মুহূর্তে সে সংকটমুক্ত হয়, সেই মুহূর্তে সে স্বাধীনচেতা নাগরিক যদি কেউ অবশিষ্ট থাকে তাহলে কোনো-না-কোনো অজুহাতে সে তাকে শত্রুর হাতে তুলে দেয়।” নিজের নেতৃত্ব বজায় রাখার জন্য এবার স্বৈরতান্ত্রিক শাসক প্ররোচনা দিয়ে অপর রাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে। তার উদ্দেশ্য, করের চাপে জনতা নিজেদের জীবিকা অর্জনেই ব্যস্ত থাকবে,– তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার অবসর পাবে না। কালক্রমে এই স্বৈরশাসক যে-জনতা তাকে সৃষ্টি করেছে সেই জনতাকে হত্যা করতে শুরু করে। স্বৈরতন্ত্রী তাই পিতৃহন্তায় পরিণত হয়। সে রাষ্ট্রকে সকল উত্তম থেকে শোধন করে সমগ্র রাষ্ট্রকে নিজের বশংবদ অনুগতের রাজ্যে পরিণত করে। কিন্তু এমন অবস্থও কি স্থায়ী? কিংবা অপ্রতিহত অন্যায়রূপ যে স্বৈরতন্ত্রী চরিত্র, সে কি সুখী? স্বৈরতন্ত্রী শাসক—তথা অন্যায়ের এই প্রতিমূর্তি সুখী কি না তার আলোচনা সক্রেটিস পরবর্তী পুস্তকে করবেন। কিন্তু এই অন্যায় শাসনের মুখে জনতা কি একেবারেই অসহায়? জনতা কি চিরদিনই স্বৈরতন্ত্রকে সহ্য করবে? খুব দৃঢ়ভাবে জবাব না দিলেও প্লেটো এরূপ আভাস দিয়েছেন যে, জনতা একদিন উত্তেজনায় স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফেটে পড়তে পারে। “কিন্তু ধরো জনতা একদিন উত্তেজনায় ফেটে পড়ল। তার পুত্রকে (স্বৈরতন্ত্রকে) ডেকে সে একদিন বলল : বয়স্ক পুত্রকে পিতা পোষণ করে না। পুত্রেরই দায়িত্ব হচ্ছে পিতাকে রক্ষা করা। …পিতাকে তার নিজের এবং ভৃত্যদের দাসে পরিণত করা নয়।” এমন যদি জনতা করে তা হলে তো ভয়ানক ব্যাপারই ঘটবে। অবশ্য বৃদ্ধ পিতা হয়তো তখন দেখবে তারই জাত বর্বর পুত্র তার চেয়ে দেহে অধিক শক্তিশালী। সে-বর্বর পুত্র প্রয়োজনবোধে পিতাকে হত্যা করতে দ্বিধা করবে না। জনতা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে কি না সে-সম্পর্কে প্লেটো নিশ্চিত না হলেও স্বৈরতন্ত্র যে বর্বর, সে যে ঘৃণ্য—এ-মনোভাব প্রকাশে প্লেটো দ্বিধাহীন। জনতার বিরুদ্ধে প্লেটোর অভিযোগ, আবেগ-উচ্ছ্বাসে আপ্লুত জনতাই একদিন স্বৈরতন্ত্রকে সৃষ্টি করেছিল : জনতাই স্বেচ্ছাচারীর জনক। তাই প্লেটোর মনোভাব যেন এরূপ : স্বৈরতন্ত্রের হাতে জনতার এই দুর্দশার মূলে তো জনতা নিজেই। তাই পুত্রের হাতে জনকের বর্তমান দুর্দশায় প্লেটোর যত না সহানুভূতি, তার অধিক তাঁর ক্ষোভ।

    .

    কিন্তু এর চেয়েও বিস্ময়কর রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং তার প্রতিভূ-চরিত্রের বর্ণনা বাকি আছে। সে-ব্যবস্থা হচ্ছে স্বৈরতন্ত্র এবং তার প্রতিভূ-চরিত্র হচ্ছে স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের চরিত্র।

    হ্যাঁ, তার পরিচয়গ্রহণ আমাদের বাকি আছে।

    আমি বললাম : কিন্তু গ্লকন, স্বৈরতন্ত্রের স্বভাব কী? একথা তো স্পষ্ট যে স্বৈরতন্ত্র গণতন্ত্রেরই সন্তান; গণতন্ত্র থেকেই তার উদ্ভব। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ সক্রেটিস, একথা তোমার ঠিক।

    এবং আমরা এও বলতে পারি যে, গণতন্ত্র থেকে স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব, কতিপয়তন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের উদ্ভবেরই অনুরূপ।

    কেমন করে অনুরূপ বলছ, সক্রেটিস?

    অনুরূপ বলছি, কারণ কতিপয়তন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল সম্পদ। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ, ঠিক।

    এবং কতিপয়তন্ত্রের পতনের কারণও হচ্ছে সম্পদ বা অর্থের জন্য অত্যধিক আকাঙ্ক্ষা। অর্থের আকাঙ্ক্ষার ফলে অপর সকল ইচ্ছাই কতিপয়তন্ত্রে অবজ্ঞাত হয়।

    যথার্থ।

    ঠিক তেমনি গণতন্ত্রেরও কি একটা লক্ষ্য থাকে না? এবং সেই লক্ষ্যের জন্য অত্যধিক আকাঙ্ক্ষাই কি গণতন্ত্রের পতনের কারণ নয়?

    কিন্তু সক্রেটিস, গণতন্ত্রের লক্ষ্য বলতে তুমি কী বোঝাতে চাও?

    কেন, স্বাধীনতা! গ্লকন, তুমি নিশ্চয়ই শুনেছ, যারা গণতন্ত্রের সমর্থনকারী তারা দাবি করে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তার স্বাধীনতা। তাদের দাবি হচ্ছে, এ-কারণেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে স্বাধীন মানুষ বাস করতে পারে, যে-রাষ্ট্র স্বাধীন মানুষের বাসের উপযুক্ত।

    হ্যাঁ, গণতন্ত্রের সমর্থকগণ সাধারণত এ-দাবিই করে থাকে।

    আর এজন্যই আমি বলেছিলাম : অপর সকল প্রয়োজনের বিনিময়ে স্বাধীনতার অত্যধিক আকাঙ্ক্ষা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে তোলে এবং পরিণামে এই স্বাধীনতার আধিক্য থেকেই স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি জোরদার হয়।

    একটু ব্যাখ্যা করে বলো সক্রেটিস।

    বলছি : একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তার অত্যধিক স্বাধীনতার জন্য ব্যগ্রতার কারণে অধম নেতৃত্বের কবলে পতিত হতে পারে। নীতিহীন অধম এই শাসকগণ স্বাধীনতার উত্তেজক সুরার আকর্ষণ সকলের সামনে তুলে ধরে। কিন্তু পরিণামে তারা যখন সেই প্রতিশ্রুত চরম স্বাধীনতার সুরাপাত্র জনতার মুখে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তখন জনতাই তাদের অভিশপ্ত শাসক বলে অভিযুক্ত করে তাদের দণ্ডদানের দাবি তোলে। ফলে স্বাধীনতার আধিক্য এমন রূপ গ্রহণ করে যে, আইনের অনুগত নাগরিকগণ শৃঙ্খলের দাস বলে অপমানিত হতে থাকে। অপরদিকে যে-শাসক শাসিতের মতো এবং যে-শাসিত শাসকের ন্যায় আচরণ করে তাদের প্রশংসাধ্বনিতে চতুর্দিক মুখরিত হয়ে ওঠে। তারাই হয় সম্মানিত। কাজেই এরূপ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা যে সীমাহীন হয়ে উঠবে তাতে আর বিস্ময়ের কী আছে?

    না, এতে বিস্ময়ের কিছু নেই।

    ক্রমে এই অরাজকতা প্রত্যেক নাগরিকের গৃহে বিস্তার লাভ করে এবং পরিশেষে জীবজন্তুর দেহেও তা সংক্রমিত হয়।

    কীরূপে?

    অর্থাৎ, ক্রমে পিতাও তার অরাজক পুত্রের স্তরে নেমে যেতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। পিতা তার পুত্রকে ভয় পেতে শুরু করে। পুত্রও নিজেকে পিতামাতার সমান স্তরের বলে মনে করে। পিতা কিংবা মাতা—কারোর প্রতি তার কোনো সম্মানবোধ থাকে না। এটাকেই সে তার স্বাধীনতা মনে করে। নগরীর মধ্যে বিদেশী, অপিরিচিত বা নাগরিকের মধ্যে আর কোনো পার্থক্য থাকে না। বিদেশীও নিজেকে নাগরিকের সমান বলে গণ্য করে।

    হ্যাঁ, ব্যাপারটি এরূপই দাঁড়ায়।

    এ ছাড়া কম মারাত্মক হলেও, এর আরও খারাপ দিক আছে। এরূপ পরিবেশ এবং সমাজব্যবস্থায় শিক্ষক তার ছাত্রকে ভয় করতে শুরু করে। শিক্ষক ছাত্রের মরজিকে তুষ্ট করে চলে। ছাত্র শিক্ষককে অবজ্ঞার চোখে দেখে। বয়সেরও আর কোনো পার্থক্য থাকে না। তরুণ এবং বৃদ্ধ সকলেই সমান হয়ে যায়। যে-অল্পবয়স্ক সেও নিজেকে বয়োবৃদ্ধের সমান বলে গণ্য করে এবং কথায় ও কাজে তার সঙ্গে পাল্লা দিতে শুরু করে। বয়স্ক যারা তারাও তরুণদের স্তরে নেমে যায় এবং তরুণদের আনন্দ এবং উল্লাসে উল্লসিত হয়ে ওঠে। তারা গম্ভীর এবং বয়স্ক বলে বিবেচিত হওয়াকে আর পছন্দ করে না। তাই তারা তরুণদের আচরণ নিজেদের চরিত্রে গ্রহণ করতে শুরু করে।

    তুমি যথার্থ বলেছ, সক্রেটিস।

    এই গণস্বাধীনতা চরমে পৌঁছে, যখন অর্থের বিনিময়ে ক্রীতদাস বা দাসী তার প্রভু বা প্রভুপত্নীর ন্যায়ই স্বাধীন এবং সমান হয়ে ওঠে। নারী ও পুরুষ তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে-অবাধ স্বাধীনতা এবং সাম্য বোধ করে তার কথাটিও আমাদের বিস্মৃত হওয়া উচিত নয়।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন, এসকাইলাসের মতো আমাদেরও বলা উচিত : ওষ্ঠাধরে যে শব্দ এসে উপস্থিত হয়েছে, তার উচ্চারণে আর সঙ্কোচ কেন?

    আমি বললাম : আমি তা-ই করছি, এ্যাডিম্যান্টাস। আমি বরঞ্চ আরও বলব, যারা জানে না তারা বিশ্বাস করবে না, অপর যে-কোনো রাষ্ট্রের চেয়ে গণতন্ত্রে বাসকারী পশুদের স্বাধীনতা কত বেশি। বস্তুত প্রবাদে যেমন বলে মাদি কুকুর আর প্রভুপত্নীতে পার্থক্য কোথায়, তেমনি গণতন্ত্রে ঘোড়া এবং গাধা স্বাধীন নাগরিকের সকল অধিকার এবং মর্যাদাসহকারে স্বাধীনভাবেই ঘুরে বেড়ায়। তাদের জন্য রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে। না হলে, যে তাদের পথে পড়বে তার ওপরই তারা চড়াও হবে। মোটকথা, সবকিছুই স্বাধীনতার আধিক্যের চাপে ফেটে পড়ার উপক্রম করে।

    এ্যাডিম্যান্টাস আমাকে সমর্থন করে বললেন, আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি, সক্রেটিস। গ্রামের রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে এরূপ অভিজ্ঞতা আমার প্রায়শই ঘটে।

    আমি বললাম : এসবের ফল কী দাঁড়ায়? এর ফলে নাগরিকদের মন এত স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে যে, সংযমের বিন্দুমাত্র রেশ আর অবশিষ্ট থাকে না। বিন্দুমাত্র নিয়ন্ত্রণই তাদের কাছে অসহ্য বলে বোধ হয়। নিয়ন্ত্রণমাত্রেই তারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। এবং ‘কোনো শাসককেই মানব না’—এই নীতির পরিণামে তারা লিখিত কিংবা অলিখিত সকল আইনকানুন বিধিবিধানকে উপেক্ষা করতে থাকে।

    একথা আমার নিজেরও অজানা নয়।

    আমি বললাম : আর এই হচ্ছে স্বৈরতন্ত্রের উৎস। এখান থেকেই স্বৈরতন্ত্রের জন্ম ঘটে। আর এর সূচনাটি যে বিশেষ প্রতিশ্রুতিময় তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    হ্যাঁ, তা বটে। কিন্তু এর পরে কী ঘটে?

    আমরা তো বলেছি, যে-রোগ কতিপয়ী শাসনকে আক্রমণ করে এবং পরিণামে তার ধ্বংস সাধন করে, সেই একই রোগ তীব্রতরভাবে গণতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং গণতন্ত্রের স্বাধীনতার সুযোগে অধিকতর ব্যাপকতা লাভ করে তাকে দাসে পরিণত করে। আসল কথা হচ্ছে : যা-কিছু চরম আকার ধারণ করে, তা প্রবল প্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করে। একথা আবহওয়া, উদ্ভিদ এবং পশুর ক্ষেত্রে যেমন সত্য, রাষ্ট্রব্যবস্থার ক্ষেত্রেও তেমনি সত্য।

    হ্যাঁ, চরম থেকে চরম প্রতিক্রিয়ারই সৃষ্টি হয়।

    কাজেই ব্যক্তির চরিত্রে এবং রাষ্ট্রব্যবস্থায় চরম স্বাধীনতা, চরম দাসত্বের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। তা-ই যদি হয়, তা হলে গণতন্ত্র থেকেই যে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম হবে একথা আমাদের স্বীকার করতে হবে। এই পরিণতিই আমাদের পক্ষে আশা করা সঙ্গত। স্বাধীনতার আধিক্য থেকে সবচেয়ে বর্বর এক দাসত্ব জন্মলাভ করে।

    যুক্তির সঙ্গতিতে এ অনিবার্য।

    কিন্তু এ্যাডিম্যান্টাস, তোমার প্রশ্নের জবাব আমি এখনও দিইনি। কতিপয়ী শাসন এবং গণতন্ত্রকে সমানভাবে আক্রমণ করে যে রোগ, সেটি কী? তোমার চরম থেকেই চরম প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি নিশ্চয় স্মরণ আছে, আমরা অমিতব্যয়ী একশ্রেণীর অলসের কথা বলেছিলাম। এদের আমি অলস পুরুষ মৌমাছির সঙ্গে তুলনা করেছিলাম। এদের মধ্যে যারা অনিষ্টপটু নেতা তাদের হুল আছে। আর তাদের জড়বৎ অনুসারীর দল হচ্ছে হুলশূন্য অলস মৌমাছি।

    খুবই উপযুক্ত উপমা।

    যখনই রাষ্ট্রে এই দুই দলের আবির্ভাব ঘটে, তখনই এর দেহে পিত্তরস এবং শ্লেষ্মার আধিক্যের ন্যায় সমাজে নানা উপদ্রব সৃষ্টি করে। কাজেই উত্তম চিকি ৎসক এবং উত্তম বিধায়কের কর্তব্য হচ্ছে, পূর্ব থেকেই এই অবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় বিধানের ব্যবস্থা রাখা। মৌচাকের রক্ষাকারী তা-ই করে। মৌচাকের যে রক্ষাকারী তার নিজের কাজ সে জানে। সে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাতে অকর্মণ্য মৌমাছির দল আদৌ জন্মলাভ করতে না পারে। এবং যদি তারা জন্মগ্রহণ করে, তা হলে কোষসুদ্ধ তাদের সে গোড়াতেই বিনষ্ট করে দেয়।

    তার এ-ব্যবস্থাটি খুবই প্রয়োজনীয়।

    তা হলে এ্যাডিমেন্টাস, এসো বিষয়টির সুবিবেচনার জন্য আমরাও নিম্ন পদ্ধতিটি অনুসরণ করি : মনে করি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অধিবাসী তিন দলে বিভক্ত। প্রকৃতপক্ষে তারা তিন দলেই বিভক্ত। আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি, এদের প্রথম দল গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার কারণে কতিপয়ী শাসকদের চেয়ে সংখ্যায় অধিক এবং তাদের চেয়ে এরা অধিকতর উদ্যোগী।

    কী প্রকারে?

    কতিপয়ী শাসনে এরা ছিল ক্ষমতার বাইরে। এরা ছিল তখন ঘৃণিত। এ-কারণে এরা ছিল কতিপয়ী শাসনে শক্তিহীন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এই অংশ থেকেই নেতৃত্ব তৈরি হয়। এদের মধ্যে যারা অধিকতর চতুর তারাই সকল কথা এবং কাজের নেতৃত্ব গ্রহণ করে। বাকি যারা তারা অলসভাবে বসে থাকলেও অপর কাউকে কথা বলতে দেয় না। ফলে, গুরুত্বহীন ব্যতিক্রম বাদে, রাষ্ট্রীয় সকল কাজের চাবিকাঠি এদের হাতেই থাকে আবদ্ধ।

    এ কথা সত্য।

    এর পরে আসে দ্বিতীয় দলের কথা। জনতার মধ্য থেকেই এই দলের উদ্ভব ঘটে। এ-দলের সকলেরই অকাঙ্ক্ষা অর্থ উপার্জনের। কিন্তু যারা স্বভাবে দৃঢ় তারা এক্ষেত্রে সবচেয়ে দক্ষ।

    এরূপ হওয়াই সম্ভব।

    এরা হচ্ছে এ-ব্যবস্থার মধুর উৎস। শাসকদল এদের শোষণ করেই অর্থসংগ্রহ করে।

    বটেই। দরিদ্রকে শোষণ করায় তেমন লাভ নেই।

    কাজেই এই দল হচ্ছে গণতন্ত্রের অর্থবান। কারণ,এদের শোষণেই অলসের মেদ বৃদ্ধি। তৃতীয় দল হচ্ছে জনতা। এরা নিজেদের জীবকা নিজেরা উপার্জন করে। রাজনীতিতে এদের আগ্রহ কম। রাজনীতিতে এরা তেমন দক্ষও নয়। গণতন্ত্রে এরাই হচ্ছে সংখ্যায় সবচেয়ে অধিক। ফলে এদের কোনো সমাবেশ ঘটলে এরা সবচেয়ে শক্তিমান হয়ে দাঁড়ায়।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : হ্যাঁ, কিন্তু মধুর ভাগ না পেলে তারা সমবেত হওয়ারও তেমন আগ্রহ বোধ করে না।

    আমি বললাম : মধুর ভাগ তারা ঠিকই পায়। এদেরও পাণ্ডারা ধনীদের সম্পদ লুণ্ঠন করে এবং সে-লুণ্ঠিত সম্পদের বেশির ভাগ নিজেরা ভোগ করে। অবশিষ্টাংশ জনতার মধ্য বণ্টন করে দেওয়া হয়।

    হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলছ। এভাবে তারাও বিধানসভা কিংবা অন্যত্র নিজেদের স্বার্থ যথাসাধ্য রক্ষা করার চেষ্টা করে। তখন অভিযোগ আসে, তারা জনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, তারা প্রতিক্রিয়াশীল, তারা কতিপয়ীর মনোভাব পোষণ করে। এ সব অভিযোগই ভিত্তিহীন। কারণ, এদের হয়তো কোনো বিপ্লবাত্মক উদ্দেশ্য থাকে না।

    হ্যাঁ, একথা সত্য।

    কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন ধনবানরা দেখতে পায়, জনতা তাদের নেতাদের পরিচালনায়, হিংসার কারণে না হলেও, অজ্ঞানতার কারণে তাদের আঘাত করার চেষ্টা করছে, তখন ধনবানরা যথার্থই প্রতিক্রিয়াশীলে পরিণত হয়। এ তাদের স্বেচ্ছাকৃত ব্যাপার নয়। গণতন্ত্রের অলস মৌমাছির দল তাদের হুল দ্বারা দংশন করতে শুরু করেছে। কাজেই তারা প্রতিক্রিয়াশীলে পরিণত হয়েছে।

    তুমি যথার্থ বলেছ।

    তখন বিচারের পালা শুরু হয়। একদল অপর দলের বিরুদ্ধে বিচারালয়ে অভিযোগ উত্থাপন করে। উভয়পক্ষ বিচারালয়ে হাজির হয়।

    হ্যাঁ, তারা বিচারালয়ে উপস্থিত হয়।

    এই সংগ্রামে জনতা কি সাধারণত একজন নেতার মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে না? এরূপ নেতাকে তারা নিজেরাই লালন করে বড় করে তুলেছে। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ, সাধারণত তা-ই তারা করে।

    তা হলে এবার এটা স্পষ্ট যে, এই হচ্ছে স্বৈরতন্ত্রের উৎস। এখান থেকেই স্বৈরতন্ত্রের অনিবার্য উদ্ভব। প্রথমে সে জনতার রক্ষক হিসাবেই দেখা দেয়।

    হ্যাঁ, এটা খুবই স্পষ্ট

    কিন্তু যে রক্ষক ছিল সে কীভাবে স্বৈরতান্ত্রিক শাসকে পরিণত হয়, এটি আমাদের বোঝা আবশ্যক। এক্ষত্রে আর্কেডিয়ার জিউস লাইকস দেবের মন্দিরের যে-গল্প আমরা শুনে থাকি স্বৈরতান্ত্রিক নেতার গুরুও কি সেভাবে?

    কিন্তু গল্পটি কী?

    কেন, তুমি কোনোদিন শোননি, যে-লোক আর-একটি লোকের অন্ত্রকে তৃতীয় কোনো লোকের অন্ত্রের সঙ্গে মিশ্রিত করে ভক্ষণ করে সে নেকড়েতে পরিণত হয়? আর্কেডিয়ার মন্দিরের লোকটি নাকি এমন করেই নেকড়েতে রূপান্তরিত হয়েছিল।

    হ্যাঁ, এ-গল্প আমরা শুনেছি বটে।

    জনতার রক্ষককেও আমরা সেই লোকের সঙ্গে তুলনা করতে পারি। একবার যখন জনতাকে সে নিজের প্রভাবে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় তখন কোনো স্বজনের রক্তপাতেই তার আর দ্বিধার কোনো কারণ থাকে না। তখন পরিচিত প্রিয় সেই পুরনো পদ্ধতিটি সে প্রয়োগ করতে শুরু করে। যাকে তার হত্যা করা প্রয়োজন, তার বিরুদ্ধে বিচারালয়ে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করা হয়, এবং পরবর্তীকালে তাকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হয়। এ-রক্তের স্বাদ নিয়ে তার অপবিত্র জিহ্বা এবং ওষ্ঠ তার সহ-নাগরিকদের রক্তপানের জন্য উন্মুখ হয়ে ওঠে। এখন কাউকে সে হত্যা করে, কাউকে নির্বাসনের দণ্ডে দণ্ডিত করে। একই সঙ্গে সে আবার জনতার সম্মুখে সকল ঋণ মকুব করে দেবার এবং জমি ভাগ করে সকলের মধ্যে বণ্টন করে দেবার প্রতিশ্রুতিও দিতে থাকে। এর পরে তার পরিণাম কী হতে পারে? হয় সে নিজের শত্রুর হাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে, নয়তো সে নরখাদক নেকড়েতে পরিণত হবে : স্বৈরতন্ত্রিক শাসক হয়ে নিজের জনতাকে সে ধ্বংস করবে। এই তার অনিবার্য পরিণাম। নয় কি?

    অবশ্যই এই তার অনিবার্য পরিণাম।

    এই নেতাই একদিন সম্পাদবানের বিরুদ্ধে দরিদ্রের লড়াই-এর নেতৃত্ব করেছিল। লড়াইতে যদি সেদিন সে পরাজিত হয়ে নির্বাসিত হয়ে থাকে তা হলেও আজ সে পুরাদস্তুর স্বৈরতান্ত্রিক শাসক হয়ে ফিরে এসেছে। ঠিক নয় কি?

    হ্যাঁ, একথা ঠিক।

    যদি তার প্রতিপক্ষ তার বহিষ্কারে বিফল হয় কিংবা প্রকাশ্য বিচারে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করতে ব্যর্থ হয় তা হলে তার গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র করে।

    হ্যাঁ, স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের জীবনে এটাই স্বাভাবিক।

    এবার স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের পক্ষ থেকে সেই পরিচিত পদক্ষেপটি গ্রহণ করা হয়। সে তার ব্যক্তিগত রক্ষিবাহিনী তৈরির প্রস্তাব উত্থাপন করে। স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের শক্তির ক্রমবিস্তারেও এ একটি অনিবার্য স্তর। ‘জনতার রক্ষককে আগে রক্ষা করতে হবে : জনতার বন্ধুর জীবন তো বিপন্ন হতে পারে না।’—শক্তিবিস্তারের এই হচ্ছে কৈফিয়ত।

    তুমি যথার্থ বলেছ।

    জনতা সহজেই প্রস্তাবটি মেনে নেয়। কারণ তাদের সকল ভয়ের কেন্দ্র এই শাসক। নিজেদের জন্য আকাঙ্ক্ষার অপর কোনো উৎস আর তাদের অবশিষ্ট নেই।

    খুবই সত্য কথা।

    কারণ কোনো নাগরিক যদি ধনবান হয় এবং জনতার শত্রু বলে যদি তার বিরুদ্ধে এই স্বৈরশাসক অভিযোগ এনে থাকে, তা হলে ক্রিসারের কাছে উচ্চারিত দৈবজ্ঞের বাণী অনুসরণ করে :

    কঙ্কর আকীর্ণ সমুদ্রতীর ধরে তাকে ছুটতে হয়

    কাপুরুষ হওয়ার লজ্জা তাকে আর নিবৃত্ত করতে পারে না*

    [* হেরোডোটাস থেকে। হেরোডোটাস (৪৮৪–৪২৪ খ্রিঃ পূঃ) প্রাচীন গ্রীসের বিখ্যাত ঐতিহাসিক। ইতিহাসশাস্ত্রের জনক বলে আখ্যাত।]

    কারণ এ-রাজ্যে কাপুরুষ হওয়ার দ্বিতীয় সুযোগ সে আর লাভ করবে না।

    হ্যাঁ, একথা ঠিক। কারণ ধরা পড়ে গেলে মৃত্যু তার অনিবার্য।

    হ্যাঁ, ধরা পড়ে গেলে মৃত্যু অনিবার্য।

    ইতিমধ্যে ‘জনতার রক্ষক’ ‘ধুলার বুকে নিজের দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য সময়ক্ষেপণ না করে তার সকল প্রতিপক্ষকে উচ্ছেদ করে শক্ত হাতে রাষ্ট্রের শাসন ধারণ করে। এখন আর রক্ষকের কোনো ভূমিকা তার অবশিষ্ট নেই। এখন সে পরিপূর্ণরূপে একজন স্বেচ্ছাচারী শাসক

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : হ্যাঁ, এটাই হচ্ছে অনিবার্য সিদ্ধান্ত।

    এবার কি আমরা এই স্বৈরশাসকের সুখের বিষয়টি আলোচনা করব? যে-রাষ্ট্রে এমন জীবের জন্ম ঘটে, সে-রাষ্ট্রের অবস্থাও কি আমাদের বিবেচনা করা আবশ্যক নয়?

    হ্যাঁ সক্রেটিস, এরূপ শাসক এবং রাষ্ট্র উভয়ের ‘সুখের’ বিষয়টি আলোচনা করা আবশ্যক। আমাদের অনুরোধ তুমি এবার সেদিকটির কথা বলো।

    গোড়ার দিকে কিন্তু এই স্বৈরশাসকের মুখে একটি হাসির প্রলেপ লেগে থাকে। সকলের জন্য তখন সে মিষ্টবাক্য উচ্চারণ করে। তার বক্তব্য : সে তো স্বেচ্ছাচারী নয়। এরই প্রমাণ হিসাবে সে উদারভাবে প্রকাশ্যে এবং গোপনে বৃহৎ সব প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করতে থাকে। ঋণগ্রস্তদের ঋণ থেকে মুক্তিদানের এবং জনতার মধ্যে এবং স্বজনের মধ্যে জমিবণ্টনেরও সে প্রতিশ্রুতি দিতে থাকে। মোটকথা, সে একটি নমনীয় এবং উদার ভাব দেখাতে থাকে।

    হ্যাঁ, তখন তার এরূপ ভাব দেখানো আবশ্যক।

    কিন্তু একবার যখন সে তার বৈদেশিক শত্রুকে যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত কিংবা চুক্তির মাধ্যমে বাধ্য করতে সক্ষম হয়েছে এবং যখন বৈদেশিক কোনো শত্রু থেকে ভয়ের কোনো কারণ আর নেই, তখন সে নিজ রাষ্ট্রের জনতার কাছে তার নিজের নেতৃত্বের অপরিহার্যতা প্রমাণের জন্য বৈদেশিক রাষ্ট্রের সঙ্গে নিজেই যুদ্ধের অবস্থা সৃষ্টি করতে থাকে। তার উদ্দেশ্য, রাষ্ট্রের মানুষ যেন তার প্রয়োজনীয়তাকে বোধ করতে পারে, যেন তারা করের চাপে দারিদ্র্যে নিপতিত হয় এবং তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পরিবর্তে নিজেদের জীবিকা অর্জনের চেষ্টাতে সর্বদা নিযুক্ত থাকতে বাধ্য হয়।

    হ্যাঁ, তার এ-কার্যক্রম বুঝতে কোনো অসুবিধা নেই।

    এবার যদি সে সন্দেহ করে, তার রাজ্যে এখনও স্বাধীনচেতা নাগরিক কেউ অবশিষ্ট আছে যে নাগরিক তার বশ্যতা-স্বীকারে এখনও রাজি হয়নি, তা হলে স্বৈরশাসক কোনো-না-কোনো অজুহাত সৃষ্টি করে নির্ঘাত তাকে শত্রুর হাতে তুলে দেবে। এই সকল কারণে স্বৈরতান্ত্রিক শাসক সব সময়ে যুদ্ধের অজুহাত অন্বেষণ করে। সর্বদাই তাকে যুদ্ধের প্ররোচনা দিতে হয়।

    হ্যাঁ, যুদ্ধের অজুহাত তাকে অবশ্যই খুঁজতে হবে।

    এবং এবার সে নিজের জনপ্রিয়তা হারাতে শুরু করে।

    এও তার কার্যক্রমের অনিবার্য ফল।

    একদিন যারা তাকে শাসকের আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে সম্মিলিত হয়েছিল, যারা এখনও নিজেদের শাসকশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত মনে করে, এবার তারা তাদের শাসক সম্পর্কে পরস্পরের নিকট কথা বলতে শুরু করে এবং যাদের সাহস একটু অধিক, তারা শাসকের সামনে তার কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিজের মনের প্রতিবাদ ব্যক্ত করে ফেলে।

    হ্যাঁ, এটাই প্রত্যাশিত।

    স্বৈরশাসক এবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাকে যদি শাসন করতে হয় তা হলে এদের অবশ্যই শেষ করতে হবে : বস্তুত শক্তিমান কোনো শত্রু কিংবা মিত্র অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত এই নিধনযজ্ঞ থেকে স্বৈরশাসকের নিবৃত্ত হওয়ার উপায় নেই।

    না, তার থামার আর উপায় নেই।

    আর তাই, এবার সে শিকারির চোখ নিয়ে তাকাতে থাকে, রাজ্যের মধ্যে কে রয়েছে এখনও সাহসী, কে এখনও উচ্চমনা, কে জ্ঞানী, কে অর্থবান। কারণ সে চাক কিংবা না চাক তার ‘সুখী’ ভাগ্যের অনিবার্য বিধানে সে এখন সাহসী, জ্ঞানী, অর্থবান—সকলের শত্রু। এদের সকলকে ধ্বংস করে রাষ্ট্রকে ‘শোধন’ না করা পর্যন্ত স্বৈরশাসকের আর বিরাম নেই।

    অদ্ভুত এক শোধন বটে!

    হ্যাঁ, এ এক অসাধারণ শোধন। চিকিৎসকগণ দেহকে দোষমুক্ত করার জন্য শোধনকে প্রয়োগ করে। কিন্তু এরূপ শাসকের শোধন চিকিৎসকের সে-শোধন নয়। চিকিৎসক দেহের দোষকে নিষ্কাশন করে এবং স্বাস্থ্যকর উপাদানকে দেহের মধ্যে রক্ষা করে। কিন্তু এই শাসক এর বিপরীত কাজটি সাধন করে। উত্তমকে নিষ্কাশন করে সে অধমকে ধারণ করে।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : তাকে শাসন করতে হলে, এর উপায়ান্তর নেই বলেই আমার মনে হয়।

    কিন্তু তার এমন উপায়টিকেও তুমি খুব আনন্দজনক বলতে পার না। ভেবে দ্যাখো, কী অদ্ভুত জীবনযাপনে সে বাধ্য হচ্ছে : হয় তাকে অধমের মধ্যে বাস করতে হবে, তাদের দ্বারা সে ঘৃণিত হবে, নয় সে আদৌ বেঁচে থাকতে পারবে না।

    হ্যাঁ, এই তার একমাত্র বিকল্প।

    এবং তার কার্যক্রম যত অধিক পরিমাণে ঘৃণ্য হতে থাকবে, তত অধিক পরিমাণেই তার আবশ্যক হবে বশংবদের এবং অধিকতর পরিমাণে তাদের আনুগত্যের।

    নিঃসন্দেহে।

    কিন্তু এই বশংবদদের সাক্ষাৎ সে কোথায় পাবে? কোত্থেকে সে এদের সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে?

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : কেন? অর্থ ছুড়লেই সে তাদের পেয়ে যাবে। বশংবদরা এসে তার পাশে ভিড় জমাবে।

    তার মানে, বিদেশ থেকে আর একদল অলস মৌমাছি এসে ভিড় জমাবে।

    হ্যাঁ, তা-ই ঘটবে

    কিন্তু বিদেশ থেকে সংগ্রহ ব্যতীত দেশের ভিতরেও কি সে এরূপ লোক সংগ্রহের চেষ্টা করবে না?

    দেশের ভেতরে সে কোথায় পাবে?

    কেন, সে নাগরিকদের কাছ থেকে তাদের দাসদের ছিনিয়ে নিতে পারে। তাদের মুক্তি দিয়ে নিজের দেহরক্ষী বাহিনীতে তাদের সে নিযুক্ত করতে পারে।

    হ্যাঁ, তা এই স্বৈরশাসক পারে বটে। এবং তা হলে বিশ্বস্ত লোকের তার অভাব হবে না।

    কিন্তু কী সৌভাগ্যবান ব্যক্তি এই স্বেচ্ছাচারী শাসক! বিশোধনের পরে তার নির্ভরের লোক যদি কেবল এরাই হয়, তা হলে তার ভাগ্যকে অদ্ভুতই বলতে হবে। নিজের বিশ্বস্ত বন্ধুদের সে হত্যা করেছে এবং দাসদের সে বিশ্বস্ত বন্ধুর আসনে স্থাপিত করেছে।

    হ্যাঁ, তার বিশ্বস্ত বন্ধু এবার এরাই।

    আমি বললাম : হ্যাঁ, এই নূতন নাগরিকদের সে সৃষ্টি করেছে। এরাই তার সঙ্গী। এরাই তাকে প্রশংসা করে। উত্তমরা তাকে ঘৃণা করে। উত্তমরা তাকে পরিহার করে।

    হ্যাঁ, একথা সত্য।

    তা হলে আমি বলব : বিষাদাত্মক নাটক একটি জ্ঞানের ব্যাপার এবং ইউরিপাইডিস* একজন বড় বিষাদাত্মক নাট্যকার।

    [* ইউরিপাইডিস (৪৮০–৪০৭ খ্রিঃ পূঃ) প্রাচীন গ্রীক নাট্যকারদের অন্যতম। এসকাইলাস (৫২৫-৪৫৬ খ্রি : পূঃ), সফোক্লিস (৪৯৬–৪০৬ খ্রিঃ পূঃ) এবং ইউরিপাইডিস প্রাচীন গ্রীক নাট্যসাহিত্যের স্রষ্টা বলে পরিচিত।]

    কেন?

    কারণ, তিনি তাৎপর্যপূর্ণ এই বাক্যটি সৃষ্টি করে বলেছেন :

    ‘স্বেচ্ছাচারী শাসক জ্ঞানীর সঙ্গে জ্ঞানীর জীবনযাপন করে।’ ইউরিপাইডিস বলতে চেয়েছেন : স্বেচ্ছাচারী যাদের তার সঙ্গীতে পরিণত করে, তারা আবশ্যই জ্ঞানী।

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : হ্যাঁ, তা ছাড়া ইউরিপাইডিস স্বেচ্চাচারীকে দেবতা বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি এবং অন্যান্য অনেক কবিই এরূপ কথা বলেছেন। আর আমরাও তা-ই বলব, কিন্তু বিষাদাত্মক কবিগণ অবশ্যই আমাদের ক্ষমা করবেন যদি আমরা স্বেচ্ছাচারের প্রশংসাকারী এই কবিকুলকে আমাদের রাষ্ট্রে প্রবেশ-অধিকারদানে অক্ষম হই।

    হ্যাঁ, এই ‘বিজ্ঞজনের’ মধ্যে যাঁদের বুদ্ধি আছে তাঁরা অবশ্যই আমাদের

    ক্ষমার চোখে দেখবেন।

    কিন্তু আমাদের রাজ্যে প্রবেশ-অনুমতি না পেলেও তাঁরা অপর সব নগরীতে গিয়ে ভিড় জমাতে পারেন। সেখানে তাঁরা জনতাকে তাঁদের মধুর এবং উচ্চকণ্ঠ দিয়ে আকর্ষণ করবেন, তাঁরা তাঁদের কাব্যের প্রভাবে জনতাকে প্রভাবিত করবেন এবং সে সকল নগরীকে স্বৈরতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাবেন।

    হ্যাঁ, একথা খুবই সত্য।

    এই কবিদের আমরা বলতে পারি ভাড়াটে। রাষ্ট্র এঁদের অর্থ প্রদান করে। এঁদের নানা সম্মানে ভূষিত করে। এঁদের সর্বাধিক সম্মানদান করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসকই। তার পরবর্তী স্তরের সম্মান আসে গণতন্ত্রের কাছ থেকে। কিন্তু এই সংবিধানের পর্বত যত তাঁরা আরোহণ করতে থাকেন, তত তাঁদের সুনামে ঘাটতি পড়তে শুরু করে। তাঁরা হতশ্বাস হয়ে পড়েন এবং পর্বতের চূড়ায় আরোহণ আর তাঁদের ভাগ্যে ঘটে না।

    যথার্থ।

    কিন্তু একথা থাক। আমরা বিষয়ান্তরে চলে গেছি। এসো আমরা আমাদের বিষয়ে প্রত্যাবর্তন করি এবং দেখি আমাদের স্বৈরাতান্ত্রিক শাসক যে-বিপুল, বিচিত্র এবং সদাপরিবর্তমান সঙ্গীদল সংগ্রহ করেছে তাদের পালনের ব্যবস্থাটি তার কীরূপ?

    এ্যডিম্যান্টাস বললেন : মন্দিরে যদি পবিত্র সম্পদ সঞ্চিত থেকে থাকে তা হলে সে-সম্পদকে বাজেয়াপ্ত করে নিশ্চয়ই সে ব্যয় করবে। তার কোপগ্রস্তদের সম্পদ সে সংগ্রহ করবে। এবং এই কারণে জনতার উপর ধার্য করের পরিমাণ হয়তো কিছুটা কম হবে।

    কিন্তু এ-উপায় যখন ব্যর্থ হবে?

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : কেন, তখন তার পিতার সম্পদের ওপর নির্ভর করে সে এবং তার বালক-বন্ধু এবং বালিকা-বান্ধবীগণ জীবন ভোগ করতে থাকবে।

    তার পিতা বলতে তুমি নিশ্চয়ই জনতার কথা বলছ—যে-জনতা তার জনক? সেই জনকই পোষণ করবে তাকে এবং তার এরূপ সঙ্গীদলকে?

    হ্যাঁ, জনতার কোনো উপায়ান্তর নেই।

    কিন্তু ধরো, জনতা একদিন উত্তেজনায় ফেটে পড়ল। তার পুত্রকে ডেকে সে একদিন বলল, “বয়স্ক পুত্রকে পিতা পোষণ করে না। পুত্রেরই দায়িত্ব হচ্ছে পিতাকে পালন করা, তাকে রক্ষা করা। এ না হলে পুত্র-জন্মদানের সার্থকতা কোথায়? পুত্রকে পিতা জন্ম দিয়েছে, সে তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এইজন্য নয় যে, পুত্র বড় হলে পিতা তার নিজের গৃহভৃত্যেরও ভৃত্যের দাসে পরিণত হবে এবং পুত্রকে এবং তার উচ্ছৃঙ্খল সঙ্গীর দলকে তার পোষণ করতে হবে। পিতা পুত্রকে মানুষ করেছে এই আশা নিয়ে যে, পুত্র তাকে রক্ষা করবে, পুত্রের সাহায্যে সে ধনিক এবং অভিজাতদের শাসন থেকে মুক্তিলাভ করবে।’ কিন্তু বিপরীত ঘটনা ঘটছে। তাই পিতা অবশ্যই ক্রোধান্বিত হয়ে, অপর সকল পিতা যা করে তা-ই করবে। সে তার অধম পুত্র এবং তার অধম অবাঞ্ছিত সঙ্গীদের অবিলম্বে তার গৃহপরিত্যাগের আদেশ দেবে। কাজেই এ্যাডিম্যান্টাস, স্বেচ্ছাচারী শাককের পিতা যে-জনতা, সে ক্ষিপ্ত হতে পারে এবং যদি সে এরূপে ক্ষিপ্ত হয়, তখন কী হবে?

    এ্যাডিম্যান্টাস বললেন : এমন হলে তো ভয়ানক ব্যাপারই ঘটবে, সক্রেটিস। পিতা তা হলে উপলব্ধি করতে পারবে দুধ-কলা দিয়ে নিজের বুকে সে কী কালসাপ পুষেছে, কোন্ দানবকে সে এতদিন পালন করেছে। কিন্তু যদি সে এই সত্য উপলব্ধি করে, উত্তেজিত হয় এবং তাকে তার গৃহত্যাগের নির্দেশ দেয় তা হলে সে এটাও দেখবে, সে দুর্বল হয়ে পড়েছে, পুত্র তার চেয়ে ঢের বেশি শক্তিশালী।

    তার মানে এ্যাডিম্যান্টাস, তুমি বলতে চাও স্বেচ্ছাচারী পুত্র বৃদ্ধ পিতার গায়ে হাত তুলবে? পিতা যদি তার বিরোধিতা করে তবে পুত্র তাকে প্রহার করবে?

    হ্যাঁ,সক্রেটিস, পুত্র তা-ই করবে। পুত্র পিতাকে প্রথমে নিয়ন্ত্রণ করবে, তার পরে প্রহার করবে।

    তা হলে তো সে হবে পিতৃহন্তা, বৃদ্ধ পিতামাতার নিষ্ঠুর অভিবাবক, নিষ্ঠুর শাসক। জনতার হত্যাকারী। এবং যথার্থ স্বৈরতন্ত্রের এই হচ্ছে চরিত্র। স্বেচ্ছাচারী শাসকের এই চরিত্র সম্পর্কে আর সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। এবার সেই প্রবাদের বাক্যই সত্য হয়েছে : ‘কইমাছ তপ্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনানে ঝাঁপ দিয়েছে।’ যা ছিল ধোঁয়া, স্বাধীন নাগরিকের দাসত্ব, তা থেকে সে দাসের স্বেচ্ছাচারের আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। এমনিভাবে সীমাহীন স্বাধীনতা, সমস্ত শৃঙ্খলা এবং যুক্তিকে লংঘন করে যে-স্বাধীনতা, সে পরিণামে নিষ্ঠুরতম এবং তিক্ততম দাসত্বেই পর্যবসিত হয়।

    তুমি যথার্থ বলেছ, সক্রেটিস।

    তা হলে এ্যাডিম্যান্টাস, একথা কি আমরা বলতে পারি স্বৈরতন্ত্রের চরিত্র এবং গণতন্ত্র থেকে স্বৈরতন্ত্রের উদ্ভব কেমন করে ঘটে, সে-বিষয়টির আলোচনা বিস্তারিতভাবেই আমরা সম্পন্ন করেছি?

    হ্যাঁ সক্রেটিস, একথা আমরা অবশ্যই বলতে পারি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }