Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    সরদার ফজলুল করিম এক পাতা গল্প669 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. সমৃদ্ধ রাষ্ট্র

    অধ্যায় : ৭ [৩৭২ – ৩৭৪ ]

    সমৃদ্ধ রাষ্ট্র

    রাষ্ট্র রচনার গোড়াতে সক্রেটিস তাঁর রাষ্ট্রকে একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রাখতে চেয়েছিলেন, যেখানে কৃষক, বণিক, ব্যবসায়ী, নাবিক ও মজুর এই পাঁচটি অর্থনীতিক শ্রেণীই যথেষ্ট। “এই নাগরিকগণ নিজেদের জন্য খাদ্য, পানীয়, বস্ত্র, পাদুকা এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করবে। … গম এবং বার্লির ময়দা হবে তাদের প্রধান খাদ্য। এ দিয়ে তারা বিভিন্নপ্রকার খাদ্যবস্তু প্রস্তুত করবে। পরিচ্ছন্ন পত্রই তাদের খাদ্যদ্রব্য পরিবেশনের পাত্র হিসাবে ব্যবহৃত হবে।” মোটকথা এটি একটি সরল সমস্যাহীন রাষ্ট্র। সর্বকালের ও দেশের সমস্যাদীর্ণ মানুষই এরূপ অতীতকালের সরল সমস্যাহীন জীবনের কল্পনা করে। মানুষের মনে একটি বাসনা জাগে—যদি এরূপ সরল জীবনে ফিরে যাওয়া যেত তা হলে আর কোনো সমস্যা থাকত না। কিন্তু বহু পর্যায়ের মাধ্যমে উত্তীর্ণ এবং বিকশিত জটিল সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সংগঠনে সংগঠিত সমস্যাদীর্ণ মানুষের পক্ষে কি সেই সরল প্রকৃতির জীবনে প্রত্যাবর্তন করা সম্ভব? না, তা সম্ভব নয়। প্লেটো কল্পনাপ্রবণ বটে, কিন্তু তিনি বাস্তব গ্রীসের সমস্যার বাস্তব সমাধানেরই চেষ্টা করেছেন। সে-কারণেই তাঁর একনিষ্ঠ এই সংলাপ-প্রণয়ন-প্ৰয়াস। এমন সরল জীবনে ন্যায়-অন্যায়ের সমস্যা নেই। শাসক-শাসিতের সমস্যা নেই। তাই রাষ্ট্রকে তার বিকাশের দ্বিতীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে হয়। গ্লকন সেই পর্যায়ান্তরে যাওয়ার সূচনা করলেন তাঁর টিপ্পনী দিয়ে : সক্রেটিস, তোমার নগরবাসীদের খাদ্যে কিছু লবণের আবশ্যক হবে। না হলে তাতে সুস্বাদ সঞ্চারিত হবে না।

    “আমি বললাম যথার্থ। এ দিকটাতে আমি খেয়াল রাখতে পারি নি।…”

    তাই গড়ে ওঠে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র : “আমি বললাম, তোমার মনোভাবটি আমি বুঝতে পারছি। তোমার কথা হচ্ছে, কেবলমাত্র রাষ্ট্রের উদ্ভব দেখালেই চলবে না। আমাদের দেখাতে হবে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের কীভাবে উদ্ভব ঘটে। তোমার প্রস্তাবটি মন্দ নয় গ্লকন। কারণ তেমন রাষ্ট্রে ন্যায়-অন্যায়ের উদ্ভব হয়তো আমরা অধিকতর স্পষ্টভাবে লক্ষ করতে সক্ষম হব।” এ-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের যেমন কামনা অধিকতর সমৃদ্ধ হবার; তেমনি পার্শ্ববর্তী সমৃদ্ধিহীন রাষ্ট্রের চোখ এই সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের প্রতি, যদি একে দখল করে নিতে পারে। তাই সক্রেটিসের আদর্শ রাষ্ট্রেরও আবশ্যক সৈন্যবাহিনীর, একটি নূতন এবং বিশেষ শ্রেণীর, যাদের দায়িত্ব হবে দেশকে রক্ষা করা এবং সেজন্য কৌশল অনুশীলন করে যুদ্ধবিদ্যায় দক্ষ হওয়া। সক্রেটিসের আদর্শ রাষ্ট্র যে আদর্শ রাষ্ট্রসমূহের কোনো কাল্পনিক দুনিয়ায় নয়, সে যে আক্রমণোদ্যত বাস্তব রাষ্ট্রের দ্বারা পরিবেষ্টিত—এ-সত্যটি প্লেটোর রাষ্ট্র-পরিকল্পনার মূলের বাস্তব দিকটিকেই আবার আলোকিত করে তোলে।

    .

    এ্যাডিম্যান্টাসের একথা শুনে আমি বললাম : এ্যাডিম্যান্টাস, তোমার ধারণা যথার্থ হবে বলেই আমার বিশ্বাস। বেশ, তা হলে অনুসন্ধানের কাজটি পরিহার না করে, এসো আমরা বিচার করে দেখি ন্যায়-অন্যায়ের যথার্থ উৎপত্তি কোথায়।

    আমাদের রাষ্ট্রগঠন-প্রক্রিয়াটিতে আবার ফিরে যাওয়া যাক। কোন্ কোন্ শ্রেণীর নাগরিকের আবশ্যক, তা আমরা দেখেছি। এবার তাদের জীবনধারার কথা আলোচনা করা যাক। একথা তো সত্য যে, এই নাগরিকগণ নিজেদের জন্য খাদ্য, পানীয়, বস্ত্র, পাদুকা এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করবে। বাসস্থানের নিশ্চয়তার পরে তারা অবশ্যই নিজ নিজ কার্যে লিপ্ত হবে। ঋতুর ব্যতিক্রমে গ্রীষ্মে যদি তারা নগ্নদেহে এবং নগ্নপদে আপন-আপন জীবিকায় নিযুক্ত থাকতে পারে, শীতার্ত সময়ে অবশ্যই তাদের উপযুক্ত বস্ত্রাদি এবং পাদুকার প্রয়োজন হবে। রাষ্ট্রোৎপত্তির শুরুতে নাগরিকগণের জীবনধারাটিও আমরা কল্পনা করতে পারি। গম এবং বার্লির ময়দা হবে তাদের প্রধান খাদ্য। এ দিয়ে তারা বিভিন্নপ্রকার খাদ্যবস্তু প্রস্তুত করবে। পরিচ্ছন্ন পত্রই তাদের খাদ্যদ্রব্য পরিবেশনের পাত্র হিসাবে ব্যবহৃত হবে।

    তাদের খাদ্যগ্রহণ এবং পরিবেশনে একটা আনন্দের ভাব বিদ্যমান থাকবে। খাদ্য প্রস্তুত হলে তারা নিশ্চয়ই আরামের সঙ্গে আসন গ্রহণ করবে। পানপাত্রে মদ্য থাকবে। তাদের শিশুরা পুষ্পস্তবকে নিজেদের মস্তক আবৃত করে তাদের ঘিরে নৃত্য করবে। সবার কণ্ঠে দেবতাদের বন্দনা ধ্বনিত হবে। পারস্পরিক আনন্দ-সংলাপে এই সময়টি তাদের অতিবাহিত হবে। কিন্তু দারিদ্র্য এবং যুদ্ধের আশঙ্কার কথা তাদের বিস্মৃত হলে চলবে না। তাই তাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন পরিজনের সংখ্যা খাদ্যের পরিমাণকে অতিক্রম না করে।

    এ-সময়ে গ্লকন একটু ফোড়ন কাটলেন। গ্লকন বললেন : সক্রেটিস, তোমার নগরবাসীদের খাদ্যে কিছু লবণের আবশ্যক হবে। না হলে তাতে সুস্বাদ সঞ্চারিত হবে না।

    আমি বললাম : যথার্থ। এদিকটাতে আমি খেয়াল রাখতে পারিনি আমাদের নগরবাসীদের খাদ্য অবশ্যই সুস্বাদের হবে। বাদাম তৈল, লবণ এবং পনিরের তাতে মিশ্রণ থাকবে। গ্রামের লোকের ন্যায় তারা তাদের খাদ্যদ্রব্য মূল এবং ওষধি সহযোগে সিদ্ধ করবে। ডুমুর, পিঁয়াজ এবং মটরশুঁটিও তারা খাদ্যদ্রব্য হিসাবে গ্রহণ করবে। এরূপ হলে তাদের ভোজনটা গুরুভোজনই হবে। ভোজনের সঙ্গে সংযম সহকারে তারা মদ্যপানও করবে। এরূপ খাদ্যব্যবস্থায় তারা নিশ্চয়ই স্বাস্থ্য-সহকারে শান্তিতে পরিণত বয়স অবধি জীবিত থাকতে পারবে। পরিণত বয়সে মৃত্যুকালে সন্তানসন্ততির জন্য অনুরূপ জীবনের উত্তরাধিকারও তারা রেখে যেতে পারবে, এরূপ আমরা কল্পনা করতে পারি।

    গ্লকন আবার ফোড়ন কাটলেন : তোমার পরিকল্পনা অবশ্যই উত্তম সক্রেটিস। শুয়োরের শহরের জন্য এর চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা আর কী হতে পারে?

    আমি বললাম : গ্লকন, তোমার ইচ্ছাটি কী?

    গ্লকন বললেন : আমার তো মনে হয়, নাগরিকদের জন্য তোমার আধুনিক স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। তোমার নাগরিকগণ যদি আয়েশি হয় তা হলে তাদের জন্য বৃক্ষপত্রের বদলে অবশ্যই তুমি নরম গদির ব্যবস্থা করবে। কারণ তারা আহার করবে আহার গ্রহণের উচ্চ টেবিল থেকে। এবং আধুনিক রীতি অনুযায়ী তাদের খাদ্যতালিকায় থাকবে কিছু ঝাল-টক-চাটনি এবং মিষ্টি।

    আমি বললাম : তোমার মনোভাবটি আমি বুঝতে পারছি। তোমার কথা হচ্ছে, কেবলমাত্র রাষ্ট্রের উদ্ভব দেখালেই আমাদের চলবে না। আমাদের দেখাতে হবে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের কীভাবে উদ্ভব ঘটে। তোমার প্রস্তাবটি মন্দ নয়, গ্লকন। কারণ তেমন রাষ্ট্রে ন্যায়-অন্যায়ের উদ্ভব হয়তো আমরা অধিকতর স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করতে সক্ষম হব। আমার মতে অবশ্য আমি যেরূপ রাষ্ট্রের বর্ণনা করেছি তেমন রাষ্ট্রই সুস্থ-সংগঠনসম্পন্ন হতে পারে। বিলাস-ব্যসনের চরম প্রকাশও যদি কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থায় তুমি দেখতে চাও, তবে তার বর্ণনাও আমি করতে পারি। এমন রাষ্ট্রের নাগরিক অবশ্যই সহজ জীবনে সন্তুষ্ট হবে না। বিলাস-উপকরণকে তারা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করার আগ্রহ পোষণ করবে। গদি, টেবিল এবং অন্যান্য আসবাবই যথেষ্ট হবে না। তাদের প্রয়োজন হবে সুগন্ধিদ্রব্যাদির এবং পরিচর্যাকারী পরিচারক ও পরিচারিকার। খাদ্যদ্রব্যাদিও কেবল একপ্রকারের হলে চলবে না। বিভিন্নপ্রকার সুস্বাদু খাদ্যদ্রব্যের আবশ্যক হবে। মোটকথা, একটি সহজ জীবনের অত্যাবশ্যক হিসাবে যে-বাসস্থান, পরিচ্ছদ এবং পাদুকার কথা আমি প্রথমে উল্লেখ করেছিলাম তা এরূপ নাগরিকদের নিকট আদৌ যথেষ্ট বিবেচিত হবে না। বাসস্থানকেও সুশোভিত করতে হবে। এবং সেজন্য প্রয়োজন হবে চিত্রঅঙ্কনের এবং শোভন বস্ত্রের সূচিশিল্পীর। অঙ্গাভরণের জন্য আবশ্যক হবে স্বর্ণ, জগমতি এবং অন্যান্য মহার্ঘ দ্রব্য।

    গ্লকন বললেন : তা তো বটেই।

    তা হলে সমৃদ্ধির সীমানা আমাদের বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। কারণ গোড়াতে আমি যে-সুস্থ রাষ্ট্রের কল্পনা করেছিলাম সে-রাষ্ট্রের পক্ষে এরূপ সমৃদ্ধির ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। এবার তা হলে এমন জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে যার প্রয়োজন কেবল স্বাভাবিক অভাব-পূরণেই নিহিত নয়। নতুনতর শ্রেণীর এবার উদ্ভব ঘটবে। বাদক, কবি এবং নর্তকের আবশ্যক হবে। স্ত্রীলোকের বিশেষ পোশাকসহ বিভিন্নপ্রকার বস্ত্রের জন্য হরেক রকম বস্ত্র বয়নকারীরও প্রয়োজন হবে। এবং কেবল পরিচারক নয়, ধাত্রী, সেবিকা, ক্ষৌরকার, রন্ধনকারী, শূকর পালক ইত্যাকার অপরাপর শ্রেণীর লোক, যাদের আবশ্যকতা আমাদের প্রাথমিক রাষ্ট্রকল্পনাতে ছিল না, তাদের উদ্ভব ঘটবে। আর কেবল শুয়োরেই শেষ হবে না, লোকের খাদ্য হিসাবে জন্তু-জানোয়ারেরও প্রকারভেদের প্রয়োজন হবে। কী বল তুমি?

    হ্যাঁ, অবশ্যই।

    আর এ-জীবনে চিকিৎসকের প্রয়োজন আগের চেয়ে অধিক বৃদ্ধি পাবে।

    নিঃসন্দেহে।

    শুধু তা-ই নয়, গোড়াতে যে-রাষ্ট্রের আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম সে-রাষ্ট্রের পরিধিতে এত সংখ্যক নগরবাসীর আর স্থানসঙ্কুলান হবে না।

    একথা সত্য। পুরাতন সীমানা আর যথেষ্ট হবে না।

    এই স্থানসঙ্কুলান, পশু পালন এবং কৃষিকার্যের জন্য আমরা তখন আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একটি খণ্ডকে অধিকার করতে চাইব। প্রতিবেশী রাষ্ট্রও যদি আমাদের ন্যায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ সংগ্রহের নীতি গ্রহণ করে তবে সেও আমাদের রাষ্ট্রের একটি খণ্ড গ্রাস করতে চাইবে। একথা ঠিক নয় কি, গ্লকন?

    হ্যাঁ, সক্রেটিস, এ-অবস্থা অনিবার্য।

    এবার তা হলে আমাদের যুদ্ধ শুরু করতে হবে। কী বল, গ্লকন?

    অবশ্যই।

    তা হলে যুদ্ধ ভালো কি মন্দ সে-সিদ্ধান্তের পূর্বে একথা আমরা বলতে পারি যে, রাষ্ট্রীয় জীবনে ব্যক্তিগত কিংবা সংগঠনগত অন্যায়ের মূলে যে-কারণ, যুদ্ধের মূলেও রয়েছে সেই একই কারণ।

    হ্যাঁ, সক্রেটিস, নিঃসন্দেহে একথা সত্য।

    আর যুদ্ধের প্রয়োজন যখন এসে পড়েছে তখন রাষ্ট্রের আকার আমাদের আরও বৃদ্ধি করতে হবে। এবারের বৃদ্ধি সংখ্যার দুই-একটিতে নয়, এবারের বৃদ্ধি একটা পুরো সৈন্যবাহিনী গঠন পর্যন্ত পৌঁছবে। এই সেনাবাহিনী আমাদের রাষ্ট্রীয় অধিবাসী আর সম্পদ—সব কিছুকে রক্ষার জন্যই আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।

    কিন্তু সক্রেটিস, অধিবাসীকে রক্ষার প্রশ্ন কেন আসছে? অধিবাসীগণ কি নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম নয়?

    গ্লকনের এ-প্রশ্নের জবাবে আমি বললাম : না। যে-নীতির ভিত্তিতে আমরা রাষ্ট্র তৈরি করতে শুরু করেছিলাম সে-নীতি ঠিক হলে রাষ্ট্রের অধিবাসীগণ নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম নয়। গ্লকন, তোমার নিশ্চয়ই স্মরণ আছে, আমাদের নীতি ছিল এই যে, এক ব্যক্তি একাধিক শিল্প সফলতার সঙ্গে সম্পাদন করতে পারে না।

    হ্যাঁ, একথা আমার স্মরণ আছে সক্রেটিস।

    কিন্তু যুদ্ধ কি একটি শিল্পকর্ম নয়?

    যুদ্ধ অবশ্যই একটি শিল্পকর্ম।

    পাদুকা তৈরিতে যে-অধ্যবসায়ের আবশ্যক, যুদ্ধ করতেও সেই অধ্যবসায়ের আবশ্যক।

    একথা সত্য।

    অথচ পাদুকা প্রস্তুতকারককে একই সঙ্গে আমরা জমিকর্ষণকারী কিংবা বস্ত্রবয়নকারী অথবা গৃহনির্মানকারী বলে স্বীকার করিনি। কারণ, আমরা চেয়েছি পাদুকাশিল্পী উত্তমরূপে আমাদের পাদুকাই প্রস্তুত করবে। এজন্য প্রকৃতিগতভাবে যে-ব্যক্তি যে-কাজের উপযুক্ত আমরা তার উপর কেবলমাত্র সেই কাজের দায়িত্ব ন্যস্ত করেছি, অপর কাজের নয়। যার উপর যে-দায়িত্ব ন্যস্ত সে জীবনব্যাপী সে-দায়িত্বই পালন করবে, অপর কোনো দায়িত্ব নয়। তার নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে কোনো সুযোগকেই সে উপেক্ষা করবে না। আর এই একাগ্র সাধনাতেই সে উত্তম শিল্পী হিসাবে উত্তীর্ণ হবে। এই নীতিতে একজন সৈনিকের দায়িত্বের কথা বিবেচনা করা যাক। সৈনিকের দায়িত্ব উত্তমরূপে সম্পন্ন করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না। কিন্তু যুদ্ধ করার শিল্প বা দক্ষতা অর্জন কি এত সহজ যে সৈনিক কেবল সৈনিক নয়, একই সঙ্গে সে জমি-কর্ষণকারী, পাদুকা প্রস্তুতকারী এবং একজন কারিগর হওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবে? অথচ যে-পাশা খেলোয়াড় জীবনব্যাপী সাধনার পরিবর্তে অবসর বিনোদনের উপায় হিসাবে পাশাখেলাকে গ্রহণ করে তাকে আমরা দক্ষ পাশা খেলোয়াড় বলে গণ্য করিনে। একাগ্র অধ্যবসায় ব্যতীত কেবলমাত্র হাতিয়ার হাতে নিলেই একজন শ্রমিক দক্ষ কারিগরে পরিণত হয় না। একথা যদি সত্য হয়, তা হলে যে-সৈনিক কী করে অস্ত্র ব্যবহার করতে হয় সে-কৌশল আয়ত্ত করেনি কিংবা তা আয়ত্ত করার জন্য কোনো পরিশ্রম ব্যয় করেনি তার পক্ষেও অস্ত্র হাতে নিয়েই দক্ষ সৈনিক হওয়া আদৌ সম্ভব হবে না। ঢাল কিংবা তলোয়ার অথবা ভারী অপর কোনো যুদ্ধাস্ত্র হাতে পেলেই বিনা শিক্ষায় দিনাদিন কোনো সৈনিকের পক্ষে উত্তম যোদ্ধা বলে পরিগণিত হওয়া সম্ভব নয়।

    গ্লকন এই কথা স্বীকার করে বললেন : হ্যাঁ, যে-সাধনায় শিল্পী দক্ষতা অর্জন করবে সে সাধনার ক্রয়মূল্য খুব কম নয়।

    দেশরক্ষাকারীর দায়িত্ব অপর সকলের চেয়ে অধিক। এ-কারণে এই দায়িত্ব-পালনের দক্ষতা অর্জনে প্রয়োজন হবে অপর যে-কোনো শিল্পের চেয়ে অধিকতর সময়, কৌশল এবং প্রয়োগনৈপুণ্যের। ঠিক নয় কি, গ্লকন?

    একথা যথার্থ, সক্রেটিস।

    তা ছাড়া সৈনিকের পেশার জন্য যুদ্ধের একটা স্বভাবগত প্রবণতারও আবশ্যক হবে।

    অবশ্যই তার প্রয়োজন হবে।

    তা হলে, গ্লকন, দেশরক্ষার জন্য যাদের আমরা নির্বাচিত করব, দেখতে হবে স্বভাবগতভাবে যেন তারা একাজের উপযুক্ত হয়।

    হ্যাঁ, এদিকে লক্ষ রাখা আমাদের কর্তব্য হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার
    Next Article প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026
    Our Picks

    প্রবাদ মালা – রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার

    May 9, 2026

    প্লেটোর রিপাবলিক – সরদার ফজলুল করিম

    May 9, 2026

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }